Tag: Pakistan Economic Crisis

Pakistan Economic Crisis

  • Pakistan Economic Crisis: আর্থিক সংকটের পাকিস্তানে খাদ্যের হাহাকার! রেশন বিতরণে পদপিষ্ট হয়ে মৃত ২৩

    Pakistan Economic Crisis: আর্থিক সংকটের পাকিস্তানে খাদ্যের হাহাকার! রেশন বিতরণে পদপিষ্ট হয়ে মৃত ২৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চরম আর্থিক সংকটে (Pakistan Economic Crisis) পাকিস্তান! এমন পরিস্থিতিতে সেদেশের সরকার বিনামূল্যে রেশন সামগ্রী বন্টনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর তাতেই বিপত্তি। ময়দার ট্রাক লুঠ, সরকারি আধিকারিকদের দুর্নীতির অভিযোগ তো আসছেই পাশাপাশি সেদেশের বিভিন্ন প্রদেশে ময়দা বিতরণকে কেন্দ্র করে এখনও পর্যন্ত অন্তত পক্ষে ২৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।

    গত ১৫ দিনে বিভিন্ন জায়গায় পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে 

    ৩১ মার্চ করাচিতে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হচ্ছিল। সেখানেই হুড়োহুড়িতে পদপিষ্ট হয়ে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু হয়। পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, মৃতদের মধ্যে ছিল ৮ মহিলা এবং ৩ শিশু। করাচির সিন্ধ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেডিং এস্টেট এলাকায় পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার জেরে ৭ জনকে গ্রেফতারও করে পাক প্রশাসন। ২৮ মার্চ  পাঞ্জাবের সাহিওয়াল জেলায় বিনামূল্যে রেশন সামগ্রী বিতরণে পদদলিত হয়ে দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। আবার ২৩ মার্চ খাইবার পাখতুনখোয়ার চরসাদ্দা জেলায় রেশন সামগ্রী বিলির সময় পদদলিত হয়ে একজন নিহত ও চারজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করতে গিয়ে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। কিছু দিন আগে, কয়েক হাজার ময়দার বস্তা ট্রাক থেকে লুট হয়েছিল।

    প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের প্রধান খাদ্যশস্য হল গম। কিন্তু, গত কয়েক মাস ধরেই গম ও গমজাত দ্রব্য, আটা, ময়দা, এমনকি পাউরুটিরও আকাল দেখা দিয়েছে পাকিস্তানে। জানা গিয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রতি বুধবার সকাল ৬টা থেকে জেলা প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলি থেকে বিনামূল্যে গম বিতরণের কথা ঘোষণা করেন পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশের সরকার। সেই ঘোষণার পরই প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলিতে জনগণের ভিড় জমে যায়। তারপর গম ভর্তি ট্রাক কেন্দ্রগুলিতে পৌঁছতেই কার্যত লুঠ শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যত ব্যর্থ হয় পুলিশ-প্রশাসন। আগে বেশি গম পাওয়ার হুড়োহুড়িতেই বিভিন্ন জায়গায় পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে এবং বিভিন্ন জেলায় মোট ১১ জনের মৃত্যু হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: গত ৫০ বছরে রেকর্ড মুদ্রাস্ফীতি পাকিস্তানে! খাদ্য সামগ্রী নেওয়ার হুড়োহুড়িতে প্রাণ গেল ২০ জনের

    Pakistan: গত ৫০ বছরে রেকর্ড মুদ্রাস্ফীতি পাকিস্তানে! খাদ্য সামগ্রী নেওয়ার হুড়োহুড়িতে প্রাণ গেল ২০ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত পঞ্চাশ বছরের মধ্যে রেকর্ড মুদ্রাস্ফীতি পাকিস্তানে। জানা গিয়েছে মুদ্রাস্ফীতির এই হার বর্তমানে ৩৫.৩৭ শতাংশে এসে ঠেকেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আইএমএফের শর্ত পূরণ করার উদ্যোগ নিতেই এই অবস্থা হয়েছে পাকিস্তানে। এমনিতেই চরম আর্থিক সংকটে পাকিস্তান। এই পরিস্থিতিতে দেশে উৎপাদন বন্ধ রেখেছে নামীদামী বৈদেশিক কোম্পানিগুলিও, বাড়ছে বেকারত্ব। আকাশ ছোঁয়া হয়েছে নিত্য়প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। এই পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতির হাল ফেরাতে শেহবাজ সরকারকে শরণাপন্ন হতে  হয় ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ডের কাছে। সেদেশের অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যেভাবে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ছে, এতে খুব তাড়াতাড়ি দুর্ভিক্ষ শুরু হবে দেশে।

    আরও পড়ুন: আজ থেকে অনেকটাই দাম কমল রান্নার গ্যাসের! কলকাতায় কত হল জানেন? 

    নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ

    সেদেশের বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিমাসেই মুদ্রাস্ফীতির হার লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। খাদ্য পানীয়ের দাম এবং যোগাযোগের ভাড়া প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চরম অব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্নীতির জন্যই নাকি পাকিস্তানের  অর্থনীতির আজ এই অবস্থা। ২০২২ সালে এক বিধ্বংসী বন্যার কারণে এক-তৃতীয়াংশ অংশ জলের নিচে চলে যায়। পরিস্থিতি সেই সময় থেকে আরও খারাপ হয়।

    বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে আটা ময়দা, সেখানেও হুড়োহুড়িতে প্রাণ গেল ২০ জনের

    বর্তমানে দেশটির যা ঋণ, তাতে পাকিস্তানের পক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডারও ব্যাপক হ্রাস পেয়েছে এবং দাম কমেছে পাকিস্তানের মুদ্রারও। মুদ্রাস্ফীতির মোকাবিলায় আটা-ময়দা বিতরণের সরকারি  কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সেদেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম। আবার এখানেও বিপত্তি। সম্প্রতি, ময়দা নিতে গিয়ে ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে ২০ জনের মৃত্যুর খবরও সামনে এসেছে।

    আরও পড়ুন: দেশীয় কোম্পানিগুলির সঙ্গে প্রায় ৩২,০৮৬ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা চুক্তির অনুমোদন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Pakistan Economic Crisis: সরকারি কর্মচারীদের বেতন পেনশন বন্ধ হল পাকিস্তানে! সেদেশের অর্থ দপ্তর বলছে গুজব

    Pakistan Economic Crisis: সরকারি কর্মচারীদের বেতন পেনশন বন্ধ হল পাকিস্তানে! সেদেশের অর্থ দপ্তর বলছে গুজব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্থিক সংকট ব্যাপক আকার ধারণ করেছে পাকিস্তানে (Pakistan Economic Crisis)। এমন অবস্থায় সেদেশের সংবাদ সংস্থা দ্য ডনের দাবি পাকিস্তানের অর্থ ও রাজস্ব মন্ত্রণালয়- রাজস্ব মহাপরিচালকের (এজিপিআর) দপ্তরকে বেতনসহ সরকারি বিল পরিশোধ বন্ধ রাখতে বলেছে। এতে বলা হয়, পরবর্তী নোটিশ না দেওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে বিল নিষ্পত্তি বন্ধ রাখারও নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়। ওই সংবাদ সংস্থার দাবি, এজিপিআর দপ্তরে এদিন কয়েকজন বকেয়া বিল নিতে গেলে তাদের জানানো হয় অর্থমন্ত্রণালয় বেতনসহ সব ধরনের বিল পরিশোধ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। দেশের আর্থিক সমস্যার (Pakistan Economic Crisis) কারণেই এমন নির্দেশনা। 

    সেদেশের অর্থ দপ্তর বলছে এ খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা

    এদিকে এমন খবর ছড়িয়ে পড়তেই সেদেশের  অর্থ দপ্তর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, বেতন ও ভাতা পরিশোধ বন্ধ রাখা হয়েছে এমন খবর ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’।

    অর্থ দপ্তরের জারি করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সরকার বেতন, পেনশন বন্ধ (Pakistan Economic Crisis) করেছে বলে গুজব ছড়ানো হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা, অর্থ বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয় এ ধরনের কোনো নির্দেশনা দেয়নি’।

    এতে আরও বলা হয়, অ্যাকাউন্টেট জেনারেল পাকিস্তান রেভিনিউস (এজিপিআর) নিশ্চিত করেছে, যে বেতন ও ভাতা পরিশোধ এরমধ্যেই প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তা সময়মতো তা দেওয়া হবে’। অন্যান্য ধরনের পেমেন্ট নির্ধারিত রুটিন অনুসারে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানানো হয়।

    পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী কী বলছেন 

    সাংবাদিক সম্মেলনে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী ইশাক দার বলেছেন, ‘জাতীয় অর্থনৈতিক স্বার্থ (Pakistan Economic Crisis) ক্ষুণ্ণ করতে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা হয়েছে’। 

    তিনি জনসাধারণের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে নিশ্চিত হওয়ার আগে, দয়া করে এধরনের গুজব ছড়িয়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকুন’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Pakistan Economic Crisis: আর্থিক সংকটে পাকিস্তানকে কোনও সাহায্য করবেনা ভারত, সাফ জানালেন বিদেশমন্ত্রী

    Pakistan Economic Crisis: আর্থিক সংকটে পাকিস্তানকে কোনও সাহায্য করবেনা ভারত, সাফ জানালেন বিদেশমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাপক আর্থিক সংকটে (Pakistan Economic Crisis) ভুগছে পাকিস্তান। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানকে কোনও সাহায্য করবে না ভারত সাফ জানিয়ে দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। বিদেশ মন্ত্রক আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এমনই বলেন এস জয়শঙ্কর। সাম্প্রতিক অতীতে পাকিস্তানের মতোই আর্থিক সংকটে ভুগছিল শ্রীলঙ্কা। সেসময় পাশে দাঁড়িয়েছিল ভারত। একাধিক সাহায্যও পাঠান হয়েছিল। তবে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে কোনও সাহায্য কার হবেনা, এমনটাই জানা যাচ্ছে।

    কী বললেন বিদেশমন্ত্রী

    কোনওভাবেই পাকিস্তান (Pakistan Economic Crisis) কাটাতে পারছেনা তাদের আর্থিক সংকট (Pakistan Economic Crisis)। এ প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী বলেন কোনও দেশই কখনও কঠিন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না যতক্ষণ না সেই দেশ একটি সমৃদ্ধশালী শিল্প তৈরি হয়। পকিস্তানের শিল্প বলতে সন্ত্রাসবাদ । সন্ত্রাসবাদ তৈরির কারখানায় পরিণত হয়েছে পাকিস্তান। তাই দেশটির এই হাল বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। এদিনের অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের নাম না করে বিদেশমন্ত্রী আরও বলেন, একটি দেশকে প্রথমে অর্থনৈতিক সমস্যাগুলি ঠিক করতে হবে, দেশটিকে রাজনৈতিক সমস্যাগুলি ঠিক করতে হবে। সামাজিক সমস্যাগুলিও ঠিক করতে হবে। তারপরই সেই দেশটি উন্নয়নের মুখ দেখবে। তিনি আরও বলেন কোনও দেশ গুরুতর আর্থিক সমস্যার মুখোমুখি হলে তা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য প্রথমে একটি নীতি গ্রহণ করতে হবে। কূটনীতি থেকে রাজনীতি সর্বত্রই তার প্রভাব পড়বে। তাঁর আরও সংযোজন, ভারতেও আধুনিক সময় বেশ কয়েকবার চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে গেছে। ৩০ বছর আগে ভারত পেমেন্টের ভারসাম্য সংকটের মধ্যে দিয়ে গেছে। কিন্তু ভারত নিজেই সমস্যা মোকাবিলা করতে পেরেছে।

    নরেন্দ্র মোদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে দেশের

    এস জয়শঙ্কর এদিন আরও বলেন ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দায়িত্ব নেওয়ার পরই ভারত প্রতিবেশী দেশগুলির প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করেছে। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানান হয়েছে। তাতে প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলির নানা সমস্যায় ভারত তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।
     

  • Pakistan Economic Crisis: চরম খাদ্য সংকটের মধ্যেই পাকিস্তানে এবার ১০০ কোটি টাকার গম চুরি!

    Pakistan Economic Crisis: চরম খাদ্য সংকটের মধ্যেই পাকিস্তানে এবার ১০০ কোটি টাকার গম চুরি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরতে চলল। সংকট কাটেনি পাকিস্তানের। অর্থনৈতিক সংকট (Pakistan Economic Crisis) কাটাতে আইএমএফের (IMF) কাছে হাত পাতছে ইসলামাবাদ। তবে কতটা সাহায্য মিলবে, সংকটই বা কাটিয়ে ওঠা যাবে কি না, তা নিয়ে চিন্তিত পাকিস্তানের (Pakistan) অর্থনীতিবিদদের একাংশ। এদিকে, দেশে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম লাগামছাড়া। বৈদেশিক মুদ্রার ভাঁড়ারে টান পড়ায় আমদানি করা যাচ্ছে না জিনিসপত্র। তার জেরে ক্রমেই উর্ধমুখী নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম।

    পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংকট (Pakistan Economic Crisis) চরমে…

    আটা, পেঁয়াজের মতো জিনিসপত্রও সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। দেশে এক কেজি পেঁয়াজের দাম ১৫০ টাকা ছাড়িয়েছে। ৯ মার্চ পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে কেজি প্রতি ১৫৭ টাকায়। অথচ এক বছর আগেও এক কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩৯ টাকা কেজি দরে। ২০ কেজি গম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৭৭৫ টাকায়। দেশের অর্থনৈতিক সংকট (Pakistan Economic Crisis) মোকাবিলায় শাহবাজ শরিফের সরকার দ্বারস্থ হয়েছে আইএমএফের। ১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্য চেয়েছে। কিন্তু আইএমএফ এখনও বেলআউট প্যাকেজ অনুমোদন করেনি। তার জেরেই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে পেট্রল-ডিজেলের দাম। চড়চড়িয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের দামও।

    আরও পড়ুুন: ‘৬০০ মাদ্রাসা বন্ধ করেছি, বাকিগুলোও করব’, ঘোষণা অসমের মুখ্যমন্ত্রীর

    খাদ্য সংকটের জেরে বাড়ছে চুরির ঘটনাও। সিন্ধ প্রদেশে প্রায় ৪০ হাজার টন গম চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এই পরিমাণ গমের বাজার মূল্য প্রায় ১০০ কোটি টাকা। চুরির দায়ে অন্তত ৬৭ জন পদস্থ সরকারি কর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, খাদ্য দফতরের কর্মীদের যোগসাজশে দেশের ১০ জেলার সরকারি গোডাউন থেকে মোট ৪০ হাজার ৩৯২ টন গম চুরি গিয়েছে। চুরির দায়ে যাঁদের বরখাস্ত করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ৪৯ জন খাদ্য তত্ত্বাবধায়ক। বাকি ১৮ জন খাদ্য পরিদর্শক।

    পাকিস্তানের বাসিন্দাদের প্রধান খাদ্য গম। এই গমের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে ফারাক বিস্তর। যার জেরে পাকিস্তানের বিভিন্ন বাজারে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছে। সিন্ধ, বেলুচিস্তান প্রদেশে এ জাতীয় ঘটনার খবর জায়গা করে নিয়েছে সংবাদ মাধ্যমে। বর্তমানে রাশিয়া সহ বিভিন্ন দেশ থেকে গম আমদানি করতে বাধ্য হয়েছে ইসালামাবাদ। দেশের অর্থনৈতিক সংকট (Pakistan Economic Crisis) কাটাতে আইএমএফের কাছে ৬৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ প্রকল্প চালু করার অনুরোধ জানিয়েছে শাহবাজ শরিফের সরকার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Pakistan Economic Crisis: পাক অর্থনীতির হাঁড়ির হাল, কী জন্য জানেন কি?

    Pakistan Economic Crisis: পাক অর্থনীতির হাঁড়ির হাল, কী জন্য জানেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনা ঋণের ফাঁদে পড়ে সর্বস্বান্ত হয়েছে ভারতের (India) এক প্রতিবেশী দেশ শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। গত বছর মার্চের দিকে নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করেছে দ্বীপরাষ্ট্র। তার পর থেকে এ পর্যন্ত ছন্দে ফিরতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার পর এবার প্রায় একই হাল হতে চলেছে ভারতের আর এক প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানেরও (Pakistan Economic Crisis)। ইতিমধ্যেই সাহায্যের জন্য বিশ্বব্যাঙ্কের কাছে আবেদন করেছে ইসলামাবাদ। এখনও সাহায্য মেলেনি। তাই ক্রমেই হাঁড়ির হাল হচ্ছে পাক অর্থনীতির।

    হাইব্রিড সিস্টেম…

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, পাকিস্তানের এই আর্থিক দুরাবস্থার জন্য দায়ী হাইব্রিড সিস্টেম। যে সিস্টেম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন আইএসআইয়ের (ISI) ডিরেক্টর জেনারেল সুজা পাশা। ২০১০ সালে তিনি এই সিস্টেম চালু করেন পাকিস্তান মুসলিম লিগ নওয়াজ ও পাকিস্তান পিপলস পার্টির মধ্যে অশান্তি জিইয়ে রাখতে। যদিও পাকিস্তানের (Pakistan Economic Crisis) সিংহভাগ বিশেষজ্ঞ, রাজনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদদের মতে, ২০১৮ সালের অগাস্টে এক্সপেরিমেন্ট করা হয়েছিল হাইব্রিড সিস্টেম প্রজেক্ট ইমরান। সেজন্য ব্যবহার করা হয়েছিল সমস্ত অবৈধ সম্পদ। তার জেরে ব্যর্থ হয়েছিল বিলিয়ন বিলিয়ন লগ্নি। এসবের প্রভাবও পড়েছিল ইমরান সরকারের জমানায়। পাক অর্থনীতিবিদ খুররম হুসেনের মতে, পাকিস্তানের এই সংকট কাটাতে প্রয়োজন বিশ্বব্যাঙ্কের সাহায্য। এজন্য রাজনৈতিক মূল্য চোকাতে হতে পারে। তিনি মনে করিয়ে দেন ক্ষমতায় আসার আগে শাহবাজ শরিফ একাধিকবার দেশের আর্থিক অবস্থা নিয়ে বৈঠক করেছিলেন মিফতা ইসমাইলের সঙ্গে। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের শর্ত মেনে শাহবাজ যখন অর্থনৈতিক সংস্কার করতে শুরু করলেন, তখন দলেই শুরু হয় অশান্তি। দলীয় নেতাদের অনেকেই লন্ডনে নওয়াজ শরিফের সঙ্গে দরবার করতে শুরু করেন।

    আরও পড়ুুন: ইস্তেহার প্রকাশ তৃণমূলের, ভোট কিনতে বাংলার মতো টাকার টোপ মেঘালয়েও!

    পাকিস্তানের (Pakistan Economic Crisis) বর্তমান অর্থমন্ত্রী ইশাক দার লন্ডনে শরিফকে জানান অর্থমন্ত্রী মতিফ ইসমাইল পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারছেন না। এর পরেই মতিফকে সরিয়ে অর্থমন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হয় দারকে। তার পরেও বদলায়নি পাক অর্থনীতির হাল। পাকিস্তানের অর্থনীতিবিদদের সিংহভাগের মতে, ভুল সিদ্ধান্তের জন্যই ভেঙে পড়েছে পাক অর্থনীতি। কী ভূতপূর্ব প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, কী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ কেউই সংস্কারের রাস্তায় হাঁটেননি। সেই কারণেই লাগামছাড়া হয়েছে মূল্যবৃদ্ধি। সরকারের ভুল নীতির জন্যই দেশে বিদেশি মুদ্রার ভাঁড়ারও তলানিতে। মড়ার ওপর ঘাঁড়ার ঘায়ের মতো রয়েছে চিনা ঋণের ফাঁদ। সব মিলিয়ে আক্ষরিক অর্থেই গাড্ডায় পাক অর্থনীতির রথের চাকা। পাক সরকার এই ক্রাইসিস কীভাবে সামাল দেয়, এখন তাই দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Pakistan Economic Crisis: চরম অর্থনৈতিক সংকটে পাকিস্তান, লাগামছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম

    Pakistan Economic Crisis: চরম অর্থনৈতিক সংকটে পাকিস্তান, লাগামছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার মতো পাকিস্তানও অর্থনৈতিক সংকটের (Pakistan Economic Crisis) সম্মুখীন। নিত্য বাড়ছে জিনিসপত্রের দাম। মুদ্রাস্ফীতিও চরমে পৌঁছেছে। ফলে সে দেশের সাধারণ মানুষের দুবেলার দুমুঠো ভাত জোগাড় করাটাই এখন সবচেয়ে বড় লড়াই। অবস্থা এমন যে, দুবেলা পেট ভরে ভাত বা রুটি খেতে পারছে না সাধারণ নিম্নমধ্যবিত্তরাও। কারণ চাল, গম, আটার দাম মাত্রাতিরিক্ত বেড়েছে। অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রান্তিক মানুষরা। চাল, আটা ছাড়াও দাম বেড়েছে চিকেন, পেঁয়াজ, দুধ, ডালের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের। দুবেলার খাবারের জন্যে হাহাকার করছেন পাকজনতা।

    আকাশ ছুঁয়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম 

    পাকিস্তানে প্রতি কেজি চিকেনের দাম বেড়ে হয়েছে ৩৮০ পাক মুদ্রা (Pakistan Economic Crisis)। একবছরে পিঁয়াজের দাম ৩৭ পাক মুদ্রা বেড়ে এখন তা প্রায় ২০০ পাক মুদ্রা। পেঁয়াজের দাম বেড়েছে প্রায় ৫০০ শতাংশ। প্রতি কেজি ডালের দাম ২৫০ পাক মুদ্রা। এক ডজন কলার দাম ১২০ পাক মুদ্রা। অন্যদিকে, অসুস্থ রোগী ও শিশুর জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় দুধের দাম রয়েছে ১৫০ পাক মুদ্রা/ লিটার। বড় সমস্যার মুখে পাকিস্তানবাসী। 

    ২০০ টাকার চিকেনের দাম দাঁড়িয়েছে ৩৮০ টাকা। প্রায় দ্বিগুণ (Pakistan Economic Crisis)। পাশাপাশি নুনের দামও দেড়গুণ বেড়েছে। এছাড়া দুধের দাম গত বছরের শুরুতে ছিল ১১৫ পাকিস্তানি রুপি, এখন তা  প্রতি লিটার ১৫০ পাক মুদ্রা।

    গত কয়েক ধরেই পাকিস্তানে মুদ্রাস্ফীতি লাফিয়ে বাড়ছে। গত একবছরে পাকিস্তানে মুদ্রাস্ফীতি (Pakistan Economic Crisis) ১১.৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩২.৭ শতাংশ হয়েছে। এই মুদ্রাস্ফীতির জন্য দায়ী করা হচ্ছে খাবারের অতিরিক্ত দাম বৃদ্ধিকেই।

    পাকিস্তানে বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার (Pakistan Economic Crisis) দ্রুত খালি হচ্ছে। গত এক বছরেই পাকিস্তানের সংগ্রহে যা বৈদেশিক মুদ্রা ছিল, এখন তার পরিমাণ প্রায় অর্ধেক। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে যে বৈদেশিক মুদ্রার ভাঁড়ারের পরিমাণ ছিল ২৩.৯ বিলিয়ন ডলার, ২০২২- এর ডিসেম্বরে তা দাঁড়িয়েছে ১১.২ বিলিয়ন ডলারে। বৈদেশিক মুদ্রা কম হওয়ার ফলে প্রয়োজনের সময় ঋণ পাওয়া কষ্টসাধ্য হতে পারে পাকিস্তানের জন্য।

    আরও পড়ুন: আগামী সপ্তাহেও উত্তর ভারতে শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস, তাপমাত্রা নামতে পারে -৪ ডিগ্রিতে

    আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এমনিতেই বন্ধু হারিয়েছে এই দেশ। আন্তর্জাতিক তহবিলের (Pakistan Economic Crisis) তথ্য অনুযায়ী, ঋণের বোঝা বাড়ছে পাকিস্তানের উপর। ২০১১ সালে পাকিস্তানের ঋণ ছিল ৫২.৮ শতাংশ, ২০১৬ সালে সেই ঋণের পরিমাণ হয় ৬০.৮ শতাংশ। অনুমান করা হচ্ছে, এই বছর সেই ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৭৭.৮ শতাংশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

      
        
       
     
      

     

  • Pakistan Economic Crisis: বিদেশি মুদ্রার ভাঁড়ার শূন্য, শ্রীলঙ্কার মতোই দেউলিয়ার পথে পাকিস্তানও?

    Pakistan Economic Crisis: বিদেশি মুদ্রার ভাঁড়ার শূন্য, শ্রীলঙ্কার মতোই দেউলিয়ার পথে পাকিস্তানও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) কোষাগার গড়ের মাঠ! তলানিতে এসে ঠেকেছে বিদেশি মুদ্রার ভাঁড়ার (Foreign Exchange Reserve)। ১০ বিলিয়ন ডলারের নীচে নেমে এসেছে বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডার। অবিলম্বে বৈদেশিক তহবিল থেকে ঋণ না পেলে, শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka) মতোই মুখ থুবড়ে পড়বে পাকিস্তানের অর্থনীতি।

    চলতি সপ্তাহে ৩৩৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশি মুদ্রা কমেছে পাক সরকারের। এমনটাই জানিয়েছে পাকিস্তানের স্টেট ব্যাঙ্ক। অগাস্ট থেকে যা প্রায় ৫০ শতাংশ পতন। যা অর্থ আছে তা দিয়ে মাত্র ২ মাসের আমদানির টাকা পরিশোধ করা যাবে। করোনা অতিমারীর জেরে পাক অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। রফতানির তুলনায় আমদানি বিপুল হারে বেড়ে যাওয়ায় বিদেশি মুদ্রার ব্যয়ের পরিমাণ আয়ের চাইতে অনেক বেশি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার উপর রাজনৈতিক ডামাডোলে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। সবমিলিয়ে পাকিস্তান কার্যত দেউলিয়া।

    আরও পড়ুন: চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের কাজ বিশবাঁও জলে, কেন জানেন?

    দেনা শোধ করতে অপারগ হওয়ায় পাক অধিকৃত কাশ্মীরের একাংশ চিনের হাতে তুলে দিতে চলেছে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকার। এমন খবরও সামনে আসে। এই অবস্থায় ফের পাকিস্তানকে ঋণ দিতে রাজি হয়েছে চিন (China)। বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মিফতাহ ইসমাইল জানিয়েছেন, “পাকিস্তানকে ২.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্যাকেজ দিতে রাজি হয়েছে চিনের ব্যাংকগুলি। কোন শর্তে ওই টাকা দেওয়া হবে সেই আলোচনাও শেষ হয়েছে এবং সমস্ত শর্ত চূড়ান্ত করে ফেলা হয়েছে। দুদিক থেকে কিছু নিয়মমফিক সম্মতিপত্র প্রদানের কাজ শেষ হলেই পাকিস্তানের হাতে টাকা আসা শুরু হবে। এর ফলে বিদেশি মুদ্রাভাণ্ডার কিছুটা বাড়বে।”

    ভারতের বিরোধিতা সত্বেও সাত বছর ধরে চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর (CPEC) প্রকল্পের অন্তর্গত পাক অধিকৃত কাশ্মীর-সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে পরিকাঠামো নির্মাণ করছে চিন। এই প্রকল্পের বিপুল খরচের ফলে ক্রমবর্ধনশীল ঋণের বোঝায় কার্যত কবরের নীচে পাক সরকার। গতবছর এক রিপোর্টে বলা হয়, চিন-পাক অর্থনৈতিক করিডর প্রকল্প থেকে বিপুল লাভ করে চলেছে চিন। লাভের অঙ্ক নিয়ে পাকিস্তানকে বোকা বানাচ্ছে তারা। পাকিস্তানের শীর্ষ আমলারা এ ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে একটি অডিট রিপোর্ট পেশ করেছিলেন তৎককালীন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের কাছে। 
      
    এই চিন-পাকিস্তান করিডর নিয়ে কয়েক বছর আগে বেশ হইচই হয়েছিল পাকিস্তানে। প্রচারও হয়েছিল বিস্তর। বলা হয়েছিল এর ফলে পাকিস্তানের বার্ষিক আয় ২.৫ শতাংশ বাড়বে। পাকিস্তানের শক্তির ঘাটতি আজন্ম। তাই পাকিস্তানের বিভিন্ন সংস্থা আশা করেছিল, একবার সিপিইসি হয়ে গেলে পাকিস্তানের জ্বালানি প্রকল্পগুলি কেবল দেশের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাবে না, রফতানির জন্য অতিরিক্ত শক্তিও তৈরি করবে।

    চিনা ঋণের ওপর ভর করে সিপিইসি প্রাথমিকভাবে ভালোভাবে এগিয়েছিল। করিডরের সার্বিক অগ্রগতির ভিত্তিতে সিপিইসি বিষয়ক পাক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী খালিদ মনসুর ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে জানিয়েছিলেন যে ১৫.২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ২১টি প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় ৯.৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যের আরও ২১টির কাজ চলছে।

    সিপিইসি প্রকল্পে চিনের দেওয়ার কথা ৯০ শতাংশ টাকা। আপাতত টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে চিন। করোনা পরিস্থিতির পাশাপাশি পাকিস্তানে চিনা শ্রমিক ও সিপিইসি সম্পত্তির ওপর হামলার কারণে বন্ধ বরাদ্দ। বর্তমান পরিস্থিতিতে ওই প্রকল্পে টাকা দেওয়ার ক্ষমতা নেই পাক সরকারেরও। তাই আদেও প্রকল্পগুলি কখনই আর শেষ করা যাবে কি না, তাই এখন প্রশ্ন চিহ্নের মুখে। ওই কাজ যে পাকিস্তানের একার পক্ষে শেষ করা সম্ভব নয়, তা জানিয়েছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

    পাকিস্তানের মাথার ওপর ১৩০ বিলিয়ন ডলার ঋণের বোঝা। বার্ষিক ঋণের কিস্তি হিসেবে শোধ করতে হয় ১৪ বিলিয়ন ডলার। ফের আরও একবার চিনের কাছে হাত পেতেছে পাক সরকার। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, চিনা ঋণের ফাঁদে পড়তে পারে পাকিস্তান। ঠিক যে ফাঁদে পড়ে সর্বস্বান্ত হয়েছে ভারতের আর এক প্রতিবেশী দেশ শ্রীলঙ্কা!

     

LinkedIn
Share