Tag: Panchayat Election

Panchayat Election

  • Panchayat Election: পাহাড়ে চাপে তৃণমূল! পঞ্চায়েতে মহাজোটের পথে বিজেপি

    Panchayat Election: পাহাড়ে চাপে তৃণমূল! পঞ্চায়েতে মহাজোটের পথে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৩ বছর পর পাহাড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election) হচ্ছে। ভোটের দিন ঘোষণা হতেই প্রবল চাপের মুখে তৃণমূল কংগ্রেস ও তার সহযোগী অনিত থাপার দল ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা। পাহাড়ের দ্বিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোটে এবার এই দুই দলের বিরুদ্ধে পাহাড়ের বাকি সব দলগুলি বিজেপির নেতৃত্বে মহাজোট গড়তে চলেছে। শনিবার শিলিগুড়িতে জোট সঙ্গীদের নিয়ে দিনভর দফায় দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন বিজেপির দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা। রাতে হামরো পার্টির সভাপতি অজয় এডওয়ার্ড এবং গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সভাপতি বিমল গুরুং-এর সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করেন রাজু বিস্তা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের এই মহাজোটে পাহাড়ের রাজনীতিতে নয়া সমীকরণ তৈরি করবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।

    কেন এই জোট?

    শনিবার রাতে রাজু বিস্তা বলেন, “পাহাড় দুর্নীতিতে ভরে গিয়েছে। দুর্নীতিমুক্ত সুষ্ঠু প্রশাসন দেওয়ার লক্ষ্যে আমরা এই মহাজোট করার উদ্যোগ নিয়েছি। এদিন জোট সঙ্গীদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। অন্য রাজনৈতিক দলগুলিকেও এই জোটে আনার ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জোট সঙ্গীরা যে যেখানে শক্তিশালী, তারা নিজেদের প্রতীকে সেখানে লড়বে। এটা গ্রামের নির্বাচন। তাই আমরা চাই পাহাড়ে গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুক আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলোই। তার জন্য যা করার তা করা হবে। এই জোটের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করতে আমরা আবার রবিবার আলোচনায় বসবো।”

    কী বলছে জোট শরিকরা?

    অজয় এডওয়ার্ড বলেন, “পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্যই এই মহাজোট করা হচ্ছে। সবাই এক হয়ে না লড়লে তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করা যাবে না। সেটা আমরা জিটিএ নির্বাচনে বুঝেছি।” জিএনএলএফ বিধায়ক নিরজ জিম্বা বলেন, “এদিনের বৈঠক সন্তোষজনক হয়েছে। তবে, কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কেননা বিমল গুরুঙ্গের গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা এই জোটে আসার সম্মতি জানিয়েছে।” গোরানিমোর তরফে দাওয়া পাখরিন বলেন, “জোট নিয়ে এদিন দার্জিলিংয়ের সাংসদের সঙ্গে ভালো আলোচনা হয়েছে। এই জোট আরও শক্তিশালী হবে।” গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরি বলেন, “পাহাড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) প্রধান ইস্যু হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই। তৃণমূলের সমর্থনে একটি দল পাহাড়ে অপশাসন করছে। দুর্নীতিতে ভরে গিয়েছে। এর থেকে পাহাড়কে মুক্ত করতে সবাইকে এক হয়ে লড়তে হবে।”

    চাপে পড়ে কী বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এদিকে তৃণমূল এখনও পর্যন্ত ঠিক করতে পারেনি, কত আসন লড়বে এবং প্রার্থী কারা হবে। নির্বাচন (Panchayat Election) ঘোষণার পরপরই এই মহাজোটের উদ্যোগে তৃণমূলের সব হিসেব ওলোটপালট হয়ে গিয়েছে। যদিও চিন্তিত তৃণমূল নেতৃত্ব মুখে একথা স্বীকার করছে না। তৃণমূলের রাজ্য নেতা ও শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, “বিজেপি পাহাড়ে অশান্তি পাকানোর জন্য এসব করছে। পাহাড়ের মানুষ তাদের আর পছন্দ করছে না বুঝতে পেরেই মুখ রক্ষার জন্য কিছু নেতা জোট করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। কিন্তু পাহাড়ের মানুষ জানেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই পাহাড়ের উন্নতি হয়েছে। তাই তাঁরা এই জোটকে প্রত্যাখ্যান করবেন।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb: পঞ্চায়েত ভোটের আগে ফের ব্যাগ ভর্তি বোমা উদ্ধার, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Bomb: পঞ্চায়েত ভোটের আগে ফের ব্যাগ ভর্তি বোমা উদ্ধার, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের দিন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। শনিবার ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার দ্বিতীয় দিন। রাজ্যজুড়ে বিজেপি সহ বিরোধী প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোটের আগে সন্ত্রাস করতে চাইছে তৃণমূল। তাই, বোমা (Bomb) মজুত করা হচ্ছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং মুর্শিদাবাদে ব্যাগ ভর্তি বোমা বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনা সেকথায় প্রমাণ করছে।

    কী করে উদ্ধার হল বোমা (Bomb)?

    শুক্রবার সন্ধ্যায় মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ থানার উত্তর অন্তরদীপা গ্রামে পুকুরের পাড় থেকে তাজা বোমা (Bomb) উদ্ধার হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সামশেরগঞ্জের উত্তর অন্তরদীপা গ্রামে একটি ঢালাই রাস্তা তৈরির কাজ হচ্ছিল। সেসময় রাস্তার পাশে থাকে একটি সিঁড়ি ভাঙাকে কেন্দ্র করে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে ঝামেলার সৃষ্টি হয়। গণ্ডগোল থেকে শুরু হয় ইটবৃষ্টি। তাতে জখম হন তিনজন। জখমদের জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযোগ, গণ্ডগোলের সময় অলিউল এবং সেনারুল নামে দুই ব্যক্তি বোমা নিয়ে হুমকি দেওয়ার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ। তখনই বোমা রেখে পালায় অভিযুক্তরা। পরে, এই ঘটনায় আটক করা হয়েছে এক ব্যক্তিকে।

    ক্যানিংয়ে উদ্ধার হল ব্যাগ ভর্তি বোমা (Bomb)

    দক্ষিন ২৪ পরগনার ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভার ঘুটিয়ারিশরিফ সুভাষপল্লি এলাকায় শনিবার সকালে দু ব্যাগ তাজা বোমা (Bomb)  উদ্ধার হয়। একটি ফাঁকা এলাকা থেকে বোমাগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর জন্যই এই বোমা মজুত করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে পুলিশ। এই ঘটনায় একজনকে তৃণমূল কর্মীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদও করছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, আটক হওয়া তৃণমূল কর্মীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার কথা ছিল। তাঁর দলের বিরুদ্ধে গোষ্ঠীর লোকজনই পুলিশের সঙ্গে যোগসাজশ করে এই কাজ করেছে। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, বোমাগুলি (Bomb) কেন মজুত করা হয়েছিল তা জানতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: বিজেপির মনোনয়নে হামলা, বোমাবাজি করে বাধা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Panchayat Election: বিজেপির মনোনয়নে হামলা, বোমাবাজি করে বাধা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাওয়ার সময় বিজেপি প্রার্থীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর ব্লকে। হামলার জেরে বিজেপি প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি কর্মীরা মিছিল করে মহকুমা শাসকের অফিসের সামনে ধর্নায় বসেন। অন্যদিকে, পাত্রসায়র ব্লকে বিজেপির মনোনয়নে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বোমাবাজিও করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে পাত্রসায়রের কাকরডাঙা মোড়ে বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁর নেতৃত্বে রাস্তা অবরোধ করা হয়।

    কী বললেন আক্রান্ত বিজেপি নেতা

    শনিবার পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election) মনোনয়ন জমা দেওয়ার দ্বিতীয় দিন ছিল। আক্রান্ত বিজেপি নেতা তপন মজুরি বলেন,  দলীয় প্রার্থীরা পার্টি অফিস থেকে গ্রাম পঞ্চায়েতের মনোনয়ন জমা দিতে বিডিও অফিসে যাওয়ার পথে প্রথমে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আটকায়। বিডিও অফিসে দুজন করে মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার কথা বলা হয়। বিজেপি প্রার্থীরা প্রশাসনের নির্দেশ মেনে মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার সময় তৃণমূলের লোকজন এসে তাদের কাগজপত্র ছিঁড়ে দেয়। এরপরই তাঁদের বেধড়ক পেটায় বলে অভিযোগ। আমরা বাধা দিতে গেলে আমাদের উপর চড়াও হয়। মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়।  গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। হামলার জেরে কয়েকজন প্রার্থী জখম হন। তৃণমূলীদের বাধায় দলীয় প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা করতে পারেননি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক যুব মোর্চার সহ সভাপতি জয় দাঁ বলেন, বিডিও অফিসে যাওয়ার পথে তৃণমূল তাণ্ডব চালিয়েছে। আমাদের বেশ কয়েকজন কর্মী সমর্থক জখম হয়েছে। তৃণমূলের বাধায় আমরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারিনি। বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বলেন, তৃণমূল আমাদের মনোনয় দিতে বাধা দিতে দিচ্ছে। পাত্রসায়রে পুলিশ প্রশাসন ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে বসে রয়েছে। এলাকায় সন্ত্রাস তৈরি করতে বোমাবাজিও করেছে তৃণমূল। সুষ্ঠুভাবে পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election) হলে মানুষ আমাদের পক্ষে রায় দেবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে জেলা তৃণমূলের যুব সভাপতি সুব্রত দত্ত বলেন,  ওদের কাছে কোনও কর্মী নেই। প্রার্থী খুঁজে পাচ্ছে না। তাই এসব নাটক করছে। পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) আগে এসব মিথ্যা অভিযোগ করে ওরা খবরে থাকতে চাইছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে মনোনয়নে বাধা তৃণমূলের, রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে বিজেপি

    BJP: আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে মনোনয়নে বাধা তৃণমূলের, রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবার-১ ব্লক অফিসে কোনও ব্যবস্থা না থাকার কারণে বিজেপি (BJP) সহ বিরোধী দলের বহু প্রার্থী মনোনয়ন জমা না দিয়ে ফিরে আসতে বাধ্য হন। বীরভূমের রামপুরহাট-২ ব্লকেও একই ঘটনা ঘটে। সেখানেও ব্লক অফিসের কর্মীদের প্রশিক্ষণ না থাকার কারণে মনোনয়ন জমা দিতে পারেনি বিজেপির শতাধিক প্রার্থী। শনিবারও মনোনয়ন জমা দেওয়ার দ্বিতীয় দিনে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায় তৃণমূলীদের বাধায় মনোনয়ন জমা দিতে পারল না বিজেপি। প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপি কর্মীরা।

    বিজেপি (BJP) প্রার্থীদের কী বক্তব্য?

    শনিবার কাটোয়া-১ ব্লকে এদিন বিজেপি (BJP) কর্মীরা মনোনয়ন জমা দিতে যান। বিডিও অফিসের মুখে তৃণমূল কর্মীরা জমায়েত করে দাঁড়িয়ে থাকে। বিজেপি প্রার্থীদের বক্তব্য, এদিন ২৩ জন মনোনয়ন জমা দেওয়ার জন্য যাচ্ছিলাম। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আমাদের ঘিরে ধরে। মনোনয়ন করা যাবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়। পুলিশ প্রশাসন বিডিও অফিসের ভিতরে থাকলেও কেউ আমাদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করেনি। ফলে, আমরা এদিন মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করলেও তৃণমূলীদের বাধায় ফিরে আসতে বাধ্য হই। পরে, রাস্তা অবরোধ করে আমরা প্রতিবাদ জানাই।

     কী বললেন বিজেপি (BJP) নেত্রী?

    বিজেপি (BJP) নেত্রী সীমা ভট্টাচার্য বলেন, ২০১৮ সালে যে কায়দায় তৃণমূল ভোট করেছিল, এবারও সেই একই কায়দায় ওরা ভোট করতে চাইছে। আমাদের প্রার্থীদের আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে মনোনয়ন জমা করতে দেয়নি তৃণমূল। কোনও হিন্দু থাকবে না। এটার অর্থ কী? সংখ্যালঘুরা শুধু প্রার্থী দেবে। আমরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছি। পুলিশ আমাদের নিরাপত্তা দিয়ে মনোনয়ন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত রাস্তা অবরোধ চলবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা প্রসেনজিৎ দাস বলেন, বিজেপি (BJP) কর্মীদের বাধা দেওয়ার  ঘটনা কোথাও ঘটেনি। কাউকে বাধা দেওয়া হলে সেটা জেলাশাসক, মহকুমা শাসকের কাছে তাঁরা অভিযোগ জানাতে পারে। কিন্তু, সেটা করা হয়নি। আসলে সংবাদ মাধ্যমের কাছে অভযোগ করে তারা প্রচারের আলোয় আসতে চাইছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস কর্মীকে গুলি করে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Panchayat Election: মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস কর্মীকে গুলি করে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রথম দিনই রক্ত ঝড়ল মুর্শিদাবাদে। খড়গ্রাম থানার নলদ্বীপ রতনপুর এলাকায় কংগ্রেস কর্মী ফুলচাঁদ শেখকে এলোপাথাড়ি গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    ফুলচাঁদসাহেব ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা সকলেই কংগ্রেস করেন। তিনি এতদিন কেরলে ছিলেন। কয়েকদিন আগেই তিনি বাড়ি ফিরেছেন। শুক্রবার পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election)  কে প্রার্থী হবে তা নিয়ে এলাকায় গত কয়েকদিন ধরেই কংগ্রেস এবং তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে চর্চা চলছে। তবে, সেটা দুই দলের মধ্যে ছিল। কোনও বিবাদ হয়নি। জানা গিয়েছে, ফুলচাঁদসাহেব খাওয়াদাওয়া সেরে তিনি বাড়ির সামনে তাস খেলছিলেন। আচমকা দৃষ্কৃতীরা এসে প্রথমে লাঠি দিয়ে হামলা চালায়। পরে, তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথারি গুলি চালায় অভিযোগ। গুলির আঘাতে ফুলচাঁদসাহের গুরুতর জখম হন। গুরুতর জখম অবস্থায় ফুলচাঁদসাহেবকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিত্সকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। জখমদের হাসপাতালে চিকিত্সা চলছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    ফুলচাঁদসাহেবের মা বলেন, আমরা বরাবরই কংগ্রেস করি। আমার ছেলে কয়েকদিন আগেই বাড়ি ফিরেছে। এলাকায় ভোট (Panchayat Election) বলে তৃণমূলের ছেলেরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। আমার ছেলে কংগ্রেস করেই বলেই তৃণমূলের লোকজন এসে গুলি চালিয়ে খুন করেছে।  ওদের হামলায় কয়েকজন জখম হয়েছে।

    কী বললেন প্রদেশ কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি?

    প্রদেশ কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) জয় হাসিল করতেই কংগ্রেস কর্মীকে খুন করল তৃণমূল। এই ভোটকে প্রহসনে পরিণত করতে চাইছে তৃণমূল। এই কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু আমরা ব্যর্থ হতে দেব না। মানুষ প্রতিবাদ, মানুষের প্রতিরোধ ইতিহাসে শেষ কথা বলে, আমরা তার প্রমাণ দিয়ে দেব।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা আশিস মার্জিত বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। গ্রাম্য বিবাদের জেরেই এই ঘটনা রয়েছে। তৃণমূল কোনওভাবেই জড়িত নয়। এই ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: ব্লকে কোনও ব্যবস্থাই নেই, মনোনয়ন জমা দিতে পারলেন না বিজেপি প্রার্থীরা

    Panchayat Election: ব্লকে কোনও ব্যবস্থাই নেই, মনোনয়ন জমা দিতে পারলেন না বিজেপি প্রার্থীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্বদলীয় বৈঠক না ডেকে এবং কোনও পরিকাঠামো তৈরি না করেই আচমকা পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) দিন ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের এই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, “নির্বাচন কমিশনার তৃণমূলের আঞ্চলিক শাখার মতো আচরণ করছেন।” পরিকাঠামো তৈরি না করে ভোট ঘোষণা করা হয়েছে বলে অন্য বিরোধীরাও অভিযোগ করেছে। এই অভিযোগ যে কথার কথা নয়, তা প্রমাণিত হয়ে গেল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার-১ ব্লকে। এদিন বিজেপি সহ বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে এসেও ফিরে গিয়েছেন। বলা ভালো, ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    আগামী ৮ ই জুলাই পঞ্চায়েত ভোট। বৃহস্পতিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নির্বাচনের (Panchayat Election) দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রার্থীদের ৯ ই জুন থেকে ১৫ই জুন পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা করার নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করা হয়। হাতে সময় কম বলে এদিন  বিজেপি, সিপিএম এবং আইএসএফের প্রার্থীরা ডায়মন্ডহারবার ১ নম্বর ব্লকে মনোনয়নপত্র জমা করতে যান। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র জমা নেওয়ার কোনও ব্যবস্থা করে উঠতে পারেনি। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। বাধ্য হয়ে সকলেই মনোনয়নপত্র জমা না করে শূন্য হাতেই ফিরে যান।

    কী বললেন বিরোধী দলের প্রার্থীরা?

    বিজেপি নেতা কুণাল হালদার বলেন, “আমি পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী। আমার সঙ্গে বহু দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিতে এসেছেন। কিন্তু, মনোনয়ন জমা নেওয়ার কোনও ব্যবস্থাই নেই। ফলে, আমরা প্রস্তুতি নিয়েও প্রশাসনের গাফিলতির জন্য মনোনয়ন জমা দিতে পারলাম না।” সিপিএমের ডায়মন্ডহারবার ১ নম্বর এরিয়া কমিটির সম্পাদক দেবাশিস ঘোষ বলেন, “২০১৮ পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election) পুনরাবৃত্তি করতে চাইছে রাজ্যের শাসকদল। প্রশাসনও তাদের সঙ্গে যুক্ত। আমরা প্রশাসনের সর্বস্তরে অভিযোগ জানাব।”

    ব্লক প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    ডায়মন্ডহারবার ১ নম্বর ব্লকের বিডিও সুবীর দাস বলেন, “বৃহস্পতিবার নির্বাচনের (Panchayat Election) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সব কিছু ব্যবস্থা করতে একটু সময় দরকার। দ্রুততার সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মনোনয়নপত্র জমা করার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: সামশেরগঞ্জের আমবাগান থেকে দুই ব্যাগ ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য

    Murshidabad: সামশেরগঞ্জের আমবাগান থেকে দুই ব্যাগ ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বোমা উদ্ধারের ঘটনা ঘটেই চলেছে। গত সপ্তাহেই মুর্শিদাবাদের রানিনগরে ফলের বাগানে, রেজিনগরে পাট ক্ষেতে এবং ডোমকলে নদীর ধারে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল রাজ্যে। এই জেলায় (Murshidabad) ফের পঞ্চায়েত ভোটের আগে একটি আমবাগান থেকে তাজা বোমা উদ্ধার করল পুলিশ। তীব্র গরমে সাধারণ মানুষের জীবনে এখন বোমার আতঙ্ক যেন নতুন সংযোজন।

    মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) কীভাবে বোমা উদ্ধার?

    রাজ্যে সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। আর ঠিক তার আগেই ফের ব্যাগ ভর্তি তাজা বোমার খোঁজ মিলল মুর্শিদাবাদে (Murshidabad)। সোমবার সকাল সকাল এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে সামশেরগঞ্জ থানার হাউসনগর কৃষক বাজার সংলগ্ন এলাকায়। এদিন গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হাউসনগর কৃষক বাজারের উল্টো দিকে একটি আমবাগানে হানা দেয় সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ। তারপর সেখান থেকেই উদ্ধার করা হয় দুই ব্যাগ ভর্তি তাজা বোমা। এরপর ঘটনাস্থলকে ঘিরে রেখে, খবর দেওয়া হয় বোম স্কোয়াডকে। কে বা কারা আমবাগানে বোমাগুলো রেখেছে, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ। দুই ব্যাগে প্রায় ১৫ টি বোমা থাকতে পারে বলেই অনুমান পুলিশের। এদিকে পঞ্চায়েত ভোটের আগে একের পর এক বোমা উদ্ধারের ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে সামশেরগঞ্জের রাজনৈতিক মহলে।

    এবার দেখা যাক, এর আগে জেলার কোথায় কোথায় বোমা উদ্ধার হয়েছিল।

    রানিনগরে (Murshidabad) বাগান থেকে উদ্ধার বোমা

    গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বুধবার রানিনগর (Murshidabad) থানার ইলসামারি এলাকায় একটি বাগানে তল্লাশি চালায় পুলিশ এবং তিনটি ব্যাগ ভর্তি সকেট বোমা উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চঞ্চলা ছড়ায়। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছিল পুলিশ। বোম্ব স্কোয়াডকেও খবর দেওয়া হয়েছিল বোমগুলিকে নিষ্ক্রিয় করার জন্য। কে বা কারা, কী কারণে এতগুলি বোমা বাগানের মধ্যে মজুত করে রেখেছিল, সেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    রেজিনগরে পাট ক্ষেতে বোমা উদ্ধার

    বেলডাঙা ২ রেজিনগর (Murshidabad) থানার বিকননগর কৈখালী সাঁকোর কাছে পাটের জমি থেকে উদ্ধার হয়েছিল ড্রাম ভর্তি তাজা সকেট বোমা। আর এই উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চলের সৃষ্টি হয় এলাকা জুড়ে। স্থানীয়রা ক্ষেতের মধ্যে বোমা দেখে, রেজিনগর থানায় খবর দিলে পুলিশ সেগুলিকে নিষ্ক্রিয় করার কাজ শুরু করে। এই ঘটনায় এলাকার চাষিরা জমিতে চাষ করতে গেলে ভয় পাচ্ছেন বলে জানা যায়।

    ডোমকলে নদীর ধারে বোমা উদ্ধার

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই ডোমকলে (Murshidabad) উদ্ধার হয়েছিল সকেট বোমা। আর একে ঘিরেই শুরু হয় রাজনৈতিক তরজা। বৃহস্পতিবার সকালে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় মুর্শিদাবাদের ডোমকলের শিয়ালমারী ঘাটের ধারে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল সকাল নদীর ধারে একটি বাগান থেকে একটি বালতি বোঝাই সকেট বোমা উদ্ধার হয়। তারপরেই বোমার স্থানকে ঘিরে রাখে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Poll: ‘পছন্দের প্রার্থীদের তালিকা পাঠাব! ছাড়পত্র না মিললে…’ মুখ্যমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি তৃণমূল বিধায়কের

    Panchayat Poll: ‘পছন্দের প্রার্থীদের তালিকা পাঠাব! ছাড়পত্র না মিললে…’ মুখ্যমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি তৃণমূল বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Poll) পছন্দের প্রার্থীদের তালিকা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পাঠাব। ছাড়পত্র না মিললে সবাই নির্দলে দাঁড়িয়ে লড়াই করবে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বিস্ফোরক দাবি উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরীর।  তৃণমূল বিধায়কের হুঁশিয়ারি শুনে তাঁকে দলীয় শৃঙ্খলা মেনে চলার কথা আরও এক বার স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের উত্তর দিনাজপুরের জেলা সভাপতি কানহাইয়ালাল আগরওয়াল।

    তৃণমূলের ফাটল বৃদ্ধি

    পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Poll) যত এগিয়ে আসছে, ততই তৃণমূলের ফাটল আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে। ১১ বারের বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরীর মন্তব্য সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী বাছবেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাছাড়া স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, এলাকায় পরিচিত এবং শিক্ষিত পুরুষ–মহিলাকে প্রার্থী করা হবে বলে ঠিক করা হয়েছে। সেখানে কারও হুঁশিয়ারি বরদাস্ত করা হবে না। তাই প্রত্যেক জেলার সঙ্গে বৈঠক করতে শুরু করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আর ৮ এপ্রিল থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত জেলা সফর করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রেক্ষাপটে প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিধায়ক।

    কী বললেন বিধায়ক

    পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Poll) ইসলামপুরে তৃণমূলের প্রার্থী নির্বাচন প্রসঙ্গে করিম চৌধুরী বলেন, ‘‘আমার ব্লকের প্রার্থিতালিকা বানিয়ে পাঠিয়ে দেব। সেই তালিকায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি পুরোপুরি অনুমোদন না দেন, তা হলে আমার প্রার্থীরা নির্দল হিসাবে দাঁড়াবে।’’ ওই প্রার্থীদের অবশ্য ‘গোঁজ প্রার্থী’ বলতে নারাজ তিনি। তাঁর ব্যাখ্যা, ‘‘জনগণের অধিকার আছে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার। কারণ, কেউ কাজ করতে চাইলে তাঁকে আমি টিকিট না দিয়ে বসিয়ে দেব কেন?’’ পঞ্চায়েত ভোটে নিজের লক্ষ্যও স্পষ্ট করে দিয়েছেন আব্দুল করিম। তাঁর কথায়, ‘‘এখানে দুর্নীতিমুক্ত পঞ্চায়েত গড়ার চেষ্টা করব আমি।’’

    আরও পড়ুুন: একাধিক ব্যাঙ্ক লকারের সন্ধান! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অয়নের স্ত্রীকে ডাকতে পারে ইডি

    দলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল এই প্রসঙ্গে বলেন, বিধায়কের বা জেলা সভাপতির দল হয় না, দলেরই বিধায়ক বা জেলা সভাপতি হন। সুতরাং টিকিটের (Panchayat Poll) বিষয়ে দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। তাঁর মতে, প্রস্তাব তো যে কেউ পাঠাতে পারে, তবে দলের সিদ্ধান্তই হবে চূড়ান্ত। এই বিষয়ে বিজেপির দাবি, জেলায় তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল বারবার প্রকাশ্যে এসেছে। যা নিয়ে মানুষ এদের জবাব দেবে বলেই মনে করছেন বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক তাপস বিশ্বাস।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: আদালত অবমাননা! হাইকোর্টে হাজিরা দিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা

    Calcutta High Court: আদালত অবমাননা! হাইকোর্টে হাজিরা দিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটে আদালত অবমাননার মামলায় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে উপস্থিত হলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। শুক্রবার এই মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ আদালত অবমাননার রুলের উত্তর দিতে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছে রাজীবকে। তবে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এ-ও জানান যে, আদালত প্রয়োজন মনে করলে আবার ডেকে পাঠাবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে। ৮ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    কী বলল আদালত

    পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর করেননি রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। এই অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের হয়েছিল। ওই মামলায় গত শুনানিতে হাইকোর্ট রাজীবের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করে। শুক্রবার ওই মামলার শুনানিতে আদালতে সশরীরে হাজিরা দেন রাজীব। শুক্রবার সকাল ১০টা নাগাদ আদালতে পৌঁছে যান তিনি। এদিন, তাঁকে রুলের উত্তর দিতে সময় দিয়েছে আদালত। 

    কেন রুল জারি করে আদালত

    কোনওপ্রকার অসাংবিধানিক বা বেআইনি ঘটনা ঘটলে হাইকোর্ট নিজে অথবা কারও দায়ের করা মামলায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাখ্যা চাইতে পারে। একেই রুল জারি বলা হয়। রাজীবা সিনহার ক্ষেত্রে আজ শুক্রবার সেই রুলের শুনানি ছিল। রুল অনুযায়ী, জবাব দেওয়ার জন্য ১৫-২০ দিন সময় দেওয়া হোক, শুক্রবার সেই আর্জি জানান কমিশনার। এরপর প্রধান বিচারপতি রুলের শুনানির দিন স্থির করেন। আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছ রাজীবা সিনহাকে। তার মধ্যে উত্তর দিতে হবে তাঁকে। ৮ জানুয়ারির মধ্যে শুনানি শেষ করতে হবে।

    আরও পড়ুন: ‘সংসদীয় পোর্টাল গোপনীয়’, মহুয়া-বিতর্কের মধ্যেই নয়া নির্দেশ লোকসভার

    পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি জানিয়ে গত ডিসেম্বরে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেছিলেন শুভেন্দু। শুধু তা-ই নয়, অবসরপ্রাপ্ত কোনও বিচারপতির নজরদারিতে পঞ্চায়েত ভোট করানোর আর্জি জানান তিনি। বিভিন্ন প্রচারসভা থেকেই শুভেন্দু অভিযোগ করেছিলেন, রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্রমেই অশান্তি ছড়াচ্ছে। এর পরেই কলকাতা হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে পঞ্চায়েত ভোট করানোর নির্দেশ দেয়।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: ভোট ‘সন্ত্রাসের শিকার’! আক্রান্ত মহিলাদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে গেল বিজেপির পরিষদীয় দল

    Post Poll Violence: ভোট ‘সন্ত্রাসের শিকার’! আক্রান্ত মহিলাদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে গেল বিজেপির পরিষদীয় দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের আগে পরে বাংলায় শাসকদলের সন্ত্রাসের হাত থেকে রেহাই পাননি মহিলারাও। বারবার এমনই অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। বিজেপির অভিযোগ, ভোটপর্ব মিটে যাওয়ার পর এখনও অনেক জেলায় দলীয় সমর্থকদের উপর তৃণমূল অত্যাচার চালাচ্ছে। বিজয়ী এবং পরাজিত মহিলা প্রার্থীদের নানা ভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পঞ্চায়েত ভোটের সন্ত্রাসের শিকার মহিলাদের তাই এবার নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে গেল বিজেপি পরিষদীয় দল। 

    নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে

    বুধবার বিধানসভায় বিজেপি পরিষদীয় দলের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন পাঁচ জন ঘরছাড়া বিজেপি মহিলা প্রার্থী এবং কর্মী। সেখানেই তাঁরা বিজেপি পরিষদীয় দলের সদস্যদের জানান, তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা। আমতা-২ ব্লকে বিজেপির হয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২ জন প্রার্থী জানান তাঁদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের কান্নায় ভেঙে পড়তেও দেখা যায়। এই পাঁচ জনের দলে ছিলেন পাঁচলায় আক্রান্ত মহিলাও। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর কথায়, পঞ্চায়েত ভোটের দিন শাসকদলের ছাপ্পা আটকাতে গিয়ে তাঁকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। তিনি এবং তাঁর পরিবার বাড়ি ফিরতে ভয় পাচ্ছেন। ঘটনাচক্রে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দিল্লিতে থাকায় তাঁর সঙ্গে দেখা হয়নি আক্রান্তদের। বিজেপি পরিষদীয় দল সূত্রে খবর, ওই পাঁচ জন বিজেপির মহিলা কর্মীকে নিরাপদ আশ্রয় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যথা সময় তাঁদের আইনি প্রয়োজনে আদালতে পেশ করা হবে। 

    আরও পড়ুুন: মালদার ২ মহিলাকে নির্যাতন! রিপোর্ট তলব জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের

    ভোট সন্ত্রাসে সন্ত্রস্ত মহিলারাও

    সম্প্রতি রাজ্যে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস প্রত্যক্ষ করে গিয়েছে মহিলা সাংসদদের নিয়ে গঠিত বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম। বিজেপির ওই মহিলা সাংসদরা হিংসাদীর্ণ এলাকাগুলি ঘুরে দেখেছেন, কথা বলেছিলেন ভুক্তভোগী মহিলাকর্মী এবং জয়ী ও পরাজিত প্রার্থীদের সঙ্গেও। ফিরে গিয়ে তাঁরা দলের জাতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার কাছে রাজ্যের হিংসা পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্ট পেশ করেছেন। ভোটের দিন বাংলাতে মহিলাদের উপর মধ্যযুগীয় বর্বরতার ছবি তুলে ধরেছিলেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। বিজেপির মহিলা প্রার্থীকে বিবস্ত্র করে গ্রাম ঘোরানোর অভিযোগ করেন তিনি। হাওড়ায় বুথে বিজেপি প্রার্থীর উপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ শানিয়ে লকেট বলেছিলেন, ‘যেখানে মহিলাদের সুরক্ষা দেওয়ার কথা রাজ্যের মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর, সেখানে মহিলাদের অত্যাচার, শিশু পাচারে এগিয়ে বাংলা। বিজেপির লোকেরা মার খাচ্ছেন, এফআইআর করা যায় না, অনেক কষ্টে অনলাইলে অভিযোগ দায়ের করতে হয়। ‘                     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share