Tag: ORS

ORS

  • Heat Wave: অসহ্য গরমে বাড়ছে সান স্ট্রোকের আশঙ্কা! কীভাবে সুস্থ থাকবেন?  

    Heat Wave: অসহ্য গরমে বাড়ছে সান স্ট্রোকের আশঙ্কা! কীভাবে সুস্থ থাকবেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরমের দাপট অব্যাহত! তাপমাত্রার পারদ চড়ছে (Heat Wave)। আর তার জেরেই বাড়ছে অস্বস্তি! সান স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়ছে। দিন কয়েক আগে হলদিয়ায় চিত্তরঞ্জন মেডিক্যাল কলেজের এক চিকিৎসক পড়ুয়া সান স্ট্রোকে মারা যান। বহু মানুষ প্রতিদিন বাইরে সান স্ট্রোকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তাই চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, বাড়তি সতর্কতা জরুরি। না হলে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। 

    কীভাবে বুঝবেন সান স্ট্রোকের (Heat Wave) ঝুঁকি বাড়ছে? 

    তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলেই সান স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। তাই যে সব দিন তাপমাত্রার পারদ ৪০-এর চৌকাঠ পার করবে (Heat Wave), সেদিন বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা নিতে হবে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। হঠাৎ জ্ঞান হারানো সান স্ট্রোকের অন্যতম লক্ষণ। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, গরমে অনেকের রক্তচাপ ওঠা-নামা করে। তাদের সান স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি। তাই রক্তচাপ ওঠা-নামা করলে বাইরে বেরনোর ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। অতিরিক্ত ঘামের জেরে ডিহাইড্রেশন হয়। তাই সান স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়ে। মানসিক অস্থিরতা, কথা জড়িয়ে যাওয়ার লক্ষণ হঠাৎ দেখা দিলে, তা সান স্ট্রোকের ইঙ্গিত বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। বার বার বমি হওয়া কিংবা শরীরের উত্তাপ হঠাৎ বেড়ে যাওয়াও সান স্ট্রোকের উপসর্গ।

    গরমে কীভাবে মোকাবিলা করবেন সান স্ট্রোক? 

    গরমে সান স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়াতে চিকিৎসকদের পরামর্শ, বেশি পরিমাণ জল ও ফলের রস খাওয়া দরকার। বাজারের প্যাকেটজাত পানীয় নয়। তরমুজ, ডাবের সরবত নিয়ম করে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাছাড়া জলের সঙ্গে নুন-চিনি মিশিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতির ওআরএস-ও ভালো।
    রক্তচাপ ওঠা-নামা করলে বেলা ১১ থেকে ৩ টের মধ্যে বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাছাড়া যাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে না, তাদের গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা বা বন্ধ গাড়িতে না থাকাই ভালো। কারণ, বন্ধ গাড়িতে গরম বেশি হয়। শ্বাসকষ্টের সমস্যা অনেক সময় তৈরি হয়। আবার, গাড়ির ভিতরে অসুস্থ হয়ে পড়লে, তা টের পাওয়া যায় না। মদ্যপান গরমে এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।  তাঁদের মতে, অতিরিক্ত ব্যায়াম না করাই ভালো। কারণ, তাতে ঘাম বেশি হয় (Heat Wave)। আর বেশি ঘাম হলেই সান স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। 
    তবে, সবচেয়ে জরুরি, বাইরে কোনও রকম শারীরিক অসুবিধা মনে হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া। আর কেউ হঠাৎ জ্ঞান হারালে সরাসরি জল না দিয়ে ভিজে কাপড় দিয়ে চোখ-মুখ পরিষ্কার করা। আশপাশ ফাঁকা রাখা, যাতে অক্সিজেনের অভাব না হয়। এসবই খেয়াল রাখা দরকার বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heat Wave: গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে হরিণ ও ময়ূরকে দেওয়া হচ্ছে ওআরএস এবং গ্লুকোজ, কোথায় জানেন?

    Heat Wave: গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে হরিণ ও ময়ূরকে দেওয়া হচ্ছে ওআরএস এবং গ্লুকোজ, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এপ্রিল মাস পড়তে না পড়তেই শুরু হয়েছে গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ (Heat Wave)। প্রখর রোদে পুড়ছে বঙ্গবাসী। তবে এই তীব্র তাপপ্রবাহ কেবল মানবজীবনেই প্রভাব ফেলেছে তা নয়, নাজেহাল অবস্থা পশুপাখিদেরও। তাই এই আবহাওয়া থেকে কাঁকসার দেউলের জঙ্গলে হরিণ ও ময়ূরদের রক্ষা করতে বন দফতর বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে৷ সকাল থেকেই রোদের তেজ তীব্র গতিতে বাড়তে থাকার পাশাপাশি হরিণ ও ময়ূরদের ওআরএস ও গ্লুকোজ খাওয়ানো হচ্ছে। এছাড়াও তাদের শরীরের জলশূন্যতা রুখতে ও সুস্থ রাখতে খাওয়ানো হচ্ছে টাটকা শাকসবজি, আখের গুড়, ভেজানো ছোলা, বিটনুন ও ভূষি। পাশাপাশি তাদের ওপর সারাক্ষণ বনকর্মীদের দিয়ে চলছে বিশেষ নজরদারি। দুর্গাপুর বন দফতরের এমনই দাবি।

    ঠিক কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে বন দফতর?

    বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯৯২ সালে গৌরাঙ্গপুর গ্রামের দেউলের জঙ্গলে হরিণ ও ময়ূরের জন্য সংরক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়। এটি শিবপুর বিট অফিসের আওতাধীন। সেখানকার বিট অফিসার অনুপকুমার মন্ডল সহ প্রায় ১৮ জন বনকর্মী হরিণ ও ময়ূরের দেখভাল করেন। বর্তমানে সেখানে মোট ৯৬ টি চিতল হরিণ রয়েছে। যার মধ্যে সদ্যোজাত প্রায় ৭ টি হরিণশাবকও রয়েছে। এছাড়াও ময়ূরের সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়েছে। যদিও ময়ূরের বংশবিস্তার শুধুমাত্র সংরক্ষণ কেন্দ্রের মধ্যে আর থেমে নেই। কাঁকসার জঙ্গলমহলের লোকালয়েও ময়ূর ছড়িয়ে গিয়েছে। প্রায় ৮ মাস ধরে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় ওই সংরক্ষিত এলাকার শাল-পিয়ালের জঙ্গলের সবুজায়ন হারিয়েছে। বসন্তকালের শুরুতেই সমস্ত গাছের পাতা ঝরে গেলেও বৃষ্টিপাতের অভাবে নতুন করে পাতা এখনও তেমনভাবে গজিয়ে ওঠেনি। পাশাপাশি সংরক্ষিত এলাকায় ঘাস সহ ঝোপঝাড় গজিয়ে না ওঠায় হরিণের খাবারের অনেকটাই ঘাটতি দেখা গিয়েছে। চড়া রোদের তাপ (Heat Wave) ও লু থেকে হরিণ সহ ময়ূরের অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা থাকায় বন দফতর তড়িঘড়ি তাদের স্বাস্থ্যের ওপর নজর দিয়েছে। পশু চিকিৎসকের পরামর্শমতো ওআরএস ও গ্লুকোজ তাদের খাবারের জলে মেশানো হচ্ছে। এছাড়াও ভেজানো ছোলা ও আখের গুড় খাওয়ানো হচ্ছে। গাজর সহ টাটকা শাকসবজি ও গাছের কচি পাতা সংগ্রহ করে দেওয়া হচ্ছে।

    কী জানাচ্ছেন বন দফতরের আধিকারিকরা?

    বন দফতরের দুর্গাপুর রেঞ্জ অফিসার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যে হারে দাবদাহ (Heat Wave) বেড়ে চলেছে এপ্রিলের শুরু থেকেই, তাতে সংরক্ষিত হরিণ ও ময়ূরগুলিকে সুস্থ রাখতে আমরা ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। প্রতিদিন প্রায় ২০ প্যাকেট ওআরএস দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি গ্লুকোজ থেকে গুড়, ছোলা, শাকসবজিও দেওয়া হচ্ছে। পশু চিকিৎসকের পরামর্শমতো আগামী মে ও জুন মাস পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে দেওয়া হবে। যাতে এই তীব্র তাপপ্রবাহে তারা অসুস্থ না হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় জঙ্গলে গাছের পাতা ও ঘাস তেমনভাবে এখনও গজিয়ে উঠতে পারেনি। আমরা গাছের কচি পাতা সংগ্রহ করে হরিণগুলিকে দিচ্ছি। পাশাপাশি ময়ূরকে গম দেওয়া হয় সারা বছর। এখনও পর্যন্ত কোনও হরিণ অসুস্থ হয়নি। তাদের ওপর সর্বক্ষণ বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ORS: ডিহাইড্রেশন রুখতে সঙ্গে রাখছেন ‘ওআরএস’! ভাল করে দেখে নিয়েছেন তো?

    ORS: ডিহাইড্রেশন রুখতে সঙ্গে রাখছেন ‘ওআরএস’! ভাল করে দেখে নিয়েছেন তো?

     তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    চলতি সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গের জেলাজুড়ে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির চৌকাঠ পেরিয়ে উর্ধ্বমুখী! কিন্তু তার মধ্যেও কাজের জন্য বাইরে যেতে হচ্ছে, ঘামও হচ্ছে প্রচুর। শরীর ঠান্ডা আর সুস্থ রাখতে অনেকেই তাই সঙ্গী করছেন ওআরএসের (ORS) প্যাকেট। গুঁড়ো প্যাকেট নয়, একেবারে তৈরি প্যাকিং ওআরএস। জলে গোলার ঝামেলা নেই। এমনকী আপেল, আনারস কিংবা কমলালেবুর নানান রকমারি স্বাদের তৈরি জিনিস! গরমে তেষ্টা মেটানোর সঙ্গে দিচ্ছে আরাম। কিন্তু বিশেষজ্ঞেরা সতর্ক করছেন, সেখানে বিপদ লুকিয়ে আছে কি না, দেখে নিয়েছেন তো? আসুন, তার আগে শুরুতেই জেনে নিই, এই ওআরএস আসলে কী?

    ওআরএস কী? 

    শরীরে জলের পরিমাণ ঠিক রাখতে ওআরএস (ORS) অত্যন্ত কার্যকর। অতিরিক্ত ঘাম হলে কিংবা কলেরার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দেহে ডিহাইড্রেশন রুখতে ওআরএস বিশেষ কাজ দেয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০০২ সালে ওআরএস অর্থাৎ, ওরাল রিহাইড্রেশন সল্টে কী কী উপাদান কত পরিমাণ থাকবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু অভিযোগ, অনেক কোম্পানিই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিয়ম মেনে ওআরএস তৈরি করছে না। ফলে, সেসব ক্ষেত্রে উপকারের থেকে ক্ষতির ঝুঁকিই বাড়ছে। অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ওআরএস-এর নামে যা বিক্রি করছেন, তা কেবল প্যাকিং ঠান্ডা পানীয় ছাড়া কিছুই নয়। তাতে শরীরের জন্য লাভ তো নেই। বরং, শিশুদের জন্য ক্ষতিকর বলেই মনে করছে চিকিৎসক মহল। 

    সমস্যা কোথায়? 

    বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, বেশ কিছু জায়গায় এমন কিছু সুস্বাদু পানীয় প্যাকিং করে বিক্রি করা হচ্ছে, যাকে বিক্রেতারা ওআরএস বলছেন। সাধারণ মানুষ অনেক সময়েই ওআরএস (ORS) কিনা, তা যাচাই করছেন না। ওই প্যাকেট পানীয় শিশুদের জন্য বেশ ক্ষতিকারক। শিশুদের পেটের সমস্যা হলে কিংবা অতিরিক্ত ঘামে ক্লান্ত হয়ে গেলে ওই ধরনের প্যাকেট পানীয় বিপদ বাড়াচ্ছে। কারণ, অধিকাংশ ক্ষেত্রে ওই সব পানীয়তে যে উপাদান থাকে, তাতে দেহে পটাসিয়াম, সোডিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। এমনকী ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। তাই শিশুদের ওআরএস দেওয়ার আগে বাড়তি সতর্ক ও যাচাই জরুরি বলেই পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। 

    কীভাবে চিনবেন ওআরএস? 

    বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার  ফর্মুলা ওআরএস-র (ORS) প্যাকেটে ছাপা আছে কিনা, তা যাচাই করে নিতে হবে। যদি না থাকে, তাহলে ওষুধ দোকান কিংবা যে কোনও বিক্রেতার কথায় ওআরএস হিসাবে অন্য কোনও পানীয় কিনলে তা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক হতে পারে। চিকিৎসকদের পরামর্শ, দোকানের প্যাকেট ওআরএস-এর পরিবর্তে বাড়িতে নুন-চিনি মিশিয়ে জল খেলেও একরকম উপকার হবে। তবে, যাদের ডায়বেটিসের বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে, তাদের যে কোনও পানীয় খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কারণ, অতিরিক্ত পরিমাণ নুন, চিনি তাদের শরীরে অন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share