Tag: Panchayat Election

Panchayat Election

  • Panchayat Election 2023: মক্কা থেকে কীভাবে মিনাখাঁয় মনোনয়ন? সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Panchayat Election 2023: মক্কা থেকে কীভাবে মিনাখাঁয় মনোনয়ন? সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মক্কায় বসে পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) কীভাবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তৃণমূল প্রার্থী? আগেই এ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। এবার সেই ঘটনার তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার একক বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছেন। সিআইডির তদন্তের উপর নজরদারি চালাবেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি দেবীপ্রসাদ দে। তাঁর নেতৃত্বেই হবে তদন্ত। সিআইডির ডিআইজিকে বিষয়টি তদন্ত করে দেখে চার সপ্তাহ পর রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি সিনহার একক বেঞ্চ। 

    এক মাসের মধ্যে রিপোর্ট

    মক্কা থেকে উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁয় পঞ্চায়েত ভোটের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী মোহারুদ্দিন গাজি। সেই মনোনয়নপত্র আগেই বাতিল করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ফলে মোহারুদ্দিন পঞ্চায়েত ভোটে লড়তে পারেননি। এ বার হাইকোর্টের নির্দেশ, কী করে এমন ঘটল, তা তদন্ত করে দেখতে হবে সিআইডিকে। এক মাসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে আদালতে। 

    আরও পড়ুন: ভুতুড়ে কাণ্ড! ভ্যানিশ ৪৩ ভোট, মাত্র ১২ ভোটে জিত তৃণমূলের

    গত ৪ জুন সৌদি আরবে তীর্থ করতে গিয়েছিলেন মোহারুদ্দিন। তিনি দেশে না ফিরলেও তাঁর মনোনয়নপত্র জমা পড়ে উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁর কুমারজোল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রার্থী হিসাবে। বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টই ইতিপূর্বে বেশ কিছু কড়া মন্তব্য করেছিল। প্রশ্ন উঠেছিল পঞ্চায়েতের রিটার্নিং অফিসার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও। বিতর্কের আবহে ওই তৃণমূল প্রার্থীর মনোনয়নও বাতিল করে দিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন।কিন্তু তারপরও বেশ কিছু প্রশ্ন থেকে যাচ্ছিল। কীভাবে ওই প্রার্থী দেশে না থেকেও মনোনয়ন জমা দিলেন, সেক্ষেত্রে রিটার্নিং অফিসারের কোনও গাফিলতি ছিল কি না… এমন বেশ কিছু প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছিল। এবার সেই মামলায় ডিআইজি সিআইডি (DIG CID) তদন্তের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta High Court: ভোটে কারচুপি! বিডিও-র বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমতি হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ভোটে কারচুপি! বিডিও-র বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমতি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা গুলো জনস্বার্থ মামলা হিসেবে দায়ের করা যেতে পারে। শুক্রবার পঞ্চায়েত ভোট সংক্রান্ত একটি মামলায় এমনই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করল কলকাতা হাইকোর্ট। এদিন হাওড়ার সলপে বিরোধীদের জয়ী ঘোষণা করেও শাসকদলের পরাজিত প্রার্থীদের শংসাপত্র দেওয়ার অভিযোগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলাকালীন ওই মন্তব্য করেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। 

    বিডিও-র বিরুদ্ধে মামলা

    এদিন শুনানির সময় মামলাকারীদের উদ্দেশে বিচারপতি সিনহা বলেন, ‘পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা গুলো আপনারা জনস্বার্থ মামলা হিসেবে দায়ের করছেন না কেন? বৃহত্তর পরিসরে এই ঘটনাগুলির সঙ্গে সরাসরি জনস্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে। এইগুলো জনস্বার্থেরই বিষয়।’ বিরোধীদলের প্রার্থীরা ভোটে জিতলেও শাসকদলের প্রার্থীদের জয়ের শংসাপত্র দেওয়ার অভিযোগ ওঠে হাওড়ার সলপে। মামলাকারী প্রার্থীরা স্থানীয় বিডিও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। বিচারপতি সিনহা এদিন বিডিও-র বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন। 

    ব্যালট পেপার ছিনতাই-মামলা

    অন্যদিকে, বালিতে গণনাকেন্দ্রের বাইরে ব্যালট পেপার পাওয়া যাওয়ার ঘটনায় আদালতে হাজিরা দিলেন জগাছার বিডিও। শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে হাজিরা দিয়ে গণনাকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ আদালতে পেশ করেন তিনি। আদালতের তরফে এই সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি বলেন, দেখতে হবে, কে বা কারা ব্যালট পেপার গণনাকেন্দ্রের বাইরে নিয়ে এল। এদিন আদালতে জগাছার বিডিও বলেন, বালির ওই গণনাকেন্দ্র থেকে ব্যালট পেপার ছিনতাই হয়েছে। সেকথা জানিয়ে পুলিশে এফআইআর করেছেন তিনি। কমিশনকেও ঘটনার কথা জানিয়েছেন। তবে কমিশন এব্যাপারে কী পদক্ষেপ করেছে তা তাঁর জানা নেই। ওদিকে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে রাজ্যে ৬৯৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন হয়েছে। এছাড়া ৬০০০টি বেনিয়মের অভিযোগ কমিশনে জমা পড়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও বেনিয়ম ধরা পড়লে পদক্ষেপ করবে কমিশন। এদিন আদালতে পেশ হওয়া সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। আগামী ২৫ জুলাই মামলাটির ফের শুনানি হবে।

    আরও পড়ুন: ভাঙড়ের পথে নওশাদকে আটকাল পুলিশ! গাড়িতেই বসে আইএসএফ বিধায়ক

    রামনগরেও বিতর্ক

    রামনগরের জেলা পরিষদে জয়ী ঘোষণা পরেও সার্টিফিকেট দেওয়া হয়নি বিজেপি প্রার্থীকে। জয়ের সার্টিফিকেট চেয়ে মামলা করেন তিনি। এদিন এই মামলার প্রেক্ষিতে বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে হাজিরা দিলেন সেখানকার বিডিও। সশরীরে এজলাসে হাজিরা দিলেন রামনগরের পঞ্চায়েতের রিটার্নিং অফিসার। রামনগর-২-এর বিডিও অখিল মণ্ডল জানান, ভোটের ফলাফল রেকর্ডিং এর সময় অদলবদল হয়। রামনগর ২ নং ব্লকের গণনা কেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ হাইকোর্টে জমা রাখতে নির্দেশ দেন বিচারপতি সিনহা। বিডিও-এর কাছে হলফনামা তলব করেন তিনি। ২৫ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: ‘‘তৃণমূল না করলে চলে যাবে সিভিকের চাকরি’! হুঁশিয়ারি ব্লক সভাপতির

    Panchayat Election: ‘‘তৃণমূল না করলে চলে যাবে সিভিকের চাকরি’! হুঁশিয়ারি ব্লক সভাপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) তৃণমূলকে ভোট না দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘির বিধায়ক গৌতম পাল। এবার বেফাঁস মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী গোলাম রব্বানীর ভাই তথা গোয়ালপোখরের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি গোলাম রসুল। যা নিয়ে জেলা জুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন ওই তৃণমূল নেতা?

    সোমবার উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখর ব্লকের পামলহাটে দলীয় এক জনসভায় গোলাম রসুল বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) তৃণমূল কংগ্রেস না জিতলে সরকারি প্রকল্প চালু থাকবে না। বেশ কিছু সিভিক ভলান্টিয়ার অন্য দল করছেন বলে জানতে পেরেছি। সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি দিয়েছে তৃণমূল। তাই, যাঁরা বিরোধী দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর তাঁদের চাকরি থাকবে না। তৃণমূলের ব্লক সভাপতির এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল কংগ্রেসের উত্তর দিনাজপুর জেলা পরিষদের ৮ নম্বর আসনের প্রার্থী গোলাম রসুল এই হুঁশিয়ারি দিলেও রাজ্যের মন্ত্রী গোলাম রব্বানী তাঁর ভাইয়ের এই বক্তব্যে কিছুটা রাশ টানার চেষ্টা করেন। মন্ত্রী গোলাম রব্বানী বলেন, সিভিক ভলান্টিয়াররা আধা সরকারি কর্মী। তাঁদের কোনও দল করা উচিত নয়। তাঁরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন। গোলাম রসুল ব্লক সভাপতি। তিনি রাজনৈতিক কথা বলেছেন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি নেতা সুরজিৎ সেন বলেন, আসলে সরকারি প্রকল্প কেউ বন্ধ করতে পারে না। আর সিভিক ভলান্টিয়ারদের কেউ চাকরি থেকে সরাতে পারবে না। এমনিতেই সিভিকরা কেউ সরকারি কর্মী নয়। আসলে পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) আগে এভাবে ভয় দেখিয়ে ওরা তৃণমূলের পক্ষে ভোট করার চেষ্টা করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। কারণ মানুষ ভোট দিতে পারলে তৃণমূলের পরাজয় নিশ্চিত। আর সেটা বুঝতে পেরেই তৃণমূল নেতারা এখন এসব বলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Digital Panchayat: স্বাধীনতা দিবস থেকেই পঞ্চায়েতে ডিজিটাল লেনদেন, নির্দেশ কেন্দ্রের

    Digital Panchayat: স্বাধীনতা দিবস থেকেই পঞ্চায়েতে ডিজিটাল লেনদেন, নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত স্তরে আর্থিক দুর্নীতি ঠেকাতে দেশের সব পঞ্চায়েতে (Digital Panchayat) এই স্বাধীনতা দিবস থেকে ডিজিটাল পেমেন্ট বাধ্যতামূলক করা হল। পঞ্চায়েতগুলিতে ডিজিটাল লেনদেন চালু করতে রাজ্যগুলিকে নির্দেশ পাঠাল পঞ্চায়েত মন্ত্রক। কেন্দ্রের যুক্তি, এই নয়া পদ্ধতি আর্থিক স্বচ্ছতা আনবে। আর্থিক অনিয়ম নিয়ে গ্রামবাসীদেরও কোনও অভিযোগ থাকবে না। এই মর্মে দেশের সব রাজ্যের মুখ্য সচিবদের চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রক। 

    পঞ্চায়েতে ইউপিআই লেনদেন

    চলতি বছরের ১৫ই অগস্টের পর থেকে, উন্নয়নমূলক কাজ হোক বা রাজস্ব সংগ্রহ – পঞ্চায়েত (Digital Panchayat) স্তরের কোনও কাজে নগদ লেনদেন করা যাবে না। সার্ভিস প্রোভাইডারদের সঙ্গে দেশের প্রত্যেকটি পঞ্চায়েতকে বৈঠক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার (৩০ জুন), এই বৈঠক করতে হবে। ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে এই ব্যবস্থা চূড়ান্ত করতে হবে। ইউপিআই লেনদেনে সক্ষম হওয়ার পর, প্রত্যেক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বা সংশ্লিষ্ট রাজ্যের সাংসদ বা বিধায়কদের উপস্থিতিতে, সেই পঞ্চায়েতগুলিকে ডিজিটাল লেনদেনে সক্ষম বলে ঘোষণা করা উচিত বলে জানিয়েছে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রক।

    দুর্নীতি দমন করবে ডিজিটাল লেনদেন

    রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে এই মন্ত্রকের তরফে লেখা একটি চিঠিতে বলা হয়েছে যে, প্রায় ৯৮ শতাংশ পঞ্চায়েত (Digital Panchayat) ইতিমধ্যেই ইউপিআই ভিত্তিক আর্থিক লেনদেন শুরু করেছে। পাবলিক ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (PMFS) মাধ্যমে প্রায় ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। এখন পঞ্চায়েতগুলি থেকে ডিজিটালভাবে টাকার লেনদেন করা হবে। চেক ও নগদ অর্থ প্রদান প্রায় বন্ধ হয়ে যাবে। পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রকের সচিব, সুনীল কুমার জানিয়েছেন,“পাবলিক ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর মাধ্যমে প্রায় ১.৫ লক্ষ কোটি টাকার অর্থপ্রদান করা হয়েছে। পঞ্চায়েতগুলিতে অর্থপ্রদান এখন ডিজিটাল পদ্ধতিতেই করা হচ্ছে। চেক এবং নগদে অর্থপ্রদান প্রায় বন্ধই হয়ে গিয়েছে। এখন প্রায় সব পঞ্চায়েতেই ডিজিটাল পেমেন্ট শুরু হয়ে গিয়েছে। আমরা ইতিমধ্যেই প্রায় ৯৮ শতাংশ পঞ্চায়েত কভার করে ফেলেছি।”

    আরও পড়ুুন: বাদল অধিবেশনেই সংসদে পেশ অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল! ভাবনা মোদি সরকারের

    পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী কপিল মোরেশ্বর পাতিলের দাবি, ডিজিটাল লেনদেন দুর্নীতি দমনে সাহায্য করবে। তিনি বলেছেন, “বেশিরভাগ পঞ্চায়েত এখন ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহার করছে। এটি দুর্নীতি রোধে সাহায্য করবে। পরিকল্পনা থেকে অর্থপ্রদান, সবকিছুই আজকাল ডিজিটালভাবে করা হচ্ছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: ‘‘ভোট নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে নবান্নের ১৪ তলা থেকে’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Panchayat Election 2023: ‘‘ভোট নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে নবান্নের ১৪ তলা থেকে’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতে ভোট প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে নবান্নের ১৪ তলা থেকে। ভোটের নামে প্রহসন হতে চলেছে রাজ্যে। নির্বাচনের ইস্তেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে শাসক দলকে তুলোধনা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার বিকেলে পঞ্চায়েত (Panchayat Election 2023) নির্বাচনের ইস্তাহার প্রকাশ করল বঙ্গ বিজেপি (Bengal BJP)। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ তিনজনই ছিলেন মঞ্চে। 

    শুভেন্দুর তোপ

    এদিনই রাজ্য বিজেপির মুখপত্র কমল বার্তা আবার নবরূপে প্রকাশিত হল। একইসঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) আগে বিজেপি ইস্তেহার ‘সংকল্পপত্র’ প্রকাশ করা হল। এদিনের অনুষ্ঠানে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে শুভেন্দু বলেছেন, এরকম ভোট কখনও দেখেনি রাজ্য। কোথাও কেউ মনোনয়ন দিতে পারছেন না। মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য ভয় দেখাচ্ছে পুলিশ।  নির্বাচন কমিশন শাসক দলের শাখা সংগঠনে পরিণত হয়েছে। শাসক দলের হয়ে কাজ করছে। সেকারণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনে আপত্তি জানিয়েছিল। রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেওয়ার পাশাপাশি প্রাক্তন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার মীরা পাণ্ডের প্রশংসা করেছেন শুভেন্দু।  তিনি বলেছেন মীরা পাণ্ডে বুঝেছিলেন যে ভোট লুঠ হতে পারে। সেকারণেই তিনি আগে থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছিলেন। 

    আরও পড়ুুন: “পাকিস্তান, বাংলাদেশে তিন তালাক নেই কেন?” মধ্যপ্রদেশের জনসভায় প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

    বিজেপির সংকল্পপত্র

    পঞ্চায়েত (Panchayat Election 2023) স্তরে রাজ্যে যে বিস্তর বেনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠে এসেছে, তা নিয়ে ফের একবার শাসক শিবিরকে বিঁধেছেন দিলীপ ঘোষও। মুখ্যমন্ত্রীর পঞ্চায়েতের নির্বাচনী প্রচার নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না সুকান্ত।  বিজেপির পঞ্চায়েতের সংকল্পপত্রে মোট ৯টি ইস্যুকে হাতিয়ার করে এবার গ্রাম বাংলায় প্রভাব বিস্তারের কথা বলা হয়েছে। প্রথম ইস্যু, দুর্নীতিমুক্ত পঞ্চায়েত গঠন। দ্বিতীয় ইস্যু, কৃষকদের উন্নয়ন নিশ্চিত করা। তৃতীয় ইস্যু, অসংগঠিত ক্ষেত্রের মানুষদের উন্নয়ন নিশ্চিত করা। এছাড়া স্বাস্থ্য, নারী কল্যাণ, আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা, গ্রামীণ পরিকাঠামো, সুশাসন ও সর্বোপরি রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের মতো ইস্যুগুলিকে তুলে ধরা হয়েছে বিজেপির সংকল্পপত্রে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Panchayat Election 2023: জেলাগুলিতে বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের

    Panchayat Election 2023: জেলাগুলিতে বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিপূর্ণভাবে পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) লক্ষ্যে রাজ্যের ২২টি জেলায় ২১ জন বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন (State Election Commission)। বিরোধীরা বারবার অভিযোগ তুলছেন প্রত্যেক জেলায় হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা মনোনয়ন দিতে বাধা দিচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে। বিরোধীরা নিরাপত্তা চেয়ে কমিশেনর দ্বারস্থ হয়েছিল। ভাঙড়, ক্যানিং, চোপড়া, মুর্শিদাবাদ-সহ বিভিন্ন জেলায় মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করেই রক্ত ঝড়েছে। তাই সতর্ক কমিশন।

    রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ

    রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, আজ, শনিবার থেকেই বিশেষ পর্যবেক্ষকরা জেলাভিত্তিক পঞ্চায়েত নির্বাচনের ক্ষেত্রে নজরদারির কাজ করতে শুরু করবেন। স্বরাষ্ট্রসচিব এবং ডিজি’র সঙ্গে বৈঠকের পরেই রাজ্য নির্বাচন কমিশন স্পর্শকাতর বুথের তালিকা চাইল জেলাগুলির কাছ থেকে। সেই তালিকা ধরেই এই বিশেষ পর্যবেক্ষকরা কাজ করবেন।  অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পঞ্চায়েত নির্বাচন করতে রাজ্যের সিনিয়র আইএএস অফিসারদের বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগ করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ২২টি জেলায় ২১ জন বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ নিয়োগ করা হয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে কারও কোনও অভিযোগ থাকলে বিশেষ পর্যবেক্ষকদের জানাতে পারবেন তাঁরা। এমনকী বিশেষ পর্যবেক্ষকদের নাম–মোবাইল নম্বর–সহ বিস্তারিত তথ্য বিজ্ঞাপন দিয়ে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রত্যেকটি জেলার জেলাশাসকদের।

    আরও পড়ুুন: বিজেপি প্রার্থীদের বেধড়ক মার, আক্রান্ত মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক, অভিযুক্ত তৃণমূল

    রাজ্য নির্বাচন কমিশন এবার স্পর্শকাতর এলাকা, স্পর্শকাতর বুথের তালিকা চেয়ে পাঠাল জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে। ন্যূনতম ১০ শতাংশ স্পর্শকাতর বুথ এবং স্পর্শকাতর এলাকার তালিকা পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ শনিবারের মধ্যেই সেই তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারণ এই তালিকার উপর নির্ভর করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়নের স্ট্র‌্যাটেজি। এমনকী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বুথভিত্তিক ও অঞ্চলভিত্তিক তালিকা চেয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন বলে সূত্রে খবর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: বিধায়কের নির্বাচনী কমিটি থেকে বাদ ব্লক সভাপতি, প্রকাশ্যে তৃণমূলের কোন্দল

    Panchayat Election: বিধায়কের নির্বাচনী কমিটি থেকে বাদ ব্লক সভাপতি, প্রকাশ্যে তৃণমূলের কোন্দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election)  ভরতপুর- ২ ব্লকের তৃণমূলের সভাপতিকে কোণঠাসা করতে ফের আসরে নামলেন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তারসঙ্গে যোগদান করলেন ভরতপুর- ২ ব্লকের প্রাক্তন সভাপতি আজহারউদ্দিন সিজার। ৪১ জনের নির্বাচনী কমিটি ঘোষণা করলেন বিধায়ক। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় পঞ্চায়েত ভোটের আগে তৃণমূলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    কী বললেন বিধায়ক?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election) দিন ঘোষণা হওয়ার পরও মুর্শিদাবাদের ভরতপুরে-২ ব্লকে কমতেই চাইছে না তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। জেলায় বিতর্কিত নেতা হিসেবে হুমায়ুনের নাম রয়েছে। ভোট ঘোষণা হওয়ার পরও সেই বিতর্ক তাঁর পিছু ছাড়তে চাইছে না। ব্লক সভাপতিকে ছাড়াই মুর্শিদাবাদ জেলার সালারে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দলীয় কমিটি ঘোষণা করলেন বিধায়ক। নির্বাচনী কমিটি ঘোষণা করার পর কার্যত নিজের দলেরই ব্লক সভাপতিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন তিনি। তিনি বলেন, ৪৩ হাজার ভোটে আমি জয়ী হয়েছি। তারপরও ব্লক সভাপতি বলছেন আমার বুথে কোনও লোক নেই। এরকম ব্লক সভাপতিকে আমি মানি না। সালারের উন্নয়ন, সালারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য যা পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার তা আমি করব। ব্লক সভাপতি হয়ে তাঁর দশটা হাত হয়ে গিয়েছে। নিজেকে তিনি বিশাল কিছু ভাবছেন। তাই, তাঁরসঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়। তাই, আমরা আমাদের মতো করে কমিটি গঠন করে নির্বাচনে লড়াই করব। হুমায়ুনের বিরোধী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত ছিল সিজার। সেই সিজার এবার বিধায়কের সঙ্গে হাত মেলালেন। স্বাভাবিকভাবে বিধায়ক গোষ্ঠীর দিকে কিছুটা হলেও পাল্লা ভারী হল। তৃণমূল নেতা সিজার সাহেব বলেন, বিধায়কের সঙ্গে কিছু বিষয়ে মতানৈক্য থাকতে পারে। তবে,  উন্নয়নের প্রশ্নে আমরা সকলেই এক। ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমরা লড়াই করব।

    কী বললেন ব্লক সভাপতি?

    ভরতপুর-২ নম্বর ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, “কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ আছে যারা ভোটের রাজনীতিটা করেন। সারাবছর মানুষের সঙ্গে থাকেন না। ভোট (Panchayat Election)  আসার জন্য তাঁরা অপেক্ষা করে থাকেন। স্বার্থপূরণ হলে তৃণমূল করে। আর তা নাহলে বিজেপি, কংগ্রেসে নাম লেখায়।” তবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে কি বিরোধী বনাম শাসকের বদলে ঘাসফুল বনাম তৃণমূলের লড়াই দেখবে মুর্শিদাবাদবাসী সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পঞ্চায়েতের টিকিট ১ লক্ষ টাকায়, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে প্রধান-উপপ্রধান

    TMC: পঞ্চায়েতের টিকিট ১ লক্ষ টাকায়, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে প্রধান-উপপ্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদিন চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠছিল তৃণমূল (TMC) নেতাদের বিরুদ্ধে। এবার প়ঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাইয়ে টাকার খেলা চলছে। এক লক্ষ টাকা দিলেই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রার্থী তালিকায় নাম উঠছে। এমনই অভিযোগ মালদার মালতীপুর বিধানসভার গৌরহণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েতে। আর এই অভিযোগ তুলে তৃণমূলের প্রধান ডলি মণ্ডল ও উপপ্রধান পঞ্চানন দাস বিজেপিতে যোগদান করলেন। তাঁদের সঙ্গে প্রায় ৫০০ জন কর্মী, সমর্থক নাম লেখালেন গেরুয়া শিবিরে।

    কী বললেন দলত্যাগী নেতানেত্রীরা?

    গৌরহণ্ড পঞ্চায়েতের প্রধান ডলি মণ্ডল বলেন, গত ৫ বছরে আমি কতটা কাজ করেছি, তার উপর ভিত্তি করে আমায় প্রার্থী করা উচিত ছিল। কিন্তু, প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তৃণমূল (TMC) নেতারা লক্ষ লক্ষ টাকা চাইছে। অত টাকা দিয়ে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা নেই। উন্নয়নমূলক কাজ করতেও এই দল টাকা দাবি করে।  উপ প্রধান পঞ্চানন দাস বলেন, একসময় আমি বিজেপি করতাম। পরে, তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলাম। কিন্তু, দলটা করতে পারছিলাম না। ভাল মানুষ কখনও তৃণমূল দল করতে পারবে না। যারা দুর্নীতিগ্রস্ত, তোলাবাজ তারা এই পার্টির সম্পদ।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের চাঁচল-২ নম্বর ব্লক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই বলেন,তৃণমূলে স্বচ্ছভাবমূর্তির মানুষদের টিকিট দেওয়া হচ্ছে। টিকিট পাবে না বলেই দল ছেড়েছেন তাঁরা। বিজেপি টিকিটের প্রলোভন দেখিয়ে যোগদান করিয়ে ভোটের বাজার গরম করাচ্ছে। তাঁদের দলত্যাগে তৃণমূলে কোনও প্রভাব পড়বে না।

    ফের তৃণমূলে (TMC) ভাঙন?

    পঞ্চায়েত ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন মানিকচকে। মালদা জেলা পরিষদের তৃণমূল (TMC) সদস্য, তৃণমূল পরিচালিত মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ, তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান, বর্তমান পঞ্চায়েত সদস্য সহ প্রায় ৪০০ জন তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসের যোগদান করেন। সোমবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে  মালদা জেলা কংগ্রেসের নেতা মোত্তাকিন আলমের নেতৃত্বে এই যোগদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। যোগদান করেন মালদা জেলা পরিষদের সদস্যা সাবিনা ইয়াসমিন, মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল কর্মাধ্যক্ষ আশারুজ্জামানের‌ মতো নেতারা।

     কী বললেন দলত্যাগী নেতা?

    দলত্যাগী নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, আমাকে দল তাড়িয়ে দেয়নি বা লিখিতভাবে সাসপেন্ডও করেনি। তবে আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। নাম না উল্লেখ করলেও তিনি যে বিধায়ক সাবিত্রী মিত্রের রোষের মুখে পড়েছেন তা তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    মানিকচক ব্লক তৃণমূলের (TMC) সভাপতি মহাফিজুর রহমান বলেন, যারা আজ তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসের যোগ দিয়েছেন, তাঁরা আসলে লোভী। তাঁরা বুঝতে পেরেছেন, তৃণমূলে টিকিট পাওয়া যাবে না। তাই টিকিট পাওয়ার লোভে তাঁরা কংগ্রেসের যোগ দিয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: সোনামুখীতে মনোনয়নে বাধা! রক্ত ঝরল বিজেপি নেতার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Panchayat Election: সোনামুখীতে মনোনয়নে বাধা! রক্ত ঝরল বিজেপি নেতার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শুরু থেকেই রাজ্যজুড়ে বিজেপি প্রার্থীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তৃণমূলীদের তাণ্ডবে বহু জায়াগায় বিজেপি মনোনয়নপত্র জমা করতে পারেনি। সোমবার মনোনয়নপত্র জমা করতে গিয়ে বিজেপি নেতারা আক্রান্ত হলেন। এদিন ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকে। দলীয় প্রার্থীদের নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হন বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি। সোনামুখী গ্রামীণ মণ্ডল-২ এর সম্পাদক দেবশঙ্কর ঘোষকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    এদিন সকালে বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামির নেতৃত্বে দলীয় প্রার্থীরা ব্লক অফিসে জমায়েত হন। পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য প্রশাসনের নির্দেশ মেনে তাঁরা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। সকাল থেকে সমস্যা না হলেও মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় শুরু হতেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিডিও অফিসের সামনে ব্যাপক জমায়েত করা হয়। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই বিজেপি বিধায়ক সহ বিজেপি নেতাদের উপর বেধড়ক হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি নেতা দেবশঙ্করবাবুর সহ কয়েকজন কর্মীকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশের সামনে আক্রান্ত হন বিজেপি বিধায়ক। বিজেপি প্রার্থীদের উপর হামলা চালিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। আক্রান্ত বিধায়ক দিবাকর ঘরামি সোনামুখী প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে চিকিৎসা করান। বাকি আহতদেরও চিকিৎসা করা হয়।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    বিজেপি বিধায়ক দিবাকরবাবু বলেন, এদিন মনোনয়ন জমা দেওয়ার জন্য দলীয় প্রার্থীদের প্রচুর ভিড় ছিল। প্রার্থীদের উৎসাহ দেখে খুব ভাল লাগছিল। আচমকা তৃণমূলের ছেলেরা এসে হামলা চালাতে শুরু করে। তৃণমূলের নেতারা আমাদের উপর চড়াও হয়েছে। পুলিশের সামনে আমি আক্রান্ত হই। দলীয় নেতা দেবশঙ্করকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। আসলে ওরা সন্ত্রাস করে মনোনয়নে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। ভয় উপেক্ষা করেই দলীয় প্রার্থীরা পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) মনোনয়ন জমা করবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল শিবির। ধানশিমলার প্রধান তথা তৃণমূল নেতা ইউসুফ মণ্ডল বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। বিজেপি নিজেদের মধ্যে ঝামেলা করেই মাথা ফাটিয়েছে। নিজেদের কোন্দল ঢাকতে আমাদের দলের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: বিডিও অফিসে তৃণমূলীদের তাণ্ডব! মনোনয়ন দিতে পারলেন না বিজেপি প্রার্থীরা

    Panchayat Election: বিডিও অফিসে তৃণমূলীদের তাণ্ডব! মনোনয়ন দিতে পারলেন না বিজেপি প্রার্থীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) বিজেপিকে মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না-১ নম্বর ব্লকে। ব্লক অফিসে এসেও বিজেপি প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ। পাশাপাশি বিডিও অফিসের ভিতরেই হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বেশ কয়েকজন কর্মী জখম হন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    শুক্রবার পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election) মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রথম দিন ছিল। বিজেপির পক্ষ থেকে ২০ জন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিতে বিডিও অফিসে যান। অফিস কর্মীরা প্রস্তুত নয় বলে তাঁদের কয়েক ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয় বলে অভিযোগ। এরপরই তৃণমূলের লোকজন দল বেঁধে এসে বিডিও অফিসের ভিতরে ঢুকে বিজেপি প্রার্থীদের বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মানিক রায়কে রাস্তায় ফেলে পেটানো হয়। হামলার জেরে বিজেপি প্রার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। পরে, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। পরে, বিজেপি প্রার্থীরা ফের মনোনয়ন জমা দিতে গেলে সময় পেরিয়ে গিয়েছে বলে জানানো হয়।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক মানিক রায় বলেন, বিডিও অফিসের ভিতরে ঢুকে তৃণমূল তাণ্ডব চালিয়েছে। আমাদের বেশ কয়েকজন কর্মী সমর্থক জখম হয়েছে। ব্লক প্রশাসনের অসহযোগিতা আর তৃণমূলের বাধায় আমরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারিনি। বিজেপিকে যে ওরা ভয় পেয়ে গিয়েছে, এই ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। সুষ্ঠুভাবে পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election) হলে মানুষ আমাদের পক্ষে রায় দেবে।

    কী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    সিপিএম নেতা অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় বলেন, নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের উচিত এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া। যাতে সব দলই তাদের প্রার্থী পদ দাখিল করতে পারে। তবে, আমরা প্রস্তুত আছি। বাধা দিলে আমরাও প্রতিরোধ গড়ে তুলব।

    জেলাশাসকের কী বক্তব্য?

    এই বিষয়ে জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা বলেন, কোথাও কোনও অশান্তির খবর আসেনি। কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। এই ধরনের কোনও ঘটনা ঘটে থাকলে আমাদের কাছে অভিযোগ জমা করুক। আমরা সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করুক। শুধুমাত্র অভিযোগ করলে তো হবে না। পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) আগে এসবই গল্প কথা ছাড়া আর কিছু নয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share