Tag: panchayat election 2023

panchayat election 2023

  • Panchayat Election 2023: ভোটার ৭৪০, ভোট পড়েছে ৬০৬, তৃণমূল প্রার্থী জিতলেন ১০৮৬ ভোট পেয়ে!

    Panchayat Election 2023: ভোটার ৭৪০, ভোট পড়েছে ৬০৬, তৃণমূল প্রার্থী জিতলেন ১০৮৬ ভোট পেয়ে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারের পঞ্চায়েত ভোট (Panchayet Election 2023) নানা মজার ঘটনার সাক্ষী। ভোট লুট করার জন্য যে কত অভিনব পন্থা অবলম্বন করা যায়, তা দেখিয়ে দিয়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল। সিপিএমের সায়েন্টিফিক রিগিংকে তৃণমূল নিয়ে গিয়েছে উন্নততর রিগিংয়ে। তাই তো ভোটের পরও বিভিন্ন জায়গায় মিলছে গোছা গোছা ব্যালট। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, মঙ্গলবার সিল করা ব্যালট বাক্সও পাওয়া গেছে, যেখানে তৃণমূল প্রার্থীকে ইতিমধ্যেই জয়ী ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, ভোট গণনাই যেখানে হয়নি, সেখানে একজন প্রার্থী জয়ী হলেন কী করে? এসব নিয়ে একাধিক মামলাও হচ্ছে হাইকোর্টে। এবার এমন ঘটনা সামনে এল, যা রীতিমতো অবাক করার মতো। সোনারপুরে একটি বুথে মোট ভোটারের থেকে প্রায় দেড়গুণ ভোট পেয়ে জিতে গেলেন তৃণমূল প্রার্থী। এ নিয়ে ফের হাইকোর্টে মামলা করতে চলেছেন বিজেপি প্রার্থীরা।

    কী ঘটেছে (Panchayet Election 2023)?

    দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সোনারপুর ব্লকের প্রতাপনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের একের পর এক বুথের ব্যালট বক্সের ব্যালট পেপারের (Panchayet Election 2023) হিসাব মিলছে না বলে অভিযোগ তুললেন বিরোধীরা। তার মধ্যে ২০১ এ ২০১ বি- এই দুটি বুথের দুজন বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, বুথের যা মোট ভোটার, তার চেয়ে প্রায় দেড়গুণের মতো ভোট কীভাবে পেয়ে জিতে গেল শাসকদলের প্রার্থী? তাই ওই বুথে পুনরায় ভোটের দাবি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করতে চলেছেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, তাঁরা প্রথম জিতে গিয়েছিলেন। পরে তাঁদের মেরেধরে গণনা কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। পরে ঘোষণা করা হল, ওই দুটি বুথে তৃণমূল প্রার্থী বিজয়ী।

    কী অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীদের (Panchayet Election 2023)?

    ২০১ এ-র বিজেপি প্রার্থী আলোমতি হালদার (সরদার) জানান, তাঁর বুথের (Panchayet Election 2023) ভোটার সংখ্যা হল ৭৪০, ভোট পড়েছে ৬০৬, সেখানে ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে তৃণমূল প্রার্থী ১০৮৬ ভোট পেয়ে জিতে গিয়েছেন। অন্যদিকে ২০১ বি বুথের বিজেপির প্রার্থী অষ্টম কুমার নস্কর জানান, তাঁর বুথের ভোটার ৭২০, ভোট পড়েছে ৬১৪ সেখানে তৃণমূল প্রার্থী ১০৮৪ ভোট পেয়ে জিতে গেছেন। এই দুই প্রার্থীর অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে বাইরে থেকে ব্যালট পেপারে ছাপ মেরে ব্যালট বক্সে দিয়ে তৃণমূল প্রার্থীকে জিতিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই তাঁরা আদালতের শরণাপন্ন হবেন নতুন করে ভোটের দাবি নিয়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: শান্তিপুরের বুথে গণনায় বৈধ ভোট মাত্র ১! তাতেই বাজিমাত বিজেপির

    Panchayat Election 2023: শান্তিপুরের বুথে গণনায় বৈধ ভোট মাত্র ১! তাতেই বাজিমাত বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজব কাণ্ড! গোটা বুথে মোট ভোট পড়ল মাত্র একটি। আর সেই একটি ভোট গণনাতেই (Panchayat Election 2023) জয়লাভ করল বিজেপি। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে কিভাবে গোটা বুথে ভোটের সংখ্যা এক হতে পারে। নদিয়ার শান্তিপুর ব্লকের বাগাচড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা। উল্লেখ্য, গত ৮ তারিখে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া চলেছিল সুস্থভাবে। নিয়ম অনুযায়ী ব্যালট বাক্স সিল করে পাঠানো হয়েছিল স্টোররুমে। ১১ তারিখ ভোট গণনা শুরু হতেই ঘটল বিরল ঘটনা। ব্যালট বক্সে ভোট জমা পড়লেও ছিল না প্রিসাইডিং অফিসারের সই। সেই কারণে ভোটগুলি বাতিল করে দিতে বাধ্য হন বিডিও। যদিও একটি মাত্র বৈধ পোস্টাল ভোট পড়ায় এক ভোটে জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী।

    বিশদে ঘটনা (Panchayat Election 2023)

    শান্তিপুর ব্লকের বাগআঁচড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের কুতুবপুর ৩০ নম্বর বুথ। জানা যায় ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রার্থী প্রতিকা বর্মন তাঁর জা তৃণমূল প্রার্থী রত্না বর্মনের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক লড়াইয়ের ময়দানে (Panchayat Election 2023) কেউ কাউকে এক ফোঁটাও জায়গা ছাড়েননি। এর পরে গত ৮ই জুলাই ওই ৩০ নম্বর বুথে সকাল থেকেই সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রক্রিয়া চলছিল। পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদের ব্যালট পেপারে প্রিসাইসাইডিং অফিসারের সই থাকলেও গ্রাম পঞ্চায়েতের ব্যালট পেপারে কোনও সই ছিল না। ভোট গণনা শুরু হতেই তা নজরে পড়ে ভোট কর্মীদের। খবর পৌঁছায় বিডিওর কাছে। আইন মোতাবেক প্রশাসন বাধ্য হয়ে ওই ভোটগুলি বাতিল বলে ঘোষণা করে। ওই এলাকায় একটিমাত্র পোস্টাল ব্যালট ভোট পড়েছিল এবং সেটা ছিল বৈধ ভোট। বিডিও, জয়েন্ট বিডিও এরপর ওই বৈধ পোস্টাল ভোটকে প্রাধান্য দিয়ে বিজেপি প্রার্থী প্রতিকা বর্মনকে জয়ী ঘোষণা করেন। বিজেপির এই জয়ের খবর শুনতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন জা তৃণমূল প্রার্থী রত্না বর্মন। সঙ্গে সঙ্গে বিডিওর কাছে একটি অভিযোগ জমা দেন।

    কী বলছেন তৃণমূল এবং বিজেপি প্রার্থী (Panchayat Election 2023)?

    তৃণমূল প্রার্থী রত্না বর্মনের অভিযোগ, চক্রান্ত করে প্রিসাইডিং অফিসার ভোটের কাগজে সই করেনি। যেখানে ৭৯০ টি ভোট জমা পড়ল। অথচ সই না থাকার কারণে সব ভোট বাতিল করা হলেও একটি মাত্র পোস্টাল ভোটে বিজেপিকে জয়লাভ করানো হল। আমরা পুনঃনির্বাচনের (Panchayat Election 2023) দাবি করছি। আর এই ঘটনার পিছনে সম্পূর্ণ দায়ী প্রিসাইডিং অফিসার। কারণ সঠিকভাবে ভোট গণনা যদি হত, তৃণমূল এখানে বিপুল ভোটে জয়লাভ করত। অন্যদিকে তৃণমূলের তোলা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বিজেপি প্রার্থীর স্বামী বিশ্বজিৎ বর্মনের দাবি, সঠিকভাবে ভোট গণনা হলে এখানে বিজেপিই বিপুল ভোটে জয়লাভ করত। কারণ এই ৩০ নম্বর বুথে বিজেপির প্রভাব যথেষ্ট বেশি। যদিও পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই ধরনের বিরল ঘটনায় তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: নদিয়ায় ফের বিজেপি ও সিপিএমে ছাপ মারা ব্যালট উদ্ধার, চাঞ্চল্য

    Panchayat Election 2023: নদিয়ায় ফের বিজেপি ও সিপিএমে ছাপ মারা ব্যালট উদ্ধার, চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফলাফল ঘোষণা হয়েছে সাতদিন হয়ে গেল। কিন্তু ব্যালট পেপার উদ্ধারের ঘটনা থেমে নেই। একের পর এক জায়গায় উদ্ধার হচ্ছে বৈধ ব্যালট। আর অধিকাংশতে ছাপ মারা বিজেপিতে! এবার ফের নদিয়া। নদীর ধার থেকে বিজেপি এবং সিপিএমে ছাপ দেওয়া বৈধ ব্যালট পেপার (Panchayat Election 2023) উদ্ধার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য। নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের মাথাভাঙ্গা নদী এলাকার ঘটনা। গোটা রাজ্য জুড়েই পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফল ঘোষণা হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় ব্যালট পেপার উদ্ধারের ঘটনা সামনে এসেছে। একদিন আগেই নদিয়ার রানাঘাট ২ নম্বর ব্লক এলাকার বিজেপির সিলমোহর লাগানো ব্যালট পেপার উদ্ধার হয়েছিল। এবার রাত কাটতেই আবারও বিজেপি এবং সিপিএমের ব্যালট পেপার উদ্ধার হাওয়াকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল ছড়ায়।

    কীভাবে উদ্ধার হল ব্যালট (Panchayat Election 2023)?

    জানা যায়, প্রথমে ওই এলাকার এক বাসিন্দা ব্যালট পেপারগুলি দেখতে পান। খবর জানাজানি হতেই এলাকার লোকজন সেখানে ভিড় জমান। ওই ব্যালটগুলিতে দেখা যায় অধিকাংশ বিজেপির পক্ষে ছাপ দেওয়া রয়েছে। পাশাপাশি কিছু ব্যালট পেপারে সিপিএমের ছাপ রয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল আসে বিজেপি নেতৃত্ব। কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল এসে ব্যালট পেপারগুলি (Panchayat Election 2023) উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    কী অভিযোগ বিজেপির (Panchayat Election 2023)?

    এ বিষয়ে কৃষ্ণগঞ্জ ব্লক বিজেপি কনভেনার পরিতোষ বিশ্বাস বলেন, কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের যে সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে, সেই সাতটিতেই বিজেপির জয়লাভ (Panchayat Election 2023) করার কথা ছিল। পাশাপাশি এবারে মানুষের যা সমর্থন ছিল তাতে পঞ্চায়েত সমিতিও আমাদের দখলে থাকার কথা ছিল। কিন্তু এই বৈধ ব্যালট নদীর ধার থেকে উদ্ধারের ঘটনায় পরিষ্কার হয়ে এসেছে, বিডিও সামনে থেকে তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী নিয়ে ব্যালট পেপার ছিনতাই করেছে। আমরা চাই অবিলম্বে পুনরায় নির্বাচন হোক। অন্যদিকে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিজেপির সদ্য নবনির্বাচিত পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী লক্ষ্মী হালদার বলেন, অবিলম্বে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে পুনরায় নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে ইলেকশন কমিশনকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: ব্যালট বাক্সে জল ঢালার পরও গণনা কীভাবে হল! প্রশাসনকে প্রশ্ন বিজেপির

    Purba Bardhaman: ব্যালট বাক্সে জল ঢালার পরও গণনা কীভাবে হল! প্রশাসনকে প্রশ্ন বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাটোয়ার (Purba Bardhaman) মণ্ডলহাটের রাজমহিষী স্কুলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ব্যাপক ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ করে সরব হয়েছিল বিজেপি। শুধু তাই নয়, ব্যাপক ছাপ্পা এবং রিগিং আটকাতে প্রশাসনকে বলেও কোনও কাজ না হলে অবশেষে ভোট বন্ধ করতে ১৫, ১৬, ১৭ নম্বর বুথে বিজেপি প্রার্থীরা জল ঢেলে দিয়েছিল ব্যালট বক্সে। গণনার সময় সেই জল ঢালা বাক্স থেকে ব্যালট গণনা করে প্রশাসন। তাই বিজেপি প্রশ্ন তুলেছে, জল ঢালা ব্যালট বাক্স থেকে কী করে গণনা হল! কাটোয়া ১ নম্বর ব্লক অফিসে বিডিওর কাছে এই অভিযোগ জানিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন ১৩১ জন বিজেপি প্রার্থী।

    অভিযোগ কী (Purba Bardhaman)?

    ৮ই জুলাই রাজ্যে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনের দিন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ করে বিজেপি। অভিযোগ কাটোয়ার (Purba Bardhaman) রাজমহিষী স্কুলের বুথে নির্বাচনকে নিয়ে। তৃণমূলের সন্ত্রাস নিয়ে রাজমহিষী স্কুলের ১৫, ১৬, ১৭ নম্বর বুথের বিজেপি প্রার্থী ও এলাকার বিজেপি কর্মীরা একত্রিত হয়ে কাটোয়া ১ নম্বর ব্লকের ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসারের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিলেন। সেখানে পরিষ্কার তাঁরা উল্লেখ করেছেন, তৃণমূল দুষ্কৃতীরা ব্যাপক রিগিং, সন্ত্রাস ও ছাপ্পা ভোট করেছে নির্বাচনের দিনে। বুথের ভেতর ছাপ্পা চলায় ভোটের পর বিজেপি জেলা পরিষদের প্রার্থী জল ঢেলে দেন ব্যালট বাক্সে। বিজেপি প্রার্থীর জল ঢালার পর এলাকাবাসীরাও ব্যালট বাক্সে জল ঢেলে দেন অন্য দুটি বুথে। বাক্সে জল ঢালার পর গণনা কীভাবে হয়েছে, এটাই প্রধান অভিযোগ।

    বিজেপির বক্তব্য

    জল ঢালার পর বাইরে থেকে অন্য ব্যালট এনে তাতে ছাপ মেরে, পুনরায় ব্যালট বক্সে ফেলে দিয়েছিল তৃণমূল কর্মীরা। তাই বিডিওর (Purba Bardhaman) কাছে বিজেপি জানতে চেয়েছে, কী করে জল ঢালা ব্যালট বক্সের ভোট গণনা করা হল! উত্তর মেলেনি। পরে জল ঢালা ব্যালট বাক্স গণনার পর দেখা যায়, তৃণমূল প্রার্থীরা কোথাও ৬০০ ভোট, কোথাও ৪০০ ভোটে জয়লাভ করেছে। পুরোটাই শাসক দল কারচুপি করছে প্রশাসনের মদতে, এমনটাই অভিযোগ।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের জেলা (Purba Bardhaman) সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ভোটের পরে সমস্ত রাজনৈতিক দলকে ডাকা হয়েছিল। কিন্তু বিজেপির অভিযোগ থাকলে তখন কোনও অভিযোগ জানায়নি। এরপর আরও তিনি বলেন, যদি ছাপ্পা ভোট হয়, তাহলে তো ওই এলাকার মানুষ ভোট দিতে পারত না। কিন্তু ওই এলাকার মানুষও তো কোনও অভিযোগ করেনি। পাশাপাশি ওই তিনটি বুথে রাত আটটা পর্যন্ত ভোট হয়েছে। ফলে বিজেপির অভিযোগ সব মিথ্যা।

    অপর দিকে আজ ভারতীয় জনতা পার্টির মুর্শিদাবাদ দক্ষিণের উদ্যোগে পঞ্চায়েতে বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের উপর তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনীর অত্যাচারের প্রতিবাদে বহরমপুর থানার সামনে বিজেপির বিক্ষোভ সমাবেশ ও ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়। তৃণমূল আশ্রিত হার্মাদ বাহিনী, পুলিশ, বিডিও এবং ডিএমের অত্যাচার চলছে জেলায়। মানুষ তাঁর গণতন্ত্রের অধিকার প্রয়োগ করে যে সকল প্রার্থীদের জয় লাভ করিয়েছেন, সেই সব প্রার্থীদের যদি প্রশাসন এবং হার্মাদ বাহিনী পঞ্চায়েত গঠনে বাধা দেয়, তাহলে কাউকে ছেড়ে কথা বলা হবে না, বললেন বহরমপুর জেলা বিজেপি সভাপতি শাখারাভ সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: জয়ের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তৃণমূলে যোগ দিয়েও বিজেপির প্রার্থী ফিরলেন দলেই

    Hooghly: জয়ের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তৃণমূলে যোগ দিয়েও বিজেপির প্রার্থী ফিরলেন দলেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ইটের জবাব বিজেপি দিল পাটকেলে। ঘটনা হুগলির (Hooghly) আরামবাগের গোঘাটের। নাটকীয় ভাবে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়ে জয়ী বিজেপি প্রার্থী আবার নিজের ঘরেই ফিরে এসেছেন। এই নিয়ে জেলা জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য।

    কীভাবে ঘটল

    দুদিন আগে বিজেপির টিকিটে গ্রাম পঞ্চায়েত আসনে জয়ী হয়েছিলেন গোঘাটের (Hooghly) ভাদুর গ্রামে ২০৬ নম্বর বুথের সঞ্জয় সাঁতরা। তিনি প্রথমে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে শামিল হয়েছিলেন। জয়লাভের দুদিন পরেই তাঁকে দেখা যায় ব্লক সভাপতির হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিতে। তৃণমূলে যোগদান করেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলে কর্মকাণ্ডের ঢালাও প্রশংসা করেছিলেন। কিন্তু তার ঠিক ৪৮ ঘণ্টা না কাটতে না কাটতেই ভোলবদল হল। সোমবার ফের বিজেপিতে ফিরলেন সঞ্জয়। বিজেপির রাজ্য সম্পাদকের হাত ধরে আরামবাগে (Hooghly) যোগ দেন সঞ্জয় সাঁতরা। আর এই যোগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বোর্ড গঠনের আগেই চলছে জয়ী প্রার্থীদের নিয়ে টানাটানি। একজন প্রার্থী কখনও যোগ দিচ্ছে তৃণমূলে, আবার কখনও বিজেপিতে। আর তাঁকে ঘিরেই শুরু রাজনৈতিক তরজা। 

    বিজয়ী প্রার্থীর বক্তব্য

    জয়ী সঞ্জয় সাঁতরা পুনরায় বিজেপিতে যোগদান করে বলেন, তৃণমূল তাঁকে ভয় দেখিয়েছিল। সেই জন্য তিনি বিজেপিকে ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিনের বিজেপি কর্মী আমি, বিগত লোকসভা (Hooghly) নির্বাচন থেকে আমি বিজেপির সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। আগামী দিনেও আমি বিজেপিতেই থাকব।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির বক্তব্য, তৃণমূল কোথাও ভয় দেখিয়ে আবার কোথাও টাকার লোভ দেখিয়ে বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের (Hooghly) তৃণমূলে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করছে। এই প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সম্পাদক তথা পুরশুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষ পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি তৃণমূল একটা বিজেপি প্রার্থীকে কেনার চেষ্টা করে, তাহলে বিজেপিও দশটা কেনার ক্ষমতা রাখে।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অন্যদিকে তৃণমূলের এই এলাকার ব্লক (Hooghly) সভাপতি ভয় দেখানোর অভিযোগকে অস্বীকার করেন। তিনি আরও বলেন, এটা ব্যক্তি স্বাধীনতা, যার যা ইচ্ছে সে করতে পারে। গোঘাটের ভাদুর পঞ্চায়েতে মোট আসন ১৮ টি। তার মধ্যে সংখ্যা গরিষ্ঠতায় একাই ১৫ টি আসন তৃণমূল দখল নেওয়ার পরেও এই সঞ্জয় সাঁতরাকে ঘিরে চলছে রাজনৈতিক তরজা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: ভোট পরবর্তী হিংসা, বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা আশ্রয় নিলেন অসমে

    Alipurduar: ভোট পরবর্তী হিংসা, বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা আশ্রয় নিলেন অসমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি শাসিত অসম রাজ্যেই অবশেষে আশ্রয় নিতে হল সদ্য বিজেপির টিকিটে জেতা পঞ্চায়েত জনপ্রতিনিধিদের। মূল অভিযোগ, শাসকদলের আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হুমকি-ধমকের জেরে তাঁরা গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) বিজেপির জেলা কার্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে নয় জন, এবং সেই সঙ্গে আরও চারজন নবনির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য বিজেপির জেলা কার্যালয়ে এসে শুক্রবার রাতে আশ্রয় নেন। ওই নবনির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্যাদের সঙ্গে শিশু-কিশোরও রয়েছে। এরপর তাঁরা সেখানেও নিরপদ নন বলে অসমে গিয়ে আশ্রয় নিলেন। পীড়িত এই বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে কথা বললেন আলিপুরদুয়ারের সাংসদ জন বার্লা।

    কেন যেতে হল অসমে?

    গত শনিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা (Alipurduar) ঘরছাড়া ওই পঞ্চায়েত সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের উপর নানা অত্যাচারের কথা শোনেন। দলীয় কার্যালয়েও নিরাপত্তার অভাব বোধ করছিলেন ওই পঞ্চায়েত সদস্যরা। দলের জেলা নেতৃত্ব তাঁদেরকে নিরাপদ জায়গায় হিসেবে বিজেপি শাসিত রাজ্য অসমে পাঠানোর উদ্যোগ নেয়। এরপর বিজেপি জেলা কার্যালয় থেকে শনিবার রাতেই তাঁদেরকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির জেলা (Alipurduar) মিডিয়া সেলের মুখপাত্র শংকর সিনহা বলেন, শাসকদলের অত্যাচারে নিজেদের বাড়িতেই বিজেপির নবনির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্যরা থাকতে পারছেন না। তাঁদেরকে শাসক দলের যোগ দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এছাড়াও নানা ধরনের হুমকি চলছেই। তাই ওই নব নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্যদের আমরা নিরাপদে থাকার ব্যবস্থা করেছি অসমে।

    কীভাবে ভোট হয়েছে আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar)?

    এবারের পঞ্চায়েত ভোটে শাসকদলের বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ তুলে ইতিমধ্যে সরব হয়েছে গেরুয়া শিবির। আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) গত লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে শাসক দল বিজেপির কাছে ধরাশায়ী হয়েছিল তৃণমূল। এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনেও বিভিন্ন সমীক্ষায় উঠে আসে আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদ বিজেপির দখলেই যেতে চলেছে। তা সত্ত্বেও এখানে বিজেপি জেলা পরিষদে একটি আসনেও জয়ী হতে পারেননি। তবে বেশ কিছু গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির আসনে বিজেপির প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। জেলার তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ওই সকল গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের শাসক দলে টানতে নানা  ভাবে হুমকি, এমনকি প্রলোভনও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের বাড়িতে থাকতে তাঁরা নিরাপত্তার অভাব বোধ করায়, সদ্য নির্বাচিত ওই পঞ্চায়েত সদস্যরা প্রথমে জেলা কার্যালয়ে আশ্রয় নেন। এরপর জনপ্রতিনিধিদের নিরাপদ এবং সুরক্ষিত করতে প্রতিবেশী বিজেপি শাসিত অসমে পাঠানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ভোট মিটে গেলেও স্কুলের পাশে কয়েকশো ব্যালট পেপার উদ্ধার, শোরগোল নদিয়াতে

    Nadia: ভোট মিটে গেলেও স্কুলের পাশে কয়েকশো ব্যালট পেপার উদ্ধার, শোরগোল নদিয়াতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) জঙ্গলে পড়ে রয়েছে কয়েকশো ব্যালট পেপার, যা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। বিজেপির অভিযোগ, ওই ব্যালট পেপারগুলিতে বিজেপিতে ভোট পড়েছিল। ভোট মিটে গেলেও কেন বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রের পাশের জঙ্গলে এইভাবে পড়ে রয়েছে ব্যালট পেপার! প্রশাসনের দিকে অভিযোগের তীর ছুড়েছে বিজেপি।

    কোথায় ঘটল ঘটনা (Nadia)?

    ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) রানাঘাট দু নম্বর ব্লকের ধানতলা থানার নারায়ণপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে। ওই বিদ্যালয়ের বুথ নম্বর ৫৬/১। আজ সোমবার, সকালে বিজেপির বেশ কয়েকজন কর্মী দেখতে পান, পাশের জঙ্গলে পড়ে রয়েছে বিজেপির সিম্বল দেওয়া একাধিক ব্যালট পেপার। চোখ ঘোরাতেই তাঁদের নজরে পড়ে, কয়েকশো ব্যালট পেপার, যা ছেঁড়া ও পোড়া অবস্থায় পড়ে রয়েছে। খবর দেওয়া হয় ধানতলা থানার পুলিশকে। ঘটনাস্থলে তদন্তে আসে ধানতলা থানার পুলিশ এবং এরপরে শুরু হয় রাজনৈতিক চাঞ্চল্য। এলাকার এক সাধারণ ভোটার আনন্দ রায় বলেন, সবগুলিতে বিজেপিই ভোট পেয়েছে। কিন্তু ভোটের পর কেন এই ভাবে ব্যালট পড়ে থাকবে! অবিলম্বে সিবিআই তদন্ত চাই।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির এই বুথের (Nadia) প্রার্থী অখিলচন্দ্র রাহা অভিযোগ করে বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন যেভাবে তৃণমূল ছাপ্পা মেরেছে এবং লুটপাট করেছে ব্যালট বক্সগুলিকে, এর দায় পুলিশকেই নিতে হবে। কেননা পুলিশের মদতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা এই কাজ করেছে। ফলে এর দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে। ব্যালট যত্রতত্র পড়ে থাকার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি করেন বিজেপির এই প্রার্থী।

    তৃণমূলের অভিযোগ

    অন্যদিকে তৃণমূল স্থানীয় ১৭০ নম্বর বুথের জয়ী প্রার্থী (Nadia) অসিত পাণ্ডে বলেন, ঘটনা জানতে পেরে এসে দেখি, সই করা অবস্থায় ব্যালট পেপারগুলি পড়ে রয়েছে যেখানে সেখানে। তবে আদৌ কি ওই ভোটকেন্দ্রের ব্যালট পেপার! নাকি অন্য কোনও জায়গা থেকে ব্যালট পেপারগুলি এখানে নিয়ে আসা হয়েছে! এই নিয়ে প্রশাসনকে হস্তক্ষেপ করে তদন্ত করতে বলব। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, প্রশাসন তদন্ত করে দেখুক এই ঘটনার পিছনে কী চক্রান্ত রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: তৃণমূলের বিজয় মিছিলে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি, চটুল গান ও নাচ, ভাইরাল ভিডিও

    North 24 Parganas: তৃণমূলের বিজয় মিছিলে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি, চটুল গান ও নাচ, ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন হিংসার মধ্যে দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত ৫০ জন মানুষের প্রাণ গেছে। জেলায় জেলায় শাসক দলের আশ্রিত গুন্ডারা বোমাবাজি করে এলাকাছাড়া, ঘরছাড়া করেছে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের। আর এই হিংসার আবহের মধ্যে বিজয়ী তৃণমূল প্রার্থীর বিজয় মিছিলে চলছে চটুল গানের সঙ্গে নাচ। উত্তর ২৪ পরগনায় (North 24 Parganas) বিজয় মিছিলে ভাড়া করা বৃহন্নলাদের অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি এবং চটুল গানের নাচে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। বিজয় মিছিলের ভিডিও সমাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। এই নিয়ে বিরোধীরা তীব্র কটাক্ষ করেছে।

    কোথায় ঘটল ঘটনা (North 24 Parganas)?

    এই বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আমডাঙা এলাকার শশিপুর গ্রামে। ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর জয়ী তৃণমূল প্রার্থীদের নিয়ে সাউন্ড সিস্টেম লাগিয়ে উচ্চ স্বরে হিন্দি গানে চটুল নাচের ভিডিও সামজিক গণমাধ্যমে ভাইরাল হতে দেখা গেছে। আজ রবিবার সকাল থেকেই এই চটুল নাচ, অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি, গালিগালাজ এবং বিকৃত নাচের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে ফেসবুকে। কয়েকজন বৃহন্নলা নর্তকীদের সঙ্গে করে ছোট চোট বাচ্চাদের সামনে তৃণমূল কর্মীদের সবুজ আবির মেখে চটুল গানে বিকৃত যৌন অঙ্গভঙ্গি করতে দেখা যায় ভিডিওতে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার কৃষ্টি সংস্কৃতি, রবীন্দ্রনাথ, নজরুলের কথা বলেন। কিন্তু তবুও তৃণমূলের কর্মীদের দ্বারা প্রকাশ্য দিনের বেলায় ছোট ছোট বাচ্চা ছেলে-মেয়ে, মহিলা, বৃদ্ধের সামনে বিজয় মিছিলের নামে এই অপসংস্কৃতি এবং বিকৃত যৌন অঙ্গভঙ্গির দৃশ্য ভিডিওতে লক্ষ্য করা গেল। সামজিক গণ মাধ্যমে এই ভিডিও নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় উঠেছে বলে জানা গেছে।    

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এই এলাকায় চণ্ডীগড় (North 24 Parganas) পঞ্চায়েতের ৭৫৭ নম্বর বুথের তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ী হয়েছেন আজমিরা খাতুন। তিনি বলেন, ভোটের ফলাফলের পর এলাকার মানুষ একটু বিনোদন চেয়েছিল, আর তাই একটু আনন্দ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এলাকায় আমরা ১৯৯ ভোটে জয়ী হয়েছি। তাই দলের কর্মীদের আবেদন রাখতে এই মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। একজন জনপ্রতিনিধি কীভাবে এইরকম একটি অশ্লীল বিজয় মিছিলের আয়োজন করলেন, সেটাই এখন প্রশ্নের মুখে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bjp: জয়ী প্রার্থীদের লাগাতার হুমকি, থানার সামনে অবস্থান-বিক্ষোভে বিজেপি সাংসদ

    Bjp: জয়ী প্রার্থীদের লাগাতার হুমকি, থানার সামনে অবস্থান-বিক্ষোভে বিজেপি সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের রাতের অন্ধকারে লাগাতার হুমকি দিচ্ছে পুলিশ। এমনই অভিযোগ ঘিরে শুক্রবার ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হল শান্তিপুর থানার সামনে। এদিন একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে থানার সামনে প্রবল বিক্ষোভ দেখান বিজেপির নেতা-কর্মীরা। দলীয় কর্মীদের নিয়ে অবশেষে থানার সামনে বসে পড়েন বিজেপির (Bjp) সাংসদ। দীর্ঘক্ষণ ধরে থানার গেট আটকে চলে অবস্থান-বিক্ষোভ। যদিও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। নিরাপত্তার খাতিরে মোতায়েন করা হয়েছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।

    থানার ওসিকে তীব্র আক্রমণ

    ভোট পরবর্তী হিংসার পর থেকেই বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা এবং বিজেপির (Bjp) জয়ী প্রার্থীদের পুলিশ দিয়ে হয়রানির অভিযোগে থানা ঘেরাও কর্মসূচি বিজেপির। এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার, রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক পার্থ সারথি চট্টোপাধ্যায় সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। বিজেপির এই অবস্থান বিক্ষোভের মধ্যে দিয়ে শান্তিপুর থানার ওসিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। স্লোগান ওঠে ‘তৃণমূলের দালাল ওসি দূর হটো’। ‘পুলিশ তুমি উর্দি ছাড়ো, তৃণমূলের ঝান্ডা ধরো’। ‘তৃণমূলের দালাল ওসি সুব্রত মালাকার দূর হটো’।

    কী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    তাঁর দাবি, ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই বিজেপি কর্মীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তারপরে রাতের অন্ধকারে বিজেপির (Bjp) জয়ী প্রার্থীদের বাড়িতে গিয়ে রীতিমতো হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যার মদত দিচ্ছে পুলিশ প্রশাসন। পুলিশ সম্পূর্ণভাবে তৃণমূলের দলদাসে পরিণত হয়েছে। আমরা এর তীব্র ধিক্কার জানাই। আমরা দাবি করছি, অবিলম্বে তৃণমূলের হার্মাদ বাহিনীদের উপর যদি কড়া ব্যবস্থা পুলিশ প্রশাসন না নেয়, তাহলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তম আন্দোলনের পথে নামবে বিজেপি। শান্তিপুর থানার গেটের সামনে বসে দলীয় কর্মীদের সাথে নিয়ে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান-বিক্ষোভ করেন বিজেপি (Bjp) সাংসদ জগন্নাথ সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: পঞ্চায়েত নির্বাচনের হিংসায় এবার বিষ্ণুপুরে এক বিজেপি প্রার্থীর মৃত্যু

    South 24 Parganas: পঞ্চায়েত নির্বাচনের হিংসায় এবার বিষ্ণুপুরে এক বিজেপি প্রার্থীর মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসার বলি আরও এক বিজেপি প্রার্থী। দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বিষ্ণুপুর-১ ব্লকের কেওড়াডাঙা পঞ্চায়েতের ঘটনা। গণনার দিন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ব্যাপক মারধর করে। তারপর আতঙ্কে ঘরছাড়া ছিলেন। অবশেষে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ দুপুরে মৃত্যু হয় তাঁর। জানা গিয়েছে, মৃতের নাম ভোলানাথ মণ্ডল (৫৩)। রাজ্য জুড়ে ভোটের সন্ত্রাসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫০।

    কীভাবে মৃত্যু হয়েছে (South 24 Parganas)?

    কেওড়াডাঙা (South 24 Parganas) পঞ্চায়েতের ২০৯ নম্বর বুথের ঘটনা। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২২ জুন রাতে তৃণমূলের বাহিনীর দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলেন প্রথম বার। সেই সময় মাথায় গুরুতর চোট পান তিনি। ভোটে মনোনয়নের পর থেকেই ভোলানাথ মণ্ডলকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এরপর গত ১১ জুলাই গণনার দিন বিষ্ণুপুরে ভোটের গণনায় হেরে যান। আর তার পরেই গণনা কেন্দ্র থেকে বেরনোর সময় বিকেলে তাঁকে ঘিরে ধরে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। তাঁকে বাঁশ, লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে ওই দুষ্কৃতীরা। এবারও মাথায় আবার আঘাত পান তিনি। এরপর তৃণমূল দুষ্কৃতীদের আতঙ্কে বাড়ি ছেড়ে শ্বশুর বাড়ি শিরাকোলে গিয়ে উঠেছিলেন ভোলানাথ। কিন্তু আজ ভোরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে, প্রথমে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল আমতলা গ্রামীণ হাসপাতালে। কিন্তু শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে সেখান থেকে স্থানান্তরিত করা হয় ডায়মন্ড হারবার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। আজ বেলা বারোটা নাগাদ হাসপাতালে মৃত্যু হয় ভোলানাথ মণ্ডলের। মৃত্যুর পর পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে।

    বিজেপির বক্তব্য

    ডায়মন্ডহারবার (South 24 Parganas) সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সহ-সভাপতি দীপক হালদার বলেন, তৃণমূলের সন্ত্রাসে সারা রাজ্য উত্তাল। কেবল মাত্র বিজেপি করা এবং নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য খুন করা হয় ভোলানাথ মণ্ডলকে। মনোনয়নের পর থেকেই তাঁকে দুষ্কৃতীরা হুমকি দিচ্ছিল। অবশেষে খুন হতে হল তাঁকে। এই মৃত্যুর দায় রাজ্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে। অপর দিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে হত্যার দায় পুরোপুরি অস্বীকার করা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share