Tag: Pak accepts LeT terrorist’s body first time in 3 decades

Pak accepts LeT terrorist’s body first time in 3 decades

  • LeT Terrorist: তিন দশকে প্রথম কোনও লস্কর জঙ্গির দেহ গ্রহণ করল পাকিস্তান! কীভাবে হল হস্তান্তর?

    LeT Terrorist: তিন দশকে প্রথম কোনও লস্কর জঙ্গির দেহ গ্রহণ করল পাকিস্তান! কীভাবে হল হস্তান্তর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত তিন দশকে এই প্রথম। লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গির দেহ গ্রহণ করল পাকিস্তান (Pakistan Accepts Lashkar-e-Taiba Terrorist’s Body)। গত মাসের শেষের দিকে সীমান্তে অনুপ্রবেশের সময় ভারতীয় সেনার হাতে  ধরা পড়েছিল পাক জঙ্গি তবারক হোসেন (৩২)। সেনার গুলিতে আহতও হয়েছিল সে। জম্মু-কাশ্মীরের রাজৌরি জেলায় সেনা হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। গত শনিবার অস্ত্রোপচারের সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় তবারক। সোমবার তবরকের দেহ পুঞ্চ জেলার চাকান দা বাগের সীমান্ত অঞ্চলে পাকিস্তানের হাতে তুলে দেয় ভারতীয় সেনা। 

    জম্মু কাশ্মীরের উগ্রপন্থী হামলায় মৃত কোনও জঙ্গির দেহই এতদিন পর্যন্ত গ্রহণ করেনি পাকিস্তান। এমনকী, ১৯৯৯-এ কার্গিলের যুদ্ধে মৃত জঙ্গিদের দেহও গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছিল পাক সরকার। ভারতে কোনও সন্ত্রাসবাদী হামলায় পাকিস্তানের যোগ পাওয়া গেলেও তা মেনে নিতে অস্বীকার করত ইসলামাবাদ, এবার ছবিটা পাল্টাল। কাশ্মীরে মৃত লস্কর ই তৈবার জঙ্গির দেহ গ্রহণ করল পাকিস্তান। 

    আরও পড়ুন: গাড়ির পিছনের সিটে বসা যাত্রীদেরও সিট বেল্ট লাগাতে হবে, নইলে জরিমানা, কড়াকড়ি কেন্দ্রের

    ভারতীয় সেনা সূত্রের খবর,অ্যাম্বুলেন্স করে ওই জঙ্গির দেহ  নিয়ে যাওয়া হয় পুঞ্চ সেক্টরের চাকান দা বাগ এলাকায়। তারপর তা তুলে দেওয়া হয় পাকিস্তানের প্রশাসনিক প্রতিনিধিদের। পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা ওই মৃত জঙ্গির দেহ গ্রহণ করে। অ্যাম্বুলেন্সে ভারতীয় সেনার প্রতিনিধি ছাড়াও ছিলেন স্থানীয় প্রশাসনের কর্তারা। সিভিল পুলিশের উপস্থিতিতে দেহ হস্তান্তরের কাজটি হয়। 

    পাক অধীকৃত কাশ্মীরের কোটালির সবজকোট গ্রামের বাসিন্দা তবারক এর আগে ২০১৬ সালে ধরা পড়েছিল। প্রথমবার তাকে ছেড়ে দেয় ভারত সরকার। দ্বিতীয় বার ফের ধরা পড়ে সে। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, তবারক লস্কর-ই- তৈবার প্রশিক্ষিত জঙ্গি এবং পাক সেনার এজেন্ট। ভারতীয় সেনা ছাউনিতে হামলা চালানোর জন্য তাকে পাঠানো হয়। সেনার গুলিতে গুরুতর জখম তবারকের অস্ত্রোপচার চলাকালীন রক্তের প্রয়োজন হয়। সেই সময় দু’জন সেনা জওয়ান রক্ত দেন। কিন্তু তাতেও ওই পাক জঙ্গিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

LinkedIn
Share