Tag: pakistan

pakistan

  • Murshidabad: বহরমপুরে পাকিস্তানের পতাকার ওপর হিন্দু মেয়েদের ধর্ষণের হুমকি, শোরগোল

    Murshidabad: বহরমপুরে পাকিস্তানের পতাকার ওপর হিন্দু মেয়েদের ধর্ষণের হুমকি, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালা বদলের পর হিন্দুদের ওপর অকথ্য অত্যাচারের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনায় বিশ্ব দরবারে নিন্দার ঝড় উঠেছে। এপার বাংলায় প্রতিবাদ আন্দোলন হয়েছে। এই আবহের মধ্যে এবার পাকিস্তানের পতাকার ওপর হিন্দু মহিলাদের ধর্ষণের হুমকি দিয়ে পোস্টার পড়ল মুর্শিদাবাদে। শুক্রবার সকালে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুর থানার হাতিনগর এলাকার একটি স্কুলের গেটে এই পোস্টার দেখতে পাওয়া যায়। এরকম ২টি পোস্টার পাওয়া গিয়েছে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শহর জুড়ে। কে বা কারা এই ধরণের পোস্টার সাঁটল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে আশেপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    উদ্ধার হওয়া একটি পোস্টারের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে হিন্দু মহিলাদের ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। পোস্টারের ওপরে লেখা ‘পাকিস্তান (Pakistan) জিন্দাবাদ’। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছে পোস্টারগুলি খুলে নিয়ে যায়। ওদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আতঙ্কে ভুগতে শুরু করেছেন মহিলারা। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, বৃহস্পতিবার রাতে এই পোস্টার লাগিয়েছে কেউ বা কারা। তবে, কারা এই পোস্টার লাগিয়েছে তা বলতে পারেনি কেউ। তদন্তে নেমে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এই ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। রাজ্য সরকারের ওপর ভরসা নেই। তাই মুর্শিদাবাদকে (Murshidabad) কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হোক বা বিএসএফ অথবা কেন্দ্রীয় কোনও বাহিনীর ওপর নিরাপত্তার ভার দেওয়া হোক। তবে এই নিয়ে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে তাণ্ডব, ভয়ে রোগীর চাদরের তলায় লুকিয়েছিল মমতার পুলিশ!

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বিধায়ক বিজেপির গৌরীশঙ্কর ঘোষ বলেন, “এই ধরনের কাজ যাঁরা করছেন, তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত। প্রকাশ্যে শাস্তি দেওয়া উচিত। রাজ্যজুড়ে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। প্রশাসন চুপ করে রয়েছে। এখানে আইনের শাসন নেই।” প্রাক্তন সাংসদ তথা কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, “কিছু শক্তি মুর্শিদাবাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের ঘটনার পর এর প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। কারণ, বাংলাদেশে অনেক ভারত বিরোধী শক্তি, সাম্প্রদায়িক শক্তি, মৌলবাদী শক্তি মাথাচাড়া দিচ্ছে। সেখানে হিন্দুদের ওপর হামলা হচ্ছে।” এই নিয়ে বহরমপুর জেলা তৃণমূলের সাংগঠনিক সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, “এই ঘটনা কোনওভাবেই অভিপ্রেত নয়। আমরা জেলা পুলিশকে জানিয়েছি। দোষীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে আইনি পদক্ষেপ করা হোক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arshad Nadeem: অলিম্পিক্সে সোনা জয়ী নাদিমের সঙ্গে লস্কর-যোগ! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক

    Arshad Nadeem: অলিম্পিক্সে সোনা জয়ী নাদিমের সঙ্গে লস্কর-যোগ! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবার এক নেতার সঙ্গে দেখা গেল প্যারিস অলিম্পিক্সে জ্যাভলিনে সোনা জয়ী পাক তারকা আরশাদ নাদিমকে (Arshad Nadeem)। সম্প্রতি সোশ্যাল সাইটে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যাচ্ছে, নাদিম মিলি মুসলিম লিগের যুগ্ম সম্পাদক মহম্মদ হারিস দারের সঙ্গে কথা বলছেন। মিলি মুসলিম লিগকে লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে ধরা হয়। 

    নাদিমের সঙ্গে সম্পর্ক

    এই মুহূর্তে পাকিস্তানের ক্রীড়াজগতে আলোচনার কেন্দ্রে আরশাদ নাদিম (Arshad Nadeem)। অলিম্পিক্সে দেশকে প্রথম ব্যক্তিগত সোনা এনে দিয়েছেন এই জ্যাভলিন থ্রোয়ার। অলিম্পিক্স রেকর্ড গড়ে সোনা জিতেছেন তিনি। ৯২.৯৭ মিটার দূরে জ্যাভলিন ছোড়েন নাদিম। তাঁকে ১০ কোটি টাকা পুরস্কার দিয়েছে পাকিস্তান। ভাইরাল ওই ভিডিওতে দেখা যায়, নাদিমকে অলিম্পিক্সে সোনা জয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) ওই নেতা। নাদিমের এই জয় পুরো মুসলিম সম্প্রদায়ের মাথা উঁচু করেছে বলে মত প্রকাশ করেন মিলি।

    প্রশ্নের মুখে পাক প্রশাসন

    এই ঘটনার পর থেকেই সন্দেহের ছায়া পড়েছে আরশাদ নদিমের (Arshad Nadeem) ওপর। তাঁর সঙ্গে হারিস দারের সম্পর্ক কী ধরনের ছিল, সেই নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। অন্যদিকে, পাকিস্তান সরকার এই বিষয়ে কতটা সচেতন, সেই প্রশ্নও তোলা হচ্ছে। হারিস দারের বিরুদ্ধে ভারত-বিরোধী বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেছেন, ভারতকে কাশ্মীর ছেড়ে যেতে হবে। এই ঘটনার পর থেকে ভারতেও তোলপাড় শুরু হয়েছে। এই ঘটনা স্পষ্ট করে দিয়েছে, সন্ত্রাসবাদ ক্রীড়া জগতকেও প্রভাবিত করতে পারে। লস্কর-ই-তৈবা একটি আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন। ২০১৮ সালে আমেরিকা সরকার মিলি মুসলিম লিগকেও জঙ্গি সংগঠন হিসাবে ঘোষণা করে। মহম্মদ হারিস দার সেই সময় থেকেই জঙ্গি তালিকায় রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) স্টুডেন্ট উইং আল-মহম্মাদিয়া স্টুডেন্টসের একজন নেতা ছিলেন। এই সংগঠনটিকেও আমেরিকা সরকার ২০১৬ সালে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে ঘোষণা করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

     

  • Neeraj Chopra: জীবনের সেরা থ্রো করেও অধরা সোনা, রুপো জয়ের পর নীরজকে শুভেচ্ছা মোদির

    Neeraj Chopra: জীবনের সেরা থ্রো করেও অধরা সোনা, রুপো জয়ের পর নীরজকে শুভেচ্ছা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যাশার চাপ সামলাতে পারলেন না নীরজ চোপড়া (Neeraj Chopra)। টোকিওয় সোনা জিতলেও প্যারিসে রুপোতেই সন্তুষ্ট থাকতে হল নীরজকে। রুপো জিতে প্যারিস (Paris Olympics 2024) থেকে ফিরতে হচ্ছে ভারতীয় তারকাকে। তবে পর পর দুটো অলিম্পিক্সে সোনা ও রুপো জিতলেন ভারতীয় তারকা। তিনিই একমাত্র ভারতীয় খেলোয়াড় যিনি অলিম্পিক্সে একটি সোনা ও একটি রুপো জিতলেন। নীরজের সাফল্যে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্সে তিনি লিখেছেন, ‘‘নীরজ চোপড়া এক শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি! বারবার তিনি তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন। ভারত উচ্ছ্বসিত যে তিনি আরও একটি অলিম্পিক্সে সফল হলেন। রুপো পাওয়ার জন্য তাঁকে অভিনন্দন। তিনি অগণিত আসন্ন ক্রীড়াবিদদের স্বপ্নকে অনুসরণ করতে সাহায্য করবেন। নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা দেবেন। আমাদের দেশকে গর্বিত করবেন।’’

    পাঁচটা থ্রো-ই ফাউল

    এদিনটা নীরজের (Neeraj Chopra) ছিলই না, এমনই মনে করছেন অনেকে। প্যারিসে (Paris Olympics 2024) ফাইনালের শুরুটা ভালো হয়নি ভারতীয় তারকার। প্রথম থ্রো করতে গিয়ে পড়ে যান তিনি। দাগে পা লেগে যাওয়ায় প্রথম থ্রো বাতিল হয়। ফলে চাপ আরও বাড়ে। বাকি দু’টি থ্রোয়ের মধ্যে ভাল করতে হত তাঁকে। পাকিস্তানের আরশাদ নাদিম নিজের দ্বিতীয় থ্রোয়ে ছোড়েন ৯২.৯৭ মিটার। নতুন অলিম্পিক্স রেকর্ড গড়েন তিনি। ফলে চাপ আরও বেড়ে যায় নীরজের উপর। সোনা জিততে হলে নিজের সেরা থ্রো করতে হত তাঁকে। দ্বিতীয় থ্রো ভাল করেন নীরজ। ৮৯.৪৫ মিটার ছোড়েন তিনি। চলতি মরসুমের সেরা থ্রোয়ের পরেও নীরজের থেকে সোনা তখনও দূরে ছিল। নীরজের তৃতীয় থ্রো-ও বাতিল হয়। দ্বিতীয় রাউন্ডেও শুরুটা ভাল হয়নি তাঁর। চতুর্থ থ্রো-ও বাতিল হয় নীরজের। পরের থ্রোয়েও একই ছবি। মেজাজ হারাতে দেখা যায় ভারতীয় খেলোয়াড়কে। শেষ থ্রো-ও ভাল হয়নি। আরশাদ শেষ থ্রো-ও করেন ৯০ মিটারের বেশি। দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেন নীরজ।

    চোট রয়েছে নীরজের

    টোকিও-য় সোনা জয়ের পর নীরজকে (Neeraj Chopra) নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিল ভারতবাসী। প্যারিসের কথা ভেবে নীরজে জন্য প্রায় ৬ কোটি টাকা খরচ করেছে ভারত সরকার। কোনও ফাঁক রাখা হয়নি।  তবু এক একটা দিন এক একজনের হয়। এদিনটা ছিল পাকিস্তানের আরশাদ নাদিমের। নীরজ হেরে গেলেন তাঁর কাছে। নীরজের বাবা সতীশ কুমার জানান, ‘ওর কুঁচকিতে চোট রয়েছে। আমার মনে হয় সেটার জন্যই অস্বস্তিতে ছিল নীরজ।’

    নাদিমের সোনা

    ১৯৯২ সালের বার্সেলোনা গেমসের ৩২ বছর পর আবার অলিম্পিক্সে পদক পেল পাকিস্তান। সে বার হকির ব্রোঞ্জের পর এ বার পুরুষদের জ্যাভলিন থ্রোয়ে সোনা জিতলেন আরশাদ নাদিম। ৯২.৯৭ মিটার দূরত্বে জ্যাভলিন ছুড়ে নতুন অলিম্পিক্স রেকর্ডও গড়লেন। পাকিস্তানের প্রথম খেলোয়াড় হিসাবে অলিম্পিক্সে ব্যক্তিগত সোনা জিতলেন। পাকিস্তানের ক্রীড়া ইতিহাসে নতুন ইতিহাস লিখলেন নাদিম।

    নীরজের সাফল্যে মিষ্টিমুখ

    সোনা না পেলেও রুপো জমিতেছেন নীরজ (Neeraj Chopra)। তাঁর  মা সরোজ দেবী ছেলের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত। গত অলিম্পিকের পর থেকে যে ভাবে চোট আঘাতে পড়েছেন নীরজ, তারপরও রুপো। সরোজ দেবী বলছেন, ‘আমরা সকলেই খুব খুশি। আমাদের কাছে এই রুপোর পদকও সোনার সমান। ওর চোট ছিল। যে ভাবে পরিশ্রম করেছে, আগামীতে ও আবারও সোনা জিতবে। আমরা ওর পারফরম্যান্সে খুবই খুশি।’

    টোকিও অলিম্পিকে সোনা জিতে বাড়ি ফেরার পর বিশেষ আয়োজন ছিল নীরজের জন্য। এবারও (Paris Olympics 2024) নীরজের পছন্দের খাবার হবে, ছেলের বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় মা সরোজ দেবী। নীরজের সাফল্যে রাতেই মিষ্টিমুখ শুরু হয় তাঁর পাড়ায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh Violence: উত্তাল বাংলাদেশ, ভারতের আর কোন পড়শির বাড়িতে লেগেছে অশান্তির আগুন?

    Bangladesh Violence: উত্তাল বাংলাদেশ, ভারতের আর কোন পড়শির বাড়িতে লেগেছে অশান্তির আগুন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে উত্তাল (Protests) বাংলাদেশ। তার জেরে সোমবারই প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন (Bangladesh Violence) শেখ হাসিনা। বোনকে নিয়ে তিনি আশ্রয় নিয়েছেন ভারতে। হাসিনার পদত্যাগের খবর জানান সে দেশের সেনা প্রধান ওয়াকের-উজ-জামান। রাজধানী ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। লাঠিচার্জ করেও তাদের নিরস্ত করতে পারেনি বাংলাদেশ প্রশাসন। তার জেরেই সপ্তাহখানেক ধরে অশান্তির আগুনে পুড়ছে ভারতের প্রতিবেশী এই দেশ। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, মাঝ-জুলাইয়ের এই আন্দোলনে অন্তত ৯১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ডামাডোলের বাজারে চলছে হিন্দু নিধন যজ্ঞও।

    ‘দক্ষযজ্ঞ’ শ্রীলঙ্কায়

    বাংলাদেশের মতো এমন আন্দোলন বছর দুয়েক আগে দেখেছিল দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কাও। ঘটনাচক্রে সেটাও ছিল জুলাই মাস। দেশে (Protests) অথনৈতিক সঙ্কট চরমে। ব্ল্যাক আউট করে বিদ্যুৎ সঙ্কটের সমাধানের চেষ্টা করছে সরকার। খাবার এবং জ্বালানির অভাবে দ্বীপরাষ্ট্রবাসীর প্রাণ ওষ্ঠাগত। দেশকে দেউলিয়া ঘোষণা করে দেয় সরকার। এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই পথে নেমে পড়েন শ্রীলঙ্কাবাসী। তাঁরা তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের সরকারি বাসভবনে হামলা চালান। জনরোষের আঁচ পেয়ে তার আগেই অবশ্য দেশ ছেড়ে ভিন দেশে পালিয়ে বাঁচেন রাজাপক্ষে।

    পাকিস্তানে অশান্তি

    ব্যাপক অশান্তি দেখেছে ভারতের আর এক পড়শি দেশ পাকিস্তানও। দেশের অর্থনৈতিক সঙ্কট যখন চরমে, তখনই সরিয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টির প্রধান ইমরান খানকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে। সেটাও দু’বছর আগে। তবে মাসটা ছিল এপ্রিল। আস্থা ভোটে হেরে যাওয়ায় সরানো হয় ইমরানকে। জোট সরকারের নেতৃত্ব দেন শাহবাজ শরিফ। ওই বছরই (Bangladesh Violence) নভেম্বর মাসে পঞ্জাব প্রদেশে এক প্রতিবাদ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার সময় ইমরানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। তিনটি গুলি লাগে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর পায়ে। প্রাণে বেঁচে যান ইমরান। তবে কলঙ্কের দাগ লাগে পাক রাজনীতির গায়ে।

    আন্দোলনের আঁচ সর্বত্র

    তোষাখানা মামলা-সহ একাধিক মামলায় গ্রেফতার করা হয় ইমরানকে। ২০২৩ সালের মে মাসের ওই ঘটনার আগে পরে ব্যাপক আন্দোলন হয় পাকিস্তানে। প্রতিবাদী এই আন্দোলনের ঢেউ গিয়ে আছড়ে পড়ে আর্মি হেডকোয়ার্টার এবং আইএসআইয়ের হেডকোয়ার্টারে। তবে বন্দিদশা ঘোচেনি প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের। একের পর এক মামলা চলায় জেলের ঘানি টানছেন পাকিস্তানের এই ক্রিকেট তারকা-রাজনীতিক। চলতি বছরের মার্চে পাকিস্তানের মসনদে বসেন শরিফ। দ্বিতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হন তিনি। শাসক বদলেছে। তবে দুঃখ ঘোচেনি পাকিস্তানের। দেনার দায়ে সর্বস্বান্ত হওয়ার জোগাড় দেশটার। দেশের অর্থনীতির হাঁড়ির হালের দশা কাটাতে ২৩ মার্কিন বিলিয়ন ডলার ঋণ করার পরিকল্পনা করেছে পাক সরকার। অর্থ সাহায্যের জন্য দোরে দোরে হাত পেতেছে শরিফের দেশ। আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডার থেকেও সাহায্য মেলেনি। সব মিলিয়ে বেসামাল দশা পাক অর্থনীতির।

    অশান্তির আগুন মায়ানমারেও

    অশান্তির আগুনে পুড়েছে ছবির মতো সাজানো দেশ মায়ানমারও। সে দেশের জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আন্দোলনে নেমেছেন মায়ানমারবাসী। সরকারের সঙ্গে সাধারণ মানুষের এই লড়াইয়ে কখনও পিছু হটেছে সেনা, কখনও আবার পিছু হটেছেন আন্দোলনকারীরা। ২৫ জুলাই মায়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (সামরিক শাসক বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জোট) ঘোষণা করে, জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে (Bangladesh Violence) জয় পেয়েছে তারা। টানা ২৩ দিনের লড়াই শেষে লাসিওর দখল নিয়েছে মায়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি। পুরোপুরি স্বাধীন হয়েছে লাসিও।

    আরও পড়ুন: অর্থ সংগ্রহ করতে আরএসএসের ভরসা গুরুদক্ষিণা!

    মাইলফলক জয়

    যদি প্রতিবাদীদের দাবি সত্য হয়, তাহলে তা হবে টানা তিন বছর ধরে চলা গৃহযুদ্ধের একটা মাইলফলক জয়। জুন্টা সরকার যেভাবে সাধারণ মানুষের ওপর নিপীড়ন চালিয়েছিল, তার প্রতিবাদে পথে নেমেছেন মায়ানমারবাসী। সেখানেই ঘোষিত হয়েছে জনতা জনার্দনের জয়। তবে সেজন্য কম খেসারত দিতে হয়নি মায়ানমারবাসীকে। প্রচুর প্রাণের বিনিময়ের পাশাপাশি ভিটে ছাড়া হয়েছেন ৩ মিলিয়নের বেশি মানুষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় লাসিও জয়ের ভিডিও পোস্ট করেছে মায়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি। তাতে দেখা যাচ্ছে, সর্বত্রই অ্যালায়েন্স আর্মির ভিড়। রেলস্টেশন, কারাগার, ব্রডকাস্ট স্টেশন কোথায় নেই তারা! মায়ানমারের সামরিক সরকার সোমবার স্বীকার করেছে যে তারা উত্তর-পূর্বে একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সেনা দফতরের কমান্ডারদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে (Bangladesh Violence) পারছেন না।

    জনগণ খেপে গেলে কীই (Protests) না হয়!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: বালোচদের ওপর দমনপীড়ন, করাচির রাস্তায় প্রতিবাদ সমাজকর্মীদের

    Pakistan: বালোচদের ওপর দমনপীড়ন, করাচির রাস্তায় প্রতিবাদ সমাজকর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আমেরিকার ঢেউ এসে আছড়ে পড়ল পাকিস্তানে (Pakistan)! গত বছর ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ স্লোগান উঠেছিল মার্কিন মুলুকে। এবার পাকিস্তানে (Karachi Activists) আওয়াজ উঠল ‘বালোচ লাইভস ম্যাটার’। পাকিস্তানের বালোচ প্রদেশে দমন পীড়ন চালাচ্ছে পাকিস্তান প্রশাসন। তার প্রতিবাদেই শনিবার করাচির রাস্তায় নামেন সে দেশের সমাজকর্মীরা। সেখানেই আওয়াজ ওঠে ‘বালোচ লাইভস ম্যাটার’।

    করাচির রাস্তায় সমাজকর্মীরা (Pakistan)

    পাকিস্তানের কবল থেকে মুক্তি পেতে চাইছেন বালুচিস্তানবাসী। তার জেরেই চলছে প্রতিবাদ। সিন্ধ এবং বালুচিস্তানেও জ্বলছে প্রতিবাদের আগুন। বিক্ষোভকারীদের কড়া হাতে দমন করতে চাইছে পাক প্রশাসন। চলছে দমন-পীড়ন। এরই প্রতিবাদে করাচির রাস্তায় নামেন সমাজকর্মীরা। মুন্ডুপাত করেন পাক সরকারের। সরকারের ভীরুতা ও হিপোক্র্যাসির বিরুদ্ধেও সোচ্চার হন তাঁরা। গদওয়ারে নিপীড়ন বন্ধের দাবিও জানান তাঁরা। পাক সরকারের দমন পীড়নের প্রতিবাদে তাঁরা যে এককাট্টা, তা স্পষ্ট সমাজকর্মী বীরসা পিরজাদোর কথায়।

    কী বললেন আন্দোলনকারীরা?

    তিনি বলেন, “যতক্ষণ না সরকার দমন পীড়ন বন্ধ করছে, ততক্ষণ আমরা ফিরে যাব না।” বীরসা প্রতিবাদী আন্দোলনের অন্যতম মুখ। সিন্ধ কমিশন অন দ্য স্টেটাস অফ উইমেনের সদস্যও তিনি। প্রতিবাদীদের সাফ কথা, রাষ্ট্রীয় নিষেধাজ্ঞা মেনে নেওয়া যায় না। তারা যেভাবে প্রতিবাদীদের গ্রেফতার করছে, তাও মেনে নেওয়া যায় না। যেভাবে বালোচ নারী ও শিশুদের মারধর করা হচ্ছে, তাও সহ্য করা যায় না। তাঁরা জানান (Pakistan), নিখোঁজ ব্যক্তিদের ইস্যুটি জেনুইন।

    আরও পড়ুন: গণধর্ষণকাণ্ডে ডিএনএ টেস্ট চান, অখিলেশের মুসলিম তোষণে ক্ষুব্ধ বিজেপি

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে আর্টস কাউন্সিল গোলচত্বর থেকে গ্রেফতার করা হয় বালোচ ইয়াকজেহতি কমিটির কয়েকজন কর্মকর্তাকে। ওই এলাকায় তাঁরা জড়ো হয়েছিলেন গোয়াদরে নির্যাতন ও আটকের ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে। সেই সময়ই কর্মকর্তাদের গ্রেফতার করে পাক প্রশাসন। বালোচ ইয়াকজেহতি কমিটির অভিযোগ, মহিলা-সহ প্রায় ৫০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। কেপিসি এলাকায় মিছিল করার চেষ্টা করতেই আটক করা হয় তাঁদের। যদিও পাক পুলিশের দাবি, সংগঠকরা রেড জোনে বেআইনি সমাবেশ করার নিষেধাজ্ঞা ভেঙেছেন। ১৪ জন আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। মহিলা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সঙ্গেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    পুলিশের দাবি যে সত্য নয়, তা স্পষ্ট করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক রিয়াজ আহমেদের কথায়। তিনি বলেন, “গতকাল রাতে শান্তিপূর্ণ সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন ১৫০ বালোচ আন্দোলনকারী (Karachi Activists)। এঁদের মধ্যে ছাত্রছাত্রীরাও ছিলেন। কোনও কারণ ছাড়াই পুলিশ তাঁদের লাঠিপেটা করে। কোনও কারণ ছাড়াই করা হয় গ্রেফতার (Pakistan)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • Harbhajan Singh: রোহিত-কোহলিদের জন্য কেন নিরাপদ নয় পাকিস্তান? বোঝালেন ভাজ্জি

    Harbhajan Singh: রোহিত-কোহলিদের জন্য কেন নিরাপদ নয় পাকিস্তান? বোঝালেন ভাজ্জি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে ভারত কেন পাকিস্তানে যাবে না, তা ফের খোলসা করলেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার হরভজন সিং (Harbhajan Singh)। ভাজ্জি মনে করেন, পাকিস্তানের মতো দেশে ভারতীয় ক্রিকেটারদের খেলতে যাওয়ার বিরাট ঝুঁকি রয়েছে। কোনও দেশের ক্রিকেটাররাই সেখানে নিরাপদ নন। পাকিস্তানে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের উপর হামলার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে একথা লেখেন তিনি। 

    হরভজনের গুগলি

    সম্প্রতি পাকিস্তানে ভারতীয় দলের খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিলেন ভাজ্জি। তাঁর এই মতে বেজায় চটেছিল পাকিস্তানের একাংশ। ফরিদ খান নামে এক নেটিজেন সোশ্যাল সাইটে ভাজ্জিকে ট্রোল করেন। ২০০৬ সালে লাহোরের একটি ম্যাচের ভিডিও তুলে ধরেন তিনি। সেই ম্যাচে হরভজনকে (Harbhajan Singh) পরপর চারটি ৬ মেরেছিলেন প্রাক্তন পাক অধিনায়ক শাহিদ আফ্রিদি। এরই পাল্টা হিসেবে ভাজ্জি লেখেন, ক্রিকেটে হার-জিত রয়েছে। এ জন্য তিনি কোনও দেশে খেলতে না যাওয়ার কথা বলবেন না। পাল্টা লাহোরেই শ্রীলঙ্কার টিম বাসে হামলার ছবি দিয়ে ভাজ্জি লেখেন, ২০০৯-এর ৩ মার্চ পাকিস্তানে জঙ্গি হামলার মুখে পড়ে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল। টিম বাস ঘিরে ধরে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। আহত হন কয়েকজন ক্রিকেটার। এই ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে যায় গোটা বিশ্ব। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের মধ্যে আহত হন থিলন সমরবীরা, চামিন্ডা ভাস, মাহেলা জয়বর্ধনে, কুমার সঙ্গাকারা, থরঙ্গা পরনভিতানা, অজন্তা মেন্ডিস ও সারুঙ্গা লাকমল। আঘাত গুরুতর হওয়ায় সমরবীরা ও পরনভিতানাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এজন্যই পাকিস্তানের মাটিতে কোনও দল নিরাপদ নয়, বলে জানান ভাজ্জি।

    ভাজ্জির অভিমত

    আগামী বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে ভারত যাবে পাকিস্তানে?‌ গোটা বিষয়টিই অনিশ্চিত। বিসিসিআই জানিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্র অনুমতি দিলে যাবে। নইলে নয়। প্রয়োজনে দুবাই কিংবা শ্রীলঙ্কায় খেলবে ভারত। কিন্তু পাকিস্তান এই যুক্তি মানতে রাজি নয়। পিসিবির দাবি, ভারতকে খেলতে আসতে হবে পাকিস্তানেই। নিরাপত্তার জন্য ভারতের সমস্ত ম্যাচ রাখা হয়েছে লাহোরে।  

    এর আগে এক সাক্ষাৎকারে ভাজ্জি (Harbhajan Singh) স্পষ্ট বলে দিয়েছিলেন, ‘‌ভারতীয় দল কেন যাবে পাকিস্তানে?‌ ওখানে নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে। পাকিস্তানে প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু ঘটনা ঘটেই চলেছে। সেখানে কোনও দলই সুরক্ষিত নয়। বিসিসিআই একদম সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা সবার আগে। বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করি।’‌ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্সে ৩২ বছর পদক পায়নি পাকিস্তান! এবারও কি লজ্জাই সঙ্গী?

    Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্সে ৩২ বছর পদক পায়নি পাকিস্তান! এবারও কি লজ্জাই সঙ্গী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অলিম্পিক্সে ‘বন্ধু’ চিনের সাফল্যেই উৎসাহিত প্যারিসে পাকিস্তানের (Pakistan) কর্মকর্তারা। ৩২ বছর আগে অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) শেষবার জয় এসেছিল পাকিস্তানের। তার পর থেকে খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে পাক অ্যাথলিটদের। এবারও সেরকমই সম্ভাবনা দেখছে ক্রীড়াবিশ্ব। প্যারিস অলিম্পিক্সে একমাত্র জ্যাভলিন নিক্ষেপকারী আরশাদ নাদিমকে নিয়ে এখনও আশায় বুক বাঁধছে পাকিস্তান। পাক নাগরিকদের একাংশের অনুমান, পারলে আরশাদই পারেন দেশকে ফের একটা পদক এনে দিতে। এখনও পর্যন্ত অলিম্পিক্সের ইতিহাসে মোট ১০টি পদক জিতেছে পাকিস্তান। তার মধ্যে আটটি হকিতে। বাকি দু’টি বক্সিং এবং কুস্তিতে। 

    হকিতেও এখন লজ্জায় পাকিস্তান (Pakistan)

    ১৯৫৬ সালের মেলবোর্ন অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) প্রথম পদক জিতেছিল পাকিস্তানি হকি দল। অলিম্পিক্সে পাকিস্তানের শেষ পদক এসেছিল ১৯৯২ সালে বার্সেলোনায়। হকিতে তিন বার সোনার পদক পেয়েছে পাকিস্তান। এখনও পর্যন্ত হকি ছাড়া অলিম্পিক্সের অন্য কোনও দলগত খেলায় স্বর্ণপদক পায়নি পাকিস্তান। এক সময় হকি নিয়ে গর্বের অন্ত ছিল না ভারতের প্রতিবেশী দেশের। তবে প্যারিস অলিম্পিক্সে সেই গর্ব পরিণত হয়েছে লজ্জায়। হকি দল ছাড়াই ময়দানে নেমেছে পাকিস্তানের অলিম্পিক্স দল। পাকিস্তানের হকি দল অলিম্পিক্সে অংশ নেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি এবারও।

    মাত্র সাত অ্যাথলিট

    পাকিস্তানে (Pakistan) প্রায় ২৪ কোটি মানুষ বাস করেন। তবুও অলিম্পিক্সের (Paris Olympics 2024) মতো বড় টুর্নামেন্টে মাত্র ৭ জন খেলোয়াড় অংশ নিচ্ছেন, যা লজ্জার বলেই অভিমত ক্রীড়া মহলের।  জ্যাভেলিন নিক্ষেপকারী আরশাদ নাদিম প্যারিস অলিম্পিক্সে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি ছাড়াও প্রতিবেশী দেশের দলে রয়েছে মহিলা সাঁতারু জাহানারা নবীর নাম। তিনি প্যারিস অলিম্পিক্সে ২০০ মিটার ফ্রিস্টাইল ইভেন্টে অংশ নিচ্ছেন। 

    কেন এই অবস্থা (Paris Olympics 2024) 

    শনিবার ১০ মিটার এয়ার পিস্তলে পুরুষদের বিভাগে অংশ নিয়ে অলিম্পিক্স শুরু করেছে পাকিস্তান (Pakistan)। পাক খেলোয়াড় জোসেফ গুলফাম সে খেলায় ৫৭১ স্কোর করে ২২তম স্থান অর্জন করেছেন। মহিলাদের বিভাগে কিশমালা তালাত ১০ মিটার এয়ার পিস্তলে ৩১তম স্থানে ছিলেন। ওই একই খেলায় ভারতের মনু ভাকের ব্রোঞ্জ জিতেছেন। মঙ্গলবার মনু ভাকেরকে সঙ্গী করে ১০ মিটার এয়ার পিস্তলের মিক্সড ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জিতে নেন সরবজ্যোৎ সিং। ১৬-১০ স্কোরে জেতে ভারত। ওই একই ইভেন্টে তালাত এবং গুলফাম ১৪তম স্থান অর্জন করেছেন। পাকিস্তানি সাঁতারু আহমেদ দুররানি এবং জেহানারা নবিও নিজ নিজ বিভাগে কোনও পদক জয় করতে পারেননি। পাকিস্তানে খেলার এই অবস্থার জন্য দেশের সরকারকেই দায়ী করেছে সেখানকার আমজনতা। এক জন নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘পাকিস্তান ২৪ কোটির বেশি মানুষের দেশ। কিন্তু অলিম্পিক্সে মাত্র ৭ জন ক্রীড়াবিদ অংশ নিয়েছেন। অনুষ্ঠানের ভাষ্যকারের মন্তব্য পাকিস্তানের জন্য লজ্জাজনক। এর জন্য কে দায়ী? আমাদের সরকার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: ‘২৪ কোটি জনগণের দেশ থেকে মাত্র ৭ জন অ্যাথলিট?’ লাইভ টিভিতে লজ্জার মুখে পাকিস্তান

    Paris Olympics 2024: ‘২৪ কোটি জনগণের দেশ থেকে মাত্র ৭ জন অ্যাথলিট?’ লাইভ টিভিতে লজ্জার মুখে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে ২০২৪ প্যারিস অলিম্পিক্স টুর্নামেন্ট (Paris Olympics 2024)। শুক্রবার অর্থাৎ ২৬ জুলাই এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে প্যারিসের স্যেন নদীতে কার্যত চাঁদের হাট বসেছিল। এই নদীর বুকে প্রত্যেকটা দেশের প্যারেড অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অন্যান্য দেশের সঙ্গে এই প্যারেড অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিল পাকিস্তানও (Pakistan)। তবে অনুষ্ঠান চলাকালীন লাইভ টেলিভিশনে ধারাভাষ্যকারের মন্তব্যে লজ্জায় পড়ে যায় পাকিস্তান। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Paris Olympics 2024) 

    এ যেন কার্যত কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে। এদিনের অনুষ্ঠান চলাকালীন এক ধারাভাষ্যকার লাইভ টেলিভিশনে বলে ফেলেন যে, ”পাকিস্তানে মোট ২৪ কোটি মানুষজন বসবাস করেন। কিন্তু, অলিম্পিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে এসেছেন মাত্র ৭ জন অ্যাথলিট!” আর তাঁর এই মন্তব্যের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় সেই ভিডিও। আসলে এ বছর প্যারিস অলিম্পিক্সে পাকিস্তানের ১৮ সদস্যের একটি দল যোগ দিয়েছে। আর এই দলে মাত্র ৭ জন অ্যাথলিট রয়েছেন। বাকি ১১ জন রয়েছেন অফিশিয়াল। ফলে ঠিক এই কারণেই এমন মন্তব্য করে বসেন সেই ধারাভাষ্যকার। ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের একাধিক সাংবাদিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সেই ভিডিওটি শেয়ার করেছেন। 

    ৭ অ্যাথলিটের তালিকায় কারা? 

    প্যারিস অলিম্পিক্সের (Paris Olympics 2024) জন্য ফ্রান্সে যাওয়া পাকিস্তানের (Pakistan) ৭ জন অ্যাথলিটের মধ্যে রয়েছেন, জ্যাভলিন নিক্ষেপকারী আরশাদ নাদিম, শুটার গোলাম মোস্তফা বশির, গুলফাম জোসেফ (১০ মিটার এয়ার পিস্তল), কিশমালা তালাত, ফাইকা রিয়াজ, মোহাম্মদ আহমেদ দুররানি এবং জাহানারা নবী।  

    আরও পড়ুন: অলিম্পিক্সে আজ ৭টি খেলায় নামছে ভারত, জেনে নিন কখন-কোন খেলা

    প্রসঙ্গত, এবছর প্যারিসের (Paris Olympics 2024) ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে গিয়েছে। শান্ত, ভালোবাসার শহরে হয়েছে সন্ত্রাসবাদী হামলাও। কিন্তু ভালোবাসা কেড়ে নেওয়া যায়নি। সেটা দেখা গেল সাত ঘণ্টার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। স্যেন নদীতে আলোর ফোয়ারায় ভেসে গেল খেলার দুনিয়া। ৯৪টি নৌকা করে এলেন ২১১টি দেশের খেলোয়াড়েরা। ছোট, বড় নৌকা করে নিয়ে আসা হল তাঁদের। আর নদীর পাড়ে হল বিভিন্ন অনুষ্ঠান। কখনও গাইলেন লেডি গাগা, কখনও পরিচয় করানো হল প্যারিসের সংস্কৃতির সঙ্গে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতে জল দিয়ে বিশেষ পর্দা তৈরি করা হয়েছিল। সেই পর্দা ভেঙে প্রথমে এগিয়ে এল গ্রিস। তারপর একে একে সব নৌকা।
    প্যারেডের শেষ তিন দেশ হিসেবে পর পর এল অস্ট্রেলিয়া (২০৩২ অলিম্পিক্সের আয়োজক), আমেরিকা (২০২৮ অলিম্পিক্সের আয়োজক) এবং ফ্রান্স (এ বারের আয়োজক)। ফ্রান্সের নৌকাটি বাকি সকলের থেকে আলাদা। অনুষ্ঠানের শেষ দিকে ঘোড়ায় চড়ে এক ব্যক্তি নিয়ে এলেন অলিম্পিক্সের পতাকা। আইফেল টাওয়ারের নীচে বিরাট সংখ্যক দর্শক তখন অপেক্ষা করছেন। তাঁদের সামনে উড়ল অলিম্পিক্সের পতাকা, গাওয়া হল এই প্রতিযোগিতার অ্যান্থেম। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রঁ-এর হাত ধরে সূচনা হল প্যারিস অলিম্পিক্সের (Paris Olympics 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • US-India: ভারতকে ন্যাটো গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির মতো মর্যাদা দেওয়ার দাবি, বিল পেশ মার্কিন সেনেটে

    US-India: ভারতকে ন্যাটো গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির মতো মর্যাদা দেওয়ার দাবি, বিল পেশ মার্কিন সেনেটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে জাপান, ইজরায়েল, কোরিয়া এবং ন্যাটো গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির মতো সমান মর্যাদা দেওয়ার দাবি উঠল মার্কিন সেনেটে। বৃহস্পতিবার সেনেটর মার্কো রুবিও (Marco Rubio) কংগ্রেসে “মার্কিন-ভারত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আইন” (US-India Defense Cooperation Act) নামে একটি বিল উত্থাপন করেছেন। এই বিলের লক্ষ্যই হল ভারতকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া। প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে ভারতের (US-India) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে জোর দেন রুবিও।

    কী বললেন সেনেটর রুবিও (Marco Rubio)

    আমেরিকার সেনেটর রুবিও এদিন এক্স হ্যান্ডেলে ঘোষণা করেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের কৌশলগত সম্পর্ক বাড়ানোর উচিত। এক্ষেত্রে নয়া দিল্লির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর করা প্রয়োজন। কমিউনিস্ট চিন আঞ্চলিক অংশীদারদের সার্বভৌমত্ব ও স্বায়ত্তশাসন ব্যাহত করার চেষ্টা করছে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চিন তার প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে। এই বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবসময় সতর্ক থাকা উচিত। ভারত, এবং এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশ, যে একা নয়, তা-ও চিনকে বোঝানো দরকার।”

    বিলটির প্রধান দিক

    ভারতের আঞ্চলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে চিন বা অন্য কোনও রাষ্ট্র যদি হুমকি দেয়, তাহলে ভারতকে সহায়তা প্রদান। প্রতিরক্ষা, অসামরিক মহাকাশ, প্রযুক্তি, চিকিৎসা এবং অর্থনৈতিক বিনিয়োগে ভারতকে সহযোগিতা করে। ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বৃদ্ধি করা। রাশিয়ান সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে ভারতকে সীমিত অব্যাহতি দেওয়ার কথাও বলা হয়। বিলে (US-India Defense Cooperation Act) বলা হয়, ভারতকে প্রযুক্তি স্থানান্তরের বিষয়ে জাপান, ইজরায়েল, কোরিয়া এবং ন্যাটো মিত্রদের মতো মর্যাদা দেওয়া হবে। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় নয়াদিল্লির সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাইছে আমেরিকা। 

    আরও পড়ুন: ‘‘ইতিহাস থেকে শেখেনি…’’, কার্গিল বিজয় দিবসে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা মোদির

    পাকিস্তানের উদ্বেগ

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বোঝাপড়া আগামী দিনে আরও জোরদার করার কথা বলা হয়েছে। তবে চিনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে আমেরিকার যে মাথাব্যথা রয়েছে, তা-ও স্পষ্ট করে দিয়েছে মার্কিন সেনেটের (Marco Rubio) এই বিল (US-India Defense Cooperation Act)। এ প্রসঙ্গে রুবিও বলেন,  “প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে বোঝাপড়াকে আমরা উৎসাহ দিয়ে যাব।” ভবিষ্যতেও এই বোঝাপড়া চলবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এই বিলটি পাশ হলে সমস্যা বাড়তে পারে পাকিস্তানের। এই বিল অনুযায়ী, যদি প্রমাণ হয় ভারতের বিপক্ষে সন্ত্রাসবাদে মদত দিচ্ছে পাকিস্তান, তাহলে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করবে আমেরিকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kargil Vijay Diwas: ‘‘ইতিহাস থেকে শেখেনি…’’, কার্গিল বিজয় দিবসে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা মোদির

    Kargil Vijay Diwas: ‘‘ইতিহাস থেকে শেখেনি…’’, কার্গিল বিজয় দিবসে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়নি পাকিস্তান। যে কোনও সন্ত্রাসবাদী হামলা ব্যর্থ করবে ভারত। দেশের সেনাবাহিনীর প্রতি আস্থা রেখে কার্গিল বিজয় দিবসে (Kargil Vijay Diwas) পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কার্গিল বিজয় দিবসের রজত জয়ন্তী উপলক্ষে ২৪ থেকে ২৬ জুলাই দ্রাসে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে লাদাখে ‘কার্গিল ওয়ার মেমোরিয়ালে’ পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। সেখানে প্রধানমন্ত্রী কার্গিল যুদ্ধে শহিদ বীর সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি। 

    পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি (Kargil Vijay Diwas) 

    ভারত চলতি বছর ২৬ জুলাই কার্গিল বিজয় দিবসের (Kargil Vijay Diwas)  রজত জয়ন্তী উদযাপন করছে। ২৫ বছর আগে এই দিনে ভারতীয় সেনাবাহিনী তার বীরত্ব ও সাহসিকতার এক নজির সৃষ্টি করেছিল। এই উপলক্ষে শুক্রবার শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে লাদাখে কার্গিল যুদ্ধের স্মৃতিসৌধে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এখানে শহিদদের  প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। 

    একই সঙ্গে পাকিস্তানকে সতর্ক করে তিনি বলেন, “আমি সন্ত্রাসবাদের প্রভুদের বলব, ওদের অপচেষ্টা কখনই সফল হবে না। শত্রুদের যোগ্য জবাব দেব। লাদাখ বা ​​জম্মু ও কাশ্মীরের উন্নয়নের পথে আসা প্রতিটি চ্যালেঞ্জকে হারাবে ভারত। পাকিস্তান তার ইতিহাস থেকে কিছুই শিক্ষা নেয়নি। তারা সন্ত্রাসবাদ এবং ছায়া যুদ্ধ ব্যবহার করে। আমি আজ এমন একটি জায়গা থেকে কথা বলছি, যেখানে সন্ত্রাসবাদীরা সরাসরি আমার কথা শুনবে। আমি তাদের বলতে চাই, তাদের পরিকল্পনা কখনই সফল হবে না। লাদাখ হোক বা ​​জম্মু ও কাশ্মীর, আমরা উন্নয়ন চালিয়ে যাব। ৫ অগাস্ট, ৩৭০ ধারা বাতিলের ৫ বছর পরে, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে। পরিকাঠামো ও পর্যটন খাত দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কয়েক দশক পর কাশ্মীরে সিনেমা হল খুলেছে। কয়েক দশক পর শিয়া সম্প্রদায় শ্রীনগরে তাকিয়া পালন করেছে।”

    ২৫ বছর আগে কী হয়েছিল (Kargil Vijay Diwas) 

    ১৯৯৯ সালের ২৬ জুলাই ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রায় তিনমাস যুদ্ধের পর কার্গিল সেক্টরে ভারতের দিকে পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীদের দখল করা অংশ পুনরুদ্ধার করে অপারেশন বিজয়ের সাফল্য ঘোষণা করে। যুদ্ধে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের জয়কে স্মরণ করতে দিনটিকে কার্গিল বিজয় দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে।

    প্রধানমন্ত্রীর বার্তা (PM Modi)

    এদিন, সকাল সাড়ে ৯টায় কার্গিল যুদ্ধের স্মৃতিসৌধে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। তার আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, ‘২৬ জুলাই প্রত্যেক ভারতীয়র জন্য একটি বিশেষ দিন। এবার আমরা ২৫তম কার্গিল বিজয় দিবস (Kargil Vijay Diwas) উদযাপন করব। আমাদের দেশকে যারা প্রাণ দিয়ে রক্ষা করেছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্যই বিশেষ ভাবে পালিত হচ্ছে আজকের এই দিন’। 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বার্তা

    কার্গিল বিজয় দিবসের রজত জয়ন্তী উপলক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এক্স-এ লিখেছেন- ‘দেশ কখনও শহিদদের আত্মত্যাগ ভুলবে না’। আজকের এই বিশেষ দিনে বীর শহিদদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠি।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিখেছেন, “আজ কার্গিল বিজয় (Kargil Vijay Diwas) দিবসের ২৫তম বার্ষিকীতে, আমরা ১৯৯৯ সালের যুদ্ধে বীর সৈনিকদের অদম্য চেতনা এবং সাহসের কথা স্মরণ করছি। তাদের অটল প্রতিশ্রুতি, বীরত্ব এবং দেশপ্রেম আমাদের দেশকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রেখেছে। তাদের সেবা এবং আত্মত্যাগ প্রত্যেক ভারতীয় এবং আমাদের আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।”

    শিনকুন লা টানেল উদ্বোধন

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে খবর, মোদি (PM Modi) তাঁর লাদাখ সফরে শিনকুন লা টানেল প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। লেহ-এর সঙ্গে যোগাযোগ উন্নত করতে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ। কাজ সম্পুর্ণ হলে শিনকুন লা হবে বিশ্বের সর্বোচ্চ টানেল। শিনকুন লা টানেল প্রকল্পটি ৪.১ কিলোমিটার লম্বা টুইন টিউব টানেল নিয়ে গঠিত। এই টানেল তৈরি হয়ে গেলে সারা বছরই লেহ উপত্যকার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে। নিমু-পদুম-দারচা সড়কে প্রায় ১৫,৮০০ ফুট উচ্চতায় তৈরি হবে এই টানেল। টানেলটি হিমাচল প্রদেশের লাহুল উপত্যকাকে লাদাখের জান্সকার উপত্যকার সঙ্গে সংযুক্ত করবে। এদিন কার্গিল যুদ্ধে নিহত সেনা অফিসারদের পরিবারের লোকেদের সঙ্গেও কথা বলবেন মোদি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share