Tag: Pakistan Terrorism

Pakistan Terrorism

  • Qari Saeed Abdul Aziz: অচেনা রেস্তোরাঁর খাবার, তারপর মসজিদের গেটেই মৃত্যু! লস্কর কমান্ডারের রহস্যমৃত্যু- কী চলছে পাকিস্তানে?

    Qari Saeed Abdul Aziz: অচেনা রেস্তোরাঁর খাবার, তারপর মসজিদের গেটেই মৃত্যু! লস্কর কমান্ডারের রহস্যমৃত্যু- কী চলছে পাকিস্তানে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মসজিদের গেটেই আচমকা মৃত্যু! পাকিস্তানের ইসলামাবাদে (Islamabad) নমাজ পড়তে গিয়ে আচমকাই মৃত্যু হল লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) শীর্ষ কমান্ডার ক্বারি সইদ আবদুল আজিজের (Qari Saeed Abdul Aziz)। কুবা মসজিদে নমাজ পড়তে গিয়েছিলেন তিনি। মসজিদের গেটের কাছে আচমকাই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপরেই তাঁর মৃত্যু হয়। তবে কী কারণে তাঁর মৃত্যু (Lashkar Commander Death) হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    মৃত্যুর (Lashkar Commander Death) আগে কোথায় গিয়েছিলেন?

    ক্বারি সইদ (Qari Saeed Abdul Aziz) মসজিদে পৌঁছনোর আগে একটি রেস্তোরাঁয় খাবার খেয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। খাবার খাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হওয়ায় ঘটনাটি ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। তবে খাবারের সঙ্গে তাঁর মৃত্যুর সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না? সেই বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও তথ্য সামনে আসেনি।

    লস্করের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন

    লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলাতেন ক্বারি সইদ (Qari Saeed Abdul Aziz)। জম্মু ও কাশ্মীরে সংঘর্ষে নিহত জঙ্গিদের পরিবারের জন্য সাহায্য ও সহায়তার ব্যবস্থা করার দায়িত্বে থাকা বিভাগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। অর্থাৎ সংগঠনের অন্দরে তাঁর যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

    ‘অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের’ নিশানায় লস্কর?

    ক্বারি সইদের রহস্যমৃত্যুর (Lashkar Commander Death) খবরের মধ্যেই সামনে এসেছে আরও বিস্ফোরক দাবি। লস্করের (Lashkar-e-Taiba) সদস্য রিজওয়ান হানিফ একটি ভিডিয়োয় দাবি করেছেন, গত তিন থেকে চার বছরে পাকিস্তান এবং পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় সংগঠনের প্রায় ৩০ জন সদস্যকে ‘অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা’ হত্যা করেছে।

    একাধিক জায়গায় হত্যা

    রিজওয়ানের দাবি, পেশোয়ার, করাচি, রাওয়ালপিন্ডি, রাওয়ালাকোট এবং মুজাফফরাবাদে লস্কর সদস্যদের হত্যা করা হয়েছে। তাঁর দাবি অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে নিষিদ্ধ এই সংগঠনের বহু সদস্যকে টার্গেট করা হয়েছে।

    মুম্বই হামলার (Mumbai Terror Attack) সঙ্গে জড়িত সংগঠন

    লস্কর-ই-তৈবা (Lashkar-e-Taiba) সেই জঙ্গি সংগঠন, যার বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের মুম্বই হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। ওই ভয়াবহ হামলায় মৃত্যু হয়েছিল ১৬৬ জনের। রাষ্ট্রসংঘ ২০০৫ সালে আল-কায়দা ও তালিবানের সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে লস্কর-ই-তৈবাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

    প্রথমবার প্রকাশ্যে এমন দাবি

    লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) সঙ্গে যুক্ত কোনও সদস্যের মুখে পাকিস্তানের (Pakistan) মাটিতে সংগঠনের সদস্যদের ‘অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের’ হাতে ধারাবাহিক হত্যার দাবি প্রকাশ্যে আসার ঘটনা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। আর তার কয়েক দিনের মধ্যেই লস্করের এক গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডারের রহস্যমৃত্যু—দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।

    মৃত্যু ঘিরে বাড়ছে রহস্য

    অচেনা রেস্তোরাঁয় খাবার খাওয়া, কয়েক ঘণ্টা পরে মসজিদের গেটে আচমকা মৃত্যু (Lashkar Commander Death)—তার উপর সংগঠনের সদস্যদের একের পর এক ‘অজ্ঞাতপরিচয়’ হামলায় নিহত হওয়ার দাবি। ক্বারি সইদ আবদুল আজিজের (Qari Saeed Abdul Aziz) মৃত্যু তাই নিছক একটি আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনা নয়, বরং পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠনগুলির (Pakistan Terrorism) অন্দরমহলে কী চলছে, তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। রহস্যের জট খুলবে কবে, এখন সেটাই দেখার।

  • Pakistan: শোয়েব আখতারের ভাইয়ের জানাজায় লস্কর জঙ্গিদের উপস্থিতি ঘিরে বিতর্ক

    Pakistan: শোয়েব আখতারের ভাইয়ের জানাজায় লস্কর জঙ্গিদের উপস্থিতি ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (Pakistan) জঙ্গি সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলির প্রভাব এবং তাদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক মহলে (Terror Network Connections) নানা অভিযোগ রয়েছে। এবার পাকিস্তানের প্রাক্তন তারকা পেসার শোয়েব আখতারের (Shoaib Akhtar) পরিবারের একটি শোকানুষ্ঠান ঘিরে নতুন করে উসকে দিয়েছে সেই বিতর্ক। শোয়েবের বড় ভাই শাহিদ আখতারের (Shahid Akhtar) জানাজায় লস্কর-ই-তৈবার (LeT)-র একাধিক শীর্ষ নেতার উপস্থিতির ভিডিও এবং ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে জোরদার চর্চা।

    শোয়েব আখতারের ভাইয়ের মৃত্যু

    গত ২৪ জুন শাহিদ প্রয়াত হন। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই ভাইয়ের মৃত্যুর খবর জানান শোয়েব। তিনি “Returned to Allah” লিখে শোকপ্রকাশ করেন এবং জানাজার সময় এবং জায়গা সম্পর্কেও তথ্য ভাগ করে নেন। ইসলামাবাদে আয়োজিত ওই জানাজায় বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

    জানাজায় লস্কর নেতারা!

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ভিডিও এবং ছবিতে দাবি করা হয়েছে, জানাজায় উপস্থিত ছিলেন লস্কর-ই-তৈবার (LeT) ডেপুটি প্রধান সইফুল্লাহ কাসুরি (Saifullah Kasuri)। সূত্রের দাবি, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁও (Pahalgam) জঙ্গি হামলার অন্যতম মূল ষড়যন্ত্রী তিনি। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান মার্কাজি মুসলিম লিগ (Pakistan Markazi Muslim League)-এর সভাপতি ইনাম-উর-রহমান কাম্বোহ (Inam-ur-Rehman Kamboh)-কে-ও। উল্লেখ্য, পাকিস্তান মার্কাজি মুসলিম লিগকে লস্কর-ই-তৈবার রাজনৈতিক শাখা হিসেবে দেখা হয়। সংগঠনটি গঠিত হয় জামাত-উদ-দাওয়া (JuD) এবং মিল্লি মুসলিম লিগের (MML) ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির পর। এই দুই সংগঠনের সঙ্গেই রাষ্ট্রসঙ্ঘ ঘোষিত জঙ্গি হাফিজ সইদের (Hafiz Saeed) ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ। ভিডিওতে আরও যাঁদের উপস্থিতির দাবি করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন লস্করের ডেপুটি জেনারেল সেক্রেটারি আবদুল্লাহ তুর (Abdullah Toor), PMML-এর জোনাল জেনারেল সেক্রেটারি হাফিজ উমর (Hafiz Umar) এবং খিদমত কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ ভাট্টি (Amjad Bhatti)।

    পহেলগাঁও হামলার প্রসঙ্গ

    ভারতের দাবি মতো, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল (Pakistan) জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে সংঘটিত জঙ্গি হামলায় ২৫ জন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছিল। হামলার দায় কবুল করেছিল ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (The Resistance Front বা TRF), যাকে ভারত লস্কর-ই-তৈবার প্রক্সি সংগঠন হিসেবেই চিহ্নিত করে। ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির অভিযোগ, সইফুল্লাহ কাসুরি এই (Terror Network Connections) হামলার অন্যতম মূল চক্রী। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাক সরকার।

    নতুন করে উঠছে প্রশ্ন

    জানাজায় লস্কর নেতাদের প্রকাশ্য উপস্থিতির ভিডিও সামনে আসার পর পাকিস্তানে জঙ্গি সংগঠনগুলির কার্যকলাপ এবং তাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে উঠছে মেলা প্রশ্ন। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, এই ধরনের ঘটনা পাকিস্তানে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনগুলির প্রভাব এবং তাদের স্বাধীনভাবে সক্রিয় থাকার বিষয়টিকেই সামনে তুলে ধরছে। এদিকে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া আর একটি ভিডিওয় সইফুল্লাহ কাসুরিকে দাবি করতে শোনা যায়, পাকিস্তানের সেনাবাহিনী তাঁকে বিভিন্ন সরকারি বৈঠক ও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানায় এবং সেনা সদস্যদের জানাজায় ইমামতি করার অনুরোধও করে। তবে এই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ভারত দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে যে, পাকিস্তানের মাটিতে একাধিক জঙ্গি সংগঠন নিরাপদ আশ্রয় ও কার্যকলাপের সুযোগ পেয়ে থাকে। পাকিস্তান অবশ্য (Terror Network Connections) বারবার এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, তারা সব (Pakistan) ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরোধী এবং জঙ্গি সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে।

     

LinkedIn
Share