Tag: panchayat election 2023

panchayat election 2023

  • BJP: বিজেপির বিডিও ঘেরাও কর্মসূচিতে উত্তেজনা জামুরিয়ায়, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি

    BJP: বিজেপির বিডিও ঘেরাও কর্মসূচিতে উত্তেজনা জামুরিয়ায়, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির ডেপুটেশনকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা জামুরিয়ার বিডিও অফিস এলাকায়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বিজেপির নেতা-কর্মীদের। ব্যারিকেড ভেঙে বিডিও অফিসের মূল গেটের সামনে বিক্ষোভ। বিজেপি নেতা তাপস রায়, জামুরিয়া মণ্ডল ২ এর বিজেপি সভাপতি রমেশ ঘোষ অভিযোগ করেন, নমিনেশন থেকে শুরু করে ভোটের দিন ও গণনার দিন পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল। প্রশাসনের মদতে ভোট লুট হয়েছে। সেই বিষয় নিয়ে আগাম ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী তাঁরা সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিককে স্মারকলিপি দিতে এসেছিলেন। কিন্তু তাঁরা এসে দেখেন, বিডিও অফিসের অনেকটা দূরে পুলিশ ব্যারিকেড করে রেখেছে। সেখানেই তাঁদেরকে জানানো হয় যে বিডিও অফিস চত্বরে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। তাঁরা বিডিও অফিস যাবার চেষ্টা করেন। সেই সময় পুলিশ তাঁদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু করে দেয়। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী আহত বলে জানান রমেশবাবু। এই নিয়ে বিডিও জানান, কিছু দাবি নিয়ে বিজেপির এক প্রতিনিধি দল তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। তাঁদের দাবিদাওয়া ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

    বর্ধমান ১ বিডিও অফিসের সামনে বিক্ষোভ (BJP)

    ‘বিডিও ঘেরাও গণতন্ত্র ফেরাও’ স্লোগানকে সামনে রেখে বর্ধমান ১ বিডিও অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাল বিজেপি (BJP)। শুক্রবার দুপুরে বিজেপি কর্মীরা বিডিও অফিসে ঢুকতে গেলে তাঁদের গেটের বাইরে আটকে দেয় পুলিশ। এনিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিজেপি (BJP) কর্মীরা। বিডিও অফিসে ঢুকতে না পেরে গেটের বাইরে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে্ন তাঁরা। বিক্ষোভ চলাকালীন শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। বৃষ্টিতে ভিজেই চলে বিক্ষোভ, স্লোগান। এদিন বিজেপির বিডিও ঘেরাও অভিযানকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তা ছিল বিডিও অফিসে। বর্ধমান ১ বিডিও অফিসকে মুড়ে ফেলা হয় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে। পরে বিজেপির তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল বিডিও অফিসে ডেপুটেশন দেয়।

    খড়গ্রাম বিডিও অফিসে ফের নির্বাচনের দাবি (BJP)

    ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিভিন্ন জায়গায় ছাপ্পা, কারচুপি, ব্যালট লুট হয়েছে। এরই প্রতিবাদে আজ খড়গ্রাম বিডিও অফিসে ছয় দফা দাবি নিয়ে বিজেপির (BJP) এস টি মোর্চার সভাপতি আদিত্য মৌলিকের নেতৃত্বে একটি দল খড়গ্রাম বিডিও-র সঙ্গে দেখা করে। তাদের বক্তব্য, যেভাবে ভোট ভোট লুট হয়েছে এবং ভোটারদের প্রভাবিত করা হয়েছে, তাতে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানাচ্ছেন বিজেপির নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, পুনরায় যেন পঞ্চায়েত নির্বাচন করা হয় ও সেন্ট্রাল ফোর্সকে যেন কাজে লাগানো হয়। খড়গ্রামের বিডিও অরুণাভ মণ্ডল জানালেন, রাজ্য জুড়ে যে বিজেপির কর্মসূচি চলছে, তারা আজকে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। সেটি গ্রহণ করা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: তৃণমূলের জেলা সভাপতির অপসারণ চাই, ফের বিস্ফোরক হুমায়ুন কবীর

    Murshidabad: তৃণমূলের জেলা সভাপতির অপসারণ চাই, ফের বিস্ফোরক হুমায়ুন কবীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা তৃণমূল নেত্রী শাওনি সিংহ রায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তিনি এর আগে চারজন বিধায়ককে পাশে নিয়ে শাওনি সিংহ রায় এবং অপূর্ব সরকারের অপসারণ চেয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, যদি কোনও ব্যবস্থা না হয়, তাহলে জেলা তৃণমূল পার্টি অফিস ঘেরাও করবেন। শুধু তাই নয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডোমকলে নির্বাচনী পথসভার দিন, তিনি বহরমপুরে নিজস্ব সভা ডেকেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি সেই সভা থেকে বিরত থাকেন। তখন তিনি বলেছিলেন, রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে কথা হয়েছে, একুশে জুলাইয়ের পর তাঁর দাবি নিয়ে আলোচনা হবে।

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক (Murshidabad)?

    আগামীকাল একুশে জুলাই শহিদ দিবস। ধর্মতলা যাওয়ার আগেই আবারও শাওনি সিংহ রায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন হুমায়ুন কবীর (Murshidabad)। তিনি বলেন, সর্ষের মধ্যে ভূত থাকলে যেমন হয় ঠিক সেই রকম অবস্থা হয়েছে তৃণমূলের। জেলা কমিটির অনেকেই বিজেপির বাহক হিসাবে  কাজ করছেন। তিনি আরও বলেন, যাঁরা দলে থেকে দলের গাদ্দারি করেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রাজ্য নেতৃত্বের কাছে আমি অবশ্যই তুলে ধরব। এই সত্যনারায়ণ রায় এখনও শাওনি সিংহ রায়ের বডি মেম্বার, তিনি কাল দশজন বিজেপির মেম্বার এবং পাঁচজন কংগ্রেসের প্রার্থীদের নিয়ে রামনগরঘাট পার করবার জন্য বিশেষ মদত করেন। তলে তলে যোগাযোগ রাখছেন। রামনগরে তৃণমূলের ফল খারাপ হওয়ার জন্য দায়ী জেলা নেতৃত্ব। রাজ্যের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আমি সর্বত্র এই অযোগ্য লোকেদের সম্পর্কে বলব।

    নির্দল ও কংগ্রেস জয়ী প্রার্থীদের সম্পর্কে কী বললেন?

    হুমায়ুন কবীর (Murshidabad) বলেন, এখানকার পুলিশের ওসি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের ওসি। কিন্তু এই ওসি বিজেপির এবং কংগ্রেসের মেম্বারদের পাহারা দিতে ব্যস্ত। মহামান্য হাইকোটের নির্দেশ রয়েছে কমিশনারের উপর। কমিশনার আবার জেলা শাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন যে পরবর্তী কোনও নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই নির্বাচনের সার্টিফিকেট মূল্যহীন। তাই তিনি আজ সমস্ত জয়ী মেম্বারদের ডেকে বলেন, এখানে কংগ্রেসের জয়ী মেম্বারও আছেন, আবার নির্দলও আছেন। সবাই আমাদের সঙ্গে সঠিক সময়ে যোগদান করবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 parganas: ভুতুড়ে কাণ্ড! মন্দিরবাজারে মোট ভোট ১২৪৮, কাউন্টিং হল ১৫৭৩!

    South 24 parganas: ভুতুড়ে কাণ্ড! মন্দিরবাজারে মোট ভোট ১২৪৮, কাউন্টিং হল ১৫৭৩!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে ভোটের গণনায় অনেক জায়গায় কারচুপির অভিযোগ হয়েছে। মোট ভোটার, প্রদত্ত ভোটার এবং গণনার পর ভোটের সংখ্যা বদলে গেছে অনেক জায়গায়। আর এই অভিযোগে বিরোধীরা হাইকোর্টের পর্যন্ত দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানা গেছে। গণনায় ভুতুড়ে ভোটার এবার মন্দিরবাজারে। ভোট কেন্দ্রে মোট ভোট পোলিং হয় ১২৪৭, সেই ভোট কাউন্টিং সেন্টারে বেড়ে হয় ১৫৭৩, যা ভোট কেন্দ্রের মোট ভোটের থেকে ৩২৬ টি বেশি। এই নিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও কোনও সুরাহা না মেলায়, অবশেষে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মন্দিরবাজার (South 24 parganas) বিধানসভার পূর্ব মল্লিকপুর ৮৪ নং বুথের সিপিআইএম প্রার্থী মাসুদা পুরকাইত।

    প্রার্থী কী বললেন (South 24 parganas)?

    সিপিআইএম প্রার্থী মাসুদা পুরকাইত বলেন, পূর্ব মল্লিকপুর (South 24 parganas) এলাকার ৮৪ নং কেন্দ্রে দুটি বুথ, সেখানে মোট ভোট যা পড়েছে তা ভোট কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার ফর্ম নম্বর ১৮ তে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু বিপত্তি ঘটে কাউন্টিং হলে, সেখানে ব্যালট বাক্স খুলতেই অতিরিক্ত ভোট বেড়ে মোট সংখ্যার অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, ভোট গণনার দিন ব্লক প্রশাসনকে এই ভোটের কারচুপির বিষয়ে অভিযোগ জানালে কোনও ভ্রুক্ষেপ করেননি। শুধু তাই নয়, ভোট গণনা কেন্দ্র থেকে জোর করে বিরোধীদের বের করে দেওয়া হয়। প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করলেও প্রথমে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি বিডিও।

    কোর্টের দ্বারস্থ প্রার্থী

    অবশেষে ন্যায় বিচার চেয়ে হাইকোর্টে দ্বারস্থ সিপিআইএম প্রার্থী মাসুদা পুরকাইত (South 24 parganas)। অবশ্য এরপর এই ঘটনায় মন্দির বাজারের বিডিওকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, বিষয়টি নজরে এসেছে। খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

    উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত ভোটের গণনা এবং ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ব্যালট পেপার নিয়ে হাইকোর্টে মামাল হয়েছে। জ্যাংড়া-হাতিয়ারা গ্রাম পাঞ্চায়েতে ভোট কেন্দ্রে ছাপ্পা মারার অভিযোগে এলাকার মানুষ ভোট প্রদানে বয়কট করেছিলেন। কিন্তু গণনার দিনে দেখা যায় মোট ভোটারের থেকে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা অনেক বেশি হয়েছে। ফলে হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা এই মামলার বিশেষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: তৃণমূল জেলা সভাপতির কুশপুতুল পুড়িয়ে ফের গোষ্ঠী কোন্দলে উত্তাল চোপড়া

    Uttar Dinajpur: তৃণমূল জেলা সভাপতির কুশপুতুল পুড়িয়ে ফের গোষ্ঠী কোন্দলে উত্তাল চোপড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরে (Uttar Dinajpur) তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল আরও প্রকাশ্যে। এবার তৃণমূল জেলা সভাপতির পদত্যাগের দাবিতে কুশপুতুল জ্বালিয়ে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল করলেন তৃণমূলেরই একাংশ। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়ায়। পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব যেন পিছু ছাড়ছে না তৃণমূলের। জেলায় তীব্র উত্তেজনা এই গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের কারণে।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Uttar Dinajpur)?

    উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত নির্বাচনের গণনার দিন চোপড়ার (Uttar Dinajpur) বিধায়ক হামিদুল রহমানকে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর দ্বারা মারধরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়ালের বিরুদ্ধে। এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন চোপড়া ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব। ঘটনার পরদিন থেকেই জেলা সভাপতি ও ঘটনায় যুক্ত পুলিশ অফিসারদের শাস্তির দাবিতে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন চোপড়া ব্লক তৃণমূল কর্মীরা। জেলা সভাপতির ডাকা সমস্ত কর্মসূচি বয়কটের সিদ্ধান্তও গ্রহণ করেন এই হামিদুল গোষ্ঠী। আর তারই অঙ্গ হিসাবে বুধবার বিকেলে চোপড়া অঞ্চল তৃণমূল কমিটির পক্ষ থেকে ২১ শে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে ‘ধর্মতলা চলো’ কর্মসূচিকে সফল করতে একটি মিছিল বের করা হয়। সেই মিছিল থেকে পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়ালের পদত্যাগের দাবি তোলা হয়। সেই সঙ্গে জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়ালের কুশপুতুল দাহ করা হয়। শুধু জেলা সভাপতিই নয়, মন্ত্রী গোলাম রব্বানীর বিরুদ্ধেও সোচ্চার হন বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের এই নেতাকর্মীরা।

    বিক্ষুব্ধ তৃণমূল গোষ্ঠীর বক্তব্য

    তৃণমূলের হামিদুল গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে চোপড়ার (Uttar Dinajpur) তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল কমিটির কনভেনার অসীম মুখার্জি বলেন, অবিলম্বে জেলা সভাপতিকে অপসারণ করা হোক। তা না হলে শহিদ দিবসের পর কলকাতা থেকে ফিরে এসে বৃহত্তর আন্দোলনে নামব আমরা। অবিলম্বে শাস্তি না দিলে, ২০ হাজার চা বাগানের শ্রমিকদের নিয়ে ইসলামপুর পুলিশ সুপারের দফতর এবং জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়ালের বাড়ি ঘেরাও করব। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমাদের দাবি না মানলে আগামী দিনে আমরা তৃণমূলের সব কার্যক্রম বয়কট করব। চোপড়া ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির আরেক সদস্য মহঃ আনিফ বলেন, উত্তর দিনাজপুর জুড়ে যেভাবে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চলছে, তাকে থামানোর যোগ্যতা নেই জেলা সভাপতি কানাইলালবাবুর। তাই তাঁর পদত্যাগ চাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

  • Howrah: ‘আমাদের ভোটটাও দিতে দিলেন না? ছিঃ!’ পোস্টারে শোরগোল হাওড়ায়

    Howrah: ‘আমাদের ভোটটাও দিতে দিলেন না? ছিঃ!’ পোস্টারে শোরগোল হাওড়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট দিতে না পারায় কোথাও নিরবে, কোথাও সোশ্যাল মিডিয়ায় আবার কোথাও রাতের অন্ধকারে পোস্টার মেরে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ। হাওড়ার (Howrah) ডোমজুড় এবং জগৎবল্লভপুর এলাকায় এমনই প্রতিবাদের চিত্র ধরা পড়ল। এলাকায় কোথাও দেওয়ালে আবার কোথাও ইলেকট্রিক পোস্টে মারা হয়েছে পোস্টার। তাতে লেখা হয়েছে, ‘আমাদের ভোটটাও দিতে দিলেন না? ছিঃ’ যদিও এই পোস্টার বা কারা লাগিয়েছে তা জানা যায়নি।

    কেন পোস্টার দেওয়া হয়েছে (Howrah)?

    রাতের অন্ধকারে বিভিন্ন জায়গায় এই পোস্টার মারা হয়েছে। পোস্টারের নিচে লেখা জগদীশপুর অঞ্চল গ্রামবাসীবৃন্দ। রাজ্যজুড়ে পঞ্চায়েত ভোটের নামে প্রহসন কেমন ছিল সাধারণ তা মানুষ দেখেছেন। বহু বুথেই মানুষ ভোট দিতে গেলেও ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। আবার কোথাও মানুষ ভোট দিলেও ব্যালট ছিনতাই সহ নানা কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। রাজ্যজুড়ে জেলায় জেলায় রীতিমতো শাসকদলের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছেন সাধারণ মানুষ। এমনকি প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করলে ঘটতে পারে আরও বড় বিপদ। তাই মানুষের ভুরি ভুরি অভিযোগ ও ক্ষোভ থাকলেও অনেকেই প্রকাশ্যে সেই ক্ষোভ উগরে দিতে ভয় পাচ্ছেন। তাই হাওড়ায় (Howrah) পোস্টার দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানালেন সাধারণ মানুষ।

    হাওড়ার কোথায় পোস্টার দেওয়া হল

    জগদীশপুর (Howrah) পঞ্চায়েতের একটি অংশ চামরাইল লাগোয়া রামকৃষ্ণপাড়া, মাঝেরহাটে প্রচুর পোস্টার দেওয়া হয়েছে। ভোটের ক’দিন কাটতে না কাটতেই সেই এলাকার একাধিক বাড়ির দেওয়াল, লাইটপোস্ট, দোকানের শাটারে লাগানো হয়েছে সাদা কাগজে ছাপা সেই পোস্টারগুলি। গ্রামবাসীবৃন্দের নামে সেই পোস্টারগুলি রাতের বেলা লাগানো হয়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।

    বিজেপির বক্তব্য

    হাওড়া (Howrah) সদর বিজেপির সহ-সভাপতি গোবিন্দ হাজরা বলেন, গ্রামের মানুষ পঞ্চায়েতে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারায় ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন পোস্টারের মাধ্যমে। তিনি আরও বলেন, ভোটের দিন যেভাবে শাসকদলের দুর্বৃত্তরা গ্রামবাসীদের মারধর করে সন্ত্রাস চালিয়েছে, দুষ্কৃতীরা ভোট না দিতে দিয়ে ভোট লুঠ করেছে, সেই ক্ষোভেরই প্রকাশ এই পোস্টারের মাধ্যমে হয়েছে। ভোটে কী হয়েছে মানুষ সবই দেখেছেন।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অন্যদিকে, ডোমজুড় (Howrah) অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তাপস মাইতি বলেন, এই অঞ্চলে ভোট নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণ ভাবেই হয়েছে। স্থানীয় কোনও মাদকাসক্ত যুবকরা নেশা করে টাকা নিয়ে রাতের অন্ধকারে এই কাজ করেছে। বিভ্র্রান্তি তৈরি করতে পোস্টারে গ্রামবাসীদের নাম দিয়ে অপপ্রচার করা হচ্ছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • TMC: অবাক কাণ্ড! পঞ্চায়েতে একই আসনে জয়ী দুই প্রার্থী, নন্দীগ্রামের ঘটনায় শোরগোল

    TMC: অবাক কাণ্ড! পঞ্চায়েতে একই আসনে জয়ী দুই প্রার্থী, নন্দীগ্রামের ঘটনায় শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামের একই আসনে জয়ী দুই প্রার্থী। একজন তৃণমূল (TMC) প্রার্থী, অন্য জন শাসকদলের টিকিট না পেয়ে নির্দল হয়ে দাঁড়ানো প্রার্থী। দুজনের কাছেই রয়েছে এপিআরও স্বাক্ষর করা জয়ের শংসাপত্র। কেন্দামারি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২১৭ নম্বর আসনের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কী বললেন জয়ী হওয়ার শংসাপত্র পাওয়া নির্দল প্রার্থী?

    নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের কেন্দামারি জালপাই পঞ্চায়েতের ২২ টি আসনে মূলত তৃণমূল ও নির্দল প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। তৃণমূলের (TMC) প্রাক্তনরা টিকিট না পেয়ে নন্দীগ্রাম আঞ্চলিক উন্নয়ন পর্ষদের ব্যানারে দলের বিরুদ্ধেই প্রার্থী হন। জালপাই পঞ্চায়েতের ২১৭ নম্বর আসনে তৃণমূল প্রার্থী ছিলেন তাপসী দোলই। আবার নন্দীগ্রাম আঞ্চলিক উন্নয়ন পর্ষদের সর্মথন নিয়ে নির্দল প্রার্থী হয়ে ভোটে দাঁড়ান রীতা বল্লভ। নির্দল প্রার্থী রীতা বল্লভের বক্তব্য, ১১ জুলাই ভোট গণনার দিন, আমাকে ১৮১ ভোটে জয়ী ঘোষণা করে এপিআরও-র সই ও স্ট্যাম্প-সহ শংসাপত্র দেওয়া হয়। ফলে, সবার আগে আমি জয়ের শংসাপত্র পেয়েছি। আর তার ঠিক সাতদিন পর সোমবার, আমাকে ফোন করে জানানো হয়, ওই শংসাপত্রে ভুল রয়েছে। বিডিও অফিসে আমাকে দেখা করতে বলা হয়। সেদিনই, তৃণমূলের প্রার্থীকে ১৮১ ভোটে জয়ী ঘোষণা করে শংসাপত্র দিয়ে দেওয়া হয়। তাতেও এপিআরও-র সই ও স্ট্যাম্প রয়েছে। ফলে, এটা শাসকদলের কথা শুনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। আমরা অন্যায় এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হব।

    কী বললেন জয়ী হওয়া তৃণমূল (TMC) প্রার্থী?

    তৃণমূল (TMC) প্রার্থীর তাপসী দোলইয়ের বক্তব্য, ভোটের ফল বের হওয়ার কয়েকদিন পর আমাকে ফোন করে জানানো হয়েছে আমি জয়ী হয়েছি। এরপরই প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাকে শংসাপত্র দেওয়া হয়। ফলে, প্রশাসনের নির্দেশ মেনেই আমি জয়ী হয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: ইয়েচুরি-মমতা বৈঠককে ঘৃণা করি, জানিয়ে দিল নিহত সিপিএম কর্মীর পরিবার

    Uttar Dinajpur: ইয়েচুরি-মমতা বৈঠককে ঘৃণা করি, জানিয়ে দিল নিহত সিপিএম কর্মীর পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাওয়ার সময় তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল চোপড়ার (Uttar Dinajpur) সিপিআইএম কর্মী মনসুর আলমের। মনসুরের পরিবারের সেই ক্ষত আজও দগদগে। এরই মধ্যে বেঙ্গালুরুতে এক টেবিলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সিপিআইএমের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরিকে দেখে মর্মাহত মনসুরের পরিবার।

    কেন মর্মাহত (Uttar Dinajpur)?

    সাধারণ নিচু তলার রাজনৈতিক কর্মীরা বোঝেন না জাতীয় রাজনীতি। তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতেই খুন হয়েছেন সিপিআইএম কর্মী মনসুর আলম। তাই এই মৃত্যুতে নিহত মনসুরের (Uttar Dinajpur) দাদু মহঃ গিয়াসুদ্দিন বলেন, সিপিআইএম-তৃণমূলের জোটকে কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছি না। সর্বভারতীয় স্তরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কোনও মুখকে তুলে না ধরে, মানুষকে ভাঁওতা দেবার জন্য বৈঠক করছেন। তিনি আরও বলেন, এই বৈঠককে নিচু তলার সিপিআইএম কর্মীরা মেনে নিতে পারছেন না। তৃণমূলের সঙ্গে সিপিআইএমের এই বৈঠক আমাদের কাছে লজ্জার। যেভাবে তৃণমূল ভোট দিতে দিল না, রাজ্যে সন্ত্রাস চালাল, ভোট লুট করল, গুলি করল, বোমা মারল, মানুষ খুন করে মায়ের কোল খালি করল, তা আমরা কোনও ভাবেই মেনে নিতে পারছি না। সিপিআইএম-তৃণমূলের এক টেবিলে বৈঠক! একসঙ্গে চা পান! এটাকে অত্যন্ত ঘৃণা করি।

    প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন পরিবারের

    অপর দিকে বেঙ্গালুরুতে বিরোধী ২৭টি দলের জোটের বৈঠককে কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের হামলায় সিপিএম এবং কংগ্রেসের কর্মীরা মারা যাচ্ছেন। আর এই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর সঙ্গে সিপিআইএম এবং কংগ্রেসের নেতারা বৈঠক করছেন। মোদির এই বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন নিহত মনসুরের (Uttar Dinajpur) দাদু মহঃ গিয়াসুদ্দিন।

    কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল ভোটে

    উল্লেখ্য, গত ১৫ জুন পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাওয়ার সময় চোপড়া (Uttar Dinajpur) ব্লকের কাঠালবাড়ি গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুস্কৃতীদের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়েছিল মনসুর আলম নামে এক সিপিআইএম কর্মী। এরপর আহত মনসুরকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে গত ২২ জুন শিলিগুড়িতে মৃত্যু হয়। শাসক দলের নেতারা এই ঘটনায় যুক্ত থাকায় পুলিশ ঘটনার তদন্তে অনিহা দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ করে পরিবার। পরিবার ছেলেকে হত্যার ঘটনায় বিচার থেকে বঞ্চিত। ঘটনার একমাস কাটতে না কাটতে সর্বভারতীয় নেতারা ঘাতক তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের নিয়ে বৈঠককে ভাল ভাবে নিতে পারছে না এই মৃতের পরিবার। সিপিএমের নিহত কর্মীর পরিবার জাতীয় নেতৃত্বের জোটের বিরুদ্ধে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: আন্দুলে তৃণমূল-আইএসএফ ব্যাপক সংঘর্ষ, লাঠি, রড, ভোজালি নিয়ে হামলা

    Panchayat Election 2023: আন্দুলে তৃণমূল-আইএসএফ ব্যাপক সংঘর্ষ, লাঠি, রড, ভোজালি নিয়ে হামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার রাতে হাওড়া জেলার আন্দুলের আরগোড়িতে তৃণমূল এবং আইএসএফ কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ (Panchayat Election 2023) হয়। তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, আইএসএফ কর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এই ঘটনায় চার জন আহত হয়েছে। সাঁকরাইল থানার পুলিশ এই ঘটনায় চার জনকে গ্রেফতার করেছে। আইএসএফের পক্ষ থেকে অবশ্য হামলার কথা অস্বীকার করা হয়।

    কী ঘটনা ঘটেছে?

    গতকাল রাতে আন্দুলের আড়গোড়িতে স্থানীয় একটি ক্লাবে ভোজের ব্যবস্থা করা হয়। উপলক্ষ্য আন্দুল পঞ্চায়েতের ৪৬ নম্বর বুথে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর জয় (Panchayat Election 2023)। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের অভিযোগ, তাঁরা যখন ক্লাবের বাইরে রান্নাবান্না করছিলেন, সেই সময় আইএসএফের ছেলেরা দল বেঁধে এসে তাদের ওপর হামলা চালায়। তারা লাঠি, রড, কাটারি এবং ভোজালি নিয়ে তাদের ওপর চড়াও হয়। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা বাধা দিলে তাদের মারধর করে ওই আইএসএফ কর্মীরা। এই ঘটনায় চারজন তৃণমূল কর্মী আহত হয়। তাদের সাঁকরাইলের হাজি এস টি মল্লিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে ছুটে আসে সাঁকরাইল থানার পুলিশ। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হামলার ছবি সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যার সত্যতা সংবাদ মাধ্যম যাচাই করেনি।

    কী বলল বিবদমান দুই দল

    তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের অভিযোগ, ভোটে জেতার কারণে আইএসএফ কর্মীরা বাইরে থেকে ছেলে এনে পরিকল্পনামাফিক তাদের ওপর হামলা করেছে। যদিও আইএসএফ নেতৃত্ব এই অভিযোগ অস্বীকার করে। আইএসএফ জানিয়েছে, ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন নিয়ে গন্ডগোল। এতে রাজনৈতিক (Panchayat Election 2023) রং লাগানো হচ্ছে। এর সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক নেই। তারা সব এলাকারই ছেলে। পুলিশ সূত্রে খবর, হামলার ঘটনায় মোট চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের আজ হাওড়া আদালতে তোলা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: এবার তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে বোমাবাজি, আতঙ্কে মহিলারা, কাঠগড়ায় সিপিএম

    Murshidabad: এবার তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে বোমাবাজি, আতঙ্কে মহিলারা, কাঠগড়ায় সিপিএম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের ধুলাউড়ি (Murshidabad) অঞ্চলের যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতির বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানোর অভিযোগ উঠল সিপিএমের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাত ১০ টার দিকে তুলসীপুর গ্রামে ধুলাউড়ি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি আঞ্জারুলের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ হয় বলে জানা গেছে। পরপর তিনটি বোমা বিস্ফোরণ হয়। বাড়ির লোকজন ঘটনায় ভীষণ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

    কীভাবে বোমা বিস্ফোরণ হল (Murshidabad)?

    তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক হওয়ায়, তাঁর বাড়ি (Murshidabad) লক্ষ্য করে বোমা মারে দুষ্কৃতীরা। এরপর সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আঞ্জারুল, সিপিএমের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ সরজমিনে গিয়ে তদন্ত শুরু করে দেখে, কে বা কারা এই বোমা বিস্ফোরণের পিছনে রয়েছে। যদিও ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সিপিএম নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, ভোটের দিন থেকেই  তৃণমূল কংগ্রেসের অত্যাচারে সিপিএম কর্মীরা এলাকাছাড়া রয়েছেন। সিপিএম কর্মীদের নামে মিথ্যে অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে।

    আক্রান্ত পরিবারের বক্তব্য

    তৃণমূল নেতা আঞ্জারুলের মা মঞ্জুরা বিবি বলেন, ভোটের দিন থেকেই আমাদের উপর অত্যাচার চলছে। গতকাল রাতে পরপর তিনটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে সিপিএমের দুষ্কৃতীরা। আমার ছেলে আঞ্জারুল, রানা প্রত্যেকেই ঘরছাড়া সিপিএমের দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে। ভোটের দিনেই বাড়িতে ঢুকে মারামারি করে ছেলেদের সঙ্গে। প্রাণের ভয়ে ছেলেরা বাড়িতে ঢুকতে পারছে না। গতকাল রাতে ১০ টার পর আমি এবং আমার বৌমা বাড়িতে (Murshidabad) ছিলাম। রাতের খাবার খেয়ে নমাজ পড়ার পর হঠাৎ দেখি ঘর ধোঁয়ায় ভরে গেছে। এরপর বাইরে বেরিয়ে দেখি বোমা বিস্ফোরণ করেছে দুষ্কৃতীরা। যারা করেছে তাদের চিনি না। তবে সকলেই সিপিএম করে। আমরা দুই মহিলা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। পুলিশে খবর দিলে পুলিশ আসে এবং এসে উল্টে আমদের বিরুদ্ধেই বোমা মারার অভিযোগ করে। অত্যন্ত অসহায় বোধ করছি!

    সিপিএমের বক্তব্য

    সিপিএমের ডোমকল (Murshidabad) লোকাল কমিটির সম্পাদক মস্তাফিজুর রহমান বলেন, সিপিএমের কর্মীরা এলাকায় তৃণমূলের অত্যাচারে ঘর ছাড়া। তৃণমূলের এই অভিযোগ মিথ্যা ভিত্তিহীন। তিনি আরও বলেন, তৃণমূলের কর্মীরা নিজেরাই বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সিপিএমের বিরুদ্ধে মিথ্যা কেস দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: “এই হিংসা পশ্চিমবঙ্গের লজ্জা”! দেগঙ্গা ঘুরে মন্তব্য বিজেপির মহিলা সাংসদদের

    North 24 Parganas: “এই হিংসা পশ্চিমবঙ্গের লজ্জা”! দেগঙ্গা ঘুরে মন্তব্য বিজেপির মহিলা সাংসদদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের পর দিনই দিল্লি যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সেখানে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন। ভোট গণনার দিন সকালেই রাজ্যে ফিরে আসেন রাজ্যপাল। ভোট-হিংসার বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসে বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম। পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে একের পর এক সন্ত্রাসের ঘটনার পর এবার রাজ্যে এল বিজেপির ‘ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি’ বা তথ্য অনুসন্ধানকারী দলের ৫ মহিলা সাংসদ। মঙ্গলবার আক্রান্ত উত্তর ২৪ পরগনা (North 24 Parganas) জেলা পরিদর্শন করলেন টিমের সদস্যরা।

    ৫ মহিলা সাংসদের টিম

    ভোটে বেলাগাম সন্ত্রাস দেখতে মঙ্গলবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন বিজেপির ৫ মহিলা সাংসদ। বিজেপির মহিলা কর্মীদের উপর অত্যাচারের ‘তদন্তে’ এবার তাঁরা। বাংলার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ৫ মহিলা সাংসদ রিপোর্ট দেবেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জগত প্রকাশ নাড্ডাকে। ভোটে বিজেপি কর্মীদের উপরে অত্যাচারের চিত্র আজ দেগঙ্গায় (North 24 Parganas) খতিয়ে দেখল এই মহিলা টিম।

    তথ্য অনুসন্ধানকারী মহিলা টিমের বক্তব্য

    ৫ সদস্যের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম দেগঙ্গার (North 24 Parganas) গিলাবাড়ি, দাসপাড়া, হাদিপুর কলোনি এবং কালীতলা অঞ্চলের আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের গ্রাম পরিদর্শন করেন। সেখানে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন আক্রান্তদের সঙ্গে। এই পাঁচ সদস্যের টিমকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন বিজেপির আক্রান্ত পরিবারের লোকজন। দীর্ঘক্ষণ পরিবারের সাথে কথা বলার পর টিমের সদস্যরা বলেন, বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে এই রাজ্যের মানুষকে ভয় দেখানো হচ্ছে। এই টিমের পক্ষ থেকে বলা হয়, পঞ্চায়েতে মানুষের ভোটে তৃণমূল ক্ষমতায় আসেনি, ভয় দেখিয়ে ভোট লুট করে ক্ষমতায় এসেছে। গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছি আমরা। এই বিষয়ে দিল্লিতে গিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতিকে রিপোর্ট পেশ করব। বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখালে পার্টি বরদাস্ত করবে না। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে টিম জানায়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামের সঙ্গে কাজের কোনও মিল নেই। পশ্চিমবঙ্গের এই মুহূর্তে যা পরিস্থিতি রয়েছে তা গোটা দেশে নেই। পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে। প্রত্যেকটি বিজেপি কর্মীর বাড়ি লক্ষ্য করে সন্ত্রাস চালানো হয়েছে। বাদ যায়নি বাড়ির মহিলারা পর্যন্ত। এই হিংসা পশ্চিমবঙ্গের লজ্জা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share