Tag: Orion Spacecraft

Orion Spacecraft

  • Artemis 1 Mission: জোড়া ব্যর্থতার পর অবশেষে সফল হল নাসার ‘আর্টেমিস ১’-এর উৎক্ষেপণ

    Artemis 1 Mission: জোড়া ব্যর্থতার পর অবশেষে সফল হল নাসার ‘আর্টেমিস ১’-এর উৎক্ষেপণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একের পর এক বাধা কাটিয়ে শেষপর্যন্ত চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিয়ে সফল হল নাসার ‘আর্টেমিস ১ মিশন’ (Artemis 1 Mission)। চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিল যাত্রীবিহীন মহাকাশযান ‘ওরিয়ন’। চাঁদে ফের মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে আমেরিকার এই মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। আর আজ তার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হল। ভারতীয় সময় দুপুর ১২টা ১৭ নাগাদ ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে লঞ্চ হল নাসার ‘আর্টেমিস ১’।

    বাধা কাটিয়ে সফল উৎক্ষেপণ

    আর্টেমিস-১-এর সফল উৎক্ষেপণের উপর নির্ভর করেই আগামী দিনে নাসা চন্দ্রাভিযান নিয়ে আরও বড় আকারের পরিকল্পনা করবে (Artemis 1 Mission)। এর আগে যান্ত্রিক কারণে দুবারের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। পরপর দুবার বাতিল করা হয়েছে উৎক্ষেপণ। একবার ইঞ্জিনে ত্রুটি, একবার হাইড্রোজেন গ্যাসের লিকের কারণে উৎক্ষেপণ করা হয়নি। কিন্তু এবার এই যানটি চাঁদের কক্ষপথে গিয়ে যানটিকে কক্ষপথে ছেড়ে দেবে। ক্যাপসুলের মতো খুলে যাবে ঢাকনা। বেরিয়ে আসবে যানটি। চাঁদকে প্রদক্ষিণ করে অবতরণের জায়গাগুলো চিহ্নিত করে আসবে ওরিয়ন। মহাকাশচারীদের জন্য লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম ঠিকঠাক ভাবে কাজ করছে কি না তা খুঁটিয়ে পরীক্ষা করে আসবে স্পেস রকেট।

    আরও পড়ুন: চাঁদের বুকে কোথায় নামবেন মহাকাশচারীরা? ১৩টি জায়গা বেছে নিল নাসা

    আর্টেমিস মিশনের তিনটি ধাপ

    দীর্ঘ ৫০ বছর পর চাঁদে মানুষ পাঠানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। তাই এর তোড়জোড়ও শুরু হয়ে গিয়েছে পুরোদমে। এরই মধ্যে এক ধাপ সফল হয়েছে। নাসার চাঁদে মানুষ পাঠানোর মিশন সম্পন্ন হবে মোট ৩টি ধাপে। যার প্রথম ধাপ ‘আর্টেমিস ১’। এটি যাত্রীবিহীন অভিযান। যার মূল লক্ষ্য, চাঁদের মাটিতে নামার জন্য সম্ভাব্য ‘ল্যান্ডিং সাইট’গুলি চিহ্নিত করা। অর্থাৎ কোথায় মহাকাশচারীরা অবতরণ করবেন তা চিহ্নিত করা। এরপর একই পরীক্ষা হবে মিশনের দ্বিতীয় ধাপেও। তা সফল হলে তৃতীয় ধাপের অভিযানে চাঁদে পাড়ি দেবে মানুষ (Artemis 1 Mission)।

    উল্লেখ্য, নাসার তরফে জানানো হয়েছে, এটি আবার পৃথিবীর দিকে ফিরে আসবে একটি নির্দিষ্ট সময় পর। প্রশান্ত মহাসাগরে ল্যান্ড করার আগে ওরিয়ন চাঁদকে প্রদক্ষিণ করবে। অনুমান করা হয়েছে, এটি ২৫ থেকে ২৬ দিনের মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগরে ল্যান্ড করবে।  

  • Artemis 1 Mission: ‘নাসা’-র তৈরি রকেটে যান্ত্রিক গোলযোগ! শেষ মুহূর্তে স্থগিত আর্টেমিস ১ উৎক্ষেপণ

    Artemis 1 Mission: ‘নাসা’-র তৈরি রকেটে যান্ত্রিক গোলযোগ! শেষ মুহূর্তে স্থগিত আর্টেমিস ১ উৎক্ষেপণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেবারে শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হল আর্টেমিস-১ মিশনের (Artemis 1 Mission) চন্দ্রযান যাত্রা। সোমবার অর্থাৎ গতকালই এক ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু হওয়ার কথা ছিল। ঠিক ছিল গতকাল ভারতীয় সময়ের সন্ধ্যে ৬টা নাগাদ ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে এসএলএস রকেটটিকে চাঁদের উদ্দেশে উৎক্ষেপণ করা হবে। কিন্তু রকেট উৎক্ষেপণের ঠিক ৪০ মিনিট আগে হঠাৎ রকেটের প্রধান চারটি ইঞ্জিনের মধ্যে একটিতে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দিলে নাসার ইঞ্জিনিয়াররা তৎক্ষণাৎ মিশন থামিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, নাসার তরফে জানানো হয়েছে, ৩০ অগাস্ট একটি প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়েছে. যেখানে ঘোষণা করা হবে যে এরপর কবে রকেট উৎক্ষেপণের দিন নির্ধারণ করা হবে। তবে জানা গিয়েছে, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার  ফের রকেট উৎক্ষেপণের পরবর্তী দিন ঠিক করা হবে। আপাতত চন্দ্রযান লঞ্চ প্যাডের জায়গাতেই থাকবে।

    আরও পড়ুন: আর্টেমিস ১ মিশনের প্রথম ধাপ! আজই চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিতে চলেছে নাসার মহাকাশযান

    ঠিক কী কারণে যান্ত্রিক ত্রুটি হয়েছে, সেটাই খতিয়ে দেখছেন নাসার ইঞ্জিনিয়ারদের দল। তারপরেই জানা যায়, রকেটের চারটি আরএস-২৫ ইঞ্জিনের একটিতে তাপমাত্রা জনিত সমস্যার কারণে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা যায়। এছাড়াও হাইড্রোজেন জ্বালানির ট্যাঙ্কে হাইড্রোজেন ভরাট করার সময় ফুটো দেখা দিয়েছিল। সেই সঙ্গে দেখা দেয় খারাপ আবহাওয়ার সমস্যাও। এরপরেই এই যাত্রা স্থগিত করা হয়।

    তবে তাঁরা আশাবাদী, যে শীঘ্রই এই সমস্যাগুলোর  সমাধান করা হবে। চন্দ্র অভিযানের প্রথম পর্যায় হিসেবে, এদিন নাসার তৈরি এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (SLS)  উড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আর্টেমিস মিশনের প্রথম ধাপেই বড় বাধার সম্মুখীন হতে হল নাসা-কে(NASA)।

    আরও পড়ুন: মানুষ তো খেলনা নয়! জানেন কি আর্টেমিস-১ রকেটে করে মহাকাশে পাঠানো হচ্ছে ‘খেলনা-মানুষ’?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Artemis 1 Mission: চাঁদের বুকে কোথায় নামবেন মহাকাশচারীরা? ১৩টি জায়গা বেছে নিল নাসা

    Artemis 1 Mission: চাঁদের বুকে কোথায় নামবেন মহাকাশচারীরা? ১৩টি জায়গা বেছে নিল নাসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন পরেই শুরু হতে চলেছে নাসা-র (NASA) আর্টেমিস ১ প্রোগ্রাম (Artemis 1 Program)। খুব শীঘ্রই নাসা লঞ্চ করতে চলেছে আর্টেমিস ১ মিশনের স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (Space Launch System) (SLS)  রকেট। আর বছর দুয়েক পর ফের চাঁদের মাটিতে পা রাখতে চলেছে মানুষ। আমেরিকান মহাকাশ সংস্থা  নাসা (NASA) চাঁদে সম্ভাব্য কোথায় অবতরণ করবে তাও ঘোষণা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: মানুষ তো খেলনা নয়! জানেন কি আর্টেমিস-১ রকেটে করে মহাকাশে পাঠানো হচ্ছে ‘খেলনা-মানুষ’?

    ২৯ অগাস্টেই মহাকাশের পথে যাত্রা করবে আর্টেমিস ওয়ানের ওরিয়ন স্পেসক্রাফট (Orion Spacecraft)। নাসা-র স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেটটিকে ২৯ অগাস্ট লঞ্চ করা হবে। নাসা শুক্রবার একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, আর্টেমিস থ্রি মিশনে মহাকাশচারীরা চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি অঞ্চলে অবতরণ করতে চলেছে। দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি ১৩ টি জায়গা নাসা বেছে নিয়েছে অবতরণ করার জন্য। আর্টেমিস থ্রি মিশনটি ২০২৫ সালে মহাকাশচারীদের নিয়ে শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। অ্যাপালো মিশন বন্ধ হওয়ার পর পাঁচ দশকের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে।

    আরও পড়ুন: আর্টেমিস-১ মুন মিশনে ভারতীয় যোগ, প্রকল্পে যুক্ত হলেন বিজ্ঞানী অমিত পাণ্ডে

    যেই ১৩ টি জায়গা বেছে নেওয়া হয়েছে, সেগুলো হল ফাউস্টিনি রিম এ, পিক নিয়ার শ্যাকলটন, কানেক্টিং রিজ, কানেক্টিং রিজ এক্সটেনশন, ডি গারলাচে রিম 1, ডি গারলাচে রিম 2, ডি গারলাচে-কোচার ম্যাসিফ, হাওর্থ, মালাপের্ট ম্যাসিফ, লিবনিটজ বিটা মালভূমি, নোবিল রিম 1, নোবিল রিমসেন 2। এই জায়গাগুলো চাঁদের দক্ষিণ মেরুর অক্ষাংশের ৬ ডিগ্রির মধ্যে অবস্থিত। নাসা আরও জানায়, যেই জায়গাগুলো বেছে নেওয়া হয়েছে, সেগুলোকে নিয়ে বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়ারদের একটি দল গবেষণা করছে। মূলত, ভূখণ্ড, যোগাযোগ ব্যবস্থা, আলোর ব্যবস্থা, মহাকাশচারীদের অনুকূল পরিবেশের ওপর গুরুত্ব দিয়ে অবতরণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। আর্টেমিস মিশনের মাধ্যমে নাসা প্রথম চাঁদে মহিলা পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। নাসা থেকে জানানো হয়েছে, যদিও চাঁদের প্রতিটি অঞ্চলেই অবতরণের পরিবেশ রয়েছে। কিন্তু তার মধ্যে চাঁদের দক্ষিণ মেরুকেই বেছে নেওয়া হচ্ছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Artemis 1 Mission: মানুষ তো খেলনা নয়! জানেন কি আর্টেমিস-১ রকেটে করে মহাকাশে পাঠানো হচ্ছে ‘খেলনা-মানুষ’?

    Artemis 1 Mission: মানুষ তো খেলনা নয়! জানেন কি আর্টেমিস-১ রকেটে করে মহাকাশে পাঠানো হচ্ছে ‘খেলনা-মানুষ’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর কয়েকটা দিনেরই অপেক্ষা। কিছুদিন পরেই শুরু হতে চলেছে নাসা-র (NASA) আর্টেমিস ১ প্রোগ্রাম (Artemis 1 Programme)। আবহাওয়া ঠিক থাকলে ২৯ অগাস্টেই মহাকাশের পথে যাত্রা করবে আর্টেমিস ওয়ানের ওরিয়ন স্পেসক্রাফট (Orion Spacecraft)। নাসা-র (NASA) স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (Space Launch System) (SLS) রকেটটিকে ২৯ অগাস্ট লঞ্চ করা হবে। গত বুধবার রকেটটিকে লঞ্চ প্যাডের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং একে লঞ্চ করার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে কোনও মহাকাশচারী ছাড়াই একে চাঁদে পাঠানো হবে।

    সংবাদমাধ্যমে জানা গিয়েছে, ওরিয়ন স্পেসক্রাফ্টে কোনও মানুষ না থাকলেও, থাকবে তিনটি ম্যানেকিন অর্থাৎ মানুষের মত পুতুল, কিছু খেলনা এবং সঙ্গে অ্যামাজন অ্যালেক্সা। এছাড়াও এমন কিছু জিনিস যার সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষাগতমূলক গুরুত্ব আছে।

    মুনিকিন ক্যাম্পোস (Moonikin Campos) নামে ম্যানেকিনটি ওরিয়নের ভেতরে কমান্ডারের জায়গায় থাকবে। লঞ্চের সময় এটিকে ওরিয়ন সারভাইভাল সিস্টেম স্যুট (Orion Survival System suit) পরানো হবে। এই স্যুটটি মহাকাশচারীদের জন্যই তৈরি করা হয়েছে। এই ম্যানিকুইনটি সেন্সরের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রেকর্ড করবে। কমান্ডারের সিটটি সেন্সর দিয়ে তৈরি করা আছে যা মিশনের সময় গতিবেগ ও ভাইব্রেশনকে ট্র্যাক করবে।

    আরও পড়ুন: মহাকাশচারী ছাড়াই চাঁদে পাড়ি দেবে নাসার তৈরি স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেট

    হেলগা ও জোহার (Helga & Zohar) নামের অন্য দুটি ম্যানিকুইনের কাছে ৫৬০০টি সেন্সর ও ৩৪ টি রেডিয়েশন ডিটেক্টর রয়েছে যার মাধ্যমে তারা মিশনের রেডিয়েশন এক্সপোজার লেভেল (mission’s radiation exposure level) রেকর্ড করবে।

    আবার অ্যামাজনের ভয়েস অ্যাসিসেন্ট অ্যালেক্সাও (Alexa) এই মিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অ্যালেক্সার অন্য ভার্সন ক্যালিস্টো (Callisto) নামের ডিভাইসের মাধ্যমে দেখা হবে যে মহাকাশে এই ধরনের ডিভাইসের কাজ করার কতটা দক্ষতা রয়েছে। মহাকাশচারী এবং ফ্লাইট কন্ট্রোলাররা কীভাবে তাদের কাজকে আরও দক্ষতার সঙ্গে এবং নিরাপদে করতে প্রযুক্তিটি ব্যবহার করতে পারে তা দেখাই এর লক্ষ্য।

    এই স্পেসক্রাফটে স্নুপি (Snoopy) নামের একটি খেলনাও পাঠানো হবে। আমেরিকান কার্টুনিস্ট চার্লস এম শ্লুজ (Charles M. Schulz) এই খেলনাটিকে একেছিলেন। তিনি এটি প্রথম নাসা-এর অ্যাপোলো প্রোগ্রামের সময় একেছিলেন এবং তারপর থেকেই স্নুপি মহাকাশ সংস্থার মিশনের সাথে যুক্ত। এদিকে স্নুপি খেলনাটি স্পেসক্র্যাফটের ভেতরে জিরো গ্র্যাভিটি ইন্ডিকেটর (Zero Gravity Indicator) হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

    প্রসঙ্গত, চাঁদে শেষবার মানুষ পাড়ি দিয়েছিলেন ১৯৭২ সালের অ্যাপোলো মিশনে। পাঁচ দশকের পর আবার চাঁদে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে নাসা (NASA)। সে পরিকল্পনায় প্রথম বড় পদক্ষেপ হতে চলেছে আর্টেমিস ১ মিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Artemis Mission 1: আশায় বুক বাঁধছে নাসা! ‘আর্টেমিস ১’ মিশন উৎক্ষেপণের নতুন দিন ৩ সেপ্টেম্বর

    Artemis Mission 1: আশায় বুক বাঁধছে নাসা! ‘আর্টেমিস ১’ মিশন উৎক্ষেপণের নতুন দিন ৩ সেপ্টেম্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন মহাকাশ সংস্থা ‘নাসা’ (NASA) শনিবার অর্থাৎ ৩ সেপ্টেম্বর ফের চাঁদের মাটিতে ‘আর্টেমিস-১ মিশনের’ (Artemis 1 Mission) রকেট উৎক্ষেপণের আরেকটি প্রচেষ্টা চালাবে। গত সোমবারই পৃথিবীর মাটি ছেড়ে চাঁদের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা ছিল ‘স্পেস লঞ্চ সিস্টেম’ রকেটের। কিন্তু লঞ্চ করার একেবারে শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করা হয়। নাসা থেকে ট্যুইট করে জানানো হয়েছে যে ‘আর্টেমিস-১ এর ইঞ্জিনে কিছু সমস্যার কারণে আজ লঞ্চ হচ্ছে না।‘

    নাসার পরিকল্পনা অনুযায়ী ঠিক ছিল, ২৯ অগাস্ট ভারতীয় সময়ের সন্ধ্যে ৬টা নাগাদ ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে এসএলএস (SLS) রকেটটিকে চাঁদের উদ্দেশে উৎক্ষেপণ করা হবে। কিন্তু রকেট উৎক্ষেপণের ঠিক ৪০ মিনিট আগে হঠাৎ রকেটের প্রধান আরএস-২৫ চারটি ইঞ্জিনের মধ্যে একটিতে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দিলে নাসার ইঞ্জিনিয়াররা তৎক্ষণাৎ মিশন থামিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ইঞ্জিনে তাপমাত্রা জনিত সমস্যার কারণে সেদিন যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা যায়। শুধু তাই নয়, জ্বালানির ট্যাঙ্কে হাইড্রোজেন ভরাট করার সময়  ট্যাঙ্কে ফুটোও ধরা পডড়েছিল। ফলে তড়িঘড়ি বিজ্ঞানীরা সেদিন মিশন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

    আরও পড়ুন: চাঁদের বুকে কোথায় নামবেন মহাকাশচারীরা? ১৩টি জায়গা বেছে নিল নাসা

    এরপরেই নাসা থেকে জানানো হয়েছিল যে, তারা এক প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে পরবর্তী লঞ্চ করার তারিখ জানাবেন। এরপর মিশন ম্যানেজার মাইকেল স্যারাফিন একটি বিবৃতিতে জানান, ৩ সেপ্টেম্বর ফ্লোরিডার সময় অনুযায়ী, বেলা ২টা ১৭ মিনিটে উৎক্ষেপণ করা হবে। সোমবার, নাসা ফ্লোরিডার উপকূলের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে মহাকাশযান ছাড়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে রকেটের ইঞ্জিনে সমস্যা, হাইড্রোজেন লিক এবং খারাপ আবহাওয়া সহ বেশ কয়েকটি কারণে এটির উৎক্ষেপণ স্থগিত হয়ে যায়। তবে শনিবারই যে উৎক্ষেপণে সফল হবেন তেমন কোনও গ্যারান্টি দেননি। কিন্তু তাঁরা চেষ্টা করবেন বলে জানানো হয়েছে। আরও জানানো হয়েছে, সেদিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস থেকে অনুমান করা হয়েছে, শনিবার রকেট উৎক্ষেপণ করার জন্য ৬০ শতাংশ সুযোগ রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share