Tag: pakistan

pakistan

  • India Pakistan Conflicts: দিল্লিতে বড় নাশকতার ছক! পাকিস্তানে পালানোর আগেই গ্রেফতার আইএসআই স্লিপার সেলের ২ এজেন্ট

    India Pakistan Conflicts: দিল্লিতে বড় নাশকতার ছক! পাকিস্তানে পালানোর আগেই গ্রেফতার আইএসআই স্লিপার সেলের ২ এজেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁওয়ের আগেই দেশের রাজধানী দিল্লিতেই সন্ত্রাস হামলার পরিকল্পনা করেছিল পাকিস্তানের (India Pakistan Conflicts) গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। দিল্লি থেকে আইএসআই-এর দুই এজেন্টের গ্রেফতারিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে এক জনের নাম আনসারুল মিয়া আনসারি। ওই ব্যক্তি ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর গোপন তথ্য পাচার করত পাকিস্তানে। দিল্লিতে বড়সড় সন্ত্রাসবাদী হামলা চালানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের। তার আগেই গোয়েন্দারা তাদের ধরে ফেলে।

    সেনার বিভিন্ন দফতর, ঘাঁটির তথ্য পাচারই লক্ষ্য

    পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত এই পাকিস্তানি এজেন্টদের সম্পর্কে জানুয়ারি মাসেই খবর এসেছিল। গোপন সূত্রে খবর মিলেছিল, আইএসআই গুপ্তচর নেপালের পথ ধরে ভারতে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করবে। ভারতীয় সেনার বিভিন্ন দফতর, ঘাঁটির তথ্য, ছবি ও জিওলোকেশন পাকিস্তানে পাচার করাই তাদের লক্ষ্য ছিল। দিল্লিতে স্লিপার সেল হিসাবে কাজ করছিল এরা। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, পহেলগাঁও হামলার আগেই দিল্লিতে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছিল পাকিস্তানের স্লিপার সেলের সদস্যরা।

    কে এই আনসারুল

    সূত্রের খবর, ধৃত আনসারুল নেপালি বংশোদ্ভূত। পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তির (Pak Agents Arrested) অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দিল্লির একটি হোটেল থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ বছরের জানুয়ারি থেকে রাজধানী জুড়ে বিশেষ অভিযানে নামে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল। সেই অভিযানের সময়েই আনসারুলের হদিস পান গোয়েন্দারা। তার পরই তাকে গ্রেফতার করা হয়। সূত্রের খবর, আইএসআই-এর মদতে পাকিস্তান থেকে নেপাল হয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিল আনসারি। পাকিস্তানে পালানোর চেষ্টাও করে। কিন্তু তার আগেই তাকে ধরে ফেলে পুলিশ।

    কীভাবে ভারতে প্রবেশ করে আনসারুল

    গোয়েন্দা সূত্রের খবর, কাতারে ট্যাক্সিচালকের কাজ করত আনসারি। সেই সময় পাক ‘হ্যান্ডলার’-এর সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়। কাতার থেকে তার পর পাকিস্তানে যায় আনসারি। সেখানে চরবৃত্তির প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর তাকে ভারতে পাঠায় আইএসআই। জেরায় আনসারি জানিয়েছে, কোথায় কোথায় তাদের জাল বিছিয়ে রেখেছে আইএসআই। তা-ই নয়, প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে সেগুলি পাকিস্তানে পাচার করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তাকে। আনসারির কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নথি এবং ‘ডিজিটাল ডিভাইস’-এর ফরেন্সিক পরীক্ষা করানো হয়েছে। সূত্রের খবর, সেখান থেকে ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে।

    রাঁচিতে ধৃত আনসারুলের সঙ্গী 

    আনসারিকে জেরা করে আরও এক সন্দেহভাজন আখলাক আজমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাঁচি থেকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। আজমই আনসারিকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য জোগাড়ে মদত দিত। দু’জনের মোবাইলে পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার প্রমাণ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। ভারতের বিভিন্ন স্থানে সক্রিয় পাক-সমর্থিত সন্ত্রাসবাদী সংগঠন এবং তাদের লজিস্টিক সহায়তা প্রদানকারী স্লিপার সেল সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের কাজ করে চলেছেন গোয়েন্দারা। এই গোটা চক্রের সঙ্গে পাক হাইকমিশনের আধিকারিক মুজাম্মিল এবং এহসান-উর-রহিম ওরফে দানিশও যুক্ত থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এমনিতেই দানিশ এবং পাক হাইকমিশনের অন্যান্য আধিকারিকরা যে ভারতে গুপ্তচর বা এজেন্ট নিয়োগ করছিল, তা মোটামুটি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। আনসারি এবং আজমের বিরুদ্ধে সম্প্রতি আদালতে চার্জশিট ফাইল করেছে দিল্লি পুলিশ।

    পাক-চরের খোঁজে অপারেশন মীরজাফর

    ভারতীয় সেনার অপারেশন সিঁদুরে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গিঘাঁটি। দেশের বাইরের শত্রুদের শায়েস্তা করেছে সেনা। গোয়েন্দাদের নজরে এবার দেশের ভিতরে থাকা শত্রুরা। যেমন- ট্রাভেল ভ্লগার জ্যোতিরানি মালহোত্রা। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গিহানার পরেই শুরু হয় ‘অপারেশন মীরজাফর’। খুঁজে বের করা হয় একের পর এক বিভীষণদের। গোয়েন্দাদের দাবি, ভারত থেকে অনেকেই পাকিস্তানে তথ্য পাঠিয়েছে। দিল্লির পাকিস্তানি দূতাবাস থেকেও এই চরদের সাহায্য করা হয়৷ দিল্লি পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, জম্মু-কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশ-সহ আরও কিছু রাজ্যে পাক চর রয়েছে বলেও সন্দেহ ৷ পাঞ্জাব এবং হরিয়ানা থেকে এখনও পর্যন্ত ১৪ জন পাক চরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হরিয়ানার থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ছয় পাক চরকে।

    ‘হানি ট্র্যাপ’ থেকে ‘মানি ট্র্যাপ’

    হরিয়ানার হিসার থেকে গ্রেফতার করা হয় ট্রাভেল ভ্লগার জ্যোতিরানি মালহোত্রাকে ৷ ক্যাথল থেকে দেবেন্দ্র সিং ধিলোঁ-কে ৷ নুহ্ থেকে গ্রেফতার আরমান এবং তারিফ ৷ পঞ্চকুলা থেকেও একজনকে গ্রেফতার করা হয় ৷ পাঞ্জাব থেকে এখনও পর্যন্ত আট পাক চরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভাতিন্ডা সেনা ছাউনি থেকে মুচি সুনীল কুমার এবং দর্জি রকাব ৷ অমৃতসর থেকে পলক মসিহ্ এবং সুরজ মসিহ্ ৷ মালের কোটলা থেকে গাজালা এবং ইয়ামিন ৷ গুরুদাসপুর থেকে সুখপ্রীত সিং এবং করণবীর সিং৷ ‘হানি ট্র্যাপ’ থেকে ‘মানি ট্র্যাপ’। ভারতের ভিতরের খবর জানতে নানা কৌশল নেয় পাকিস্তান। গোয়েন্দাদের দাবি, ধৃতরা পাক যোগের কথা স্বীকার করেছে। ভারতের বিভিন্ন বিমানঘাঁটি এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত তথ্য তারা পাকিস্তানে পাচার করেছে। এর জন্য টাকা পেয়েছে।

  • Operation Sindoor: পাকিস্তানের মুখোশ খুলতে বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় দল, কেন বেছে নেওয়া হল এই ৩৩ দেশকে?

    Operation Sindoor: পাকিস্তানের মুখোশ খুলতে বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় দল, কেন বেছে নেওয়া হল এই ৩৩ দেশকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের মুখোশ খুলে দিতে বিশ্বের ৩৩টি দেশে প্রতিনিধি দল (All Party Delegation) পাঠাচ্ছে ভারত। শুধু তা-ই নয়, এই প্রতিনিধি দল পাঠানোর (Operation Sindoor) আরও একটা উদ্দেশ্য আছে, সেটা হল দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর বিশ্বের দরবারে ঐক্যবদ্ধ ভারতের চেহারাটা তুলে ধরা। সেই ‘মহাভারতের যুগ’ থেকে বিপদের সময় ভারত যে এক হতে পারে, বিশ্বমঞ্চে সেই বার্তা পৌঁছে দেওয়াও এই প্রতিনিধি দল পাঠানোর আর একটা উদ্দেশ্য।

    অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor)

    গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে বেছে বেছে ২৭ জন হিন্দু পর্যটককে খুন করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। তার পরেই পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গি ঘাঁটিতে অপারেশন সিঁদুর চালায় ভারত। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বেশ কয়েকটি জঙ্গিঘাঁটি। প্রাণভয়ে দেশ ছেড়ে অন্যত্র গা ঢাকা দেয় জঙ্গিদের মাথারা। পাক জনগণের ভিড়েও মিশে গিয়েছে কয়েকজন। তার পরেও পাকিস্তান বারবার দাবি করছে, সন্ত্রাস কিংবা জঙ্গিদের সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্কই নেই। অপারেশন সিঁদুরে ভারতের বিজয় নিয়েও মিথ্যা বক্তব্য পরিবেশন করে চলেছে শাহবাজ শরিফের দেশ।

    খোলা হবে পাকিস্তানের মুখোশ

    পাকিস্তানের এই মিথ্যা বলার অভ্যাস এবং দেশটি যে আদতে সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর এবং জঙ্গি তৈরির কারখানা, বিশ্বের দরবারে সেই বার্তা পৌঁছে দিতে ভারত সরকার তৈরি করেছে ৭টি সংসদীয় প্রতিনিধি দল। প্রতিটি প্রতিনিধি দলেই শাসক ও বিরোধী মিলিয়ে একাধিক সাংসদ রয়েছেন। রয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী এবং ৮ জন প্রাক্তন রাষ্ট্রদূতও। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য-সহ মোট ৩৩টি দেশে পৌঁছবে এই প্রতিনিধি দলগুলি। বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি জানান, রবিবারের মধ্যেই প্রতিনিধি দলগুলি তাঁদের গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেবে। এই প্রচার অভিযান চলবে ১০ দিন ধরে। অভিযানের নেতৃত্ব দেবেন কংগ্রেসের শশী থারুর, বিজেপির রবিশঙ্কর প্রসাদ ও বৈজয়ন্ত পাণ্ডা, জেডিইউয়ের সঞ্জয় কুমার ঝা, শিবসেনার একনাথ শিন্ডে, ডিএমকের কানিমোঝি ও করুণানিধি, এনসিপির সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে। এই উদ্যোগের সমন্বয় করছেন সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু।

    যে দেশগুলিতে যাবে প্রতিনিধি দল

    ভারত যে ৩৩টি দেশ বেছে নিয়েছে, সেগুলি হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, রাশিয়া, ইজরায়েল, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার (All Party Delegation), স্পেন, নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইটালি, সুইৎজারল্যান্ড, সুইডেন, নরওয়ে, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর (Operation Sindoor), ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিশর, নাইজিরিয়া, কেনিয়া, ইথিওপিয়া, তাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া এবং ফিলিপিন্স।

    গুরুত্বপূর্ণ ২৫

    জানা গিয়েছে, এর মধ্যে ২৫টি দেশ ভারতের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে ১৫টি দেশ রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য, অদূর ভবিষ্যতে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হবে আরও ৫টি দেশ। আরও ৫টি দেশ রয়েছে, যারা প্রভাবশালী। বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি বলেন, “আমরা রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সমস্ত দেশের কাছে যাচ্ছি, যাদের সংখ্যা ১৫।” বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা ষড়ঙ্গী বলেন, “আমরা এমন পাঁচটি দেশেও যাচ্ছি, যারা শীঘ্রই রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হবে। কিছু নির্দিষ্ট দেশকে বাছাই করা হয়েছে, যাদের কণ্ঠ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্ব সহকারে শোনা হয়। এই দেশগুলি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিনিধিরা ২৫টিরও বেশি দেশে যাচ্ছেন।” তিনি জানান (Operation Sindoor), ১৫টি দেশের মধ্যে পাঁচটি দেশ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য। বাকি ১০টি হল অস্থায়ী সদস্য। প্রতি দু’বছর অন্তর বদলে যায় এই অস্থায়ী সদস্যপদ (All Party Delegation)। জেডিইউয়ের সঞ্জয় কুমার ঝা-র নেতৃত্বে গঠিত প্রতিনিধি দলের সদস্য হলেন অপরাজিতা। এই দলটি যাবে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান এবং সিঙ্গাপুরে। ইতিমধ্যেই তাঁরা রওনা দিয়েছেন জাপানের উদ্দেশে।

    পাকিস্তান নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে পাকিস্তান নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য। যে ১০টি দেশ অস্থায়ী হিসেবে নির্বাচিত হয়, তাদের মেয়াদ দু’বছর। পাকিস্তানের টার্ম শেষ হতে আরও ১৭ মাস বাকি। ভুবনেশ্বরের সাংসদ অপরাজিতা বলেন, “আমাদের সরকার সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে বিভিন্ন দলের সাংসদরা এক সঙ্গে বিভিন্ন দেশে যাবেন এবং সেখানকার আমলাতন্ত্র ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের কাছে আমাদের বক্তব্য তুলে ধরবেন, আমাদের অবস্থান তুলে ধরবেন। শুধু তাই নয়, সন্ত্রাসবাদ প্রচারে পাকিস্তানের পদ্ধতির নিন্দাও করবেন। এটা আমাদের দায়িত্ব (Operation Sindoor)।” তিনি বলেন, “এই প্রতিনিধি দল বিশ্বের কাছে বার্তা দিতে চায় যে ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ।”

    তৃণমূলের কৌশলী চাল!

    যে সাতটি প্রতিনিধি দল ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছে, তার একটি দলে নাম ছিল সাংসদ তৃণমূলের ইউসুফ পাঠানের। তবে মুর্শিদাবাদে হিন্দুদের ওপর মুসলমানদের অত্যাচার এবং (All Party Delegation) পহেলগাঁওয়ে হত্যালীলার পরেও মুখ খোলেননি পাঠান। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণে ইউসুফের বদলে ওই প্রতিনিধি দলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বছর ঘুরলেই এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ইউসুফকে ওই প্রতিনিধি দলের সঙ্গে পাঠানো হলে মুসলমানদের কাছে ভুল বার্তা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে ধস নামতে পারে তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্কে (Operation Sindoor)। অতএব…

  • India Pakistan Conflicts: জ্যোতিকে জেরা করেই সন্ধান! আরও এক পাক কুটনীতিককে বহিষ্কার ভারতের

    India Pakistan Conflicts: জ্যোতিকে জেরা করেই সন্ধান! আরও এক পাক কুটনীতিককে বহিষ্কার ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান (India Pakistan Conflicts) হাই-কমিশনের আরও এক আধিকারিককে ফের বহিষ্কার করল কেন্দ্রের মোদি সরকার৷ এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় পাক আধিকারিককে ‘পার্সোনা নন গ্রাটা’ অর্থাৎ অবাঞ্ছিত ঘোষণা করল ভারত ৷ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে ভারত ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ‘তাঁর সরকারি মর্যাদার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল ওই পাক কর্তা।’ সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ‘চার্জ দ্য’অ্যাফেয়ার্স’কে সতর্ক-বার্তা

    বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন পাক হাইকমিশনের ‘চার্জ দ্যাফেয়ার’কে তলব করা হয় এবং তাঁর হাতে সরকারি ভাবে একটি ডিমার্শে ধরানো হয়। তাঁকে নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে সতর্কও করা হয়েছে। যাতে আর কোনও পাকিস্তানি কূটনীতিক ভারতে থাকাকালীন তাঁদের কূটনৈতিক পরিচয়ের সুবিধার অপব্যবহার না করেন, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে পাকিস্তান হাইকমিশনের ‘চার্জ দ্যাফেয়ার’কে। এই নিয়ে গত দশদিনে পাক হাইকমিশনের দু’জন কর্তাকে তাদের কূটনৈতিক পরিচয়ের সুবিধা নিয়ে ভারত-বিরোধী (India Pakistan Conflicts) কাজে জড়িত থাকার দায়ে পার্সোনা নন গ্রাটা ঘোষণা করা হল। এর আগে গত ১৩ মে পাক হাই-কমিশনের আরেক আধিকারিক দানিশকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার ৷

    জ্যোতিকে জেরা করেই মিলল হদিশ!

    গত ১৩ মে পাক কূটনীতিকে বহিষ্কারের তিন দিন পরে ১৭ মে হরিয়ানার হিসার থেকে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় ইউটিউবার জ্যোতি মালহোত্রাকে৷ তার সঙ্গে পাক হাই কমিশনের আধিকারিক আহসান-উর-রহিম ওরফে দানিশের যোগাযোগের বিষয়টি সামনে আসে৷ অভিযোগ, ইউটিউবার জ্যোতি তার চ্যানেলের জন্য ভিডিও তৈরির অছিলায় পাকিস্তানে (India Pakistan Conflicts) গিয়েছিল৷ সেখানে পাক আধিকারিক দানিশের সূত্রে পাকিস্তানের গোয়েন্দা আধিকারিকদের সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়৷ জ্যোতি ভারতের সংবেদশীল গোপন তথ্য পাকিস্তানে পাচার করত বলে অভিযোগ করেছেন তদন্তকারীরা৷ জ্যোতি মালহোত্রাকে বর্তমানে জেরা করছে হরিয়ানা পুলিশ। তাকে জেরা করেই কি পাকিস্তানি হাইকমিশনে কূটনীতিকের পোশাক পরে বসে থাকা আরও গুপ্তচরের সন্ধান পাওয়া গেল? এই নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ পাক হাই কমিশনে বসেই ভারতের নানা প্রান্তে গুপ্তচর নিয়োগ করত আইএসআই এজেন্টরা।

  • Operation Sindoor: ‘অপারেশন সিঁদুর’ পড়ানো হবে উত্তরাখণ্ডের মাদ্রাসায়, তুলে ধরা হবে ভারতীয় সেনার বিজয়গাথা

    Operation Sindoor: ‘অপারেশন সিঁদুর’ পড়ানো হবে উত্তরাখণ্ডের মাদ্রাসায়, তুলে ধরা হবে ভারতীয় সেনার বিজয়গাথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) ঘটনা জানবে স্কুলের পড়ুয়ারাও। উত্তরাখণ্ডের মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে থাকা মাদ্রাসাগুলিতে পড়ানো হবে অপারেশন সিঁদুরের ঘটনা। এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে উত্তরাখণ্ড মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদ। সে রাজ্যের নথিভুক্ত অন্তত ৪৫০টি মাদ্রাসার সিলেবাসে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে পড়ানো হবে। আলিয়া (ইন্টারমিডিয়েট) লেভেল পর্যন্ত পড়ানো হবে এই বিষয়টি। সেই মতো সিলেবাসে বদল আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে নতুন এই অধ্যায়টি পড়ানো হবে মাদ্রাসায় (Uttarakhand Madrasas Board)।

    কবে থেকে, কোন ক্লাস পর্যন্ত পড়ানো হবে

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে দেখা করার পর এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন পর্ষদের (Uttarakhand Madrasas Board) চেয়ারম্যান মুফতি শামুন কাশমি। তিনি জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মুসলমানদের একটি প্রতিনিধি দল প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথের সঙ্গে দেখা করার পর অপারেশন সিঁদুরের জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। কাশমি বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীকে এই বার্তা পৌঁছে দিয়েছি যে আমরা তাঁর সঙ্গে রয়েছি। ১৪০ কোটি মানুষের দেশ তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে আছে।’ তিনি জানান অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে মাদ্রাসায় আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে পাঠ্যক্রমে এই অভিযানটি অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে থাকবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাহসিকতা এবং দেশের প্রতি তাঁদের নিষ্ঠার অনুপ্রেরণামূলক গল্প। উত্তরাখণ্ডজুড়ে ৪৫১টি নিবন্ধিত মাদ্রাসায় ৫০,০০০ এরও বেশি পড়ুয়া রয়েছে। তাঁদের অপারেশন সিঁদুর সম্পর্কে পড়ানো হবে। দ্রুতই উত্তরাখণ্ডের মাদ্রাসাগুলির পাঠ্যক্রমে এই অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত ক্লাসে অপারেশন সিঁদুর অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এপ্রসঙ্গে পাকিস্তানকে তীব্র আক্রমণ করে ‘অপবিত্র দেশ’ বলে উল্লেখ করেন কাশমি। তিনি বলেন, ‘যেভাবে পাকিস্তানের জঙ্গিরা পহেলগাঁওয়ে হামলা চালিয়েছে, নিরস্ত্র পর্যটকদের হত্যা করেছে, তার জন্য তাদেরকে একটি শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন ছিল।’

    শল্যচিকিৎসকের মতো নির্ভুল

    ‘অপারেশন সিঁদুরে’র (Operation Sindoor) সময়ে দক্ষ শল্যচিকিৎসকের মতো নির্ভুল ভাবে অভিযান চালিয়েছে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী। মঙ্গলবার কে এন মেমোরিয়াল হাসপাতালের ২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের ভাষণে এ কথা বলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি বলেন, “আমাদের বাহিনী শল্যচিকিৎসকদের মতোই নিখুঁত কাজ করেছে। এক জন শল্যচিকিৎসক রোগীর কোন জায়গায় সমস্যা, সেটা বুঝে ছুরিকাঁচি চালান। ভারতীয় বাহিনীও একই কাজ করেছে। সন্ত্রাসবাদের শিকড়ে নির্ভুল ভাবে আঘাত করেছে তারা।”

  • Pakistan: বিশ্বের সামনে হাত পাতছে পাকিস্তান, বিদেশে ভিক্ষে করছে পাকিস্তানিরা! সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

    Pakistan: বিশ্বের সামনে হাত পাতছে পাকিস্তান, বিদেশে ভিক্ষে করছে পাকিস্তানিরা! সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকার ভিক্ষা চাইছে আইএমএফের কাছে, বিদেশে ভিক্ষাবৃত্তিতে লিপ্ত পাক নাগরিকেরা! গত ১৬ মাসে সৌদি আরব ৫,০৩৩ জন পাকিস্তানি (Pakistan) ভিক্ষুককে বিতাড়িত করেছে। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি জাতীয় পরিষদে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ থেকেও শত শত পাকিস্তানি নাগরিককে বিতাড়িত করা হয়েছে। নকভি জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখনও পর্যন্ত সৌদি আরব, ইরাক, মালয়েশিয়া, ওমান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE) থেকে মোট ৫,৪০২ জন পাকিস্তানি নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। প্রধান কারণ—বিদেশে গিয়ে ভিক্ষাবৃত্তিতে লিপ্ত হওয়া।

    পাকিস্তানিদের নিয়ে বিরক্ত পশ্চিম এশিয়ার মুসলিম দেশগুলিই

    কিন্তু কেন এ ভাবে পাক নাগরিকদের ফেরত পাঠাচ্ছে দেশগুলি? এর মূল কারণ, ভিক্ষাবৃত্তি! তেমনটাই উঠে এসেছে বিভিন্ন প্রতিবেদনে। ‘পাকিস্তানি (Pakistan) তাড়াও’ নীতি গ্রহণকারী দেশগুলির মধ্যে সবার উপরে রয়েছে সৌদি আরব। সেখান থেকেই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পাকিস্তানিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তালিকায় এর পরে রয়েছে ইরাক (২৪৭ জন)। অন্য দিকে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি পাক নাগরিকদের ভিক্ষাবৃত্তি নিয়ে পাকিস্তান সরকারের কাছে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং পাকিস্তানিদের জন্য ভিসা নিয়ম কঠোর করেছে। সেখান থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে ৫৮ জন পাক নাগরিককে। রিপোর্টে উঠে এসেছে, পাকিস্তানিরা তীর্থযাত্রার নামে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে যাচ্ছেন এবং সেখানে গিয়ে ভিক্ষা করা শুরু করছেন। ভিক্ষার টাকা জমিয়ে কেউ ফিরে আসছেন, তো কেউ সেখানেই রয়ে যাচ্ছেন পাকাপাকি ভাবে। আর তাতেই তিতিবিরক্ত সে দেশগুলির প্রশাসন। সে কারণেই খুঁজে খুঁজে পাকিস্তানিদের ফেরত পাঠাচ্ছে দেশগুলি।

    পাকিস্তানিদের ভিসা পাওয়াই কঠিন

    পাকিস্তানিদের (Pakistan) বিদেশে গিয়ে ‘ভিক্ষা-প্রেম’-এর বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ পায় ২০২৩ সালে। সে বছর প্রবাসী পাকিস্তানিদের বিষয়ে সেনেটের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সেই উদ্বেগের কথা উঠে আসে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খ্বাজা আসিফ বলেন, “এটা খুব লজ্জার। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে, এখন বিদেশে পাকিস্তানিদের ভিসা পাওয়াই কঠিন হয়ে পড়েছে।” তাঁর মতে, প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ মানুষ পাকিস্তানে কোনও না কোনওভাবে ভিক্ষার সঙ্গে যুক্ত, যা বছরে আনুমানিক ৪২ বিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি তৈরি করছে। পাকিস্তানের যেকোনও অঞ্চলে ভিক্ষুক পাওয়া যেতে পারে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শেয়ার করা তথ্য থেকে দেখা যায় যে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যক্তিরা এই প্রবণতার সঙ্গে জড়িত। যেমন, সিন্ধ প্রদেশ থেকে ২,৭৯৫ জন, পাক পাঞ্জাব থেকে ১,৪৩৭ জন, খাইবার পাখতুনখোয়া থেকে ১,০০২ জন, বালোচিস্তান থেকে ১২৫ জন এবং পাক-অধিকৃত কাশ্মীর থেকে ৩৩ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বাদ নেই রাজধানী ইসলামাবাদও। এখানকার ১০ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    বিদেশে গ্রেফতার হওয়া ভিখারিদের প্রায় ৯০ শতাংশই পাকিস্তানি

    রিপোর্ট অনুসারে, বিদেশে গ্রেফতার হওয়া ভিখারিদের প্রায় ৯০ শতাংশই পাকিস্তানি নাগরিক। অনেকে হজ, উমরা কিংবা জিয়ারতের ভিসায় বিদেশে যান, কিন্তু পরে সেখানেই ভিক্ষাবৃত্তি শুরু করেন। পাকিস্তানের এই অবস্থাকে কটাক্ষ করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সম্প্রতি তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের এক অনুষ্ঠানে বলেন, “পাকিস্তানের অবস্থা এতটাই খারাপ যে এখন দেশটির নাম শুনলেই ভিক্ষার ছবি চোখে ভেসে ওঠে।”

    নাগরিকদের ‘সহবত’ শেখানোর উপদেশ

    গত বছরও একটি রিপোর্টে উঠে এসেছিল যে, পাকিস্তানের (Pakistan)  শ্রমিক এবং কর্মীদের কাজ দিতে চাইছে না পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি। পাকিস্তানি নাগরিকদের সংখ্যা ক্রমে বেড়ে চলা নিয়েও সতর্কতা জারি করেছিল তারা। এমনকি, পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি ইসলামাবাদকে চিঠি পাঠিয়ে নাগরিকদের ‘সহবত’ শেখানোর উপদেশও দিয়েছিল সে সময়। প্রবাসী পাকিস্তানিদের সচিব সেনেট কমিটিকে সে সময় জানিয়েছিলেন, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, সৌদি আরব, কাতার এবং কুয়েত চাইছে না, পাকিস্তানি কর্মীরা তাদের দেশে গিয়ে কাজ করুন।

    সমাজমাধ্যমে হাসির রোল

    সম্প্রতি প্রকাশিত এই তথ্য পাকিস্তানের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবক্ষয় বিশ্বের দরবারে আবারও স্পষ্ট করে দিয়েছে। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সে দেশের জনগণেরই সমালোচনার মুখে পড়েছে পাক সরকার। হাসির রোলও উঠেছে সমাজমাধ্যমে। একজন টুইটার ব্যবহারকারী ব্যঙ্গ করে লেখেন, “পাকিস্তানি ভিখারি—ব্যর্থ জঙ্গি রাষ্ট্রের আসল বিজনেস মডেল। একজন আইএমএফ-এ ভিক্ষা করে, অন্যরা বিশ্বজুড়ে।” আরেকজন লেখেন, “পাকিস্তান অবশেষে স্বীকার করে নিয়েছে যে ২০২৪ সালেই ৫ হাজারের বেশি ভিখারিকে বিদেশ থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।” আরেকজন ব্যবহারকারী লেখেন, “পাকিস্তানে মাদ্রাসা ও জঙ্গি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থাকলেও, ভিক্ষুক তৈরির জন্য কোনও আনুষ্ঠানিক কোচিং সেন্টার নেই। তবুও দেশটি বিশ্বজুড়ে ‘ভিক্ষার জন্য’ পরিচিত।”

  • Pak Spy Jyoti Malhotra: দেশ-বিরোধী তথ্য পাচার, কীভাবে পাক এজেন্টদের সঙ্গে যোগ? জেরায় সব বলল জ্যোতি

    Pak Spy Jyoti Malhotra: দেশ-বিরোধী তথ্য পাচার, কীভাবে পাক এজেন্টদের সঙ্গে যোগ? জেরায় সব বলল জ্যোতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানকে ভারত-বিরোধী তথ্য পাচারের কথা স্বীকার করল জ্যোতি মালহোত্রা (Pak Spy Jyoti Malhotra)। পুলিশ সূত্রে খবর, জেরায় জ্যোতি জানিয়েছে, পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থার এজেন্টদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। একইসঙ্গে পাকিস্তানের হাই কমিশনের আধিকারিক দানিশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কথাও স্বীকার করেছে সে। তবে দেশ-বিরোধী তথ্য পাচার করার জন্য সে অনুতপ্ত নয়, বলেও জানিয়েছে জ্যোতি। জিজ্ঞাসাবাদের সময় একেবারে ‘শান্ত’ থেকেছে সে। তার চোখে মুখে অনুশোচনার কোন ছাপ পর্যন্ত নেই বলেও জানিয়েছেন তদন্তকারী সংস্থার ঘনিষ্ঠ সূত্র।

    জ্যোতিকে জেরায় উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য

    পুলিশি জেরায় জ্যোতি (Pak Spy Jyoti Malhotra) জানিয়েছে, ‘ট্রাভেল উইথ জো’ নামে ইউটিউব চ্যানেল চালাচ্ছিল সে। ২০২৩ সালে পাকিস্তানে যাওয়ার জন্য ভিসার প্রয়োজন পড়েছিল। সেই ভিসা জোগাড় করতেই পাকিস্তান হাই কমিশনে গিয়েছিল জ্যোতি। সে সময়ে দানিশ ওরফে এহসার দারের সঙ্গে আলাপ হয় তার। ভারত-পাক সংঘর্ষ পরিস্থিতিতে গত ১৩ মে দানিশকে পাক হাই কমিশন থেকে বহিষ্কার করে ভারত। জ্যোতি জানিয়েছে, দানিশের সাহায্যেই দু’বার পাকিস্তান ভ্রমণ করেছিল সে। সেখানে দানিশের পরিচিত আলি হাসান তার থাকা-খাওয়ার বন্দোবস্ত করেছিল। এই আলি হাসান জ্যোতিকে পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থার এজেন্টদের সঙ্গে আলাপ করাতে নিয়ে যায়। সেখানে শাকির এবং রানা শেহবাজের সঙ্গে পরিচয় হয় বলে স্বীকার করে জ্যোতি। শাকিরের নম্বর ‘জট রন্ধওয়া’ নামে সেভ করেছিল জ্যোতি। যাতে কোনওভাবেই কেউ তাকে সন্দেহ করতে না পারে। ভারতে আসার পর হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম এবং স্ন্যাপ চ্যাটে পাক গুপ্তচর এজেন্টদের সঙ্গে লাগাতার যোগাযোগ করতে শুরু করে জ্যোতি। তবে গ্রেফতারির আশঙ্কায় জ্যোতি সমস্ত চ্যাট ডিলিট করে দেয়। সেই চ্যাটগুলি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে ভারতীয় তদন্তকারীরা। সেগুলি উদ্ধার হলে বিস্ফোরক তথ্য সামনে উঠে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কোনও অনুশোচনা নেই জ্যোতির

    অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার অধীনে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে জ্যোতির (Pak Spy Jyoti Malhotra) বিরুদ্ধে। পাক এজেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ স্বীকারের পরও জ্যোতি তদন্তকারীদের বলে, “আমার কোনও অনুশোচনা নেই।” তদন্তের সাথে জড়িত একজন কর্মকর্তা বলেন, “জ্যোতি মনে করে সে কোনও ভুল করেননি। সে বিশ্বাস করে যে যা করেছে তা ন্যায্য।” তদন্তকারী আধিকারিকরা তদন্তে জানতে পেরেছে জ্যোতি তিনজন পাকিস্তানি গোয়েন্দা কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ রেখেছিল। জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁও কাণ্ডের সঙ্গে তার কোনরকমের যোগসূত্র রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এক সিনিয়র অফিসারের কথায়, “আমরা খতিয়ে দেখছি যে তার পহেলগাঁও ভ্রমণের সঙ্গে গুপ্তচরবৃত্তির কোনও যোগসূত্র ছিল কিনা অথবা সেই সময় কোনও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল বা অন্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল কিনা”। বর্তমানে জ্যোতি পাঁচ দিনের পুলিশ রিমান্ডে আছে। জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ), গোয়েন্দা ব্যুরো (আইবি) এবং হরিয়ানা পুলিশের একটি যৌথ দল তাকে জেরা করছে। তদন্তকারীরা আরও তথ্যের জন্য তার ইলেকট্রনিক ডিভাইস, আর্থিক লেনদেন, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ট্রাভেল হিস্ট্রি খতিয়ে দেখেছেন। বৃহস্পতিবার হিসার আদালতে পেশ করা হবে জ্যোতি মালহোত্রাকে।

  • Amir Hamza: পাকভূমে আক্রান্ত লস্করের সহ-প্রতিষ্ঠাতা আমির হামজা! গুরুতর অবস্থায় লাহোরের হাসপাতালে ভর্তি

    Amir Hamza: পাকভূমে আক্রান্ত লস্করের সহ-প্রতিষ্ঠাতা আমির হামজা! গুরুতর অবস্থায় লাহোরের হাসপাতালে ভর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুতর আহত অবস্থায় লাহোরের সামরিক হাসপাতালে ভর্তি লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) সহ প্রতিষ্ঠাতা আমির হামজা (Amir Hamza)। নিজের বাড়িতেই আক্রান্ত হয়েছে ভারতের হিটলিস্টে থাকা এই জঙ্গি। তবে কীভাবে হামজা আহত হল তা স্পষ্ট নয়। প্রথমে খবর আসে নিজের বাড়িতেই গুলিবিদ্ধ হয়েছে সে। পরে জানা যায়, ‘রহস্যজনক’ভাবে পড়ে গিয়েছে। তবে গুরুতর আহত হয়েছে হামজা। তিনদিন আগে পাকিস্তানের (Pakistan) সিন্ধ প্রদেশে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল লস্কর জঙ্গি আবু সইফুল্লা। এরপর আরও এক শীর্ষ লস্কর জঙ্গি আহত হওয়ায় রহস্য ঘনীভূত হতে শুরু করেছে।

    হাফিজ সইদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হামজা

    লস্কর প্রধান হাফিজ সঈদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হামজা (Amir Hamza)। যে ১৭ জন মিলে লস্করের প্রতিষ্ঠা করে, তাদের মধ্যে অন্যতম হামজা। সংগঠনের প্রধান আদর্শবাদী হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব সামলাচ্ছে। লস্করের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির সদস্যও ছিল একসময়। হাফিজের নির্দেশে অন্যান্য জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গেও সুসম্পর্ক বজায় রাখত হামজা। পাকিস্তানের (Pakistan) পঞ্জাব প্রদেশের গুজরানওয়ালা শহরের বাসিন্দা এই আমির হামজা। ২০১২ সালে একে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণা করে আমেরিকা। মার্কিন গোয়েন্দারা জানায়, লস্করের যে সেবা সংস্থা, তাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিল হামজা। পাশাপাশি, লস্করের ইউনিভার্সিটি ট্রাস্টেরও মাথায় ছিল সে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, লস্করের প্রচারিত পত্রিকাগুলির সম্পাদক হামজা নিজের বাড়িতেই মঙ্গলবার গুরুতর আহত হয়। এরপর আইএসআই-এর নিরাপত্তায় লাহোরের সেনা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে।

    কে এই হামজা

    আফগানিস্তান যুদ্ধে একসময় সশস্ত্র যোদ্ধার ভূমিকায় ছিল হামজা (Amir Hamza)। সেই সময় আফগান মুজাহিদিনের অংশ ছিল সে। সেখানে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে লড়াই করে হামজা। পরবর্তীতে হাফিজের সঙ্গে হাত মিলিয়ে লস্করের প্রতিষ্ঠা করে। রিপোর্ট বলছে, ২০০০ সাল নাগাদ ভারতে ব্যাপকভাব সক্রিয় ছিল এই সন্ত্রাসবাদী। ২০০৫ সালে বেঙ্গালুরুতে জঙ্গি হামলায় সইফুল্লার সহযোগী ছিল হামজা। ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত লস্করের (Lashkar-e-Taiba) প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর দায়িত্ব ছিল এর উপর। ২০১৮ সালে লস্কর এবং জামাত-উদ-দাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারির পরই হাফিজের কথায় ‘জইশ-ই-মানকাফা’ নামে নতুন এক সংগঠন তৈরি করে হামজা। এই ঘটনায় অনেকের অনুমান ছিল, হয়ত লস্করে ভাঙন ধরেছে। যদিও পরে জানা যায় গোটাটাই ছিল মানুষের চোখে ধুলো দেওয়ার এক পন্থা।

  • Asim Munir: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি! ফিল্ড মার্শাল পদে উন্নীত আসিম মুনির, ফের স্বৈরতন্ত্রের পথে পাকিস্তান?

    Asim Munir: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি! ফিল্ড মার্শাল পদে উন্নীত আসিম মুনির, ফের স্বৈরতন্ত্রের পথে পাকিস্তান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত বিদ্বেষ ও পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি পাঠিয়ে ২৬টি নিরীহ প্রাণ কেড়ে নেওয়ার পুরস্কার! না কি পাকিস্তানে (Pakistan) ফের গণতন্ত্রের অবসান! অর্থনৈতিক সঙ্কটে জর্জরিত পাকিস্তান আবারও সামরিক শাসনের পথে? সেনাপ্রধান থেকে ফিল্ড মার্শাল পদে উন্নীত হলেন আসিম মুনির (Asim Munir)। প্রয়াত প্রাক্তন সেনাশাসক আয়ুব খানের পর পাক সেনার দ্বিতীয় অফিসার হিসেবে মুনির ‘পাঁচ তারা জেনারেল’ পদ পেলেন। এই পদোন্নতি মূলত প্রতীকী। তবুও মুনিরকে এই পদে বসানোয় পাকিস্তানের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনা পাক মুলুকে অতীত সামরিক শাসনের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপ পাকিস্তানের ভঙ্গুর গণতন্ত্রে সেনাবাহিনীর আধিপত্য আরও সুদৃঢ় করতে পারে।

    কেন এই পদে মুনির

    মঙ্গলবার পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে (Asim Munir) ফিল্ড মর্শাল পদে বসালেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। এটাই পাকিস্তানের সর্বোচ্চ সামরিক পদ। বস্তুত, ফিল্ড মার্শাল পদে উন্নীত হওয়ায় জল, স্থল এবং নৌ-তিন সেনারই নিয়ন্ত্রণ চলে এল মুনিরের হাতে। এমনিতে মুনির শাহবাজ শরিফের ঘনিষ্ঠ। ইমরান খানকে সরিয়ে শাহবাজ শরিফকে পাক প্রধানমন্ত্রীর মসনদে বসানোর নেপথ্যেও এই মুনিরের হাত রয়েছে বলে শোনা যায়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাতে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীকে ‘সফলভাবে’ নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য মুনিরের পদোন্নতি হয়েছে। ভারতের সঙ্গে সংঘাতে সেনাপ্রধান হিসাবে তাঁর ‘অনুকরণীয় ভূমিকা’ পালনের জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে শরিফ মন্ত্রিসভা। উল্লেখযোগ্যভাবে, পাকিস্তান সাম্প্রতিক সংঘাতে জয়ের দাবি করলেও, ভারত আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মঞ্চে প্রমাণ-সহ ইসলামাবাদের মিথ্যাচার ফাঁস করেছে।

    ইতিহাসের ছায়া, আয়ুব খান ও সামরিক শাসনের শুরু

    ১৯৫৯ সালে যখন তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল আয়ুব খান নিজেকে ফিল্ড মার্শাল ঘোষণা করেন, তখন পাকিস্তান প্রবেশ করেছিল সামরিক শাসনের এক নতুন অধ্যায়ে। মাত্র এক দশকেই দেশটির সাতজন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন, কেউই পূর্ণ মেয়াদ শেষ করতে পারেননি। ১৯৫৮ সালে রাষ্ট্রপতি ইস্কান্দার মির্জা সংসদ ভেঙে মার্শাল ল’ ঘোষণা করেন এবং আয়ুব খানকে চিফ মার্শাল ল’ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে নিযুক্ত করেন। কিন্তু খুব অল্প সময়েই আয়ুব খান তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে নিজেই রাষ্ট্রপতির পদ দখল করেন। আয়ুবের ‘ফিল্ড মার্শাল’ উপাধি গ্রহণ ছিল কৌশলগত—তিনি চেয়েছিলেন সামরিক ও অসামরিক উভয় নেতৃত্বের ঊর্ধ্বে নিজের অবস্থান নিশ্চিত করতে। তাঁর শাসনকাল (১৯৫৮-১৯৬৯) ছিল কঠোর নিয়ন্ত্রণ, গণমাধ্যমের উপর সেন্সরশিপ এবং একটি স্বৈরতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি।

    বর্তমান প্রেক্ষাপট, আসিম মুনির ও আঞ্চলিক উত্তেজনা

    ২০২৫ সালে আসিম মুনিরের (Asim Munir) এই পদোন্নতি এসেছে এক জটিল পরিস্থিতিতে। সম্প্রতি পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গি ঘাঁটিগুলি শেষ করার জন্য ভারত শুরু করে ‘অপারেশন সিঁদুর’। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে ভারত তাদের বিমান ঘাঁটি ও সামরিক পোস্টগুলিতে হামলা চালায়। এই পরিস্থিতিতে ভারত-বিরোধী পাক জেনারেল মুনির, জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সহানুভূতি দেখান। তিনি সম্প্রতি ‘দুই জাতি তত্ত্ব’ উল্লেখ করে ভারতের প্রতি কড়া বার্তা দেন। ফিল্ড মার্শালের পদ, যদিও এখন আর কার্যকরী সেনা পদ নয়, তবে এর প্রতীকী ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনেক। অনেকেই বলছেন, এটি সেনাবাহিনীর আরও কর্তৃত্ব প্রদর্শনের সংকেত। যা পাকিস্তানের গণতন্ত্রকে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে।

    বিচারবিভাগীয় ক্ষমতা

    পহেলগাঁও হামলার পরই অবশ্য বিভিন্নভাবে মুনিরের ক্ষমতা বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গত ৯ মে সেনাপ্রধানের হাত শক্ত করতে একটি তাৎপর্যপূর্ণ রায় দেয় পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট। জানিয়ে দেওয়া হয়, এবার থেকে সেনা আদালতে সাধারণ নাগরিকদের মামলারও শুনানি করা যাবে। যার অর্থ, দেশের বিচারব্যবস্থা এবং সামরিক শক্তি পুরোটাই এখন মুনিরের হাতে।

    রাজনৈতিক ও প্রতীকী তাৎপর্য

    পাকিস্তানের (Pakistan) রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে সেনাবাহিনীর প্রভাবাধীন। পাক সরকার, বিশেষ করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, প্রায়শই সামরিক চাপের মুখে পড়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে মুনিরের পদোন্নতি অনেককেই ভাবিয়ে তুলেছে। পাকিস্তানের বিরোধী দলের এক শীর্ষ নেতার কথায়, “এটা একটি বিপজ্জনক বার্তা। ‘ফিল্ড মার্শাল’ কেবল একটি পদ নয়—এটা অবারিত ক্ষমতার প্রতীক। পাকিস্তান আরেকটি স্বৈরাচারী অধ্যায় সহ্য করতে পারবে না।” পহেলগাঁও হামলার পর শুরু হওয়া সংঘর্ষ দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রায় নিয়ে গিয়েছে। ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ সাম্প্রতিক ইতিহাসে অন্যতম বড় আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মুনিরের পদোন্নতি ও তাঁর কট্টর অবস্থান এই উত্তেজনাকে আরও উস্কে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। জেনারেল আসিম মুনিরের ‘ফিল্ড মার্শাল’ পদোন্নতি পাকিস্তানের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক। আয়ুব খানের মতো, তাঁর পদোন্নতি এমন এক সময় এসেছে যখন দেশ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং কূটনৈতিক সংকটে রয়েছে।

  • ISI Spy: ভারতীয় গোয়েন্দাদের ওপর নজরদারি চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল আইএসআইয়ের চর জ্যোতিকে!

    ISI Spy: ভারতীয় গোয়েন্দাদের ওপর নজরদারি চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল আইএসআইয়ের চর জ্যোতিকে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের সঙ্গে চর (ISI Spy) জ্যোতি মালহোত্রর (Jyoti Malhotra) সম্পর্ক ছিল, তা আগেই জানিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। এবার উঠে এল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। ভারতীয় গোয়েন্দাদের চিহ্নিত করতে ও তাদের ওপর নজরদারি করতে ভারতীয় ইউটিউবার জ্যোতিকে ব্যবহার করেছিল আইএসআই। হরিয়ানার ওই ইউটিউবার রয়েছে পুলিশি হেফাজতে। তাকে জেরা করেই উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। আইএসআইয়ের সঙ্গে জ্যোতির করা সব হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট তাদের হাতে এসেছে। প্রতিটিতে একটি করে কোড ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হয়েছে। আরএসআইয়ের এক এজেন্ট জ্যোতিকে নির্দেশ দেয়, ওয়াঘা সীমান্ত দিয়ে পাকিস্তানে ঢোকার সময় সে যদি কোনও ভারতীয় গুপ্তচরকে বিশেষ কোনও দায়িত্ব নিতে দেখে, তা যেন তাকে জানায়। আপাতত এই চ্যাটের মাধ্যমেই জ্যোতির আসল সত্যিটা খোঁজার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

    জ্যোতি ও আলি হাসান (ISI Spy)

    সূত্রের খবর, জ্যোতি এবং আলি হাসান নামে একজন আইএসআই চরের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। সেখানে সাংকেতিক ভাষায় দু’জনের কথাবার্তা হয়েছে। আলি জ্যোতিকে জিজ্ঞেস করে, আটারি সীমান্তে জ্যোতি কোনও ভারতীয় এজেন্টকে বিশেষ প্রোটোকল পেতে দেখেছে কিনা। গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, গোটা চ্যাটে ‘প্রোটোকল’ এবং ‘আন্ডারকভার এজেন্ট’ এই দুই শব্দের ব্যবহার হয়েছে একাধিকবার। এ থেকেই গোয়েন্দাদের ধারণা, জ্যোতিকে ভারতীয় এজেন্টদের তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহার করাত আইএসআই।

    ষড়যন্ত্র ফাঁস

    জ্যোতির গ্রেফতারের মাধ্যমে আইএসআইয়ের একটি বড় মডিউলের সঙ্গে জড়িত একটি ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়েছে। দেখা গিয়েছে, কীভাবে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভারতে একটি গুপ্তচর (ISI Spy) নেটওয়ার্ক পরিচালনা করা হচ্ছিল। তদন্তে জানা গিয়েছে, জ্যোতি পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্ত পর্যন্ত যোগাযোগ স্থাপন করেছিল। এই অঞ্চলটি জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য বিখ্যাত। এই অঞ্চলে সাধারণ মানুষের প্রবেশ সীমিত।

    তদন্তকারীরা জেনেছেন, আইএসআই একটি পরিকল্পিত মডিউল তৈরি করে এমন ব্যক্তিদের নিয়োগ করেছে, যাদের সামাজিক মাধ্যমে প্রচুর প্রভাব রয়েছে। শুধু গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করাই নয়, পাকিস্তানের ইতিবাচক ভাবমূর্তি প্রচারের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল জ্যোতিদের। প্রসঙ্গত, জ্যোতির (Jyoti Malhotra) ইউটিউবে প্রায় ৪ লাখ সাবস্ক্রাইবার ও ইনস্টাগ্রামে ১ লাখ ৩২ হাজার ফলোয়ার রয়েছে (ISI Spy)।

  • Pahalgam: বিশ্বমঞ্চে ভারতের বক্তব্য তুলে ধরতে প্রয়োজন শক্তিশালী সরকারি প্রচার মাধ্যমের, উঠছে দাবি

    Pahalgam: বিশ্বমঞ্চে ভারতের বক্তব্য তুলে ধরতে প্রয়োজন শক্তিশালী সরকারি প্রচার মাধ্যমের, উঠছে দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এটাই সেই মোক্ষম সময়! এখন ভারত (India) একটি গ্লোবাল সরকারি প্রচার মাধ্যমে বিনিয়োগ করে তার সফট পাওয়ার ঘাটতিকে বিশ্ব প্রভাবের এক মজবুত ভিত্তিতে রূপান্তর করতে পারে। এটা করা হলে ভারতের কণ্ঠস্বর (Pahalgam) প্রতিধ্বনিত হত এশিয়া মহাদেশজুড়ে।

    ২৭ জন হিন্দু পর্যটককে হত্যা (Pahalgam)

    গত ২২ এপ্রিল দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে বেছে বেছে ২৭ জন হিন্দু পর্যটককে হত্যা করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। তার প্রেক্ষিতে গত ৭ মে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংসে অপারেশন সিঁদুর চালায় ভারত। নয়াদিল্লির এই কৌশলগত সামরিক অভিযান সফল হয়। শুধু তাই নয়, এটি চিহ্নিত হয় সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একটি ঐতিহাসিক জয় হিসেবে। যাদের আশ্রয় এবং প্রশ্রয়ে পশ্চিম আকাশে সন্ত্রাসবাদের কালো মেঘ জমা হয়, অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে বার্তা দেওয়া হয়েছে তাদেরও।

    ভারতের এই বিজয়গাথা পৌঁছে দেওয়া যায়নি তামাম বিশ্বে

    ভারতের এই বিজয়গাথা পৌঁছে দেওয়া যায়নি তামাম বিশ্বে। সমরাঙ্গনে ভারতীয় বাহিনী জয়ী হলেও, পাকিস্তানের নিরবচ্ছিন্ন প্রচারযুদ্ধ এবং পশ্চিমি গণমাধ্যমগুলির পক্ষপাতদুষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি সত্যকে বোতলবন্দি করে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরে একটি বিকৃত চিত্র। এই জন্যই ভারতের অবশ্যই প্রয়োজন একটি রাষ্ট্র-সমর্থিত শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সম্প্রচার মাধ্যম গড়ে তোলা। এই মাধ্যমে ভারত তার কণ্ঠস্বর পৌঁছে দেবে বিশ্ববাসীর দরবারে। এটি চালু হলে শত্রুপক্ষকে টক্কর দেওয়া যাবে সমানতালে। অপারেশন সিঁদুরে ভারতীয় সৈন্য যে বিক্রম দেখিয়েছে, তা আদৌও প্রচার করেনি বিবিসির মতো প্রচারমাধ্যমগুলিও। বরং তারা পাকিস্তানের ভিত্তিহীন বক্তব্যকে তুলে ধরেছে অতিরঞ্জিতভাবে।

    মিথ্যা খবর প্রচার!   

    ভারতের সশস্ত্র বাহিনী পাকিস্তানের সামরিক কাঠামো ও জঙ্গিঘাঁটির ওপর পরিচালিত নির্দিষ্ট হামলার চিত্র ও ভিডিও ফুটেজ-সহ সুস্পষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করলেও, অনেক সংবাদমাধ্যম কোনও কিছু বিচার-বিবেচনা না করেই এই সংঘাতকে “অচলাবস্থা” হিসেবে উপস্থাপন করেছে এবং একতরফাভাবে “উভয় পক্ষই দোষী”— এই সরলীকরণ করে ফেলেছে (Pahalgam)। আল জাজিরার কথাই ধরা যাক। এই সংবাদ মাধ্যমটি মিথ্যাভাবে এক ভারতীয় মহিলা পাইলটের গ্রেফতারের খবর প্রকাশ করে (India)। পরে অবশ্য দুই দেশের কর্তারাই ঘটনাটিকে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দেন। এর পাশাপাশি মিডল ইস্ট আই এমন কিছু যাচাই না করা ভিডিও প্রচার করে যাতে দাবি করা হয় ভারত নিজেই উদ্যোগী হয়ে তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা চেয়েছে — যা একেবারেই ভিত্তিহীন। ঘটনা হল, পাকিস্তান নিজেই চুপ করে থেকেছে ভারতের ওই দাবির পর, যেখানে নয়াদিল্লি জানিয়েছিল পাকিস্তানই ব্যাপক ক্ষতির পর যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়েছে।

    ভারতের কৌশলগত সাফল্য তুলে ধরা হয়নি

    পশ্চিমি গণমাধ্যমগুলি পাকিস্তানের “পাঁচটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে” এমন দাবি যাচাই না করেই একতরফাভাবে প্রচার করেছে। সিএনএন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ফরাসি কর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে একটি যুদ্ধবিমানের ক্ষতির কথা বলেছে, আর দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট তো এসব সন্দেহজনক দাবির ভিত্তিতে পাকিস্তানের “নিঃসন্দেহ বিজয়” ঘোষণা করেছে। অতিরঞ্জিত প্রশংসা করেছে চিনা ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির। এইসব প্রতিবেদনে ভারতের কৌশলগত সাফল্য, যেমন নৌবাহিনীর করাচির ওপর চাপ সৃষ্টি করে পাকিস্তানকে যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য করা — এসব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা উপেক্ষিত থেকে গিয়েছে (Pahalgam)।

    প্রতিবেদনে পক্ষপাতিত্ব

    এই পক্ষপাতিত্ব আরও প্রকট হয়ে ওঠে যখন অনেক সংবাদমাধ্যম ভারত ও পাকিস্তানকে সমান দায়ী হিসেবে তুলে ধরেছে বিশ্বমঞ্চে। তারা ভারতকে একই বন্ধনীভুক্ত করেছে, যার মধ্যে রয়েছে পাকিস্তানও, যারা জঙ্গিগোষ্ঠীগুলির আশ্রয়দাতা হিসেবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সমালোচনার মুখে পড়েছে একাধিকবার (India)। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সন্ত্রাসে জড়িত থাকার কথা কবুল কিংবা পাকিস্তানের দুর্বল অর্থনৈতিক অবস্থা — যা একটি অনেক বেশি শক্তিশালী দেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী সংঘর্ষে তাকে আরও বেশি দুর্বল করে তোলে — এসব বিষয় খুব কম প্রতিবেদনেই উল্লেখ করা হয়েছে।

    চিনের মিথ্যা প্রচার

    এদিকে, চিনের রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমগুলি জে-১০সি যুদ্ধবিমানের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছে, দাবি করেছে এটি ভারতের রাফালের চেয়ে উন্নত— এমন একটি বিভ্রান্তিকর প্রচার, যেটি দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস ও রয়টার্সের মতো আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলিতেও প্রতিধ্বনিত হয়েছে। সংবাদমাধ্যমগুলির এই ভ্রান্ত প্রচার শুধুমাত্র জনমতকেই প্রভাবিত করেনি, শেয়ার বাজারেও প্রভাব ফেলেছে। চিনের জে-১০ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বেড়েছে ৩৬ শতাংশ, আর রাফালের শেয়ার কমেছে ৫ শতাংশ (Pahalgam)। যদিও, পরবর্তীকালে, সত্য প্রকাশ পেতেই চিনা সংস্থার শেয়ার জোর ধাক্কা খায়। সেখানে রাফালের শেয়ার দর আবার দ্রুত উঠতে শুরু করে।

    ভারতের রাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক সম্প্রচারমাধ্যমের লক্ষ্য

    একতরফা সাংবাদিকতা না হলে পাকিস্তানের অবাস্তব দাবিগুলিকে — যেমন ভারতের প্রমাণিত আঘাতের বিরুদ্ধে তাদের প্রমাণবিহীন “জয়ে”র দাবি বিচার করে প্রকাশ করত। তামাম বিশ্বকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিত, কোনটা সত্য, মিথ্যাই বা কোনটা (India)।ভারতের রাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক সম্প্রচারমাধ্যমের লক্ষ্য হওয়া উচিত একটি বিশ্বাসযোগ্য, কর্তৃত্বপূর্ণ এবং সংস্কৃতিমূলকভাবে প্রাসঙ্গিক কণ্ঠস্বর হিসেবে বিশ্বমঞ্চে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা। এর মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত পহেলগাঁও হামলার মতো সঙ্কটকালে ভ্রান্ত তথ্যের মোকাবিলা করা, কৌশলগত স্বার্থকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, এবং ভারতের সভ্যতাগত ভাবধারাকে বিশ্বে তুলে ধরা। এটি প্রসার ভারতীর সম্প্রসারিত কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হতে পারে (India)। তবে এটি একটি আইনত স্বায়ত্তশাসিত সত্তা হিসেবে কাজ করবে যাতে সরাসরি রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ সীমিত থাকে (Pahalgam)।

LinkedIn
Share