Tag: pakistan

pakistan

  • Bangladesh: ইসলামাবাদের জন্য অবাধ বাংলাদেশ! পাকিস্তানি হলেই মিলবে ভিসা, নয়া নির্দেশিকা ইউনূসের

    Bangladesh: ইসলামাবাদের জন্য অবাধ বাংলাদেশ! পাকিস্তানি হলেই মিলবে ভিসা, নয়া নির্দেশিকা ইউনূসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাগাতার অত্যাচারে চালিয়ে বাংলাদেশকে (Bangladesh) হিন্দুশূন্য করার ছক কষছে মৌলবাদীরা। এই আবহের মধ্যে পাক নাগরিকদের সহজে ভিসা দেওয়ার উদ্যোগ নিল ইউনূস প্রশাসন। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সিকিউরিটি সার্ভিস ডিভিশন থেকে বিদেশ মন্ত্রকের কাছে চিঠি দিয়ে স্পষ্ট জানিয়েছে, বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে থাকা পাকিস্তানের নাগরিক ও পাকিস্তানি বংশোদ্ভূতরাও যাতে সহজে বাংলাদেশের ভিসা পান, তা নিশ্চিত করতে হবে।

    ঢাকা পাক জঙ্গিদের আখড়া! (Bangladesh)

    ইউনূসের এই নির্দেশিকা সমস্ত বাংলাদেশি (Bangladesh) দূতাবাস এবং ডেপুটি হাই কমিশনগুলির জন্যও জারি করা হয়েছে। পাকিস্তানিরা যাতে অনায়াসে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই ঢাকার এই পদক্ষেপ। বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত। ইউনূস সরকারের এই পদক্ষেপে বাংলাদেশ ফের পাক জঙ্গিদের আখড়া হয়ে উঠবে, আশঙ্কা দিল্লির। বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের অপসারণের পর থেকেই প্রভাব বিস্তার করতে মরিয়া পাকিস্তান। আর অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে বন্ধুত্ব বাড়াতে শুরু করেছেন ইউনূসও। ১৯৭১ সালের পর করাচি থেকে পণ্যবাহী জাহাজ বাংলাদেশে আসেনি। সম্প্রতি করাচি থেকে চট্টগ্রামে এসেছে একটি পণ্যবাহী জাহাজ। পাকিস্তানের সঙ্গে কতটা ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে বাংলাদেশের, এতেই তা স্পষ্ট।

    এছাড়া, গত কয়েক মাস ধরে খালেদা জিয়ার বিএনপি’র সঙ্গেও বন্ধুত্ব বাড়াতে শুরু করেছে পাকিস্তান। সম্প্রতি বিএনপি’র চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত সৈয়দ আহমেদ মারুফ। দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেছেন তাঁরা। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, খালেদা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন বাংলাদেশ যেভাবে পাক জঙ্গিদের আখড়া হয়ে উঠেছিল, সেই দিন কি আবার ফিরে আসছে? সব মিলিয়ে এটা পরিষ্কার, বাংলাদেশজুড়ে যে অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেটাকে কাজে লাগিয়ে ঘোলা জলে মাছ ধরতে চাইছে ইসলামাবাদ।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুরা, হিন্দুদের জেগে ওঠার ডাক দিলেন শুভেন্দু

    কূটনৈতিক মহলের মতে, বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস হলেও, তাঁর হাত-পা বাঁধা রয়েছে জামাত-ই-ইসলাম, হেফাজতে ইসলামের মতো মৌলবাদী দলগুলির হাতে। এই মৌলবাদী দলগুলি দীর্ঘদিন ধরে মদত দিয়ে আসছে পাকিস্তানকে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে ঢাকা-ইসলামাবাদের সম্পর্ক যেভাবে গভীর হতে শুরু করেছে, তাতে পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এটা পরিষ্কার, বাংলাদেশের মাটিকে কাজে লাগিয়ে ভারতকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করবে পাকিস্তান। একই ভাবে সেই চেষ্টা করতে পারে চিনও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: খালেদার সঙ্গে বৈঠক পাক কূটনীতিকের, ফের জঙ্গি আখড়া হবে বাংলাদেশ?

    Bangladesh Crisis: খালেদার সঙ্গে বৈঠক পাক কূটনীতিকের, ফের জঙ্গি আখড়া হবে বাংলাদেশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) কি ফের আখড়া হয়ে উঠবে জঙ্গিদের? অন্তত এমনই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে বিভিন্ন মহলে। এহেন প্রশ্নের কারণ, সম্প্রতি ঢাকায় পাকিস্তানের কূটনীতিবিদদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপি সুপ্রিমো বেগম খালেদা জিয়া (Khaleda Zia)। তার পরেই উঠছে প্রশ্ন, খালেদা জমানায় যেভাবে পাক-জঙ্গিদের আখড়া হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ, ফের কি তেমন অবস্থায় ফিরতে চলেছে ইউনূসের দেশ?

    মাথাচাড়া দিয়েছে মৌলবাদীরা (Bangladesh Crisis)

    হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে মাথাচাড়া দিয়েছে মৌলবাদীরা। হিন্দুদের ঘর-বাড়ি জ্বালিয়ে, মেরেধরে, মেয়ে-বউদের তুলে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার করছে মৌলবাদীরা। এমতাবস্থায় মঙ্গলবার রাতে খালেদার সঙ্গে দেখা করেন ঢাকায় নিযুক্ত পাক হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ। বৈঠক চলে ঘণ্টাখানেক। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বাংলাদেশে অশান্তির পরিবেশে সূচ হয়ে ঢুকতে চাইছে পাকিস্তান। সেই কারণেই খালেদার সঙ্গে বৈঠক। প্রসঙ্গত, হাসিনার সঙ্গে যেমন ভারতের সম্পর্ক, খালেদার সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কও ঠিক তেমনই। প্রত্যাশিতভাবেই পাকিস্তান যে বাংলাদেশের টালমাটাল পরিস্থিতির সুযোগ নেবে, তা বলাই বাহুল্য।

    খালেদা জমানা

    ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বাংলাদেশের মসনদে ছিলেন খালেদা। তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্বের এই পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ঘাঁটি গেড়েছিল ভারত-বিরোধী নানা শক্তি। এই পর্বে ঢাকায় সক্রিয় হয়ে উঠেছিল পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। আইএসআই মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ভায়া বাংলাদেশ হয়ে ভারতে ঢুকে নাশকতা চালিয়ে ফিরে যেত বাংলাদেশে। হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার মুক্তি দেয় খালেদাকে। তার পরেই (Bangladesh Crisis) সক্রিয় হয়েছেন খালেদা।

    আরও পড়ুন: চলছে হিন্দু নির্যাতন, ঢাকায় যাচ্ছেন ভারতের বিদেশ সচিব, সুর নরম বাংলাদেশের

    সক্রিয় হয়েছে পাকিস্তানও। তার সব চেয়ে বড় প্রমাণ গত ১৩ নভেম্বর পাকিস্তানের করাচি বন্দর থেকে পণ্যবাহী জাহাজ আসে চট্টগ্রাম বন্দরে। ১৯৭১ সালের পর এই প্রথম কোনও পণ্যবাহী জাহাজ পাকিস্তান থেকে এল বাংলাদেশে। কেবল পাকিস্তান নয়, চিনও বাংলাদেশে শক্ত করছে পায়ের নীচের মাটি। হাসিনা দেশ ছেড়ে পালানোর পর খালেদার দল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আগমগীরের সঙ্গে বৈঠক (Khaleda Zia) করেন চিনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Sambhal Violence: সম্ভল হিংসায় উদ্ধার হওয়া কার্তুজে পাকিস্তান, আমেরিকা যোগ! বলছে ফরেনসিক রিপোর্ট

    Sambhal Violence: সম্ভল হিংসায় উদ্ধার হওয়া কার্তুজে পাকিস্তান, আমেরিকা যোগ! বলছে ফরেনসিক রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের সম্ভলে (Sambhal Violence) কট্টর মুসলমানদের দ্বারা সংগঠিত হিংসার ঘটনায় ফরেনসিক দল তদন্ত করে জানিয়েছে, সেদিনের হামলায় পাকিস্তান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি কার্তুজ ব্যবহার করা হয়েছিল। পুলিশ সবরকম যোগসূত্রের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার কার্তুজগুলিকে পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে সেগুলি পাকিস্তান (Pakistan) অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিতে তৈরি হয়েছে। ফলে সম্ভলে মসজিদ বিতর্ক এবং হিংসার পিছনে আন্তর্জাতিক চক্রের সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠেছে। উল্লেখ্য, হিন্দু পক্ষের দাবি, এই সম্ভলের জামা মসজিদ আদতে ভগবান বিষ্ণুর কল্কির মন্দির। মন্দির ভেঙে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল মুঘল আমলে।

    রাস্তার ড্রেন থেকে উদ্ধার কার্তুজ (Sambhal Violence)!

    ফরেনসিক রিপোর্টের তথ্য তুলে ধরে ঘটনায় যে পরিকল্পিত এবং বৃহৎ ষড়যন্ত্র জড়িত রয়েছে তা তুলে ধরে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) শ্রীশ চন্দ্র বলেন, “মঙ্গলবার ফরেনসিক দল কোট গারভি (Sambhal Violence) পাড়ায় পৌঁছেছিল। এখানেই গত ২৪ নভেম্বর শাহি জামা মসজিদদের জরিপ চলাকালীন হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। একটি বিশেষ দুষ্কৃতীর দল ইট-পাথর বর্ষণ করেছিল। তদন্তকারী দল রাস্তার পাশের ড্রেন থেকে ছয়টি কার্তুজ উদ্ধার করেছে। এই খালি কার্তুজের মধ্যে একটি পাকিস্তান অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা হয়েছে।” এই তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই এলাকার মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। 

    মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করে তল্লাশি অভিযান চলছে

    পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, পাকিস্তানের তৈরি হওয়া অস্ত্র ভারতের মধ্যে ব্যবহার করে এদেশের শান্তি-শৃঙ্খলাকে বিঘ্নিত করা হচ্ছে।  ভারতের বাইরে থেকে পাচার হয়ে আসা অস্ত্র দিয়ে ভারতের ক্ষতি সাধনের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র আরও প্রকট হয়েছে। ইতিমধ্যে দেশের নিরপাত্তায় থাকা বাহিনী এবং সংস্থাগুলিকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই এলাকার (Sambhal Violence) বিভাগীয় কমিশনার অঞ্জনেয়া সিং বলেন, “একটি কার্তুজের গায়ে ‘পিওএফ’ (অর্থাৎ পাকিস্তান অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি) লেখা রয়েছে। এটি একটি ৯ মিমি কার্তুজ। বুলেটটি বন্দুক থেকে নিক্ষিপ্ত। অর্থাৎ এটি ফায়ার করা হয়েছিল। এটি সম্ভবত পাকিস্তানে (Pakistan) তৈরি। ‘টু স্টার উইথ এফএল’ সহ আরেকটি ৯ মিমি কার্তুজ সম্ভবত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি। এছাড়াও, দুটি ১২-বোরের এবং দুটি ৩২-বোরের খোল পাওয়া গিয়েছে। পুলিশের দল এখনও মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। অভিযানে আমরা পুর নিগমের সহায়তা নিচ্ছি।”

    দুটি তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে

    সম্ভল (Sambhal Violence) মসজিদ জরিপের কাজে সরকারী কর্মীদের উপর হামলা করার পর ব্যাপক হিংসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যোগী সরকার দুটি বিশেষ তদন্ত দল এসআইটি গঠন করেছে। সম্ভলের পুলিশ সুপার কৃষাণ কুমার বলেন, “আন্তর্জাতিক কার্তুজ উদ্ধার পুলিশের জন্য চমকপ্রদ ঘটনা এবং তদন্ত সংস্থার সহায়তায় এটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করা হবে। অতীতে, এনআইএ দেশবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত অপরাধীদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে স্থানীয় পুলিশের সহায়তা নিয়েছিল। আমরা সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সব অপরাধীর ইতিহাস খতিয়ে দেখব এবং হিংসার সঙ্গে জড়িত কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা হবে। এমনকী, পাকিস্তানে (Pakistan) তৈরি কার্তুজগুলি হিংসাকে উস্কে দেওয়ার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    আরও পড়ুনঃ স্বর্ণমন্দিরে অকালি প্রধান সুখবীর সিং বাদলকে লক্ষ্য করে চলল গুলি, ধৃত হামলাকারী

    সংঘর্ষে ৪ বন্দুকবাজের মৃত্যু হয়েছিল

    গত ১৯ নভেম্বর উত্তর প্রদেশের সম্ভলে (Sambhal Violence) জামা মসজিদে আদালতের নির্দেশে জরিপের কাজ শুরু হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টে বিষ্ণু শঙ্কর জৈন এবং সাতজন বাদী পক্ষের দায়ের করা মামলার পিটিশনের জবাবে মসজিদ জরিপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের দাবি, আদতে এই মসজিদ হল ভগবান বিষ্ণুর হরিহর দেবতার মন্দির। মুসলমান শাসক বাবর এই মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি করেন। মসজিদ কাঠামোটি বেআইনি, এই নিয়ে হিন্দু পক্ষ তীব্র আপত্তি জানায়। কিন্তু ২৪ অগাস্ট সম্ভলে দ্বিতীয়বার জরিপের কাজ করতে গেলে উত্তেজিত মুসলিম দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে। ইট-পাথর বর্ষণ করে হত্যা করতে পরিকল্পনা করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামানো হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। এতে ২০ জন পুলিশ কর্মী গুরুতর আহত হন। একই ভাবে দুষ্কৃতীদের বন্দুক থেকে গুলির আঘাতে ৩ জন মানুষের মৃত্যু হয়। আবার পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ৪ বন্দুকবাজের মৃত্যু হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ICC Champions Trophy: হাইব্রিড মডেলেই চ্যাম্পিয়ন্স  ট্রফি! কবে, কোথায় ভারত-পাক ম্যাচ?

    ICC Champions Trophy: হাইব্রিড মডেলেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি! কবে, কোথায় ভারত-পাক ম্যাচ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইব্রিড মডেলেই আয়োজিত হতে চলেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy)। রবিবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জয় শাহ। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন নিয়ে এবার পাকিস্তানের সঙ্গে তিনিই কথা বলবেন। এই অবস্থায় কিছুটা হলেও নিজেদের অনড় অবস্থান থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়েছে পিসিবি। শোনা যাচ্ছে ভারতের ম্যাচগুলি দুবাইতে আয়োজনের কথা ভাবছে তারা। সেই মতো ভারত-পাকিস্তান মহারণও হবে মরু শহরে।

    পিসিবির শর্ত

    হাইব্রিড মডেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy) আয়োজন করতে রাজি হলেও আইসিসি সূত্রে খবর, একগুচ্ছ শর্ত দিয়েছে পিসিবি। তার মধ্যে অন্যতম হল ২০২৭ অবধি কোনো বহুদেশীয় টুর্নামেন্টের কোনো ম্যাচ ভারতে এসে যাতে না খেলতে হয় সে বিষয়ে আইসিসি’র সবুজ সংকেত চেয়েছে পাক বোর্ড (PCB)। আসন্ন টুর্নামেন্ট গুলির মধ্যে ২০২৬-এর টি-২০ বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) রয়েছে ভারতের মাটিতে। যদিও সেখানে কো-হোস্ট হিসেবে থাকার কথা শ্রীলঙ্কার। ফলে পাকিস্তান চাইলে দ্বীপরাষ্ট্রে খেলতেই পারে ম্যাচগুলি। সমস্যা দেখা যেতে পারে আগামী বছরে মহিলাদের ওডিআই বিশ্বকাপ (Women’s World Cup 2025) ও পুরুষদের এশিয়া কাপ (Asia Cup 2025) নিয়ে। দুটি টুর্নামেন্টেরই একমাত্র হোস্ট ভারত। পাকিস্তান না এলে তাদের ম্যাচগুলি মধ্যপ্রাচ্য বা অন্য কোথাও আয়োজনের কথা ভাবতে হবে বিসিসিআই-কে। শোনা যাচ্ছে প্রতিটি টুর্নামেন্টের ফাইনালের জন্যও নাকি নিরপেক্ষ ভেন্যু চেয়েছে পিসিবি, তা আদৌ মানা হবে কিনা তা নিয়ে যদিও সংশয় রয়েছে। আইসিসি সূত্রে খবর, সোমবার চেয়ারম্যান হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে আইসিসির সদস্য দেশগুলির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন জয় শাহ। তবে আইসিসি-র তরফে এখনও চূড়ান্ত কিছু জানানো হয়নি।

    ভারত-পাক ম্যাচ 

    আইসিসি সূত্রে খবর, সব ঠিক থাকলে দুবাইয়ে খেলা হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy) ভারত-পাক হাইভোল্টেজ ম্যাচ। সাধারণত মেগা টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার প্রথম সপ্তাহের রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ রাখা হয়। সম্প্রচারের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেয় আইসিসি। আসন্ন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ক্ষেত্রেও সেই প্রথাই মানা হবে। সম্ভবত ২৩ ফেব্রুয়ারি মুখোমুখি হতে চলেছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Champions Trophy: পাকিস্তানকে ছাড়াই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি! পিসিবিকে কড়া সতর্কতা আইসিসির

    Champions Trophy: পাকিস্তানকে ছাড়াই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি! পিসিবিকে কড়া সতর্কতা আইসিসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানকে ছাড়াই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (Champions Trophy) কথা ভাবছে আইসিসি (ICC)। হাইব্রিড মডেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনে রাজি না হলে পাকভূমি থেকে সরবে প্রতিযোগিতা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল সূত্রে খবর, পাকিস্তান যদি হাইব্রিড মডেলের জন্য প্রস্তুত না হয় তবে অন্য কোনও দেশে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। মনে করা হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতেও এই টুর্নামেন্ট হতে পারে। সেক্ষেত্রে পাকিস্তান না খেলার সম্ভাবনা বেশি। আইসিসি, পিসিবি ও বিসিসিআই-এর বৈঠক হওয়ার কথা শনিবার, ৩০ নভেম্বর।

    হাইব্রিড মডেলেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি

    ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (Champions Trophy) আয়োজক পাকিস্তান। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI) আইসিসিকে (ICC) জানিয়ে দিয়েছে, পাকিস্তানে দল পাঠানো হবে না। জয় শাহেরা হাইব্রিড মডেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনের কথা বলেছেন। ভারতের ম্যাচগুলি সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে আয়োজনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড প্রতিযোগিতা আয়োজনের অধিকার ছাড়তে নারাজ। হাইব্রিড মডেল মানবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কর্তারা।  পিসিবি-র তরফ থেকে নাকি বলা হয়েছিল যে যদি ভারত পাকিস্তানে না যায় তাহলে তারা কখনই অন্য কোথাও এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করবে না। আইসিসি তাদের উপর চাপ দিলে তারা চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আয়োজন করবে না এবং খেলবেও না। এমন অবস্থায় এবার আইসিসি পিসিবি-র উপর চাপ দিতে তৈরি করল।

    চাপে পাকিস্তান

    আগামী বছর ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে পাকিস্তানে হওয়ার কথা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy)। ২০০৮ সালে মুম্বইয়ে জঙ্গি হামলার পর থেকে ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সম্পর্ক বন্ধ। কোনও বহুদলীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্যও পাকিস্তানে যায় না ভারতীয় ক্রিকেট দল। গত বছর এশিয়া কাপের সময়ও রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিদের পাকিস্তানে পাঠায়নি বিসিসিআই। ভারতের ম্যাচ-সহ বেশ কিছু খেলা হয়েছিল শ্রীলঙ্কায়। সে ভাবেই যাতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করা যায়, তা ভাবছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। কিন্তু পাকিস্তান সায় না দেওয়ায় এবার পিসিবিকে কড়া ভাষায় জাবাব দিল আইসিসি। সূত্রের খবর, পিসিবিকে বলা হয়েছে তারা যদি হাইব্রিড মডেলে না খেলে তাহলে পাকিস্তানকে ছাড়াই হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। উল্লেখ্য আগামী কাল রবিবার, ১ ডিসেম্বর জয় শাহ আইসিসির সর্বোচ্চ পদের দায়িত্ব নেবেন। এরপরই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে চূড়ান্ত বৈঠকে বসবে আইসিসি, এমনই খবর। বৈঠকে থাকার কথা আইসিসির পূর্ণ সদস্য ১২টি বোর্ডের প্রতিনিধি, তিনটি সহযোগী সদস্য বোর্ডের প্রতিনিধি, এক জন নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক, আইসিসির চেয়ারম্যান এবং সিইও-র। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: লস্কর জঙ্গি সলমন রহমনকে আফ্রিকা থেকে ভারতে ফেরাল এনআইএ, রয়েছে পাকিস্তান যোগ

    NIA: লস্কর জঙ্গি সলমন রহমনকে আফ্রিকা থেকে ভারতে ফেরাল এনআইএ, রয়েছে পাকিস্তান যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি সলমন রহমন খানকে ভারতে ফেরাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। জানা গিয়েছে, নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা বজায় রেখে তাকে আফ্রিকার রোয়ান্ডা থেকে ভারতে আনা হয়েছে। যৌথভাবে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেছে ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA) এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। এ কাজে সাহায্য করে ইন্টারপোলও।

    ঠিক কী অভিযোগ রয়েছে? (NIA)

    পাকিস্তানের লস্কর-ই-তৈবার মদতে বেঙ্গালুরুতে নাশকতার কাজে যুক্ত ছিল সলমন। বেঙ্গালুরুতে (NIA) বিশাল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের পর তার নাম উঠে আসে। তদন্তে নেমে জানা যায়, টি নাসির নামে এক লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি, যে যাবজ্জীবনের সাজা কাটার জন্য ওই সংশোধনাগারে বন্দি, সে-ই আবাসিকদের মধ্যে জঙ্গি প্রচার চালানোর ষড়যন্ত্র করেছিল। এনআইএ-র দাবি, একটি পকসো মামলায় বেঙ্গালুরু কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে বন্দি ছিল সলমন রহমান খানও। সেখানে সে নাসিরের সংস্পর্শ আসে। পরে নাসিরের নির্দেশে সন্ত্রাস ছড়ানোর জন্য বিস্ফোরক ও অস্ত্র হামলাকারীদের মধ্যে বিতরণের দায়িত্ব নেয়। বেঙ্গালুরুতে অস্ত্র সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত ছিল সে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুর সংশোধনাগারে মৌলবাদী ভাবধারা প্রচার এবং মৌলবাদীদের নিয়োগের ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ রয়েছে। পারাপ্পানা অগ্রহর সেন্ট্রাল প্রিজন অর্থাৎ জেল থেকে সাতটি পিস্তল, চারটি হ্যান্ড গ্রেনেড, একটি ম্যাগাজিন ও ৪৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছিল। চারটি ওয়াকিটকিও উদ্ধার হয় সেসময়। তারপরই অস্ত্র সরবরাহ-সহ একাধিক অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। ২০২৩ সালে এনআইএ-র অপরাধী তালিকায় যুক্ত হয় তার নাম। অস্ত্র আইনে মামলা রুজু হয়। তার খোঁজে তল্লাশি চলছিলই।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র, আজ সংসদে বিবৃতি দেবেন জয়শঙ্কর

    এনআইএ কী জানাল?

    এই ইস্যুতে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনআইএ-এর (NIA) তরফে জানানো হয়েছে – ‘‘বেঙ্গালুরু কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে সন্ত্রাসী মৌলবাদী ভাবধারার প্রচার এবং সন্ত্রাস চালানোর জন্য পরবর্তীতে মৌলবাদীদের নিয়োগ সংক্রান্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত সলমনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে এনআইএ। এই প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করেছে রোয়ান্ডা ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (আরআইবি), ইন্টারপোল এবং ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি)। ওই ব্যক্তিকে ২৭ নভেম্বর হেফাজতে নেওয়া হয় এবং পরে তাকে ভারতে নিয়ে আসা হয়।’’ এনআইএ-র তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে, ‘‘২০২০ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও না কোনও গুরুতর মামলায় যুক্ত মোট ১৭ জন অভিযুক্ত সন্ত্রাসবাদীকে অন্য কোনও দেশ থেকে ভারতে নিয়ে আসা হয়েছে।’’

    জঙ্গি গ্রেফতার প্রসঙ্গে কী বলল সিবিআই?

    সিবিআই-এর পক্ষ থেকেও আলাদা একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তাতে বলা হয়, ‘‘এনআইএ-র অনুরোধ অনুসারে গত ২ অগাস্ট সিবিআই-এর পক্ষ থেকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে সলমন খানের (Militant) নামে একটি রেড নোটিশ জারি করা হয়। ওই ওয়ান্টেড অপরাধীকে শনাক্ত করতে সারা বিশ্বের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলিকে সেই অ্যালার্ট পাঠিয়ে দেওয়া হয়। শেষমেশ রোয়ান্ডায় সলমন রহমান খানের হদিশ পাওয়া যায়। এরপরই সিবিআই-এর তরফ থেকে রোয়ান্ডার রাজধানী এবং সবথেকে বড় শহর কিগালিতে অবস্থিত ইন্টারপোল-এর ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোর কাছে সলমন খানকে ধরার জন্য সাহায্য চাওয়া হয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: ইসলামাবাদের রাজপথে লক্ষ লক্ষ ইমরান সমর্থক! সেনা-জনতা সংঘর্ষে নিহত ৬

    Pakistan: ইসলামাবাদের রাজপথে লক্ষ লক্ষ ইমরান সমর্থক! সেনা-জনতা সংঘর্ষে নিহত ৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ পাকিস্তান (Pakistan)। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের (Imran Khan) মুক্তির দাবিতে উত্তাল ইসলামাবাদ। পথে নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। ইতিমধ্যে ইসলামাবাদমুখী বিক্ষোভ সহিংস আকার নিয়েছে। ইমরানের স্ত্রী বুশরা বিবির নেতৃত্বে আন্দোলনে সংঘর্ষে ৬ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি শামাল দিতে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে প্রশাসন। পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থলে দেখামাত্র গুলি চালানোরও নির্দেশ জারি করা হয়েছে বলে খবর।

    ইমরানকে ছাড়ানোর হুঙ্কার

    রবিবার ইমরানের (Imran Khan) স্ত্রী বুশরা বিবির নেতৃত্বে রাজধানীর উদ্দেশে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন পাকিস্তান (Pakistan) তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর কর্মী-সমর্থকরা। গোটা দেশ থেকে ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা দেন দলীয় সমর্থকরা। সোমবার সন্ধ্যায় মিছিল ইসলামাবাদে পৌঁছয়। বিক্ষোভকারীরা আরও এগোনোর সিদ্ধান্ত নিলে নামানো হয় সেনাবাহিনী। লক্ষ লক্ষ সমর্থক রাজধানী শহরে ঢোকার চেষ্টা করলে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। তাতেই সেনা ও পুলিশকর্মীর মত্যু হয়েছে বলে খবর। এখনও পর্যন্ত আহত হয়েছেন ১১৯ জন। অভিযোগ, পুলিশের ২২টি গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেন সমর্থকরা। ইতিমধ্যে তেহরিক-ই-পাকিস্তানের ৪ হাজার কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ছোড়া হয়েছে কাঁদানে গ্যাস। এমনকী, ইমরানের সমর্থকদের দেখামাত্রই গুলি করার নির্দেশিকা জারি করেছে পাক-সেনা।

    খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ইমরান খান যতক্ষণ না মুক্তি পাচ্ছেন, ততক্ষণ আমরা পিছু হটব না। এগিয়েই যাব। সবাই প্রস্তুত হন। আমাদের আরও বাধা পেরোতে হবে।” প্রথম থেকেই বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইমরানের স্ত্রী বুশরা বিবি। সোমবার তিনি বলেন, “খান সাহেবকে (ইমরান খান) ফিরিয়ে নিয়ে যেতে আমরা এখানে এসেছি। ইমরান খানকে নিয়েই ফিরব।” ইসলামাবাদের প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান উসমান আনোয়ার জানিয়েছেন, গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন পুলিশের এক কর্মকর্তা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আরও দুই পুলিশ কর্মী। সম্প্রতি কারাবন্দি অবস্থাতেই রাজধানী ইসলামাবাদ-সহ পাকিস্তানের (Pakistan) বড় শহরগুলি জুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিলেন প্রাক্তন পাক-প্রধানমন্ত্রী তথা পিটিআই নেতা ইমরান (Imran Khan)। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়েই এবার ইসলামাবাদের রাজপথে অগনিত মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Trumps Cabinet: ট্রাম্প প্রশাসনে ঠাঁই একাধিক ভারতপন্থীর, কাঁপন ধরছে পাকিস্তানের বুকে!

    Trumps Cabinet: ট্রাম্প প্রশাসনে ঠাঁই একাধিক ভারতপন্থীর, কাঁপন ধরছে পাকিস্তানের বুকে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে ২০ জানুয়ারি শপথ নেবেন রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trumps Cabinet)। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ের পর থেকেই ঘুঁটি সাজাতে শুরু করে দিয়েছেন ট্রাম্প। ট্রাম্প ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন। মন্ত্রিসভায় কারা ঠাঁই পাবেন, তা নিয়েই জোর কদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন আমেরিকার ভাবী প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের এই প্রস্তুতি-পর্বই কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে পাকিস্তানের বুকে।

    ট্রাম্প প্রশাসনে কারা (Trumps Cabinet)

    তাঁর মন্ত্রিসভায় যাঁরা জায়গা পাবেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছে বিলিয়নিয়র, আগ্রাসী বক্তা, ইন্দো-মার্কিন এবং কিছু ‘বিতর্কিত’ ব্যক্তিত্ব। পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক ‘এক্সপ্রেস ট্রিবিউন’ জানিয়েছে, পাকিস্তান হয়ত আমেরিকার বিদেশ নীতির অগ্রাধিকারের তালিকায় নেই। তবে ইসলামাবাদ এবং রাওয়ালপিন্ডির নীতিনির্ধারকরা এ খবরে অবাক হয়েছেন। ট্রাম্পের দ্বিতীয় দফার প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ পদে কারা জায়গা পাচ্ছেন সেদিকে নিবিড়ভাবে নজর রাখছেন তাঁরা। পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যমের দাবি, পাকিস্তান মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেতার ভারত এবং ইসলামাবাদ সম্পর্কিত বিবৃতিগুলো নিয়ে উদ্বিগ্ন। ট্রাম্প প্রশাসনে জায়গা পাচ্ছেন মার্কো রুবিও, জন রেটক্লিফ এবং মাইক ওয়াল্টজ। এই তিনজনই চিন বিরোধী কঠোর অবস্থানে অনড়। এঁরা বেজিংয়ের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণাত্মক মনোভাব পোষণ করেন। এই চিন আবার পাকিস্তানের ‘সব মরশুমের বন্ধু’। ফলে, পাকিস্তান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে গিয়ে একটি কঠিন পরিস্থিতিতে পড়তে পারে।

    গুরুত্বপূর্ণ পদ

    ট্রাম্প ইতিমধ্যেই (Trumps Cabinet) তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির প্রধান এবং বিদেশ ও প্রতিরক্ষা সচিবদের নিয়োগ করেছেন। এই পদগুলি পাকিস্তান তো বটেই বিশ্ববাসীর কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। এবার দেখে নেওয়া যাক, ট্রাম্প প্রশাসনে যাঁরা ঠাঁই পাবেন, পাকিস্তান সম্পর্কে তাঁরা কীরূপ মনোভাব পোষণ করেন।

    মাইক ওয়াল্টজ

    মাইক ওয়াল্টজকে দেখা যেতে পারে ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে। পাকিস্তান সম্পর্কে পক্ষপাতদুষ্ট বক্তব্য দেওয়ার জন্য তিনি পরিচিত। এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ওয়াল্টজ মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সদস্য। সফর করেছেন আফগানিস্তান ও পশ্চিম এশিয়া। পাকিস্তান যাতে সীমান্তবর্তী সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তাই পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করার কথাও বলেছেন তিনি।

    তুলসী গ্যাবার্ড

    ট্রাম্প তুলসী গ্যাবার্ডকে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক পদে মনোনীত করেছেন। এই পদে যিনি বসেন, তিনি পরিচালনা করেন ১৮টি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা। এর মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি, ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন এবং সিআইএ-ও। এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের রিপোর্ট অনুযায়ী, গ্যাবার্ডের মনোনয়ন পাকিস্তানের পক্ষে স্বস্তিদায়ক নাও হতে পারে। গ্যাবার্ড প্রাক্তন ডেমোক্রেটিক কংগ্রেসওম্যান। পরে তিনি যোগ দেন ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিতে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি ট্রাম্পের হয়ে গলাও ফাটিয়েছেন। তুলসী ভারত-প্রেমী হিসেবেই পরিচিত। সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নে তিনি বরাবর ভারতের পাশে থেকেছেন। ইসলামাবাদকে তার মাটি থেকে জঙ্গি হুমকির মোকাবিলা করার জন্য বলেছিলেন তুলসী। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তানের বালাকোটে এয়ারস্ট্রাইক চালায় ভারতীয় বিমানবাহিনী। তার আগে কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর ভয়াবহ আক্রমণ করেছিল জঙ্গিরা। তার প্রেক্ষিতেই এয়ারস্ট্রাইক চালায় ভারতীয় বিমানবাহিনী। পাকিস্তান কীভাবে আল-কায়দার নেতা ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দিয়েছিল, তাও জানিয়েছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: নিজ্জর হত্যা নিয়ে ‘মানহানিকর প্রচার’, কানাডাকে কড়া জবাব ভারতের

    মার্কো রুবিও 

    সেনেটর মার্কো রুবিও বিদেশ নীতি বিশেষজ্ঞ। তিনি নির্বাচিত প্রেসিডেন্টের বিদেশমন্ত্রীর পদে মনোনীত হয়েছেন। প্রেসিডেন্টের প্রধান বৈদেশিক নীতি উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। দেশের শীর্ষ কূটনীতিকও হয়েছিলেন। তিনি নেতৃত্ব দেবেন স্টেট ডিপার্টমেন্টের। বৈঠক ও বিশ্ব ব্যাপী নানা বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি। এই রুবিও জুলাই মাসে মার্কিন সেনেটে একটি পাকিস্তানবিরোধী এবং ভারতপন্থী বিল প্রস্তাব করেছিলেন (Trumps Cabinet)। চিনের ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাড়তি প্রভাব মোকাবিলায় ইউএস-ইন্ডিয়া ডিফেন্স কো-অপারেশন অ্যাক্ট দুটি দেশের প্রতিরক্ষা জোটকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত হয়েছিল। প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, প্রযুক্তি এবং অর্থনৈতিক বিনিয়োগে সহযোগিতার সঙ্গে এটি এও সুপারিশ করেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে আমেরিকান নিরাপত্তা সহায়তা প্রদান করুক। আমেরিকার উচিত প্রযুক্তিগত স্থানান্তরের দিক থেকে ভারতকে ইউএস চুক্তি সহযোগী এবং ন্যাটো দেশগুলির মতোই বিবেচনা করা (Trumps Cabinet)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan Support Terror: ‘‘সন্ত্রাসবাদের কারণে বিশ্বাসের সম্পর্ক নষ্ট হয়েছে’’, পাকিস্তানকে নিশানা ভারতের

    Pakistan Support Terror: ‘‘সন্ত্রাসবাদের কারণে বিশ্বাসের সম্পর্ক নষ্ট হয়েছে’’, পাকিস্তানকে নিশানা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতায় আসার পর থেকে সন্ত্রাস-মোকাবিলায় একাধিক পদক্ষের করেছে মোদি সরকার। কিন্তু পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদকে (Pakistan Support Terror) মদত দেওয়া বন্ধ করেনি। যার ফল ভুগতে হয় ভারতকে। রাষ্ট্রসঙ্ঘে (United Nations) ঠিক এই ভাষায় পাকিস্তানকে আক্রমণ করলেন ভারতীয় দূত পর্বতানেনী হরিশ৷ তাঁর দাবি, সন্ত্রাসবাদকে পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে মদত দিয়ে আসছে। পাকিস্তানের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভারতের প্রধান সমস্যাও সন্ত্রাসবাদ। তবে পাকিস্তানের এই ভূমিকা আর সহ্য করা হবে না বলে জানিয়েছেন হরিশ। 

    কথা বলেও লাভ হয়নি 

    সম্প্রতি কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ভারতীয় দূত পর্বতানেনী হরিশ। সেখানে পাকিস্তানের সঙ্গে (Pakistan Support Terror) সম্পর্ক প্রসঙ্গে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলে সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে পড়শি দেশকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি ৷ হরিশ বলেন, ‘‘দীর্ঘদিন আগে দু’দেশের মধ্যে বিশ্বাসের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে গিয়েছে৷ তার একমাত্র কারণ সন্ত্রাসবাদ৷ এই সমস্যার সমাধান না-হলে দুই দেশের সম্পর্কে কোনওদিন উন্নতি হবে না৷’’ তাঁর মতে, সমস্যার সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেছেন। পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে আলোচনাও করেছেন৷ তবে তাতেও কোনও লাভ হয়নি ৷ তাঁর কথায়, ‘‘একমাত্র আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমেই সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব। ভারত সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে।’’

    সন্ত্রাসবাদ বিশ্বের অভিশাপ

    শুধুমাত্র ভারতের জন্য নয়, সন্ত্রাসবাদ (Pakistan Support Terror) গোটা বিশ্বের জন্যই অভিশাপ । এমনই মনে করেন হরিশ ৷ তাঁর কথায়, ‘‘একটি সন্ত্রাসবাদী হামলা আদতে একাধিক হামলার সমান৷ একটি প্রাণ গেলে তার সঙ্গে হাজারটা প্রাণ যায়৷ সুতরাং, আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে আমরা এই সমস্যার সমাধানের জন্য কী কী পদক্ষেপ করছি, সেটাই আলোচনার বিষয়৷’’ সন্ত্রাসবাদকে ভারত কোনওমতেই মেনে নেবে না বলে জানান হরিশ। প্রসঙ্গত, ক্ষমতায় আসার পর সন্ত্রাসবাদ রুখতে একাধিক পদক্ষেপ করেছে মোদি সরকার৷ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেশের নিরাপত্তা আরও মজবুত করতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উপর বাড়তি গুরুত্ব আরোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী৷ দেশের তিন সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্রে সাজিয়ে তোলা হয়েছে৷ সেই সঙ্গে, পাকিস্তানের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে ভারতের তরফে৷ যদিও তারপরও কোনও পরিবর্তন হয়নি বলে দাবি দিল্লির৷ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Krishna Janmabhoomi Case: কৃষ্ণ জন্মভূমি মামলা, আদালত উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এল পাকিস্তান থেকে

    Krishna Janmabhoomi Case: কৃষ্ণ জন্মভূমি মামলা, আদালত উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এল পাকিস্তান থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলাহাবাদ হাইকোর্টে চলছে কৃষ্ণ জন্মভূমি মামলা (Krishna Janmabhoomi Case)। এবার সেই আদালতই বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এল পাকিস্তান (Pakistan) থেকে। নভেম্বরের ১৩ তারিখে ওই হুমকি দেওয়া হয় ২২টি অডিও রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে। অডিও পাঠানো হয়েছিল আশুতোষ পাণ্ডে নামের এক ব্যক্তির কাছে। তিনি কৃষ্ণ জন্মভূমি মামলার একজন আবেদনকারী। মথুরাভিত্তিক শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি মুক্তি নির্মাণ ট্রাস্টের সভাপতিও তিনি।

    হুমকি বার্তা পাকিস্তান থেকে (Krishna Janmabhoomi Case)

    তিনি জানান, এই অডিও বার্তাগুলো হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাকিস্তানের দুটি নম্বর থেকে পাঠানো হয়। তিনি নভেম্বর ১৩ তারিখ রাত ৯টা ৩৬ মিনিটে এই বার্তাগুলো পান। সেখানেই তিনি এলাহাবাদ হাইকোর্টে বোমা হামলার হুমকি শুনতে পান। বোমা হামলার হুমকির পাশাপাশি বার্তাগুলিতে অশ্লীল ভাষা এবং পাণ্ডেকে ব্যক্তিগতভাবে হুমকি দেওয়া হয়। কলার সতর্ক করে বলে, নভেম্বর ১৯ তারিখে এলাহাবাদ হাইকোর্টে বোমা হামলা করা হবে এবং পরেরদিন পাণ্ডের ওপর হামলা হবে।

    পুলিশের হাতে অডিও ক্লিপ

    অডিও ক্লিপগুলি পুলিশের হাতে তুলে দেন তিনি। পাণ্ডে জানান, একইসঙ্গে তিনি পাকিস্তানের ওই নম্বরগুলি থেকে ফোন কলও পান। সেই কলেও একই ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। পাণ্ডে শামলির কান্দলা এলাকার বাসিন্দা। এই হুমকি-বার্তাগুলি তিনি শামলি পুলিশের কাছে জমা দেন। পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের ইমেইলও করেছেন। তিনি বলেন, “এর আগেও আমি একই ধরনের হুমকি পেয়েছিলাম। তাই প্রয়াগরাজ, কৌশাম্বী, ফতেপুর এবং মথুরায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল।”

    আরও পড়ুন: শুক্রবারের ‘খুতবা’ দিতে হলে আগাম অনুমতি নিতে হবে, ছত্তিশগড়ের মসজিদগুলিকে নির্দেশ

    শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমিকে (Krishna Janmabhoomi Case) শাহি ইদগাহ মসজিদের নিয়ন্ত্রণ-মুক্ত করতে সব মিলিয়ে আবেদন করেছিলেন ১৮ জন। পাণ্ডে তাঁদেরই একজন। তিনি মসজিদের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মসজিদ কমিটির কর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিয়েছিল।

    প্রসঙ্গত, মইনপুরীর জনৈক অজয় প্রতাপ সিং তথ্য জানার অধিকার আইনের আওতায় সারা দেশের মন্দিরগুলির তথ্য জানতে চেয়েছিলেন। তাতে মথুরায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান সম্পর্কেও তথ্য চাওয়া হয়েছিল। এর উত্তর দিতে গিয়ে ১৯২০ সালে প্রকাশিত একটি গেজেটের ভিত্তিতে তথ্য দেয় এএসআই। সেই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, আগে মসজিদের জায়গায় ছিল (Pakistan) কাটরা কেশবদেবের মন্দির (Krishna Janmabhoomi Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share