Tag: panchayat election 2023

panchayat election 2023

  • Panchayat Election 2023: “২০১৩-র চেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট”, কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের

    Panchayat Election 2023: “২০১৩-র চেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট”, কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023) করতে হবে। এই মর্মে রায় দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন। মুখ পুড়েছে সেখানেও। রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন করানোর যে রায় হাইকোর্ট দিয়েছিল, তা বহাল রাখে দেশের শীর্ষ আদালতও।

    নামকাওয়াস্তে কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া

    আদালত অবমাননা এড়াতে রাজ্যের প্রতিটি জেলার জন্য এক কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি জানায় রাজ্য। নামকাওয়াস্তে কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়ায় ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিরোধীরা। বুধবার সেই মামলায় আদালতের নির্দেশ, “২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল, ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তার চেয়ে কম কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা চলবে না।” বিজেপির তরফে আদালতকে জানানো হয়েছিল, ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) রাজ্যে মোতায়েন করা হয়েছিল ৮২ হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    প্রধান বিচারপতির নির্দেশ

    এদিন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম বলেন, “এ বারের পঞ্চায়েত নির্বাচনের নিরাপত্তার জন্যও ওই সংখ্যক বা তার বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। কমিশন ২২টি জেলার জন্য যে ২২ কোম্পানি অর্থাৎ ২২০০ আধা সেনা মোতায়েনের কথা বলছে, তা করলে চলবে না।”

    স্পেশালাইজড ফোর্স

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের ৫ কোটি ৬৭ লক্ষ ভোটারের নিরাপত্তায় মাত্র ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। এছাড়া রাজ্যের ৬ জেলায় ১ কোম্পানি করে রাজ্যের স্পেশালাইজড ফোর্স মোতায়েনের সিদ্ধান্তও নিয়েছে কমিশন। রাজ্যের এই ৬টি জেলা হল বীরভূম, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুর। কমিশনের সিদ্ধান্ত, এই জেলাগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সঙ্গে থাকবে রাজ্যের স্পেশালাইজড ফোর্স। ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) নিরাপত্তায় মোতায়েন ছিল ৮২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। চলতি বছর নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরে রাজ্যে অশান্তি শুরু হওয়ার পরেও ২২টি জেলার জন্য মাত্র ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়ায় ওঠে প্রশ্ন।

    আরও পড়ুুন: বোমা ফেটে জখম ৫, রাজ্যের রিপোর্ট তলব জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের

    এদিন মামলার শুরুতেই প্রধান বিচারপতি কমিশনকে বলেন, “বলতে বাধ্য হচ্ছি এত কিছু পরে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ থাকছে। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করতে হচ্ছে। আপনারা দয়া করে হাইকোর্টের নির্দেশ পালন করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: বোমা ফেটে জখম ৫, রাজ্যের রিপোর্ট তলব জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের

    Panchayat Election 2023: বোমা ফেটে জখম ৫, রাজ্যের রিপোর্ট তলব জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) আগে রাজ্যের যত্রতত্র বোমা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ। বড়দের পাশাপাশি তার মাশুল গুণতে হচ্ছে শিশুদেরও। এই যেমন হল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জঙ্গিপুরে। সোমবার আমবাগানে পড়ে থাকা একটা গোলাকার বস্তুকে বল ভেবে খেলতে গিয়ে বোমার ঘায়ে জখম হয়েছে ৫ শিশু। তার মধ্যে একজনের অবস্থ আশঙ্কাজনক। কীভাবে ওই ৫ শিশু বোমার ঘায়ে জখম হল, তা জানতে মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়েছে জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন। জাতীয় শিশু সুরক্ষা আইনে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ বিষয়ে জবাব চাওয়া হয়েছে রাজ্যের কাছে। তলব করা হয়েছে অ্যাকশন টেকেন রিপোর্টও। অকুস্থল পরিদর্শন করতে বাংলায় আসতে চায় কমিশনের বিশেষ টিম। সেই অনুমতিও চাওয়া হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে।  

    জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের চিঠি

    জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের তরফে দুটি চিঠি লেখা হয়েছে। একটি রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে। তাতে লেখা হয়েছে, “মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর এলাকায় বল ভেবে (Panchayat Election 2023) বোমা নিয়ে খেলতে গিয়ে ৭ থেকে ১১ বছর বয়সি ৫ শিশু জখম হয়েছে। তারা জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।” ঘটনাটিকে গুরুতর ‘শিশু অধিকার লঙ্ঘন’ হিসেবে উল্লেখ করে কমিশনের আর্জি, স্বতঃপ্রণোদিত তদন্ত করুক রাজ্য। জখম শিশুদের দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং দোষীদের চিহ্নিত করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়েছে রাজ্যকে।

    রাজ্যের রিপোর্ট তলব

    ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্টও তলব করা হয়েছে। রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণায় হওয়ায় লাগু হয়েছে আদর্শ নির্বাচনী আচরণ বিধি। তাই রাজ্যে আসার জন্য নির্বাচন কমিশনের অনুমতিও চেয়েছে শিশু সুরক্ষা কমিশন। নির্বাচন (Panchayat Election 2023) কমিশনকে দেওয়া চিঠিতে জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন বলেছে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করে আমাদের টিমকে ঘটনাস্থলে যেতে দেওয়া হোক।

    আরও পড়ুুন: হুমায়ুনের পর এবার বিদ্রোহী মনোরঞ্জন! ছাড়লেন দলীয় পদ

    ফরাক্কার ইমামনগর এলাকার একটি বাগানে খেলা করছিল ৫ শিশু। তাদেরই একজনের নজরে পড়ে বলের মতো গোলাকার একটি বস্তু। তাতে সজোরে লাথি মারে শিশুটি। কান ফাটানো আওয়াজ করে ফেটে যায় তাজা বোমাটি। জখম হয় পাঁচজনেই। দ্রুত উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় বেনিয়াগ্রাম প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। এক শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে পাঠানো হয় জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: “স্বরাষ্ট্র দফতর জানুক রাজ্যের কোথায় বোমা শিল্প চলছে”! ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Panchayat Election 2023: “স্বরাষ্ট্র দফতর জানুক রাজ্যের কোথায় বোমা শিল্প চলছে”! ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতর তো জানুক রাজ্যের বোমা শিল্প কোথায় কেমন চলছে!” পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023) নিয়ে এক মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার একথা বলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। রাজ্য পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করতে গিয়ে বিচারপতি বলেন, “মুড়ি-মুড়কির মতো বোমা পড়েছে। গুলি, পরপর গাড়িতে আগুন, লাঠি-বাঁশ হাতে দুর্বৃত্তদের দাপাদাপি, ভাঙড় থেকে ক্যানিং, পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়নপর্বে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর এই হিংসার ছবি। তাহলে পুলিশ কী করছিল? পুলিশ কি এসব ঘটনা স্বরাষ্ট্র দফতরকে জানিয়েছে? স্বরাষ্ট্র দফতর অন্তত জানুক রাজ্যের বোমা শিল্প কোথায় কেমন চলছে!”

    বেলাগাম সন্ত্রাসের ছবি

    মনোনয়নপত্র পেশের শেষ দিনে পুলিশি প্রহরায় বিরোধী প্রার্থীদের মনোনয়ন জমার জন্য গন্তব্যে পাঠাতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি মান্থা। তার পরেও সংবাদ মাধ্যমের পর্দায় ভেসে ওঠে বেলাগাম সন্ত্রাসের ছবি। অভিযোগ, পুলিশের গাড়ি থামিয়ে বিরোধী প্রার্থীদের মনোনয়ন পেশে বাধা দেয় তৃণমূল। ভাঙড়ের শোনপুর বাজারের কাছে পুলিশি প্রহরায় আসা আইএসএফ প্রার্থীদের ওপর হামলা চালায় তৃণমূল। প্রহরারত পুলিশ কর্মীরা তখন সেখান থেকে সরে যান বলে অভিযোগ। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় আইএসএফ কর্মী মহিউদ্দিনের।

    রাজ্য সরকারের জবাব তলব

    সেই মামলা (Panchayat Election 2023) প্রসঙ্গে বিচারপতি মান্থা বলেন, “ভাঙড়, কাশীপুর, হাড়োয়া, বসিরহাট নিয়ে আদালতের নির্দেশের পরেও মামলাকারীদের মনোনয়ন দেওয়ার ব্যবস্থা করতে ব্যর্থ হওয়ায় জায়গায় জায়গায় বোমাবাজি ও গুলি চলেছে।” এই ঘটনায় রাজ্য সরকারের জবাব তলব করেছে আদালত। ক্যানিং, মিনাখা, ভাঙড়, ন্যাজাট, জীবনতলা এলাকায় মনোনয়নের জন্য কত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল, তাও জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। বুধ থেকে শুক্রবার পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকার বিডিও অফিস চত্বরের সিসিটিভির ফুটেজও তলব করেছেন বিচারপতি মান্থা। ১০ দিনের মধ্যে হলফনামা আকারে জবাব জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়েছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি, তোপ দলেরই বিধায়কের!

    ক্যানিংয়ে অশান্তির ঘটনায় জেলার পুলিশ সুপার ও একজন অতিরিক্ত সুপার মর্যাদার অফিসার নিয়োগ করে তদন্তের (Panchayat Election 2023) নির্দেশও দিয়েছেন বিচারপতি মান্থা। ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক তৃণমূলের পরেশরাম দাস, থানার আইসি এবং ক্যানিংয়ের এসডিপিও-র বিরুদ্ধে এফআইআর গ্রহণ করার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। নির্দেশ দেওয়ার পরেও কেন প্রার্থীরা মনোনয়ন দিতে পারলেন না, তা জানাতে হবে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Panchayat Election 2023: জেলা পিছু এক কোম্পানি! ‘নামকাওয়াস্তে’ কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইল কমিশন

    Panchayat Election 2023: জেলা পিছু এক কোম্পানি! ‘নামকাওয়াস্তে’ কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য নির্বাচন কমিশন জেলা প্রতি মাত্র এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়ার পর কটাক্ষ বিরোধীদের। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খাওয়ার পর রাজ্য নির্বাচন কমিশন প্রতি জেলায় মাত্র এক কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছে। এর ফলে ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছে বিরোধীরা। পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতও জানায়, সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে রাজ্যে ভোট করতে হবে। তারপরেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে ২২ জেলার জন্য ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর সেখানেই আপত্তি বিরোধীদের।

    ২২ জেলায় মাত্র ২২০০ জওয়ান

    এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীতে সাধারণত ১০০ থেকে ১০৫ জন সদস্য থাকেন। তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী কাজে লাগানো হয় কম-বেশি ৮০ জনকে। ধরে নেওয়া যাক, ১০০ জন জওয়ান থাকবেন প্রত্যেক কোম্পানিতে। সেক্ষেত্রে রাজ্যের ২২ জেলায় মাত্র ২২০০ জওয়ান নিযুক্ত হবেন। এদিকে, রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election 2023) হতে চলেছে মোট ৬১ হাজার বুথে। এরকম হলে মাত্র একজন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের দায়িত্বে থাকতে পারে ২৮ টি বুথ! বিরোধীদের দাবি, এটা মোটেই যথেষ্ট নয়। তাই আবার আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। 

    বিজেপির দাবি

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘প্রতি জেলায় ১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত সঠিক নয়। আদালতের নির্দেশের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে ভোটে বুথ, সেক্টর, থানা, স্ট্রং-রুম এবং গণনা কেন্দ্রের দায়িত্বে যৌথ ভাবে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ। কোনও বাহিনীর বিরুদ্ধেই যাতে অভিযোগ না ওঠে, তাই এই সিদ্ধান্ত। তাই আদালতের নির্দেশ যাতে সঠিক ভাবে প্রয়োগ হয়, সেই দাবিই আমরা হাইকোর্টে জানাব।’’ রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘স্বেচ্ছাচারিতা, দখলদারি এবং নির্লজ্জতার বেনজির দৃষ্টান্ত রাজীব সিংহ। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার জনবিচ্ছিন্ন তৃণমূলকে বাঁচাতে চাইছেন। তবু আমরা বলছি যে, প্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে তৃণমূলকে।’’ শমীকের সংযোজন, ‘‘নামকাওয়াস্তে কেন্দ্রীয় বাহিনী এনেও রাজ্য নির্বাচন কমিশনার তৃণমূলকে রক্ষা করতে পারবেন না। আর গোটা বিষয়টাই আদালতের নজরদারিতে হচ্ছে।’’

    আরও পড়ুন: বহাল হাইকোর্টের রায়, পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনীই, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে ২২ জেলার জন্য ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেই মতো বাহিনী পাঠানোর নির্দেশিকা দিয়েছে কেন্দ্র। এই ২২ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে বিএসএফের ৮, সিআরপিএফের ৬, এসএসবির ৪ এবং আইটিবিপির ৪ কোম্পানি। এই ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন যাতে সুষ্ঠু ভাবে হয় সেই জন্য এস সি বুদাকোটিকে নোডাল অফিসার হিসাবে রাজ্যে নিযুক্ত করেছে কেন্দ্র।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Panchayat Election 2023: হয় মা নয় বৌমা! বিজেপির শাশুড়ি লড়ছেন তৃণমূলের বৌমার সঙ্গে

    Panchayat Election 2023: হয় মা নয় বৌমা! বিজেপির শাশুড়ি লড়ছেন তৃণমূলের বৌমার সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোটের ময়দানে (Panchayat Election 2023) দেখা যাবে শাশুড়ি ও বৌমাকে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি ব্লকের পাঞ্জুল গ্রাম পঞ্চায়েতের আগ্রা গ্রামের বৌমা ও শাশুড়ি একে অপরের বিরুদ্ধে পঞ্চায়েত নির্বাচনের মাঠে লড়াই করছেন। বৌমা মামণি মুর্মু তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এবং শাশুড়ি মায়া হেমরম বিজেপির পক্ষ থেকে পঞ্চায়েত সদস্য পদে প্রার্থী হয়ে এবারের নির্বাচনে লড়াই করছেন। যাকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ গ্রামবাসী তথা ভোটারদের মধ্যে। উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত নির্বাচনে একই পরিবারের বৌমা এবং শাশুড়ির লড়াইয়ের ফলে পারিবারিক বিষয়ে কোনও রকম প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন দুই প্রার্থী। তাঁদের দাবি, রাজনীতির লড়াই রাজনীতির লড়াইতেই সীমাবদ্ধ থাকবে। নিজের নিজের দলের উন্নয়ন মুখী প্রকল্পগুলি নিয়ে গ্রামবাসীর কাছে ভোট প্রচারে বেরিয়েছেন শাশুড়ি ও বৌমা দুজনেই।

    কী বলছেন গ্রামবাসীরা (Panchayat Election 2023)?

    এই বিষয়ে এক গ্রামবাসী বলেন, আমাদের পঞ্চায়েতে (Panchayat Election 2023) হেমরম বাড়ির কাকিমা-শাশুড়ি ও বৌমা প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুজনেই আলাদা আলাদা দলের প্রার্থী, শাশুড়ি বিজেপির ও বৌমা তৃণমূলের। এটা বড় মজার ব্যাপার। দুজন একই পরিবারের। যে ভোটে জিতে গ্রামের উন্নয়ন করবে, আমরা তাকেই ভোট দেব।

    কী বলছেন বিজেপির প্রার্থী (শাশুড়ি) (Panchayat Election 2023)?

    এই বিষয়ে বিজেপির প্রার্থী (শাশুড়ি) মায়া হেমরম বলেন, আমি আশাবাদী, আমি বিপুল ভোটে (Panchayat Election 2023) জিতবো। আমি ভোটে জিতে আগে গ্রামের উন্নয়ন করবো। আমরা শাশুড়ি বৌমা নির্বাচনে আলাদা আলাদা দলের প্রার্থী হলেও আমাদের পারিবারিক সম্পর্কটা কোনও দিন নষ্ট হবে না।

    কী বলছেন তৃণমূলের প্রার্থী (বৌমা) (Panchayat Election 2023)?

    এই বিষয়ে তৃণমূলের প্রার্থী (বৌমা) মামণি মুর্মু বলেন, আমি এবার পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) তৃণমূল থেকে প্রার্থী হয়েছি। সম্পর্কে আমার কাকিমা শাশুড়ি বিজেপির প্রার্থী হয়েছে। আমি আশাবাদী, আমি এই নির্বাচনে জয়ী হবো। আমরা একই বাড়ি থেকে শাশুড়ি-বৌমা নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি। লড়াই তো হবে। কিন্তু আমাদের পরিবারের মধ্যে কোনও ভাঙ্গন ধরবে না। আমাদের বৌমা-শাশুড়ির সম্পর্ক ভালোই থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল রাজ্যের! কমিশন, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দু-সুকান্তর

    Panchayat Election 2023: সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল রাজ্যের! কমিশন, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দু-সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেখানেও মুখ পুড়েছে রাজ্য সরকারের। ধাক্কা খেয়েছে কমিশনও। দেশের শীর্ষ আদালতও বহাল রেখেছে হাইকোর্টের রায়। সুপ্রিম কোর্টের সেই রায়কে স্বাগত জানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি

    মঙ্গলবার বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ সাংগঠনিক জেলার দফতরে বসে তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঠিকভাবে ব্যবহারের ব্যবস্থা করতে হবে। আর যেহেতু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামছে, তাই বাহিনীর কমান্ডান্টদের ওপরেও যাতে রাজ্য সরকার তাদের বসিয়ে রাখতে না পারে। এটা কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারের সুপারিশে হচ্ছে না, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে হচ্ছে। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনীর দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেল। আমরা সেটা করাব। কারণ ভারতবর্ষের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামটা হচ্ছে অমিত শাহ।”

    আক্রমণ কমিশনকে

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আইনজীবী মারফত যা খবর পেয়েছি, তাতে এদিন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের (Panchayat Election 2023) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে আদালত। রাজ্য সরকারের কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে আপত্তি থাকতে পারে, কিন্তু রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরোধিতার কারণ কী? তারা তো যত বেশি বাহিনী পাবে, তত নির্বিঘ্নে নির্বাচন করাতে পারবে। রাজ্য সরকার কোথা থেকে বাহিনী এনে দিল, তা দেখা তো তাদের কাজ নয়। আমরা কেন্দ্রীয় বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের কাজকর্মের ওপর নজর রাখব। দরকারে প্রতিদিন আদালতে লড়াই হবে।”

    এদিন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকেও নিশানা করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “রাজ্যপাল নিজে গোলমাল পাকিয়ে এখন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছেন। নির্বাচন (Panchayat Election 2023) কমিশনার হিসেবে যে তিনজনের নাম জমা পড়েছিল, তা নিয়ে রাজ্যপাল সমস্ত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলতে পারতেন। তা না করে তিনি নিজে থেকে রাজীব সিনহাকে নিয়োগ করেছেন। যার ফলে এতগুলো মানুষের প্রাণ গেল।”

    এদিন দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে সাংবাদিক বৈঠক করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।

    তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকার যাওয়ার আগেই আমি জানিয়েছিলাম, রাজ্যের মুখ পুড়বে। যা এদিন চূড়ান্ত হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের পরেই প্রথমে এক গালে চড় খেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে এবার সুপ্রিম রায়ে দু গালেই চড় খেয়ে লাল হয়ে ফিরলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

    আরও পড়ুুন: “পশ্চিমবঙ্গকে আলাদা দেশ মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী”! পশ্চিমবঙ্গ দিবসে তোপ শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Panchayat Election 2023: বহাল হাইকোর্টের রায়, পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনীই, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Panchayat Election 2023: বহাল হাইকোর্টের রায়, পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনীই, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের পর এবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়েও ধাক্কা খেতে হল রাজ্য এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) রাজ্যের সর্বত্র কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে যে রায় দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট, তাতে কোনও রকম হস্তক্ষেপ করতে রাজি হল না শীর্ষ আদালত। বিচারপতি বিভি নাগরত্না এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, ‘‘ভোটে কোনও ধরনের অশান্তি কাম্য নয়। অতীতে বাংলায় ভোটের সময় হিংসা দেখা গিয়েছে। এই অবস্থায় হাইকোর্ট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েছিল। সেই রায়তে কোনও সমস্যা নেই।’’

    শুনানি-পর্বে কী হল?

    পঞ্চায়েতের মনোনয়ন-পর্বকে (Panchayat Election 2023) ঘিরে রাজ্যে যে সীমাহীন হিংসা ও রক্তক্ষয় হয়েছে, তা বিচার করে গত সপ্তাহেই সর্বত্র কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানমের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে অবাধ ও স্বচ্ছ ভোটের জন্য হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি বিভি নাগরত্না এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রর ডিভিশন বেঞ্চ এদিন জানিয়ে দেয়, হাইকোর্টের রায়ে কোনও হস্তক্ষেপ করবে না শীর্ষ আদালত।

    আরও পড়ুন: “দুষ্কৃতীরা ওয়াররুম খুলেছে, তাই রাজভবনে পিস রুম”, কড়া বার্তা রাজ্যপালের

    শীর্ষ আদালতের প্রশ্নের মুখে কমিশন

    বাহিনী মোতায়েন নিয়ে মামলার শুনানি চলাকালীন এদিন বিচারপতি নাগরত্না রাজ্যের আইনজীবীকে বলেন, ‘‘এমনিতে আপনারা পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election 2023) জন্য পাঁচ রাজ্যের থেকে পুলিশ চেয়েছেন। এদিকে হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হলে তার খরচ কেন্দ্রই বহন করবে। তাহলে আপনাদের সমস্যা কোথায়?’’ 

    আবার, রাজ্য কমিশনের (Panchayat Election 2023) আইনজীবী দাবি করেন, ‘‘রাজ্যের পুলিশ যথেষ্ট দক্ষ। তবে সংখ্যায় পুলিশকর্মী কম থাকায় অন্য রাজ্য থেকে বাহিনী চাওয়া হয়েছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘মনোনয়ন পর্বে কমিশন পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। মনোনয়ন কেন্দ্রের ১ কিমি পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল।’’ কমিশনের যুক্তি, ‘‘আমাদের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। এই আবহে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হলে পরিকল্পনা বদল করতে হবে। তাছাড়া, নিরাপত্তার বিষয়টি রাজ্য দেখে। এখানে কমিশনকে সরাসরি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।’’

    একথা শোনার পর বিচারপতি বলেন, ‘‘নিরাপত্তা ব্যবস্থা আপনাদের উপর নয় যখন, তাহলে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে চিন্তিত কেন? আপনারা আপনাদের কাজ করুন। যেখান থেকেই বাহিনী আসুক, আপনাদের অসুবিধা কোথায়?’’ এই প্রেক্ষিতে এদিন সুপ্রিম কোর্টের কড়া মন্তব্যের মুখে পড়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, ‘‘নির্বাচন করানো মানে হিংসার লাইসেন্স দেওয়া নয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Panchayat Election: টিকিট না পেয়ে নির্দল, মান ভাঙাতে প্রার্থীদের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছে তৃণমূল নেতৃত্ব!

    Panchayat Election: টিকিট না পেয়ে নির্দল, মান ভাঙাতে প্রার্থীদের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছে তৃণমূল নেতৃত্ব!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রহণযোগ্যতা নেই বলে যাঁদের টিকিট দেওয়া হয়নি, তাঁরাই এখন ডাবগ্রাম ২ গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূলের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন। টিকিট না পাওয়া দলের বিক্ষুব্ধ যে আটজন নেতা-কর্মী নির্দল প্রার্থী হয়েছেন, তাঁদের মনোনয়নপত্র (Panchayat Election) প্রত্যাহার করানোর জন্য কোমর বেঁধে নেমেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। হুমকিতে কাজ না হওয়ায় এখন তাঁদের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে অনুনয় বিনয় চালিয়ে যাচ্ছেন দলের নেতারা।  

    ‘অযোগ্যদের’ নিয়ে কেন এত চিন্তা তৃণমূলের (Panchayat Election)? 

    এ নিয়ে এই গ্রাম পঞ্চায়েতের বিদায়ী প্রধান তৃণমূলের এবারেরও প্রার্থী সুধা সিংহ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বাকযুদ্ধ চরমে উঠেছে বিদায়ী উপ প্রধান নির্মল বর্মনের। নির্মলবাবু এই অঞ্চলে তৃণমূলের দীর্ঘদিনের কর্মী। বাম আমলে তিনিই এই অঞ্চলে তৃণমূলের প্রদীপ জ্বালিয়েছিলেন। ২০০৮ সাল থেকে তিনি এখানকার পঞ্চায়েত সদস্য। দল এবার তাঁকে টিকিট না দেওয়ায় তিনি নির্দল প্রার্থী হয়ে তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। নির্মলবাবু বলেন, আমরা তো অযোগ্য, গ্রহণযোগ্যতা নেই। তাহলে আমাদের নির্দল প্রার্থী থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য কেন দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছে তৃণমূল নেতৃত্ব? একটু থেমে হুঙ্কার দিয়ে তিনি বলেন, কোনও চাপ আমাদের মনোনয়নপত্র (Panchayat Election) প্রত্যাহার করাতে পারবে না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধায় এলেও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবো না। এতদিন দেদার টাকা চুরি করেছে। এলাকার মানুষের জন্য কোনও কাজ করেনি। ভোটের প্রচারে গিয়ে তৃণমূল নেতা ও প্রার্থীরা বুঝতে পারছেন, মানুষ তাঁদের গ্রহণ করছেন না। টাকার বিনিময়ে যাঁদের প্রার্থী করা হয়েছে, মানুষের কাছে তাঁদের গ্রহণযোগ্যতা নেই। আধা সামরিক বাহিনী দিয়ে ভোট হবে। তাই এখন তৃণমূল নেতৃত্ব পাগল হয়ে গিয়েছে। 

    চাপে পড়ে কী বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব (Panchayat Election)?

    বিদায়ী প্রধান তথা তৃণমূলের ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি ব্লক তৃণমূল সভানেত্রী সুধা সিংহ চট্টোপাধ্যায় বলেন, নির্মল বর্মন এখন দলের নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করছেন, তা তিনি তৃণমূলের টিকিটে জিতে ক্ষমতায় থাকতে করেননি কেন? নির্মল বর্মন কেমন, সেটা এলাকার মানুষ ভালোমতোই জানেন। তবু দলের থেকে যাঁরা নির্দল হিসাবে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের বাড়িতে গিয়ে বোঝাচ্ছি মনোনয়নপত্র (Panchayat Election) প্রত্যাহার করার জন্য। যাতে পরে কেউ না বলতে পারে, দলের থেকে তাঁদের ভুল ধরিয়ে দেওয়া হয়নি, অভিমান ভাঙার সুযোগ পাননি তাঁরা। তারপরেও কেউ মনোনয়ন প্রত্যাহার না করলে দল ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু গোষ্ঠী কোন্দলের পাশাপাশি এই গ্রাম পঞ্চায়েতে পানীয় জলের অসহনীয় সঙ্কট ও বেহাল রাস্তা তৃণমূলকে এবার এখানে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Panchayat Election 2023: “দুষ্কৃতীরা ওয়াররুম খুলেছে, তাই রাজভবনে পিস রুম”, কড়া বার্তা রাজ্যপালের

    Panchayat Election 2023: “দুষ্কৃতীরা ওয়াররুম খুলেছে, তাই রাজভবনে পিস রুম”, কড়া বার্তা রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দুষ্কৃতীরা ওয়াররুম খুলেছে, তাই রাজভবনে পিস রুম”, সোমবার এই বার্তাই দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Anand Bose)। পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়েছে অশান্তি। কখনও মনোনয়নপত্রকে পেশকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিরোধীদের মারধরের অভিযোগ, কখনও আবার প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের জন্য বিরোধীদের চাপ দেওয়ার অভিযোগে উত্তপ্ত রাজ্য।

    অশান্ত ভাঙড়

    মনোনয়ন পেশ-পর্বে হিংসার জেরে কেবল ভাঙড়েই খুন হয়েছেন ৩ জন। নিরাপত্তার আশঙ্কায় কাঁটা খোদ বিধায়ক আইএসএফের নওশাদ সিদ্দিকি। কেন্দ্রের কাছে সুরক্ষার আর্জি জানানোয় তাঁকে দেওয়া হচ্ছে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা। অশান্তির এই আবহে রাজভবনে খোলা হয়েছে পিস রুম। এখানে যে কোনও বিষয়ে অভিযোগ জানাতে পারবেন রাজ্যবাসী। সেজন্য ফোন নম্বর এবং ই-মেইলও দেওয়া হয়েছে। এর পর থেকেই কার্যত অভিযোগের পাহাড় জমতে শুরু করেছে রাজভবনের পিস রুমে (Panchayat Election 2023)।

    অভিযোগের পাহাড়

    রাজভবন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই প্রায় ৪০০ অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে বিরোধীরাও যেমন রয়েছেন, তেমনি অভিযোগ জানানো হয়েছে শাসক দলের তরফেও। মঙ্গলবার পিস রুম পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল স্বয়ং। তিনি বলেন, “যে সংখ্যায় অভিযোগ আসছে, সেটা দিয়ে এটা বোঝানো যায় না যে রাজ্যে হিংসা বাড়ছে। কিন্তু এটা বলা যায় যে পিস রুমের ওপর মানুষের আস্থা বাড়ছে।” অভিযোগগুলি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান রাজ্যপাল। তিনি বলেন, “রাজভবন অভিযোগগুলো আলাদা করে যেগুলোকে রাজ্যকে দেওয়া প্রয়োজন সেগুলো রাজ্যকে দিচ্ছে, যেগুলো নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া প্রয়োজন, সেগুলো তাদের দেওয়া হচ্ছে। দুই তরফেই সক্রিয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।”

    আরও পড়ুুন: পুলিশের সামনেই বিজেপি প্রার্থীর ‘বাড়ি ঘেরাও’ তৃণমূলের

    রাজ্যপাল (Panchayat Election 2023) বলেন, “সরকারকে যা করতে হবে, সেটা আমি মুখ্যমন্ত্রীর ওপরই ছেড়ে দিচ্ছি। সংবিধান অনুযায়ী যেটা করতে হবে সেটা আমি বুঝে নেব। আমাকে রাজনৈতিকভাবে কিছু বলবেন না। শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে। কোনওরকম দখলদারি চলবে না।” তিনি বলেন, “এ রাজ্যে হিংসা কোনও কল্পনা নয়, এটা বাস্তব। এটা আমাদের প্রতিরোধ করতে হবে। এটার ওপরই আমি আলোকপাত করছি।”  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

     
     
  • Panchayat Election 2023: কোথায় কেন্দ্রীয় বাহিনী? ফের হাইকোর্টে শুভেন্দু

    Panchayat Election 2023: কোথায় কেন্দ্রীয় বাহিনী? ফের হাইকোর্টে শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। কিন্তু অভিযোগ, কমিশন সেই নির্দেশ মানেনি। সেক্ষেত্রে আদালত অবমাননার অভিযোগ উঠছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। 

    বিরোধীদের দাবি

    নির্বাচনী (Panchayat Election 2023) প্রক্রিয়ার একেবারে প্রাথমিক ধাপেই গত ১০ দিনে রাজ্যে ৭টি খুনের অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। গোটা বিষয়টিতে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিরোধীরা। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা। পাশাপাশি, আদালতের নির্দেশ ছিল মনোনয়নপত্র জমা থেকে কাউন্টিং , গোটা প্রক্রিয়ার ভিডিয়োগ্রাফি করতে হবে এবং সিসিটিভি বসাতে হবে। সেই নির্দেশও পালন হয়নি বলে অভিযোগ। কমিশনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ। এদিন হাইকোর্টে শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী শ্রীজীব চক্রবর্তী সওয়াল করেন, ‘‘ সুপ্রিম কোর্টে আজও কমিশন ও রাজ্যের এসএলপি নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। রাজ্য ও কমিশন করা এসএলপি নিয়ে কোনও নোটিস দেওয় হয়নি। তাই আদালত অবমাননার মামলা হাইকোর্টে হতে কোনও আইনি বাধা নেই।’’

    আরও পড়ুুন: ‘৩ লক্ষ টাকা দিলেই মিলছে তৃণমূলের প্রতীক’, রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে সরব দলেরই কর্মীরা

    ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিষয়ে শীর্ষ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন৷  শনিবার এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন দাখিল করে রাজ্য নির্বাচন কমিশন৷ সূত্রের খবর, সেই আবেদন শুনতে রাজিও হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট৷ আগামিকাল, অর্থাৎ, মঙ্গলবার কমিশন ও রাজ্যের আর্জির শুনানির সম্ভাবনা৷ বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি এম এম সুন্দরেশের বেঞ্চে শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে৷ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share