Tag: pak

pak

  • Indian Citizenship: তিন প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সংখ্যালঘু শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব, বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    Indian Citizenship: তিন প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সংখ্যালঘু শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব, বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটের (Gujarat) দুই জেলায় বসবাসকারী তিন দেশের সংখ্যালঘুদের দেওয়া হচ্ছে ভারতীয় নাগরিকত্ব (Indian Citizenship)। নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়টি ঘোষণা করেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (MHA)। সোমবার এই মর্মে জারি হয়েছে নির্দেশিকাও। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর না হওয়ায় ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনের আওতায় এই পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    গুজরাটের মেহসানা ও আনন্দ জেলায় বসবাসকারী পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টানদের ভারতীয় নাগরিকত্ব (Indian Citizenship) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। জেলা আধিকারিকদের এই মর্মে শংসাপত্র দেওয়ার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে এ দেশে অন্তত পাঁচ বছর বসবাস করতে হয়। এ ক্ষেত্রে তাও প্রযোজ্য হবে না।

    ভারতীয় নাগরিকত্ব (Indian Citizenship) কয়েকটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে অর্জন করা যায়। এগুলি হল, ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তির রেজিস্ট্রেশনের ভিত্তিতে, কোনও ভারতীয়কে বিয়ে করে, নাবালক, শিশু যার বাবা মা ভারতের নাগরিক, ভারতের বিদেশি নাগরিক এবং ভারতীয় কনস্যুলেটে একটি শিশুর রেজিস্ট্রেশন। তবে গুজরাটের দুই জেলার যাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়া হচ্ছে, তাঁদের ক্ষেত্রে এগুলির কোনওটিই প্রযোজ্য নয়। তা সত্ত্বেও তাঁদের নাগরিকত্ব দিয়ে মহানুভবতার পরিচয় দিল ভারত। অন্তত ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের অভিমত এমনই।

    গত বছরই এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। সেই কারণে গুজরাট, রাজস্থান, ছত্তিশগড়, হরিয়ানা ও পাঞ্জাবের মোট ১৩টি জেলায় বসবাসকারী অ-মুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব পেতে আবেদন জানানোর নির্দেশ দিয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সেখানে ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন ও ২০০৯ সালের নিয়ম অনুযায়ী এই নির্দেশ কার্যকর করতে বলা হয়েছিল। কারণ সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন, ২০১৯ এ বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে আগত হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টানদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু যেহেতু এই আইনের অধীনে বিধিগুলি এখনও সরকার প্রণয়ন করেনি, তাই এখনও পর্যন্ত কাউকে এই আইনের অধীনে নাগরিকত্ব দেওয়া যায়নি। ২০১৬, ২০১৮ এবং ২০২১ সালেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক গুজরাট, রাজস্থান, ছত্তিশগড়, পাঞ্জাব এবং হরিয়ানা এই পাঁচটি রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলার কালেক্টরদের বৈধ নথিতে ভারতে আসা ছটি সম্প্রদায়ের অভিবাসীদের নাগরিকত্ব (Indian Citizenship) শংসাপত্র দেওয়ার ক্ষমতা দান করে।

    আরও পড়ুন: ‘রাজনীতির ঊর্ধ্বে সমাজসেবা, সবার ওপরে মাতৃত্ব…’, জানুন আরএসএসের মহিলা সংগঠনের আদর্শ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Pakistan: রাজনীতি থেকে দূরে থাকুন, সেনা আধিকারিকদের নির্দেশ পাক সেনা প্রধানের

    Pakistan: রাজনীতি থেকে দূরে থাকুন, সেনা আধিকারিকদের নির্দেশ পাক সেনা প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের রাজনীতি (Politics) থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিলেন চিফ অফ স্টাফ জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া (Qamar Javed Bajwa)। সেনাবাহিনীর কমান্ডার, শীর্ষ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের (ISI) সঙ্গে যুক্ত কর্তাদের উদ্দেশে এনিয়ে আলাদা একটি নির্দেশিকাও জারি করেছেন পাক সেনা প্রধান। সেনা কর্মকর্তাদেরও রাজনীতিবিদদের সঙ্গে আলাপ আলোচনাও বন্ধ রাখার আহ্বান জানান পাকিস্তানের সেনা কর্তা।  

    পাঞ্জাবে আসন্ন উপনির্বাচনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল তেহেরিক-ই ইনসাফ, সংক্ষেপে পিটিআইকে বেকায়দায় ফেলতে সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা জড়িত বলে অভিযোগ। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রেও আইএসআই এবং সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা জড়িত বলে লাগাতার অভিযোগ করে আসছেন পিটিআই নেতারা। তাঁদের সন্দেহের তির আইএসআই লাহোর সেক্টরের কমান্ডারের দিকে। সূত্রের খবর, গত দু সপ্তাহ ধরে পাঞ্জাব প্রদেশের রাজধানী লাহোরে নিজ কর্মস্থলে তিনি নেই। এই মুহূর্তে তিনি রয়েছেন রাজধানী ইসলামাবাদে।

    আরও পড়ুন : করাচিতে জরুরি অবতরণ, কী হল দুবাইগামী স্পাইসজেটের বিমানে?

    পাকিস্তানের প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও পিটিআই নেতা ইয়াসমিন রাশিদ সম্প্রতি এই আইএসআই কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করেছেন। রাশিদের আগে প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী ও পিটিআইয়ের ডেপুটি চেয়ারম্যান শাহ মেহমুদ কুরেশিও বলেন, পাঞ্জাব প্রদেশের উপনির্বাচনে পিটিআইয়ের বিরুদ্ধে অদৃশ্য শক্তি কাজ করছে। সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই চেয়ারম্যান ইমরান খানও প্রায় একই অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, তাঁর কিছু কিছু প্রার্থীও অচেনা নম্বর থেকে ফোন পাচ্ছেন।

    আরও পড়ুন : ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের হুঁশিয়ারি! বিদ্যুৎ সংকট পাকিস্তানে

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পাকিস্তানের রাজনীতির মূল চাবিকাঠি থাকে সেনাবাহিনীর হাতে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে যিনি বসেন, তাঁর সঙ্গে বরাবর সেনাবাহিনীর সুসম্পর্ক থাকে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সেনা প্রধানের দূরত্ব তৈরি হলেই সমূহ বিপদ। ক্ষমতা চ্যুত হতে হয়। যেমনটা সম্প্রতি হতে হয়েছে ইমরান খানকে। তার পরেই পাক প্রধানমন্ত্রী পদে বসেছেন শেহবাজ শরিফ। এর ঠিক পরে পরেই সেনা প্রধানের এই নির্দেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

     

  • Imran khan: “তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান!” কেন এমন কথা বললেন ইমরান?

    Imran khan: “তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান!” কেন এমন কথা বললেন ইমরান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (pakistan) অবিলম্বে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা না হলে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে। বিস্ফোরক ইমরান খান (Imran khan)।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা তেহরিক-ই ইনসাফ (Pakistan Tehreek-e-Insaf) পার্টির প্রধান বলেন, পাকিস্তান এখন দেউলিয়া হওয়ার পথে। পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা হারালে তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান। যদি চলতি সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া না হয়, তাহলে এদেশ আত্মঘাতী হতে যাচ্ছে। ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে তিনি যে এখনই ফিরে আসছেন না, এদিন তাও জানান ‘কাপ্তান’। তিনি বলেন, ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে ফিরে আসার মানে হবে ষড়যন্ত্র স্বীকার করে নেওয়া।

    আরও পড়ুন : চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের কাজ বিশবাঁও জলে, কেন জানেন?

    ইমরানেরকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতায় আসে শাহবাজ শরিফের (Shehbaz Sharif) সরকার। ইমরানের দাবি, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। দ্রুত নির্বাচনের দাবিতে দিন কয়েক আগে ইসলামাবাদে বিশাল জমায়েত করেন ইমরান। ওই জমায়েত ঠেকাতে চেষ্টার কসুর করেনি শাহবাজের সরকার। তার পরেও রোখা যায়নি প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীকে। ইসলামাবাদের বুকে জনসভা করেন তিনি।

    ওই দিনই ইমরান জানিয়েছিলেন, তিনি এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের জন্য অপেক্ষা করছেন। তিনি বলেন, আমি নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ভোগ করিনি। ক্ষমতার প্রকৃত কেন্দ্রগুলি পড়ে রয়েছে অন্যত্র। সবাই জানে যে কোথায় আছে। ইমরান আরও বলেন, ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আমাদের সরকার দুর্বল ছিল। তাই জোটসঙ্গী খুঁজতে হয়েছিল। তবে এরকম পরিস্থিতি আবার দেখা দিলে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠনে নির্বাচন বেছে নেবেন বলেও জানান পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন : অশান্ত পাকিস্তান! ৬ দিনের মধ্যে নির্বাচন ঘোষণা করতে শাহবাজ সরকারকে হুঁশিয়ারি ইমরানের

    তাঁর সরকার ব্ল্যাকমেলের শিকার বলেও অভিযোগ করেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। ইমরান বলেন, আমাদের হাত বাঁধা ছিল। সব জায়গা থেকে আমাদের ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছিল। ক্ষমতা আমাদের সঙ্গে ছিল না। এর পরেই তিনি বলেন, আমরা দেখব তারা আমাদের আইনি ও সাংবিধানিক উপায়ে নির্বাচনের দিকে যেতে দেয় কিনা, অন্যথায় এই দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে।

    এদিকে, দেশের বিরুদ্ধে নগ্ন হুমকি দেওয়ায় বৃহস্পতিবার পূর্বসূরি ইমরান খানকে পাবলিক অফিসের জন্য অযোগ্য বলে অভিযুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। পাকিস্তানের বিভাজনের বিষয়ে কথা না বলতে তাঁকে সতর্কও করেন।

     

LinkedIn
Share