Tag: pakistan

pakistan

  • India-Pakistan: বন্ধ জল-গ্যাস-সংবাদপত্র! ইসলামাবাদে ভারতীয় দূতাবাস কর্মীদের হেনস্তা

    India-Pakistan: বন্ধ জল-গ্যাস-সংবাদপত্র! ইসলামাবাদে ভারতীয় দূতাবাস কর্মীদের হেনস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরের পর থেকেই ইসলামাবাদে চূড়ান্ত হয়রানির স্বীকার হতে হচ্ছে ভারতীয় কূটনীতিকদের! এর ফলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপড়েন চরম আকার ধারণ করেছে। ইসলামাবাদে ভারতীয় দূতাবাসের (India-Pakistan) কর্মীদের জল, রান্নার গ্যাসের পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকী তাঁদের দৈনিক সংবাদপত্র দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ। এর ফলে ভারতীয় কূটনীতিকরা তাঁদের দৈনন্দিন জীবনযাপনে ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। দূতাবাস কর্মীদের উপর এরকম অমানবিক আচরণের তীব্র নিন্দা করেছে ভারত।

    ভিয়েনা চুক্তি লঙ্ঘন

    সূত্রের খবর, পাকিস্তানে ভারতীয় হাইকমিশন এবং ভারতীয় কূটনীতিকদের বাসভবনে সংবাদপত্র সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর জবাবে ভারতও দিল্লিতে অবস্থিত পাকিস্তানি কূটনীতিকদের জন্য একই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এছাড়াও জানা গিয়েছে, পাকিস্তানে ভারতীয় কূটনীতিকদের উপর নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাঁদের বাসভবন ও অফিসে বিনা অনুমতিতে প্রবেশেরও অভিযোগ উঠেছে। প্রসঙ্গত, এই ধরনের কার্যকলাপ ‘ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশন্স’(Vienna Convention on Diplomatic Relations)-এর স্পষ্ট লঙ্ঘন, যা কূটনৈতিক কর্মীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করে। উল্লেখ্য, এই ধরনের হয়রানির ঘটনা এর আগেও দেখা গেছে। ২০১৯ সালে পুলওয়ামা হামলার প্রত্যুত্তরে ভারতের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পরেও পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ একই ধরনের কৌশল গ্রহণ করেছিল।

    নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস বন্ধ

    একটি সরকারি সূত্রে জানিয়েছে, পাকিস্তানে নিযুক্ত ভারতের দূতাবাস কর্মীদের হেনস্তার পরিকল্পনা করেছে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। যাতে করে তাঁদের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রা এবং কাজ ব্যাহত হয়। উল্লেখ্য, পাকিস্তানের সুই নর্দার্ন গ্যাস পাইপলাইনস লিমিটেডের (এসএনজিপিএল) গ্যাস পাইপলাইন রয়েছে দূতাবাসে। ইচ্ছাকৃতভাবে সেই সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতারা, যাঁরা ইতিপূর্বে জ্বালানি সরবরাহ করতেন, তাঁদেরও পাক কর্তৃপক্ষ নির্দেশ দিয়েছে—তাঁরা যেন ভারতীয় কর্মীদের কাছে গ্যাস বিক্রি না করেন। এই অবস্থায় খোলা বাজার থেকে বেশি দাম দিয়ে গ্যাস সিলিন্ডার কিনছেন দূতবাস কর্মীরা। জানা গিয়েছে, একই ভাবে পানীয় জল সরবরাহকারী ভেন্ডারের মালিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাঁর যেন ভারতীয় দূতাবাসে পানীয় জল সরবরাহ না করেন। এর ফলে চরম বিপদে পড়েছেন দূতাবাস কর্মীরা। যেহেতু পৌরসভার জল ফিল্টার না করে খাওয়া বিপজ্জনক, তাই সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। একইভাবে সংবাদপত্র ব্যবসায়ীদেরও দূতাবাস কর্মীদের কাছে সংবাদপত্র বিলি করতে বারণ করা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, ভারতীয় দূতাবাস যাতে স্থানীয় সংবাদ সম্পর্কে অবগত না হতে পারে, সেই ব্যবস্থাই করা হয়েছে কৌশলে।

    অমানবিক আচরণ

    আমেরিকার মাটিতে দাঁড়িয়ে ভারতে মিসাইল হামলার হুমকি দিয়েছেন পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির। তার পরে ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি। এ বার ভারতীয় হাই কমিশনের কূটনীতিকদের গ্যাস, পানীয় জল, সংবাদপত্রের মতো নিত্য প্রয়োজনীয় এবং অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রী দেওয়া বন্ধ করে দিল শেহবাজ শরিফের সরকার। দিও বিদেশ মন্ত্রক এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। তবে, পাকিস্তানের এই আচরণ ক্রমশ ভঙ্গুর ভারত-পাক সম্পর্কের জন্য বিপজ্জনক।

  • Operation Sindoor: আর কত নিচে নামবে পাকিস্তান! ইসলামাবাদে ভারতীয় হাই-কমিশনে সরবরাহ বন্ধ জল-গ্যাস এবং সংবাদপত্রের

    Operation Sindoor: আর কত নিচে নামবে পাকিস্তান! ইসলামাবাদে ভারতীয় হাই-কমিশনে সরবরাহ বন্ধ জল-গ্যাস এবং সংবাদপত্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে এঁটে উঠতে না পেরে এবার পাকিস্তানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের কর্মীদের ওপর ‘প্রতিশোধ’ (Operation Sindoor) নিতে শুরু করেছে পাকিস্তান। যার জেরে ফের একবার বিশ্বের দরবারে মুখ পুড়ল ইসলামাবাদের (Pakistan)। শুধু তাই নয়, এর ফলে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে গিয়েছে। প্রবীণ সরকারি আধিকারিকদের মতে, এই পদক্ষেপ ইচ্ছাকৃত, পরিকল্পিত এবং ভিয়েনা কনভেনশন লঙ্ঘন।

    অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor)

    ২২ এপ্রিল দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে বেছে বেছে হত্যা করা হয় ২৬ জন হিন্দু পর্যটককে। তার পক্ষকাল পরেই পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গিঘাঁটিতে হামলা চালায় ভারত। অভিযানের নাম দেওয়া অপারেশন সিঁদুর। সেই অভিযানে কার্যত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গোল খায় পাক সেনাবাহিনী। পরে পাল্টা প্রতিশোধ নিতে শুরু করে তারা। যদিও ভারতের কাছে পরাস্ত হয়ে শেষমেশ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠায় ভারতের কাছে। তাতে সাড়া দেয় ভারত।

    বন্ধ গ্যস, জল এবং খবরের কাগজ

    পাকিস্তানে ভারতীয় হাই কমিশন প্রাঙ্গনে গ্যাস পাইপলাইন বসিয়েছে সুই নর্দার্ন গ্যাস পাইপলাইন্স লিমিটেড। এতদিন তারাই গ্যাস সরবরাহ করছিল ভারতীয় দূতাবাসের কর্মীদের বাড়ি এবং তাঁদের অফিসে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এই গ্যাস সরবরাহ। এর ফলে ভারতীয় কূটনীতিক ও তাঁদের পরিবারকে বাধ্য হয়ে খোলাবাজারে চড়া দরে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। নিতান্তই তা সম্ভব না হলে ব্যবস্থা করতে হচ্ছে বিকল্প জ্বালানির।

    কেবল জ্বালানি নয়, বন্ধ (Operation Sindoor) করে দেওয়া হয়েছে জল সরবরাহও। ইসলামাবাদের সব বিক্রেতাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাঁরা যেন ভারতীয় হাই কমশনকে মিনারেল ওয়াটার সরবরাহ না করেন (Pakistan)। এই ফতোয়ার জেরে ঘোর বিপাকে পড়েছেন ভারতীয় দূতাবাসের কর্মীরা। পানীয় জলের পাশাপাশি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র বিক্রিও। তথ্য প্রবাহ সীমিত করতেই ভারতীয় দূতাবাস ও তাদের কর্মীদের বাড়িতে কোনও প্রকাশনা সংস্থাই যেন খবরের কাগজ কিংবা ম্যাগাজিন বিক্রি না করে, সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি সূত্রের খবর, পাকিস্তানের এই সব নির্দেশ ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশন্সের বিরোধী। এই ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশন্স ভারতীয় দূতাবাসগুলির নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ কার্যকলাপ নিশ্চিত করে (Operation Sindoor)।

  • Attacks on Hindu: ২০২১ থেকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ৩,৫৮২টি হামলার ঘটনা ঘটেছে, পিছিয়ে নেই পাকিস্তানও!

    Attacks on Hindu: ২০২১ থেকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ৩,৫৮২টি হামলার ঘটনা ঘটেছে, পিছিয়ে নেই পাকিস্তানও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ২০২১ সাল থেকে মোট ৩,৫৮২টি হিংসার ঘটনা ঘটেছে বলে জানাল কেন্দ্রীয় সরকার। পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও ৩৩৪টি গুরুতর হামলার ঘটনা সরকারিভাবে উত্থাপন করা হয়েছে ইসলামাবাদের কাছে। এই তথ্য রাজ্যসভায় জানিয়েছেন ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং। তিনি জানান, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান-সহ প্রতিবেশী দেশগুলিতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলি ভারত সরকার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে এবং যথাযথ ভাবে কূটনৈতিক স্তরে উত্থাপন করে।

    পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ

    পাকিস্তান সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “২০২১ সাল থেকে পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অন্তত ৩৩৪টি গুরুতর হামলার ঘটনা ঘটেছে। মোদি সরকারের তরফে পাক সরকারকে তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের জন্য এবং সাম্প্রদায়িক হিংসা ও ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে।” ভারত রাষ্ট্রসংঘ মানবাধিকার পরিষদে পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের প্রতি নির্যাতনের বিষয়টি নিয়মিত উত্থাপন করে আসছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ, পাকিস্তানে এসব হামলা ‘অঘোষিত সরকারি মদতে’ হচ্ছে এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে পারছে না।

    বাংলাদেশে ৩,৫৮২টি হামলার ঘটনা

    এদিকে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (Human Rights Watch) জানিয়েছে, বাংলাদেশে নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এখনো প্রতিশ্রুত মানবাধিকার সংস্কার বাস্তবায়নে পিছিয়ে আছে। শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনের পতনের পর গত এক বছরে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গ্রেফতার, নিরাপত্তা বাহিনীর জবাবদিহির অভাব এবং সংখ্যালঘুদের উপর সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি রংপুর জেলায় একদল দাঙ্গাবাজ হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্তত ১৪টি বাড়ি ভাঙচুর করে। চট্টগ্রাম হিল ট্র্যাক্টস এলাকায়ও সংখ্যালঘুদের উপর হামলা চলছে বলে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, যদিও ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন ও রাষ্ট্রসঙ্ঘের ‘বাধ্যতামূলক গুম’ সংক্রান্ত চুক্তি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদন করেছে, তবে নিরাপত্তা বাহিনীর বাধার কারণে বিচারপ্রক্রিয়া ধীরগতিতে চলছে। প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং বলেন, “প্রতিটি দেশের সরকারের উপরই তাদের সকল নাগরিকের – সংখ্যালঘুদেরও – জীবন, স্বাধীনতা ও অধিকার রক্ষার দায়িত্ব রয়েছে। ভারত এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে জানিয়ে এসেছে।”

  • Asim Munir: মার্কিন-ভূমে দাঁড়িয়ে ভারতকে ফের পরমাণু বোমার হুমকি মুনিরের! নেপথ্যে ট্রাম্পের ইন্ধন?

    Asim Munir: মার্কিন-ভূমে দাঁড়িয়ে ভারতকে ফের পরমাণু বোমার হুমকি মুনিরের! নেপথ্যে ট্রাম্পের ইন্ধন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন-ভূম থেকে পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির (Asim Munir) পারমাণবিক হামলার হুমকি দিলেন ভারতকে। এর পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, মার্কিন ভূমে দাঁড়িয়ে ভারতকে সরাসরি হুমকি কী করে দিচ্ছেন মুনির? ভারতের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এর নেপথ্যে নিশ্চয়ই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইন্ধন রয়েছে, নয়তো, এত দুঃসাহস মুনিরের হত না।

    ঠিক কী বলেছেন মুনির?

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্যাম্পায় পাকিস্তানের কনসাল আদনান আসাদ আয়োজিত ব্ল্যাক-টাই ডিনারে বক্তৃতা দিতে গিয়ে মুনির বলেন, “আমরা একটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। যদি আমরা মনে করি আমরা ডুবে যাচ্ছি, তাহলে আমরা বিশ্বের অর্ধেককে আমাদের সঙ্গে নিয়ে ডুবব।” তিনি আরও বলেন, “আমরা শুরু করব ভারতের পূর্ব দিক থেকে, যেখানে তাদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ রয়েছে, তারপর পশ্চিম দিকে এগোব (Asim Munir)।” সিন্ধু জল চুক্তির প্রসঙ্গে মুনির বলেন, “এই চুক্তি স্থগিত করে ভারত ২৫ কোটি মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে। আমরা অপেক্ষা করব ভারতের বাঁধ নির্মাণ করা পর্যন্ত। যখন তারা এটা করবে তখন ১০টি মিসাইল দিয়ে তা ধ্বংস করে দেব।” তিনি বলেন, “সিন্ধু নদ ভারতীয়দের পারিবারিক সম্পত্তি নয়। আমাদের মিসাইলের কোনও অভাব নেই (Asim Munir)।”

    ভারত-মার্কিন বাণিজ্য জটকে হাতিয়ার

    এর পরেই ভারত ও পাকিস্তান প্রসঙ্গে (Inflammatory Nuke Speech) মুনির একটি মার্সিডিজ গাড়ি এবং নুড়ি-পাথর ভর্তি ট্রাকের উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, “পরিস্থিতি বোঝাতে আমি একটি সরল উদাহরণ ব্যবহার করছি। ভারত একটি চকচকে মার্সিডিজ, যা হাইওয়েতে ছুটছে, আর আমরা নুড়ি-পাথরে ভর্তি একটি ডাম্প ট্রাক। যদি ট্রাকটি গাড়িটিকে ধাক্কা দেয়, তবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে কে?”  ভারত-আমেরিকার মধ্যে বর্তমান বাণিজ্যিক উত্তেজনার প্রসঙ্গও তোলেন মুনির। ট্রাম্পের অধীনে ওয়াশিংটনের সঙ্গে নয়াদিল্লির বর্তমান বাণিজ্য উত্তেজনাকে নিশানা করে তাঁর কটাক্ষ, পাকিস্তানের উচিত প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির ভারসাম্য রক্ষায় মাস্টারক্লাস অফার করা। মুনির বলেন, “আমাদের সাফল্যের আসল কারণ হল আমরা কৃপণ নই। কেউ ভালো কাজ করলে আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁকে স্বীকৃতি দিই। এই কারণেই আমরা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছি।”

    মুনিরের বক্তব্য ওড়ালেন বিশেষজ্ঞরা

    মুনিরের উসকানিমূলক ভাষণে কী বললেন সেটা নয়, বরং কোথায় দাঁড়িয়ে মুনির কথাগুলি বললেন, সেটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। মুনিরের এই বক্তব্যকে আসলে আমেরিকার তরফে একটি পরোক্ষ হুমকি বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রাক্তন রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং (র’)-এর প্রধান বিক্রম সুদ। তিনি বলেন, ভারত ও পাকিস্তানকে বোঝাতে মুনির যে উদাহরণ দিয়েছেন – ভারতকে মার্সিডিজ-বেঞ্জ এবং পাকিস্তানকে কাঁকরবাহী ট্রাকের সঙ্গে তুলনা—তা যথার্থ।  এক্স হ্যান্ডেলে বিক্রম বলেন, এক অর্থে, মার্কিন ভূমিতে মুনিরের ঘোরাঘুরি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি পরোক্ষ হুমকি। এটিকেই সেইভাবে দেখা উচিত। মার্সিডিজ আর ডাম্প ট্রাকের উদাহরণটি সঠিক—শুধু পার্থক্য হল, ডাম্প ট্রাকে এক কণা নুড়িও নেই (Inflammatory Nuke Speech)।” মুনিরের বক্তব্য খারিজ করে দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল পিকে সেহগলও। তিনি বলেন, “পারমাণবিক অস্ত্র হল প্রতিরোধের অস্ত্র এবং সেগুলি কখনওই ব্যবহার করা যাবে না।”

    কেন আমেরিকার ভূমিকে বাছলেন মুনির?

    প্রশ্ন হল, কেন মুনির ভারতকে হুমকি দিলেন মার্কিন ভূখণ্ড থেকে? মুনিরের আমেরিকাকে তাঁর উসকানিমূলক মন্তব্যের মঞ্চ হিসেবে বেছে নেওয়ার পরিকল্পনার নেপথ্য কারণ হল ট্রাম্পের আমলে পাক-মার্কিন সম্পর্কের সাম্প্রতিক উন্নতি। তাই আমেরিকার মাটিতে দাঁড়িয়ে মুনিরের (Asim Munir) এই হুমকি মোটেই বিস্ময়ের নয়। আয়ুব থেকে জিয়া এবং মোশাররফ থেকে মুনির—প্রত্যেকেই ভেবেছিলেন আমেরিকানরাই তাঁদের প্রকৃত বন্ধু। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁরা বুঝতে পেরেছিলেন, তাঁরা হচ্ছেন আদতে দাবার বোড়ে। তাই মুনিরের পারমাণবিক অস্ত্রের হুমকি দেওয়ার মূল কারণ হল ভারতের ‘অপারেশন সিন্দুরে’ পাকিস্তানের পারমাণবিক ভয় দেখানোর কৌশল ভেঙে দেওয়া।

    উগ্রপন্থীদের আশ্বস্ত করার প্রয়াস মাত্র!

    মুনিরের হুমকি ছিল ভারতের সাহসী সামরিক অভিযানের জবাব, যেখানে ‘অপারেশন সিন্দুরে’ পাক ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গি শিবিরগুলিকে টার্গেট করা হয়েছিল। এমনকি প্রতীকী বার্তা হিসেবে কাইরানা পাহাড়েও আঘাত হানা হয়, যা দেশটির পারমাণবিক অস্ত্রের (Asim Munir) ভান্ডার হিসেবে পরিচিত।ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মুনিরের এই সব মন্তব্য পাকিস্তানের উগ্রপন্থীদের আশ্বস্ত করার উদ্দেশ্যেও করা হয়েছে, বিশেষত যখন অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে একের পর প্রশ্নবাণে বিদ্ধ মুনিরের নেতৃত্ব।

    প্রসঙ্গত, এর আগে গত জুন মাসে পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পরে আমেরিকায় গিয়েছিলেন মুনির। সেবার ট্রাম্পের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজও সেরেছিলেন তিনি। সেই প্রথম কোনও সরকারি আধিকারিক ছাড়াই পাক সেনাপ্রধানকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন কোনও প্রেসিডেন্ট। সেই সময় ভারত-পাক (Inflammatory Nuke Speech) উত্তেজনা প্রশমনেও মুনিরের ভূমিকার প্রশংসা করেছিলেন ট্রাম্প। তার পরেই পরমাণু যুদ্ধ রোখার জন্য ট্রাম্পকে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার প্রস্তাব দেন পাক সেনাপ্রধান (Asim Munir)।

  • Asim Munir: “ভারত একটি চকচকে মার্সিডিজ, পাকিস্তান একটি ডাম্প ট্রাক”, অদ্ভূত তুলনায় হাসির খোরাক হলেন আসিম মুনির

    Asim Munir: “ভারত একটি চকচকে মার্সিডিজ, পাকিস্তান একটি ডাম্প ট্রাক”, অদ্ভূত তুলনায় হাসির খোরাক হলেন আসিম মুনির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির (Asim Munir) সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমন এক তুলনা টেনেছেন, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে প্রবল ট্রোল ও সমালোচনা। ঘটনার সূত্রপাত হয় পাক সেনাপ্রধানের এক বক্তব্য ঘিরে। আসিম মুনির বলেন, “আমি একটি রূঢ় উপমা দিয়ে বোঝাতে চাইছি। ভারত একটি চকচকে মার্সিডিজ, যা হাইওয়েতে ছুটছে ফেরারির মতো। আর আমরা একটি ডাম্প ট্রাক, যা ভর্তি কাঁকর-নুড়িপাথর দিয়ে। এখন যদি এই ট্রাক গিয়ে মার্সিডিজকে ধাক্কা দেয়, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত কে হবে?” এই বক্তব্যে মুনির বোঝাতে চেয়েছিলেন, পাকিস্তান হয়তো মার্সিডিজের মতো ঝকঝকে নয়, কিন্তু একটি ডাম্প ট্রাকের মতো ভারি ও ধাক্কা দিতে সক্ষম। তবে তাঁর এই উপমা ব্যুমেরাং হয়ে ফিরে আসে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোল

    এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলের শিকার হন মুনির। এক নেটিজেন বলেন, “এই তুলনায় আসলে পাকিস্তানকেই তিনি ‘ডাম্প ট্রাক’ বলে স্বীকার করেছেন, যা একধরনের আত্ম-অপমান।” একজন ব্যবহারকারী লেখেন, “মুনিরের বক্তব্যে একমাত্র সত্য হলো, ভারত একটি মার্সিডিজ, আর পাকিস্তান একটি ডাম্প ট্রাক। বাকিটা কল্পনা।” আরেকজন লিখেছেন, “অন্তত পাকিস্তান নিজেদের বাস্তবতা জানে… তারা ডাম্প ট্রাক ছাড়া অন্য কিছুই নয়। ব্যর্থ মার্শাল স্বীকার করলেন যে তারা কতটা করুণ অবস্থায় আছেন।” কেউ আবার এআই জেনারেটেড ছবি দিয়ে দেখানোর চেষ্টা করেছেন, মার্সিডিজ ও ডাম্প ট্রাকের সংঘর্ষে কী হতে পারে। একজন মজা করে লেখেন, “প্রথমে ভেবেছিলাম এটা মজা। পরে বুঝলাম, না — এটা আসলেই বলেছে! পাকিস্তান সত্যিই আসিম মুনিরের মতো সেনাপ্রধানকে ডিজার্ভ করে।”

    মার্কিন মুলুকে মুনির

    একদিকে ভারতের উপরে ক্রমাগত চাপাচ্ছেন ট্যারিফ, অন্যদিকে পাকিস্তানের সঙ্গে সখ্যতা বাড়িয়েই চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দিন কয়েক আগেই পাকিস্তানের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার কথা ঘোষণা করেন ট্রাম্প। এবার ফের মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন পাকিস্তানের সেনা প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। বিগত দুই মাসে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার মার্কিন সফরে আসিম মুনির। আমেরিকার মাটিতে দাঁড়িয়ে সরাসরি ভারতকে পারমাণবিক যুদ্ধের হুমকিও দিয়েছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে পাকিস্তান যদি অস্তিত্বের সংকটে পড়ে, তাহলে পাকিস্তান পুরো অঞ্চলকে পারমাণবিক সংঘর্ষের দিকে ঠেলে দেবে।

  • Pakistan: ভারতীয় বিমানের জন্য বন্ধ আকাশ সীমা, বিপুল ক্ষতি পাকিস্তানের

    Pakistan: ভারতীয় বিমানের জন্য বন্ধ আকাশ সীমা, বিপুল ক্ষতি পাকিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান (Pakistan) ভারতীয় বিমানগুলির জন্য তাদের আকাশসীমা বন্ধ করায়, বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে পাকিস্তানি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, গত দুই মাসে এই সিদ্ধান্তের কারণে পাকিস্তানের ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১,২৪০ কোটি টাকা। পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংবাদপত্র ডন-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই আর্থিক ক্ষতির কথা পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সংসদে স্বীকার করেছেন। শুক্রবার পাকিস্তানের সংসদে তিনি এই বিষয়ে একটি বিবৃতি দেন।

    পাকিস্তানের সংবাদপত্র ডনের প্রতিবেদন

    ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৩ এপ্রিল ভারত ‘সিন্ধু জল চুক্তি’ স্থগিত করে, আর তার পরদিন, ২৪ এপ্রিল, পাকিস্তান ভারতের জন্য নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয় (Indian Flights)। কিন্তু এই সিদ্ধান্তই পরে “বুমেরাং” হয়ে ফিরে এসেছে পাকিস্তানের জন্য। কারণ, এতে পাকিস্তান অর্থনৈতিকভাবে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

    কী বলছেন পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    পাকিস্তানি (Pakistan) বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২৪ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময়কালে ভারতীয় ১০০ থেকে ১৫০টি বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমা দিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আকাশসীমা বন্ধ থাকায় একটিও যেতে পারেনি, যার ফলে এই বিপুল লোকসান হয়েছে। যদিও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর মতে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও প্রতিরক্ষা অর্থনৈতিক লাভের চেয়েও অনেক বড় বিষয়।

    পাকিস্তান (Pakistan) সরকারের প্রকাশিত ডেটা

    তবে পাকিস্তান সরকারের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৯ সালে পাকিস্তান বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫ লাখ ৮ হাজার মার্কিন ডলার আয় করত। অথচ ২০২৫ সালের হিসাব অনুযায়ী, সেই আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার প্রতি দিনে। অর্থাৎ, কয়েক বছরে পাকিস্তানের বিমান চলাচল সংক্রান্ত রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছিল। এই পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের জন্য আকাশসীমা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত যে পাকিস্তানের জন্য এক বিপুল আর্থিক ধাক্কা হয়ে এসেছে, তা সহজেই অনুমেয়। সুতরাং, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হিসেবে আকাশসীমা বন্ধ করাটা স্বার্থরক্ষার বার্তা দিলেও, আর্থিক দিক থেকে তা পাকিস্তানের জন্য একপ্রকার আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত বলেই বিশ্লেষকদের মত।

  • Operation Sindoor: ‘৬টি পাক যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে ভারত’, অপারেশন সিঁদুরের পর প্রথমবার কী বললেন বায়ুসেনা প্রধান?

    Operation Sindoor: ‘৬টি পাক যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে ভারত’, অপারেশন সিঁদুরের পর প্রথমবার কী বললেন বায়ুসেনা প্রধান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) সময় পাকিস্তানের অন্তত ৬টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছিল ভারত। শনিবার এমনই দাবি করলেন ভারতীয় এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং। বায়ুসেনা প্রধান জানান, ভারত ‘সুদর্শন চক্র’ অর্থাৎ এস-৪০০ ব্যবহার করে ধ্বংস করেছিল ৫টি পাকিস্তানি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান। এছাড়াও, বিশ্বাসযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জ্যাকোবাবাদে থাকা এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গারেও নিখুঁত ভাবে আঘাত হানা হয়েছিল বলে দাবি করলেন এপি সিং। তিনি দাবি করেছেন, এই হামলাতেও হ্যাঙ্গারের মধ্যে থাকা বিমানগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

    পাক হামলার মোক্ষম জবাব ভারতের

    অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) পর এই প্রথম প্রকাশ্যে কথা বললেন বায়ুসেনা প্রধান অমরপ্রীত সিং। পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের পর পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চিহ্নিত কিছু জঙ্গিঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালায় ভারত। ওই সময় পাকিস্তানের কোনও সামরিক ঘাঁটিতে হামলা হয়নি। কিন্তু ভারতের অভিযানের পরে পাকিস্তানি বাহিনী ভারতের উপর হামলা শুরু করে। জবাব দেয় ভারতও। ওই সংঘর্ষের আবহে অন্তত ছ’টি পাকিস্তানি বিমান ধ্বংস করেছে বায়ুসেনা। শনিবার বেঙ্গালুরুতে এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতার সময় এমনটাই জানালেন বায়ুসেনা প্রধান।

    সুদর্শন চক্রের সাফল্য

    শনিবার বেঙ্গালুরুতে ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) প্রসঙ্গে মন্তব্যের সময় বায়ুসেনা প্রধান বলেন, “অন্তত পাঁচটি যুদ্ধবিমান আমরা নিশ্চিত ভাবে ধ্বংস করেছি। এ ছাড়া একটি বড় (সামরিক) বিমান রয়েছে। প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূর থেকে হামলা করা হয়েছিল।” অমরপ্রীত জানান, এখনও পর্যন্ত ভূমি থেকে আকাশে হামলা চালিয়ে ধ্বংস করার দিক থেকে এটিই সবচেয়ে বড় রেকর্ড। বায়ুসেনা প্রধান জানান, এই ছ’টি পাকিস্তানি বিমানকেই ধ্বংস করা হয়েছে ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘এস-৪০০’ ব্যবহার করে। ভারত এর নাম দিয়েছে সুদর্শন চক্র। পহেলগাঁওয়ে ২৬ জনকে গুলি করে খুন করে জঙ্গিরা। এর পরেই অপারেশন সিঁদুর শুরু করে সেনাবাহিনী। পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। পাল্টা হামলা চালায় পাকিস্তান। তার জবাব দেয় ভারতও। এই সংঘর্ষের সময়েই যুদ্ধবিমানগুলি ধ্বংস করে ভারতীয় সেনা।

    এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ধ্বংস!

    এদিন বেঙ্গালুরুতে প্রাক্তন এয়ার চিফ মার্শাল লক্ষ্মণ মাধব কাত্রের স্মরণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বায়ুসেনা প্রধান এপি সিং বলেন, “জ্যাকোবাবাদ বিমানঘাঁটিতে এফ-১৬ বিমানের হ্যাঙ্গার আছে। হ্যাঙ্গারের অর্ধেকটাই উড়ে গিয়েছে। আমি নিশ্চিত, ভিতরে কিছু বিমান ছিল, সেগুলোরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।” বস্তুত, এফ-১৬ যুদ্ধবিমান আমেরিকা তৈরি করে। আমেরিকার থেকেই এই যুদ্ধবিমান কেনে পাকিস্তান। ১৯৯৪ সালে বিল ক্লিন্টন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন পাকিস্তানের সঙ্গে আমেরিকার চুক্তি হয় এফ-১৬ সংক্রান্ত। ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতির পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের বিষয়ে ভারতীয় বায়ুসেনা প্রধানের এই মন্তব্যও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    রাশিয়ার তৈরি অস্ত্রের সাফল্য

    একইসঙ্গে শনিবার বেঙ্গালুরুতে ওই অনুষ্ঠানে এয়ার চিফ মার্শাল অমরপ্রীত সিং বলেছেন, “আমাদের এয়ার ডিফেন্স দুরন্ত কাজ করেছে। রাশিয়ার তৈরি এস-৪০০ সিস্টেম, যেটা আমরা সম্প্রতি মোতায়েন করেছিলাম সেটা খেলা ঘুরিয়ে দিয়েছিল। ওই সিস্টেমের শক্তি ওদের বিমানগুলিকে সত্যিই দূরে রেখেছিল। যেমন ওদের কাছে থাকা দূরপাল্লার গ্লাইড বোমাগুলির মতো অস্ত্রকে ওরা ব্যবহারই করতে পারেনি। কারণ এই সিস্টেমটাকে ওরা ভেদই করতে পারেনি।” বর্তমানে উদ্ভূত কূটনৈতিক পরিস্থিতিতে রাশিয়ার তৈরি এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাফল্য বর্ণনাও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। রাশিয়া থেকে ভারত জ্বালানি এবং অস্ত্র কেনায় অসন্তুষ্ট আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতিমধ্যে তা একাধিক বার স্পষ্ট করে দিয়েছেন। মস্কোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রাখার জন্য নয়াদিল্লির উপর বাড়তি শুল্কও চাপিয়েছেন ট্রাম্প। ঠিক এমনই এক পরিস্থিতিতে শনিবার রাশিয়ার তৈরি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাফল্য তুলে ধরলেন ভারতীয় বায়ুসেনা প্রধান।

    যুদ্ধবিরতি ছাড়া পাকিস্তানের কোনও উপায় ছিল না

    ভারত হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের বায়ুসেনার শক্তির সমূলে আঘাত হানে বলেও জানিয়েছেন এয়ার চিফ মার্শাল। বায়ুসেনা প্রধানের মতে, এর পরে যুদ্ধবিরতির আর্জি জানানো ছাড়া পাকিস্তানের কোনও উপায় ছিল না। জঙ্গি ঘাঁটিগুলোর ‘বিফোর অ্যান্ড আফটার’ স্যাটেলাইট ছবিও দেখান বায়ুসেনা প্রধান। বাহাওয়ালপুরে চুরমার হয়ে যাওয়া জৈশ-ই-মহম্মদের সদর দফতরের ছবি দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, পাশের কোন বাড়ির কোনও ক্ষতি হয়নি। সব অক্ষত রয়েছে। আমাদের কাছে শুধু স্যাটেলাইট ছবি নয়, স্থানীয় মিডিয়ার কাছ থেকে পাওয়া ছবিও আছে।’ লস্কর-ই-তৈবার সদর দফতর মুরিদকের ছবিও দেখান বায়ুসেনা প্রধান। তাঁর কথায়, ‘এগুলো ওদের অফিস। এখানেই বৈঠক করত।’ তাঁর দাবি সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল দিয়ে হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমানগুলো ধ্বংস করা হয়েছে।

  • US: দশকের পর দশক ধরে পাকিস্তানকে কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র দিয়েছে আমেরিকা, মুখোশ খুলে দিল ভারতীয় সেনা

    US: দশকের পর দশক ধরে পাকিস্তানকে কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র দিয়েছে আমেরিকা, মুখোশ খুলে দিল ভারতীয় সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখে সাঁটানো বন্ধুত্বের মুখোশ। অথচ আস্তিনে লুকোনো ‘বাঘনখ’। চুম্বকে এই হল আমেরিকার (US) স্বরূপ। ভারতীয় সেনাবাহিনীর সৌজন্যেই জানা গেল ১৯৭১ সালে ভারত-পাক যুদ্ধের প্রস্তুতির সময় থেকেই আমেরিকা দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানকে অস্ত্র সরবরাহ করে আসছে। ১৯৭১ সালের ৫ অগাস্টের একটি পুরনো সংবাদপত্রের ক্লিপ শেয়ার করেছে ভারতীয় সেনার ইস্টার্ন কমান্ড। ওই সংবাদপত্রের হেডলাইন ছিল, ‘‘১৯৫৪ সাল থেকে পাকিস্তানকে ২০০ কোটি ডলারের অস্ত্র পাঠিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।’’

    প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য

    ওই ক্লিপে তখনকার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভিসি শুক্লার রাজ্যসভায় দেওয়া একটি উত্তরের উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে তিনি বলেছিলেন, অস্ত্র সরবরাহের জন্য পাকিস্তান সমস্ত নেটো শক্তি এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। কারণ তখন পাকিস্তান বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আগ্রাসন শুরু করেছিল। শুক্লা এও জানিয়েছিলেন, সোভিয়েত ইউনিয়ন (অধুনা রাশিয়া) পাকিস্তানকে অস্ত্র সরবরাহ করতে অস্বীকার করেছে। ফরাসি সরকার জানিয়ে দিয়েছে তারা পাকিস্তানের পুরোনো অর্ডারের ওপর ভিত্তি করেও কোনও অস্ত্র সরবরাহ করবে না। তবে, মার্কিন সরকার পাকিস্তানে অস্ত্র সরবরাহ চালিয়ে যাচ্ছিল (US)।

    পাকিস্তানকে সাহায্য আমেরিকা ও চিনের

    তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী এও জানিয়েছিলেন, আমেরিকা ও চিন দু’দেশই পাকিস্তানের কাছে অস্ত্র বিক্রি করেছিল নামমাত্র মূল্যে। এ থেকে স্পষ্ট, বাংলাদেশে পাক সেনার গণহত্যা এবং ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্রগুলির বেশিরভাগই আমেরিকা ও চিনের দেওয়া সস্তার অস্ত্র। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়ান তেল কিনে ‘ইউক্রেন যুদ্ধে অর্থ সহায়তা’ দেওয়ার জন্য ভারতকে কাঠগড়ায় তুলেছে আমেরিকা। অথচ এই দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিজেরাই রাশিয়ার সঙ্গে দিব্যি বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ চালায় পাকিস্তান। ওই বছরেরই ২৫ মার্চ বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ। সেই সময় অধুনা বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল ভারত। প্রতিবেশী দেশের ওপর হওয়া নৃশংস অত্যাচার বন্ধ ও বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমানের বাহিনীকে সাহায্য করতেই ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে এই যুদ্ধে অংশ নেয় ৩ ডিসেম্বর। মাত্র ১৩ দিনেই পাকিস্তানকে পরাস্ত করে ভারত। আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ নামে এক নয়া রাষ্ট্র (US)।

  • Pahalgam Attack: পকেটে পাক ভোটার কার্ড, চকোলেট! কীভাবে পহেলগাঁওয়ে প্রবেশ করেছিল জঙ্গিরা, জানাল কেন্দ্র

    Pahalgam Attack: পকেটে পাক ভোটার কার্ড, চকোলেট! কীভাবে পহেলগাঁওয়ে প্রবেশ করেছিল জঙ্গিরা, জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরের দাচিগামে ‘অপারেশন মহাদেব’-এর (Operation Mahadev) সময়ে নিহত তিন জঙ্গিই পহেলগাঁও হামলায় (Pahalgam Attack) জড়িত ছিল বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। অভিযানের পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ এবং সেনা যে তথ্য পেয়েছে, তা থেকে প্রমাণিত যে ওই তিন জন পাকিস্তানের নাগরিক। তাদের কাছ থেকে পাকিস্তানের ভোটার পরিচয়পত্র, করাচিতে তৈরি চকোলেট এবং একটি মেমারি কার্ড মিলেছে, যাতে তাদের আঙুলের বায়োমেট্রিক ছাপ রয়েছে বলে সূত্রের খবর। বিরোধীদের প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংসদে আগেই জানিয়েছিলেন, ‘অপারেশন মহাদেবে’ নিকেশ হওয়া তিন জঙ্গির থেকে পাকিস্তানি ভোটার কার্ড মিলেছে। এবার গোয়েন্দা সংস্থাগুলির প্রকাশ করা রিপোর্টেও উঠে এল সেই তথ্য। শুধু তাই নয়, কবে কীভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকল তিন জঙ্গি, সেই নিয়েও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

    তিন জঙ্গির কবে -কীভাবে ভারতে প্রবেশ

    ‘অপারেশন মহাদেব’-এ (Operation Mahadev)  নিহত হয় তিন জঙ্গি। তারা হল সুলেমান শাহ ওরফে ফয়জল জাট, আবু হামজা ওরফে আফগান এবং ইয়াসির ওরফে জিবরান। সুলেমান লস্করের এক জন এ প্লাস প্লাস কমান্ডার ছিল। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, সুলেমানই পহেলগাঁও হামলার মূলচক্রী। হামলার অন্যতম প্রধান বন্দুকবাজও ছিল। হামজা এবং ইয়াসির এ-গ্রেড লস্কর কমান্ডার ছিল। পহেলগাঁওয়ের হামলায় হামজা দ্বিতীয় এবং ইয়াসির তৃতীয় বন্দুকবাজ ছিল। গোয়েন্দা সূত্রে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের মে মাসে গুরেজ সেক্টর থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকেছিল এই তিন জঙ্গি। হামলার আগের দিন বৈসরন থেকে ২ কিমি দূরত্বে একটি কুঠুরিতে আশ্রয় নেয় তারা। হামলার দিন সকালে ট্রেকিং করে বৈসরনে যায় তিনজন। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া শেল কেসিং মিলে গিয়েছে ‘অপারেশন মহাদেবে’র পর উদ্ধার হওয়া একে-১০৩ রাইফেলের সঙ্গে। জঙ্গিদের স্যাটেলাইট ফোন থেকে মিলেছে একটি মাইক্রো এসডি কার্ড-ও। জঙ্গিদের পকেটে ছিল পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মুজফ্ফরবাদে তৈরি চকলেটের মোড়কও।

    তিন জঙ্গিই পাকিস্তানের বাসিন্দা

    এএনআইয়ের তরফে বলা হয়, প্রাথমিকভাবে ভুল জঙ্গিদের স্কেচ প্রকাশ করেছিল কাশ্মীর পুলিশ। তবে শেষ পর্যন্ত ২৮ জুলাই পহেলগাঁও হামলার জঙ্গিদের নিকেশ করা হয় ‘অপারেশন মহাদেবে’র (Operation Mahadev) মাধ্যমে। তাদের থেকে পাকিস্তানি ভোটার কার্ড, চকলেট এবং বায়োমেট্রিক ডেটাবোঝাই মাইক্রো এসডি চিপ মিলেছে। সুলেমান এবং আফগানের পকেট থেকে পাওয়া ল্যামিনেট করা ভোটার কার্ডে লেখা রয়েছে, তারা যথাক্রমে লাহোর এবং গুজরানওয়ালার বাসিন্দা। জঙ্গিদের স্যাটেলাইট ফোন থেকে একটি মেমরি কার্ড মিলেছে। ফোনটি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। ওই মেমরি কার্ডে রয়েছে এনএডিআরএ-র (ন্যাশনাল ডেটাবেস অ্যান্ড রেজিস্ট্রেশন অথরিটি) তথ্য। তা থেকে তিন জঙ্গির বায়োমেট্রিক তথ্যও মিলেছে। কী রয়েছে সেখানে? জঙ্গিদের আঙুলের ছাপ, মুখের অবয়ব, পরিবারের বিষয়ে তথ্য, যা থেকে স্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে যে, তিন জনেই পাকিস্তানের বাসিন্দা। দু’টি ঠিকানাও মিলেছে সেই মেমারি কার্ড থেকে। একটি ঠিকানা কাসুর জেলার চাঙ্গা মাঙ্গার, দ্বিতীয়টি পাক অধিকৃত কাশ্মীরের রাওয়ালকোটের কোইয়ান গ্রামের। এছাড়াও এসডি চিপ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেও তিন জঙ্গির পাক নাগরিকত্ব প্রমাণ হয়েছে। তারা সকলেই লস্কর-এর সদস্য, তার প্রমাণও মিলেছে। এতেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পিছনে পাকিস্তানেরই হাত ছিল। তিনজনের কেউই স্থানীয় কাশ্মিরি জঙ্গি নয়।

  • Balochistan Killings: বালোচিস্তানে পাকিস্তানের গণহত্যা নিয়ে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার

    Balochistan Killings: বালোচিস্তানে পাকিস্তানের গণহত্যা নিয়ে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালোচ জনগণের ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে পাকিস্তান সরকার, একথা বললেন মানবাধিকার কর্মী কাম্বার বালোচ (Qambar Baloch)। বালোচ অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড স্টাডি সেন্টার-এর সাধারণ সম্পাদক কাম্বার বালোচ অভিযোগ করেছেন, পাকিস্তান ও ইরান সরকার বালোচ জনগণের ওপর প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘন করে চলেছে। এবিষয়ে তিনি আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন (Balochistan Killings)। তাঁর অভিযোগ, আন্তর্জাতিক মঞ্চ বারবার এড়িয়ে যাচ্ছে বালোচদের ওপর এই অত্যাচার।

    ৩০ জুলাই লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয় এই সেমিনার (Balochistan Killings)

    গত ৩০ জুলাই লন্ডনের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনে বালোচ অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড স্টাডি সেন্টার (BASC) -এর উদ্যোগে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারের শিরোনাম ছিল: “Hidden in the Shadows: Human Rights Violations Against the Baloch in Iran and Pakistan”। এই সেমিনারে কুম্বার বালোচ তাঁর মতামত তুলে ধরেন।

    সাংবাদিকদের কী বললেন বালোচিস্তানের নেতা কাম্বার বালোচ?

    সেমিনার শেষে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে কাম্বার বালোচ (Qambar Baloch) বলেন, “চলতি বছরের মে মাসে আমরা ‘বালোচ অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড স্টাডি সেন্টার’ প্রতিষ্ঠা করি (Balochistan Killings)। আমরা বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা চালাচ্ছি, এবং সেই গবেষণায় উঠে এসেছে, কীভাবে ইরান ও পাকিস্তানে বালোচ জনগণের ওপর দমনপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন ঘটছে।”

    অত্যাচারিত পরিবারগুলিও হাজির ছিলেন (Balochistan Killings)

    সেমিনারে সংস্থার বার্ষিক প্রতিবেদনও উপস্থাপন করা হয়। কাম্বার বালোচ আরও বলেন, “আমাদের গবেষণা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে যে বালোচ জনগণের ওপর চরম অত্যাচার চলছে। আমরা এই বাস্তবতা আন্তর্জাতিক মহলের কাছে তুলে ধরতে চাই এবং রাষ্ট্রসংঘের কাছেও আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছি।” এই সেমিনারে আন্তর্জাতিক কূটনীতিক, মানবাধিকারকর্মী, গবেষক, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন দেশের নীতিনির্ধারকরাও অংশগ্রহণ করেন। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, সেমিনারে এমন অনেক বালোচ পরিবার উপস্থিত ছিলেন, যাঁদের প্রিয়জন পাকিস্তান ও ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর হামলায় নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন। তাঁদের অনেকেই ‘Balochistan Killings’-এর শিকার পরিবার হিসেবে তাঁদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

LinkedIn
Share