Tag: panchayat election 2023

panchayat election 2023

  • TMC: পুনর্নির্বাচনেও ভোটে বাধা তৃণমূলের, রাস্তা অবরোধ, বাইক ভাঙচুর করল উত্তেজিত জনতা

    TMC: পুনর্নির্বাচনেও ভোটে বাধা তৃণমূলের, রাস্তা অবরোধ, বাইক ভাঙচুর করল উত্তেজিত জনতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুনর্নির্বাচনের দিনেও অশান্তি। ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার বার্নিয়ায়। এই ঘটনায় এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ। তাঁরা এদিন জোটবদ্ধ হয়ে শ্রীকৃষ্ণপুরে তেহট্ট ঘাট থেকে দেবগ্রাম রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    ৮ জুলাই তৃণমূলের (TMC) সন্ত্রাসের কারণে তেহট্টের বার্নিয়া এলাকায় বহু মানুষ ভোট দিতে পারেননি। এরপর এই এলাকায় ফের ভোট করার দাবি জানানো হয়। সেই মতো প্রশাসন উদ্যোগ গ্রহণ করে। কিন্তু, গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এদিন সকালে ভোট দিতে গেলে তাদের ভয় দেখিয়ে ফিরিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এরপর কয়েকজন গ্রামে ঢুকে গ্রামবাসীদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করে। এমনিতেই এর আগে ভোট দিতে না পারার রাগ ছিল। তৃণমূলের ওই দুষ্কৃতীদের সামনে পেয়ে গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ করেন। তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। গ্রামবাসীরা প্রতিরোধ করলে তৃণমূলের এক দুষ্কৃতীকে তাঁরা ধরে ফেলেন। যদিও সে বাইক রেখে পালিয়ে যায়। এরপরই উত্তেজিত জনতা তার বাইক ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরে, পুলিশ-প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকাবাসীকে বোঝানোর পর অবরোধ ওঠে। ভোটদানের ব্যবস্থা হয়।

    কী বললেন আন্দোলনকারীরা?

    আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, এর আগেও আমরা তৃণমূলের (TMC)  সন্ত্রাসের কারণে ভোট দিতে পারিনি। আমাদের দাবি মেনে ফের এলাকায় ভোট হচ্ছে। এদিনও তৃণমূল এলাকায় সন্ত্রাসের চেষ্টা করে। আমরা দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের (TMC)  কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কল্লোল খাঁ বলেন, ওই এলাকায় সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছিল। কিন্তু বিরোধীরা একজোট হয়ে সন্ত্রাস করার চেষ্টা করেছে। আমাদের দলীয় কর্মীদের গাড়ি ভাঙচুর করেছে। আমরা চাই, সুস্থ এবং শান্তিতে নির্বাচন হোক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: কাঁথির বুথে নেই পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী, ভোট বয়কট ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা

    Purba Medinipur: কাঁথির বুথে নেই পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী, ভোট বয়কট ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের দিন ব্যাপক গন্ডগোলের জেরে আজ পুনরায় ভোট ঘোষণা করা হয়েছে কাঁথি (Purba Medinipur) দেশপ্রাণ ব্লকের আমতলীয়া পশ্চিম বুথে। কিন্তু বুথে পর্যাপ্ত বাহিনী না থাকায় ভোটাররা ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছেন। মহিলারাও লাঠি-বঁটি নিয়ে প্রতিবাদ করেন। অপর দিকে এগরায় স্ট্রং রুমের সামনে বিজেপির বিক্ষোভ, পুলিশকে লক্ষ্য করে চলল ইটবৃষ্টি! পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের লাঠিচার্জ। এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য। 

    কাঁথিতে (Purba Medinipur) কী ঘটল?

    ভোট কর্মী এবং পুলিশ কর্মীরা উপস্থিত হলেও বুথে হাজির হননি কোনও ভোটার। কারণ নিরাপত্তার অভাব অনুভব করছেন সাধারণ ভোটাররা। বুথে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় ভোট বয়কটের পথে হেঁটেছেন দলমত নির্বিশেষে গ্রামের মানুষজন। বঁটি-ঝাঁটা হাতে প্রতিবাদে গ্রামের রাস্তায় দেখা গেল এলাকার মহিলাদের। নির্বাচনের দিনে তীব্র উত্তেজনা এলাকায়।

    এগরায় (Purba Medinipur) কী হয়েছে?

    ৮ই জুলাই পঞ্চায়েত ভোট মিটলেও অশান্তি থামছে না। স্ট্রং রুম পাহারাকে কেন্দ্র করে তুলকালাম ঘটনা ঘটে পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) এগরাতে। রাতের অন্ধকারে ব্যালট বাক্সে কারচুপির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ফলে এগরা দু’নম্বর ব্লকের বালিঘাই হাইস্কুলে স্ট্রং রুমের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপি কর্মীরা। এখানে প্রধান অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে তৃণমূল কর্মীরা স্ট্রং রুমের মধ্যে যায়। কিন্তু বিজেপি কর্মীদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। স্ট্রং রুমের মধ্যে তৃণমূল ঢুকে ব্যালট বাক্সে কারচুপি করছে বলে অভিযোগ করে বিজেপি। আর এই অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার রাতে স্ট্রং রুমের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপি কর্মীরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছুড়তে থাকে বিক্ষোভকারীরা। পুলিশের ওপর শুরু হয় ইটবর্ষণ। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। কার্যত রণক্ষেত্রের আকার ধারণ করে কেন্দ্র। ভোটের পরে ব্যালট পরিবর্তন যাতে না করতে পারে তৃণমূল, সেই জন্য এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলে বিজেপির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: কর্মীকে মারধর করল প্রার্থী, মুরারইতে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তীব্র

    Birbhum: কর্মীকে মারধর করল প্রার্থী, মুরারইতে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তীব্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী ও তাঁর স্ত্রীকে মারধর করার অভিযোগ উঠল দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে। তৃণমূল প্রার্থীর স্ত্রী আবার নির্দল প্রার্থী হয়েছেন পাশের বুথে। ঘটনায় গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর স্ত্রীকে মুরারই (Birbhum) গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। আক্রান্ত তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর নাম রমজান আলি ও স্ত্রীর নাম রুকসানা খাতুন। তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।  

    কোথায় ঘটনা ঘটল (Birbhum)?

    ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) মুরারই থানার পানিয়ারা গ্রামে। অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর নাম রেজাউল দফাদার। তিনি এবার মুরারই গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫৭ নম্বর পানিয়ারা গ্রামের প্রার্থী হয়েছেন। তাঁর স্ত্রী শিল্পী বেগম আবার পাশের ৫৬ নম্বর বুথে নির্দল প্রার্থী হয়ে ভোটে লড়ছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে লড়াই করলেও রেজাউল দফাদার নিজের স্ত্রীকে জয়ী করতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে নির্দল গোঁজ প্রার্থী দিয়েছেন। এই নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা জমা দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে অশান্তি চলছিল। অপর দিকে তৃণমূল কর্মী রমজান আলি ৫৬ নম্বর বুথে তৃণমূলের হয়ে ভোট করাতে গিয়েছিলেন। তৃণমূলের হয়ে ভোট করাতেই রেজাউল দফাদারের রোষানলে পড়েন। দুই পক্ষের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি হয়। মূল অভিযোগ, রেজাউল দফাদার তাঁর লোকজনদের নিয়ে এসে রমজান আলির বাড়িতে চড়াও হয়ে মারধর শুরু করে। মারধরে আহত হয় তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী রমজান আলি ও তাঁর স্ত্রী রুকসানা খাতুন। ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে মুরারই থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

    আক্রান্ত তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর বক্তব্য

    আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী রমজান আলি (Birbhum) বলেন, তৃণমূলের ভোট করাতে গিয়েছিলেন বলে নির্দল প্রার্থীর দুষ্কৃতীরা বাড়িতে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর করে। যদিও দুষ্কৃতীরা নির্দল প্রার্থীর স্বামীর প্রার্থীর অনুগামী। রামজান আলি আরও বলেন, বুথে পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদের হয়ে ভোট করাতে গিয়েছিলাম বলে ব্যাপক মারধর করা হয়। সেই সঙ্গে তাঁর স্ত্রীকেও খুব মারধর করে এবং কাপড়জামা ছিড়ে দিয়ে ধর্ষণ করারও চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করেন। হামলার সময় দুষ্কৃতীদের হাতে বন্দুক এবং বোমা ছিল বলে অভিযোগ করেন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: পুনর্নির্বাচনের আগের রাতে বেলডাঙায় পুকুর থেকে প্রচুর বোমা উদ্ধার

    Murshidabad: পুনর্নির্বাচনের আগের রাতে বেলডাঙায় পুকুর থেকে প্রচুর বোমা উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুনর্নির্বাচনের আগের রাতেই বেলডাঙার (Murshidabad) খাগরবাড়ি এলাকায় একটি পুকুর থেকে প্রচুর সকেট বোমা উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়। বিরোধীরা বলছেন, শাসক দলের দুষ্কৃতীরা এলাকায় সন্ত্রাস করতে এই বোমা রেখেছিল। রাজ্য পুরো বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে আছে বলে মন্তব্য করেন এলাকার কংগ্রেস নেতা।

    কংগ্রেসের বক্তব্য (Murshidabad)?

    কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি নাজিরুদ্দিন সেখ বলেন, গোটা পশ্চিমবঙ্গ এবং বেলডাঙা (Murshidabad) বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। নির্বাচনে কংগ্রেস কর্মীদের ভোটদান থেকে বিরত করতে বোমার ব্যবহার করছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তিনি আরও বলেন, শুধু খাগরবাড়ি নয়, বেগুনবাড়ি, শঙ্করপাড়ায় প্রচুর বোমাবাজি হয়েছে। রীতিমতো কংগ্রেস কর্মীর বাড়িতেই বোমা মারে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। শাসক তৃণমূল একক ভাবে সন্ত্রাস চালাতে বোমার আমদানি করছে।

    পুকুরের মালিক কী বললেন?

    পুকুরের (Murshidabad) মালিক নওশেদ শেখ বলেন, পুকুরের পাড়ে তিনজন বাচ্চা খেলা করছিল। তারপর পুকুরে হাত ধুতে গেলে কামাল বলে এক ব্যক্তি বলে, নামিস না পুকুরে বোমা আছে! তারপর বাচ্চারা এসে আমাকে খবর দেয়। এরপর এলাকার মানুষ ডেকে বলি, আমি তো পুকুরে মাছ ধরব আগামী কাল! এখন এই বোমা নিয়ে কী করি! উত্তরে ইলিয়াস বলেন, পুলিশকে খবর দাও, পুলিশ এসে উদ্ধার করবে। নওশেদ আরও বলেন, শেষে আমি নিজে পুকুরে নেমে ৩৫ টা বোমা উদ্ধার করি। তবে কে বা কারা বোমা ফেলেছে, তিনি জানেন না।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    বেলডাঙার (Murshidabad) বিধায়ক তৃণমূল কংগ্রেস নেতা হাসানুজ্জামান শেখ বলেন, আমাদের কাছে কোনও খবর নেই। কীভাবে বোমা উদ্ধার হয়েছে আমার জানা নেই। 

    খড়গ্ৰাম থানার নগরের স্ট্রং রুমে তীব্র উত্তেজনা

    পুনর্নির্বাচনের আগের রাতেই উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) খড়গ্ৰাম থানার নগরের স্ট্রং রুম। কংগ্রেসের অভিযোগ, ব্যালট বাক্স থেকে ব্যালট বের করে আবার নতুন করে ব্যালট ভরে দেওয়া হচ্ছে। আর এই নিয়েই শুরু হয়েছিল তীব্র উত্তেজনা। তারপর ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ইটবৃষ্টি চালায় সিপিআইএম ও কংগ্রেস। এলাকায় এই নিয়ে তীব্র উত্তেজনা বলে জানা গেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: গ্রামে পুলিশ ঢুকতেই লাঠি ও বঁটি নিয়ে চড়াও মহিলারা, কুলপিতে চাঞ্চল্য

    South 24 Parganas: গ্রামে পুলিশ ঢুকতেই লাঠি ও বঁটি নিয়ে চড়াও মহিলারা, কুলপিতে চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট অশান্তিতে গ্রামে পুলিশ ঢুকতেই লাঠি ও বঁটি নিয়ে পুলিশের উপর চড়াও হলেন সাধারণ মহিলারা ভোটাররা। ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কুলপির (South 24 Parganas) উদয়রামপুর ৭৪ নং বুথ। ভোটের পরের দিন তৃণমূল-নির্দলের সংঘর্ষ হলে পুলিশ দোষীদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। হিংসার পরিস্থিতিকে সঠিক সময়ে নিয়ন্ত্রণ করেনি পুলিশ। সাধারণ ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগ না করতে দেওয়ার জন্য এই ঘটনা ঘটে বলে মনে করছেন এলাকার মানুষ। রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট মিটতেই জেলা জুড়ে ভোট পরবর্তী হিংসার কথা উঠে আসছে। শুধু তাই নয়, মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে, মগরাহাটে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয় এবং পুলিশ উত্তপ্ত এলাকায় মার খায় বলেও জানা যায়।

    মূল অভিযোগ কী (South 24 Parganas)?

    এলাকার (South 24 Parganas) নির্দল কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, রবিবার এলাকার তৃণমূল প্রার্থী আবুল হোসেন গাজি দলবল নিয়ে নির্দল প্রার্থী চম্পা হালদারের উপর চড়াও হন। এরপরেই দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক লড়াই বেধে যায়। ঘটনায় কুলপি থানার পুলিশ নির্দল প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করে। আর এই আটকের পরেই গ্রামের মহিলারা লাঠি, ঝাঁটা, বঁটি নিয়ে গ্রামে পুলিশ ঢুকতেই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ঘটনা ঘটার সময় কেন পুলিশ এসে নিয়ন্ত্রণ করেনি, সেই রাগেই পুলিশের উপর চড়াও হন সাধারণ মানুষ।

    পুলিশের বক্তব্য

    অন্যদিকে পুলিশের (South 24 Parganas) পক্ষ থেকে জানানো হয়, তৃণমূল ও নির্দল দুটি দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উদয়রামপুর এলাকায় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে আপাতত। 

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় (South 24 Parganas) তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূলের এক স্থানীয় নেতার বক্তব্য, এলাকায় নির্দল প্রার্থীর পরাজয় বুঝে এই রকম ঘটনা ঘটিয়েছে। দল আমদের এই সব কাজকে অনুমোদন করে না। পুলিশের উপর আঘাত করে আইন হাতে তুলে নেওয়াটা ভীষণ অন্যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: ধরা পড়েই তৃণমূলের প্রার্থী বললেন, “আমি ছাপ্পা ভোটে জিততে চাই না”!

    Cooch Behar: ধরা পড়েই তৃণমূলের প্রার্থী বললেন, “আমি ছাপ্পা ভোটে জিততে চাই না”!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুথে ছাপ্পা ভোট দিতে এসে গ্রামবাসীর তৎপরতায় ধরা পড়ে গেল এক ছাপ্পা প্রদানকারী। তাকে তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে। ঘটনাটি কোচবিহারের (Cooch Behar) নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের গুড়িয়াহাটি- ১ নম্বর অঞ্চলের ৮/১৪৪ নম্বর বুথে। এই ঘটনা ঘটে যাবার পর তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত প্রার্থী মানিক দে বলেন “আমি ছাপ্পা ভোটে জিততে চাই না”। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।

    তৃণমূল কংগ্রেসের গ্রাম পঞ্চায়েত প্রার্থীর বক্তব্য (Cooch Behar)

    তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী (Cooch Behar) মানিক কুণ্ডু বলেন, এই বুথে ভোট বন্ধ হয়েছে ভালো হয়েছে! আমি এই ভাবে জিততে চাই না! দুষ্কৃতীরা এসে ছাপ্পা মেরেছে। অত্যন্ত অন্যায় কাজ। কারা ছাপ্পা মেরেছে জিজ্ঞেস করলে নাম বলতে চাননি তিনি। তিনি আরও বলেন, আমি কোনও অনৈতিক কাজকে সমর্থন করি না, সাধারণ মানুষের কাছে আমি ছাপ্পা ভোটে জিততে চাই না। মানুষের পছন্দের রায় আমি মাথা পেতে নেব।

    বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েত প্রার্থীর বক্তব্য

    বুথে (Cooch Behar) দুপুর ঠিক ১২ টায় ভোট শান্তিপূর্ণ চলছিল। কিন্তু আচমকা তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা এসে সকলকে বলে ভোট হয়ে গেছে, সকলে চলে যাও। এরপর জেলা পরিষদের ব্যালটে ছাপ্পা দিতে শুরু করে দুষ্কৃতীরা। বুথের ভিতরে একজন বন্দুকধারী পুলিশ ছিলেন। কিন্তু দুষ্কৃতীদের কিছুই বললেন না। এই পরিস্থিতিতে এলাকার ভোটাররা ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিবাদ করলে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। আর এর পরেই এক দুষ্কৃতীকে ধরে ফেলে উত্তেজিত ভোটাররা।

    প্রিসাইডিং অফিসারের বক্তব্য

    ৮/১৪৪ বুথের (Cooch Behar) প্রিসাইডিং অফিসার চৈতন্য পোদ্দার বলেন, সকাল থেকে ভোট শান্তিপূর্ণ ছিল। দুপুরে ১২ টায় পাঁচ থেকে ছয় জন মুখে গামছা বেঁধে বুথের ভিতরে ঢোকে এবং এরপর ব্যালট পেপার নিয়ে টানাটানি করে ছাপ্পা মারতে শুরু করে। এরপর বক্সগুলিতে জল ঢেলে দিয়ে দেয়। কিছুক্ষণ পরে সাধারণ ভোটাররা প্রতিবাদ করলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। এরপর থেকেই ভোট কেন্দ্রে ভোট বন্ধ করা হয়েছে। নির্দেশ এলে আবার ভোট নেওয়া হবে বলে জানান প্রিসাইডিং অফিসার।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: সালার, সামশেরগঞ্জে তৃণমূল-নির্দলের ব্যাপক বোমাবাজি! তীব্র উত্তেজনা

    Murshidabad: সালার, সামশেরগঞ্জে তৃণমূল-নির্দলের ব্যাপক বোমাবাজি! তীব্র উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের দিনে সবথেকে বেশি মৃত্যু হয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। শাসক-বিরোধী মিলে ভোটের দিনই ৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। মনোনয়ন থেকে ভোট প্রদানের দিন পর্যন্ত সালার, ডোমকল, ভারতপুর, বেলডাঙা, কান্দি, নবগ্রামে শাসক দল বনাম নির্দল, তৃণমূল বনাম তৃণমূল, তৃণমূল বনাম কংগ্রেসের মধ্যে ব্যাপক রাজনৈতিক সংঘর্ষ হয়। জেলা জুড়ে ভোটের আগে থেকেই দেশি বোমা, সকেট বোমা উদ্ধারে পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে গিয়েছিল। তাই ভোটদানের পরেও এই জেলা ভীষণ ভাবে উত্তপ্ত। ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত সালার। চুনশহর গ্রামে নির্দল সমর্থকের বাড়িতে বোমাবাজির অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সামশেরগঞ্জের হিরানন্দপুর ভাঙা লাইনে বোমাবাজি, নির্দল ও তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ।

    সালারে (Murshidabad) ব্যাপক বোমাবাজি

    সালারের চুনশহর গ্রামে নির্দল সমর্থক অনুগামীদের বাড়ি ভাঙচুর এবং নির্দল প্রার্থীর বাড়িতে বোমাবাজির অভিযোগ শুধু নয়, পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ছাড়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকা জুড়ে। সামগ্রিক ঘটনার তদন্ত নেমেছে সালার থানার পুলিশ। আক্রান্ত নির্দল সমর্থক নাজিয়া বিবি বেলন, যারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল করে, তারাই আমাদের বাড়িতে বোমাবাজি করেছে। আমার স্বামী বাইরের রাজ্যে কাজ করেন। বাড়িতে পুরুষ মানুষ না থাকায় আমাদের দুষ্কৃতীদের হুমকি, বোমা-বন্দুকের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, পুলিশ যদি তৃণমূলের হয়ে বাড়িতে অত্যাচার চালায়, তাহলে তদন্ত করবে কে?

    সামশেরগঞ্জে বোমাবাজি?

    ভোটের পরের দিনই নির্দল এবং তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে গন্ডগোলে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হল মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ (Murshidabad) থানার হিরানন্দপুর ভাঙা লাইন এলাকায়। দুই পক্ষের মধ্যে চলল বোমাবাজি। এলাকায় মুহূর্মুহূ বোমা ফাটানোর অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সামশেরগঞ্জ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। বোমাবাজির পাশাপাশি ইট-পাটকেলও চলে দুই পক্ষের মধ্যে।

    সামশেরগঞ্জে বিধায়ক কী বললেন?

    সাংবাদিক বৈঠকে সামশেরগঞ্জের (Murshidabad) বিধায়ক আমিরুল ইসলাম বলেন, নমিনেশন পর্ব থেকে ভোট গ্রহণ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ভাবে সংগঠিত হয়েছে। সারা বাংলায় গণতন্ত্রের উৎসব পালিত হয়েছে। অনেক জায়গায় রাত পর্যন্ত ভোট হয়েছে। বিরোধীরা বলেছিল ভোট করতে দেবে না। কিন্তু সামশেগঞ্জেও শান্তিপূর্ণ ভোট হয়। তিনি আরও বলেন, পঞ্চগ্রাম আইএএস স্কুলে সকাল থেকেই নজু খানের নেতৃত্বে ভোট কর্মীদের সঙ্গে যুক্তি করে প্রায় ২০০ ব্যালট লুট করে ছাপ্পা মারে। ওই কেন্দ্রে বিজেপি-নির্দল এবং দুষ্কৃতীরা ব্যালট বক্স ভাঙচুর করে। 

    আক্রান্তদের বাড়িতে গেলেন অধীররঞ্জন চৌধুরী

    আবার নওদায় (Murshidabad) গ্রাম পঞ্চায়েত ভোটে একজন কংগ্রেস কর্মী ও সমাজসেবী আনন্দ হালসানার বাড়িতে তৃণমূলী দুষ্কৃতীরা হামলায় চালিয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে আজ বাড়িতে গেলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: ফের মৃত্যু! ছাপ্পা আটকাতে গিয়ে খুন হলেন তৃণমূল কর্মী, জেলায় তীব্র চাঞ্চল্য

    Malda: ফের মৃত্যু! ছাপ্পা আটকাতে গিয়ে খুন হলেন তৃণমূল কর্মী, জেলায় তীব্র চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে এক দিনে ১৫ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটল। অথচ রাজ্য নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছে অনেক কম। নির্বাচনে কোনও রকম নিরাপত্তা  এবং সুরক্ষার বিষয় ছিল না বলে বিরোধীরা বিস্ফোরক হয়েছে। শনিবার মালদায় (Malda) আরও এক প্রাণ গেল। সন্ত্রাস, হানাহানি এবং হিংসায় উত্তাল জেলা।

    কোথায় খুনের ঘটনা ঘটল (Malda)?   

    শনিবার রাতে তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল মালদায়। ছাপ্পা ভোট আটকাতে গেলে তাঁকে খুন করা হয়। মৃতের নাম মতিউর রহমান (৪৫), ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে কংগ্রস আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। তিনি বৈষ্ণবনগর ভগবানপুর (Malda) বড় কামাতের বাসিন্দা ছিলেন। ট্রাক চালাতেন। শনিবার কেবিএস প্রাথমিক স্কুল ১৫৬ বুথে ভোট দিতে যান তিনি। সে সময় সাড়ে ৫টা নাগাদ তাঁর উপরে হামলা হয়। এই ঘটনায় আরও চারজন বেদরাবাদ গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশ।

    প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য

    হাজিকুর রহমান ঘটনার সময় প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন। তিনি বলেন, আমি এবং মতিউর দুজনেই বুথে (Malda) ভোট দিতে গিয়েছিলাম। আমরা এখানে তৃণমূল কংগ্রেস করি। দুজন করে মহিলার পর একজন করে পুরুষ, পর পর গিয়ে শান্তিপূর্ণ ভোট দিচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ দেখি কংগ্রেসের এক স্কুল শিক্ষক ব্যালটে ছাপ্পা শুরু করে! প্রতিবাদে আমি এবং মতিউর সোচ্চার হই। তিনি আরও বলেন, কংগ্রেসের এই শিক্ষক কর্মী হয়তো বুঝতে পারছিল যে শান্তিপূর্ণ ভোট হলে কংগ্রেস হারবে। তাই তৃণমূলকে হারাতে এই ছাপ্পা শুরু করে। আবার প্রতিবাদ করতে গেলে পিছন থেকে মতিউরকে চাকু দিয়ে আঘাত করে। বাঁচাতে গেলে হাজিকুর রহমানের হাতেও চাকুর আঘাত লাগে। অধিক রক্তক্ষরণের কারণে মতিউরের মৃত্যু হয়।

    পরিবারের বক্তব্য

    মৃত মতিউরের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামী মাত্র কয়েকদিন আগে বাড়িতে এসেছেন ভোট দেওয়ার জন্য। আর ভোট দিতে এসেই খুন হলেন! আমরা খুব দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছি। মৃত মতিউরের স্ত্রী বলেন, আমদের প্রার্থী ছিলেন রফিকুল, তাঁকে মাথায় আঘাত করেছে দুষ্কৃতীরা। আমি এবং আমার স্বামী তৃণমূল করতাম। যারা হত্যা করেছে তারা কংগ্রেস কর্মী। বুথে ছাপ্পা দেওয়ার প্রতিবাদ করতে গেলে আমার স্বামীকে ধারলো চাকু দিয়ে পিছন থেকে আঘাত করে খুন করে ওরা। দোষীদের অবিলম্বে শাস্তি চাই বলে দাবি করেন মৃত মতিউরের স্ত্রী।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda:  ব্যালট বাক্সই নিখোঁজ! গাজলের স্ট্রং রুমের সামনে অবস্থানে বিজেপি সাংসদ

    Malda: ব্যালট বাক্সই নিখোঁজ! গাজলের স্ট্রং রুমের সামনে অবস্থানে বিজেপি সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন ঘোষণা থেকে মনোনয়ন এবং মনোনয়ন প্রত্যাহার থেকে নির্বাচনের প্রচার পর্যন্ত রাজ্য জুড়ে হিংসার বাতাবরণ বর্তমান ছিল। এবার ভোট প্রদানের দিন লাগাম ছাড়া হিংসা, ভোট লুট, বোমাবাজি, হত্যালীলায় রাজ্য কমিশনের কোনও রকম নিয়ন্ত্রণ ছিল না বলে বিরোধীরা সরব হয়েছেন। এরই মধ্যে গণনার আগেও উত্তপ্ত মালদার (Malda) গাজল। শাসক দল স্ট্রং রুমে ব্যালটে কারচুপি করেছে, এই অভিযোগ তুলে অবস্থাে-বিক্ষোভ করল বিজেপি। বিজেপির আশঙ্কা, ভোট লুট, ছাপ্পা এবং মানুষ হত্যার পর এবার হবে গণনায় চুরি। আর তাই স্ট্রং রুমের সামনে অবস্থান করলেন বিজেপি সাংসদ এবং বিধায়ক।

    ঘটনা কোথায় ঘটল (Malda)?

    গাজোলে স্ট্রং রুমের সামনে ধরনায় বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও গাজলের বিজেপি বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন। স্ট্রংরুমের মধ্যেই শাসক দলের মদতে কারচুপির করা হচ্ছে। তাই ভোট চুরি আটকাতে অভিযোগ তুলেই ধর্নায় বসেছেন সাংসদ ও বিধায়ক।

    কী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু (Malda) বলেন, গতকাল ভোটের দিন শাসক দলের দুষ্কৃতীরা বুথে ঢুকে মানুষের ভোট লুট করেছে, সাধারণ মানুষকে ভোট না দিতে দিয়ে ছাপ্পা মেরেছে তৃণমূল এবং সর্বোপরি মানুষের গণতন্ত্রের অধিকারকে কেড়ে নিয়ে মৃত্যুর হোলি খেলা হল! তার বিরুদ্ধে আমরা আজ গাজলের নাকু মহম্মদ হাই স্কুলে যে স্ট্রং রুম ঠিক করা হয়েছে, সেখানে এসে প্রতিবাদ জানিয়ে অবস্থানে বসেছি। ৮৩ নম্বর বুথের ব্যালট বাক্স খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নিচে পোলিং অফিসাররা রিসিভ করেছেন। কিন্তু তারপর থেকে আর পাওয়া যাচ্ছে না। বিডিও, জয়েন্ট বিডিও সাহেবকে এই ব্যালট বাক্সের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তাঁরা নিরুত্তর থাকেন। বিজেপির এই সাংসদ আরও বলেন, আমরা গত কাল রাত ১১ টা থেকে আজ পর্যন্ত বসে আছি। কিন্তু ব্যালট বাক্সের কোনও হদিশ নেই। ২১৭ নম্বর বুথের জেলা পরিষদের ব্যালট বাক্স ফাঁকা করে রাখা হয়েছিল। প্রিসাইডিং অফিসার নিজে তৃণমূলের হয়ে ছাপ্পা মারছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। যে ভাবেই হোক না কেন, জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতিগুলিকে দখল করতে চাইছে শাসক দল! এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, দেশে পঞ্চায়েত ব্যবস্থা এমন যে তার মধ্যে দিয়েই কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের টাকাগুলিকে বাস্তবায়ন করা হয়। কেন্দ্র সরকারের টাকা চুরি করার সহজ রাস্তা হল পঞ্চায়েত দখল করা। আর তাই তৃণমূলের সকল চোরেদের কাছে বিষয়টা এমন যে পঞ্চায়েত হাতে এলেই চুরি করতে সুবিধা হবে! আর এই জন্যই তৃণমূল চাইছে পঞ্চায়েত নির্বাচনে শুধু তৃণমূলই থাকবে। রাজ্যে একতরফা ভোট চুরি করেছে শাসক তৃণমূল। সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, গাজলের ২৫৩ টি বুথেই পুনরায় নির্বাচন হোক।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: মন্ত্রী ও পুলিশের গাড়িতে দুষ্কৃতীদের হামলা, জখম ডিএসপি সহ পুলিশ কর্মী

    Malda: মন্ত্রী ও পুলিশের গাড়িতে দুষ্কৃতীদের হামলা, জখম ডিএসপি সহ পুলিশ কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের দিন রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাসের আবহে ভোট সম্পন্ন হল। মালদায় (Malda) তৃণমূলের মন্ত্রী এবং পুলিশের গাড়িতে আক্রমণ করে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এমনকী এক পুলিশ কর্মীকে পাথরের আঘাতে জখম করার অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এছাড়াও দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট এলাকায় পুলিশ কর্মী দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত হওয়ায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাসের আবহ চলছে।

    হরিশ্চন্দ্রপুরে (Malda) পুলিশ আক্রান্ত

    জানা যায়, ভোটের দিন শনিবার রাত ১০ টা নাগাদ রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তজমুল হোসেন ও হরিশ্চন্দ্রপুর (Malda) থানার পুলিশ এলাকার ২ নং ব্লকের ইসলামপুর গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে ভোট পরিদর্শন করে ফিরছিলেন। হঠাৎ বস্তা গ্রামে একদল দুষ্কৃতী রাজ্যের মন্ত্রী ও পুলিশের গাড়ি আটকে পাথর ও ইটের টুকরো ছুড়তে শুরু করে। পাথরের আঘাতে ভেঙে যায় গাড়ির কাচ এবং এক পুলিশকর্মী জখম হন। আক্রান্ত পুলিশ কর্মী হচ্ছেন মালদার ট্রাফিকের ডিএসপি বিপুল ব্যানার্জি। রাতেই এই পুলিশ কর্মীকে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে বলে খবর। তবে অনুমান করা হচ্ছে বিহার থেকে এসে দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত  শুরু করেছে পুলিশ।

    মগরাহাটে আক্রান্ত পুলিশ

    একই দিনে মালদায় পুলিশ আক্রান্তের পর দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও পুলিশ আক্রান্তের খবর মিলেছে। তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেসের মধ্যে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন মগরাহাট থানার ৩ পুলিশ কর্মী। মগরাহাট থানার একজন এসআই সহ দুই কনস্টেবল আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন হাসপাতালে। ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মগরাহাটের নৈনান এলাকা। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেসের মধ্যে নৈনান এলাকায় সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘটনার খবর পেয়ে মগরাহাট থানার পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে সেখানেই কংগ্রেস কর্মীরা পুলিশের উপর চড়াও হয়ে মারধর করে বলে জানা যায়। ঘটনায় মাথা ফেটেছে পুলিশ কর্মীদের। আহত তিন পুলিশ কর্মী হলেন এসআই আরিফ মহম্মদ ও ২ কনস্টেবল লালটু ও প্রসেনজিৎ। তাঁদের মধ্যে একজন কনস্টেবলের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসকরা তাঁকে ডায়মন্ডহারবার জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন। ঘটনার পর নৈনান এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share