Tag: Panchayat Election

Panchayat Election

  • Chopra: ‘জেসিবি’র আরও কীর্তি! পঞ্চায়েত নির্বাচনে মিছিলে গুলি চালিয়ে হয়েছিলেন গ্রেফতার!

    Chopra: ‘জেসিবি’র আরও কীর্তি! পঞ্চায়েত নির্বাচনে মিছিলে গুলি চালিয়ে হয়েছিলেন গ্রেফতার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘জেসিবি’ (JCB) আসল নাম তাজমুল হক। এলাকার কুখ্যাত দুষ্কৃতী বলেই পরিচিত তিনি। যদিও তৃণমূলের কোনও পদে নেই বলেই বর্তমানে দাবি করছেন স্থানীয় বিধায়ক হামিদুল রহমান ও জেলা তৃণমূল সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল। এর আগেও একাধিক খুনের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষের দিন চোপড়ার (Chopra) সিপিএম কর্মী মনসুর আলিকে গুলি করে খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত এই তাজমুল ওরফে জেসিবি।

    পুলিশ প্রশাসনও ভয় পায় (Chopra)!

    তাঁর কর্মকাণ্ডে সমাজিক মাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। ‘ইনসাফ’ সভার নামে এক তরুণ-তরুণীকে প্রকাশ্য রাস্তায় মাটিতে ফেলে ব্যাপক মারধর করেছেন। তরুণের শরীরে ছিলা না জামা, তরুণীর পরনে ছিল নাইটি। হাত পিছনে বেঁধে ঘোরান হচ্ছিল। কার্যত তালিবানি কায়দায় অত্যাচার করা হয়। যার নেতৃত্বে ছিলেন জেসিবি। তাঁর বাড়ি চোপড়ার (Chopra) লক্ষ্মীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে। এই গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কোর কমিটির চেয়ারম্যান তিনি। পুলিশ প্রশাসন তাঁর দাপটে ভয় পায়। এলাকার কোনও মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে চান না। কার্যত এই এলাকা ছিল তাঁর স্বাধীন সাম্রাজ্য।

    খুনের মামলায় অভিযুক্ত জেসিবি

    শুধুমাত্র শাসকদলের নেতা হওয়ায় পুলিশের কাছে প্রতিবার ছাড়া পেয়ে গিয়েছিলেন তাজমুল (JCB)। সমাজ বিরোধী কাজ হিসেবে লুটপাট, খুন এবং তোলাবাজি সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। গত বারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে গুলি করে হত্যা করেছিলেন সিপিএম কর্মীকে। এই বিষয়ে সিপিএমের দাবি, “পঞ্চায়েত ভোটে আমাদের মিছিলে গুলি করেছিলেন এই অভিযুক্ত তাজমুল। প্রথমে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করলেও ১৫ দিন পর ছাড়া পেয়ে গিয়েছিলেন।” আবার উত্তর দিনাজপুরের (Chopra) কংগ্রেস ব্লক সভাপতি মাসিরুদ্দিন বলেছেন, “আমাদের জোটের মিছিলে গুলি করেছিলেন তাজমুল। এক সিপিএম নেতা মারা গিয়েছিলেন। অনেকে জখম হয়েছিলেন। এলাকায় কুখ্যাত দুষ্কৃতী জেসিবি।”

    জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের(Chopra)

    রবিবার জেসিবিকে চোপড়া থেকে (Chopra) গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ স্বতঃপ্রণেদিত ভাবে মামলা দায়ের করেছে তাঁর বিরুদ্ধে। সোমবার তাঁকে ইসলামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে মহিলাকে শ্লীলতাহানি এবং বলপ্রয়োগ করার অভিযোগও দায়ের করছে পুলিশ। পুলিশ ৩২৩, ৩২৫, ৩৫৪, ৩০৭ ও ৩৪ আইপিসি ধারায় মামলা দায়ের করেছে এবং তাঁকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজত চেয়েছে পুলিশ।

    আরও পড়ুনঃ চন্দ্রকোনায় সরকারি খাসজমি দখলের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে!

    মুসলিম রাষ্ট্রে সামজিক আচার বিচার

    চোপড়ার (Chopra) তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমানের ব্যাখ্যা আরও ভয়ানক। তিনি বলেছেন, “মুসলিম রাষ্ট্রে সামাজিক আচার বিচার হয়েই থাকে। সমাজকে খারাপ করছিল। তাই গ্রামে সালিশি বসানো হয়েছিল। তাই শাসন করতে গিয়েছিল। কিন্তু যেটা করেছে, একটু বেশি বেশি করে দিয়েছে। তার জন্য আমরাও দুঃখিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ‘পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট বিক্রি করেছে দল’, বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহা

    Nadia: ‘পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট বিক্রি করেছে দল’, বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজয়া সম্মেলনী অনুষ্ঠানে দলের বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক। পঞ্চায়েত নির্বাচনের টিকিট দেওয়াকে কেন্দ্র করে ভরা মঞ্চে দলের শীর্ষ নেতৃত্বদের সামনেই ক্ষোভ উগরে দিলেন নদিয়ার (Nadia) তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহা। প্রকাশ্যে তৃণমূল বিধায়কের অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে জেলা রাজনীতি। চরম বিড়়ম্বনায় পড়েন জেলা নেতৃত্ব।

    ঠিক কী অভিযোগ করেছেন তৃণমূল বিধায়ক? (Nadia)

    এদিন নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর রবীন্দ্রভবনে বিজয়া সম্মেলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস, কল্লোল খাঁ সহ তৃণমূলের এক ঝাঁক শীর্ষ নেতৃত্ব। যদিও একের পর এক নেতৃত্ব বক্তব্য দেওয়ার মাঝে বক্তব্য রাখেন তেহট্টের বিধায়ক তাপস সাহা। ভরা মঞ্চে নির্বাচনী টিকিট দেওয়াকে কেন্দ্র করে একের পর এক অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে সব স্তরের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে পঞ্চায়েতের প্রার্থীদের তালিকা তৈরি করলাম। সেই প্রার্থী তালিকা জমা দেওয়ার পর দেখলাম আমাদের তালিকা অনুযায়ী প্রার্থী করা হয়নি। সেই তালিকায় কতজন পাশ করেছেন তা জানার অধিকার আমাদের আছে। জেলা নেতৃত্ব কল্লোল খাঁ, নাসিরুদ্দিন আহমেদের কাছে জানতে চাইলে তারা কিছু জানেন না বলে জানাচ্ছে। ৪৩ বছরের রাজনীতি জীবনে টিকিট নিয়ে এরকম ঘটনা ঘটেনি। পঞ্চায়েতে টিকিট বিক্রি হয়েছে। যা আমি আমার রাজনীতি জীবনে দেখিনি। দলীয় কর্মী কিছু জানতে চাইলে উত্তর দিতে পারি না।

    তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশ কী বললেন?

    ভরা মঞ্চে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ তুলতেই তাপস সাহাকে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে তৃণমূল নেতৃত্ব। যদিও মঞ্চে তাঁর অভিযোগ তুলে ধরা নিয়ে সকলের সামনে ক্ষমা প্রার্থনা করেন তাপসবাবু। তবে, বিজয়া সম্মেলনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হঠাৎই যে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করবেন তাপস সাহা, এটা দলেরই কাছে ছিল অজানা। এই ঘটনায় দলের দ্বন্দ্ব একেবারে সামনে চলে এল। যদিও সভায় উপস্থিত তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বেজায় খুশি। তাঁদের বক্তব্য, তাপসদা আমাদের মনের কথা বলেছেন। বহু যোগ্য কর্মী এবার টিকিট পাননি। পঞ্চায়েতে টিকিট নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: উধাও দিল্লির দোস্তি, পঞ্চায়েতে তৃণমূলকে রুখতে বিজেপির সঙ্গে জোটে বাম-কংগ্রেস

    Panchayat Election: উধাও দিল্লির দোস্তি, পঞ্চায়েতে তৃণমূলকে রুখতে বিজেপির সঙ্গে জোটে বাম-কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছে কংগ্রেস, সিপিএম,তৃণমূল সহ ২৬টি দল। ঠিক তার উল্টো চিত্র ধরা পড়ছে রাজ্যের জেলায় জেলায়। এখানে তৃণমূলকে হারাতে বিজেপির সঙ্গে হাত মেলাল কংগ্রেস-সিপিএম। উধাও দিল্লির দোস্তি। পঞ্চায়েত ভোটকে (Panchayat Election) কেন্দ্র করে লাগামছাড়া সন্ত্রাসের সাক্ষী থেকেছে সারা রাজ্য। গত ১১ জুলাই ফলাফল প্রকাশ হয় পঞ্চায়েত ভোটের। বর্তমানে চলছে বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া। সেখানেই দেখা গেল এমন চিত্র। শাসকদলের বিরুদ্ধে এককাট্টা বিরোধীরা।

    উত্তরদিনাজপুর জেলায় বিজেপির সঙ্গে হাত মেলাল কংগ্রেস-ফরওয়ার্ড ব্লক

    উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জের ৪নং বিন্দোল গ্রাম পঞ্চায়েতে। এখানে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বাম-কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়ে বোর্ড গঠন (Panchayat Election) করল বিজেপি। শুক্রবার রায়গঞ্জের বিন্দোল গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনের দিন ধার্য ছিল।  সেই মোতাবেক সকল দলের জয়ী প্রার্থীরা এসে উপস্থিত হন পঞ্চায়েত চত্বরে (Panchayat Election)। মূলত ২৩টি আসন যুক্ত এই গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপি ৯টি, তৃণমূল ৮টি, কংগ্রেস ৪টি, ফরওয়ার্ড ব্লক ১টি এবং একটি আসনে নির্দল প্রার্থী জয়ী হয়। নির্দল প্রার্থী তৃণমূলকে সমর্থন করে। অপরদিকে কংগ্রেস এবং ফরওয়ার্ড ব্লক বিজেপিকে সমর্থন করায় পঞ্চায়েত বোর্ড বিজেপি গঠন করে। যদিও ভুল চিহ্ন দেওয়ায় দুই পক্ষেরই একটি করে ভোট কাটা যায়। মোট ২৩ টি আসনের মধ্যে বাম কংগ্রেস এবং বিজেপি মিলে ১৩ টি আসন হওয়ায় তারা এই পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন করেন। এই পঞ্চায়েতের প্রধান নির্বাচিত হন কংগ্রেসের জিন্নাতুন খাতুন এবং উপপ্রধান নির্বাচিত হন বিজেপির ফুলকুমার বর্মন। কংগ্রেসের জয়ী সদস্য জিন্নাতুন খাতুন বলেন, ‘‘আমরা চাই পঞ্চায়েতের উন্নতি হোক। তাই আমরা বিজেপি এবং বাম-কংগ্রেস জোট মিলে বোর্ড গঠন করেছি। আগামীতে মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।’’ অপরদিকে বিজেপির জয়ী সদস্য  ফুলকুমার বর্মন বলেন, ‘‘বাম-কংগ্রেস এবং বিজেপি মিলে এই বোর্ড গঠন করল। আমরা মানুষের সেবা করতে চাই। এটাই আমাদের লক্ষ্য।’’ 

     

    মুর্শিদাবাদ জেলায় বিজেপির সঙ্গে জোটে কংগ্রেস এবং বাম

    এখানেও শাসক দল তৃণমূলকে হঠাতে একজোট বিরোধীরা। মুর্শিদাবাদের 
    সুতি ১ ব্লকের  সাদিকপুরে পঞ্চায়েত (Panchayat Election) দখলে রাখল  বাম-কংগ্রেস-বিজেপি জোট। সুতিতে বোর্ড গঠনের পরে বাম-কংগ্রেস-বিজেপি জোটের প্রধান হলেন আরএসপির আর উপপ্রধান  বিজেপির।  ২৭ আসনের সাদিকপুরে তৃণমূল জয়ী হয় ১০টি আসনে, বিজেপি ৮টি আসনে জয়ী হয়। কংগ্রেস ৬টিতে এবং সিপিএম ২টিতে এবং আরএসপি জয়ী হয় ১টি আসনে। এর মধ্যে কয়েক দিন আগে কংগ্রেসের একজন তৃণমূলে যোগদান করে। এদিন বোর্ড গঠনে তৃণমূলকে হারাতে জোট বাঁধে বাম কংগ্রেস ও  বিজেপি।   প্রধান হন আরএসপির রেশমা খাতুন এবং উপপ্রধান হয় বিজেপির আশিষ দাস । বোর্ড গঠনের পরেই আনন্দে মেতে ওঠেন বাম কংগ্রেস ও বিজেপির কর্মী সমর্থকরা।

    সুতির হারুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতেও বোর্ড গঠন করল বিজেপি-বাম-কংগ্রেস মিলে

    মুর্শিদাবাদ জেলার সুতির হারুয়া গ্রাম পঞ্চায়েত (Panchayat Election) বাম-কংগ্রেস-বিজেপি জোটের দখলে গেল। প্রধান হলেন কংগ্রেসের রাখি রবিদাস ও উপপ্রধান বিজেপির জবা রানী মন্ডল। শুক্রবার জোটের কর্মীদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো, হারুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৬ টি আসনের মধ্যে তৃণমূল পায় ১২ টি আসন, কংগ্রেস  ৮টি আসন, বামফ্রন্ট ৪টি ও বিজেপি ২টি আসন। শেষমেষ বাম-বিজেপি-কংগ্রেসের জোটে ১৪ জন সদস্যের সমর্থনে প্রধান হলেন কংগ্রেসের রাখি রবিদাস ও উপপ্রধান বিজেপির জবা রানী মন্ডল। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে এই দিন হারুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড (Panchayat Election) গঠন সম্পন্ন হল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে দিল্লি যাচ্ছি”! তির্যক মন্তব্য রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে দিল্লি যাচ্ছি”! তির্যক মন্তব্য রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট মিটতেই দিল্লি গেলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজভবন সূত্রে খবর, আজ সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন তিনি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে থেকেই জেলায় জেলায় ঘুরছেন রাজ্যপাল। ভোটে নিহত বা আহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি। গিয়েছেন হাসপাতালেও। জানা যাচ্ছে, সেই রিপোর্টই তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে জমা দিতে পারেন। 

    কেন হঠাৎ দিল্লি যাত্রা?

    নির্বাচনের আগে থেকেই সক্রিয় দেখা গিয়েছে রাজ্যপালকে। নিজেকে গ্রাউন্ড জিরো রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলে অভিহিত করেছেন সিভি আনন্দ বোস। নিজের চোখে প্রত্যক্ষ করেছেন ভোট সন্ত্রাসের করুণ কাহিনি। ভোটের দিনেই প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ জন। তার আগে আরও ১৯ জনের প্রাণ গিয়েছে এই ভোটকে কেন্দ্র করে। যদিও রাজ্য নির্বাচন কমিশন ভোটের বলি হিসেবে উল্লেখ করেছে মাত্র ১০ জনকে। আর ভোটের দিন প্রাণ হারিয়েছেন মাত্র ৩ জন। ময়দানে নেমে এই বৈপরীত্যও প্রত্যক্ষ করছেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল বলেছেন, “এই হিংসাশ্রয়ী ভোট দেখার পর রাজ্যপাল হিসেবে যা করার করব।” একই সঙ্গে দিল্লি রওনা হওয়ার আগে রাজ্যপালের তির্যক মন্তব্য “একটু মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে আমি দিল্লি যাচ্ছি।” রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বাড়িয়েছে। মনে করা হচ্ছে, বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে রিপোর্ট দিতে পারেন রাজ্যপাল। 

    আরও পড়ুন: আজ গান্ধীনগর থেকে রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দিতে চলেছেন এস জয়শঙ্কর

    রবিবার সন্ধ্যায় রাজভবন থেকে বিমানবন্দরে পৌঁছয় রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) কনভয়। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিলেন সাংবাদিকরা। তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে আসেন রাজ্যপাল। মুখে ছিল স্মিত হাসি। সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, আপনি কি রাজ্যে ৩৬৫ ধারা জারির সুপারিশ করতে দিল্লি যাচ্ছেন? রাষ্ট্রপতি শাসন জারির আবেদন জানাবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে? জবাবে রাজ্যপাল বলেন, তিনি একটু মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে চান, তাই দিল্লি পাড়ি। নিজের ব্যক্তিগত কিছু কাজও রয়েছে বলে জানান তিনি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Panchayat Election: হাতে দলের ঝান্ডা, পুলিশি কায়দায় রাস্তায় নাকা চেকিং তৃণমূলের!

    Panchayat Election: হাতে দলের ঝান্ডা, পুলিশি কায়দায় রাস্তায় নাকা চেকিং তৃণমূলের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্য রাতে শক্ত লাঠিতে বাঁধা ঝান্ডা হাতে পুলিশের ভূমিকায় তৃণমূল কর্মীরা। ‘পাহারাদার’ হয়ে রীতিমতো পুলিশের কায়দায় নাকা চেকিং করছে তৃণমূল প্রার্থী সহ তৃণমূলী বাহিনী। পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) আগে বিজেপির ‘আমদানি’ আটকাতেই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ‘পাড়ায় পাড়ায় পাহারাদার’ বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি জেলা নেতৃত্বের। বিষয়টি জানাজানি হতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এমন ছবি প্রকাশ্যে আসার পর রীতিমতো প্রশ্ন উঠতে শুরু করছে, শাসক দল তৃণমূল কি তাহলে ভরসা হারাচ্ছে পুলিশের উপর থেকেও? আর এভাবে রাস্তায় গাড়ি আটকে পুলিশের মতো করে তৃণমূল কর্মীরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    কী জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তৃণমূল কর্মীরা?

    ঘড়ির কাঁটায় রাত ১২ টা ৪৫। মেদিনীপুর শহর সংলগ্ন কঙ্কাবতী গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপগড় এলাকায় মেদিনীপুর-ঝাড়গ্রাম রাজ্য সড়কের ওপর রীতিমতো পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন জনা কুড়ি তৃণমূল কর্মী। একেবারে পুলিশের কায়দায় রাজ্য সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী গাড়িদের আটকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তাঁরা। কোথায় যাবেন? কার কাছে যাবেন? গাড়িতে কী আছে? পুলিশি কায়দায় তৃণমূল কর্মীরা জেরা করছেন গাড়ির চালকদের। শাসক দলের এই কর্মীরাই হচ্ছেন তৃণমূল নেতৃত্বের ঘোষিত ‘পাহারাদার’। আর এই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রার্থী সুখেন্দুবিকাশ জানা। তিনি বলেন, খবর মিলেছে এলাকায় পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) আগে ভোট কিনতে টাকা ঢোকাচ্ছে বিজেপি। তাই পুলিশের উপর ভরসা না করে বিজেপির টাকা আটকাতে আমরা নেমেছি রাস্তায়। কারণ, রাজ্য পুলিশ এগুলো নিয়ে সব সময় নজর দিতে পারে না। তাই পুলিশের কাজ নিজেদের ঘাড়ে তুলে নিয়েছে তৃণমূল কর্মীরা। রাত দশটা থেকে ভোর তিনটে পর্যন্ত নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এভাবেই পাহারাদারির কাজ করে যাব আমরা।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের জেলা কো-অর্ডিনেটর অজিত মাইতি বলেন, পাড়ায় পাড়ায় পাহারাদার বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটা জেলা তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) আগে বিজেপি টাকা ঢোকাতে পারে এলাকায়, সূত্র মারফত এমন খবর পাওয়ার পরেই তড়িঘড়ি জেলার বিভিন্ন গ্রামে রাত পাহারায় ‘পাহারাদার’ বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এলাকায় সন্ত্রাস তৈরির জন্য এমন পদক্ষেপ, দাবি বিজেপির। স্বাভাবিকভাবেই শাসক দলকে কড়া নিশানা বিজেপির। জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি অরূপ দাস বলেন, পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) আগে পাহারাদারির নামে এলাকায় সন্ত্রাস ছড়ানোর জন্য গ্রামে গ্রামে যুবকদের রাস্তায় নামিয়েছে শাসক দল তৃণমূল। নির্বাচন কমিশনের কাছে গোটা বিষয় লিখিত আকারে জানানো হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: ভোটের ময়দানে জমে উঠেছে মা ও মেয়ের লড়াই

    Panchayat Election: ভোটের ময়দানে জমে উঠেছে মা ও মেয়ের লড়াই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) মা জয়ী হবেন, না মেয়ে? পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি এই আলোচনায় সরগরম। এমনিতেই ভোটের ময়দানে কাকা-ভাইপো, দুই ভাই কিংবা দুই জায়ের লড়়াইয়ের একাধিক নজির রয়েছে। এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের লড়াইয়ের ময়দানে মা ও মেয়ে। ভোট প্রচারে বেরিয়ে মুখোমুখি হতেই হল সৌজন্য বিনিময়ও।

    মা ও মেয়ে কোন দলের প্রার্থী হয়েছেন?

    পরিবার ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) একই বুথে একে অপরের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভোট প্রচারও চালাচ্ছেন জোরদার। খেজুরির হলুদবাড়ি অঞ্চলের দেখালি ১৫৭ নম্বর বুথে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন পূর্ণিমা রানি দোলাই। ওই একই বুথে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন পূর্ণিমা রানি দোলাইয়ের মেয়ে তথা বিজেপি প্রার্থী পম্পা মাইতি। সকাল থেকেই বাড়ি বাড়ি ঘুরে ভোট প্রচার করছে যুযুধান দু পক্ষই। একদিকে মা শাসক দলের উন্নয়নকে সামনে রেখে ভোট প্রচার করছেন। অপরদিকে শাসক দলের দুর্নীতি ও এলাকার রাস্তাঘাটের সমস্যা নিয়ে বাড়ি বাড়ি ভোট প্রচার করছেন মেয়ে।

    কী বললেন তৃণমূল প্রার্থী মা?

    মা ও মেয়ে দুজনেই আশাবাদী, একে অপরকে টেক্কা দিয়ে পঞ্চায়েত ভোটে বাজিমাত করবেন। ভোটের ময়দানে (Panchayat Election) লড়াই যাই হোক না কেন, সম্পর্কে একটু ভাটা পড়বে, এমনটাই জানালেন দুই প্রার্থী। এক অপরকে ভোটে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়তে নারাজ। বাম আমলে খেজুরি ছিল সিপিএমের শক্ত ঘাঁটি। পালা বদলের পর তৃণমূল রাজত্ব করতে শুরু করে। কিন্তু, ২০২১ বিধানসভা ভোটে সেই রাজত্ব ভেঙে দিয়ে জায়গা করে নেয় বিজেপি। তাই এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে খেজুরিতে কার রাজত্ব কায়েম হয়, সেটাই এখন দেখার। তৃণমূল প্রার্থী পূর্ণিমা রানি দোলাই বলেন, উন্নয়নের নিরিখে মানুষের কাছে যাচ্ছি। ভালো সাড়া পাচ্ছি। মেয়ে নির্বাচনে লড়াই করলেও কোনও ফ্যাক্টর হবে না। আমি জয়ের বিষয়ে ১০০ শতাংশ আশাবাদী।

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী মেয়ে?

    বিজেপি প্রার্থী পম্পা মাইতি বলেন, পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election) মায়ের বিরুদ্ধে লড়াই হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু, আমি রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে লড়াই করছি। মায়ের সঙ্গে নয়। মায়ের জায়গা যেমন ছিল তেমন রয়েছে। মূলত পানীয় জলের সমস্যা, রাস্তা বেহাল সহ একাধিক অনুন্নয়ন নিয়ে আমরা সরব হয়েছি। সাধারণ মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। ফলে, ভোটে জয়ী হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: পঞ্চায়েত নির্বাচনে পিসেমশাইয়ের বিরুদ্ধে শালাবাবুর ছেলের লড়াই জমে উঠেছে

    Panchayat Election: পঞ্চায়েত নির্বাচনে পিসেমশাইয়ের বিরুদ্ধে শালাবাবুর ছেলের লড়াই জমে উঠেছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন প্রবীণের সঙ্গে নবীনের লড়াই। পিসেমশাইয়ের সঙ্গে লড়ছেন শালাবাবুর ছেলে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) এমনই ছবি দেখা গেল দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘি গ্রাম পঞ্চায়েতের মুন্ডাপাড়ার ১৯৪ নম্বর বুথে। এই বুথে এবার পিসেমশাই ও ভাইপোর লড়াই জমে উঠেছে। আর এ লড়াই দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই। কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ। গোটা এলাকা জুড়ে এই বুথ নিয়েই শুধু চর্চা হচ্ছে।

    কে কোন দলে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন?

    গত পঞ্চায়েতে (Panchayat Election) এই বুথে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে জিতেছিলেন বর্তমানে বিজেপির প্রার্থী সুরজিৎ দাসের পিসিমা মঙ্গলা সাউ। এবছর ওই বুথে তাঁর স্বামী সজল সাউ দাঁড়িয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকে। গত পাঁচ বছর এই বুথে শাসকদলের লাগামছাড়া দুর্নীতি নিজে চোখে দেখেছেন বর্তমান বিজেপির প্রার্থী সুরজিৎ দাস। তাই তৃণমূল কংগ্রেসের এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিজের পিসেমশাইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন তিনি। ভোটে দাঁড়িয়ে পিসেমশাইয়ের পায়ে হাত দিয়ে আশীর্বাদ নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন তিনি।

    কী বললেন তৃণমূল প্রার্থী?

    বিজেপির প্রার্থী তৃণমূলের দিকে দুর্নীতির আঙুল তুলেছেন। এই প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সজল সাউ বলেন, আমাদের দলের কিছু মানুষ অসৎ, তাই তাঁরা শাস্তি পাচ্ছেন। সব মানুষ খারাপ নয়। দিদির যে উন্নয়ন এলাকার মানুষ চোখে দেখেছেন, তাই এবার পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election) তারা বিজেপিকে হারাবেন। আর দুজনের মধ্যে রাজনৈতিক লড়াই হলেও তাতে সম্পর্কের কোনও অবনতি হবে না।

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?

    পিসেমশাইয়ের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমে বিজেপি প্রার্থী সুরজিৎ দাস বলেন, পিসেমশাইয়ের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের কোনও অবনতি হবে না। তবে রাজনীতির ময়দানে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে রাজি নই। মানুষ দুর্নীতিমুক্ত পঞ্চায়েত (Panchayat Election) গড়তে বিজেপিকে ভোট দেবেন।

    কী বললেন সিপিএম প্রার্থী?

    পিসেমশাই এবং শালাবাবুর ছেলের এই লড়াইয়ের মাঝে ঘোলা জলে মাছ ধরতে মাঠে নেমে পড়েছেন সিপিএম প্রার্থী  জিয়াউল কাজি। তিনি বলেন, রাজ্যের পিসি-ভাইপোকে যেমন দেখছি এখানেও পিসেমশাই-শালাবাবুর লড়াই জোট বেঁধেছে। গত পাঁচ বছর ধরে বিজেপি প্রার্থীর পিসি খেয়েছে. আর এবার পাঁচ বছর পিসির ভাইপোকে খাওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে। কিন্তু, সেটা হবে না। মানুষ পঞ্চায়েত  ভোটে (Panchayat Election) সিপিআইএমকে ভোট দেবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: ‘মার্ডার কেসের আসামিও দলের টিকিট পেয়েছেন,’ বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক

    Panchayat Election: ‘মার্ডার কেসের আসামিও দলের টিকিট পেয়েছেন,’ বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের রবিউল ইসলাম, ভরতপুরের হুমায়ুন কবীর, হুগলির মনোরঞ্জন ব্যাপারীর পর এবার বেসুরো আরও এক তৃণমূল বিধায়ক। এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) তাঁর তালিকা অনুযায়ী প্রার্থী করেনি দল। এমনটাই অভিযোগ প্রাক্তন মন্ত্রী তথা দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক গিয়াসউদ্দিন মোল্লার। আর তাঁর পছন্দমতো সব প্রার্থী না করায় দলের বিরুদ্ধে কার্যত ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বিধায়কের বেসুরো মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    কী বলেছেন তৃণমূল বিধায়ক?

    পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর প্রকাশ্যে আসছে। একাধিক জায়গায় তৃণমূলের কোন্দল সামনে চলে এসেছে। প্রার্থী পছন্দ না হওয়ায় একাধিক দাপুটে নেতা মুখ খুলেছেন দলের বিরুদ্ধে। সেই তালিকায় নতুন সংযোজন মগরাহাটের গিয়াসউদ্দিন মোল্লা। তিনি বলেন,” যাঁরা প্রার্থী হয়েছেন এবার, তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই রাজনীতির সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। এমনকী মার্ডার কেসের আসামিও টিকিট পেয়েছে। আমি ৪৯ হাজার ভোটে জিতেছি। কিন্তু এবার প্রার্থী হয়েছে ৫০-৫০। অর্থাৎ আমার প্রার্থী ৫০ শতাংশ। বাকি অন্যদের।” এর আগেও একাধিকবার বেঁফাস মন্তব্য করেছেন তিনি। কখনও দিদির সুরক্ষা কবজ কর্মসূচিতে গিয়ে  দলের বিরুদ্ধেই কথা বলেছেন, আবার কখনও বা এসডিপিও  এবং পুলিশ কর্মীকে দু পয়সার চাকর বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি। আর এদিন অভিমানের সুরে গিয়াসউদ্দিন বলেন, “আমার উপর হয়তো দল আর ভরসা করতে পারছে না। আমি তালিকা দিয়েছিলাম। পরে দেখলাম সেখানে ৫০ শতাংশ প্রার্থীর নাম রয়েছে। বাকি ৫০ শতাংশের সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই, তাদের দল টিকিট দিয়েছে।” তবে, এবার তাঁর তালিকার বাইরে যাঁরা প্রার্থী হয়েছেন তাঁদের হয়ে প্রচারে যাবেন কি না তা নিয়ে স্পষ্ট করে তিনি কোনও কিছু মন্তব্য করেননি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: বুথে বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি, বিক্ষোভ সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের

    Panchayat Election: বুথে বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি, বিক্ষোভ সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election) ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছিলেন। এবার ভোট কর্মীদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এই সংগঠনের আন্দোলনের আঁচ লাগল। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) ভোটকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে ভোট কর্মীদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে  বিক্ষোভ দেখাল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। শুক্রবার বাঁকুড়া খ্রীশ্চান কলেজে ভোট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যৌথ মঞ্চের এই বিক্ষোভের জেরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মধ্যেই এই ধরনের বিক্ষোভের জেরে চাপে পড়ে যান জেলার নির্বাচন দফতরের আধিকারিকরাও।

    কী বললেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা?

    নির্বাচনের (Panchayat Election) দিন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে সরব হয়েছিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। জানা গিয়েছে, প্রথমে শীর্ষ আদালতের নির্দেশের পর ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তবে, হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশের পর আদালতের হুকুম মতোই বাহিনী চেয়ে পাঠিয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিংহ। ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সব মিলিয়ে ৮২২ কোম্পানি চাওয়া হল। এরই মধ্যে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আন্দোলন যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের  বাঁকুড়া জেলা কমিটির নেতা শ্যামল কর্মকার বলেন, আমরা প্রতি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে ভোট করার দাবি জানাচ্ছি। এর আগের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা আমাদের মোটেই সুখকর নয়। রাজকুমার রায় নামে এক ভোট কর্মী এর আগে খুন হয়েছেন। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট পরিচালনা না করা হলে তাঁরা কেউই ভোট কেন্দ্রে যাবেন না বলেও তিনি হুমকিও দেন এদিন। তিনি বাকি সমস্ত ভোট কর্মীদের তাদের এই দাবিকে সমর্থনের আর্জিও জানান। সকলেই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভিতরেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতেই সরব হন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: আদ্রায় তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুন, গুলিবিদ্ধ দেহরক্ষী, রাস্তা অবরোধ

    Panchayat Election: আদ্রায় তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুন, গুলিবিদ্ধ দেহরক্ষী, রাস্তা অবরোধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election) আগে ফের শুটআউট। মুর্শিদাবাদের খড়গ্রাম, নবগ্রামের পর এবার পুরুলিয়া। দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া গুলিতে প্রাণ হারালেন এক তৃণমূল নেতা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়  ঘটনাটি ঘটে আদ্রা থানার রামমন্দির সংলগ্ন এলাকায় তৃণমূল কার্যালয়ের সামনে। নিহত তৃণমূল নেতার নাম ধনঞ্জয় চৌবে। তিনি আদ্রা শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন। তাঁকে খুব কাছ থেকে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। তাঁর শরীরে তিনটি গুলি লাগে। দুষ্কৃতীদের গুলিতে জখম হন তাঁর দেহরক্ষী শেখর দাস। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    বৃহস্পতিবার দলীয় কার্যালয়ের সামনে ধনঞ্জয় তাঁর অনুগামীদের সঙ্গে  পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election) সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বৈঠক করছিলেন। আচমকা দুষ্কৃতীরা খুব কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায়। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ওই তৃণমূল নেতা। তখন তৃণমূল নেতার দেহরক্ষী শেখর দাস দুষ্কৃতীদের পালটা গুলি চালাতে গেলে তাঁকে লক্ষ্য করেও গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। এর পরই দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তৃণমূল নেতা ও তাঁর দেহরক্ষীকে রঘুনাথপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা ওই তৃণমূল নেতাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। গুরুতর জখম দেহরক্ষীকে চিকিৎসার জন্য বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে জেলা পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা সেখানে পৌঁছন। ছুটে যান তৃণমূল তদন্ত শুরু করেছে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ।

    শুক্রবার সকাল থেকে দফায় দফায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীরা

    বৃহস্পতিবার তৃণমূল নেতা খুন হওয়ার প্রতিবাদে শুক্রবার সকাল থেকে আদ্রা শহর জুড়ে অঘোষিত বনধ পালিত হল। অধিকাংশ দোকানব এদিন বন্ধ ছিল। তৃণমূল কর্মীরা রাস্তায় কাঠের গুঁড়ি ফেলে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান। তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য, অবিলম্বে তৃণমূল নেতা খুনে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে হবে।

    কী বললেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি?

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া বলেন, তিনি শহর তৃণমূলের সভাপতির পাশাপাশি পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) রঘুনাথপুর এলাকার দায়িত্বে ছিলেন। স্বাভাবিকভাবে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব রয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share