Tag: Panchayat

Panchayat

  • South 24 Parganas: মৃত বৃদ্ধার বার্ধক্যভাতার টাকা মাসের পর মাস তুলে নেওয়া হচ্ছে! কাঠগড়়ায় তৃণমূল

    South 24 Parganas: মৃত বৃদ্ধার বার্ধক্যভাতার টাকা মাসের পর মাস তুলে নেওয়া হচ্ছে! কাঠগড়়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৃত ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে মাসের পর মাস উঠে যাচ্ছে বার্ধক্য ভাতার টাকা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মন্দির বাজার বিধানসভার কৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। তৃণমূলের পঞ্চায়েত হাতছাড়়া হতেই এই দুর্নীতি সামনে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে জেলাজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে,  মৃত বৃদ্ধার নাম অনুমতি হালদার। তাঁর বয়স ৭৫ বছর। ২০২০ সালের ৪ঠা জুন তাঁর মৃত্যু হয়। সেই মর্মে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) সেই পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে তাঁর ডেথ সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর কয়েক মাস পরেও তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে  প্রতিমাসেই বার্ধক্য ভাতার টাকা তুলে নেওয়া হয়। আর যা দেখে চক্ষু চরক গাছ তার পরিবারের লোকেদের। শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই রাজ্যের পঞ্চায়েতগুলিতে দুর্নীতির আঁতুরঘর, এমনটাই অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। এই ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। জানা গিয়েছে, এতদিন গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল বোর্ড ছিল। গত পঞ্চায়েতে বিরোধী জোট পঞ্চায়েতে ক্ষমতায় আসে। স্থানীয় এক ব্যক্তি আরটিআই করেন। আর তাতেই পরিষ্কার হয়ে যায় সমস্ত বিষয়টি। জেলাশাসক সুমিত গুপ্তা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    অনুমতি হালদার হালদারের নামে শুধুমাত্র একটি বার্ধক্য ভাতার অ্যাকাউন্ট নয়। রয়েছে দু দুটি বার্ধক্য ভাতার অ্যাকাউন্ট। একটিতে তাঁর নামের সঙ্গে তাঁর অ্যাকাউন্ট নম্বর দেওয়া থাকলেও অন্যটিতে তাঁর নামের পাশে অ্যাকাউন্ট নম্বরটি অন্যজনের। কিন্তু সেই নম্বরটি কার তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। মৃতের ছেলে সঞ্জীবন হালদার বলেন, এই বিষয় নিয়ে সঠিক তদন্ত হোক। কে বা কারা আমার মায়ের নাম করে দুটি  অ্যাকাউন্ট থেকে দিনের পর দিন টাকা তুলছে তার অবিলম্বে শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতা মোহন হালদার বলেন, এই সমস্ত কিছুই হয়েছে তৃণমূলের বোর্ডে। সেই সময়ে পঞ্চায়েতের দায়িত্ব থাকা প্রধান ও তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির মদতে এসব দুর্নীতি হয়েছে। আমরা দোষীদের শাস্তি দাবি জানাচ্ছি। তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় পাইক বলেন, এখনও আমাদের কাছে এই ধরনের কোনও অভিযোগ আসেনি। এমন যদি হয়ে থাকে তার সঠিক তদন্ত করা হোক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: বলেও কাজ করেনি পঞ্চায়েত! পুজোর খরচ বাঁচিয়ে রাস্তা করলেন এলাকাবাসী

    South 24 Parganas: বলেও কাজ করেনি পঞ্চায়েত! পুজোর খরচ বাঁচিয়ে রাস্তা করলেন এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পুজো কমিটিগুলিকে দেওয়া অনুদানের পরিমাণ অনেকটাই বাড়িয়েছে তৃণমূল সরকার। এই খাতে রাজ্য সরকার জলের মতো কোটি কোটি টাকা খরচ করছে। অথচ যে রাস্তা ধরে মণ্ডপে ঠাকুর দেখতে যাবেন দরশনার্থীরা সেই রাস্তা সংস্কারে নজর নেই এই সরকারের। ফলে, রাস্তা ভেঙে চৌচির হয়ে গিয়েছে। স্থানীয় পুরসভা থেকে পঞ্চায়েত কারও কোনও হেলদোল নেই। এরকমই একটি বেহাল রাস্তা সংস্কারে উদ্যোগী হলেন গ্রামবাসীরা। পুজোর খরচ কমিয়ে এবার চাঁদা তুলে বেহাল রাস্তা সংস্কার করলেন এলাকাবাসী। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) আসুতি-২ পূর্বপাড়া এলাকায়।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) আসুতি-২ পূর্বপাড়া এলাকার রাস্তাটি অত্যন্ত খারাপ। রাস্তা সংস্কারে স্থানীয় পঞ্চায়েতের কোনও হেলদোল নেই। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বৃষ্টি হলেই জমছে জল। জমা জলে দুর্ঘটনা ঘটছে। বারবার পঞ্চায়েতে অভিযোগ করেও কাজ হয়নি। তাই নিজেরা টাকা দিয়ে রাস্তা সারাইয়ের কাজ করছি। পুজোর খরচ বাঁচিয়ে আমরা রাস্তার কাজ করছি। পুজোর আনন্দ থেকে এই রাস্তাটা ঠিক করা জরুরি। আমাদের অনেকের ঘরে বয়স্ক মানুষ আছেন। রাস্তাটা ঠিক না হলে, মানুষটাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছেও তো যেতে পারব না। রাস্তার যা অবস্থা, একটা গাড়ি আসবে না। এক বছর না হয় কম আনন্দ করে পুজোর খরচের টাকা বাঁচিয়ে রাস্তা তৈরি করলাম। শুধু রাস্তা নয়, রাস্তার আলো পর্যন্ত নিজেদের খরচ করে লাগাতে হয়েছে। পঞ্চায়েত কোনও কাজেই এগিয়ে আসেন না। করের টাকা, ভোট সবই পায় পঞ্চায়েত। কিন্তু, তারা কোনও কাজ করে না।

    কী বললেন স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য?

    স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য সুরজিৎ দত্ত বলেন, পঞ্চায়েতের তরফেও সবরকম পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। ওই রাস্তাটা আমরা পঞ্চায়েত থেকে একবার করে দিয়েছিলাম। গত কয়েকদিনে টানা বৃষ্টির জন্য রাস্তায় জল জমে রাস্তা খারাপ করে দিচ্ছে। ওই রাস্তাটি আমরা ঢালাই করে দেব। তবে, এখনই বললে এখনই তো কাজ করা যায় না। বরাদ্দ করার পর কাজ হবে সেটা পুজোর আগে হবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! ঘেরাও অঞ্চল সভাপতি, পঞ্চায়েত সদস্যদের তীব্র বিক্ষোভ  

    Hooghly: ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! ঘেরাও অঞ্চল সভাপতি, পঞ্চায়েত সদস্যদের তীব্র বিক্ষোভ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত অফিসে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান ও অঞ্চল সভাপতিকে ঘেরাও করে তুমুল বিক্ষোভ করল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যরা। ঘটনা ঘটেছে আরামবাগের গোঘাট এলাকায় (Hooghly)। জানা গেছে, পঞ্চায়েত পরিষেবা পেতে অনুমতি লাগবে স্থানীয় তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি ও তাঁর অনুগামীদের। আর যদি তা না হয়, তাহলে কাজ হবে না! ঠিক এই অভিযোগ খোদ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যদের। রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটের সময় পর্ব থেকেই শাসক দলের অন্দরে কোন্দলের কথা বার বার কথা উঠে এসেছে। সরকারি পরিষেবা পেতে গেলে তৃণমূলের নেতাদেরকেও কাটমানি দেওয়ার কথায় সরব হতে দেখা গেছে। এমনকি বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ককে বলতে শোনা গিয়েছিল, এই জেলার তৃণমূল নেতারা টাকা নিয়ে পঞ্চায়েতের টিকিট বিক্রি করেছিলেন! এবার পঞ্চায়েত পরিষেবা পেতে তৃণমূলের কর্মীরাই অঞ্চল সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বিক্ষোভ করলেন। আর তাকে সামাল দিতে নামতে হয়েছে পুলিশকে। তৃণমূলের কর্মী ও সদস্যদের পাশাপাশি এই বিক্ষোভে সামিল হন এলাকার সাধারণ মানুষও।

    পঞ্চায়েত সদস্যদের অভিযোগ (Hooghly)

    শুক্রবার তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোঘাটের (Hooghly) কুমারগঞ্জ পঞ্চায়েতে। ওই পঞ্চায়েতের সদস্য ও অন্যান্য তৃণমূলের কর্মীদের অভিযোগ, পঞ্চায়েতের প্রধান আল্পনা রায় কোনও কিছুই ঠিক মতো পরিষেবা দেন না। পরিষেবা দেওয়ার আগে স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি ও তার অনুগামীদের অনুমতি লাগবে বলে জানান। এমনকি অভিযোগ ওঠে, সব সময় পঞ্চায়েত অফিস দখল করে বসে থাকেন স্থানীয় তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি সদরু দোজ্জা। পরিষেবা পেতে গেলে টাকা চাওয়া হয় সাধারণ মানুষের কাছে। আর সেই অভিযোগ তুলে, আজ দুপুরে পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জমায়েত হন, বিক্ষুব্ধ তৃণমুল কর্মী ও সদস্যরা। তার পরেই পঞ্চায়েত সদস্যদের গোষ্ঠী, প্রধান ও অঞ্চল সভাপতিকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান।

    প্রধানের এবং অঞ্চল সভাপতির বক্তব্য

    ঘটনায় এলাকার (Hooghly) পঞ্চায়েত প্রধান আল্পনা রায়, তাঁর বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “আমাকেই অপর গোষ্ঠী পঞ্চায়েতে ঢুকতে হেনস্থা করছে”। অন্যদিকে এই ঘটনায় তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি সদরু দোজ্জা তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে মিথ্যা বলেছেন। তিনি বলেন, “বহিরাগত বেশ কিছু লোক ইচ্ছাকৃত ভাবে গোলমাল করার চেষ্টা করেছিল। তবে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গোঘাট থানার পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: এই কি উন্নততর প্রশাসন? তৃণমূল পঞ্চায়েত থেকে ৫ বছরেও মিলল না বার্থ সার্টিফিকেট

    Malda: এই কি উন্নততর প্রশাসন? তৃণমূল পঞ্চায়েত থেকে ৫ বছরেও মিলল না বার্থ সার্টিফিকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেউ পাঁচ দিন, কেউ আবার পাঁচ বছর ধরে হন্য হয়ে ঘুরছেন। তবুও, মিলছে না জন্ম সার্টিফিকেট। পঞ্চায়েত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে সরব হয়ে উঠলেন এলাকার ভুক্তভোগী অভিভাবকেরা। এমনই অভিযোগ উঠেছে মালদার (Malda) চাঁচল-১ নম্বর ব্লকের চাঁচল গ্রাম পঞ্চায়েতের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন রেজিষ্টার কর্মচারীদের বিরুদ্ধে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Malda)  

    অভিযোগ, মালদার (Malda) চাঁচল-১ নম্বর ব্লকের চাঁচল গ্রাম পঞ্চায়েতে গত বোর্ডেও তৃণমূল ছিল। এখনও তৃণমূল রয়েছে। এই পঞ্চায়েত অফিসে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দফতরের কর্মচারীরা নিয়মিত দফতর খোলেন না। মাসের বেশিরভাগ সময় দফতর তালা লাগানো থাকে। দুপুর ১২ টা পেরিয়ে গেলেও দফতরের কর্মচারীদের দেখতে পাওয়া যায় না। নতুন জন্ম সার্টিফিকেট ও সংশোধনের জন্য বছরের পর বছর দফতরে হন্য হয়ে ঘুরতে হয়। তবুও, মেলেনা সার্টিফিকেট। জন্ম সার্টিফিকেট না থাকার কারণে আধার ও রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারচ্ছেন না অভিভাবকরা। দফতরের কর্মচারীরা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে বছরের পর বছর ধরে অভিভাবকদের ঘুরাচ্ছেন অভিযোগ। যদিও পঞ্চায়েত কর্মচারীরা তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। নুরগঞ্জ এলাকার মানেজা খাতুন নামে এক অভিভাবিকা অভিযোগ করে বলেন, জন্ম সার্টিফিকেটে ছেলের নাম সংশোধনের জন্য পাঁচ বছর ধরে ঘুরছি। তবুও, করে দিচ্ছেন না সংশোধন। তিনমাস পরে আসতে বলেছিলেন। আমি পাঁচ মাস পরে এসেছি। তবুও, ঘুরে যেতে হচ্ছে। ছেলের বয়স ১০ বছর হয়ে গেছে। আধার কার্ড ও রেশন কার্ড তৈরি করতে পারছি না। এমনকী ছেলেকে স্কুলে ভর্তি করাতে পারছি না। এই বিষয় নিয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান ফোন না তোলায় তাঁর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    পঞ্চায়েতের এক কর্মী কী বললেন?

    জন্ম সার্টিফিকেট এর দফতরের এক কর্মচারী মহম্মদ মুস্তাকিম বলেন, কোনও অভিভাবক জন্ম সার্টিফিকেটের জন্য পাঁচ বছর ধরে ঘুরেনি। অনলাইনে সংশোধন পোর্টালটি বন্ধ রয়েছে তাই হয়তো কয়েকদিন ঘুরতে হয়েছে। চালু হয়ে গেলে কাউকে আর ঘুরতে হবে না। আসলে দফতরের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat: এটাই কি উন্নয়ন? ত্রিপল দেওয়া ঘরে ঝড়বৃষ্টির সময় ঠাঁই চৌকির নিচে!

    Panchayat: এটাই কি উন্নয়ন? ত্রিপল দেওয়া ঘরে ঝড়বৃষ্টির সময় ঠাঁই চৌকির নিচে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙা বেড়া। তার ওপরে ছেঁড়া ত্রিপল! বৃষ্টি এলেই ভিজে যায় ঘর, দমকা হাওয়া দিলেই উড়ে যায় ত্রিপল। নিরুপায় হয়ে ঝড়বৃষ্টির সময় বাড়ির ছেলেমেয়েদের নিয়ে চৌকির তলায় ঠাঁই নিতে হয়। তার ওপর বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের লাইন বসলেও পড়ে না জল। আর্সেনিকযুক্ত জল খেয়েই বেঁচে থাকতে হয় তাঁদের। এভাবে চূড়ান্ত সমস্যায় একাধিক আদিবাসী পরিবার। এরকম একটা দুঃসহ অবস্থায় মেলেনি কোনও সরকারি পরিষেবা। তাই তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের (Panchayat) বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ক্ষোভ এলাকাবাসীর। নদিয়ার শান্তিপুর থানার হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সরদারপাড়া। শতাধিক মানুষের বসবাস। বছরের পর বছর ধরে বসবাস করলেও এখনও পর্যন্ত মেলেনি পঞ্চায়েতের কোনও পরিষেবা।

    কী বলছেন ভুক্তভোগী বাসিন্দারা (Panchayat)?

    এই বিষয়ে ওই এলাকার এক দিনমজুর রাম সরদার বলেন, আমরা কোনও কিছুই সুবিধা পাই না। ঘর এখনও পাইনি। ভোট এলে তবেই পঞ্চায়েত সদস্যদের এলাকায় দেখা যায়। একাধিকবার জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। আমরা চাই, যাতে অন্তত সরকারি ঘরটা তাড়াতাড়ি পাই। আরেক বাসিন্দা নিমাই সরদার বলেন, জন্মের পর থেকেই এই ত্রিপলের ঘরে বসবাস করছি। ঝড়বৃষ্টি এলে ভয় হয়। কিন্তু কিছু করার নেই। বাধ্য হয়ে থাকতে হয়। একাধিকবার পঞ্চায়েত সদস্যকে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। তিনি শুধু আশ্বাস দিয়ে গেছেন।কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ওই এলাকার বাসিন্দা খুদু সরদার বলেন, বৃষ্টি হলেই বাড়ির সামনে এক হাঁটু জল জমে যায়। বাড়িতে সাপের উপদ্রব বেড়ে যায়। এর আগে একাধিকবার ঘরে সাপ ঢুকেছিল। বাড়িতে ছোট বাচ্চা নিয়ে চরম আতঙ্কে থাকি। কিন্তু আমাদের কোনও ঘর দেওয়া হয়নি। বয়স্ক ভাতা থেকে শুরু করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কিছুই আমি পাই না। পঞ্চায়েতের তরফ থেকে একজন আসেন, দেখে চলে যান। কাজের কাজ কিছুই হয় না। সবকিছু বিক্রি করে কোনও রকমে বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগটা করিয়েছি। আমরা চাই অবিলম্বে সরকার এবং পঞ্চায়েতের (Panchayat) তরফ থেকে পরিষেবার ব্যবস্থা করুক।

    ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপি নেত্র্রী?

    যদিও পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ওই এলাকার বিজেপি নেত্রী শিলা হালদার মণ্ডল। হরিপুর পঞ্চায়েতের (Panchayat) বিরুদ্ধে স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, যাঁরা মূলত তৃণমূল করছেন, তাঁরাই ঘর পাচ্ছেন। একবারের জায়গায় দু থেকে তিনবার একই নামে ঘর আসছে। অথচ যাঁরা নিম্নবিত্ত শ্রেণির খেটে খাওয়া মানুষ, যাঁরা ঘর পাওয়ার যোগ্য, তাঁরা ঘর পাচ্ছেন না। পঞ্চায়েত এলাকার এক শ্রেণির তৃণমূল নেতা কাজ না করে রাতারাতি ফুলেফেঁপে উঠছেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, শুধুমাত্র ঘর নয়, প্রতিটি প্রকল্পে ব্যাপক হারে দুর্নীতি করেছে এই তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত।

    কী বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব (Panchayat)?

    এ বিষয়ে হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের (Panchayat) প্রধান শোভা সরকার বলেন, ঘর মূলত কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকার উভয়ের আর্থিক বরাদ্দ থেকে দেওয়া হয়। কিন্তু কেন্দ্র থেকে কোনও আর্থিক সাহায্য না মেলায় ঘর দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ওই প্রকল্পের টাকা আমাদের হাতে এলেই আমরা ঘর দেওয়া শুরু করব। অন্যদিকে অন্যান্য প্রকল্প নিয়ে তিনি বলেন, সঠিক নথিপত্র যাদের রয়েছে তাদের আমরা বিভিন্ন প্রকল্পের পরিষেবা দেওয়া শুরু করেছি।

    ওই এলাকার বর্তমান পঞ্চায়েত (Panchayat) সদস্যা তনুশ্রী সাহার স্বামী এবং প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য তাপস কুমার সাহা বলেন, বাম আমলে কোনও কাজ হয়নি। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর এবং আমি প্রথম মেম্বার হওয়ার পর ওই এলাকায় একশো শতাংশ উন্নয়ন করেছি। সরদার পাড়ার প্রত্যেকেই ঘর পেয়েছে। পাশাপাশি বিধবা ভাতা এবং লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সবাই পেয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: হিসাব না দেওয়াতেই ১০০ দিনের টাকা বন্ধ, রাজ্যে এসে জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    Asansol: হিসাব না দেওয়াতেই ১০০ দিনের টাকা বন্ধ, রাজ্যে এসে জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের ন-বছরের উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান তুলে ধরে এক সাংবাদিক বৈঠক (Asansol) করলেন পঞ্চায়েতের রাষ্ট্রমন্ত্রী কপিল মরেশ্বর পাটিল। বুধবার আসানসোলের এক বেসরকারি হোটেলে তিনি ওই সাংবাদিক বৈঠক করেন। এদিন মন্ত্রী বলেন, বিগত ৯ বছরে মোদিজির নেতৃত্বে আবাস যোজনায় ঘর পেয়েছে সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি উজ্জ্বলা যোজনায় কয়েক লক্ষ গরিব মানুষকে গ্যাসের কানেকশন দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প রয়েছে। সেই সব প্রকল্পের আওতায় শিক্ষা ক্ষেত্রে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে প্রচুর সাধারণ মানুষ উপকৃত হয়েছেন। তবে আবাস যোজনায় কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে বাংলাকে বঞ্চনার অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তিনি। এছাড়া ১০০ দিনের কাজের ক্ষেত্রেও তিনি বলেন, হিসাব না দেওয়ার কারণেই ১০০ দিনের কাজের টাকা বাকি রয়েছে।

    পরিদর্শন করলেন ইএসআই হাসপাতাল (Asansol)

    ন বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে যে সব উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, সেই উপলক্ষে আজ আসানসোলে (Asansol) এসেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। প্রথমে তিনি একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন। পরে আসানসোলের ইএসআই হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দক্ষিণের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল। এছাড়া ছিলেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, জেলা সভাপতি দিলীপ দে। এখানে যে হসপিটাল বিল্ডিং তৈরির পর পড়ে আছে, সেটা তিনি পরিদর্শন করেন। এখানে ৩৮ একর জায়গা পড়ে আছে। সেই জায়গাতে জেলার একটি মেডিক্যাল কলেজ বাড়ানোর জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব দেবেন বলে জানান। এছাড়া এখানে আরও ৫০ বেড বাড়িয়ে ৩২ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছিল। কিন্তু কেন ২৬ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, কেন এই কাজ পড়ে রয়েছে, সে ব্যাপারে তিনি খোঁজখবর নেন। ভুপেন্দ্র কুমারজির সঙ্গে কথা বলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজ শুরু করার চেষ্টা করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

    কী বললেন আসানসোল পুর নিগমের চেয়ারম্যান (Asansol)?

    অপরদিকে সাংবাদিক বৈঠকে করা মন্তব্যকে কটাক্ষ করেছেন আসানসোল (Asansol) পুর নিগমের চেয়ারম্যান অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়। পাল্টা তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য পুরস্কার পাচ্ছে রাজ্য সরকার। বর্তমান কেন্দ্রের সরকার কর্মসংস্থানের জন্য কোনও বড় প্রজেক্ট তৈরি করতে পারেনি। উল্টে কয়েকটি বেসরকারি সংস্থাকে বিভিন্ন ভাবে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda River: কচুরিপানায় ছেয়ে গিয়েছে নদী, সংস্কারের দাবি জানালেও নির্বিকার পঞ্চায়েত!

    Malda River: কচুরিপানায় ছেয়ে গিয়েছে নদী, সংস্কারের দাবি জানালেও নির্বিকার পঞ্চায়েত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা জেলার হবিবপুর ব্লকের টাঙ্গন নদী (Malda River) কার্যত ধুঁকছে। নদীর স্রোত একেবারে নেই বললেই চলে। এর গভীরতাও আগের থেকে অনেক কমে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, নদীর জলের চারদিক কচুরিপানায় ছেয়ে গিয়েছে। এর জন্য নদী সংলগ্ন স্থানীয় মানুষদের পদে পদে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তাদের স্নানের জন্য জলে নামতে খুবই সমস্যা হচ্ছে। অনেকেই এখন বাধ্য হয়ে কচুরিপানা সরিয়ে জলে ডুব দিচ্ছেন, জামাকাপড় ধোয়ার কাজ করছেন।

    কী বলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    নদীতে স্নান করতে এসে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন অনেকে। স্থানীয় মহিলা সন্ধ্যা সিংহ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের প্রচণ্ড সমস্যা। এতটাই সমস্যা যে বলার নয়। নদীর (Malda River) অবস্থা বেহাল। তবুও এদিকে কেউ নজর দিচ্ছে না। নদীর দ্রুত সংস্কার করা উচিত। নদীতে নেমে স্নান করার মতো পরিস্থিতি নেই। জল থেকে গন্ধ ছড়াচ্ছে। তাতেই স্নান করতে হয়। বাড়ির কলে জল ওঠে না। তাই নদীতেই কাচাকুচি করতে হয়। জামাকাপড় ধুয়ে নিয়ে গিয়ে আবার সাবমার্শিবলের জলে ধুতে হচ্ছে। জল পচে গন্ধ ছড়ানোয় বিভিন্ন অসুখ হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।

    কী আশ্বাস দিলেন পঞ্চায়েত প্রধান?

    নদীতে (Malda River) কচুরিপানা সরানোর ব্যবস্থা করে দেওয়া হলে অনেক সুবিধা হবে, এই আর্জি এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য অমৃত হালদারকে জানানো হয়। কিন্তু সমস্যার কোনও সুরাহা হয়নি। অমৃতবাবু বলেন, বিষয়টি অনেকদিন ধরে নজরে রয়েছে। এমনভাবে চারদিক কচুরিপানায় ভরে গেছে যে নদীতে কেউ নামতে পারছে না। অনেকেই আমার কাছে এনিয়ে অভিযোগ জানিয়েছে। মৎস্যজীবীরা তাঁদের সুবিধার জন্য ব্যারিকেড করে দিয়েছে। তবে এমনিতেই নদীটির স্রোত একেবারেই নেই। জল অনেক কমে গিয়েছে। যার ফলে কচুরিপানা আটকে পড়ছে। খুব শীঘ্রই লোক লাগিয়ে কচুরিপানা সরানোর ব্যবস্থা করা হবে। বিষয়টি নিয়ে তিনি ব্লকে কথা বলবেন বলেও জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পাট্টা বিলি ঘিরে প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, বচসা-হাতাহাতিতে উত্তেজনা

    TMC: পাট্টা বিলি ঘিরে প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, বচসা-হাতাহাতিতে উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী জমির পাট্টা বিতরণ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে শাসকদলের (TMC) গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং ভূমি কর্মাধ্যক্ষর অনুগামীদের মধ্যে বচসা এবং হাতাহাতিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ব্লক চত্বরে। কর্মসূচি চলাকালীন প্রকাশ্যে ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এবং ভূমি সংস্কার আধিকারিককে ধমক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির। কর্মসূচি বন্ধ করার দাবি। 

    একে অন্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

    পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির দাবি, তাঁকে না জানিয়ে রাতের অন্ধকারে লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে পাট্টা বিতরণের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। যাদের জমি রয়েছে তাদেরই পাট্টা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ পঞ্চায়েত সমিতির ভূমি কর্মাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। পাল্টা বন্যাত্রাণ দুর্নীতি নিয়ে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিকে খোঁচা দিলেন ভূমি কর্মাধ্যক্ষ। যদিও পাট্টা বিতরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ মানতে নারাজ সরকারি আধিকারিকরা। সব মিলিয়ে গোষ্ঠীকোন্দল (TMC) নিয়ে ফের ব্যাপক অস্বস্তিতে তৃণমূল। 

    কীভাবে প্রকাশ্যে বিবাদে জড়াল দুপক্ষ?

    মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক তথ্যমিত্র কেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির (TMC) নির্দেশ অনুযায়ী পাট্টা বিতরণ কর্মসূচি চলছিল বুধবার। যাদের নিজস্ব জমি নেই, যারা ভূমিহীন, দুয়ারে সরকারে আবেদনের মাধ্যমে তারা সরকারি জমির পাট্টা পাবে-এমনটাই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই অনুযায়ী চলছিল কর্মসূচি।কর্মসূচি চলাকালীন হঠাৎই ব্লক চত্বরে এসে হট্টগোল শুরু করেন হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কোয়েল দাস। তাঁর অভিযোগ, এই পাট্টা বিতরণ কর্মসূচির কথা তাঁকে জানানো হয়নি। রাতের অন্ধকারে লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে পাট্টা বিতরণের তালিকা তৈরি করেছেন পঞ্চায়েত সমিতির ভূমি কর্মাধ্যক্ষ আদিত্য মিশ্র। যারা ভূমিহীন তারা পাট্টা পাচ্ছে না, অথচ যাদের জমি রয়েছে তারা পাচ্ছে। তাই তিনি হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অনির্বাণ বসু এবং ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক ভিক্টর সাহার কাছে দাবি জানান, এই কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে। প্রকাশ্যে সরকারি আধিকারিকদের রীতিমতো ধমক দেন তিনি। তারপরেই ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক উত্তেজনা। আদিত্য মিশ্র এবং কোয়েল দাসের অনুগামীরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে আসতে হয় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশকে। যদিও সরকারি আধিকারিকদের দাবি, সম্পূর্ণ নিয়ম মেনেই কর্মসূচি হয়েছে। কোনঔ দুর্নীতি হয়নি। অন্যদিকে ভূমি কর্মাধ্যক্ষ আদিত্য মিশ্র পাল্টা বন্যাত্রাণ নিয়ে খোঁচা দিয়েছেন সভাপতি কোয়েল দাসকে।

    কী বললেন সরকারি আধিকারিকরা?

    হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অনির্বাণ বসু বলেন, আমাদের যেভাবে ধমক দেওয়া হয়েছে, তা খুব দুর্ভাগ্যজনক। নির্দেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে এই কর্মসূচি হয়েছে। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করেছি। হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক ভিক্টর সাহা বলেন, ধমক দিলেও কিছু করার নেই। আমরা আমাদের কাজ করব। সঠিকভাবে অনুসন্ধান করে পাট্টা প্রাপকদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এখানে দুর্নীতির (TMC) বিষয় নেই।

    তীব্র কটাক্ষ বিজেপির

    সমগ্র ঘটনা সামনে আসতেই কটাক্ষ বিজেপির। মালদা সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সম্পাদক রূপেশ আগরওয়াল বলেন, এক পক্ষ দুর্নীতির ভাগ পেয়েছে। অন্য পক্ষ পায়নি। এই নিয়ে ঝামেলা। এটাই তো এদের সংস্কৃতি। এই দলকে (TMC) মানুষ ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলবে। ফলে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূল! জয়ী বিরোধী প্রার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূল! জয়ী বিরোধী প্রার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফল বেরিয়েছে অনেক আগেই। চলছে বোর্ড গঠনের তোড়জোড়। তার আগে অশান্তির আশঙ্কায় কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জয়ী প্রার্থীরা। মঙ্গলবার মথুরাপুর, মুর্শিদাবাদ ও রায়দিঘির বিরোধী দলের জয়ী প্রার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ১০ অগাস্ট বোর্ড গঠন হওয়ার কথা মথুরাপুর পঞ্চায়েতে। এই পঞ্চায়েতের ৯জন জয়ী প্রার্থীকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।

    নিরাপত্তার নির্দেশ মুর্শিদাবাদে

    মুর্শিদাবাদের তেনকরাইপুর বালুমতি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৫ জন প্রার্থী এবং জেলার হেরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সিপিএমের ১২ জন প্রার্থীকেও নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘির কাশীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের সাতজন জয়ী বিরোধী দলের প্রার্থীকেও নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তেনকরাইপুর বালুমতি পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন হবে ১১ অগাস্ট। ১০ অগাস্ট বোর্ড গঠন হওয়ার কথা দক্ষিণ ২৪ পরগনারই উত্তর কুসুম গ্রাম পঞ্চায়েতে। ২৫ আসন বিশিষ্ট এই পঞ্চায়েতে তৃণমূল যাতে বোর্ড গড়তে না পারে, তাই জোট বেঁধেছে বাম ও কংগ্রেস। এদিন এখানেও বিরোধী দলের জয়ী প্রার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি সেনগুপ্ত (Calcutta High Court)।

    আদালতে কংগ্রেসের মস্কিনা

    প্রসঙ্গত, এই পঞ্চায়েতে ১৭টি আসন পেয়েছে বাম, কংগ্রেস এবং আইএসএফ। বাকি ৮টি আসন পেয়েছে তৃণমূল। অভিযোগ, বোর্ড গঠনের আগে তৃণমূল জোট প্রার্থীদের হুমকি দিচ্ছে। এর পরেই প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন কংগ্রেসের জয়ী প্রার্থী মস্কিনা মমতাজ। মস্কিনা কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক আবুল বাশার লস্করের স্ত্রী। ডায়মন্ড হারবারের পুলিশ সুপারকে বিচারপতি সেনগুপ্তের নির্দেশ, বোর্ড গঠনের দিন পঞ্চায়েত কার্যালয়ে উপযুক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। সেদিন প্রার্থীরা যাতে বৈঠকে অংশ নিতে পারেন, সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে।

    আরও পড়ুুন: হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য! নিয়োগ না মেলায় ফের আদালতে ৬২ জন চাকরিপ্রার্থী

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজয়ী প্রার্থীদের ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর খাসতালুক নন্দীগ্রামেও। বোর্ড গঠনের দিন ঘনিয়ে আসতেই বিরোধী দলের জয়ী প্রার্থীদের এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। এরই প্রেক্ষিতে নন্দীগ্রামের দুটি ব্লকের ১৭টি পঞ্চায়েতের বিজয়ী প্রার্থীরা যাতে বোর্ড গঠনে উপস্থিত থাকতে পারেন, সে বিষয়েও পুলিশকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেয় আদালত (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Dakshin Dinajpur: পঞ্চায়েতে তৃণমূলের কোটিপতি প্রার্থী, সরগরম হিলি

    Dakshin Dinajpur: পঞ্চায়েতে তৃণমূলের কোটিপতি প্রার্থী, সরগরম হিলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটিপতি এবারে পঞ্চায়েত ভোটের প্রার্থী! হ্যাঁ শুনতে অবাক লাগলেও, দক্ষিন দিনাজপুরের হিলির (Dakshin Dinajpur) দুর্গ ধরে রাখতে এবারে এমনই এক কোটিপতিকে প্রার্থী করল তৃণমূল। জেলাপরিষদের ১৩ নম্বর আসন থেকে নির্বাচনে দাঁড়ানো ওই তৃণমূল প্রার্থীর নাম কৌশিক মাহাতো ওরফে ডাকু।

    কোথায় (Dakshin Dinajpur) প্রার্থী হলেন এই তৃণমূল কর্মী?

    হিলির জামালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সিধাই এলাকার বাসিন্দা হলেও এবারের নির্বাচনে ১৩ নম্বর জেলাপরিষদ আসন থেকেই লড়ছেন তিনি। হিলি ব্লকের ধলপাড়া ও বিনশিরা এই দুটি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে তৈরি হওয়া নতুন দক্ষিণ জেলা পরিষদের আসনটিতে প্রার্থী হওয়া কৌশিক মাহাতো, নির্বাচন কমিশনকে যে তথ্য দিয়েছেন, তাতে তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর নামে থাকা সম্পত্তি ও নগদ অর্থের পরিমান প্রায় এক কোটি টাকা। যা জেলার প্রায় সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদেরই পিছনে ফেলে দিয়েছে। আচমকা তৃণমূল এমন কোটিপতিকে ভোটে দাঁড় করিয়ে দেওয়াতেই, এখন জোর চর্চা দক্ষিন দিনাজপুর জেলা জুড়ে।

    নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য

    নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী কোটিপতি ওই তৃণমূল প্রার্থীর (Dakshin Dinajpur) কাছে নগদ অর্থ রয়েছে ৫০ হাজার টাকা। ব্যাঙ্কে গচ্ছিত রয়েছে ১০ লক্ষ টাকা। স্ত্রীর ব্যাঙ্ক একাউন্টে দুলক্ষ টাকা এবং নগদ ২৫ হাজার টাকা রয়েছে। প্রার্থীর নিজস্ব দুই ভরি সোনার গহনা এবং স্ত্রীর রয়েছে সাতভরি সোনার গহনা। বাড়ি ও জমি হিসাবে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকার সম্পত্তি রয়েছে কৌশিক বাবুর। এছাড়াও অন্য বিনিয়োগ হিসাবে আট লক্ষ টাকা দেখিয়েছেন এই তৃণমূল প্রার্থী। রয়েছে একটি মোটর সাইকেল ও একটি চার চাকা গাড়িও। নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া তথ্যে ওই তৃণমূল প্রার্থী জানিয়েছেন তাঁর বার্ষিক আয় ৫ লক্ষ টাকা, যেখানে তিনি নিজেকে একজন এক্সপোর্টার ও মদের ব্যবসায়ী হিসাবে দাবি করেছেন। এছাড়া তাঁর একটি গেস্ট হাউসও রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন। আর নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া এই হিসাবই জেলার সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদেরকে ছাপিয়ে গিয়েছে। খোদ তৃণমূলের জেলা সভাপতি, যুব সভাপতিরা নির্বাচনে লড়াই করলেও, কৌশিক মাহাতোর সম্পত্তির ধারেপাশে পৌঁছাতে পারেনি কোনও প্রার্থীই।

    প্রার্থীর বক্তব্য

    তৃণমূল প্রার্থী কৌশিক মাহাতো (Dakshin Dinajpur) বলেন, এই এলাকার মানুষ উন্নয়নের পক্ষেই রয়েছেন। জেতার ব্যাপারে তিনি একশো শতাংশ আশাবাদী। বিপক্ষ হিসাবে বিজেপিকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি, কেননা বামদের তেমন কিছু নেই বলেও দাবি করেছেন তিনি। নিজের জয়ের ব্যাপারে একশো শতাংশ আশা বাদী তৃণমূল প্রার্থী কৌশিক মাহাতো।

    বিরোধীদের বক্তব্য

    হিলির ১৩ নম্বর জেলা পরিষদ (Dakshin Dinajpur) আসনের বিজেপি প্রার্থী বাপি সরকার বলেন, রাজনীতির লড়াইয়ে কোটিপতি, লাখোপতি বলে কোন ব্যাপার নেই। সেখানে লড়াই শুধুমাত্র রাজনৈতিক। সিপিএম প্রার্থী শিবতোষ চ্যাটার্জী বলেন, কোটিপতি প্রার্থী টাকা ছিটিয়ে পিকনিক, মিষ্টির প্যাকেট বিলি করলেও ভোটারদের কিনতে পারবেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share