Tag: PAF

PAF

  • Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুরে আকাশের দখল নেয় ভারত! যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য হয় পাকিস্তান, বলছে সুইস রিপোর্ট

    Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুরে আকাশের দখল নেয় ভারত! যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য হয় পাকিস্তান, বলছে সুইস রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ ঘাবড়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। ইসলামাবাদই সিজফায়ার বা যুদ্ধবিরতির আর্তি জানায়। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ আকাশসীমায় কার্যত পূর্ণ আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছিল এবং গভীর অভ্যন্তরে নিখুঁত হামলা চালিয়ে ইসলামাবাদকে মাত্র চার দিনের মধ্যেই যুদ্ধবিরতির পথে যেতে বাধ্য করে—এমনই দাবি করেছে সুইৎজারল্যান্ডভিত্তিক একটি সামরিক গবেষণা সংস্থার রিপোর্ট। সুইস থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর মিলিটারি হিস্ট্রি অ্যান্ড পার্সপেক্টিভ স্টাডিজ (CHPM) প্রকাশিত ৪৭ পাতার এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় বিমান অভিযানের মোকাবিলা করার ক্ষমতা হারানোর পর পাকিস্তান কার্যত “চাপের মুখে” যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এই রিপোর্টটি তৈরি করেছেন সামরিক ইতিহাসবিদ অ্যাড্রিয়েন ফন্টানেলাজ।

    দিশেহারা হয়ে পড়ে পাক বিমানবাহিনী

    চার দিনেই কুপোকাত পাকিস্তান। সুইস সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ২০২৫-এর ৭ মে থেকে ১০ মে-র মাঝে অপারেশন সিঁদুরে ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) পাকিস্তানকে ভালো মতোই কাবু করে ফেলেছিল। নাজেহাল হয়ে ব্যাপক ঘাবড়ে যায় ইসলামাবাদ। এর পরেই ১০ মে সিজফায়ার চায় তারা। রিপোর্টের টাইটেলে লেখা, ‘Operation Sindoor: The India-Pakistan Air War (7–10 May 2025)’। বিদেশে তৈরি এই রিপোর্টে বহু বিষয় বিস্তারিত আকারে উল্লেখ করা হয়েছে। সংঘর্ষের শেষ পর্যায়ে ভারতীয় বায়ুসেনা দূরপাল্লার নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে নির্বিঘ্নে আঘাত হানার স্বাধীনতা পায়, অন্যদিকে পাকিস্তান বিমানবাহিনী (PAF) কার্যকর পাল্টা আক্রমণ চালাতে সম্পূর্ণ অক্ষম হয়ে পড়ে।

    ‘পপ-আপ অ্যাটাক’

    ১০ মে সকালের মধ্যেই ব্রহ্মোস ও স্ক্যাল্প-ইজি (SCALP-EG) ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে গভীর হামলা চালানো সম্ভব হয় বলে জানানো হয়েছে। তাতেই হাত-পা কাঁপতে শুরু করে ইসলামাবাদের। কারণ, ততক্ষণে পাকিস্তানের সার্ভেইল্যান্স রেডার মুখ থুবড়ে পড়েছে। ভারতের এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধরাশায়ী করে পাক বায়ুসেনার অ্যাওয়াক্স সিস্টেমকে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ৭ মে রাতে ভারতীয় বায়ুসেনা দু’টি স্ট্রাইক করে। রাফাল ও মিরাজ-২০০০ ফাইটার জেটের লক্ষ্য ছিল বাহওয়ালপুরে জৈশ-ই-মহম্মদের ডেরা ও মুরিদকের লস্কর-ই-তৈবার ঘাঁটি। একটি স্ট্রাইক পাকিস্তানি এয়ারস্পেসে মাটির অনেক কাছাকাছি থেকে চালানো হয়েছিল। সুইৎজারল্যান্ডের রিপোর্ট যাকে বলছে, ‘পপ-আপ অ্যাটাক’। যার লক্ষ্য ছিল, পাকিস্তানকে জালে ফাঁসানো। রিপোর্ট অনুযায়ী, এর জবাবে পাকিস্তান ৩০টির বেশি লড়াকু বিমান পাঠায়, পি-এল ১৫ মিসাইল দাগে। তাদের টার্গেট ছিল রাফাল।

    পাকিস্তানের ড্রোন ও মিসাইল হামলা ব্যর্থ

    পাকিস্তান দাবি করেছিল, তারা ৬টি ভারতীয় এয়ারক্রাফ্ট শট ডাউন করে। কিন্তু সুইস রিপোর্ট বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ সামনে রেখে বলছে, ভারতের একটি মাত্র রাফাল, একটি মাত্র মিরাজ-২০০০ ও একটি অন্য ফাইটার জেটের ক্ষতি হয়। রিপোর্ট বলছে, ৭ মে থেকে পাকিস্তান ভারতের উপরে ড্রোন হামলা শুরু করে। প্রথমে ৩০০-র বেশি ড্রোন পাঠানো হয়। দ্বিতীয় ভাগে পাঠায় আরও ৬০০। একই সঙ্গে রকেট, ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ে। ভারতীয় সেনার ঘাঁটি, এয়ারবেস, লজিস্টিক্স হাব ও এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ছিল তাদের টার্গেট। কিন্তু কিছুই করতে পারেনি। রিপোর্টেই দাবি করা হয়েছে, বেশির ভাগই রুখে দেয় ভারতীয় বায়ুসেনা। জ্যামিং, স্পুফিং ও সেন্সর ফিউশন— এই তিন হাতিয়ারেই বেশির ভাগকে ঘায়েল করা হয়।

    ভারতীয় বায়ুসেনার দাপট

    রিপোর্টে ভারতীয় বায়ুসেনার ইন্টিগ্রেটেড এয়ার কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম ও ভারতীয় সেনার আকাশতীর নেটওয়ার্কের প্রশংসা করা হয়েছে। এই নেটওয়ার্কের ফলে রেডারকে শুধুমাত্র জরুরি পরিস্থিতিতেই সক্রিয় করা হয়েছে। তাই পাকিস্তান শত চেষ্টা করেও ভারতের ইলেক্ট্রনিক ব্যবস্থাকে ধরতেই পারেনি। ৯ মে থেকে ১০ মে রাতের মধ্যে পাকিস্তান ফের হামলার চেষ্টা করে। টার্গেট ছিল এস-৪০০ সিস্টেম, এয়ারবেস আদমপুর, শ্রীনগর, কচ্ছ। তবে ভারতীয় সেনার ইলেক্ট্রনিক জ্যামিং ও লড়াকু বিমানের সাহায্যে সেই চেষ্টা ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়।

    ভারতের জোরালো প্রত্যাঘাত

    এর পরেই ভারত জোরালো প্রত্যাঘাতে জবাব দেয়। ১০ মে রাত ২টো থেকে ভোর ৫টার মধ্যে বায়ুসেনা জোরদার মিসাইল ছোড়ে। টার্গেট ছিল, পাকিস্তানি এয়ারবেস, রেডার ইনস্টলেশন ও সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সাইট। এর পরে সকাল ১০টায় দাঁড়িয়ে থাকা বিমানগুলিকে টার্গেট করে। একাধিক পাকিস্তানি এয়ারবেস নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। ধ্বংস হয় রানওয়ে ও হ্যাঙ্গার। ভারতীয় বায়ুসেনা পাকিস্তানের ৪-৫টি লড়াকু বিমান নামায়। একটি এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং এয়ারক্রাফ্ট, একটি ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফ্ট, একাধিক ড্রোন, একাধিক রেডার, কমান্ড সেন্টার ও সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল ব্যাটারি ছিল। পাকিস্তান তাদের একটি এয়ারবেসে ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকারও করেছিল। পাক মুলুকের একাধিক শহরে তছনছ হয়েছিল তাদের সামরিক পরিকাঠামো। তার পরেই তারা সংঘর্ষ বিরোধী চুক্তি করতে বাধ্য হয় পাকিস্তান।

    পাকিস্তানের অনুরোধে যুদ্ধের সমাপ্তি

    অপারেশন সিঁদুরের সময়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো মূলত যুদ্ধের প্রথম রাতে ভারতের অন্তত একটি রাফাল যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার খবর বড় করে দেখিয়েছিল। তবে, সুইৎজারল্যান্ডের এই থিঙ্ক ট্যাঙ্কের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ওই একটি ঘটনা যুদ্ধের প্রকৃত অবস্থাকে আড়াল করার চেষ্টা করেছিল। আসলে ভারত সুপরিকল্পিতভাবে পাকিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং পাল্টা আঘাত হানার ক্ষমতা পুরোপুরি ভেঙে দিয়েছিল। শেষপর্যন্ত নিজেদের শর্ত মেনেই এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটিয়েছিল। উল্লেখ্য, পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলায় মৃত্য়ু হয় ২৮ জনের। তার পরেই অপারেশন সিঁদুর শুরু করা হয়। ভারতের দাবি ছিল, এই হামলার সঙ্গে পাকিস্তান-ভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো জড়িত।

  • ASTRA Missile: ভারতীয় নৌ, বায়ুসেনার হাতে আসছে দেশীয় “অস্ত্র”

    ASTRA Missile: ভারতীয় নৌ, বায়ুসেনার হাতে আসছে দেশীয় “অস্ত্র”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভাবটা মালুম হয়েছিল বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের (Balakote airstrike) সময়। ভালমানের এয়ার-টু-এয়ার মিসাইলের (Air-to-Air Missile) অভাবে কিছুটা পিছিয়ে আসতে হয়েছিল ভারতকে (India)। সেই ঘাটতি ঢাকতে বদ্ধপরিকর ছিল মোদি (Modi) সরকার। লক্ষ্য ছিল, দেশীয় উন্নতমানের দেশীয় আকাশ-থেকে-আকাশ নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করার। দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সম্প্রতি কেন্দ্রের সবুজ সংকেত মিলেছে। অবশেষে, এবার ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) ও নৌসেনায় (Indian Navy) ব্যবহৃত যুদ্ধবিমানের মারণ ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করতে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে “অস্ত্র”।

    মোদি সরকারের অষ্টম বর্ষপূর্তিতে (Modi@8) ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ তৈরি করল প্রতিরক্ষামন্ত্রক। ভারতীয় সামরিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য মঙ্গলবার রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ভারত ডায়নামিক্স লিমিটেড (Bharat Dynamics Ltd) এর সঙ্গে ২ হাজার ৯৭১ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Ministry of Defence)। এই চুক্তি অনুযায়ী, ভারতীয় বায়ুসেনা ও নৌসেনার জন্য ‘অস্ত্র মার্ক ১’ (ASTRA Mk I) বিয়ন্ড ভিজ়্যুয়াল রেঞ্জ (BVR) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল বা সংক্ষেপে (BVRAAM) উৎপাদন করবে ভারত ডায়নামিক্স (BDL)।

    আরও পড়ুন: সমন্বয় বাড়াতে শিলিগুড়িতে কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে যৌথ মহড়া সেনার

    সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য দৃষ্টিসীমার বাইরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম  “অস্ত্র” আকাশ থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রর পাল্লা ১১০ কিলোমিটার। ক্ষেপণাস্ত্রটির গবেষণা থেকে শুরু করে নির্মাণ ও পরীক্ষার দায়িত্বে ছিল কেন্দ্রীয় প্রতিলক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিফেন্স রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)। এখন ক্ষেপণাস্ত্র এবং সম্পর্কিত সিস্টেমগুলির উৎপাদনের জন্য সমস্ত প্রযুক্তি বিডিএল-এর কাছে হস্তান্তর করেছে ডিআরডিও। 

    বর্তমানে ব্রহ্মোস (BrahMos) ছাড়া, ভারতের সবকটি এয়ার-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্রগুলি বিদেশ থেকে আমদানি করা। ফলে, সেগুলি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। কেন্দ্রে মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশীয় প্রযুক্তি উন্নয়ন ও দেশীয় অস্ত্র নির্মাণ ও উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সেই নিরিখে, এর নতুন দেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের  ফলে প্রতিরক্ষাক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগলো ভারত।

    “অস্ত্র” হল ভারতের প্রথম সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এয়ার-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র। ক্ষেপণাস্ত্রটি ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান ভরসা রুশ-নির্মিত সুখোই সু-৩০ এমকেআই (Sukhoi Su-30 MKI) যুদ্ধবিমানের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি, বায়ুসেনার দেশীয় ‘তেজস’ (Tejas) এবং নৌসেনার প্রধান যুদ্ধবিমান ‘মিগ-২৯কে’ (MiG 29K) সজ্জিত হবে এই ক্ষেপণাস্ত্রে।

    আরও পড়ুন: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’য় এবার মার্কিন অস্ত্র?

    ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের সময় পাক বায়ুসেনা ব্যবহৃত মার্কিন নির্মিত ‘এফ-১৬’ (F-16) যুদ্ধবিমানে সঙ্গে আসা ‘এআইএম-১২০’ (AIM-120) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইলের জন্য সরাসরি আক্রমণে যেতে পারেনি ভারত। কারণ, পাক বায়ুসেনার বিভিআর মিসাইলের নিশানায় চলে আসত ভারতীয় সুখোই বিমানগুলি। ভারত সেই সময় সিদ্ধান্ত নেয়, দ্রুত এই মিসাইলকে অন্তর্ভুক্ত করতেই হবে। 

    বর্তমানে ভারতের অস্ত্রাগারে রয়েছে ‘মিটিয়র’ (Meteor)-এর মতো যা এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা BVRAAM। ফরাসি যুদ্ধবিমান ‘রাফাল’- এর সঙ্গে এসেছে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি। কিন্তু, এগুলির প্রতিটির দাম অনেক বেশি। তুলনায় ভারতে তৈরি ‘অস্ত্র’ মিসাইল অনেকটাই সস্তা। ডিআরডিও-র দাবি, পাক বায়ুসেনা ব্যবহৃত ‘এআইএম-১২০’ মিসাইলের সমতুল্য হচ্ছে ‘ASTRA Mk I’। 

    অন্যদিকে, গবেষণা চলা ‘ASTRA Mk II’ ও ‘অস্ত্র মার্ক III’ ভেরিয়েন্টগুলির পাকিস্তানের ব্যবহৃত মিসাইলের থেকে ঢের ভালো হবে এবং চিনা মিসাইলকে সমানে সমানে টক্কর দেবে। জানা গিয়েছে, এই দুই মিসাইলের পাল্লা হবে যথাক্রমে ১৬০ ও ৩৫০ কিলোমিটার।

    আরও পড়ুন: এমএসএমই থেকে প্রতিরক্ষা সামগ্রী কেনার পরিমাণ ছুঁল সর্বকালীন রেকর্ড

LinkedIn
Share