Tag: Pakistani Spy in IAF

  • Pakistani Spy in IAF: টাকার বদলে পাকিস্তানে গোপন সামরিক তথ্য পাচার! চরবৃত্তির অভিযোগে অসমে গ্রেফতার বায়ুসেনার কর্মী

    Pakistani Spy in IAF: টাকার বদলে পাকিস্তানে গোপন সামরিক তথ্য পাচার! চরবৃত্তির অভিযোগে অসমে গ্রেফতার বায়ুসেনার কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের বায়ুসেনা ঘাঁটির গোপন তথ্য তুলে দেওয়া হতো পাকিস্তানের চরের (Pakistani Spy in IAF) হাতে। দীর্ঘদিন ধরেই এই কাজ চালানোর পরে অবশেষে গোয়েন্দাদের হাতে ধরা পড়ল চক্রী। যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে সে অসমের ছাবুয়া বায়ুসেনাঘাঁটিতে সিভিলিয়ান কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিল। রবিবার ৩৬ বছরের সুমিত কুমারকে রাজস্থান ইন্টেলিজেন্স এবং এয়ার ফোর্স ইন্টেলিজেন্সের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে। ২০২৩ সাল থেকে সুমিত পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের কাছে অত্যন্ত গোপনীয় তথ্য ফাঁস করে আসছিলেন বলে অভিযোগ। তার বিরুদ্ধে ভারতের একাধিক স্পর্শকাতর তথ্য পাকিস্তানের চরের কাছে পাচার করার অভিযোগ রয়েছে।

    কীভাবে পুলিশের জালে সুমিত

    রাজস্থান পুলিশের অতিরিক্ত ডিজি (ইন্টেলিজেন্স) প্রফুল্ল কুমার জানিয়েছেন, জানুয়ারি ২০২৬-এ জয়সলমীর থেকে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি জহরারামকে গ্রেফতারের পর তদন্তের সূত্র ধরে সুমিতের নাম উঠে আসে। সুমিত উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের বাসিন্দা। ছাবুয়া বিমান ঘাঁটিতে মাল্টি টাস্কিং স্টাফ হিসেবে কর্মরত ছিল সুমিত। পেশার সুবিধা কাজে লাগিয়ে নানা তথ্য জোগাড় করে সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডল ব্যবহার করে তথ্য পাচার করত সুমিত। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ২০২৩ থেকে চরবৃত্তির কাজে যুক্ত সুমিত। টাকার বিনিময়ে তথ্য পাচার করা হত। বায়ুসেনা ঘাঁটিতে কী কী রয়েছে, কোন ফাইটার জেট রাখা হয়, ঘাঁটির কোথায় রাখা হয়- এমন নানা ধরনের তথ্য পাচার করা হয়েছে।

    পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগ

    জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সুমিত নিজের নামে সিম কার্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে দিয়েছেন, যাতে তারা যোগাযোগ রাখতে পারেন। এই সব তথ্য ভারতের সামরিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত স্পর্শকাতর। যৌথ অভিযানে রাজস্থান ইন্টেলিজেন্সের টিম এয়ারফোর্স ইন্টেলিজেন্সের সহায়তায় ছাবুয়া থেকে সুমিতকে আটক করে জয়পুরের সেন্ট্রাল ইন্টারোগেশন সেন্টারে নিয়ে আসে। ২২ মার্চ ২০২৬-এ জয়পুরের স্পেশাল পুলিশ স্টেশনে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩ এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস), ২০২৩-এর ধারায় মামলা রুজু করে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে তাকে জয়পুর কোর্টে তোলা হয়েছে। এই গ্রেফতার পাকিস্তান-সমর্থিত গুপ্তচর নেটওয়ার্কের একটি বড় অংশ উন্মোচন করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই নেটওয়ার্ক দেশের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে ছড়িয়ে রয়েছে এবং আরও কয়েকজনের নাম উঠে আসতে পারে। সুমিতের মতো একজন নিম্নপদস্থ কর্মী কীভাবে এত গোপন তথ্য অ্যাক্সেস করতে পারলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

LinkedIn
Share