Tag: panchayat election 2023

panchayat election 2023

  • Uttar Dinajpur: ইসলামপুরে তৃণমূল-নির্দল সংঘর্ষ, ইটবৃষ্টি, গুলি, বোমা! তীব্র উত্তেজনা

    Uttar Dinajpur: ইসলামপুরে তৃণমূল-নির্দল সংঘর্ষ, ইটবৃষ্টি, গুলি, বোমা! তীব্র উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত ইসলামপুর (Uttar Dinajpur)। আবারও জেলা তৃণমূল সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল গোষ্ঠীর সঙ্গে বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরীর অনুগামী নির্দল প্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। আক্রান্ত নির্দল প্রার্থী, উত্তপ্ত জেলার রাজনীতি।

    কোথায় ঘটেছে এই ঘটনা?

    ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের (Uttar Dinajpur) রামগঞ্জ-১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের বসাকপাড়া এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লাঠি, বাঁশের আঘাতে উভয়পক্ষের ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৫ জন গুরুতর আহত। আহতদের স্থানীয় রামগঞ্জ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। স্বপন বসাক নামে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর স্বামীর আঘাত গুরুতর থাকায় তাঁকে ইসলামপুর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। রামগঞ্জ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বেশ কয়েকজন মহিলা নির্দল সমর্থককে চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা থাকায় তাঁরা বাড়ি ফিরতে ভয় পাচ্ছেন। পুলিশি পাহারায় তাঁদের বাড়ি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার প্রচার শেষে স্থানীয় একটি দোকানে সিগারেট কিনতে যান তৃণমূল প্রার্থী রাখি বসাক রায়ের স্বামী স্বপন বসাক। সেই সময় নির্দল সমর্থকেরা তাঁকে মারধর করে বলে অভিযোগ। এই তৃণমূলের প্রার্থীকে ধারালো অস্ত্রের কোপ মারে নির্দলের দুষ্কৃতীরা। তারপরই তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী এবং নির্দল কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। উভয়পক্ষই একে অপরের ওপরে চড়াও হয়। শুরু হয় ইটবৃষ্টি। গুলি, বোমা চালানো হয় বলেও অভিযোগ। ঘটনায় আহত হয় উভয় পক্ষের একাধিক কর্মী-সমর্থক।

    নির্দল প্রার্থীর বক্তব্য

    রামগঞ্জের (Uttar Dinajpur) নির্দল প্রার্থীর আত্মীয় সুনীতি বসাক জানিয়েছেন, আমার জা মৌসুমি বসাক নির্দলের প্রার্থী হয়েছেন। ওঁরা আব্দুল করিম চৌধুরীর অনুগামী। স্থানীয় তৃণমূল প্রার্থীর স্বামী স্বপন বসাক ও তাঁর লোকজন এসে তাঁদের দোকানের উপরে হামলা চালায়। মারধর করা হয় পরিবারের লোকজনদেরও। মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। পুলিশ তৃণমূলের লোকজনকে না ধরে নির্দল সমর্থকদেরই থানায় নিয়ে গেছে।

    পাশাপাশি নির্দলকে সমর্থন করায় স্থানীয় রামু বসাক নামে এক বৃদ্ধকে রাস্তায় ফেলে মারধর করে তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুস্কৃতীরা। নির্দল কর্মীরা আহত বৃদ্ধকে বাড়িতে রেখে যান। বাড়ির বাইরে বের হলেই আবার তাঁর উপর আক্রমণ হতে পারে, এই আশঙ্কায় চিকিৎসা না করে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়িতেই আছেন বৃদ্ধ রামু বসাক। সবটা মিলিয়ে আতঙ্কিত নির্দল প্রার্থী এবং সমর্থকরাও।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অন্যদিকে, স্থানীয় (Uttar Dinajpur) তৃণমূল প্রার্থী রাখি বসাক রায়ের স্বামী স্বপন বসাক জানিয়েছেন, তাঁরা তৃণমূলের হয়ে প্রচারে গিয়েছিলেন। সেই সময় স্থানীয় একটি দোকানে সিগারেট কেনার সময় তাঁকে পিছন থেকে মারধর করা হয়। মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা এলে তাঁদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ স্বপনবাবুর। তাঁর আরও অভিযোগ, বোমা, পিস্তল নিয়ে নির্দল কর্মী-সমর্থকরা তাঁদের ওপরে চড়াও হয়েছে।

    সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ইসলামপুর (Uttar Dinajpur) থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: জাতীয় পতাকায় তৃণমূল প্রার্থীর ছবি! প্রার্থীপদ বাতিলের দাবি বিজেপির

    Howrah: জাতীয় পতাকায় তৃণমূল প্রার্থীর ছবি! প্রার্থীপদ বাতিলের দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় পতাকায় নিজের ছবি ছাপিয়ে পঞ্চায়েত ভোটে প্রচার করতে গিয়ে জাতীয় পতাকার অবমাননা করার অভিযোগ উঠল হাওড়ার (Howrah) উলুবেড়িয়ার এক তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে। জাতীয় পতাকার সাদা রঙের মধ্যে অশোক চক্রের পাশে তৃণমূলের দলীয় প্রতীক ও প্রার্থীর মুখ এঁকে ফেস্টুন তৈরি করা হয়েছে। আর এই নিয়েই তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। বিজেপির পক্ষ থেকে ওই প্রার্থীর প্রার্থীপদ বাতিলের দাবি করা হয়েছে। জাতীয় পতাকাকে অবমাননা করারও অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূল প্রার্থীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিষয়টা তাদের জানা নেই। আর এই ধরনের কাজ তাদের নয়।

    হাওড়ার (Howrah) কে এই প্রার্থী?

    উলুবেড়িয়া (Howrah) উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের উলুবেড়িয়া ২ নম্বর ব্লকের বাণীবন গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮ নম্বর সংসদের ২১৭ নম্বর বুথের ঘটনা এটা। এবার এই বুথে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন দীপা পরামনিক। সোমবার রাতে স্থানীয় কিছু মানুষ দেখতে পান জাতীয় পতাকার এই ফেস্টুন। পতাকার সাদা রঙের উপরে অশোক চক্রের পাশে তৃণমূলের দলীয় প্রতীকের ছবি, প্রার্থীর মুখ ছেপে দেওয়া হয়েছে। তারপরে অবশ্য বিষয়টি নিয়ে গুঞ্জন শুরু হলে পতাকাগুলো খুলে নেওয়া হয়। কিন্তু ততক্ষণে বিকৃত জাতীয় পতাকা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে থাকে।

    তৃণমূল বক্তব্য

    তৃণমূল প্রার্থী (Howrah) দীপা পরামানিকের স্বামী শ্রীকান্ত পরামানিক বলেন, আমরা একটু মানসিকভাবে সমস্যায় রয়েছি। কারণ বাড়িতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে গেছে একজনের। এছাড়া আমাদের জানা নেই জাতীয় পতাকার মধ্যে দলীয় প্রতীকের চিহ্ন ও প্রার্থীর মুখ অঙ্কন করে দেওয়া হয়েছে। এই রকম কাজ আমরা করতে পারি না।

    বিজেপির বক্তব্য

    অবশ্য এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে বিজেপি। স্থানীয় (Howrah) বিজেপি নেতা রমেশ সাধু খাঁ বলেন, জাতীয় পতাকার জন্য মানুষ আত্মত্যাগ করে, আর সেই জাতীয় পতাকার অবমাননা করেছে এই তৃণমূল প্রার্থী! এটা দেশদ্রোহিতামূলক কাজ। আমরা এই তৃণমূল প্রার্থীর প্রার্থীপদ বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bjp: পথসভা করতেই চক্ষুশূল! বিজেপি কর্মীদের লোহার রড-বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মার

    Bjp: পথসভা করতেই চক্ষুশূল! বিজেপি কর্মীদের লোহার রড-বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথসভা কেন করবে? সেই দাবি তুলে বিজেপির (Bjp) কর্মীদের বাঁশ, লাঠি দিয়ে বেধড়ক মার! রক্ষা পেল না মহিলারাও। বেধড়ক মারের চোটে আহত কুড়ি জন। পাঁচজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অবশেষে রাজ্য সড়ক অবরোধ বিজেপির (Bjp)।

    কী ঘটেছে নদিয়ায়?

    ঘটনাটি নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার বোয়ালিয়া গ্রামের। জানা যায়, ওই এলাকায় কিছুদিন ধরেই বেশ কিছু তৃণমূলের দুষ্কৃতী দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল। বিরোধীরা ঠিকমতো পতাকা পর্যন্ত লাগাতে পারছিল না। এর আগেও একাধিকবার পথসভা করতে গেলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি চলছিল! এমনকী প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। গতকাল সন্ধ্যায় ওই এলাকায় একটি পথসভা করার কথা ছিল বিজেপির। সেইমতো বিকেলে বেশ কিছু বিজেপি কর্মী এবং মহিলা ব্যানার, ফেস্টুন লাগাচ্ছিলেন। অভিযোগ, ঠিক তখনই একদল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তাঁদের দেখেই অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। আর তার প্রতিবাদ করতে গেলে আচমকা লোহার রড এবং বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারতে থাকে তাঁদের। প্রাণভয়ে অন্যের বাড়িতে ঢুকে গেলে বাড়ির ভিতর ঢুকে বিজেপি কর্মীদের মারা হয়। বিজেপির (Bjp) কয়েকজন মহিলা কর্মীদেরও মারার অভিযোগ ওঠে। এরপর দুষ্কৃতীরা চলে যায়। খবর পেয়ে জেলার বিজেপি কর্মীরা তড়িঘড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়।

    পুলিশের ভূমিকা

    হাসপাতালে ১৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হলেও, বাকি পাঁচজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি হন। এরপর এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিষ্ণুপুর রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিজেপি কর্মীরা। দীর্ঘক্ষণ অবরোধ চলার পর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আছে কৃষ্ণনগর (Nadia) কোতোয়ালি থানার পুলিশ। এরপরে পুলিশের সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস পেয়ে অবশেষে অবরোধ তুলে নেন তাঁরা।

    বিজেপির (Bjp) বক্তব্য

    আহত এক বিজেপি (Bjp) কর্মী সুনীল বাগ বলেন, আমরা পথসভা করার জন্য ওই এলাকায় (Nadia) ব্যানার এবং পতাকা লাগাচ্ছিলাম। আচমকা তখনই তৃণমূলের একদল দুষ্কৃতী মদ্যপ অবস্থায় আসে। তাদের অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করার প্রতিবাদ করাতে আচমকা আমাদের উপর হামলা করা হয়। আমরা চাই অবিলম্বে ওই দুষ্কৃতীরা গ্রেফতার হোক।

    এই বিষয়ে ওই এলাকার (Nadia) গ্রাম পঞ্চায়েত ২৪ এর বিজেপির জেলা পরিষদের প্রার্থী গুরুপদ দে বলেন, এর আগেও আমরা যেখানে যেখানে পথ সভা করছি সেখানেই তৃণমূল দুষ্কৃতীরা মাইক বাজিয়ে পথসভা নষ্ট করার চেষ্টা করছে। গতকাল সন্ধ্যায় আমাদের এই পথসভার কথা ছিল। সকাল থেকেই সে কথা জানতে পেরে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছিল কর্মীদের। গতকাল আচমকা আমাদের কর্মীদের বেধড়ক মারধর করা হয়। অবিলম্বে ওই দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে পুলিশকে গ্রেফতার করতে হবে, এই দাবি জানাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: “দুয়ারে দুর্নীতি! নকুলদানা, গুড়-বাতাসা! কেষ্টদা কোথায় গেল?” সং সেজে গানে প্রতিবাদ

    Birbhum: “দুয়ারে দুর্নীতি! নকুলদানা, গুড়-বাতাসা! কেষ্টদা কোথায় গেল?” সং সেজে গানে প্রতিবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নানুর, কীর্ণাহার (Birbhum) সরগরম কেষ্ট মণ্ডলের তিহারবাস আর জেলযাত্রা নিয়ে সং-এর গানে। নানুর বিধানসভার কীর্ণাহারের দাসকল গ্রামে হরিনাম সংকীর্তনের ধূলোট উৎসবে এক অভিনব “সং”-এর দল দেখা গেল, যেখানে গানের মধ্যে উঠে এল তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল তথা কেষ্ট মণ্ডলের তিহার জীবনের কথা। এমনকি হাস্যরসাত্মক সুর দিয়ে “সং” শিল্পীরা তুলে ধরলেন দুর্নীতির প্রসঙ্গও। এলাকায় এই নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়েছে।

    কেন গান (Birbhum)?

    বাংলা শিল্প, সৃষ্টি, কৃষ্টির ভূমি। সমাজ জীবনে ঘটে চলা বিষয়কে নিয়ে বাঙালি সর্বাদা শিল্প-নাটক-নৃত্য গান ও কলমের ভাষায় প্রতিবাদ করে থাকে। ঠিক এমনটাই করল গ্রামীণ “সং” গানের শিল্পীরা। তবে এবার অনুব্রত মণ্ডল (Birbhum) আর দুয়ারে উন্নয়ন-এই দুই স্লোগান নির্বাচনী প্রচারের হাতিয়ার শাসক দলের। আর এই দুই স্লোগানকে গানের সুরে তীব্র কটাক্ষ করে গ্রামের মানুষের মনোরঞ্জন করলেন একদল গ্রামীণ শিল্পী। প্রত্যেকেই মহিলা সেজে গান পরিবেশন করেন। “দুয়ারে দুর্নীতি! নকুলদানা গুড়-বাতাসা! কেষ্টদা কোথায় গেল? “সং” সেজে গানে প্রতিবাদ দেখা গেল।

    প্রতিবাদের ভাষা “সং”

    তবে এমন একটা সময় ছিল, যখন এখনকার মতো ডিজিটাল বিনোদন আর মুঠো ফোনে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যম ছিল না। মানুষ যাত্রা, নাটকের পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাস্যরসের বন্যা বইয়ে দিত “সং”সেজে। যেখানে তিনদিনের হরিনাম-সংকীর্তন শেষে ধূলোট উৎসবে “সং” সেজে দল বেঁধে হাস্যরসাত্মক গান শুনিয়ে সাধারণ মানুষকে আনন্দ দিলেন গ্রামেরই গৌতম মণ্ডল, পরেশ চট্টরাজ, বাপি কর্মকার, দ্রুপদ ব্যানার্জি, লালু মাঝিরা। তবে “সং” মানেই কটাক্ষ, “সং” মানেই হাস্যরস। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাঁরা কেষ্ট মণ্ডল বা দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে হাস্যরসের সৃষ্টি করলেও, “সং” পরিবেশনের বিষয়টা পুরোটাই ছিল অ-রাজনৈতিক। কিন্তু “সং” এর গানে ছিল দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক নেতার কথাই।

    শিল্পীরা কী বলেছেন?

    শিল্পীরা (Birbhum) বলেন, সমাজে যা দেখেছি আর তাই নিয়ে গান বানিয়েছি। নাম সংকীর্তনের পাশাপাশি এই গান করে থাকি। শুধুমাত্র মানুষের মুখে হাসি আনতে আমরা পরিবেশন করি। বর্তমান সমাজে হাসি আর সুখের অভাব, তাই সাময়িক বিনোদনের চেষ্টা করে থাকি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: বিজেপি প্রার্থীকে পুড়িয়ে মারার হুমকি দিয়ে পোস্টার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Purba Bardhaman: বিজেপি প্রার্থীকে পুড়িয়ে মারার হুমকি দিয়ে পোস্টার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার বিজেপি প্রার্থীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ। প্রার্থীকে পুড়িয়ে মারার হুমকি দিয়ে পড়ল পোস্টার। প্রধান অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক যুব সভাপতি মানস ভট্টাচার্য। এই ঘটনা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) রায়ান গ্রামে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা।

    ঘটনা কী হয়েছে (Purba Bardhaman)?

    রায়ান (Purba Bardhaman) ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের ২০ নং পঞ্চায়েত সমিতির আসনে এবার বিজেপি প্রার্থী কৌশিক কুণ্ডু ওরফে চাঁদ। এর আগেও তাঁর প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ছিল শাসক দলের যুব নেতা মানস ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে। এবার সরাসরি তাঁকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপি প্রার্থী কৌশিক কুণ্ডুর বাড়ির সামনে রাতে কে বা কারা পোস্টার মেরে যায়! পোস্টারে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি দেওয়া আছে। পোস্টারে লেখা আছে, ‘১১ তারিখের পর খেলা হবে। পুড়িয়ে মারবো তোর গোটা গুষ্টিকে!’ এছাড়াও বলা আছে, রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসেরই জয় হবে। 

    বিজেপি বক্তব্য

    বিজেপি প্রার্থী কৌশিক কুণ্ডু বলেন, ‘কাল রাতে আমাকে মানস ভট্টাচার্য ফোন করে হুমকি দেয়। আমার স্ত্রীকে নিয়ে তাঁর কাছে যাব কি না জানতে চায়! আজ সকালে আমার শাশুড়ি দেখতে পান কে বা কারা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পোস্টার মেরে গেছে। এটা তৃণমূল কংগ্রেসেরই কাজ’। এলাকার (Purba Bardhaman) বিজেপি নেতা সুধীরঞ্জন সাউ বলেন, এখানে কিছু খুনের আসামি আছে। এর আগেও চাঁদের বাড়িতে একাধিকবার হামলা হয়েছে। আমরা থানায় জানিয়েছি। এবার রাজ্যপাল এবং নির্বাচন কমিশনকেও জানাবো।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অভিযুক্ত মানস ভট্টাচার্য ওই একই কেন্দ্রে (Purba Bardhaman) এবারে শাসক দলের প্রার্থী। তিনি এই অভিযোগ সম্পর্কে বলেন, ‘হ্যাঁ আমি ওঁকে ফোন করেছিলাম। বেশ কিছুদিন আগেও স্ত্রীকে নিয়ে একটা বিপদে পড়ে এসেছিল, আমিই ওঁর সমস্যা মিটিয়ে দিই। তা নিয়েই ফোন করেছিলাম। পোস্টার মারা প্রসঙ্গ নিয়ে তিনি বলেন, এটা মিথ্যা অভিযোগ। ওঁর বাড়িতে সিসিটিভি আছে। তার ফুটেজেই দেখা যাবে কে পোস্টার মেরেছে। উনি পরাজয় নিশ্চিত জেনে প্রচারের আলোয় থাকতে চেয়ে নিজেই পোস্টার মেরেছেন।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: অনুব্রত মণ্ডল মুখ ফস্কে বলে দিলে দিদিও গারদে যাবে! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Nadia: অনুব্রত মণ্ডল মুখ ফস্কে বলে দিলে দিদিও গারদে যাবে! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) শান্তিপুর ব্লকের ফুলিয়া জনরঞ্জন কেন্দ্রের মাঠে বিজেপির নির্বাচনী জনসভায় মঙ্গলবার উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই দলীয় প্রার্থীদের জয়ী করার প্রার্থনা জানান তিনি। অন্যদিকে রাজের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিভিন্ন বিষয়ে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি।

    অনুব্রত প্রসঙ্গে কী বললেন (Nadia)?

    শান্তিপুরে (Nadia) নির্বাচনী সভায় দলীয় প্রার্থীদের জয়লাভের জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আহ্বান জানান শুভেন্দু অধিকারী। এরপরই আধ ঘণ্টা মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তব্য রাখেন। বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। প্রথমেই দিনহাটায় বিস্ফোরণের ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেন। শুভেন্দু বলেন, গোটা রাজ্য এখন বারুদের স্তূপে পরিণত হয়েছে। এদিন ধুপগুড়িতে একজনকে গুলি করে মারা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

    বীরভূমের সভায় ফোনে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? কী জবাব দিলেন শুভেন্দু?

    উল্লেখ্য বীরভূমের একটি জনসভায় নিজে হাজির না থাকলেও মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের ফোনের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই বলেন, প্রায় এগারো মাস ধরে অনুব্রত মণ্ডলকে আটকে রেখেছে সিবিআই ও ইডি। এমনকী তার মেয়েকেও আটকে রাখা হয়েছে! ওর বিরুদ্ধে যদি কোনও অভিযোগ থাকে, তাহলে আদালতে প্রমাণ করুন। এটা পুরোটাই রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ে। সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি শান্তিপুরে (Nadia) বলেন, অনুব্রত মণ্ডল একা টাকা খায়নি, সেই টাকা পৌঁছে যেত কালীঘাটে। ২৫-৭৫ এর ভাগাভাগি ছিল তাদের মধ্যে। এখন যদি অনুব্রত মণ্ডল মুখ ফস্কে সব বলে দেয়, তাহলে দিদিও গারদে যাবে। সেই কারণেই তার গুনগান গাইছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রীর অনুব্রতকে ক্লিনচিট দেওয়ার প্রসঙ্গে ঠিক এই ভাবেই কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    অভিষেকের বিরুদ্ধে তোপ!

    অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চ্যালেঞ্জ করেন, যে সব রাজ্যে বিজেপি শাসন করছে, সেখানে দুই হাজার টাকা কেন! অন্তত এক হাজার টাকা করে যদি দিতে পারে তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেবো! আর সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি শান্তিপুরে (Nadia) বলেন, ভাইপো এর আগেও একাধিকবার রাজনীতি ছেড়েছেন। উনি বলেছিলেন অর্জুন সিং জিততে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেবেন! নন্দীগ্রামে আমি যদি জিতে যাই, তাহলেও রাজনীতি ছেড়ে দেবেন। কিন্তু উনি রাজনীতি ছাড়েননি।

    সিপিএম সম্পর্কে বিস্ফোরক

    অন্যদিকে এই সভা (Nadia) থেকে সিপিএমকেও আক্রমণ করেন বিরোধী দলনেতা। মহঃ সেলিম অভিযোগ তোলেন ১৪ বছর আগে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে মাওবাদীদের সঙ্গে নিয়ে সিপিএম নেতাদের খুন করা হত। সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সেলিম হচ্ছে তৃণমূলের দালাল।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: ভোটের আগে দিনহাটায় ফের বোমা বিস্ফোরণ, আহত ৪

    Cooch Behar: ভোটের আগে দিনহাটায় ফের বোমা বিস্ফোরণ, আহত ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গের সন্ত্রস্ত এলাকা রাজ্যপাল পরিদর্শন করে ফেরার পরই আজ মঙ্গলবার দিনহাটায় (Cooch Behar) ফের বোমা বিস্ফোরণে আহত ৪ জন। এর মধ্যে দু’জন শিশু। রাজ্য জুড়ে যেভাবে ভোটের আগে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে, তাতে জেলা জুড়ে আতঙ্কের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিরোধীরা।

    কীভাবে বিস্ফোরণ হল (Cooch Behar)?

    রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আবহে একদিকে বীরভূম, মুর্শিদাবাদে যেমন বোমা-বন্দুক উদ্ধার হয়েছে, তেমনি বোমা বিস্ফোরণে উত্তাল হয়ে উঠল দিনহাটা। মঙ্গলবার বোমা বিস্ফোরণ ঘটে দুপুর ১২ টার সময়। কোচবিহার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজ বিস্ফোরণ সম্পর্কে তথ্য দিয়ে বলেন, গোসানমারি এলাকার ছোট নাটাবাড়িতে সাত্তার মিঞা নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণে লতিফ মিঞা ও লুতফর মিঞা নামে দুই শিশু গুরুতর জখম হয়। বাড়ির মালিক সাত্তার নিজে এবং মুজফফর মিঞা নামে দুই প্রৌঢ়ও আহত হন। আহতদের দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে আপাতত পুলিশ গিয়ে পৌঁছেছে। তবে কী কারণে, কীভাবে বোমা বিস্ফোরণ হল, সেই বিষয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ভোটের আগে এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    আহত ব্যক্তির পরিবারের বক্তব্য

    আহত ব্যক্তি মুজফফর মিঞার (Cooch Behar) মেয়ে জানান, তাঁর বাবা টোটো চালাতেন। বাবা দ্রুত সরে যেতে না পারায় বিস্ফোরণের তীব্রতায় আহত হন। অপর দিকে আহত শিশুর পরিবার থেকে জানানো হয়, বল ভেবে খেলতে গেলে বোমায় আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে। কিন্তু বাড়িতে কোনও বোমার কারখানা ছিল কি না, সেই বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হয়নি কোনও আহতের পরিবারই।  

    নির্বাচন কতটা সুরক্ষিত!

    দিনহাটা (Cooch Behar), শীতলকুচি, সিতাই পরিদর্শনে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। কোচবিহারের সার্কিট হাউস থেকে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন, দোষী দুষ্কৃতীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। আইনের শাসন প্রয়োগে প্রশাসনকে হাইকোর্টের আদেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে। কিন্তু যেভাবে বোমা বিস্ফোরণ ভোটের আগে ঘটল, তাতে জেলার মানুষ ভীষণ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।    

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ভোটের আগেই মুর্শিদাবাদে গুলি সহ দেশি পাইপগান উদ্ধার! কতটা সুরক্ষিত নির্বাচন?

    Murshidabad: ভোটের আগেই মুর্শিদাবাদে গুলি সহ দেশি পাইপগান উদ্ধার! কতটা সুরক্ষিত নির্বাচন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য বলছেন, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সামান্য এক-দুটো জায়গায় বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বিপুল পরিমাণ তাজা বোমা এবং দেশি অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় সমালোচনায় বিদ্ধ মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার প্রশাসন। আর মাত্র মাঝে তিন দিন! তারপর ৮ই জুলাই পঞ্চায়েত নির্বাচন। বেলডাঙা, কান্দি, হরিহরপাড়া, খড়গ্রামে বোমা উদ্ধার এবং ভাঙ্গনপাড়ায় গুলিসহ দেশি বন্দুক উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় গোটা জেলা জুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। তদন্তে নেমেছে জেলার পুলিশ। সাধারণ মানুষ ভোটের আগে ব্যাপক আতঙ্কিত।

    বেলডাঙা, হরিহরপাড়া এবং খড়গ্রামে (Murshidabad) বোমা উদ্ধার!

    পঞ্চায়েত ভোটের মুখে ফের মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বিভিন্ন জায়গায় বোমা উদ্ধার হয়। বেলডাঙার কাজিশা এলাকায় মাঠের মধ্যে থেকে উদ্ধার হল ৩ ড্রাম ভর্তি তাজা বোমা। এই এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। খবর দেওয়া হয়েছে বোম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াডকে। তবে কে বা কারা বোমা মজুত করেছিল, খতিয়ে দেখছে পুলিশ। আবার মঙ্গলবারই সাত সকালে হরিহরপাড়াতেও বোমা উদ্ধার হয়েছে। কলাবাগান পাড়া এলাকায় পাটের জমির পাশে ঝোপের মধ্যে রাখা ছিল এক ব্যাগ ভর্তি বোতল বোমা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বোমার হদিশ পায় এই পাটের জমিতে। এছাড়া খড়গ্রামেও উদ্ধার হয়েছে আরও প্রচুর বোমা। এই এলাকার সাদল অঞ্চলের শঙ্খপুর গ্রামে মাঠের ধারে বালতির মধ্যে বোমাগুলি রাখা ছিল বলে জানা গেছে। বোমা নিষ্ক্রিয় করতে খবর দেওয়া হয় বোম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াডকে।

    কান্দিতে বোমা উদ্ধার

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে কান্দি (Murshidabad) মহকুমার খড়গ্রাম ব্লকের অন্তর্গত শংকরপুর গ্রামের একটি ফাঁকা মাঠ থেকে এক ড্রাম ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার করল পুলিশ। আবার লালগোলা থানার ডিহিপাড়ারের ভুট্টার ক্ষেত থেকে একটি ব্যাগে ছটি সকেট বোমা উদ্ধার করা হয়। বোমা উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।

    দেশি পাইপ গান উদ্ধার

    সোমবার রাতে গোপন সূত্র মারফত খবর পেয়ে, কাটাবাড়ি ভাঙ্গনপাড়া (Murshidabad) এলাকা থেকে ফরিদুল শেখ ও সাজিরুল সেখ নামে দুই দুষ্কৃতীকে আটক করে পুলিশ। এই ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি দেশি পাইপ গান এবং দু রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। আজ তাদেরকে বহরমপুর আদালতে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কী কারণে তারা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘুরছিল সেই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে সাগরপাড়া থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: তৃণমূল-আইএসএফ সংঘর্ষে উত্তাল ডায়মন্ডহারবার, জেলা জুড়ে শোরগোল

    South 24 Parganas: তৃণমূল-আইএসএফ সংঘর্ষে উত্তাল ডায়মন্ডহারবার, জেলা জুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএফ-তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল গোটা এলাকা। ঘটনাটি ঘটেছে ডায়মন্ডহারবারের (South 24 Parganas) হটুগঞ্জ এলাকায়। আইএসএফ কর্মীদের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাদের বোমা মেরেছে। অন্যদিকে তৃণমূল কর্মীদের দাবি, পরিকল্পিত ভাবে হিংসা ছাড়ানোর চেষ্টা করছে আইএসএফ। পরিস্থিতি সামাল দিলে এলাকায় পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।

    কী ঘটেছে (South 24 Parganas)?

    পঞ্চায়েত ভোটের মাত্র চার দিন বাকি! এর মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবার (South 24 Parganas)। রাস্তায় নেমে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ দেখতে গেলে আইএসএফ এবং তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। মূলত এলাকায় আইএসএফ দল করার জন্যই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে বলে জানা গেছে। দুষ্কৃতীরা, এলাকায় ঢুকে আইএসএফ করার জন্য কর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর করে এবং পরপর তিনটি বোমা বিস্ফোরণ করে। এছাড়াও রড, বাঁশ, লাঠি নিয়ে আক্রমণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    অভিযোগ কী?

    এই এলাকায় (South 24 Parganas) যারা বর্তমানে আইএসএফ করে, তারা প্রায় ১২ বছর ধরে এলাকায় থাকতে পারছে না বলে জানা গেছে। দোষ একটাই, কেন তৃণমূল বিরোধী দল করে তারা! রাস্তায় বের হলে বাড়ির মহিলাদের হাত ধরে টানাটানি করে এবং অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। প্রতিবাদ করতে গেলেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে এলাকায়। আজকের ঘটনায় তৃণমূলের দুষ্কৃতী সামশুল ঘড়ামী, সিরাজুল ঘড়ামী, আলি আব্দুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। এলাকার আইএসএফ কর্মী এবং সাধারণ মানুষ জানায়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় পুলিশ গিয়ে পৌঁছায়। ভোটের আগে এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়।

    পুলিশের ভূমিকা

    উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে আসেন উস্তি, কুলপি থানার পুলিশ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মন্দির বাজারের এসডিপিও। তাঁদের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে। এলাকায় দোকানপাট সব বন্ধ এবং পথচলতি মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: নাড়ুয়াবিলা বিস্ফোরণ কাণ্ডে তৃণমূলের প্রার্থীকে ডাকল এনআইএ, তীব্র উত্তেজনা

    Purba Medinipur: নাড়ুয়াবিলা বিস্ফোরণ কাণ্ডে তৃণমূলের প্রার্থীকে ডাকল এনআইএ, তীব্র উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাড়ুয়াবিলা (Purba Medinipur) বিস্ফোরণ কাণ্ডে এবার এনআইএ তলব করল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের তৃণমূল প্রার্থী মানব পড়ুয়াকে। আগামী ৫ ই জুলাই ডাকা হয়েছে তাঁকে। ভোটের আগে এই  নিয়ে জেলায় তীব্র চাঞ্চল্য।

    বিস্ফোরণ কাণ্ডে (Purba Medinipur) কেন ডাকল এনআইএ?

    নাড়ুয়াবিলা  (Purba Medinipur) বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তে গত জুন মাসের ২০ তারিখ ভূপতিনগর থানায় এসেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র চার সদস্যের এক প্রতিনিধিদল। তাঁরা নাড়ুয়াবিলা গ্রামের বিস্ফোরণস্থলেও গিয়েছিলেন। এই স্থানেই গত বছর ডিসেম্বর মাসের ২ তারিখের রাতে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

    নাড়ুয়াবিলা গ্রামে কী ঘটেছিল?

    ভগবানপুর (Purba Medinipur) ২ ব্লকের নাড়ুয়াবিলা গ্রামে তৃণমূল নেতা রাজকুমার মান্নার বাড়িতে ঘটা সেদিনের বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় তিন তৃণমূল কর্মীর। সেই বিস্ফোরণের ঘটনায় এবার ডাকা হল মানব পড়ুয়াকে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের বিদায়ী সদস্য তথা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা পরিষদের বর্তমান প্রার্থীকে নির্বাচনের তিন দিন আগে ডেকে পাঠানোর খবরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভগবানপুরের রাজনৈতিক মহলে। সূত্রের খবর, শুধু মানব পড়ুয়া নয়, আরও কয়েক জনকে ডেকেছে এনআইএ, যারা প্রত্যেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা বা কর্মী। এই বিস্ফোরণের সঙ্গে তৃণমূলের এই নেতাদের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করছে তদন্তকারী সংস্থা।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ভোটের মুখে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাকর্মী ও প্রার্থীদের এইভাবে ডাকার জন্য নিন্দা করেছেন ভগবানপুর দুই ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অম্বিকেশ মান্না। তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসকে ঠেকাতে ভোটের মুখে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করছে বিজেপি। অপর দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। ভগবানপুর (Purba Medinipur) বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি বলেন, আইন আইনের পথে চলছে, বিস্ফোরণের ঘটনায় অভিযুক্তরা আজ না হয় কাল ধরা পড়বেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share