Tag: panchayat election 2023

panchayat election 2023

  • Panchayat Election 2023: মোতায়েন করা হয়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী, ফের আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে বিজেপি

    Panchayat Election 2023: মোতায়েন করা হয়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী, ফের আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালত নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী (Panchayat Election 2023) মোতায়েনের। তার পরেও মোতায়েন করা হয়নি বাহিনী। তাই বাংলার পোল বডির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে বিজেপি। রবিবার পদ্ম শিবিরের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজ্যের সর্বত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্য নির্বাচন কমিশন সেই নির্দেশ না মানায় আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে গেরুয়া শিবির।

    শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, এই মামলায় আমি একজন আবেদনকারী। আগামিকাল (সোমবার) আমি নতুন করে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করব কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে। তিনিই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, উচ্চ আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে শনিবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তাই এখনও মোতায়েন করা হয়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    প্রধান বিচারপতির নির্দেশ

    কেবল স্পর্শকাতর এলাকা নয়, রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন (Panchayat Election 2023) করতে হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। রায় পড়তে গিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, “স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করার বিষয়ে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সে ব্যাপারে কমিশন যা করার তা করেনি। সামগ্রিকভাবে অবাধ মনোনয়ন প্রক্রিয়া সুনিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের যে বলিষ্ঠ ভূমিকা নেওয়ার প্রয়োজন ছিল, সেক্ষেত্রেও বড়সড় ফাঁক থেকে গিয়েছে। সেই কারণেই গোটা রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে পঞ্চায়েত নির্বাচন করার বিষয়ে নির্দেশ দিচ্ছে আদালত।”

    আরও পড়ুুন: “২৫ জুন ভারতের ইতিহাসে কালো অধ্যায়”, মন কি বাতের অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    ওই দিন সন্ধ্যায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে আদালতের নির্দেশ, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ কার্যকর করতে হবে। এদিন আদালতকে (Panchayat Election 2023) রাজ্য জানিয়েছিল, পঞ্চায়েত নির্বাচনের নিরাপত্তায় যাতে পুলিশবাহিনীর ঘাটতি না থাকে, তাই পড়শি রাজ্য থেকে পুলিশ বাহিনী আনানোর ব্যবস্থা করছে তারা। কিন্তু আলাদত সাফ জানায়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতেই পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে রাজ্যে। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে আবেদন করতে হবে কমিশনকে। আর রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের খরচ জোগাবে কেন্দ্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: ২০২১ বিধানসভার পর পঞ্চায়েত ভোটে নজরে এবার নন্দীগ্রাম! কোন ফুল ফুটবে?

    Purba Medinipur: ২০২১ বিধানসভার পর পঞ্চায়েত ভোটে নজরে এবার নন্দীগ্রাম! কোন ফুল ফুটবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৩ পঞ্চায়েত নির্বাচনে পাখির চোখ এবারে নন্দীগ্রামের (Purba Medinipur) দিকে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা কেন্দ্র হল নন্দীগ্রাম। এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ১ নং ব্লকের দিকে রাজনৈতিক মহলের বিশেষ নজর। অপর দিকে তৃণমূলেরই টিকিট পাননি শেখ সুফিয়ান, নন্দীগ্রামে কী ফল হবে সেই প্রশ্ন এখন সবাইকার মুখে। 

    কেন নজর নন্দীগ্রামে?

    নন্দীগ্রামে (Purba Medinipur) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হল, জেলা পরিষদের টিকিট পাননি বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইলেকশান এজেন্ট তথা নন্দীগ্রামের দাপুটে তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ান। সুফিয়ানের অনুগামীরা অর্থাৎ বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীরা নাগরিক মঞ্চ গঠন করে প্রার্থী দিয়েছেন বলে জানা গেছে। সেই নাগরিক মঞ্চের প্রার্থীদের সমর্থন করেছে আবার বিজেপি। ফলে রাজনৈতিক ভাবে ভোটের অঙ্কের হিসেব কী দাঁড়াবে তা নিয়ে জল্পনা চলছে।

    বিজেপি প্রার্থীর অঙ্কটা কেমন?

    নন্দীগ্রামে (Purba Medinipur) মোট ১০ টি অঞ্চল রয়েছে এই ১ নং ব্লকে। দশটি অঞ্চলের মোট আসন সংখ্যা ১৮৫ টি। পঞ্চায়েত সমিতির ৩০ টি ও জেলা পরিষদের ৩ টি। পঞ্চায়েত সমিতির ৩০ টি আসনের মধ্যে ২৩ টিতে প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি এবং ৩ টি জেলা পরিষদ আসনে প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। যে আসন গুলিতে বিজেপি প্রার্থী দেয়নি, সেখানে নাগরিক মঞ্চের প্রার্থীদের সমর্থন করবে বলে জানিয়েছে বিজেপি। বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক মেঘনাথ পালের বক্তব্য, ১০ টি অঞ্চলেই বোর্ড গঠন করবে বিজেপি।

    তৃণমূলের বক্তব্য 

    তবে এই বিষয়কে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছে না ১ নং ব্লক (Purba Medinipur) তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গ। তিনি বলেন, গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬৬ আসনে ও পঞ্চায়েত সমিতির ৭ টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার মতন কর্মী পায়নি বিজেপি। বিরোধী রাজনীতির দলকে কটাক্ষ করে তিনি আরও বলেন, এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি সকলেই প্রার্থী দিয়েছে। সিপিএম আজ মিউজিয়ামে, কংগ্রেসে আজ হিমঘরে, বিজেপি আজ গোয়ালঘরে এবং তৃণমূল কংগ্রেস রয়েছে মানুষের দুয়ারে, তাই আমাদের জয় নিশ্চিত বলে দাবি করেন তিনি। বাপ্পাদিত্যবাবু আরও বলেন, নন্দীগ্রাম তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি, জয় আমাদের নিশ্চিত।

    পাশাপাশি শুভেন্দু গড়ে এখন কোন ফুল ফোটে এটাই এখন দেখার!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: ময়নায় বাজার সংলগ্ন এলাকায় তৃণমূল দুষ্কৃতীর বোমাবাজি, আহত এক মহিলা

    Purba Medinipur: ময়নায় বাজার সংলগ্ন এলাকায় তৃণমূল দুষ্কৃতীর বোমাবাজি, আহত এক মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ময়নার (Purba Medinipur) তিন মাথার মোড় বাজার সংলগ্ন এলাকায় বোমাবাজি। আহত এক সবজি ব্যবসায়ী মহিলা। এবার উত্তপ্ত ময়নার বাকচা। যতই পঞ্চায়েত ভোট এগিয়ে আসছে ততই উত্তপ্ত হচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুর এলাকা। পুলিশ নিষ্ক্রিয়, তাই প্রশাসনের বিরুদ্ধে সরব বিজেপি।

    ময়নার (Purba Medinipur) কোথায় বোমাবাজি হয়েছে?

    বিজেপির অভিযোগ বাকচার (Purba Medinipur) নিমতলা বাজারের সামনে পুলিশের উপস্থিতিতে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী ও বহিরাগত লোকজন নিয়ে বোমাবাজি করেছে। দেখে দেখে কেবল বিজেপি নেতৃত্বের বাড়ির সামনে বোমাবাজি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এরপর স্থানীয় লোকজন এবং বিজেপি নেতৃত্বরা পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায়। এই বোমবাজির ঘটনায় আহত হয় এক মহিলা। মহিলার নাম মিঠু রানী দাস বর্মন, বয়স আনুমানিক ৫৫। বাজার থেকে সবজি বিক্রি করে বাড়ি ফিরছিলেন, কিন্তু সেই সময় নিমতলার কাছে এই বোমা বাজির ঘটনায় আহত হয় এই মহিলা। প্রথমে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে এই মহিলাকে ময়না প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেখান থেকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তাম্রলিপ্ত মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই মহিলা জানান, দুপুর বারোটা নাগাদ সবজি বিক্রি করে ফেরার সময় রাস্তার উপরেই বোমাবাজি হয়। সেই বোমার আঘাতে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনো কোনোও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    স্থানীয় বিজেপি নেতা আশিষ মণ্ডল বলেন, ময়না (Purba Medinipur) এলাকায় তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মনোরঞ্জন হাজরার নেতৃত্বে এই বোমাবাজি হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে এই বোমাবাজি হয় এবং পুলিশ নিজে বোমাবাজি থেকে বাঁচতে হামিদুল চকে থাকা বিজেপির পার্টি অফিসে ঢুকে আশ্রয় নেয়। তিনি আরও বলেন, বোমার আঘাতে বাজারের সবজি বিক্রেতা মহিলারাও বাদ যাচ্ছেন না। পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। এই অঞ্চলের বিজেপির বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ বাবুকে খুন করেছিল তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই। তিনি আরও বলেন, এই খুনের প্রধান অভিযুক্ত মনোরঞ্জন হাজরা, যিনি ৩০২ মামলার আসামী এবং প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পুলিশ প্রশাসন শাসক দলের শাখা সংগঠনের মতো কাজ করছে বলে বিশেষ অভিযোগ করেন এই বিজেপি নেতা।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: বাইকে করে আক্রমণ, এরপরেই সিপিএম প্রার্থী নিখোঁজ! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    Nadia: বাইকে করে আক্রমণ, এরপরেই সিপিএম প্রার্থী নিখোঁজ! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত সিপিএম কর্মী সমর্থক। গতকাল গভীর রাতে চাপড়া (Nadia) থানার বাঙালঝি এলাকায় একদল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী বাইকে করে সিপিএমের প্রার্থী শাহাজুদ্দিন শেখ এবং তাঁর কর্মী সমর্থকদের প্রথমে ব্যাপক মারধর করে। এরপর তাঁদের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। শুধু তাই নয়, দুষ্কৃতীরা বন্দুকের বাট দিয়ে মাথায় মেরে তাঁদের অনেকের মাথা ফাটিয়ে দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। আর এরপর থেকেই নিখোঁজ সিপিএমের প্রার্থী। 

    চাপড়া (Nadia) অভিযোগ কী?

    মনোনয়নের দিনেই উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় মনোনয়ন করতে গিয়ে শাসক দলের দুষ্কৃতীদের দ্বারা গুলি বিদ্ধ হয়ে নিহত হন দুই জন। অভিযোগের তীর ছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এবার মনোনয়নের পর নদিয়ায় আবার আক্রান্ত হলেন বিরোধী দলের কর্মীরা। চাপড়া (Nadia) থানার বাঙালঝি এলাকায় বিরোধীদের লক্ষ করে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করছে বলে বিশেষ অভিযোগ উঠছে। এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত হলেন এই এলাকার তৃণমূল নেতা জান আলি মোল্লা। আক্রান্ত সিপিএমের প্রার্থী শাহাজুদ্দিন শেখ, প্রথমে ঘটনা স্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকেন। আর তারপর থেকেই তিনি নিখোঁজ বলে জানা গেছে। পরিবারের লোকজন ফোন করে পুলিশকে জানালেও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। অবশেষে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ঘটনা স্থলে আহত আরও তিন সিপিএম কর্মীদের চাপড়া হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। কিন্তু আশঙ্কাজনক অবস্থা হওয়ায় এই তিনজনকে আবার শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করেন চিকিৎসক। আহতদের মধ্যে ছিলেন গাইন শেখ, তাপাজুল শেখ, আনছুর শেখ।

    পরিবারের বক্তব্য

    স্ত্রী পারভিনা শেখ বলেন, আমার স্বামী চাপড়া (Nadia) ২ নম্বর ব্লকে সিপিএমের প্রার্থী ছিলেন। ঘটনার দিন রাতে ১০টার সময়ে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা হাতে বন্দুক নিয়ে বাড়িতে হামলা করে। বাড়িতে এসে আমার স্বামীর নাম ধরে ডাকে, তারপর বাড়ির দরজা, জানালা ভাঙচুর করে। এরপর তিনি বলেন, গতকাল থেকেই আমি স্বামীর কোনও খোঁজ পাচ্ছিনা। তাঁর মোবাইল বন্ধ বলে জানতে পারছি। তিনি আরও বলেন, যারা বাড়িতে হামলা করেছে, তারাই আমার স্বামীকে নিখোঁজ করেছে। এদিকে আমার দলের কর্মীরা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি, অপর দিকে স্বামী নিখোঁজ! কী করব বুঝতেই পারছি না! 

    চাপড়া বিধায়ক তৃণমূলের নেতার রুক বানুর রহমান বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোনও বিরোধী প্রার্থীদের কোনও সমস্যা হয়নি। এখানে বিরোধীরা ঘটনাকে সাজিয়ে উপস্থাপন করছেন কেউ কেউ। জান আলি মোল্লা এমন কোনও ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়। বিরোধীদের সব চক্রান্ত। 

       

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে আদালতের রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি প্রত্যাহার রাজ্যের

    Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে আদালতের রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি প্রত্যাহার রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) ৭ জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের মঙ্গলবারের রায়ের কিছু অংশ পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়েছিল রাজ্য। আজ, শুক্রবার আদালতে এই আর্জি প্রত্যাহার করে নিল রাজ্য সরকার। প্রধান বিচারপতিকে আর্জি প্রত্যাহার করার কথা জানান রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রত্যাহারের আর্জি মঞ্জুর করেছেন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম।

    আদালতে রাজ্যের আবেদন

    মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, রাজ্য নির্বাচন কমিশন যে এলাকাগুলিকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছিল, সেখানে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election 2023) নিয়ে বিরোধীদের জনস্বার্থ মামলায় হাইকোর্টের এই রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতে গিয়েছিলেন রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ। কিছুদিন আগেই রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটের দিন ঘোষণা করেন রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। তবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়সীমা নিয়ে প্রথম থেকেই অশান্তি অব্যাহত। ৮ জুলাই একদফাতেই দার্জিলিং-কালিম্পংয়ে দ্বিস্তরীয় ও বাকি রাজ্যে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোট।

    আরও পড়ুন: মনোনয়নে হিংসা ‘প্রশাসনিক ব্যর্থতা’! রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব আদালতের

    মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে প্রাক নির্বাচনী অশান্তিতে উত্তাল হয় বাংলা। পরিস্থিতি দেখে এরপরেই রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয় আদালত। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, রাজ্যের সব এলাকাতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করতে হবে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নির্দেশ কার্যকরেরও নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশ মেনে চলার কথা জানিয়েও দেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। তবে, রাজনৈতিক মহলের ধারণা, পঞ্চায়েত ভোটে সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের নেতৃত্বে ডিভিশন বেঞ্চ যে রায় দিয়েছে, তাকে চ্যালেঞ্জ করতে চাইছে রাজ্য সরকার। সবঠিক থাকলে এ ব্যাপারে সম্ভবত শনিবার সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জমা দেওয়া হতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: মাত্র ৪ ঘণ্টায় তৃণমূলের ৪০ হাজার মনোনয়ন কীভাবে সম্ভব? প্রশ্ন সুকান্তর

    Panchayat Election 2023: মাত্র ৪ ঘণ্টায় তৃণমূলের ৪০ হাজার মনোনয়ন কীভাবে সম্ভব? প্রশ্ন সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election 2023) মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় শুরু হওয়া থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেই ঘটেছে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। বোমা-গুলিতে ঝরে গিয়েছে বহু প্রাণ। অনেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এরই মধ্যে  নির্ধারিত সময় শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টেয়। তবে, হাইকোর্টের নির্দেশে শুক্রবারও কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে মনোনয়ন জমা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলেছে (West Bengal Panchayat Election)।

     কমিশনের তথ্য কী বলছে?

    কমিশনের পেশ করা তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের শেষ দু’দিন, অর্থাৎ, বুধ ও বৃহস্পতিবার, সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন জমা দিয়েছে শাসকদল। রাজ্য নির্বাচন কমিশন যে হিসাব দিয়েছে তাতে শেষ দু’দিনে তৃণমূল জমা দিয়েছে ৭৬,৪৮৯টি। মনোনয়ন (Panchayat Election 2023) শুরু হয় গত শুক্রবার। রবিবার মনোনয়ন বন্ধ ছিল। মঙ্গলবার রাতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন যে হিসাব দেয় তাতে তৃণমূল জমা দিয়েছিল ৯,৩২৮টি। সেটাই বুধবার হয়ে যায় ৪৯,৪৯১। আর বৃহস্পতিবার দিনের শেষে সেই সংখ্যা হয়ে যায় ৮৫,৮১৭। অর্থাৎ, শেষ দু’দিনে তৃণমূল জমা দিয়েছে ৭৬,৪৮৯টি।

    পরিসংখ্যান হাতিয়ার বিজেপির

    রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যানকে হাতিয়ার করে কমিশন ও শাসক দলকে একত্রে তীব্র আক্রমণ করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। চার ঘণ্টায় কি আদৌ ৪০ হাজার মনোনয়ন জমা দেওয়া সম্ভব? সেটাই প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতা। এদিন পরিসংখ্যানের ছবি ট্যুইট করে সুকান্ত মজুমদার লেখেন, ‘‘মাত্র ৪ ঘণ্টায় তৃণমূলের ৪০ হাজার মনোনয়ন জমা পড়েছে। অর্থাৎ, প্রতি দু’মিনিটে তৃণমূলের একটি করে মনোনয়ন জমা পড়েছে।’’ বিজেপি সাংসদের কটাক্ষ, ‘‘গণতন্ত্রকে পরিহাসে পরিণত করেছে রাজ্য সরকার।’’

    আরও পড়ুন: মনোনয়নে হিংসা ‘প্রশাসনিক ব্যর্থতা’! রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব আদালতের

    ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোট

    রাজ্যের ২২টি জেলায় পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023) হবে আগামী ৮ জুলাই। ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট হবে ২০টি জেলায়। গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদের প্রার্থী নির্বাচনে জন্য ভোট হবে ২০টি জেলায়। দ্বিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনে তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে গ্রাম পঞ্চায়েতের সংখ্যা ৩ হাজার ৩১৭টি, পঞ্চায়েত সমিতি ৩৪১টি এবং জেলা পরিষদের সংখ্যা ২০টি। ৩১৭টি গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট আসন রয়েছে ৬৩ হাজার ২২৯। ৩৪১টি পঞ্চায়েত সমিতিতে মোট আসন রয়েছে ৯ হাজার ৭৩০টি। অন্যদিকে, রাজ্যের ২০টি জেলা পরিষদে মোট আসন রয়েছে ৯২৮টি। অর্থাৎ, গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদ মিলিয়ে রাজ্যে মোট ৭৩,৮৮৭ আসনে ভোট হওয়ার কথা।

    আসনের চেয়ে ১২ হাজার মনোনয়ন বেশি তৃণমূলের!

    রাজ্য নির্বাচন কমিশন (West Bengal Panchayat Election) যে তথ্য শুক্রবার দুপুরে প্রকাশ করেছে, সেই অনুযায়ী তৃণমূলের প্রার্থী হতে মনোনয়ন জমা পড়েছে ৮৫,৮১৭টি। অর্থাৎ, ১১,৯৩০টি মনোনয়ন বেশি জমা পড়েছে। বিজেপির মনোনয়ন ৫৬,৩২১টি। এর পরেই সিপিএম ৪৮,৬৪৬। কংগ্রেস জমা দিয়েছে ১৭,৭৫০টি মনোনয়ন। মোট নির্দল প্রার্থী ১৬,২৯৩ এবং অন্যান্যদের ১১,৬৩৭টি মনোনয়ন জমা পড়েছে। সব মিলিয়ে আপাতত মোট মনোনয়ন জমা পড়েছে ২,৩৬,৪৬৪টি।

    প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত নির্বাচনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মনোনয়ন অস্বাভাবিক কিছু নয়। অনেক সময়েই একই দলের একাধিক মনোনয়ন একটি আসনের জন্য জমা পড়ে। পরে তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। শনিবার মনোনয়নের স্ক্রুটিনি। তাতে কিছু মনোনয়ন বাতিল হতে পারে। এর পরে ২০ জুন মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। এর পরেই জানা যাবে কোন দলের কত প্রার্থী ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) কোন স্তরে লড়ছে।

    আরও পড়ুন: এবার শুরু মনোনয়ন তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি! কাঠগড়ায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: শুক্রতেও মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন বসিরহাটের ৬০ বিজেপি প্রার্থী

    Panchayat Election 2023: শুক্রতেও মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন বসিরহাটের ৬০ বিজেপি প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক হিংসার জেরে পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) মনোয়নপত্র জমা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ তুলে বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে আবেদন করেছিলেন বসিরহাটের ৬০ জন বিজেপি প্রার্থী। ওই ৬০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানো নির্দেশ দিলেন বিচারপতি সিনহা। আদালতের নির্দেশ, ‘‘সময় নেই! তাই নির্দেশনামার জন্য অপেক্ষা করার দরকার নেই। আদালতে শুনানির ভার্চুয়াল লিঙ্ক রাজ্য নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাবেন। এই লিঙ্কে নির্দেশ শুনেই পদক্ষেপ করতে হবে।’’

    আদালতের নির্দেশ

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল বৃহস্পতিবার। কিন্তু রাজনৈতিক সন্ত্রাসের জেরে বসিরহাটের চারটি ব্লকের বিজেপি প্রার্থীরা পুলিশ নিয়ে গিয়েও মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি। তাই তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। আর্জি ছিল মনোনয়নের সময়সীমা বাড়ানো হোক। শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দেন, বসিরহাটের ৪টি ব্লক— সন্দেশখালি-১ এবং ২, মিনাখা, ন্যাজাট এবং হাড়োয়ার ৬০ জন প্রার্থীর জন্য মনোনয়নের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। বসিরহাট মহকুমাশাসকের দফতরের বিপরীতে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে প্রার্থীরা উপস্থিত রয়েছেন। তাঁরা শুধু রাস্তা টপকে এ পারে আসবেন। পুলিশ নিরাপত্তা দিয়ে প্রার্থীদের মহকুমা শাসকের দফতরে ঢোকাবেন। নির্দেশ বিচারপতির।

    আরও পড়ুন: মমতার চোখে তিনি ছিলেন আদর্শ, সেই পঞ্চায়েত প্রধানই টিকিট পেলেন না!

    শুক্রবার শুনানি শেষে বিচারপতি সিনহা বলেন, যাঁরা মনোয়ন (Panchayat Election 2023) জমা দিতে পারেননি, তাঁদের পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা দিয়ে মনোয়ন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। বসিরহাটের পুলিশ সুপার এবং বসিরহাটের সাব ডিভিশনাল অফিসার উপস্থিতে মনোনয়ন পত্র দাখিল করবেন বিজেপি প্রার্থীরা। এদিন বিকেল ৪টা পর্যন্ত যাঁরা মনোয়ন দেবেন তাঁদের মনোয়ন জমা নিতে হবে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবারই প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, শিক্ষাবন্ধু ও ভলেন্টিয়ারদের মনোয়ন জমা দেওয়ার সময়সীমা একদিন বাড়াতে হবে। সেই মর্মেই এইদিন বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানোর পক্ষে রায় দিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: হাইকোর্টে মুখ পুড়েছে রাজ্যের, সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করতে প্রস্তুতি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হাইকোর্টে মুখ পুড়েছে রাজ্যের, সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করতে প্রস্তুতি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টে মুখ পুড়েছে রাজ্য সরকারের। গোটা রাজ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন করানোর নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এর পর রাজ্য সরকার দ্বারস্থ হতে পারে সুপ্রিম কোর্টে। রাজ্য সরকারকে সেই সুযোগ দিতে চান না রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) অধিকারী। সময় নষ্ট না করে দেশের শীর্ষ আদালতে ক্যাভিয়েট দাখিল করার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন তিনি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আমার কাজ হল, আজ রাতের মধ্যে বা আগামিকাল সকালের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করা। যাতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন বা রাজ্য সরকার একতরফাভাবে সুপ্রিম কোর্টে যেতে না পারে।”

    ক্যাভিয়েট দাখিলের অর্থ

    ক্যাভিয়েট দাখিল করার অর্থ হল, কোনও একটি মামলা নিয়ে যদি অপর কোনও পক্ষ সুপ্রিম কোর্টে যায়, সেক্ষেত্রে যিনি ক্যাভিয়েট দাখিল করে রাখবেন, তাঁকে ছাড়া সেই মামলার শুনানি হবে না। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার সন্দেহ, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের এই নির্দেশের পর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে পারে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তাই ক্যাভিয়েট দাখিল করে রাখছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    ঐতিহাসিক রায়, দাবি শুভেন্দুর

    রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন করতে হবে। বৃহস্পতি-সন্ধ্যায় এই নির্দেশ দেয়  কলকাতা হাইকোর্ট। সেই রায়কে ঐতিহাসিক বলে ঘোষণা করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, এই রায়ের ফলে মৃত্যুমিছিল থামা উচিত। গ্রামবাংলায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে, এই আশা রেখেই রায়কে স্বাগত জানাচ্ছি। সুপ্রিম কোর্ট থেকে যাতে রাজ্য সরকার বা রাজ্য নির্বাচন কমিশন একতরফা রায় বের করতে না পারে, তাই ক্যাভিয়েট দাখিল করব।

    আরও পড়ুুন: “সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন করতে হবে”, নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, আজও (বৃহস্পতিবার, মনোনয়নের শেষ দিনে) সন্ত্রাস চালিয়ে অনেক জায়গায় বিরোধীদের মনোনয়ন দাখিল করতে দেওয়া হয়নি। তৃণমূল কংগ্রেস ১২ থেকে ১৪ হাজার বুথে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতবে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দু-মুসলিম, সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু নির্বিশেষে ওই বুথগুলিতেই অন্তত ৫০০ ভোটে পরাস্ত হবেন লোকসভা নির্বাচনে। তিনি বলেন, “গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই চলবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্গাপুরে কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোট লুঠের পর দুর্গাপুর পূর্ব ও পশ্চিমে আর জিততে পারেনি। বহু জায়গায় বিরোধীদের এবার মনোনয়ন জমা দিতে দেয়নি তৃণমূল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: রাজ্যে পঞ্চায়েত-হিংসা! সুকান্তর কাছে খোঁজ নিলেন অমিত শাহ

    Amit Shah: রাজ্যে পঞ্চায়েত-হিংসা! সুকান্তর কাছে খোঁজ নিলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়েছিল খুন দিয়ে। মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিনেও ঠেকানো গেল না প্রাণহানি। বৃহস্পতিবার মনোনয়নের শেষ দিনেও উত্তর থেকে দক্ষিণ— রাজ্যে ঘটে গেল একের পর সংঘর্ষ। মৃত্যু হল চার জনের। উত্তর নিনাজপুরের চোপড়ায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। অন্যদিকে, উত্তর ২৪ পরগনার ভাঙড়ে অকালে ঝরে গেল তরতাজা দুই প্রাণ। আইএসএফ (ISF) এবং তৃণমূলের (TMC) সংঘর্ষের বলি হয়েছেন দুই দলের ওই দুজন। সংঘর্ষে জখমও হয়েছেন একজন। এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকেও এসেছে অশান্তির খবর। মনোনয়নপত্র পেশকে কেন্দ্র করে রাজ্যে যে অশান্তির সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে খোঁজখবর নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বৃহস্পতিবার বিকেলে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। ভাঙড় সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় যে অশান্তির সৃষ্টি হয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে দু পক্ষে। রাজ্যে সন্ত্রাসের অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। এদিনই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থও হচ্ছে বিজেপির প্রতিনিধি দল।

    বিরোধীদের ওপর হামলা

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এদিন পুলিশ এসকর্ট করে মনোনয়ন দিতে নিয়ে যাচ্ছিলেন বিরোধীদের ৮২ জন প্রার্থীকে। ভাঙড়ের সোনপুর বাজারের কাছে তাঁদের ওপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। গুলিতে মৃত্যু হয় আইএসএফের এক কর্মীর। মৃতের নাম মহম্মদ মহিউদ্দিন মোল্লা। আইএসএফের অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা যখন বিরোধী প্রার্থীদের (Amit Shah) ওপর হামলা চালায়, তখন কার্যত দর্শকের ভূমিকায় ছিল পুলিশ। পরের পর গুলি চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। বোমা পড়তে থাকে মুড়ি মুড়কির মতো। ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা তল্লাট।

    বোমাবাজি, গুলি

    আইএসএফের অভিযোগ (Panchayat Election 2023) অস্বীকার করে তৃণমূলের দাবি, তাঁদের কর্মীদের লক্ষ্য করে বোমাবাজি করেছে আইএসএফ। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে রশিদ মোল্লা নামে এক তৃণমূল কর্মীরও। তিনি জীবনতলার বাসিন্দা। এর পরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বিজয়গঞ্জ বাজারে। দ্রুত বিশাল বাহিনী গিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনে পরিস্থিতি। তার আগে ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের সেল। এলাকায় চলছে পুলিশি টহলদারি। ঘটনার পরে পরেই অমিত শাহকে (Amit Shah) ফোন করে সুকান্ত। বিস্তারিত জানান রাজ্যের পরিস্থিতি সম্পর্কে।

    আরও পড়ুুন: অগ্নিগর্ভ ভাঙড়, পুলিশি এসকর্টে চলল গুলি, আইএসএফ কর্মী সহ মৃত ২

    এদিকে, রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছে কেন্দ্রীয় তফশিলি কমিশনও। কমিশনের চেয়ারপার্সন অরুণ হালদারের দাবি, এ রাজ্যের সন্ত্রাসে সব থেকে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন তফশিলি জাতির মানুষ। তাই কমিশনের তরফে নোটিশ দেওয়া হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। শুক্রবার রাজ্যে আসছে তফশিলি কমিশনের প্রতিনিধি দলও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: “সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন করতে হবে”, নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    Panchayat Election 2023: “সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন করতে হবে”, নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেবল স্পর্শকাতর এলাকা নয়, রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন (Panchayat Election 2023) করতে হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। রায় পড়তে গিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, “স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করার বিষয়ে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সে ব্যাপারে কমিশন যা করার তা করেনি। সামগ্রিকভাবে অবাধ মনোনয়ন প্রক্রিয়া সুনিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের যে বলিষ্ঠ ভূমিকা নেওয়ার প্রয়োজন ছিল, সেক্ষেত্রেও বড়সড় ফাঁক থেকে গিয়েছে। সেই কারণেই গোটা রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে পঞ্চায়েত নির্বাচন করার বিষয়ে নির্দেশ দিচ্ছে আদালত।” আদালত আরও জানিয়েছে, ভোটের কাজে যুক্ত সকলকে সরকারি আইকার্ড সঙ্গে রাখতে হবে। চাওয়া মাত্রই তা দেখতে হবে। পুলিশকর্মী, অবজার্ভার, ভোটকর্মী…প্রত্যেককে সঙ্গে আইকার্ড রাখতে হবে।

    নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা

    এদিন সকালেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023) সংক্রান্ত একটি রায়ের অংশবিশেষ পুনর্বিবেচনার জন্য আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন। স্পর্শকাতর জেলাগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। যদিও রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানায়, তারা এখনও পরিস্থিতির মূল্যায়ন করেনি। তখনই বিরক্ত হয়ে বিচারপতি বলেন, “তাহলে কি গোটা রাজ্যকে স্পর্শকাতর বলে ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার নির্দেশ দেব? সেটা ভাল হবে?”

    আদালতের নির্দেশ

    এদিন সন্ধ্যায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে আদালতের নির্দেশ, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ কার্যকর করতে হবে। এদিন আদালতকে (Panchayat Election 2023) রাজ্য জানিয়েছিল, পঞ্চায়েত নির্বাচনের নিরাপত্তায় যাতে পুলিশবাহিনীর ঘাটতি না থাকে, তাই পড়শি রাজ্য থেকে পুলিশ বাহিনী আনানোর ব্যবস্থা করছে তারা। কিন্তু আলাদত সাফ জানায়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতেই পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে রাজ্যে। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে আবেদন করতে হবে কমিশনকে। আর রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের খরচ জোগাবে কেন্দ্র।

    আরও পড়ুুন: অগ্নিগর্ভ ভাঙড়, পুলিশি এসকর্টে চলল গুলি, আইএসএফ কর্মী সহ মৃত ২

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share