Tag: otp

otp

  • TRAI Deadline: ডিসেম্বর থেকে মোবাইলে বন্ধ হবে ওটিপি? ট্রাইয়ের নয়া নিয়ম না মানায় বিপত্তি

    TRAI Deadline: ডিসেম্বর থেকে মোবাইলে বন্ধ হবে ওটিপি? ট্রাইয়ের নয়া নিয়ম না মানায় বিপত্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা ট্রাই-এর (TRAI Deadline) নয়া নিয়মের জেরে চলতি বছরের ৩০ নভেম্বর পর বন্ধ হয়ে যেতে পারে মোবাইলে ওটিপি (OTP) আসা। মোবাইলে ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) পরিষেবা  নিয়ে সমস্যা তৈরি হতে পারে ১ ডিসেম্বর থেকে। এর জেরে সমস্যায় পড়তে পারেন ভারতের কোটি কোটি মোবাইল ব্যবহারকারী। অনলাইনে ব্যাঙ্কিং লেনদেন হোক বা ই-কমার্স সাইট থেকে জিনিস কেনা-ওটিপি আসতে দেরি হলে বা আসা বন্ধ হয়ে গেলে, এ সব কাজে সমস্যা বাড়বে। 

    ট্রাই-এর নতুন গাইডলাইন

    টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা ট্রাই অগাস্ট (TRAI Deadline) মাসেই নতুন গাইডলাইন দিয়েছিল দেশের টেলিকম অপারেটরদের। মোবাইল গ্রাহকদের নিরাপত্তা বাড়ানোর স্বার্থে নতুন ট্রেসেবিলিটি রুল তৈরি করা হয়েছে। এই রুল অনুযায়ী, ওটিপি-সহ (OTP) সমস্ত বাণিজ্যিক মেসেজের উৎস সন্ধান করতে হবে জিয়ো, এয়ারটেল, ভোডাফোনের মতো টেলিকম অপারেটরদের। টেলিকম গ্রাহকদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং প্রতারণামূলক ফাঁদ থেকে তাদের রক্ষা করতেই এই নিয়ম এনেছে ট্রাই। অগাস্ট মাসে নতুন নিয়মের কথা ঘোষণা করে তা লাগু করার জন্য ট্রাই দেশের টেলিকম অপারেটরদের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিয়েছিল। কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে এই পরিষেবা চালু করার সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দেয় টেলিকম অপারেটরগুলি। এর পর সময়সীমা ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। এই সময়সীমা যদি নতুন করে বাড়ানো না হয়, তাহলে ১ ডিসেম্বর থেকেই সমস্যা হতে পারে ওটিপি আসা নিয়ে।

    আরও পড়ুন: ‘প্রজ্ঞান’-এর চেয়ে ১২ গুণ ভারী হবে চন্দ্রযান ৪-এর রোভার! জানাল ইসরো, আর কী কী পরিবর্তন?

    উপভোক্তাদের আর্থিক নিরাপত্তা বৃদ্ধিই লক্ষ্য

    ১ ডিসেম্বরের মধ্যে নয়া পদ্ধতি টেলি পরিষেবা সংস্থাগুলি আদৌ চালু করতে পারবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। সে ক্ষেত্রে ডেডলাইনের পর যাবতীয় এসএমএস ব্লক করতে পারে ট্রাই (TRAI Deadline)। ফলে আর তা পাবেন না গ্রাহক। এতে ব্যাঙ্কিং, ইকমার্স থেকে শুরু করে ইপিএফওর মতো গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইটে লগ ইন করতে সমস্যার মুখে পড়তে হবে তাঁদের। ট্রাই অবশ্য পর্যায়ক্রমে নতুন নির্দেশাবলি চালু করার সুযোগ দিয়েছে। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত টেলি অপারেটরদের দৈনিক সতর্কতা জারি করতে বলা হয়েছে। ১ ডিসেম্বর থেকে অবাঞ্ছিত যাবতীয় মেসেজ ব্লক করবেন তাঁরা। টেলি পরিষেবা নিয়ন্ত্রক সংস্থার দাবি, নতুন নিয়মে উপভোক্তাদের আর্থিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mid Day: ইভিএম সংক্রান্ত খবর ভুল ছিল, ক্ষমা চাইল মিড ডে পত্রিকা

    Mid Day: ইভিএম সংক্রান্ত খবর ভুল ছিল, ক্ষমা চাইল মিড ডে পত্রিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘প্রার্থীর আত্মীয়ের হাতে এমন মোবাইল ছিল, যার মাধ্যমে ইভিএম আনলক করা সম্ভব।’ গত ১৬ জুন এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল মুম্বইয়ের মিড ডে (Mid Day) পত্রিকা। প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছিল পত্রিকার ৬ নম্বর পাতায়। মিড ডে-র খবরে হইচই পড়ে যায় দেশজুড়ে। পরে অবশ্য ভুল স্বীকার করে নেন পত্রিকাগোষ্ঠী। ভুলের জন্য প্রার্থনাও করা হয় ক্ষমা। সেই সঙ্গে এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের বক্তব্যও প্রকাশ করেছে পত্রিকাটি।

    মিড ডে-র প্রতিবেদন (Mid Day)

    মিড ডে পত্রিকার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, মুম্বইয়ের একটি গণনাকেন্দ্রে এক প্রার্থীর আত্মীয়ের কাছে এমন মোবাইল ছিল, যার মাধ্যমে ওটিপি দিয়ে ইভিএম খোলা যেত। সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছিল শিবসেনা সাংসদ রবীন্দ্র ওয়াইকার গোটা ভোটিং প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করেছেন। তার জেরেই ওয়াইকার জয়ী হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছিল প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে এও উল্লেখ করা হয়েছিল, শিবসেনা প্রার্থী জিতেছিলেন কারণ তাঁর আত্মীয় এমন ফোন ব্যবহার করেছিলেন যার মাধ্যমে ওটিপি জেনারেট করে ইভিএম খোলা হয়েছিল (Mid Day)।

    কী বলছেন রিটার্নিং অফিসার? 

    মুম্বই উত্তর-পশ্চিম লোকসভা কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার বন্দনা সূর্যবংশী বলেন, “ইভিএম একটি স্বতন্ত্র ব্যবস্থা, যা আনলক করতে ওটিপির প্রয়োজন হয় না।” ‘ভুল’ প্রতিবেদন প্রকাশ করতে গিয়ে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ বলেছেন, ‘ওয়াইকারের আত্মীয়ের একটি ফোন ছিল, যেটি দিয়ে ইভিএম আনলক করা যায় অসাবধানবশত ভুলভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি ইভিএম আনলক করতে মোবাইল ফোন দিয়ে ওটিপি জেনারেট করেছিল, এজন্য আমরা দুঃখিত।’

    আর পড়ুন: হাবিবুল্লার পর এবার হেরাজ, হাওড়া স্টেশন চত্বর থেকে ফের গ্রেফতার জঙ্গি

    ১৭ জুন সংবাদমাধ্যম কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেন, রিপোর্টে ভুল ছিল। ক্ষমাও প্রার্থনা করেন এই দিন। নির্বাচন কমিশন যে বিবৃতি জারি করেছিল, তাকে একেবারে পেজ ওয়ানে ছাপিয়ে তার নীচে ভুল স্বীকার করে নেয় সংবাদপত্র গোষ্ঠী। বিজেপির দাবি, রিপোর্ট প্রকাশ করার সময় বিশাল জায়গা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হল। আর ক্ষমা চাওয়ার বেলায় এই টুকু! ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সস্তা জনপ্রিয়তা পেতে এবং পত্রিকাটির পাঠক সংখ্যা বাড়াতে ভুল খবর ছেপেছিলেন কর্তৃপক্ষ। ভুল স্বীকারের আঁচ যাতে গায়ে না লাগে তাই ছোট্ট একটি জায়গা নিয়ে ছাপা হয়েছে ভুল স্বীকার (Mid Day)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Fraud: রাজ্যে সক্রিয় ওটিপি প্রতারণাচক্র, চিন-পাকিস্তান যোগ! কীভাবে জালিয়াতি?

    Fraud: রাজ্যে সক্রিয় ওটিপি প্রতারণাচক্র, চিন-পাকিস্তান যোগ! কীভাবে জালিয়াতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে ফের সক্রিয় হয়েছে প্রতারণাচক্র। প্রতারকরা নিত্যনতুন কৌশল প্রয়োগ করে প্রতারণার (Fraud) ছক কষে। এবার ওটিপি কেনাবেচার একটি চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। হোয়াটসঅ্যাপে ওটিপি বিক্রির অবৈধ চক্র চালানোর অভিযোগে মূল পাণ্ডাকে হিমাচল প্রদেশ থেকে গ্রেফতার করল বেঙ্গল এসটিএফ। ওই চক্রের জাল পাকিস্তান এবং চিনে ছড়িয়ে থাকতে পারে, এমন সম্ভাবনার কথাও উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ। মুর্শিদাবাদে দায়ের হওয়া একটি অভিযোগ থেকেই এই চক্রের হদিশ মেলে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    কীভাবে প্রতারণার ছক? (Fraud)

    পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, সাধারণত প্রতারকরা সিম ক্লোন করে ওটিপি সংগ্রহ করে। ধরা যাক একটি ফোন নম্বরের সিম ক্লোন করা হল, তারপর থেকে ওটিপি যাবে ওই ভুয়ো নম্বরে। ফলে, সহজেই গ্রাহকের তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। একদল লোক সিম ক্লোন করার কাজে যুক্ত থাকে, আবার আর একদল ওটিপি বিক্রি করে বলে জানা যায়। মোটা টাকার বিনিময়ে বিদেশে তথ্য পাচার করে দেওয়া হত। প্রতারকরা বিদেশে কী কী তথ্য পাচার করেছে তা জানার চেষ্টা করেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    পাকিস্তান-চিন যোগ!

    দু সপ্তাহ আগে মুর্শিদাবাদ, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান জেলা থেকে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে এসটিএফ। মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল ওটিপি কেনাবেচার অভিযোগে। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, নকল সিম কার্ড বানিয়ে ওটিপি তৈরি করা হয়, তারপর ওটিপি বিক্রি করে দেওয়া হয় হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে। মুর্শিদাবাদে দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। ধৃতদের জেরা করার পর পুলিশ হিমাচল প্রদেশের বাসিন্দা গৌরব শর্মার নাম পুলিশ জানতে পারে। জানা যায়, ওটিপি কেনাবেচার আন্তর্জাতিক প্রতারণা (Fraud) চক্রের সঙ্গে যোগ রয়েছে গৌরব শর্মার। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন অনলাইন পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা থেকে ওটিপি সংগ্রহ করেন ওই ব্যক্তি। তারপর ফোন নম্বর সহ ওটিপি বিক্রি করে দেওয়া হয় হোয়াটসঅ্যাপ বা টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে। টাকার লেনদেন হয় ইউপিআই-এর মাধ্যমে। ওই ব্যক্তির সঙ্গে পাকিস্তান ও চিনের লোকজনের লেনদেন হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না গোয়েন্দারা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share