Tag: pakistan

pakistan

  • Pakistan Economy: আইএমএফের সাহায্য না পেলে দেউলিয়া হয়ে যাবে পাকিস্তান?

    Pakistan Economy: আইএমএফের সাহায্য না পেলে দেউলিয়া হয়ে যাবে পাকিস্তান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রেফতার হয়েছেন দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তাঁর গ্রেফতারির প্রতিবাদে উত্তাল হয়েছে ভারতের (India) পড়শি দেশ পাকিস্তান (Pakistan)। ভাঙচুর, সেনা শিবিরে আগুন, সড়ক অবরোধ, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া, কি না হয়েছে! দেশ ছাড়িয়ে অশান্তির আঁচ গিয়ে পড়েছে ভিন দেশেও। ব্রিটেন, কানাডা সহ পশ্চিমের কয়েকটি দেশেও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন ইমরানের দল পিটিআইয়ের নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। দেশের এই অস্থির সময়ে ভয়ঙ্কর আশঙ্কার কথা শোনাল আন্তর্জাতিক রেটিং সংস্থা মুডিস।

    পাকিস্তানের অর্থনীতির দেউলিয়া (Pakistan Economy) অবস্থা…

    সংস্থা জানিয়েছে, পাকিস্তানের দেউলিয়া (Pakistan Economy) হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। বস্তুত আইএমএফের সাহায্য না পেলে দেউলিয়া হয়ে যাবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের দেশ। চলতি বছরের জুন মাসের পর অশনি সংকেত দেখা দিতে পারে পাক অর্থনীতিতে। তাই সাহায্যের প্রয়োজন আইএমএফের। ওই সাহায্য না পেলে স্বখাত সলিলে ডুবে যাবে পাক অর্থনীতি। দেশ হয়ে যাবে দেউলিয়া।

    চিনা ঋণের ফাঁদে পড়ে সর্বস্বান্ত হয়ে গিয়েছিল দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা। চিনের পাতা (Pakistan Economy) ফাঁদে পা দিয়ে সর্বস্ব খুইয়েছে পাকিস্তানও। ২০১৯ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নেতৃত্বে আইএমএফের দ্বারস্থ হয় ইসলামাবাদ। আবেদন করে ঋণের। সেই সময় ৬.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেলআউট প্যাকেজের প্রোগ্রাম দেওয়া হয় পাকিস্তানকে। এই অর্থের ১.২ বিলিয়ন ডলার গত বছর অক্টোবর মাস থেকে পায়নি শাহবাজ শরিফের দেশ।

    অথচ গত বছর থেকেই টের পাওয়া যাচ্ছিল পাকিস্তানের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল। দেশে বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার তলানিতে। তাই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জিনিস আমদানি করতে পারেনি পাকিস্তান। চাল, গম, ডালের মতো নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশ ছোঁয়া। পেট্রল, ডিজেলের মতো অতি আবশ্যকীয় জ্বালানিও মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। দেশের অর্থনৈতিক (Pakistan Economy) সঙ্কট কাটাতে আইএমএফের দ্বারস্থ হয়েছিল শাহবাজ শরিফের দেশ। দেশের অর্থনীতির হাল ফেরাতে আইএমএফ কর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠকও হয়েছে। তার পরেও এখনও মেলেনি সাহায্য। অথচ দেশের এহেন অর্থনৈতিক সঙ্কট কাটাতে পাকিস্তানের একমাত্র ভরসা আইএমএফের সাহায্য। সেই সাহায্য না মিললেই দেউলিয়া হয়ে যাবে পাকিস্তান। অন্তত মুডিসের আশঙ্কা এমনই।

     

  • Imran Khan: ইমরানের পরে গ্রেফতার প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী কুরেশি! দাবি তেহরিক-ই-ইনসাফের

    Imran Khan: ইমরানের পরে গ্রেফতার প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী কুরেশি! দাবি তেহরিক-ই-ইনসাফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইমরানের (Imran Khan) পরে এবার গ্রেফতার প্রাক্তন পাক বিদেশ মন্ত্রী কুরেশি। অন্তত এমনটাই দাবি তেহরিক-ই-ইনসাফের। বুধবার মধ্যরাত্রে কুরেশিকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গেছে, শেহবাজের পুলিশ। এমনই অভিযোগ তুলে চাঞ্চল্যকর একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ইমরানের দল। যদিও ভিডিও-এর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। সবমিলিয়ে আর্থিক সংকটে ভোগা পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে।

    কী দেখা যাচ্ছে ভিডিওতে?

    ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে সাদা পোশাকের কয়েকজন লোক ইমরানের (Imran Khan) মন্ত্রিসভার বিদেশ মন্ত্রী কুরেশিকে গাড়িতে চাপিয়ে কোথাও নিয়ে যাচ্ছে। সেসময় কুরেশি তাঁর দলের সদস্যদের উদ্দেশে হাত নাড়ছেন। ইমরানের দলের সদস্যদের দাবি, কুরেশিকে কোনও গোপন আস্তানায় লুকিয়ে রেখেছে শেহবাজ সরকার।

    ইমরানের দলের একাধিক নেতাকে অপহরণের অভিযোগ শেহবাজ সরকারের বিরুদ্ধে

    শুধু ইমরান বা কুরেশি নয়, তাদের দলের একাধিক নেতাকে অন্যায়ভাবে আটক করেছে শেহবাজ সরকার, এমন দাবি তুলল তেহরিক-ই-ইনসাফ। সূত্রের খবর, দলের চেয়ারম্যান মুসারত চিমা এবং সেনেটর এজাজ চৌধুরিকে ইসলামাবাদ থেকে অপহরণ করেছে পাকিস্তানি পুলিশ। অন্যদিকে, পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের বাইরে থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে দলের সহ-সভাপতি ফাওয়াদ চৌধুরিকে, এমনটাই দাবি ইমরানের দলের। এ ছাড়াও গ্রেফতার করা হয়েছে দলের সেক্রেটারি জেনারেল আসাদ উমরকে। 

    অশান্ত পাকিস্তান…

    জমি দুর্নীতি মামলায় ইমরান (Imran Khan) গ্রেফতার হতেই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে সমগ্র পাকিস্তান। সরকারি হিসেব অনুযায়ী হিংসায় মৃত এখনও অবধি ৮, আহত ২৯১। বিক্ষোভের আঁচ ছড়িয়েছে লন্ডনেও। সেখানেও ইমরানের সমর্থকরা বুধবার দীর্ঘক্ষণ ঘেরাও করে রাখেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের বাড়ি।

    আরও পড়ুন: গ্রেফতার ইমরান! মোদির বিরুদ্ধে মামলা করতে চেয়ে ট্যুইট পাক অভিনেত্রীর, কী বলল দিল্লি পুলিশ?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Imran Khan: ‘‘পাকিস্তানে অশান্তির জন্য দায়ী বিজেপি-আরএসএস’’! আজব দাবি শেহবাজের আপ্ত-সহায়কের

    Imran Khan: ‘‘পাকিস্তানে অশান্তির জন্য দায়ী বিজেপি-আরএসএস’’! আজব দাবি শেহবাজের আপ্ত-সহায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইমরান খানের (Imran Khan) গ্রেফতারিকে ঘিরে পাকিস্তান জুড়ে জ্বলছে অশান্তির আগুন। পাকিস্তানের এমন অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির জন্য দায়ী নরেন্দ্র মোদি, এমন অভিযোগ তুলে বুধবারই ট্যুইট করেছিলেন সেদেশের এক অভিনেত্রী। এবার একই অভিযোগ তুলে সরব হলেন সেদেশের প্রধানমন্ত্রীর আপ্ত সহায়ক আট্টা তারার। পাকিস্তানের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক আধিকারিকের আপ্ত সহায়কের এই বক্তব্যে সেদেশের সরকারের সিলমোহর রয়েছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ।

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে (Imran Khan) গ্রেফতার করা হয় ইসলামাবাদ কোর্টের বাইরে থেকে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে জমি কেলেঙ্কারির। মঙ্গলবার সারারাত পুলিশ হেফাজতে থাকার পরে, বুধবার ইমরানকে কোর্টে পেশ করা হয়। জানা গেছে, প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীকে আপাতত ৮ দিনের পুলিশি হেফাজতে চেয়েছে সেদেশের পুলিশ। এই ঘটনার পর থেকেই একের পর এক সেনা অফিসে হামলার খবর মিলেছে। হামলা চলেছে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বাড়িতেও। তাঁর বাড়ির সামনের গাড়িগুলিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে খবর। সংবাদ সংস্থাগুলি জানাচ্ছে, পেট্রোল বোমাও ছোড়া হয় প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির সামনে। রাওয়ালপিন্ডি, লাহোর, পেশোয়ার প্রভৃতি স্থানের পরিস্থিতি এখনও অগ্নিগর্ভ হয়ে রয়েছে। বন্ধ রয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। দেশের বিস্তীর্ণ অংশে টহল দিচ্ছে সেনা। একমাসের জন্য বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজ।

    আরও পড়ুন: গ্রেফতার ইমরান! মোদির বিরুদ্ধে মামলা করতে চেয়ে ট্যুইট পাক অভিনেত্রীর, কী বলল দিল্লি পুলিশ?  

    কী বললেন শাহবাজ শরিফের আপ্তসহায়ক?  

    বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর আপ্তসহায়ক বলেন, “পাকিস্তানকে অশান্ত করতে ভারত থেকে গুন্ডা পাঠিয়েছে বিজেপি-আরএসএস। তারাই ভাঙচুর করেছে, আগুন দিয়েছে, গতকালের অশান্তির জন্য সম্পূর্ণভাবে দায়ী বিজেপি।” আরও অভিযোগ তোলা হয়েছে, পাকিস্তানে অশান্তির ঘটনায় ভারতে বিজেপি-আরএসএসের সদর দফতরে নাকি মিষ্টি বিতরণও করা হয়েছে।

    লন্ডনে ঘেরাও নওয়াজ শরিফের বাড়ি…

    ইমরানের গ্রেফতারিতে দেশ ছাড়িয়ে অশান্তির আঁচ ছড়িয়েছে বিদেশেও। গতকালই লন্ডনে পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের বাড়ি ঘেরাও করেন ইমরানের সমর্থকরা। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, কানাডা, আমেরিকায়ও ইমরানকে গ্রেফতারির প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। আমেরিকায় সিএনএনের সদর দফতরের সামনে শেহবাজ সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানো হয়। প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর মুক্তির দাবিতে কানাডাতেও বড় জমায়েত হয়েছে বলে জানা গেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Imran Khan: ইমরানকে খুনের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, পাকিস্তানে এমন ঘটনা ঘটেছে আগেও

    Imran Khan: ইমরানকে খুনের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, পাকিস্তানে এমন ঘটনা ঘটেছে আগেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রেফতার হয়েছেন পাকিস্তানের (Pakistan) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran Khan)। মঙ্গলবারের ওই ঘটনার পর থেকে আক্ষরিক অর্থেই জ্বলছে পাকিস্তান। তবে পাকিস্তানের ইতিহাসে এমন ঘটনা এই প্রথম নয়। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের জন্মলগ্ন থেকেই নানা সময় শাসককে সরিয়ে দিয়েছে সেনা। কখনও আবার প্রতিদ্বন্দ্বীর হাতে খুন হয়েছেন সে দেশের প্রাক্তন শাসক। বস্তুত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কিংবা রাষ্ট্রপতি পদে বসা আক্ষরিক অর্থেই কাঁটার মুকুট পরা। সেনাবাহিনীর মর্জি মতো চলতে পারলে গদি থাকে, নচেৎ নয়। গত ৭৫ বছর ধরে এই ছবিই দেখে আসছে তামাম বিশ্ব।

    ইমরান খান (Imran Khan)…

    স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত পাকিস্তানের কুর্সিতে বসেছেন ৩০ জন প্রধানমন্ত্রী। যদিও তাঁরা কেউই পুরো মেয়াদ শেষ করতে পারেননি। কারও মেয়াদ মাত্রই দু সপ্তাহের, কেউ আবার গদি বাঁচাতে পেরেছেন সর্বাধিক চার বছর দু মাস।এই তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন ইমরান (Imran Khan)। প্রসঙ্গত, ১৯৯৩ সালে মাত্র এক বছরে পাঁচজন বসেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে। পাকিস্তানের ঠিক একদিন পরে স্বাধীনতা পাওয়া ভারতের এই সময়সীমার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন মাত্র ১৮ জন। যদিও কোনওবারই ওই পদে বসেননি কোনও সেনা প্রধান।

    ১৯৫০ সালে পাকিস্তানের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী হুসেন সইদ সুরাবর্দিকে রাজনীতি থেকে নির্বাসনে পাঠানো হয়। পরে গ্রেফতারও করা হয় তাঁকে। কখনও দুর্নীতির অভিযোগে, কখনও আবার সেনার নির্দেশে খোয়াতে হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি। গ্রেফতারও করা হয়েছে তাঁদের। এঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলি ভুট্টো, বেনজির ভুট্টো, নওয়াজ শরিফ, সইদ খাগন আব্বাসি এবং ইমরান খান। প্রধানমন্ত্রীর দফতরে বসেই খুন হন প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিকায়ত আলি খান।

    ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল জুলফিকার আলি ভুট্টোকে। রাওয়ালপিন্ডিতে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিয়েছিলেন দু বারের প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো। প্রকাশ্যে খুন করা হয় তাঁকেও। বিমান ভেঙে পড়ায় মৃত্যু হয় সেনা শাসক প্রেসিডেন্ট মহম্মদ জিয়াউল হকের। ২০২২ সালে খুন করার চেষ্টা করা হয় ইমরানকেও। গত পঁচাত্তর বছরে খুন হয়েছেন পাকিস্তানের ৪৫ জন রাজনীতিবিদ। এদিকে, বুধবার ইমরানের (Imran Khan) আইনজীবীদের অভিযোগ, ইমরানকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীরও অভিযোগ, যাতে তাঁর হার্ট অ্যাটাক হয় তাই তাঁর খাবারে অতিরিক্ত পরিমাণে ইনসুলিন মেশানো হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Imran Khan: ইমরানকে গ্রেফতারির জেরে উত্তাল পাকিস্তান, সেনা শিবিরে আগুন

    Imran Khan: ইমরানকে গ্রেফতারির জেরে উত্তাল পাকিস্তান, সেনা শিবিরে আগুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে (Imran Khan) গ্রেফতারির জেরে উত্তাল পাকিস্তান (Pakistan)। বুধবারও চলছে ভাঙচুর, সরকারি দফতর ঘেরাও অভিযান। ইমরান সমর্থকদের রোষানলে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সদর দফতরও। রাওয়ালপিন্ডির সেনা সদর দফতরের ফটক ভেঙে ভিতরে ঢুকে পড়েন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (PTI) দলের কর্মী-সমর্থকরা। কেবল রাওয়ালপিন্ডিই নয়, পেশোয়ারের সেনা শিবির এবং লাহোর, করাচির সেনা নিবাসেও হামলা চালানো হয়। ভাঙচুর করে লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন।

    ইমরানের (Imran Khan) গ্রেফতারির প্রতিবাদ…

    মঙ্গলবার আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গিয়ে গ্রেফতার হন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ সুপ্রিমো। তার পরেই উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা পাকিস্তান। মঙ্গলবার রাতে বিক্ষোভ প্রদর্শন খানিকটা স্তিমিত হলেও, বুধবার সকালে ফের শুরু হয়। এদিন স্থানীয় সময় সকাল ৮টা নাগাদ ইসলামাবাদে জড়ো হন পিটিআই কর্মী-সমর্থকরা। ইসলামাবাদে এদিনও জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। ইমরানকে (Imran Khan) মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন জারি থাকবে বলে সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে পিটিআই।

    মঙ্গলবার বিকেলেই কোয়েট্টা, করাচি, পেশোয়ার, রাওয়ালপিন্ডি এবং লাহোরে ব্যাপক আন্দোলন হয়। পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হয় একজনের। কোয়েটায় সেনা ও পিটিআই কর্মী-সমর্থকদের সংঘর্ষে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: “গীতাঞ্জলির বিকল্প কথাঞ্জলি নয়”, নাম না করে মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    পঞ্জাব প্রদেশের ফয়সলাবাদেও সেনা ও ইমরানের সমর্থকদের সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে দুই যুবকের। কোয়োটায় সংঘর্ষে গুরুতর জখম হয়েছেন পাঁচজন। ফয়সলাবাদ, করাচি, পেশোয়ার, রাওয়ালপিন্ড এবং লাহোরেও সংঘর্ষে প্রায় ১৫ জন গুরুতর জখম হয়েছেন। রাওয়ালপিন্ডিতে সেনা হেড কোয়ার্টারের ভিতরে ঢুকে আগুন ধরিয়ে দেন ইমরানের (Imran Khan) দলের সমর্থকরা। খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশেও রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভের পাশাপাশি পেশোয়ারে রেডিও স্টেশনেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে কোথাও কোথাও কাঁদানে গ্যাসের সেল ছুড়েছে পুলিশ। অশান্তি ঠেকাতে দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে ইন্টারনেট সংযোগ। তার পরেও অবশ্য থামানো যায়নি অশান্তি।

    নওয়াজ শরিফের বাড়ি ঘেরাও…

    দেশ ছাড়িয়ে অশান্তির আগুন ছড়িয়েছে বিদেশেও। লন্ডনে পাকিস্তানের আর এক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের বাড়ি ঘেরাও করে ফেলেছেন ইমরানের সমর্থকরা। কানাডা, আমেরিকায়ও ইমরানকে গ্রেফতারির প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। আমেরিকায় সিএনএনের সদর দফতরের সামনে পাক সরকারের গুন্ডামির প্রতিবাদ জানানো হয়। কানাডায়ও বিরাট জমায়েত থেকে ইমরানকে মুক্তি দেওয়ার দাবি ওঠে।  

    এদিকে, বুধবার ইমরানকে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে তোলা হচ্ছে না বলেই সূত্রের খবর। তার বদলে তাঁকে রাখা হয়েছে হেফাজতে। সেখানেই শুনানি হওয়ার কথা। ইমরানকে আপাতত ৪-৫ দিন ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি ব্যুরোর হেফাজতে রাখা হবে। মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, “আমরা চাই, পাকিস্তানে যে ঘটনাই ঘটুক, তা যেন আইন মেনে ঘটে। সেখানে যেন সংবিধান মেনে সবটা করা হয়। পাশাপাশি, আমরা চাই, সেখানে যেন শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি বজায় থাকে”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Air Force: বায়ুসেনার নজরদারি! ভারতের আকাশে প্রায় ১০ মিনিট রইল পাক বিমান, কেন জানেন?

    Air Force: বায়ুসেনার নজরদারি! ভারতের আকাশে প্রায় ১০ মিনিট রইল পাক বিমান, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের আকাশসীমায় পাকিস্তান এয়ারলাইন্সের বিমানকে (Pakistan Plane) ঢুকে পড়তে দেখেই তৎপর হয়ে উঠল ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। পাঞ্জাবের উপর চক্কর কাটছিল বিমানটি। বায়ুসেনা সূত্রে খবর, খারাপ আবহাওয়ার কারণেই ভারতীয় আকাশসীমায় ঢুকে পড়েছিল ওই যাত্রীবাহী পাক বিমানটি। ১০ মিনিটের বেশি সময় বিমানটি পাঞ্জাবের আকাশে ছিল। 

    বায়ুসেনার নজরদারি

    রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ৪ মে পাকিস্তানি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের ১৬ বছর পুরোনো বোয়িং ৭৭৭ ভারতীয় আকাশসীমায় ঢুকে পড়েছিল। লাহোরে অবতরণ করতে না পেরে ট্রাফিক কন্ট্রোলের নির্দেশেই সেই বিমানটি ঘুরে ফের পাকিস্তানে প্রবেশ করে। সেই সময় সেটি ভারতীয় আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল। রাতের অন্ধকারে পাঞ্জাবের বেশ কিছু জায়গার ওপর দিয়ে উড়ে গিয়েছিল বিমানটি। জানা গিয়েছে, পিকে-২৪৮ উড়ানটি ওমানের মাসকাট থেকে টেকঅফ করেছিল লাহোরের উদ্দেশে। তবে অবতরণের সময় লাহোরের আল্লামা ইকবাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আবহাওয়া খারাপ ছিল। এই আবহে বিমানটি অবতরণ করতে পারছিল না। এই আবহে দিল্লি এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বিষয়টি নিয়ে অবগত হয়। লাহোরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে সমন্বয়ে বিমানটির যাত্রাপথ নিয়ন্ত্রণ করে দিল্লি এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল।

    আরও পড়ুন: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘৪২০’ বলে কেন কটাক্ষ করলেন সুকান্ত মজুমদার?

    খারাপ আবাহাওয়া দায়ী

    পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সের সব বিমানের ভারতীয় আকাশসীমার উপর দিয়ে ওড়ার অনুমতি নেই। কয়েকটির আছে। পাকিস্তান থেকে কুয়ালালামপুর ও ব্যাঙ্ককগামী বিমানগুলি ভারতীয় আকাশসীমার উপর দিয়েই যায়। তাই এই বিমানটি রুট বদল করে ভারতে ঢোকার পর থেকেই লাগাতার বায়ুসেনার নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। পরে আবহাওয়ার পরিস্থিতি ঠিক হলে বিমানটি ফিরে যায় লাহোরে। ফ্লাইট রাডার 24-এ একটি ট্র্যাকার অ্যাপ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ঘটনার দিন রাত প্রায় সাড়ে ৮ টার কিছু পরে পাক বিমানটি পাঞ্জাবের আকাশসীমায় প্রবেশ করে। তারপর সেটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে মোড় নিয়ে পাক আকাশসীমায় প্রবেশের আগে তারন তারান উপর দিয়ে গিয়ে উড়ে যায়। পরে রুট বদল করে পাক বিমানটি লাহোরের পরিবর্তে মুলতান বিমানবন্দরে অবতরণ করে বলে জানা গিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • KCF: মোস্ট ওয়ান্টেড খালিস্তান জঙ্গী পরমজিৎ সিং পঞ্জর খুন

    KCF: মোস্ট ওয়ান্টেড খালিস্তান জঙ্গী পরমজিৎ সিং পঞ্জর খুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার সকালে অজ্ঞাত পরিচিত বাইক আরোহী দুষ্কৃতিদের গুলিতে খুন হলেন খালিস্তানী জঙ্গী নেতা পরমজিৎ সিং (KCF)। লাহোরের কাছে জোহর শহরে থাকতেন তিনি। সকালে হাঁটতে গেলে আচমকাই রাস্তায় হাঁটার সময় খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করে অজ্ঞাত পরিচয়ের দুষ্কৃতিরা। সেই সঙ্গে ঘটনা স্থলে মৃত্যু হয় তাঁর দেহরক্ষীর। কিন্তু কারা খুন করেছে এখনও স্পষ্ট হয়নি।  

    কে ছিলেন পরমজিৎ সিং?

    ১৯৮৯ সালে খালিস্তান কমাণ্ডো ফোর্সের (KCF) প্রধান লাভ সিং-এর আততায়ীদের গুলিতে মৃত্যু হয়। এই লাভ সিং ছিলেন পরমজিৎ এর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। লাভ সিং মারা গেলে পরমজিৎ সিং খালিস্তান কমাণ্ডো ফোর্সের (KCF) প্রধান দায়িত্ব ভার গ্রহণ করেন। এরপর ১৯৯০ সাল থেকে পরমজিৎ পাকিস্তানে গিয়ে সেখান থেকে জঙ্গি কার্যকলাপ পরিচালনা শুরু করেন।

    পরমজিৎ এর বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ভারত সরকারের কাছে পরমজিৎ (KCF) একজন ইউপিএ আইনের ধারায় প্রধান অভিযুক্ত জঙ্গী। প্রত্যক্ষভাবে পাকিস্তানে বসে জঙ্গী নাশকতা মূলক কাজকে পরিচালনা করতেন। তাঁর বিরুদ্ধে চোরাকারবার, জালনোটের ব্যবসা, অস্ত্র জোগান, অস্ত্র চোরাচালান ইত্যাদির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ছিল। ভারতের পাঞ্জাবকে উত্তপ্ত করার নানা কৌশল তিনি করতেন বলে বিশেষ অভিযোগ রয়েছে। এককথায় ভারতের বিদেশ মন্ত্রক থেকে মোস্ট ওয়ান্টেড বলে স্বীকৃতি দিয়ে পলাতক ঘোষণা করা হয়েছে তাঁকে। পরমজিৎ ইউপিএ ধারায় প্রায় ২২ টি মামলায় অভিযুক্ত ছিল বলে জানা গেছে। তিনি পাকিস্তানে শিখ যুবকদের জঙ্গি প্রশিক্ষণ দিতেন। যুবকদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং চোরাচালানের কর্মকে বিশেষ পরিণতি দিয়ে থাকতেন। এই লাহোর শহরেই ২০২০ সালে খালিস্তান লিবারেশন ফোর্স অন্যতম প্রধান নেতা হরমিত সিং কে (KLF) ঠিক একই কায়দায় অজ্ঞাত পরিচিত আততায়ীদের হাতে গুলি বিদ্ধ হয়ে নিহত হতে হয়েছিল।  

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • DRDO: ‘হানিট্র্যাপ’-এর শিকার! গোপন নথি পাকিস্তানে পাঠানোর অভিযোগে পুনেতে গ্রেফতার ডিআরডিও-র বিজ্ঞানী

    DRDO: ‘হানিট্র্যাপ’-এর শিকার! গোপন নথি পাকিস্তানে পাঠানোর অভিযোগে পুনেতে গ্রেফতার ডিআরডিও-র বিজ্ঞানী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গোপন প্রতিরক্ষা বিষয়ক নথি পাকিস্তানে পাঠানোর অভিযোগে পুনেতে গ্রেফতার করা হল ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা এবং উন্নয়ন সংস্থা (DRDO)-র এক বিজ্ঞানীকে। মহারাষ্ট্রের জঙ্গি দমন শাখা এটিএস ওই বিজ্ঞানীকে গ্রেফতার করেছে।

    কী করতেন ধৃত বিজ্ঞানী?

    এটিএস আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ভারতে বসে পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করছিলেন ধৃত বিজ্ঞানী। পুনেতে অবস্থিত ডিআরডিও-র (DRDO) এক কেন্দ্রে কাজ করতেন তিনি। একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা বিষয়ক নথি হাতবদল করে পাকিস্তানে পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এটিএস জানিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ, ভয়েস কল, ভিডিয়ো কল এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা, আইএসআই-এর অপারেটিভদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল।

    ধৃত বিজ্ঞানী ‘হানিট্র্যাপ’-এর শিকার

    মহারাষ্ট্র পুলিশের সন্ত্রাসবিরোধী দলের তরফে জানানো হয়েছে, ওই বিজ্ঞানীকে ‘হানিট্র্যাপ’ করা হয়েছিল। প্রেমের ছলনায় ফাঁসিয়ে তাঁর থেকে গোপন তথ্য আদায় করা হচ্ছিল। মহারাষ্ট্র পুলিশের অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াডের মুম্বই শাখার পক্ষ থেকে, ১৯২৩ সালের অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্ট এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির অন্যান্য প্রাসঙ্গিক ধারার অধীনে অভিযুক্ত বিজ্ঞানীর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ, গত বুধবারও তিনি পিআইও-র এক এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এর পরই বিষয়টি এটিএসের নজরে এলে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। 

    দায়িত্বশীল পদে ছিলেন ওই বিজ্ঞানী 

    তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ডিআরডিও-র এক দায়িত্বশীল পদে ছিলেন। ডিআরডিও-র ওই আধিকারিক তাঁর সেই পদের অপব্যবহার করেছেন। অনেক গোপন নথি সম্পর্কে জানতেন তিনি। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ডিআরডিও আধিকারিক তাঁর পদের অপব্যবহার করার কারণে সংবেদনশীল সরকারি নথি পাকিস্তানের হাতে চলে যেতে পারে, যা পরবর্তীকালে দেশের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে।

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’র মোকাবিলায় হল বৈঠক, প্রস্তুত থাকার নির্দেশ বিভিন্ন দফতরকে

    এটিএস-এর বিবৃতি অনুযায়ী, তাঁর কাছে যে সব তথ্য ছিল, তা শত্রু পক্ষের হাতে গেলে যে দেশের নিরাপত্তাজনিত সমস্যা তৈরি হতে পারে, সেই বিষয়ে সম্মক ধারণা ছিল ওই বিজ্ঞানীর। তারপরও, তিনি আইএসআই-কে সেই সব তথ্য দিয়েছেন। মুম্বইয়ের কালাচৌকি এটিএস পুলিশ স্টেশনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এক এটিএস আধিকারিক জানিয়েছেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Bilawal Bhutto Zardari: লাদেনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মোদিকে, ভারত সফরে এলেন সেই বিলাওয়াল

    Bilawal Bhutto Zardari: লাদেনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মোদিকে, ভারত সফরে এলেন সেই বিলাওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ ভারতে (India) এলেন পাকিস্তানের (Pakistan) বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভু্ট্টো জারদারি (Bilawal Bhutto Zardari)। বৃহস্পতি ও শুক্র দু দিন ধরে গোয়ায় হচ্ছে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। ওই বৈঠকে যোগ দিতেই ভারতে এসেছেন বিলাওয়াল। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে তাঁর কথা হতে পারে বলেও সরকারি সূত্রে খবর। পুঞ্চে জঙ্গি হামলা হয়েছে দিন কয়েক আগে। শহিদ হয়েছেন ভারতের পাঁচ জওয়ান। এহেন আবহে বৃহস্পতিবার ভারতে এলেন বিলাওয়াল।

    জয়শঙ্করের আমন্ত্রণে ভারতে বিলাওয়াল ভু্ট্টো জারদারি (Bilawal Bhutto Zardari)…

    ২০১৪ সালে দিল্লির তখতে আসে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। প্রধানমন্ত্রী পদে মোদি যেদিন শপথ নেন, সেদিন ভারতে এসেছিলেন পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। তার পর আর পাকিস্তানের কোনও শীর্ষ নেতৃত্ব ভারতে আসেননি। দীর্ঘ ৯ বছর পর এলেন বিলাওয়াল। তিনি যে ভারতে আসবেন, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল এপ্রিলেই। পাক বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মুমতাজ জারাহ বালোচ জানিয়েছিলেন, জয়শঙ্করের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়েই ভারতে যাচ্ছেন বিলাওয়াল (Bilawal Bhutto Zardari)।

    সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠক হচ্ছে গোয়ায়। এদিন গোয়াগামী বিমানে উঠে ট্যুইট-বার্তায় বিলাওয়াল লেখেন, বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য আমার সিদ্ধান্ত সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের সনদের প্রতি পাকিস্তানের দৃঢ় প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরেছে। মিত্র দেশগুলির সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনায় আমি উদগ্রীব। সাংহাই কো-অপারেশনের পূর্ণাঙ্গ সদস্য আট দেশ। এই দেশগুলি হল, ভারত, চিন, রাশিয়া, পাকিস্তান, কাজাখস্তান, কিরঘিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান। পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছে আফগানিস্তান, বেলারুশ, ইরান এবং মঙ্গোলিয়া। ডায়লগ পার্টনার হিসেবে রয়েছে মিশর, কাতার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, তুরস্ক, কম্বোডিয়া, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান এবং সৌদি আরব, এই ৯টি দেশ।

    আরও পড়ুুন: “পুলিশের নেতৃত্বেই খুন”! ময়নায় বিস্ফোরক জাতীয় এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান

    বিলাওয়াল (Bilawal Bhutto Zardari) সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনে যোগ দেবেন বলে পাকিস্তান জানালেও, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই ভেবেছিলেন তিনি শেষমেশ ভারতে আসবেন না। কারণ ডিসেম্বরে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বিলাওয়াল বলেছিলেন, ওসামা বিন লাদেন নিহত হয়েছেন। কিন্তু গুজরাটের কসাই এখনও জীবিত। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর পরেই ভারত-পাক সম্পর্ক আরও তলানিতে গিয়ে ঠেকে। সম্প্রতি পুঞ্চে ভারতীয় সেনা বাহিনীর টহলদারি ভ্যানে হামলা চালায় জঙ্গিরা। তাতে নিহত হন পাঁচ জওয়ান। ওই ঘটনায়ও সন্দেহের তির পাকিস্তানের দিকেই। এহেন পরিস্থিতিতে ভারতে এলেন বিলাওয়াল (Bilawal Bhutto Zardari)। তবে তাঁর এই ভারত সফরে খুব একটা লাভ হবে না-ই বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। কারণ, পাকিস্তানের যাবতীয় সিদ্ধান্তই নেয় সেনাবাহিনী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Fatima Bhutto: ভাইরাল ছবি! বিয়ের পর হিন্দু মন্দিরে পুজো বেনজির ভুট্টোর ভাইঝি ফতিমার

    Fatima Bhutto: ভাইরাল ছবি! বিয়ের পর হিন্দু মন্দিরে পুজো বেনজির ভুট্টোর ভাইঝি ফতিমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিয়ের পর হিন্দু মন্দিরে গিয়ে পুজো দিলেন পাকিস্তানের লেখিকা তথা প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলি ভুট্টোর নাতনি ফতিমা ভুট্টো (Fatima Bhutto)। সম্পর্কে তিনি নিহত পাক (Pakistan) প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর (Benazir Bhutto) ভাইঝি। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টোর তুতো বোন।

    হিন্দু মন্দিরে পুজো

    গত শুক্রবার ঘরোয়াভাবেই তাঁর নিকাহর অনুষ্ঠান হয়। তারপরেই করাচির (Karachi) একটি মন্দিরে যান নবদম্পতি। নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় তাঁদের ছবি। সেই ছবি দেখে নেটিজেনদের অবশ্য মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। অনেকেই ফতিমার (Fatima Bhutto) আচরণের প্রশংসা করেছেন। তবে একাংশের মতে, ফতিমা কেন মন্দিরে গিয়েছেন। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, বিয়ের পর নবদম্পতি গিয়েছিলেন শিবমন্দিরে। সেখানে শিব লিঙ্গের মাথায় দুধ ঢালেন ফাতিমা ও তাঁর স্বামী গ্রাহাম জিব্রাম। করাচির হিন্দু সিন্ধি পরিবারগুলি ওই মন্দিরে পুজো দেয়। সেই মন্দিরে কট্টর মুসলিম ভুট্টো পরিবারের কোনও সদস্য পুজো দিচ্ছেন, এমন ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। 

    নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা

    সদ্য ৪০ বছর বয়সী ফতিমার (Fatima Bhutto) সঙ্গে বিয়ে হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গ্রামাম জিব্রানের। ফতিমার দাদু জুলফিকার ভুট্টোর লাইব্রেরিতে বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে অনেকেই তাঁদের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানান। ফতিমা ও গ্রাহামকে সকলে আশীর্বাদ করুন, এমন আবেদনও জানান অনেকে। তবে নেটিজেনদের একাংশ আবার প্রশ্ন তুলেছে, প্রবল আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। এহেন পরিস্থিতিতে এইভাবে উদযাপন না করলেই ভাল হত। তবে এই প্রসঙ্গে ফতিমার তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।

    আরও পড়ুুন: অভিষেকের সভার আগেই তৃণমূলে ভাঙন, বিজেপিতে যোগ দিলেন বহু কর্মী

    ৪১ বছর বয়সি এই আমেরিকার নাগরিক বিয়ের আগে ইসলাম ধর্মগ্রহণ করেন। ইসলাম ধর্মগ্রহণের পর তাঁর নাম পরিবর্তন করে জিব্রান রাখা হয়েছে। পাকিস্তানের রাজনীতিতে ভুট্টো পরিবারের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এই পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। পাকিস্তান পিপলস পার্টিতে ভুট্টো পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। ১৯৭৯ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর জুলফিকার আলি ভুট্টোকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। ভুট্টো পরিবারের দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাস থাকলেও ফাতিমা ভুট্টো নিজেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়াননি। তিনি একজন লেখক ও মানবাধিকারকর্মী হিসেবেই নিজেকে গড়ে তুলেছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share