Tag: pakistan

pakistan

  • Pakistan: অর্থসংকট কাটাতে আইএমএফের শর্ত মেনেই বাজেট পেশে রাজি পাকিস্তান?

    Pakistan: অর্থসংকট কাটাতে আইএমএফের শর্ত মেনেই বাজেট পেশে রাজি পাকিস্তান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চূড়ান্ত অর্থসংকটে ভারতের (India) প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান (Pakistan)। প্রয়োজন আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের (IMF) সাহায্যের। সেই সাহায্য পেতে গেলে পাকিস্তানকে বাজেট পেশ করতে হবে আইএমএফ-এর শর্ত মেনেই। তা না হলে মিলবে না অর্থ সাহায্য।

    পাহাড় প্রমাণ অর্থসংকট। পাকিস্তান জুড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের হাহাকার। মূল্যবৃদ্ধি পৌঁছেছে চূড়ান্ত পর্যায়ে। দেশবাসীর একটা বিরাট অংশ দুবেলা খেতে পান না পেট ভরে। দেশের এই সংকট মোকাবিলায় একের পর এক কঠোর পদক্ষেপ করছে সে দেশের সরকার। তার পরেও মেটেনি সমস্যা।

    আরও পড়ুন :ঋণ মেটাতে অধিকৃত কাশ্মীরের একাংশ চিনকে সমর্পণ করতে পারে পাকিস্তান?

    শ্রীলঙ্কার পরিস্থিতি দেখে শঙ্কিত অর্থসংকটে বিপর্যস্ত পাকিস্তান। দ্বীপরাষ্ট্রের মতো পরিস্থিতি যাতে সৃষ্টি না হয়, সেজন্য চেষ্টার কসুর করছে না শেহবাজ শরিফের (Shehbaz Sharif) সরকার। উন্নয়নের ধারা বজায় রেখে দেশের তলানিতে ঠেকে যাওয়া অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে দেশটির প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ ঋণের। পাকিস্তানকে এই মোটা অঙ্কের ঋণ দিতে পারে কেবল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।

    এই ঋণ নিশ্চিত করতে ন্যূনতম গ্যারান্টির অর্থ জমা রাখতে হবে পাকিস্তানকে। উন্নতি ঘটাতে হবে সে দেশের আর্থিক অবস্থার। এটা করতে গিয়েই একের পর জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান সরকার। এর মধ্যে রয়েছে অল্প কয়েক দিনের ব্যবধানে জ্বালানিতে ভর্তুকি ছাঁটাই। আরও কিছু কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে বলে দিন কয়েক আগেই পাক সংসদে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং।

    আরও পড়ুন : ‘মৃত’ জঙ্গিকে ‘গ্রেফতার’, ধূসর তালিকা থেকে বেরোতে মরিয়া পাকিস্তান?

    সম্ভাব্য ঋণখেলাপি (loan default) এড়াতে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের কাছ থেকে পাকিস্তানের প্রয়োজন ৯০ কোটি মার্কিন ডলার। এই ঋণ পেতেই গ্রহণ করতে হবে কড়া পদক্ষেপ। পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মিফতা ইসমাইল জানান, আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের কাছ থেকে পাকিস্তান একটি “মেমরান্ডাম অফ ইকনমিক অ্যান্ড ফিসক্যাল পলিসি” পেয়েছে। সম্প্রতি সংসদে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, মাসে পঞ্চাশ হাজার টাকার ওপরে বেতন পান যাঁরা, তাঁদের প্রদত্ত ট্যাক্স ছাড়াও আয়ের ওপর আরও অতিরিক্ত ১০ শতাংশ “সুপার ট্যাক্স” বা সারচার্জ দিতে হবে। এছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

    বছর কয়েক আগে প্রায় একই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল গ্রিস। তীব্র অর্থসংকট কাটাতে সেবারও গুচ্ছ জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সে দেশের সরকার। এবারও প্রায় একই পথে হাঁটতে চলেছে পাকিস্তান সরকার। এখন দেখার, দেশকে দেউলিয়া হওয়ার পথ থেকে বাঁচাতে কী কী পদক্ষেপ করে শেহবাজ শরিফের সরকার।

  • Abdul Rehman Makki: শীর্ষ লস্কর নেতা মাক্কিকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণায় বাধা চিনের

    Abdul Rehman Makki: শীর্ষ লস্কর নেতা মাক্কিকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণায় বাধা চিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানি (Pakistan) জঙ্গিকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি (Terrorist) ঘোষণায় বাধা হয়ে দাঁড়াল চিন (China)। প্রত্যাশিতভাবেই প্রতিবেশী এই দুই দেশের দূরত্ব এক লপ্তে বেড়ে গেল বেশ খানিকটা। এর আগেও একাধিকবার ভারতের (India) প্রস্তাবে বাধা দিয়েছে ড্রাগনের দেশ। তবে এবার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল ভারত ও আমেরিকার (US) তরফে। তাতেও বাধার প্রাচীর তুলে দিল চিন।

    লস্কর-ই-তৈবার প্রধান, ২৬/১১ মুম্বই হামলার চাঁই হাফিজ সইদের আত্মীয় আবদুল রহমান মাক্কি (Abdul Rehman Makki)।  এই মাক্কিকে আগেই জঙ্গি ঘোষণা করেছে আমেরিকা। সম্প্রতি ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে রাষ্ট্রসংঘে মাক্কিকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণার প্রস্তাব জমা দেয় জো বাইডেনের দেশ। প্রস্তাব দেওয়া হয় রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের আইসিস ও আলকায়দা নিষেধাজ্ঞা কমিটিকে। একেবারে শেষ মুহূর্তে গিয়ে ভেটো প্রয়োগ করে শি জিন পিংয়ের দেশ।  

    আরও পড়ুন : বুমেরাং হচ্ছে চিনা ঋণের ফাঁদ?

    এর আগেও একাধিকবার পাকিস্তানি জঙ্গিদের আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণায় ভারতের প্রস্তাবে বাধা দিয়েছে চিন। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাষ্ট্রসংঘে কূটনৈতিকভাবে জয়ী হয় ভারত। দিল্লির আবেদন মেনে পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের মাসুদ আজাহারকে জঙ্গি ঘোষণা করে রাষ্ট্রপুঞ্জ। প্রযুক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রসংঘে পনেরটি দেশের মধ্যে স্থায়ী সদস্য হিসেবে একমাত্র চিনই তাতে ভেটো দেয়। ২০০৯ সালে ভারত প্রথম ওই প্রস্তাব জমা দেয়। ২০১৬ সালে আমেরিকা, ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের সঙ্গে মিলে ফের প্রস্তাব দেয় ভারত। মাসুদকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণা করে তাকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়। ২০১৭ সালে ফের প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়। এই দফায়ও ভেটো প্রয়োগ করে চিন। এরপর আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স একটি খসড়া জমা দিয়ে গ্রেফতারের দাবি জানায় মাসুদকে। এই সময় কেবল আমেরিকাই মাক্কিকে বিশেষ জঙ্গি বলে উল্লেখ করে।

    আরও পড়ুন : জঙ্গি দমনে কঠোর এনআইএ, উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি

    ২০২০ সালে পাকিস্তানের সন্ত্রাস দমন আদালত মাক্কিকে দোষী সাব্যস্ত করে। সন্ত্রাসবাদমূলক কাজকর্ম, সন্ত্রাসে আর্থিক মদত জোগানোর দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয় তাকে। সম্প্রতি গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে গোটা বিশ্বে যখন সমালোচিত হচ্ছিল ভারত, তখন নয়াদিল্লির সিদ্ধান্ত সমর্থন করেছিল চিন। মাক্কিকে জঙ্গি ঘোষণার প্রশ্নে ফের যোজন দূরত্ব তৈরি হল প্রতিবেশী এই দুই দেশের মধ্যে।  

     

  • Indo-Pak Relation: ভারতকে বন্ধু হিসেবে চায় পাকিস্তান! বেনজির-পুত্রের মন্তব্যে বরফ গলার ইঙ্গিত?

    Indo-Pak Relation: ভারতকে বন্ধু হিসেবে চায় পাকিস্তান! বেনজির-পুত্রের মন্তব্যে বরফ গলার ইঙ্গিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়তে আগ্রহী পাকিস্তান (Pakistan)। সম্প্রতি একথা জানিয়েছেন সেদেশের বিদেশমন্ত্রী (Foreign Minister) বিলাওয়াল ভুট্টো-জারদারি (Bilawal Bhutto Zardari)। ইসলামাবাদের (Islamabad) একটি অনুষ্ঠানে বিলাওয়াল জানান, কাশ্মীর বিতর্ককে শেষ করে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি  করতে ইচ্ছুক তিনি। প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকাই শ্রেয় বলে মনে করেন বিলাওয়াল।

    ইসলামাবাদের ইনস্টিটিউট অফ স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (Institute of Strategic Studies) প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিলওয়াল বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সমস্যা রয়েছে। ভারত-পাকিস্তান সংঘাত দীর্ঘদিনের। কিন্তু, কাশ্মীর বিবাদে জড়িয়ে কিংবা ভারতের হিন্দুত্ববাদের সমালোচনা করে পাকিস্তানের কোনও লাভ হচ্ছে না। বরং কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কে ফাটল ধরায় সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।” বিশ্বের বিভিন্ন স্তরেও ভারতের সমালোচনা করে সমস্যায় পড়েছে পাকিস্তান। দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্যে সম্পর্ক ভালো থাকলে কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে পাকিস্তান লাভবান হবে বলে মনে করছেন পাক বিদেশমন্ত্রী

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানের কনিষ্ঠতম বিদেশমন্ত্রী হলেন বেনজির-পুত্র বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা সংক্রান্ত সংবিধানের ৩৭০ নম্বর ধারা (Article 370) প্রত্যাহার করে নেয় ভারত সরকার। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দিল্লির সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করে ইসলামাবাদ। যতদিন কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা ভারত সরকার ফিরিয়ে না দিচ্ছে, ততদিন দুই দেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran Khan)। কিন্তু ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ে পাকিস্তান।

    বিলাওয়ালের মতে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে রাখা অর্থহীন। বিবাদকে দূরে সরিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের পক্ষে মত  শাহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif) সরকারের বিদেশমন্ত্রীর। কাশ্মীর নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসতে তিনি যে প্রস্তুত, তা-ও জানিয়েছেন। পাক বিদেশমন্ত্রীর মন্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছে ভারতও। বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সবসময়ই সুসম্পর্ক স্থাপনে উদ্যোগী ভারত। কিন্তু তার জন্য দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করতে নারাজ দিল্লি।

  • Pakistan FATF Grey List: এখনই ধূসর তালিকামুক্ত হচ্ছে না পাকিস্তান, জানাল এফএটিএফ 

    Pakistan FATF Grey List: এখনই ধূসর তালিকামুক্ত হচ্ছে না পাকিস্তান, জানাল এফএটিএফ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগানোর (Terror Funding) অভিযোগ উঠেছে বারংবার। তার পরেও পাকিস্তানের (Pakistan) মাথা থেকে সরেনি ‘সন্ত্রাসবাদের আঁতুড় ঘরে’র তকমা। নিজেকে শুধরে নেওয়ার জন্য পাকিস্তানের ওপর একাধিক শর্ত আরোপ করেছিল ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স বা এফএটিএফ (FATF)। পাকিস্তানকে তারা রেখে দিয়েছিল ধূসর তালিকায়। এই তালিকা থেকে এখনই সরানো হচ্ছে না পাকিস্তানের নাম। শর্ত পূরণ হয়েছে কিনা, তা দেখেই ব্যবস্থা নেবে এফএটিএফ।

    আরও পড়ুন : ভারতকে বন্ধু হিসেবে চায় পাকিস্তান! বেনজির-পুত্রর মন্তব্যে বরফ গলার ইঙ্গিত?

    এফএটিএফের প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ২০৬ জন। এর মধ্যে রয়েছেন আইএমএফ, রাষ্ট্রসংঘ, বিশ্বব্যাংক সহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা। এফএএফটির প্রেসিডেন্ট মার্কাস প্লেয়ারের নেতৃত্বে সম্প্রতি বসেছিল পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন। এই অধিবেশনেই অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে আলোচনা হয় পাকিস্তান নিয়েও। ঠিক হয়, পাকিস্তান যথাযথভাবে সব শর্ত মেনেছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে সে দেশে যাবে এফএটিএফের প্রতিনিধি দল। শর্তপূরণ করলে তবেই অক্টোবরের দিকে ধূসর তালিকা থেকে সরানো হতে পারে শেহবাজ শরিফের (Shehbaz Sharif) দেশের নাম। মার্কাস বলেন, পাকিস্তানকে এখনই ধূসর তালিকা থেকে সরানো হচ্ছে না। শর্ত পূরণে যথাযথ পদক্ষেপ করা হয়েছে কিনা, তা দেখেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন : “তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান!” কেন এমন কথা বললেন ইমরান?

    জন্মলগ্ন থেকেই নানা কারণে সন্ত্রাসবাদে মদতদাতা বিভিন্ন দেশের তালিকায় ঢুকে গিয়েছে পাকিস্তানের নাম। বিশ্বের একাধিক কুখ্যাত জঙ্গির নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়েছে শেহবাজের দেশ। ভিন দেশেও যে সব জঙ্গির ঠাঁই হয়েছে, পাকিস্তান তাদেরও নিয়মিত অর্থ জুগিয়ে চলেছে বলে অভিযোগ। ইসলামবাদ জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে বলে বিশ্ব দরবারে একাধিকবার সরব হয়েছে ভারত (India)। তার পরেও ইসলামাবাদ সন্ত্রাসবাদে অর্থ সাহায্য বন্ধ করেনি বলে অভিযোগ।

    এফএটিএফ কোনও দেশকে কালো তালিকাভুক্ত করার আগে দুটি পর্যায়ের মধ্যে দিয়ে যায়। একটি হল ‘ধূসর তালিকা’, অন্যটি ‘আরও বেশি ধূসর’। এই দুই তালিকাভুক্ত করে কোনও দেশকে দুবার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। তার পরেও কাজ না হলে ওই দেশকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়। অনেক আগেই এফএটিএফের তরফে ইসলামবাদকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছিল, শর্ত ঠিক মতো পালন না করলে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। গত চার বছর ধরে এফটিএফের ধূসর তালিকায় রয়েছে পাকিস্তান। শেষমেশ ঘটতে চলেছে ‘শাপমুক্তি’! তবে এখনই নয়।

     

  • Al Qaeda: এবার বাংলাদেশকেও হুমকি চিঠি আল কায়দার!

    Al Qaeda: এবার বাংলাদেশকেও হুমকি চিঠি আল কায়দার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (india) পর এবার বাংলাদেশ (bangladesh)। নিষিদ্ধ জঙ্গিগোষ্ঠী আল কায়দার (Al Qaeda) শাখা সংগঠন ‘আল কায়দা ইন ইন্ডিয়ান সাব-কন্টিনেন্ট’ বা আকিস (AQIS) হুমকি শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) দেশকে। বুধবারই নূপুর শর্মাকাণ্ডে (Nupur Sharma) ভারতকে হুমকি চিঠি দিয়েছিল এই জঙ্গি সংগঠন। এবার একই চিঠি দেওয়া হল ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্রকেও।

    ৬ জুন ভারতকে পাঠানো হুমকি চিঠিতে আল কায়দা জানিয়েছে, নবীর (Prophet) সম্মানের জন্য এই লড়াই। দিল্লি, মুম্বই, উত্তরপ্রদেশ এবং গুজরাটের বিভিন্ন শহরে আত্মঘাতী হামলা চালানো হবে। চিঠিতে লেখা হয়েছে, হিন্দুত্ববাদীরা (Hindutva) আল্লার শরিয়ত (Shariat) বিরোধী। ভারতীয় চ্যানেলে মহম্মদ ও তাঁর স্ত্রীকে অত্যন্ত খারাপ ভাষায় অপমান করা হয়েছে।

    বিশ্বজুড়ে সমস্ত মুসলিমের হৃদয় রক্তাক্ত হয়েছে। তাঁদের মন প্রতিহিংসায় পরিপূর্ণ। এর বদলা অবশ্যই নেওয়া হবে। চিঠিতে এও বলা হয়েছে, বিশ্বের সব উদ্ধত হিন্দুবাদী সন্ত্রাসী যারা ভারতকে কব্জা করে রেখেছে, তাদের বিরুদ্ধে লড়ব। নবীর সম্মানের জন্য সকলকে এই লড়াইয়ে যোগ দিতে বলব। নবীর সম্মানে মৃত্যুবরণ করতে বলব। যাঁরা আমাদের প্রিয় নবীকে অসম্মান করেছে, তাদের হত্যা করব। নিজেদের এবং শিশুদের শরীরে বিস্ফোরক বেঁধে পাঠাব। যারা আমাদের নবীকে অবমাননা করেছে তাদের নিস্তার নেই।

    আরও পড়ুন :পয়গম্বরকে অবমাননার ‘বদলা’! ভারতে নাশকতার হুমকি-চিঠি আল-কায়দার

    ভারতকে এই হুমকি চিঠি পাঠানোর পরপরই চিঠি পাঠানো হল বাংলাদেশকে। বাংলাদেশে ৭ নির্দোষ ব্যক্তিকে কেন মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জঙ্গি সংগঠন। বাংলাদেশ সরকার হিন্দুত্বের এজেন্টের মতো আচরণ করছে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে আল কায়দার তরফে। ইসলামের নিন্দাকারীদের শাস্তি দেওয়ায় কেন বাংলাদেশ সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পাল্টা শাস্তি দিল, সে প্রশ্নও তুলেছে আল কায়দা। বাংলাদেশ হিন্দুত্বের এজেন্ট বলেও মন্তব্য করেছে কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠনটি।

    আরও পড়ুন : কর্নাটক হিজাব বিতর্কে মুণ্ডুচ্ছেদের হুমকি, গুরুত্ব দিতে নারাজ বিজেপি নেতা

    ঈশ্বর নিন্দা (Blasphemy) করায় ২০১৪ ও তার পরের বছর হত্যা করা হয় লিজিয়ন ও বিজয়কে। বাংলাদেশ সরকার হত্যাকারীদের ফাঁসি দেয়। সেই কারণেই আকিস হুমকি চিঠি দিয়েছে হাসিনার সরকারকে।

  • Pakistan defence:  প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান!

    Pakistan defence:  প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা (defence) খাতে বরাদ্দ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান (pakistan) সরকার। আগামী অর্থবর্ষে সেনাবাহিনীর জন্য ১.৪৫৩ ট্রিলিয়ন রুপি বরাদ্দ রাখতে যাচ্ছে শেহবাজ সরকার। গত অর্থবর্ষে এই বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ১.৩৭ ট্রিলিয়ন রুপি। পাক সংবাদ মাধ্যম সূত্রেই এ খবর মিলেছে।

    রবিবার পাকিস্তানের একটি সংবাদ প্রতিবেদনে প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ যে বাড়তে চলেছে, তা জানানো হয়েছে। মাস কয়েক আগেই ইমরান খানের সরকারকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসে শেহবাজ শরিফ (Shahbaz shariff )। ইমরানের অভিযোগ, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। যদিও এই ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে পাক সরকার।

    আরও পড়ুন : “তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান!” কেন এমন কথা বললেন ইমরান?

    সূত্রের খবর, শেহবাজ ক্ষমতায় এসেই নজর দেন প্রতিরক্ষা খাতের দিকে। তার পরেই সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বরাদ্দ বাড়াবে শেহবাজের সরকার। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী অর্থবর্ষে সেনাবাহিনীর জন্য ১.৪৫৩ ট্রিলিয়ন রুপি বরাদ্দ রাখা হবে। গত অর্থবর্ষে ছিল ১.৩৭ ট্রিলিয়ন রূপি। অর্থাৎ নয়া অর্থবর্ষে ব্যয় বরাদ্দ বাড়ছে প্রায় ৮৩০০ কোটি রুপি। গত অর্থবর্ষের তুলনায় যা শতকরা ৬ ভাগ বেশি। সেনাবাহিনীর দাবি, মুদ্রাস্ফীতির তুলনায় বরাদ্দের যে পরিমাণ প্রয়োজন, এই অর্থ তার চেয়ে প্রায় ৫৩০০ কোটি রুপি কম। প্রতিবেদনে দাবি, বর্ধিত পরিমাণ বরাদ্দের বেশিরভাগটাই খরচ হবে সেনা কর্মীদের বেতন ও ভাতা দিতে। বরাদ্দের বাকি টাকা খরচ হবে সামরিক পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদ কেনায়। কর্মীদের রেশন, ট্রান্সপোর্ট, ট্রেনিং এবং চিকিৎসাখাতেও ব্যয় করা হবে ওই বরাদ্দ।  

    আরও পড়ুন : অশান্ত পাকিস্তান! ৬ দিনের মধ্যে নির্বাচন ঘোষণা করতে শাহবাজ সরকারকে হুঁশিয়ারি ইমরানের

    চলতি বছরের এপ্রিলেই অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন প্রধান মন্ত্রী ইমরান খানকে। আইএসআই গুপ্তচর সংস্থার প্রধানের নিয়োগে সিলমোহর দিতে অস্বীকার করায় সেনাবাহিনীর রোষানলে পড়েন তিনি। তার জেরেই গদি হারাতে হয় এই ক্রিকেটার-রাজনীতিবিদকে।

    সূত্রের খবর, ফি বছর পাকিস্তানের একজন সৈনিকের জন্য খরচ হয় ২.৬৫ বিলিয়ন রুপি। ভারত যা ব্যয় করে তার এক তৃতীয়াংশও নয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১১.৩ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতির জেরে এই বরাদ্দ প্রত্যাশিতই ছিল।

     

     

  • US Vlogger Rape: বিশ্বাস ভেঙেছে কাছের লোক, পাকিস্তানে গণধর্ষণের শিকার মাকিন ভ্লগার 

    US Vlogger Rape: বিশ্বাস ভেঙেছে কাছের লোক, পাকিস্তানে গণধর্ষণের শিকার মাকিন ভ্লগার 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মুখ পুড়ল পাকিস্তানের। পাকিস্তানে গণধর্ষণের (Gang Rape) শিকার ২১ বছরের মার্কিন ভ্লগার (American Vlogger) । গত ১৭ জুলাই রাতে পাকিস্তানের (Pakistan) ডেরা গাজি খান শহরের ফোর্ট মনরো (Fort Monroe) হিল স্টেশনে একটি হোটেলের ঘরে ধর্ষণ করা হয় ওই মহিলা ভ্লগারকে। ধর্ষিতা জানান, যাকে বিশ্বাস করেছিলেন, সেই বন্ধুই বিশাসঘাতকতা করেছে। তিনি বলেন, “আমি জানি না আমার মনে ক্ষত কোনওদিন ভরবে কী না। আমি চাই দোষীরা সর্বোচ্চ সাজা পাক।”  

    আরও পড়ুন: ৩১ জুলাই ভারত-পাক মহিলা টি-২০ ম্যাচ, তুঙ্গে টিকিটের চাহিদা

    এফআইআরে বলা হয়েছে, ১৭ জুলাই রাতে একটি হোটেলের ঘরে ওই মহিলাকে ধর্ষণ করেছিলেন মুজমাল সিপ্রা এবং শেহজাদ নামের দুই ব্যক্তি। মার্কিন যুবতী আরও অভিযোগ করেন, ধর্ষকদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া না চালানোর জন্য হুমকি পেয়েছিলেন তিনি। ধর্ষণের ভিডিও- ও প্রকাশ্যে আনার হুমকি দেওয়া হয় মহিলাকে।

    আরও পড়ুন: পাটনায় ধৃত পাক স্লিপার সেলের সদস্য! হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে জঙ্গি কার্যকলাপ

    ডেরা গাজি খানের ডেপুটি কমিশনার আনোয়ার বারিয়ার জানিয়েছেন, ওই ভ্লগার পাকিস্তানে ট্যুরিস্ট ভিসায় এসেছিলেন এবং গত সাত মাস ধরে পাকিস্তানেই থাকছেন। ভ্লগারের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়া পরিচয় হয় মুজমাল সিপ্রার। তারই আমন্ত্রণে রবিবার করাচি থেকে ফোর্ট মনরোতে এসেছিলেন তিনি। সিপ্রার বাড়ি পাকিস্তানের পাঞ্জাবের রাজনপুর জেলায়। লাহোর থেকে প্রায় ৫৫০ কিলোমিটার দূরে। এই ঘটনায় মুজমাল সিপ্রা এবং শেহজাদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সিপ্রা, শেহজাদ এবং আজান খোসা নামের আরও এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পাকিস্তান দণ্ডবিধির ৩৭৬ এবং ২৯২বি ধারায় মামলা নথিভুক্ত করেছে পুলিশ।  

    ঘটনার দিন মুজামিল ও আজানের সঙ্গে মিলে একটি ভ্লগের শুটিং করেন ওই মার্কিন তরুণী। এরপর তিনজন একটি হোটেলে গিয়ে ওঠেন। অভিযোগ, সেখানেই মুজামিল ও আজান মিলে তাঁকে ধর্ষণ করে। তারা একটি ভিডিও-ও রেকর্ড করে। হুমকি দেয়, কাউকে কিছু বললে ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেবে। কিন্তু সেই ভয়ে দমে যাননি সেই তরুণী। পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্ত শুরু করে পাকিস্তানের বর্ডার মিলিটারি পুলিশ। মুজামিলকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইতিমধ্যেই ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষা করিয়েছে পুলিশ।   

  • Imran Khan: ফের ভারত-স্তুতি ইমরানের! জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে শাহবাজ সরকারকে তোপ ‘কাপ্তান’-এর

    Imran Khan: ফের ভারত-স্তুতি ইমরানের! জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে শাহবাজ সরকারকে তোপ ‘কাপ্তান’-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (Pakistan) এক ধাক্কায় প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ৩০ টাকা বেড়ে যাওয়ায় দেশের বর্তমান প্রশাসককে একহাত নিলেন ইমরান খান (Imran Khan)। বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে পাকিস্তানে পেট্রোলের নয়া দাম কার্যকর হয়েছে। এ নিয়ে শেহবাজ শরিফের সরকারের সমালোচনা করেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। এপ্রসঙ্গে ফের একবার ভারতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন ‘কাপ্তান’। কেন্দ্রের পেট্রল-ডিজেলের দাম কমানোর উদ্যোগের তারিফ করেন তিনি। 

    ইমরানের দাবি, আমেরিকার চাপের মুখে ভারত সরকার নতিস্বীকার না করে সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছে। এ পদক্ষেপ সে দেশের স্বার্থে প্রয়োজনীয়। তাঁর কথায় কোয়াডের অন্তর্ভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও রাশিয়ার কাছ থেকে কম দামে তেল কিনছে ভারত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে মাথা নোয়ানি তারা। এতে ভারতের সাধারণ মানুষের অনেক সুবিধা হবে। তিনি আরও বলেন, “আমার সরকারও একই ধরনের কাজ করছিল। সাধারণ মানুষকে সাহায্য করবে এমন বিদেশ নীতি অত্যন্ত জরুরি।” 

    [tw]


    [/tw]

    বর্তমানে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। এই পরিস্থিতিতে শাহবাজ শরিফের সরকারকে কটাক্ষ করে ইমরানের সংযোজন, “আমার সরকার পাকিস্তানের জনসাধারণের স্বার্থকে গুরুত্ব দিত। আর বর্তমান সরকার বিদেশি শক্তির সামনে মাথা নত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”

    এই মুহূর্তে পাকিস্তানে লিটার প্রতি পেট্রল বিকোচ্ছে ১৭৯.৮৬ টাকায়। ওই দেশে কেরোসিনের দাম (প্রতি লিটারে) ১৫৫.৫৬ টাকা। লাইট স্পিড ডিজেলের দাম (প্রতি লিটারে) ১৪৮.৩১ টাকা।

    [tw]


    [/tw]

    পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মিফতাহ ইসমাইল বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছেন যে সেদেশের সরকার পেট্রোলিয়াম পণ্যের দাম প্রতি লিটার ৩০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাম্প্রতিক টালমাটাল পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার (IMF)-এর সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছতে ব্যর্থ হয় পাকিস্তান। এর পরেই এই বিশাল মূল্যবৃদ্ধি ফের পাক অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    পাকিস্তানের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার প্রচেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়েছে। গত সপ্তাহে কাতারের রাজধানীতে শুরু হওয়া পাকিস্তান ও আইএমএফ আলোচনার প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ভর্তুকি। বর্তমান সরকার ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্যাকেজের মধ্যে বাকি ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পেতে আগ্রহী বলে খবর। যদিও মুদ্রাস্ফীতি সংশোধিত না হওয়ায় চুক্তিতে এগোয়নি আইএমএফ।

    এমনকী আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন ডলারের নিরিখে পাকিস্তানের টাকার দাম বৃহস্পতিবার কমেছে অনেকটাই। প্রায় ঐতিহাসিক রেকর্ডও বলা চলে।  

  • India on Pakistan: হজরত মহম্মদ মন্তব্য বিতর্কে পাকিস্তানকে পাল্টা তোপ ভারতের

    India on Pakistan: হজরত মহম্মদ মন্তব্য বিতর্কে পাকিস্তানকে পাল্টা তোপ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হজরত মহম্মদ (Prophet) বিতর্কে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমেছিল পাকিস্তান (Pakistan)। তার সেই চেষ্টায় জল ঢেলে দিল নয়াদিল্লি (New Delhi)। দাগল পাল্টা তোপও। সাফ জানাল, যে দেশ নিজেদের সংখ্যালঘু মানুষকে রক্ষা করতে পারে না, সেই দেশের  কোনও যোগ্যতা নেই ভারতের (india) বিষয়ে কথা বলা।

    ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি (Arindam Bagchi) বলেন, পাকিস্তান থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হচ্ছে এবং মন্তব্য আসছে, তা আমরা দেখেছি। অন্য দেশ কীভাবে সংখ্যালঘুদের সঙ্গে আচরণ করছে, তা নিয়ে লাগাতার সংখ্যালঘুদের অধিকার লঙ্ঘনকারী কোনও দেশের মন্তব্য যে কতটা অযৌক্তিক, সেটা কারও কাছে অস্পষ্ট নয়। হিন্দু, শিখ, খ্রিস্টান এবং আহমদীয় সহ সংখ্যালঘুদের ওপর যে ধারাবাহিক হত্যালীলা চালাচ্ছে পাকিস্তান, তা দেখে আসছে গোটা বিশ্ব।

    আরও পড়ুন : বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সাসপেন্ড নূপুর শর্মা, নবীন জিন্দালকে বহিষ্কার বিজেপি-র

    হজরত মহম্মদকে নিয়ে দিনকয়েক আগে বিতর্কিক মন্তব্য করেছিলেন বিজেপির (BJP) প্রাক্তন মুখপাত্র নূপুর শর্মা (Nupur Sharma)। তড়িঘড়ি দল তাঁকে সাসপেন্ডও করা হয়। যদিও নূপুরের দাবি, তাঁর বক্তব্য বিকৃত করা হয়েছে। তবে নূপুরের মন্তব্যে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে থাকে ইসলামিক দেশগুলি (Islamic countries)। সৌদি আরব, কাতার, ইরান এবং কুয়েতও নিন্দা করে নূপুরের মন্তব্যের। ভারতীয় দূতকে তলব করে কাতার। বিতর্কিত মন্তব্যের ঘটনায় নাম জড়ায় বিজেপি মুখপাত্র নবীন কুমার জিন্দলেরও (Naveen Jindal)। তাঁকে বহিষ্কার করে দল।

    আরও পড়ুন : “তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান!” কেন এমন কথা বললেন ইমরান?

    এই আবহে পাকিস্তানের নয়া প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif) ট্যুইটারে লেখেন, আমাদের প্রিয় পয়গম্বরের বিরুদ্ধে ভারতের বিজেপি নেতা যে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন, তার তীব্র নিন্দা করছি। আগেও একাধিকবার বলেছি যে মোদির আমলে ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা পদদলিত হচ্ছে এবং মুসলিমদের হত্যা করা হচ্ছে। এই বিষয়ে বিশ্বের নজর দেওয়া উচিত এবং ভারতকে শাস্তি দেওয়া উচিত।

    পাক প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যেরই কড়া জবার দিয়েছে সাউথ ব্লক। বলা হয়েছে, সমস্ত ধর্মের প্রতি ভারত সরকারে সর্বোচ্চ সম্মান রয়েছে। সেটা পাকিস্তানের মতো নয়। যেখানে ধর্মান্ধদের প্রশংসা করা হয় এবং তাঁদের সম্মানে স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করা হয়।

    ঘটনার পরে পরেই অবশ্য ভারত সরকার সাফ জানিয়ে দেয়, হজরত মহম্মদ সম্পর্কে যে বিতর্কিত মন্তব্য করা হয়েছে, তা নয়াদিল্লির অবস্থান নয়। পাক প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বিদেশমন্ত্রকের তরফে সাফ বলা হয়েছে, আমরা পাকিস্তানকে বিপজ্জনক প্রচার ও ভারতে বৈষম্য বাড়ানোর চেষ্টা করার বদলে সে দেশে বসবাসকারী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও জনকল্যাণের দিকে মনোনিবেশ করার আহ্বান জানাই।

  • Pakistan: “চা খাওয়া কমান”, ঋণ-জর্জরিত পাকিস্তানকে বাঁচাতে আজব দাওয়াই মন্ত্রীর

    Pakistan: “চা খাওয়া কমান”, ঋণ-জর্জরিত পাকিস্তানকে বাঁচাতে আজব দাওয়াই মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের অর্থনীতি চাঙা করতে অদ্ভুত দাওয়াই পাকিস্তানের (Pakistan) মন্ত্রীর! দেশবাসীকে কম করে চা (Tea) পান করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। পাকিস্তানের মন্ত্রী এহেসান ইকবালের (Ahsan Iqbal) দাবি, চায়ের কাপে কম চুমুক দিলে দেশের আমদানি খরচ কিছুটা কমে যাবে।

    শ্রীলঙ্কার মতো ক্রমেই চিনা ঋণের ফাঁদে জড়িয়ে পড়ছে ভারতের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান। রাজনৈতিক অস্থিরতার জেরে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার হার দিন দিন কমছে। জিনিসপত্রে দাম আকাশ ছোঁয়া। মূল্যবৃদ্ধির জেরে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়। দেশবাসীর একটা বড় অংশই দুবেলা পেট ভরে খেতে পান না বলে সে দেশেরই বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রকাশ। এমতাবস্থায় দেশীয় অর্থনীতি চাঙা করার আজব দাওয়াই দিয়েছেন পাক সরকারের বর্ষীয়ান এই মন্ত্রী। দেশবাসীর কাছে তাঁর অনুরোধ, দয়া করে কম করে চা পান করুন।

    আরও পড়ুন : “তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান!” কেন এমন কথা বললেন ইমরান?

    বিশ্বের বৃহত্তম চা আমদানিকারক দেশ পাকিস্তান। গত বছর দেশটি মোট ৪ হাজার ৬৮৩ হাজার ৬৩ লক্ষ কোটি টাকার চা আমদানি করেছিল। পাক সংবাদ মাধ্যমের সাহায্যে পাকিস্তানের এই মন্ত্রী পাক নাগরিকদের উদ্দেশে বলেন, আমি দেশবাসীর কাছে চায়ের ব্যবহার এক-দু কাপ কমানোর আবেদন করছি। এর কারণ আমরা ঋণ করে চা আমদানি করি।

    পাকিস্তানের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল বলে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন সে দেশের অর্থনীতিবিদদের একাংশ। দেশীয় অর্থনীতির এই পরিস্থিতির দায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ চাপাচ্ছেন একে অপরের ওপর।

    আরও পড়ুন : অশান্ত পাকিস্তান! ৬ দিনের মধ্যে নির্বাচন ঘোষণা করতে শাহবাজ সরকারকে হুঁশিয়ারি ইমরানের

    পাকিস্তানের বর্ষীয়ান এই মন্ত্রী জানান, দেশের হাতে যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা রয়েছে, তাতে আর মাত্র দু মাস আমদানি করা সম্ভব। তার পরেই শেষ হয়ে যাবে বৈদেশিক মুদ্রার ভাঁড়ার। চা খাওয়া কমালে কমবে আমদানির পরিমাণও। তাই মন্ত্রীর এই অদ্ভুত দাওয়াই বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। তবে চা খাওয়া কমানোর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির করুণ দশার হাল ফেরানো সম্ভব নয় বলেই দাবি অর্থনীতিবিদদের একাংশের।

    মন্ত্রীর কথা শুনে পাকিস্তানের বাসিন্দারা চা খাওয়া কমান কিনা, এখন সেটাই দেখার।

     

LinkedIn
Share