Tag: pakistan

pakistan

  • Holy Jihad Battle: ইজরায়েলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় সামরিক অভিযান ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের

    Holy Jihad Battle: ইজরায়েলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় সামরিক অভিযান ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ‘পবিত্র জেহাদ যুদ্ধে’র (Holy Jihad Battle) অংশ হিসেবে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় সামরিক অভিযান চালাল ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। এই হুথিরাই (Yemens Houthis) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরান যুদ্ধে এখনও অবধি সর্বশেষ অংশগ্রহণকারী।

    হুথির বিবৃতি জারি (Holy Jihad Battle)

    এক বিবৃতিতে হুথির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, “আমাদের বাহিনী পবিত্র জেহাদ যুদ্ধের অংশ হিসেবে দ্বিতীয় সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে, যেখানে ক্রুজ মিসাইল ও ড্রোনের মাধ্যমে দক্ষিণের দখল করা প্যালেস্তাইনে জায়োনিস্ট শত্রুর গুরুত্বপূর্ণ ও সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে টার্গেট করা হয়েছে। এই অভিযান ইরানে আমাদের মুজাহিদিন ভাইদের এবং লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক অভিযানের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং আল্লাহর রহমতে এটি সফলভাবে তার লক্ষ্য পূরণ করেছে।” প্রসঙ্গত, এই বিবৃতিটি জারি করা হয় ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠী আনুষ্ঠানিকভাবে আঞ্চলিক সংঘাতে যোগ দেওয়ার মাত্র একদিন পর। ওই বিবৃতিতে তারা জানায়, তারা প্রথম সামরিক হামলায় ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার করে ইজরায়েলের সামরিক টার্গেটে আঘাত হেনেছে। এই আক্রমণ ইরান ও লেবাননের মিত্র বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত হয়েছে।

    আরও ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ!

    হুথিদের এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার জেরে আরও প্রসারিত হল ইরান, আমেরিকা ও ইজরায়েলের সংঘাতের পরিধি। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বহুমুখী যুদ্ধের আশঙ্কা বেড়েছে। হুথিরা ঘোষণা করেছে, তারা তাদের ভাষায় “আগ্রাসন” বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাবে। এ থেকে স্পষ্ট, এটি এককালীন কোনও পদক্ষেপ নয়, বরং এর ফলে দীর্ঘমেয়াদি উত্তেজনা বাড়তে পারে (Holy Jihad Battle)। এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চলটিতে তাদের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করছে। হাজার হাজার মেরিন ইতিমধ্যেই সেখানে পৌঁছতে শুরু করেছে এবং আরও সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের সৈন্যরাও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। যদিও মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, “ওয়াশিংটন কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই অভিযান শেষ করতে চায় এবং স্থলযুদ্ধ ছাড়াই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হতে পারে, তবুও এই সামরিক প্রস্তুতি সর্বোচ্চ কৌশলগত নমনীয়তা নিশ্চিত করতে করা হয়েছে।” বস্তুত, এই ঘটনাটি সংঘাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তাকেই তুলে ধরে (Yemens Houthis)।

    যুদ্ধের ক্ষত

    একই সময়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সামরিক ঘটনার সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়িয়েছেন, যার মধ্যে (Holy Jihad Battle) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে আলোচনাও রয়েছে। ইসলামাবাদ তুরস্ক ও সৌদি আরবের বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের আয়োজন করতে যাচ্ছে। এর লক্ষ্য হল উত্তেজনা কমানো। তবে দ্রুত কোনও সমাধানের লক্ষণ এখনও দেখা যায়নি। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েলের ইরানের ওপর হামলার মাধ্যমে যে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, তা ইতিমধ্যেই গোটা অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। বিপুল (Yemens Houthis) সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা (Holy Jihad Battle)।

     

  • Delhi Crime Branch: পাকিস্তান-বাংলাদেশ অস্ত্রপাচার চক্রের হদিশ! দিল্লি পুলিশের জালে ১০ পাচারকারী

    Delhi Crime Branch: পাকিস্তান-বাংলাদেশ অস্ত্রপাচার চক্রের হদিশ! দিল্লি পুলিশের জালে ১০ পাচারকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি পুলিশের (Delhi Crime Branch) জালে এক বড় আন্তর্জাতিক অস্ত্র পাচার চক্র। পুরনো দিল্লির ওয়ার্ল্ড সিটি এলাকা থেকে পরিচালিত এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ২১টি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং ২০০-রও বেশি কার্তুজ। ডিসিপি সঞ্জীব যাদবের নেতৃত্বে চালানো এই অভিযানে পাকিস্তান, নেপাল ও বাংলাদেশের (Pakistan-Bangladesh Arms Trail) সঙ্গে যুক্ত একটি সুসংগঠিত পাচার রুটের সন্ধান মিলেছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি চেক প্রজাতন্ত্র-নির্মিত সাবমেশিন গান এবং বেরেটা, ওয়ালথার, টরাস ও সিজেড-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার তৈরি একাধিক সেমি-অটোমেটিক পিস্তল। এছাড়া একটি উচ্চমানের পিএক্স৫.৭ পিস্তলও উদ্ধার হয়েছে, যা সাধারণত এলিট ট্যাকটিক্যাল ইউনিটে ব্যবহৃত হয়।

    পাকিস্তান থেকে নেপাল হয়ে দিল্লি

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অস্ত্রগুলি পাকিস্তান থেকে পাচার হয়ে নেপাল সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকত এবং সেখান থেকে দিল্লিতে আনা হত। পুরনো দিল্লির ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাকে গুদাম ও বিতরণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হত। তদন্তকারীদের মতে, এই চক্রের কাছে এত উন্নতমানের অস্ত্রের উপস্থিতি এই নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি ও উদ্দেশ্য নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে। এই চক্রটি দিল্লি-এনসিআর সহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন সংগঠিত অপরাধচক্রে অস্ত্র সরবরাহ করত। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক অস্ত্র সরবরাহকারী ও স্থানীয় অপরাধ জগতের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছিল এই নেটওয়ার্ক। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, পুরনো দিল্লির জটিল ও ঘিঞ্জি গলিপথকে কাজে লাগিয়ে চক্রটি দীর্ঘদিন ধরেই নজর এড়িয়ে কার্যকলাপ চালিয়ে আসছিল।

    সংগঠিত অপরাধ জগতে বড় ধাক্কা

    পুলিশের মতে, এই অভিযানে উত্তর ভারতের অপরাধ জগতে বড় ধাক্কা লেগেছে। কারণ, বহু অপরাধচক্র এই নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভরশীল ছিল। এখন তদন্তকারীরা উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলি কাদের কাছে যেত, তা খুঁজে বার করার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি, এই চক্রের আর্থিক লেনদেন এবং আন্তর্জাতিক যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও, এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে কোনো স্লিপার সেল বা দেশবিরোধী গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো চক্রের মূল পান্ডাদের খোঁজ এবং নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি বোঝার চেষ্টা চলছে। পাকিস্তান-নেপাল-বাংলাদেশ সংযুক্ত এই অস্ত্র পাচার চক্র ভাঙার ঘটনায় আবারও সামনে এল সীমান্ত পেরিয়ে চলা অপরাধের জাল।

  • Middle East Crisis: নিশ্চিন্তে পার হতে পারবে ভারত, ৫ ‘বন্ধু’ দেশের জন্য হরমুজ প্রণালী খুলে দিল ইরান

    Middle East Crisis: নিশ্চিন্তে পার হতে পারবে ভারত, ৫ ‘বন্ধু’ দেশের জন্য হরমুজ প্রণালী খুলে দিল ইরান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-সহ পাঁচটি ‘বন্ধু’ দেশের জাহাজ চলাচলে তারা কোনও অবরোধ আরোপ করবে না। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের মধ্যেই একথা জানিয়ে দিল ইরান। ভারত ছাড়া রাশিয়া, চিন, পাকিস্তান এবং ইরাকের জাহাজগুলিকেও এই সংঘাতপূর্ণ অথচ গুরুত্বপূর্ণ জলপথ (হরমুজ প্রণালী) দিয়ে নিরাপদে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    ইরানের বিদেশমন্ত্রীর ঘোষণা (Middle East Crisis)

    ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণভাবে বন্ধ নয়। যেসব দেশের সঙ্গে ইরানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, তাদের জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে।” তিনি বলেন, “অনেক জাহাজ মালিক বা সংশ্লিষ্ট দেশ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিরাপদে প্রণালী পার হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। যেসব দেশকে আমরা বন্ধু মনে করি, অথবা অন্য বিশেষ কারণে যাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তাদের জন্য আমাদের সশস্ত্র বাহিনী নিরাপদ পথ নিশ্চিত করেছে।” তিনি এও বলেন, “আপনারা খবরে দেখেছেন চিন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক এবং ভারতের কোনও সমস্যা হয়নি। কয়েক রাত আগে ভারতের দু’টি জাহাজও এই পথ পার হয়েছে। আরও কিছু দেশ, এমনকি আমার মনে হয় বাংলাদেশও, আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এই প্রক্রিয়া ভবিষ্যতেও চলবে, এমনকি যুদ্ধের পরেও।”

    এই অঞ্চল এখন যুদ্ধক্ষেত্র

    তিনি সাফ জানিয়ে দেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে জড়িত উপসাগরীয় দেশগুলির জাহাজকে এই যুদ্ধবিধ্বস্ত জলপথ দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। আরাঘচি বলেন, “আমরা যুদ্ধাবস্থায় আছি। এই অঞ্চল এখন যুদ্ধক্ষেত্র। আমাদের শত্রু ও তাদের মিত্রদের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়ার কোনও কারণই নেই। তবে অন্যদের জন্য এটি খোলা থাকবে।” আরাঘচি বলেন, “প্রায় পাঁচ দশক পরে হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরান যে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে, তাতে তিনি সন্তুষ্ট।” তিনি জানান, যখন ইরান আংশিক অবরোধের কথা ঘোষণা করেছিল, তখন অনেকেই সেটিকে বিশ্বাস করেনি এবং এটিকে কেবল ব্লাফ বলে মনে করেছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে ইরান তাদের ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব প্রমাণ করে দিয়েছে। আরাঘচি বলেন, “তারা (আমেরিকা এবং ইজরায়েল) ভেবেছিল ইরানের এত সাহস নেই। কিন্তু আমরা শক্ত হাতে পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছি। তারা আমাদের ঠেকাতে সব ধরনের চেষ্টা করেছে, যদিও ব্যর্থ হয়েছে। তারা অন্য দেশগুলির কাছেও সাহায্য চেয়েছে, এমনকি যাদের তারা নিজেরাই শত্রু বলে মনে করে। কিন্তু কেউ সাড়া দেয়নি। কারণ এটি বাস্তবসম্মত নয়।”

    হরমুজ প্রণালী আংশিকভাবে বন্ধ করার ঘোষণার জের

    আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের কয়েকদিন পর ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)-এর এক শীর্ষ আধিকারিক হরমুজ প্রণালী আংশিকভাবে বন্ধ করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। সংবাদ মাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত তেল পরিবহণ পথ। এখান দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়। তাই এই অবরোধ বৈশ্বিক জ্বালানি সঙ্কট সৃষ্টি করে এবং বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের দাম বেড়ে যায়, যার প্রভাব পড়ে বহু দেশের ওপর। সমুদ্রপথের এই বিঘ্ন ভারতের এলপিজি (LPG) সরবরাহেও ঘাটতি সৃষ্টি করেছে। কারণ দেশটি তার মোট এলপিজির প্রায় ৯০ শতাংশ এই প্রণালী দিয়ে আমদানি করে। এর ফলে ছোট রাস্তার বিক্রেতা থেকে শুরু করে রেস্টুরেন্ট মালিক পর্যন্ত বিরাট জনগোষ্ঠী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যদিও পরিস্থিতির উন্নতি ঘটে কয়েক দিনের মধ্যেই, যখন ‘নন্দাদেবী’ ও ‘শিবালিক’-সহ এলপিজি বহনকারী কয়েকটি জাহাজকে হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই জাহাজগুলি ভারতে এসেও গিয়েছে।

     

  • All Party Meet: ‘পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয় ভারত’, সর্বদলীয় বৈঠকে সাফ জানাল কেন্দ্র

    All Party Meet: ‘পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয় ভারত’, সর্বদলীয় বৈঠকে সাফ জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভারত কোনওভাবেই পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয়।’ বুধবার সর্বদলীয় বৈঠকে (All Party Meet) সাফ জানিয়ে দিল কেন্দ্র। পশ্চিম এশিয়ায় যে সংঘাত চলছে, সেখানে পাকিস্তানের কথিত মধ্যস্থতার (Pakistan) প্রসঙ্গে একথা জানিয়ে দেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে। সংসদ ভবনে আয়োজিত এই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আটজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিরোধী দলের একাধিক সদস্য। বৈঠক বয়কট করে তৃণমূল।

    বিরোধীদের প্রশ্ন, জয়শঙ্করের উত্তর (All Party Meet)

    বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে আর ভারত নীরব দর্শক হয়ে রয়েছে। এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, “১৯৮১ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে ব্যবহার করে আসছে। তাই এই ধরনের মধ্যস্থতা নতুন কিছু নয়।” এর পরেই তিনি বলেন, “আমরা কোনও দালাল রাষ্ট্র নই।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোনে আলাপচারিতা নিয়ে বিরোধীদের প্রশ্নের উত্তরে জয়শঙ্কর জানান, প্রধানমন্ত্রী পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন। কারণ এই সংঘাত সবার পক্ষেই ক্ষতিকর। সিপিআই(এম) সাংসদ জন ব্রিটাসের প্রশ্ন ছিল, “সরকার কি এই সংঘাতে নীরবতাকেই কূটনীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে?” জয়শঙ্কর বলেন, “নয়াদিল্লি নীরব নয়, বরং আমরা মন্তব্য করছি এবং প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছি।” সূত্রের খবর, ব্রিটাস উল্লেখ করেন যে কাতার, যেখান থেকে ভারত প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করে, তারাও স্বীকার করেছে উৎপাদন স্থিতিশীল করতে তাদের বহু বছর লাগবে (All Party Meet)।

    এনসিপি (এসপি) সাংসদের প্রশ্ন

    এনসিপি (এসপি) সাংসদ সুপ্রিয়া সুলের প্রশ্ন ছিল, “ভারতের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সম্পর্কের বিশেষ সুবিধা কী?” উত্তরে জয়শঙ্কর বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক ও প্রতিরক্ষা অংশীদার। ইরানও আমাদের আচরণে সন্তুষ্ট।” বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, ভারত ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর ঘটনায় দ্রুত শোক প্রকাশ করেনি। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, ইরানি দূতাবাস খোলার পরপরই বিদেশসচিব সেখানে গিয়ে শোকপুস্তকে স্বাক্ষর করেছিলেন (Pakistan)। সরকার এও জানায়, উপসাগরীয় অঞ্চলে বসবাসরত প্রবাসী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণ করাই প্রধান লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে সরকার এখন পর্যন্ত সফলই হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে (All Party Meet)।

    সংসদে আলোচনার দাবি

    বিরোধীরা অবশ্য সরকারের দেওয়া উত্তরকে “অসন্তোষজনক” বলে অভিহিত করেন। তাঁরা লোকসভা ও রাজ্যসভা—সংসদের উভয় কক্ষেই পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনার দাবি জানান। সরকারকে নিশানা করে কংগ্রেস নেতা তারিক আনোয়ার বলেন, “লোকসভা ও রাজ্যসভায় এই বিষয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। বিরোধী দলগুলি সরকারের জবাবে সন্তুষ্ট নয়।” ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটির অন্তর্ভুক্ত সকল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এদিনের বৈঠকে সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুও উপস্থিত ছিলেন। বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রি বৈঠকে একটি প্রেজেন্টেশন দেন (All Party Meet)। বৈঠকে উপস্থিত বিরোধী নেতাদের মধ্যে ছিলেন কংগ্রেসের তারিক আনোয়ার ও মুকুল ওয়াসনিক, সমাজবাদী পার্টির ধর্মেন্দ্র যাদব এবং বিজু জনতা দলের সাস্মিত পাত্র প্রমুখ (Pakistan)। তৃণমূলের কোনও প্রতিনিধি সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দেননি।

     

  • Pakistani Spy in IAF: টাকার বদলে পাকিস্তানে গোপন সামরিক তথ্য পাচার! চরবৃত্তির অভিযোগে অসমে গ্রেফতার বায়ুসেনার কর্মী

    Pakistani Spy in IAF: টাকার বদলে পাকিস্তানে গোপন সামরিক তথ্য পাচার! চরবৃত্তির অভিযোগে অসমে গ্রেফতার বায়ুসেনার কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের বায়ুসেনা ঘাঁটির গোপন তথ্য তুলে দেওয়া হতো পাকিস্তানের চরের (Pakistani Spy in IAF) হাতে। দীর্ঘদিন ধরেই এই কাজ চালানোর পরে অবশেষে গোয়েন্দাদের হাতে ধরা পড়ল চক্রী। যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে সে অসমের ছাবুয়া বায়ুসেনাঘাঁটিতে সিভিলিয়ান কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিল। রবিবার ৩৬ বছরের সুমিত কুমারকে রাজস্থান ইন্টেলিজেন্স এবং এয়ার ফোর্স ইন্টেলিজেন্সের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে। ২০২৩ সাল থেকে সুমিত পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের কাছে অত্যন্ত গোপনীয় তথ্য ফাঁস করে আসছিলেন বলে অভিযোগ। তার বিরুদ্ধে ভারতের একাধিক স্পর্শকাতর তথ্য পাকিস্তানের চরের কাছে পাচার করার অভিযোগ রয়েছে।

    কীভাবে পুলিশের জালে সুমিত

    রাজস্থান পুলিশের অতিরিক্ত ডিজি (ইন্টেলিজেন্স) প্রফুল্ল কুমার জানিয়েছেন, জানুয়ারি ২০২৬-এ জয়সলমীর থেকে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি জহরারামকে গ্রেফতারের পর তদন্তের সূত্র ধরে সুমিতের নাম উঠে আসে। সুমিত উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের বাসিন্দা। ছাবুয়া বিমান ঘাঁটিতে মাল্টি টাস্কিং স্টাফ হিসেবে কর্মরত ছিল সুমিত। পেশার সুবিধা কাজে লাগিয়ে নানা তথ্য জোগাড় করে সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডল ব্যবহার করে তথ্য পাচার করত সুমিত। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ২০২৩ থেকে চরবৃত্তির কাজে যুক্ত সুমিত। টাকার বিনিময়ে তথ্য পাচার করা হত। বায়ুসেনা ঘাঁটিতে কী কী রয়েছে, কোন ফাইটার জেট রাখা হয়, ঘাঁটির কোথায় রাখা হয়- এমন নানা ধরনের তথ্য পাচার করা হয়েছে।

    পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগ

    জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সুমিত নিজের নামে সিম কার্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে দিয়েছেন, যাতে তারা যোগাযোগ রাখতে পারেন। এই সব তথ্য ভারতের সামরিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত স্পর্শকাতর। যৌথ অভিযানে রাজস্থান ইন্টেলিজেন্সের টিম এয়ারফোর্স ইন্টেলিজেন্সের সহায়তায় ছাবুয়া থেকে সুমিতকে আটক করে জয়পুরের সেন্ট্রাল ইন্টারোগেশন সেন্টারে নিয়ে আসে। ২২ মার্চ ২০২৬-এ জয়পুরের স্পেশাল পুলিশ স্টেশনে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩ এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস), ২০২৩-এর ধারায় মামলা রুজু করে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে তাকে জয়পুর কোর্টে তোলা হয়েছে। এই গ্রেফতার পাকিস্তান-সমর্থিত গুপ্তচর নেটওয়ার্কের একটি বড় অংশ উন্মোচন করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই নেটওয়ার্ক দেশের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে ছড়িয়ে রয়েছে এবং আরও কয়েকজনের নাম উঠে আসতে পারে। সুমিতের মতো একজন নিম্নপদস্থ কর্মী কীভাবে এত গোপন তথ্য অ্যাক্সেস করতে পারলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

  • USCIRF Report: ভারত নিয়ে আমেরিকার ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের রিপোর্টের কড়া সমালোচনা বিশিষ্টদের

    USCIRF Report: ভারত নিয়ে আমেরিকার ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের রিপোর্টের কড়া সমালোচনা বিশিষ্টদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত নিয়ে আমেরিকার আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের (USCIRF Report) সর্বশেষ রিপোর্টের কড়া সমালোচনা করলেন ২৭৫ জন বিচারপতি, অবসরপ্রাপ্ত আমলা, কূটনীতিক এবং সশস্ত্র বাহিনীর আধিকারিকদের একটি অংশ।  তাঁরা একে “অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং সম্পূর্ণভাবে বাস্তবতা থেকে বিচ্যুত” বলে অভিহিত করেন। যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা ইউএসসিআইআরএফের সেই সুপারিশের বিরোধিতা করেন, যেখানে ভারতকে “বিশেষ উদ্বেগের দেশ” (country of particular concern) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আরএসএস (RSS) এবং ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র-সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে ভারতের বিদেশমন্ত্রক এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান (Former Judges Officers) করে দিয়েছে। তারা একে “প্রণোদিত ও পক্ষপাতদুষ্ট” বলে উল্লেখ করেছে।

    বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা (USCIRF Report)

    এই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি আদর্শ কুমার গোয়েল ও বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত, হিমাচল প্রদেশের প্রাক্তন রাজ্যপাল বিচারপতি বিষ্ণু সদাশিব কোকজে, প্রাক্তন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ওপি রাওয়াত এবং সুনীল অরোরা, প্রাক্তন বিদেশসচিব কানওয়াল সিবাল-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ১৩০-এরও বেশি অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্তা। তাঁরা ইউএসসিআইআরএফ কমিশনারদের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং প্রতিবেদনে ব্যবহৃত পদ্ধতি – উভয়েরই সমালোচনা করেন। তাঁদের মতে, ধর্মীয় স্বাধীনতার মূল্যায়ন দীর্ঘমেয়াদি জনসংখ্যাগত প্রবণতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত, নির্বাচিত বা বিচ্ছিন্ন ঘটনার বর্ণনার ওপর নয়।

    জনগণনার তথ্য

    স্বাক্ষরকারীরা জনগণনার তথ্য তুলে ধরে জানান, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৯৫১ সালে ৯.৮ শতাংশ থেকে ২০১১ সালে ১৪.২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে খ্রিস্টান ও শিখ জনসংখ্যা যথাক্রমে ২.৩ শতাংশ ও ১.৭ শতাংশে স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, অবিভক্ত (USCIRF Report) পাকিস্তানে হিন্দু জনসংখ্যা ২০-২২ শতাংশ থেকে বর্তমানে পাকিস্তানে প্রায় ১.৫-২ শতাংশ এবং বাংলাদেশে ৭-৮ শতাংশে নেমে এসেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতাগুলি ইঙ্গিত দেয় যে ভারতে সামগ্রিক পরিবেশ এমন নয় যা সংখ্যালঘুদের ধারাবাহিক জনসংখ্যা হ্রাস করে, যা সাধারণত প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়ন বা ব্যবস্থাগত বর্জনের লক্ষণ হিসেবে দেখা হয়।

    ইউএসসিআইআরএফের নিষেধাজ্ঞার আহ্বানের বিরোধিতা

    স্বাক্ষরকারীরা ইউএসসিআইআরএফের নিষেধাজ্ঞার আহ্বান, যার মধ্যে আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত এবং যাতায়াতের বিধিনিষেধও অন্তর্ভুক্ত, তারও তীব্র বিরোধিতা করেন। তাঁরা এসব সুপারিশকে “অত্যন্ত প্রণোদিত” এবং “বুদ্ধিবৃত্তিক দেউলিয়াত্ব ও বিকৃত সিদ্ধান্তের (USCIRF Report) প্রতিফলন” আখ্যা দেন। তাঁরা এও বলেন, ইউএসসিআইআরএফ বারবার ভারতীয় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলিকে উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়াই নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করে। যদিও তাঁরা স্বীকার করেন, আরএসএসের মতো সংগঠন সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়, তবে এই সমালোচনা অবশ্যই “যাচাইযোগ্য প্রমাণ ও প্রাসঙ্গিক বোঝাপড়ার” ভিত্তিতে হওয়া উচিত, সরলীকরণের ওপর নয়।

    স্বাক্ষরকারীরা ভারতকে একটি “মজবুত গণতন্ত্র” হিসেবে উল্লেখ করেন। জানিয়ে দেন, এখানে সুপ্রতিষ্ঠিত বিচারব্যবস্থা ও সংসদীয় কাঠামো রয়েছে। তাঁরা মার্কিন সরকারকে ইউএসসিআইআরএফের রিপোর্টের ভিত্তি (Former Judges Officers) এবং এর যাথার্থ পুনর্মূল্যায়নের আহ্বান জানান। তাঁদের মতে, এই অঞ্চলে ধর্মীয় স্বাধীনতার যে কোনও অর্থবহ মূল্যায়নের জন্য আরও নিরপেক্ষ, দীর্ঘমেয়াদি এবং ভারতীয় উপমহাদেশজুড়ে তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা জরুরি (USCIRF Report)।

     

  • India: আফগানিস্তানের দিকে ‘মানবিকতা’র হাত বাড়াল ভারত, পাঠানো হল জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী

    India: আফগানিস্তানের দিকে ‘মানবিকতা’র হাত বাড়াল ভারত, পাঠানো হল জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার আফগানিস্তানের দিকে ‘মানবিকতা’র হাত বাড়াল নরেন্দ্র মোদির ভারত (India)। ১৬ মার্চ পাকিস্তানের হামলায় যাঁরা জখম হয়েছেন, তাঁদের চিকিৎসা এবং তাঁরা যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন, তাই কাবুলে ২.৫ টন জরুরি চিকিৎসা সামগ্রীর (Medical Aid) একটি চালান পাঠিয়েছে নয়াদিল্লি।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (India)

    ১৬ মার্চের ওই নৃশংস হামলায় বহু মানুষ জখম হন। তার জেরে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। বিদেশমন্ত্রকের (MEA) মতে, এই চালানে জরুরি ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, কিট এবং অন্যান্য উপকরণ রয়েছে, যা আপৎকালীন চিকিৎসা ব্যবস্থা জোরদার করতে পাঠানো হয়েছে। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “১৬ মার্চের নৃশংস হামলায় আহতদের চিকিৎসা ও দ্রুত আরোগ্যের সহায়তায় ভারত কাবুলে ২.৫ টন জরুরি ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, কিট এবং যন্ত্রপাতি পাঠিয়েছে।” তিনি এও বলেন, “ভারত (India) আফগান জনগণের পাশে রয়েছে এবং এই কঠিন সময়ে সব ধরনের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।”

    মোদি সরকারের মানবিক মুখ

    এই প্রথম নয়, মোদি সরকারের মানবিক মুখ আগেও দেখেছেন আফগানরা। গত সেপ্টেম্বরে ভূমিকম্পের জেরে বস্তুত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল তালিবান-শাসিত আফগানিস্তান। তার পরে পরেই ভারত আফগানিস্তানে মানবিক সাহায্য পাঠিয়েছিল। ওই ভূমিকম্পে মৃত্যু হয়েছিল কমবেশি ১৪০০ জনের। এক্স হ্যান্ডেলে শোকপ্রকাশও করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করও জানিয়েছিলেন, আফগানিস্তানকে সর্বতোভাবে মানবিক সাহায্য করতে প্রস্তুত ভারত। পরে নয়াদিল্লি কাবুলে পাঠিয়েছিল চালের বস্তা, তাঁবু এবং অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী বোঝাই ট্রাক। সেই সময় জয়শঙ্কর জানিয়েছিলেন, ভারত কাবুলে হাজারটি পরিবারের জন্য তাঁবু পাঠিয়েছে। খাদ্য সামগ্রী পাঠানো হয়েছে ১৫ টন।

    প্রসঙ্গত, সোমবারই পাক বিমানবাহিনী হামলা চালায় কাবুলের একটি বড় রিহ্যাব হাসপাতালে। আফগানিস্তানের দাবি, ওই হামলায় নিহত হয়েছেন ৪০০জন। জখম হয়েছেন ২৫০ জন। পাক হামলার (Medical Aid) সময় হাসপাতালটি ভর্তি ছিল রোগী এবং স্বাস্থ্যকর্মীতে (India)। তা সত্ত্বেও সেখানে হামলা চালানো হয়েছিল বলেই দাবি কাবুলের।

     

  • Pakistan: গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে শীর্ষে পাকিস্তান; বুরকিনা ফাসোর চেয়েও শোচনীয় অবস্থা

    Pakistan: গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে শীর্ষে পাকিস্তান; বুরকিনা ফাসোর চেয়েও শোচনীয় অবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিক্স অ্যান্ড পিস (IEP) কর্তৃক প্রকাশিত গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স (GTI) ২০২৬-এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী সন্ত্রাসবাদের (Global Terrorism Index) প্রভাবে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় পাকিস্তান প্রথম স্থান দখল করেছে। আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোকেও পেছনে ফেলে দিয়ে এই প্রথমবার পাকিস্তান (Pakistan) এই সূচকের শীর্ষে উঠে এলো। অবশ্য অভিজ্ঞ মহল এই নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন। কারণ বিশ্বে সন্ত্রাস উৎপাদন করে পাকিস্তানের মতো দেশ। একাধিক জেহাদি সংগঠনের জন্ম পাক ভূমিতে।

    ১,০৪৫টি সন্ত্রাসী হামলায় প্রায় ১,১৩৯ জনের মৃত্যু (Pakistan)

    প্রতিবেদনের সূচকে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের (Pakistan) স্কোর ৮.৫৭। গত এক দশকে দেশটিতে সন্ত্রাসবাদ (Global Terrorism Index) যে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, এটি তারই প্রতিফলন। ২০২৫ সালে পাকিস্তানে ১,০৪৫টি সন্ত্রাসী হামলায় প্রায় ১,১৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা ২০১৩ সালের পর সর্বোচ্চ বলে জানা গিয়েছে। অপর দিকে বুরকিনা ফাসোর ক্ষেত্রে এই সূচক নিচে নেমেছে। টানা দুই বছর শীর্ষে থাকার পর বুরকিনা ফাসো এখন দ্বিতীয় স্থানে নেমে এসেছে। এখানে প্রাণহানির সংখ্যা আগের তুলনায় প্রায় ৪৫% হ্রাস পেয়েছে।

    ৯৭ পৃষ্ঠার এই গবেষণাটির চিত্র অত্যন্ত স্পষ্ট। যেখানে বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী হামলায় মৃত্যুর সংখ্যা ২৮% কমে ৫,৫৮২-তে এবং হামলার সংখ্যা ২২% কমে ২,৯৪৪-এ দাঁড়িয়েছে এবং ৮১টি দেশের অবস্থার উন্নতি হয়েছে, সেখানে পাকিস্তানের অবস্থা বিপরীত দিকে গেছে। এটা কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়। এর ফল হলো চরমপন্থী ইসলামপন্থী মতাদর্শ, রাষ্ট্র কর্তৃক একসময় লালিত বিভিন্ন গোষ্ঠী এবং আফগান প্রভাবের বিস্তার।

    আঞ্চলিক অস্থিরতা, কোন দেশে কত জঙ্গি তৎপরতা?

    প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, আফগানিস্তানে তালেবানের ক্ষমতা দখলের পর সীমান্ত অঞ্চলে অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাকিস্তানে জঙ্গি তৎপরতা বহুগুণ বেড়েছে। বিশেষ করে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (Pakistan) এবং বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (BLA)-র মতো গোষ্ঠীগুলোর হামলা (Global Terrorism Index) উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই হামলার কারণে সন্ত্রাসের আঁতুড় ঘরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এই তালিকায় ভারত ১৩তম স্থানে রয়েছে। ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তান ১১তম এবং বাংলাদেশ ৪২তম অবস্থানে রয়েছে।

    পাকিস্তানে ২০১৩ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক সন্ত্রাসী হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। শুধুমাত্র টিটিপি একাই ৫৯৫টি হামলা ও ৬৩৭ জনের মৃত্যুর জন্য দায়ী, যা আগের বছরের তুলনায় ১৩% বেশি। ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দেওবন্দী ইসলামপন্থী গ্রুপের আল-কায়েদার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কার্যকলাপ ও ধর্মীয় সম্পর্ক রয়েছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ পর্যবেক্ষণ করেছে, টিটিপি আল-কায়েদার কাছ থেকে আদর্শগত নির্দেশনা নেওয়ার পাশাপাশি আফগান-পাকিস্তান সীমান্তে নিরাপদ আশ্রয় প্রদান করেছে।

    সন্ত্রাসবাদজনিত মৃত্যুর প্রায় ৭০% ঘটছে ৫টি দেশে

    বিশ্ব পরিস্থিতিতে সামগ্রিকভাবে সন্ত্রাসবাদজনিত (Global Terrorism Index) মৃত্যু ২৮% কমলেও, পাকিস্তান ও সাব-সাহারান আফ্রিকা অঞ্চলের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বর্তমানে বিশ্বের মোট সন্ত্রাসবাদজনিত মৃত্যুর প্রায় ৭০% ঘটছে পাকিস্তান, বুরকিনা ফাসো, নাইজেরিয়া, নাইজার এবং কঙ্গোর মতো মাত্র পাঁচটি দেশে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পাকিস্তান গত ১২ বছর ধরেই এই সূচকের শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে রয়েছে, তবে ২০২৬-এর এই অবস্থান দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম অবনতিকেই নির্দেশ করে।

  • Pak Airstrike on Hospital: ‘সামরিক অভিযানের নামে গণহত্যা’, কাবুলের হাসপাতালে পাক হামলার কড়া নিন্দা ভারতের

    Pak Airstrike on Hospital: ‘সামরিক অভিযানের নামে গণহত্যা’, কাবুলের হাসপাতালে পাক হামলার কড়া নিন্দা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বর্বরোচিত’ এবং ‘কাপুরুষোচিত’-র মতো কাজ করেছে পাকিস্তান (Pak Airstrike on Hospital)। আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের হাসপাতালে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর হামলার কড়া নিন্দা করল ভারত। এই হামলায় অন্তত ৪০০ জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে বিদেশ মন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই হামলার প্রতিবাদ করে ভারত বলেছে, ‘এই হামলা আদতে আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্বের উপরে আঘাত যা আঞ্চলিক শান্তি এবং স্থিতিশীলতাকে বিঘ্নিত করবে।’ নয়াদিল্লি জানিয়েছে, সোমবার রাতে পাকিস্তান যা করেছে, তা এক নৃশংস গণহত্যা। এখন সেই গণহত্যাকে ‘সামরিক অভিযান’ বলে চালানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান।

    কোনও যুক্তিতেই ‘সামরিক নিশানা’ নয়

    ভারতের বিবৃতিতে বলা হয়, রমজান মাসে শান্তি এবং দয়া প্রদর্শন করে থাকেন গোটা বিশ্বের মুসলিমরা। কিন্তু রমজান মাসেই যেভাবে হামলা হয়েছে সেটা অত্যন্ত নিন্দনীয়। হাসপাতালকে নিশানা করে হামলা চালানোটা কোনওভাবেই ন্যায়সঙ্গত নয়। পাকিস্তান যেভাবে জঘন্য হামলা চালিয়েছে সেটা আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্বে আঘাত। অভ্যন্তরীণ সমস্যা থেকে নজর ঘোরাতে বারবার এভাবেই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। কাবুলের হাসপাতালে পাক হামলার তীব্র নিন্দা করে নয়াদিল্লির তোপ, পাকিস্তান সামরিক অভিযানের নামে আফগানিস্তানে গণহত্যা চালিয়েছে। যে হামলায় এত জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়, সেটিকে কোনও যুক্তিতেই ‘সামরিক নিশানা’ বলে দেখানো যায় না। এই হামলাকে পাকিস্তানের ‘আগ্রাসী’ মনোভাব বলে বর্ণনা করেছে ভারত।

    পাকিস্তানের ধারাবাহিক বেপরোয়া আচরণ

    সোমবার রাতে ২০০০ শয্যার এই হাসপাতালে পাকিস্তান আকাশপথে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনার কিছুক্ষণ পরেই সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন আফগান সরকারের উপমুখপাত্র হামদুল্লাহ্ ফিতরাত। তিনি জানান, স্থানীয় সময় রাত ৯টা নাগাদ হাসপাতালটিতে হামলা হয়েছে। হামলার জেরে হাসপাতালের একটি বড় অংশ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ৪০০ জনের মৃত্যু এবং প্রায় ২৫০ জন জখম হওয়ার খবর মিলেছে বলেও প্রাথমিক ভাবে জানান ফিতরাত। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, এই হামলা শুধু আফগানিস্তানের উপর নয়, গোটা এলাকার শান্তি এবং স্থিতাবস্থার জন্য উদ্বেগজনক। এটি পাকিস্তানের ধারাবাহিক বেপরোয়া আচরণকেই ফের এক বার প্রকট করল বলে মনে করছে দিল্লি। প্রসঙ্গত, অপারেশন সিঁদুরের পর থেকে ভারতের সঙ্গে আফগানিস্তানের সম্পর্কে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। গতবছর ভয়ানক ভূমিকম্পের পর আফগানিস্তানকে বিপুল ত্রাণ পাঠিয়েছে ভারত। কাবুলে পুরোপুরি সক্রিয় হয়েছে ভারতীয় দূতাবাস। ভারতে প্রথমবার নিযুক্ত হয়েছেন তালিবান রাষ্ট্রদূত। নানা আন্তর্জাতিক মঞ্চেও আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। দুই দেশই একযোগে বারবার তুলোধোনা করেছে পাকিস্তানকে।

  • Pak Airstrike on Kabul: কাবুলের হাসপাতালে বিমান হানা পাকিস্তানের, ঝলসে মৃত্যু ৪০০ জনের, আহত ২৫০-র বেশি

    Pak Airstrike on Kabul: কাবুলের হাসপাতালে বিমান হানা পাকিস্তানের, ঝলসে মৃত্যু ৪০০ জনের, আহত ২৫০-র বেশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারবার প্রতিবেশী দেশের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে পেরে না উঠে সেই দেশের সাধারণ মানুষকে নিশানা করে পাকিস্তান (Pak Airstrike on Kabul)। এবারও তার ব্যতিক্রম হল না। কাবুলের হাসপাতালে ভয়ঙ্কর হামলা চালাল ইসলামাবাদ। তালিবান প্রশাসন সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ভোররাতে আফগান রাজধানীর উপর ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। অন্তত ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছে এই হামলায়। আহত আড়াইশো জন। যদিও পাকিস্তানের দাবি, আমজনতাকে লক্ষ্য করে হামলা হয়নি। কিন্তু তালিবান প্রশাসন স্পষ্ট জানিয়েছে, পাক হামলায় গুঁড়িয়ে গিয়েছে হাসপাতাল। উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে ঘটনাস্থলে। মৃতদের মধ্যে অধিকাংশই হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগী।

    ধ্বংসস্তূপে পরিণত হাসপাতাল

    গত দুই সপ্তাহ ধরে আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষ চলছে। সোমবারও দু’দেশের সীমান্তে গুলির লড়াই হয়েছে। গোলাগুলিতে আফগান তালিবান বাহিনীর চার সৈন্য নিহত হন। ওই গোলাগুলির কয়েক ঘণ্টা পরেই খবর ছড়ায়, আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের এক হাসপাতালে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলিতে হাসপাতালের কিছু ভিডিয়োও প্রকাশ করা হয়েছে (ওই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। ফুটেজগুলিতে দেখা যাচ্ছে, নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যেরা টর্চের আলো জ্বালিয়ে হাসপাতাল থেকে জখমদের উদ্বার করছেন। হাসপাতাল ভবনটির একটি বড় অংশ দৃশ্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চারদিকে আগুন জ্বলছে। সেই আগুন নেবানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন একদল দমকলকর্মী।

    রোজা ভাঙার সময় আক্রমণ

    সোমবার রাতে ২০০০ শয্যার এই হাসপাতালে পাকিস্তান আকাশপথে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, কাবুলের ওই হাসপাতালটি মূলত নেশামুক্তি কেন্দ্র। বরাবরই সেখানে রোগীদের ভিড় থাকে। ঘটনার কিছুক্ষণ পরেই সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন আফগান সরকারের উপমুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত। তিনি জানান, স্থানীয় সময় রাত ৯টা নাগাদ হাসপাতালটিতে হামলা হয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, অনেকেই ওই সময় রোজা ভাঙার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সেসময়েই হামলা করেছে পাকিস্তান। হামলার জেরে হাসপাতালের একটি বড় অংশ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ৪০০ জনের মৃত্যু এবং প্রায় ২৫০ জন জখম হওয়ার খবর মিলেছে বলেও প্রাথমিক ভাবে জানান ফিতরাত। আকাশপথে হাসপাতালে হামলার ঘটনায় সরাসরি পাকিস্তানের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছে আফগানিস্তান।

    ‘নীতিবিরুদ্ধ’ এবং ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’

    হাসপাতালে হামলার কথা অস্বীকার করেছে ইসলামাবাদ। তাদের দাবি, হাসপাতাল নয়, সামরিক ঘাঁটি, যাকে তারা জঙ্গি ঘাঁটি বলে উল্লেখ করেছে, সেখানেই চালানো হয়েছে এই হামলা। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের মুখপাত্র মোশারফ জাইদি কাবুলের দাবি নস্যাৎ করে দিয়েছেন। এর আগে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান কান্দাহার বিমানবন্দর, পাক্তিয়ার সামরিক ঘাঁটি এবং রাজধানী কাবুলের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে। হামলা চালানো হয়েছে কান্দাহার শহরের তালিবানের আল-বদর কর্পসের সদর দফতরেও। তালিবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ কাবুলের হাসপাতালে হামলার নিন্দা করে পোস্ট করেছেন সমাজমাধ্যমে। তাঁর অভিযোগ, পাকিস্তান নিজেদের ‘নৃশংস কর্মকাণ্ড’ চালিয়ে যাওয়ার জন্যই হাসপাতাল এবং অসামরিক ভবনগুলিকে নিশানা করছে। এই হামলা ‘নীতিবিরুদ্ধ’ এবং ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ বলেও মন্তব্য করেছেন তালিবান সরকারের মুখপাত্র।

LinkedIn
Share