Tag: Padma Shri

Padma Shri

  • PM Modi: প্রয়াত প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাই, শোকস্তব্ধ ভারত, কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: প্রয়াত প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাই, শোকস্তব্ধ ভারত, কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাইয়ের (Teejan Bai) প্রয়াণে শোকস্তব্ধ ভারত (PM Modi)। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর আজ, রবিবার রায়পুরের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। পাণ্ডবাণী শিল্পকলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাধক হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন তীজন বাই। ছত্তীসগঢ়ের এই ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পকে দেশ-বিদেশের দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান ছিল অনন্য।

    তীজন বাইয়ের প্রয়াণে শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)

    তীজন বাইয়ের প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোশ্যাল মিডিয়ায় করা এক বার্তায় তিনি বলেন, “প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাইজির প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর অসাধারণ পরিবেশনার মাধ্যমে ছত্তীসগঢ়ের এই লোকশিল্প বিশ্বজুড়ে স্বতন্ত্র পরিচিতি লাভ করেছে। তাঁর প্রয়াণ শিল্প ও সংস্কৃতির জগতে অপূরণীয় ক্ষতি। এই শোকের মুহূর্তে তাঁর পরিবার ও অসংখ্য অনুরাগীর প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা। ওঁ শান্তি!” ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই বলেন, “তীজন বাইয়ের অবদান রাজ্যকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে বিশেষ সম্মান এনে দিয়েছে। তাঁর সাফল্য ছত্তীসগঢ়ের সাংস্কৃতিক পরিচিতিকে আরও উজ্জ্বল করেছে এবং নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করেছে।” রাজ্যের মন্ত্রী কেদার কাশ্যপ শোকপ্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, তাঁর প্রয়াণ শুধু ছত্তীসগঢ় নয়, গোটা দেশের জন্যই বড় ক্ষতি। তিনি রাজ্যের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখে দেশের অন্যতম সম্মানিত সাংস্কৃতিক দূত হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন।

    কী এই পাণ্ডবাণী শিল্প?

    শতাব্দীপ্রাচীন পাণ্ডবাণী মহাভারতের বিভিন্ন পর্ব অবলম্বনে গড়ে ওঠা একটি মৌখিক কাহিনি পরিবেশনার ধারা। তীজন বাই তাঁর শক্তিশালী কণ্ঠ, আবেগঘন বর্ণনা ও মঞ্চে অসাধারণ উপস্থিতির মাধ্যমে এই শিল্পকে বিশ্বব্যাপী পরিচিত করে তোলেন। কয়েক দশকের দীর্ঘ কর্মজীবনে (PM Modi) তিনি পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ এবং দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান পদ্মবিভূষণে ভূষিত হন। তাঁর (Teejan Bai) প্রয়াণে ভারত এক অসামান্য লোকশিল্পীকে হারালেও, পাণ্ডবাণীকে সংরক্ষণ ও জনপ্রিয় করে তোলার তাঁর অবদান আগামী প্রজন্মের কাছে হয়ে (PM Modi) থাকবে চিরস্মরণীয়।

     

  • Swami Pradiptananda: পশ্চিমবঙ্গে রাস্তা-গুরুত্বপূর্ণ জায়গার নামবদল খতিয়ে দেখতে বিশেষ কমিটি, নেতৃত্বে কার্তিক মহারাজ

    Swami Pradiptananda: পশ্চিমবঙ্গে রাস্তা-গুরুত্বপূর্ণ জায়গার নামবদল খতিয়ে দেখতে বিশেষ কমিটি, নেতৃত্বে কার্তিক মহারাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন রাস্তা, এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ জায়গার নামবদল সংক্রান্ত প্রস্তাব পর্যালোচনার জন্য বিশেষ কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার (Swami Pradiptananda) বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের ওপর ধন্যবাদজ্ঞাপক প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে (Place Renaming) তিনি জানান, পদ্মশ্রী প্রাপক স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজ (কার্তিক মহারাজ) এই কমিটির নেতৃত্ব দেবেন।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনার প্রস্তাব গ্রহণ করে পদ্মশ্রী স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজের নেতৃত্বে নতুন করে নামকরণ মূল্যায়নের জন্য একটি কমিটি আমি ঘোষণা করছি। আপনারাই বলেছেন মূল্যায়ন।” তিনি জানান, ভবিষ্যতে কোনও রাস্তা, এলাকা বা গুরুত্বপূর্ণ জায়গার নাম পরিবর্তন কিংবা নয়া নামকরণের প্রস্তাব থাকলে তা এই কমিটির কাছেই জমা দেওয়া যাবে। পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “পদ্মশ্রী স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজ একটি কমিটির নেতৃত্ব দেবেন। যাঁর যা প্রস্তাব আছে সেখানে জমা দেবেন।” বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বাংলার ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের প্রসঙ্গ টানেন। সেই সূত্রেই তিনি সুরাবর্দি অ্যাভেনিউয়ের নাম পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, “আমি যখন সেভেন পয়েন্ট দিয়ে যাতায়াত করেছি, তখন দেখতাম সুরাবর্দি অ্যাভেনিউ লেখা ছিল। সুরাবর্দির নাম থাকবে না।”

    কালামের প্রসঙ্গ টানলেন মুখ্যমন্ত্রী

    মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, স্বাধীন ভারতে অত্যাচার, হিংসা বা ঔপনিবেশিক শাসনের সঙ্গে যুক্ত বিতর্কিত ব্যক্তিদের নামে কোনও রাস্তা বা গুরুত্বপূর্ণ জায়গার নাম থাকা উচিত নয়। প্রকৃত দেশভক্ত ও রাষ্ট্রনেতাদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের পক্ষেও সওয়াল (Swami Pradiptananda) করেন তিনি। উদাহরণ হিসেবে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের নাম উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন, “যদি মনে করেন এপিজে আবদুল কালামের মতো কোনও প্রকৃত দেশভক্তকে সম্মান জানানোর প্রয়োজন আছে, তাহলে তথ্য দেবেন, মর্যাদা দেওয়া হবে।” রাজ্য সরকারের এহেন উদ্যোগের ফলে ভবিষ্যতে (Place Renaming) পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গার নামকরণ ও নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট মূল্যায়ন প্রক্রিয়া চালু হতে পারে (Swami Pradiptananda) বলেই অনুমান প্রশাসনিক মহলের।

     

  • Padma Awards: রাষ্ট্রপতি ভবনে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ৬৬ পদ্ম সম্মান প্রদান, মরণোত্তর পদ্মবিভূষণে সম্মানিত ধর্মেন্দ্র

    Padma Awards: রাষ্ট্রপতি ভবনে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ৬৬ পদ্ম সম্মান প্রদান, মরণোত্তর পদ্মবিভূষণে সম্মানিত ধর্মেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদ্ম পুরস্কার’ (Padma Awards) প্রদান ঘিরে সোমবার নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে (Rashtrapati Bhawan) ছিল সাজ-সাজ রব। ২৫ মে, পড়ন্ত বিকেলে দিল্লির রাইসিনা হিলসে রাষ্ট্রপতি ভবনের প্রথম ‘সিভিল ইনভেস্টিচার সেরিমনি’-তে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (President Draupadi Murmu) হাত থেকে ‘পদ্মশ্রী’ (Padmashri) সম্মান গ্রহণ করলেন দেশের কৃতীরা। চলতি বছরে ভারত সরকারের তরফে মোট ১৩১টি পদ্ম সম্মানের (Padma Awards) কথা ঘোষণা করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ৫টি পদ্মবিভূষণ, ১৩টি পদ্মভূষণ এবং ১১৩টি পদ্মশ্রী সম্মান। সোমবারের অনুষ্ঠানে ২টি পদ্মবিভূষণ, ৬টি পদ্মভূষণ এবং ৫৮টি পদ্মশ্রী প্রদান করা হয়। বাকি সম্মানগুলি পরবর্তী পর্বে প্রদান করা হবে বলে সূত্রের খবর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) সামাজিক মাধ্যমে পদ্ম সম্মানপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “এই অসাধারণ ব্যক্তিত্বদের জীবনযাত্রা ও কাজ দেশের সম্মিলিত অগ্রযাত্রাকে সমৃদ্ধ করেছে।”

    বন্দেমাতরম-এর সুরে সূচনা

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-ও পুরস্কারপ্রাপকদের শুভেচ্ছা জানান এবং তাঁদের সম্মানে এক নৈশভোজের আয়োজন করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে পদ্ম পুরস্কার এখন সমাজের তৃণমূল স্তরের প্রকৃত পরিবর্তনকারীদের সম্মান জানানোর এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে। অনুষ্ঠানের সূচনা হয় ‘বন্দে মাতরম’-এর বাদ্যযন্ত্র পরিবেশনার মাধ্যমে এবং সমাপ্তি ঘটে জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-এর সঙ্গে। অনুষ্ঠানে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য প্রখ্যাত বেহালাবাদক এন রাজম-কে পদ্মবিভূষণে সম্মানিত করা হয়। ‘গায়কি অঙ্গ’ শৈলীর মাধ্যমে বেহালায় কণ্ঠসংগীতের আবহ ফুটিয়ে তোলার জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত।

    মরণোত্তর ‘পদ্মবিভূষণ’ ধর্মেন্দ্রকে

    গত বছর প্রয়াত হয়েছেন বলিউডের ‘হি-ম্যান’ ধর্মেন্দ্র (Dharmendra)। তাঁর অভিনয় জীবনের অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভারত সরকার তাঁকে মরণোত্তর ‘পদ্মবিভূষণ’ সম্মানে ভূষিত করেছে। সোমবার (২৫ মে) রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Draupadi Murmu) হাত থেকে স্বামীর এই মরণোত্তর সম্মান গ্রহণ করলেন ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী অভিনেত্রী হেমা মালিনী (Hema Malini)। এদিন হালকা গোলাপি রঙের শাড়িতে অত্যন্ত স্নিগ্ধ বেশে অনুষ্ঠানে হাজির হন হেমা। সাথে ছিলেন তাঁদের ছোট মেয়ে অহনা এবং জামাতা। পুরস্কার গ্রহণের সেই মাহেন্দ্রক্ষণে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি অহনা, দর্শকাসনে বসে তাঁকে অশ্রুসজল চোখে বাবার জন্য গর্বিত হতে দেখা যায়। হেমা মালিনী জানান, ২৫ মে দিনটি তাঁদের পরিবারের কাছে অত্যন্ত আবেগের এবং গুরুত্বপূর্ণ। এদিনের অনুষ্ঠানের পর হেমা মালিনী জানান, ধর্মেন্দ্রর দুই পুত্র সানি এবং ববি— দুজনের সম্মতি ও মত নিয়েই তিনি আজ এই পুরস্কার গ্রহণ করতে এসেছেন।

    কতজন পদ্ম সম্মান পেলেন

    এদিন পদ্মভূষণে সম্মানিত হন প্রাক্তন উত্তরাখণ্ড মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত সিং কোশিয়ারি, ‘অবধান’ শিল্পরীতির পুনর্জাগরণকারী আর গনেশ, কোটাক মাহীন্দ্রা ব্যাঙ্ক-এর প্রতিষ্ঠাতা উদয় কোটাক এবং বিশিষ্ট গ্যাস্ট্রো এন্টারোলজিস্ট কালিপত্তি রামাস্বামী পালানিস্বামী। মরণোত্তর পদ্মভূষণ পান বিজ্ঞাপন জগতের পরিচিত মুখ পীযুষ পান্ডে এবং প্রাক্তন সাংসদ বিজয় কুমার মালহোত্রা। পদ্মশ্রী প্রাপকদের তালিকায় ছিলেন প্রাক্তন সিআরপিএফ ডিজি কে বিজয় কুমার। এছাড়াও লোকসংগীত, সংস্কৃতিচর্চা, পরিবেশ সংরক্ষণ, সমাজসেবা ও চিকিৎসাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন লোকশিল্পী তাগা রাম ভীল, কাঁথা শিল্পী তুপ্তি মুখোপাধ্যায় এবং সমাজকর্মী জনার্দন বাপুরাও বোথে।

    প্রসেনজিতের হাতে পদ্মশ্রী

    অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান। সোমবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে ‘পদ্মশ্রী’ (Padmashri) সম্মান গ্রহণ করলেন টলিউডের সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prasenjit Chatterjee)। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে প্রায় চার দশকের অসামান্য অবদান এবং দীর্ঘ লড়াইয়ের স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মান তাঁকে প্রদান করা হলো। এদিন রাষ্ট্রপতি ভবন (Rashtrapati Bhawan) ছিল দেশের বিশিষ্টজনদের মিলনক্ষেত্র। প্রসেনজিৎ ছাড়াও এদিন পদ্ম সম্মানের তালিকায় থাকা ১১ জন বাঙালিকে সম্মানিত করা হয়েছে। বিনোদন জগতের অন্যান্য ব্যক্তিত্বদের মধ্যে গায়িকা অলকা ইয়াগনিক এবং মালয়ালম মেগাস্টার মামুত্তিও তাঁদের প্রাপ্ত সম্মান গ্রহণ করেন। প্রসঙ্গত, ১৯৬৮ সালে ‘ছোট্ট জিজ্ঞাসা’ ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে যাত্রা শুরু করে ‘অমরসঙ্গী’-র হাত ধরে বাংলা ছবির অবিসংবাদিত নায়ক হয়ে ওঠা প্রসেনজিতের এই দীর্ঘ পথচলা রূপকথার মতো। বাংলা ছবির দুঃসময়ে অভিভাবকের মতো দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়ে সাড়ে তিনশোরও বেশি ছবিতে কাজ করেছেন তিনি। বাংলার সিনেমাপ্রেমীদের কাছে এই মুহূর্তটি তাই অত্যন্ত গর্বের ও আবেগের।

    হরমনপ্রীতের সম্মান গ্রহণ, এলেন না রোহিত

    এদিন রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পদ্মশ্রী সম্মান গ্রহণ করেন হরমনপ্রীত কৌর। তসর রঙের চুড়িদারে সম্মান গ্রহণ করেন হরমনপ্রীত। গতবছর দেশের মাটিতে প্রথমবার মহিলাদের ক্রিকেট বিশ্বকাপ জেতে ভারত। উইমেন ইন ব্লুর অধিনায়ক ছিলেন হরমনপ্রীত। এদিন উপস্থিত ছিলেন না ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ২০২৪ টি-২০ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রোহিত। গতবছর তাঁর নেতৃত্বে ভারত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও জেতে। রবিবার মুম্বইতে আইপিএলে খেলেছেন রোহিত। জানা গিয়েছে, পদ্ম সম্মান বিভিন্ন কিস্তিতে প্রাপকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। অর্থাৎ, সকল প্রাপকদের একইদিনে দেওয়া হয় না। বিভিন্ন দিনে ধাপে ধাপে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তা দেওয়া হয়। সেই তালিকা তৈরি করে রাষ্ট্রপতি ভবন। এদিনের তালিকায় রোহিতের নাম ছিল না। ফের যেদিন বাকি প্রাপকদের এই সম্মান তুলে দেওয়া হবে, সেদিন উপস্থিত থাকবেন রোহিত। তবে, সেই তারিখের ঘোষণা রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে এখনও করা হয়নি।

    ৯-জন ক্রীড়াবিদকে সম্মান

    রোহিত ও হরমনপ্রীত ছাড়া এ বছর আরও ৯ জন ক্রীড়াবিদ এই সম্মান পাচ্ছেন। প্যারা অ্যাথলিট প্রবীণ কুমার ও হকি কোচ বলদেব সিং এদিন পদ্মশ্রী সম্মান গ্রহণ করেন। এছাড়া ২০২৬ সালের একমাত্র ক্রীড়াবিদ হিসেবে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ সম্মান পদ্মভূষণ পাচ্ছেন বিজয় অমৃতরাজ। ১৯৮৩ সালে তিনি পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন। তারও আগে পেয়েছিলেন অর্জুন পুরস্কার। ভারতীয় ক্রীড়ায় অসামান্য অবদানের জন্য় এবার পদ্মভূষণ পাচ্ছেন তিনি। এর সঙ্গে ভারতীয় মহিলা হকি দলের গোলকিপার সবিতা পুনিয়া পাচ্ছেন পদ্মশ্রী। মরণোত্তর পদ্মশ্রী পাচ্ছেন প্রাক্তন কুস্তি কোচ ভ্লাদিমির মেস্তভিরিশভি। জর্জিয়ার নাগরিক হলেও সুশীল কুমার, যোগেশ্বর দত্ত এবং বজরং পুনিয়াদের মতো অলিম্পিক পদকজয়ীদের কোচিং করিয়েছেন মেস্তভিরিশভি। এছাড়াও পদ্মশ্রী পাচ্ছেন কে পাজানিভেল, তামিলনাড়ুর ঐতিহ্যবাহী সিলামবাম মার্শাল আর্টে অনবদ্য অবদানের জন্য। বুন্দেলখণ্ডের মার্শাল আর্ট বুন্দেলি ওয়ারে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পদ্মশ্রী পাচ্ছেন ভগবানদাস রায়কর।

    পদ্মশ্রী সম্মান গ্রহণের আগে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম

    তিনি মার্শাল আর্টের পাঁচ হাজার বছরের পুরনো ‘সিলামবাম’-এর সাধক। শুধু ভারতে নয়, দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে গোটা বিশ্বে এই খেলার জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে দিয়েছেন । যে কারণে তাঁকে দেওয়া হল পদ্মশ্রী সম্মান। পুদুচেরির কে পাজানিভেল (K Pajanivel)। সোমবার রাষ্ট্রপতি ভবনে পদ্মশ্রী পুরস্কার নিতে গিয়েছিলেন ট্র্যাডিশনাল দক্ষিণ ভারতীয় পোশাকে। সাদা ধুতি ও হাফশার্ট। ঘোষক তাঁর নাম ঘোষণা করতেই পাজানিভেল কার্পেটে উঠে শুয়ে পড়ে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করেন দর্শকাসনের সামনের সারিতে বসে থাকা বিশিষ্ট অতিথিদের। যাঁদের মধ্যে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরাও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশেই বসেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পাজানিভেল সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করতেই নিজের আসন ছেড়ে উঠে এসে তাঁকে তুলে ধরেন মোদি। প্রতিনমস্কার করেন। পুরস্কার গ্রহণের আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন তিনি। পাজানিভেলের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ সকলে।

  • Padma Shri: পদ্মশ্রী পেলেন সত্যনারায়ণ নুওয়াল, কে তিনি জানেন?

    Padma Shri: পদ্মশ্রী পেলেন সত্যনারায়ণ নুওয়াল, কে তিনি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোলার ইন্ডাস্ট্রিজ ইন্ডিয়া লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা তথা চেয়ারম্যান সত্যনারায়ণ নুওয়ালকে (Satyanarayan Nuwal) বাণিজ্য ও শিল্প ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য পদ্মশ্রী (Padma Shri) সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। গত বছরের মে মাসে পরিচালিত ‘অপারেশন সিঁদুরে’ ব্যবহৃত ‘নাগাস্ত্র’গুলি তাঁর সংস্থাই তৈরি করেছিল। তিনি সোলার ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস লিমিটেড (এসডিএএল)-এরও চেয়ারম্যান। এই সংস্থাটি সম্ভবত দেশের প্রথম এবং বৃহত্তম বেসরকারি সামরিক মানের বিস্ফোরক উৎপাদন কেন্দ্র। উল্লেখযোগ্যভাবে, এসডিএএল ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য বুস্টারও সরবরাহ করেছে।

    অসাধারণ অবদানের জন্য নির্বাচিত নুওয়াল (Padma Shri)

    শিল্প ও সমাজে অসাধারণ অবদানের জন্য নির্বাচিত নুওয়াল সাম্প্রতিক বছরগুলিতে মহারাষ্ট্রের বিদর্ভ অঞ্চল থেকে এই সম্মানপ্রাপ্ত একমাত্র ব্যবসায়ী। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “এত বড় সম্মান পাব, তা আমি আশা করিনি। এই পুরস্কার দেশের প্রতি আমার দায়বদ্ধতাকেই আরও বাড়িয়ে দিল। প্রতিরক্ষা ব্যবসায় লাভই আমার মূল লক্ষ্য নয়।” প্রথম প্রজন্মের উদ্যোক্তা নুওয়াল নয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে কোল ইন্ডিয়া লিমিটেডকে বাণিজ্যিক বিস্ফোরক সরবরাহের মাধ্যমে অত্যন্ত সাধারণভাবে ব্যবসা শুরু করেন। সেই সময় তিনি একাই ভ্রমণ করতেন এবং অনেক সময় রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মেই অপেক্ষা করতেন। তবে ২০১০ সালে সামরিক মানের বিস্ফোরক উৎপাদন শুরু করার মাধ্যমে তিনি সফলভাবে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে প্রবেশ করেন। ৭৪ বছর বয়সি নুওয়াল স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, “একটি বেসরকারি সংস্থার পক্ষে এটি ছিল সম্পূর্ণ নতুন ক্ষেত্র। সশস্ত্র বাহিনীর সরবরাহ সংক্রান্ত সমস্যার কথা আমি প্রায়ই শুনতাম এবং বুঝতে পারি যে দেশের আরও অংশগ্রহণকারীর প্রয়োজন। পরিস্থিতি বিচার করে আমরা দেশের প্রতিরক্ষায় সামান্য হলেও অবদান রাখার সিদ্ধান্ত নিই।”

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং

    চলতি মাসে এসডিএএল কারখানা পরিদর্শনের সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং নিশ্চিত করেন যে, ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অভিযানে সংস্থার ‘নাগাস্ত্র’ ড্রোন-সংযুক্ত লইটারিং মিউনিশন শত্রুপক্ষের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত আঘাত হেনেছে। সেই সময় নুওয়াল তাঁকে জানান, “আমেরিকা বা অন্য দেশে এক সঙ্গে চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া যায়। কিন্তু আমাদের ‘ভার্গবাস্ত্র’ একসঙ্গে ৬০টি মাইক্রো-মিসাইল নিক্ষেপ করতে পারে। এমন ব্যবস্থা এখনও পৃথিবীর কোথাও নেই (Padma Shri)।” ভার্গবাস্ত্র একটি বহুস্তরবিশিষ্ট মাইক্রো-মিসাইলভিত্তিক অ্যান্টি-ড্রোন বা কাউন্টার আনম্যানড এরিয়াল সিস্টেম (C-UAS)। প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে ‘প্রলয়’ স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সম্পর্কেও জানানো হয়। সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, “আমরা প্রলয়ের বহু মোটর তৈরি করি, তবে আমাদের সক্ষমতা রয়েছে পুরো ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণের। সুযোগ পেলে মাত্র দু’মাসেই তা করা সম্ভব (Satyanarayan Nuwal)।” এছাড়া, এসডিএএল তৈরি করেছে ‘এসই-বেক্স-২’, যা পারমাণবিক বোমার পর সবচেয়ে শক্তিশালী উচ্চ-শক্তির বিস্ফোরক হিসেবে বিবেচিত এবং প্রচলিত টিএনটির তুলনায় দ্বিগুণ শক্তিশালী। সেনাবাহিনীকে সম্পূর্ণ গোলাবারুদের ব্যবস্থা সরবরাহকারী প্রথম বেসরকারি সংস্থাও এটি। এর মধ্যে ছিল বহু-মোডের হ্যান্ড গ্রেনেড, যা পুরনো মডেলগুলির জায়গা নিয়েছে।

    রকেটের অর্ডার

    প্রথমদিকে সংস্থাটি পিনাকা রকেটের অর্ডার পূরণ করে সামরিক উৎপাদনে প্রবেশ করে। পরে এটি বহু-মোড গ্রেনেড তৈরি করে, যা কোনও বাণিজ্যিক সংস্থার দ্বারা নির্মিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ সিস্টেম। এরপর ধীরে ধীরে সংস্থাটি অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি ও ড্রোন উৎপাদনেও সম্প্রসারিত হয়। সম্প্রতি এসডিএএল নাগপুরের মিহান-এসইজেডে জমি কিনেছে, যেখানে রোবোটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর প্রযুক্তি উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে (Padma Shri)। ফোর্বসের তালিকা অনুযায়ী নুওয়ালের মোট সম্পদের পরিমাণ ৫.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ৪৬,৫০০ কোটি টাকা), যা তাঁকে ভারতের অন্যতম ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় জায়গা দিয়েছে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে তাঁর সংস্থা ব্যাপকভাবে স্বীকৃত এবং ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বিস্ফোরক উৎপাদনের সরকারি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রথম সংস্থাও এটি। অথচ এই বিশাল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা রাজস্থানের ভিলওয়াড়ার এক সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসেছেন (Satyanarayan Nuwal)। তাঁর বাবা ছিলেন সরকারি হিসাবরক্ষক, যিনি ছোটবেলা থেকেই ব্যবসায়িক দক্ষতা গড়ে তোলায় গুরুত্ব দিয়েছিলেন।

    ফোর্বসকে দেওয়া সাক্ষাৎকার

    আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে দশম শ্রেণির পর নুওয়াল আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি। পরে তিনি এক বছর মথুরায় তাঁর গুরুর সঙ্গে কাটিয়ে বিভিন্ন ছোট ব্যবসায় হাত দেন। ফোর্বসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “শিক্ষার চেয়েও ব্যবসা করার আগ্রহই আমার বেশি ছিল।” তিনি ফাউন্টেন পেনের কালি তৈরি, লিজিং ব্যবসা এবং পরিবহণ সংস্থা, এমন নানা উদ্যোগে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। মাত্র ১৯ বছর বয়সে তাঁর বিয়ে হয়, ফলে দায়িত্ব আরও বাড়ে। পরিবার চালানোর তাগিদে ১৯৭৭ সালে তিনি মহারাষ্ট্রের চন্দ্রপুরে এক আত্মীয়ের সঙ্গে কাজ করতে যান। অর্থের অভাবে অনেক রাত তাঁকে রেলস্টেশনেও কাটাতে হয়েছে (Padma Shri)। সেখানে তাঁর পরিচয় হয় আবদুল সাত্তার আল্লাভাইয়ের সঙ্গে, যিনি একটি গানপাউডার ডিপোর মালিক ছিলেন এবং বিস্ফোরক ব্যবহারের লাইসেন্সধারী (Satyanarayan Nuwal)। নুওয়াল মাসিক এক হাজার টাকায় ডিপোটি ভাড়া নেওয়ার কথা বললেও সে অর্থ জোগাড় করা তাঁর পক্ষে কঠিন ছিল। পরে তাঁর সংস্থা কয়লা খনি থেকে বড় অর্ডার পেতে শুরু করে। ১৯৮৪ সালের মধ্যে এটি একটি কনসাইনমেন্ট এজেন্সিতে পরিণত হয় এবং ১৯৯০ সালের মধ্যে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বিস্ফোরক ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন।

    সোলার ইন্ডাস্ট্রিজ

    ১৯৯৫ সালে নাগপুরে সোলার ইন্ডাস্ট্রিজ প্রতিষ্ঠা করা তাঁর জীবনের মোড় ঘোরানোর একটি অন্যতম সিদ্ধান্ত। ব্যাঙ্ক ঋণ ও সঞ্চয় মিলিয়ে ৬০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে তিনি স্লারি বিস্ফোরক উৎপাদন শুরু করেন এবং দ্রুতই বাল্ক বিস্ফোরক ও ডিটোনেটর উৎপাদন করতে শুরু করেন। এই সংস্থার অন্যতম প্রধান গ্রাহক হয় কোল ইন্ডিয়া (Padma Shri)। ২০০৬ সালে সংস্থাটি শেয়ারবাজারে আসে, তখন নিট মুনাফা ছিল প্রায় ১১ কোটি টাকা এবং বার্ষিক টার্নওভার ৭৮ কোটি টাকা। সেই অর্থ মূলত সম্প্রসারণে ব্যয় হয় এবং ১৩টি উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। পরে জাম্বিয়া, ঘানা, নাইজেরিয়া, তুরস্ক, তানজানিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকায় ছ’টি কারখানা গড়ে ওঠে। দেশে ন’টি রাজ্যের ২৯টি শহরে সংস্থার ইউনিট রয়েছে। থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায়ও কারখানা তৈরি করা হয়েছে (Satyanarayan Nuwal)। পরবর্তী কালে এটি দেশের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য অস্ত্র ও বিস্ফোরক উৎপাদনের সরকারি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রথম বেসরকারি সংস্থায় পরিণত হয়। নুওয়াল বুঝেছিলেন যে গোলাবারুদ উৎপাদন দেশেই করতে হবে। তাই তিনি গ্রেনেড, মাঝারি ও বড় ক্যালিবারের গোলাবারুদ, উচ্চ-শক্তির বিস্ফোরক, প্রপেল্যান্ট ও ওয়ারহেড তৈরির সক্ষমতা গড়ে তোলেন।

    গোলাবারুদের এত বড় অর্ডার

    সোলার ইন্ডাস্ট্রিজ প্রায় ৪৫০ কোটি টাকার মাল্টি-মোড হ্যান্ড গ্রেনেড সরবরাহের অর্ডার পায়, যা দু’বছরে সরবরাহ করার কথা। ভারতের প্রতিরক্ষা ইতিহাসে এই প্রথম কোনও বেসরকারি সংস্থাকে গোলাবারুদের এত বড় অর্ডার দেওয়া হয়। সান্দীপ মেটালিকসের চেয়ারম্যান সন্দীপ আগরওয়াল বলেন, “খনি শিল্পে বিস্ফোরক সরবরাহকারী হিসেবে শুরু করে নুওয়াল প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এমন সব ব্যবস্থা গড়ে তুলেছেন, যা আগে কোনও বেসরকারি সংস্থা করেনি। ২০১০ সালে তিনি এই ক্ষেত্রে বিনিয়োগ শুরু করেন, আর এখন এসে সংস্থা তার সুফল পেতে শুরু করেছে।” বর্তমানে সংস্থাটি প্রলয়, পিনাকা, আকাশ-সহ ডিআরডিও নির্মিত একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্পে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বেসরকারি অংশীদার। পাশাপাশি এটি কঠিন রকেট মোটর ও প্রপালশন সিস্টেমের বড় সরবরাহকারী। একই সঙ্গে সামাজিক দায়বদ্ধতা বজায় রেখে সোলার ইন্ডাস্ট্রিজকে বিশ্বমানের সংস্থায় রূপান্তর করার জন্য নুওয়াল সুপরিচিত। সমাজকল্যাণ, শিক্ষা ও সম্প্রদায় উন্নয়নে (Padma Shri) তাঁর নিরবচ্ছিন্ন অবদান দেশজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে (Satyanarayan Nuwal)। পদ্মশ্রী সম্মান শুধু তাঁর পেশাগত সাফল্যের স্বীকৃতিই নয়, জাতি গঠনে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকারও প্রতিফলন।

LinkedIn
Share