Tag: Panchayat Election

Panchayat Election

  • PM Awas Yojana: ৯০ দিনে বানাতে হবে সাড়ে ১১ লক্ষ বাড়ি! কেন্দ্রের চাপে আবাস-নির্দেশ রাজ্যের

    PM Awas Yojana: ৯০ দিনে বানাতে হবে সাড়ে ১১ লক্ষ বাড়ি! কেন্দ্রের চাপে আবাস-নির্দেশ রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন আসতেই আবাস যোজনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করল রাজ্য। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। আর এরই মাঝে আবাস যোজনা নিয়ে আজ বৈঠকে বসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। অন্যদিকে কেন্দ্রের চাপ তো রয়েছেই। ফলে আজই ঘোষণা করা হল, ৯০ দিনের মধ্যেই আবাস যোজনার অধীনে বাড়ি তৈরির কাজ শেষ করতে হবে। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে আবাস যোজনা নিয়ে সরকার সবথেকে বেশি যে গুরুত্ব দিতে চলেছে, তা সোমবার জেলাশাসকদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠক করে স্পষ্টভাবেই বুঝিয়ে দিয়েছেন মুখ্য সচিব। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী তিন মাসের মধ্যে আবাস যোজনায় প্রায় সাড়ে ১১ লক্ষ পাকা বাড়ি তৈরি হবে বাংলায়।

    আবাস যোজনা নিয়ে বৈঠক রাজ্যের মুখ্য সচিবের

    প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা ঘিরে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক গণ্ডগোল। আর এই আবাস যোজনা নিয়ে এবার কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী (Harikrishna Dwivedi)। নবান্ন সূত্রে খবর, এদিন প্রায় দু’ঘণ্টা বিভিন্ন জেলাশাসক ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠক করেন মুখ্য সচিব। এই বৈঠকেই জানানো হয়, আগামী তিন মাসের মধ্যেই সব বাড়ি তৈরির কাজ শেষ করে ফেলতে হবে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই আবাস যোজনার অধীনে বাড়ি তৈরির কাজ শেষ করার জন্য সময়সীমা বেঁধে দিল নবান্ন। মুখ্যসচিব স্পষ্ট জানিয়েছেন, ৩১ মার্চ তথা বর্তমান আর্থিক বছরের মধ্যেই ১১ লক্ষ ৩৬ হাজার বাড়ি বানানোর কাজ সেরে ফেলতে হবে। যদিও নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত মোট ১০ লক্ষ ১৯ হাজার জনকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আর এই ৮৯% এরও বেশি বাড়ি অনুমোদন করার জন্য বিভিন্ন জেলাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুখ্য সচিব।

    গতকাল বৈঠকে জানানো হয়েছে, প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার ৪০ দিনের মধ্যে বাড়ির জানলা পর্যন্ত নির্মাণ করতে হবে। পরবর্তী কিস্তির ৩৫ দিনের মধ্যে কাজ হবে ‘লিন্টেল’ বা জানলার উপরিভাগ পর্যন্ত। তার পরের কিস্তির ১৫ দিনের মধ্যে ঢালাই-সহ বাড়ি তৈরির সামগ্রিক কাজ শেষ করতেই হবে।

    এবার কেন্দ্রের চাপেই আবাস যোজনা নিয়ে তৎপর রাজ্য। কারণ, কেন্দ্রের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে উপভোক্তা বাড়ি না-বানালে শেষ পর্যন্ত সমস্যায় পড়তে হতে পারে রাজ্যকেই। কেন্দ্রের থেকেও টাকা আসতেও হতে পারে সমস্যা। এছাড়াও সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন, ফলে রাজ্য তার আগেই আবাস যোজনা নিয়ে সতর্ক হয়ে পড়ছে। 

    আবার এদিন কোন কোন জেলার কেমন পারফরম্যান্স সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যও জেলাশাসকদের সামনে তুলে দেন মুখ্য সচিব। সেই তথ্য অনুসারে, ৮০ শতাংশের নীচে অনুমোদন হয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। ৮০ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে অনুমোদন হয়েছে কোচবিহার, ঝাড়গ্রাম, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, আলিপুরদুয়ার, মালদা, পূর্ব মেদিনীপুর, জলপাইগুড়ি, নদীয়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়। ৯১ থেকে ১০০ শতাংশের মধ্যে অনুমোদন হয়েছে হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, উত্তর দিনাজপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, হাওড়া, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়া জেলায়। সর্বাধিক আবাস যোজনার অধীনে বাড়ি অনুমোদন করা হয়েছে হাওড়ায়।

    কী কী নির্দেশ দেওয়া হয়েছে?

    প্রতিটি ব্লকে কন্ট্রোল রুম রাখতে হবে। আবাস যোজনার উপভোক্তাদের সহায়তার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অফিসে একটি হেল্পলাইনের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিমাসে ‘আবাস সপ্তাহ’ আয়োজন করতে হবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং ব্লকের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ খরচের টার্গেট দিতে হবে ও সেগুলো ব্যয় সংক্রান্ত সমস্ত কিছু পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। পাশাপাশি স্টেক হোল্ডারদের ই-প্রশিক্ষণ, ইট প্রস্তুতকারক এবং যারা সরবরাহ করবেন, তাদের সঙ্গেও দিনকয়েকের মধ্যে বৈঠক করে রূপরেখা সাজানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এদিনের বৈঠকে। আগামী ৯ জানুয়ারি থেকে প্রত্যেক মুহূর্তের আপডেট নবান্ন কে দিতে হবে বলেও এদিনের বৈঠকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলাগুলিকে। 

  • Calcutta High Court: অনুমতি ছাড়া পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারবে না কমিশন, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: অনুমতি ছাড়া পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারবে না কমিশন, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। আর এটি নিয়েই প্রস্তুতি তুঙ্গে। কবে হবে পঞ্চায়েত নির্বাচন, কবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে, প্রশ্ন রাজ্যবাসীর। কিন্তু ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হল, রাজ্য নির্বাচন কমিশন এখনই পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারবে না। অনুমতি নিতে হবে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। কলকাতা হাইকোর্ট থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও ধরনের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারবে না রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা যাবে। গতকাল, বৃহস্পতিবার একটি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছেন।

    মামলাটি কী?

    কিছুদিন আগেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন করার আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা করেন। আর সেই মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও ধরণের বিজ্ঞপ্তি জারিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে। আগামী ৯ জানুয়ারির মধ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে নিরাপত্তা নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে একটি হলফনামা দিতে হবে। তারপর মামলাকারী শুভেন্দু অধিকারী পৃথক একটি হলফনামা দেবেন। দুটি হলফনামা পাওয়ার পর মামলার শুনানি হবে।   

    আরও পড়ুন: আসানসোলের দুর্ঘটনায় জিতেন্দ্র, তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের, নাম নেই শুভেন্দুর

    শুভেন্দু অধিকারী মামলা করার সময়ে দুটি প্রসঙ্গ টেনে এনেছিলেন। ২০১৩ সালে রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট সম্পূর্ণ হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্ত্বাবধানে এবং ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া। ফলে তিনি জানিয়েছিলেন যে, ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। তাই আগামী বছরের পঞ্চায়েত নির্বাচন কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্ত্বাবধানে হওয়ার আর্জি জানিয়েছেন।

    বিজ্ঞপ্তি জারিতে স্থগিতাদেশ

    গত মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে উঠেছিল শুভেন্দুর করা মামলাটি। তখন শুভেন্দুর মামলার বিরোধিতা করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচন কমিশন থেকে জানানো হয়েছিল যে, এতে যেন কোনও স্থগিতাদেশ না দেওয়া হয়। কিন্তু রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কথার তোয়াক্কা না করে হাইকোর্ট থেকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে শাসক-বিরোধী দল। দুই দল প্রচারেও নেমেছে। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন জেলা থেকে বোমা, গুলি এবং আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার করা শুরু হয়েছে। ফলে এই মুহূর্তে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) এমন নির্দেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। আবার হাইকোর্টের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সরকার বা রাজ্য নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে যায় কিনা, তা নিয়েও কৌতুহলের শেষ নেই।

  • TMC vs BJP: অশোভনীয় রাজনীতি! বিজেপিকে ঝাঁটা পেটা করার কথা তৃণমূল বিধায়কের মুখে

    TMC vs BJP: অশোভনীয় রাজনীতি! বিজেপিকে ঝাঁটা পেটা করার কথা তৃণমূল বিধায়কের মুখে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশ্য সভায় বিজেপিকে (BJP) হুঁশিয়ারি দিলেন বাগদার (Bagda) বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস (Biswajit Das)। বিরোধী দলকে মর্যাদা না দিয়ে কুকথায় ভরিয়ে দিলেন বিধায়ক। সৌহার্দ্য ভুলে বিজেপিকে ঝাঁটাপেটা করার কথা বললেন বিশ্বজিৎ।

    কী বলল তৃণমূল

    পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election) যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে শাসক দলের হুমকি। বনগাঁ জেলা তৃণমূলের সভাপতি বিশ্বজিৎ বললেন,‘তৃণমূলকে চোর বললে বিজেপিকে ঝাঁটাপেটা করুন। রাজ্যে বিজেপিকে ঝাঁটাপেটা করা শুরু হবে বাগদা থেকেই। হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা করলে ঠ্যাং খুলে হাতে ধরিয়ে দেবেন’। গত ২৩ নভেম্বর বাগদা ব্লকের বেয়াড়া বাজারে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে সভা করেছিলেন রাজ্য বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। সেই সভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার বাগদা পশ্চিম ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রাহুল সিনহার পাল্টা সভার আয়োজন করা হয়। সেই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়েই বনগাঁ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস রাহুল সিনহাকে ‘অপদার্থ নেতা’ বলে কটাক্ষ করেন। 

    আরও পড়ুন: “শীতবস্ত্র বিলির কথাই ছিল না সেদিন”, ‘প্রমাণ’ দিয়ে মমতাকে মিথ্যেবাদী বললেন শুভেন্দু

    অন্যদিকে, বিজেপিকে সামাজিকভাবে বয়কটের ডাক দেন তৃণমূল নেতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। ‘বিজেপি কাদার দল, অসামাজিক দল, দুষ্কৃতীদের আশ্রয় দেয়। সমাজকে বাঁচাতে হলে বিজেপিকেই বয়কট করতে হবে’, হুঙ্কার তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষের। বিরোধীরা কু-মন্তব্য করলে জিভ ছিঁড়ে, স্ট্রেচারে করে বাড়ি পাঠানোর হুমকি দিলেন নিউ ব্যারাকপুরের বিলকান্দার তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি সজল দাস। ভোটের মুখে দলীয় নেতার মন্তব্য নিয়ে অস্বস্তিতে তৃণমূল।     

    বিজেপির পাল্টা

    এ বিষয়ে বনগাঁ জেলা বিজেপির সহ সভাপতি অমৃতলাল বিশ্বাসের বক্তব্য, “আমরা চোরকে চোর বলেছি। শুধু আমরা নয়, বাংলার মানুষ চোর বলছেন। ভারতীয় জনতা পার্টি চোরকে চোর বলবে তাতে যার কিছু করার আছে করে নিক। আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাংলার মানুষ ওদেরই ঝাঁটা নিয়ে বিদায় করবেন, তৈরি থাকুন। আমরা অশালীন কথা বলতে অভ্যস্ত নই।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Garia Bombing: পঞ্চায়েত ভোটের আগে ফের বোমাবাজি, গড়িয়া স্টেশন এলাকায় আতঙ্ক

    Garia Bombing: পঞ্চায়েত ভোটের আগে ফের বোমাবাজি, গড়িয়া স্টেশন এলাকায় আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বোমাবাজি। সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। এমনকি পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনও ঘোষণা করা হয়নি। কিন্তু শুরু হয়ে গিয়েছে বোমাবাজি। একাধিক জায়গা থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে অস্ত্র, বোমা। এক বোমাবাজির রেশ কাটতে না কাটতেই এবারে ফের গড়িয়া স্টেশন এলাকায় বোমাবাজির ঘটনা ঘটল (Garia Bombing)। গতকাল রাতে এই বোমাবাজির ঘটনাটি ঘটেছে। ফলে পঞ্চায়েত ভোটের আগে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছে গড়িয়ায়?‌

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাত আড়াইটে নাগাদ বোমাবাজির খবর পাওয়া যায় (Garia Bombing)। গড়িয়া স্টেশন এলাকার অন্তর্গত নবপল্লি অঞ্চলে মাঝরাতে বিকট আওয়াজ পান এলাকার মানুষজন। এরপর এদিন সকালে রাস্তায়ও তিনটি তাজা বোমা পড়ে থাকতে দেখে আতঙ্কিত এলাকার মানুষ (Garia Bombing)। ভয়ে-আতঙ্কে দৌড়োদৌড়ি শুরু হয়। এরপর খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পরে পুলিশ এসে বোমা উদ্ধার করে ও তিনটি বোমাই নিষ্ক্রিয় করা হয়।

    আরও পড়ুন: সাঁইথিয়ার বোমা বিস্ফোরণের তদন্ত এনআইএ করবে কিনা, সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র, জানাল হাইকোর্ট

    স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শিশু উদ্যান ও প্রাথমিক স্কুলের পাশে একের পর এক বোমা ছোঁড়ে দুষ্কৃতিরা (Garia Bombing)। বোমা যেখানে পড়েছিল তার ৩ কিলোমিটারের মধ্যে খেয়াদা ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েত। খেয়াদার শান্তি পার্ক এলাকাতেই শিশুদের উপর বোমা ছুঁড়েছিল দুষ্কৃতীরা। ফের বোমা উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। 

    বোমাবাজির ঘটনা রাজ্যে প্রথম নয় (Garia Bombing)। এর আগেও বহু জায়গায় বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। উদ্ধার করা হয়েছে তাজা বোমা। আর নির্বাচন সামনে থাকলেই শুরু হয় অস্ত্র উদ্ধার থেকে বোমাবাজির ঘটনা। ফলে এবারও এর অন্যথা কিছু হয়নি। তাই পঞ্চায়েত ভোটের আগেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বোমাবাজির ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘ডার্টি বম্ব’ প্রসঙ্গে ভারতের সঙ্গে কথা রাশিয়ার, গণতান্ত্রিক উপায়ে সমাধানের পরামর্শ রাজনাথের

    আগের বোমাবাজির ঘটনা

    গত অক্টোবর মাসেও উত্তর ২৪ পরগনার কাঁকিনাড়ায়, বল ভেবে খেলতে গিয়ে বোমা ফেটে এক শিশুর মৃত্যু হয়। বিস্ফোরণে হাত উড়ে যায় আরও এক শিশুর। সেই ঘটনার তিন দিন পরেই নরেন্দ্রপুর থানার দাসপাড়া এলাকাতেও বোমাবাজি হয়। দুপুরে মাঠে খেলতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া বোমায় গুরুতর ভাবে আহত হয় পাঁচ জন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় পারদ চড়ছে রাজনীতিরও (Garia Bombing)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Panchayat Election: বুধবার থেকে রাজ্যে নির্বাচনী প্রচার শুরু মহাগুরুর! আজ কলকাতায় এলেন মিঠুন

    Panchayat Election: বুধবার থেকে রাজ্যে নির্বাচনী প্রচার শুরু মহাগুরুর! আজ কলকাতায় এলেন মিঠুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের শহরে তাপমাত্রার পারদ ওঠা নামার সঙ্গে সঙ্গেই রাজনীতির পারদও চড়ছে। পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election)আসন্ন। তার আগে প্রচারে ব্যস্ত শাসক-বিরোধী দুই শিবিরই। কে-কাকে টেক্কা দেবে? চলছে সেই প্রস্তুতি। বিজেপির হয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে মঙ্গলবার রাজ্যে এলেন মিঠুন চক্রবর্তী ( Mithun Chakraborty )। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন মহাগুরু।বুধবার পুরুলিয়ায় বিজেপির ( BJP ) পঞ্চায়েত সম্মেলনে যোগ দেবেন মিঠুন চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া, শুক্রবার বিষ্ণুপুর, শনিবার আসানসোলে সভা। রবিবার অনুব্রত-গড় বীরভূমে সভা করবেন মিঠুন চক্রবর্তী। পঞ্চায়েত ভোটে ব্লক স্তরে সংগঠনকে মজবুত করাই লক্ষ্য, জানিয়েছেন বিজেপি নেতা।

    আরও পড়ুন: অপেক্ষা করুন, ছবি আসছে, সব সামনে আসবে! সারদা-প্রসঙ্গে মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    ময়দানে মহাগুরু

    পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) আগে জন সংযোগ বাড়াতে মিঠুন চক্রবর্তীকে (Mithun Chakraborty) ময়দানে নামাচ্ছে বিজেপি (BJP)। দলীয় সূত্রে খবর, ২৩ নভেম্বর থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত মিঠুন চক্রবর্তীর ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে  রাজ্যে। জেলায় জেলায় পঞ্চায়েত সম্মেলনেও অংশ নেবেন তিনি।  মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে জেলা সফরে থাকবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মিঠুন চক্রবর্তী শুধু বাংলার নয়, গোটা দেশের আইকন। চলতি মাসে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তিনি অংশ নেওয়ার পাশাপাশি আগামী দিনে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে প্রচার করবেন।”

    আরও পড়ুন: রাজ্যে সরকারের পতন আসন্ন! ফের ডিসেম্বর ডেডলাইনের হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    বাঙালি আবেগ

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনেও মিঠুন চক্রবর্তীকে রাজ্যের নানা প্রান্তে সভা করতে দেখা গিয়েছিল। বলি-তারকার জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে প্রচার সভা করে গেরুয়া শিবির। তাঁকে ঘিরে বাঙালির যে আবেগ এবারও তাকেই হাতিয়ার করা হয়েছে। এর মধ্যেই সাংগঠনিক তোড়জোড় শুরু করেছে বিজেপি। ‘শক্তি মণ্ডল’ তৈরি হয়েছে। আগামী দিনে তারা বুথ কমিটিও তৈরি করবে। দলীয় সূত্রে বলা হচ্ছে,পঞ্চায়েত ভোটে সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপাবে বিজেপি। সেই জন্য প্রচারের কাজে লাগানো হবে মিঠুন চক্রবর্তীকে।  পুজোর আগে গত সেপ্টেম্বরে কলকাতায় এসেছিলেন মহাগুরু। নিয়োগ দুর্নীতিতে টাকা উদ্ধারের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি তখন তোলপাড়। সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে হতাশ মিঠুন বলেছিলেন, ‘‘এই পরিস্থিতি দেখে আমার হতাশ লাগছে। ৪৩ বছরের কেরিয়ারে ২০০ কোটি টাকা দেখিনি। আর কামাতেও পারলাম না।’’ তৃণমূলের ২১ জন বিধায়ক তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলেও দাবি করেছিলেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Suvendu Adhikari: রবিবার সরকারি অফিসে চলছে গোপনে জমির পাট্টা বিতরণ? বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: রবিবার সরকারি অফিসে চলছে গোপনে জমির পাট্টা বিতরণ? বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। সেই নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ইতিমধ্যেই একাধিক প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়ে গেছে রাজ্যজুড়ে। আর এবার তাকে ঘিরেই রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে এক বড়সড় অভিযোগ আনলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্যুইট করে তিনি বিস্ফোরক অভিযোগ এনে লেখেন, রবিবার ছুটির দিনে রাতের অন্ধকারে সরকারি অফিস খোলা। এর আগেও ছুটির দিনে রাতের অন্ধকারে সরকারি অফিস খোলা থাকা নিয়ে শুভেন্দুকে একাধিক অভিযোগ করতে দেখা গিয়েছে। আর এবারও একই দাবিতে সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)।

    ট্যুইট করে কী লিখলেন?

    তিনি (Suvendu Adhikari) গতকাল ট্যুইট করে লিখেছেন, “রবিবার, ছুটির দিনের সন্ধ্যায়, রাজ্য সরকারের নির্দেশে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ভোটারদের প্রলুব্ধ করার জন্য লুকিয়ে জমির পাট্টা বিতরণ করতে রাজ্য জুড়ে বিএলআরও অফিসগুলি খুলে দেওয়া হয়েছে।” তিনি অফিস খোলা থাকার ভিডিও পোস্ট করে আরও লিখেছেন, “অতি দ্রুততার সঙ্গে, গোপনে জমিগুলির পাট্টা সংক্রান্ত নথিপত্র প্রস্তুত করার উদ্দেশে কোনওরকম সমীক্ষা, মাঠ খসড়া, জরিপ ছাড়াই জমিগুলির কাগজপত্র তৈরি করা হচ্ছে। এই সকল জমির মধ্যে শ্মশান, কবরস্থান, চা বাগান, বনভূমি, সমাধিস্থল, জনজাতিদের স্বতন্ত্র ব্যবহার্য জমি ইত্যাদি রয়েছে। কারোর সম্পত্তি অথবা ব্যবহারের অধিকার কেড়ে নিয়ে অন্য কাউকে এভাবে দেওয়া যায় না। এটাই ক্ষমতার অপব্যবহার। এর ফলে বিভিন্ন সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হবে।” 

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রের বরাদ্দ পেলেও জুটছে না খাবার, মানসিক রোগীদের পরিষেবার উন্নতি নেই রাজ্যে

    তিনি (Suvendu Adhikari) রাজ্য সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করে প্রশ্ন করেছেন, ‘এত তাড়া কিসের? কেন এত লুকোচুরি? ছুটির দিন, রাতের অন্ধকারে এই বিশেষ কাজ করে কিসের বিনিময়ে, কাদের সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে?” তাই তিনি সবাইকে সজাগ থাকার জন্য অনুরোধ করছেন। আর এধরণের চক্রান্ত থেকে দূরে থাকতে স্থানীয় ভাবে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলার জন্য বলেছেন।   

    রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ

    এর আগেও শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) শাসকদলের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছিলেন যে, সরকারের ৮০ শতাংশ লোকই নাকি তৃণমূল কে রাজ্য থেকে সরাতে তাঁকে সাহায্য করছেন। তাঁদের বক্তব্য যে, “এই সরকারকে সরান, আর পারছি না।” এছাড়াও শুভেন্দু গত শুক্রবার আরও এক বিস্ফোরক অভিযোগ এনে বলেন যে, কয়লা পাচার কাণ্ডে যুক্ত আছেন রাজনৈতিক প্রভাবশালীরাও। ২৪০০ কোটি টাকা কয়লা কাণ্ডে কেলেঙ্কারির হদিশ মিলেছে। এর মধ্যে ১ হাজার কোটি টাকা গিয়েছে এক রাজনৈতিক প্রভাবশালীর কাছে। আর সেই প্রভাবশালীই এ রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণ করেন। এই সব অভিযোগের পরে শাসক দলের বিরুদ্ধে পাট্টা বিতরণের এমন অভিযোগ আনায় ফের শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে।

  • Suvendu Adhikari: তৃণমূলকে পঞ্চায়েত ভোটে জিতিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন! অভিযোগ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: তৃণমূলকে পঞ্চায়েত ভোটে জিতিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন! অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিল মাসের মধ্যেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election) অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। আর এরই মাঝে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রাজ্য নির্বাচন কমিশনের (State Election Commission) বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন। তৃণমূলকে পঞ্চায়েত ভোটে জিতিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে এমনটাই অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কমিশন প্রকাশিত খসড়া ‘রিজার্ভেশন রোস্টার’ নিয়ে আপত্তি জানাতে সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। আর তারপরেই তাঁকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করতে দেখা গেল। শুধু তাই নয়, এদিন রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে রাজ্যের শাসকদলের তাঁবেদার বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।

    তিনি এদিন অভিযোগ করেছেন, “আগামী পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলকে জিতিয়ে দেওয়ার লাইসেন্স করে দিচ্ছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।” পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ১৮ অক্টোবর ‘রিজার্ভেশন রোস্টার’ বের করেছে কমিশন। আর একে নিয়েই আপত্তি জানিয়েছেন শুভেন্দু। কমিশন প্রকাশিত খসড়ায় বলা হয়েছে, কোন আসন মহিলা এবং কোন আসন তপশিল জাতি এবং উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছেন, এই খসড়া নিয়ম মাফিক তৈরি করা হয়নি। স্থানীয় ভাবে কোনও সমীক্ষা না করেই তৃণমূল নেতা এবং সরকার-ঘনিষ্ঠ আমলাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খসড়াটি তৈরি হয়েছে। তাই তিনি দাবি করেছেন, এই খসড়া সমীক্ষা বাতিল করে ওবিসি জনসংখ্যা ৭.৫ শতাংশ ধরে নতুন সংরক্ষণের তালিকা রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে বার করতে হবে।  

    আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গেও সিএএ প্রয়োগ হবে, সুবিধা পাবেন মতুয়ারাও, ঘোষণা শুভেন্দুর

    তিনি এদিন আরও অভিযোগ করেছেন, এই খসড়া নিয়ে যাতে বিরোধীরা কোনও আপত্তি না করতে পারে তার জন্য এই খসড়া ছুটির সময়ে প্রকাশ করা হয়েছে আর পরামর্শ দানের শেষ দিনও রাখা হয়েছে ২ নভেম্বর। আর ২ নভেম্বরও ছুটির দিন। ফলে এমন সময়ে কীভাবে খসড়া বের করতে পারে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দলনেতা। ফলে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, এই ‘ড্রাফট সার্ভে’ বাদ দিয়ে নতুন করে সমীক্ষা করতে হবে। আর তা না হলে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হবেন। বিজেপি নেতা আরও দাবি করেছেন “তৃণমূল ব্লকের নেতা, যারা একশো দিনের কাজের টাকা চুরি করেছেন, তাঁদের সঙ্গে মিলে বিডিওরা ‘ড্রাফট পাবলিকেশন’ করেছেন। একে চূড়ান্ত করলে আমি আদালতের দ্বারস্থ হব।”

    এর আগেও ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে রাজ্য জুড়ে ব্যাপক সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠেছিল শাসকদলের বিরুদ্ধে৷ এমনকি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল ৷ আর এবার ভোটের আগে খোদ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেন শুভেন্দু অধিকারী।

  • Panchayat Election: কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া বাংলায় ভোট হওয়াই উচিত নয়! পঞ্চায়েত নির্বাচনে এক সুর সুকান্ত-শুভেন্দুর

    Panchayat Election: কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া বাংলায় ভোট হওয়াই উচিত নয়! পঞ্চায়েত নির্বাচনে এক সুর সুকান্ত-শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট (Bengal Panchayat Polls) হোক কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Forces) উপস্থিতিতে। রাজ্য পুলিশ (West Bengal Police) দিয়ে ভোট করানোর চেষ্টা হলে আদালতে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu)। একই সুর শোনা গিয়েছে বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) ও  বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) গলাতেও। সম্ভবত আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিল মাসের মধ্যেই রাজ্যে অনুষ্ঠিত হবে পঞ্চায়েত নির্বাচন। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তার প্রস্তুতিও। তার আগেই নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি তুলল পদ্ম শিবির।

    আরও পড়ুন: নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে চার্জশিট সিবিআইয়ের! জানেন তালিকায় রয়েছেন কারা?

    শুভেন্দু বলেন, “পঞ্চায়েত ভোট যদি রাজ্য পুলিশ দিয়ে করার উদ্যোগ নেওয়া হয় তাহলে আমরা তার প্রতিবাদ করব। আদালতে দ্বারস্থও হব। বিগত পুর নির্বাচনগুলোতে রাজ্য পুলিশ দিয়ে ভোট করিয়ে কী হয়েছে তা সবাই দেখেছে। বিষয়টি আদালতেরও নজরে রয়েছে। পুরসভার ভোটে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ভোট লুঠ করে ক্ষমতায় এসেছে। তাই আমাদের দাবি,কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্ত্বাবধানেই শান্তিপূর্ণ ও অবাধ পঞ্চায়েত ভোট করা হোক।” এর আগে একই দাবি জানিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর কথায়, “সব বুথে লড়াই হবে। আদালতে লড়াই হবে। রাজনীতির ময়দানেও লড়াই হবে। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার যা পরিস্থিতি তাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া বাংলায় কোনও ভোট হওয়াই উচিৎ নয়। ফলাফল ফ্যাক্টর নয়, তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে অশান্তি ও  হিংসা আটকানোর লক্ষ্যেই পঞ্চায়েত ভোটে সেন্ট্রাল ফোর্সের প্রয়োজন রয়েছে।”

    আরও পড়ুন:উপলক্ষ কালীপুজো, তারাপীঠ, দক্ষিণেশ্বর, লেক কালী বাড়িতে ভক্ত সমাগম

    সুকান্ত ও শুভেন্দুর সঙ্গে সহমত জানিয়ে  বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষও বলেন, “এ রাজ্যে কোনও নির্বাচনই অবাধ ও  শান্তিপূর্ণ  করতে দেয় না শাসকদল তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। অবাধ নির্বাচন হলে তৃণমূল জিততে পারবে না। তাই আমাদের দাবি, আগামী পঞ্চায়েত ভোট রাজ্য পুলিশ নয়, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই করানোর ব্যবস্থা করা হোক।” বেশ কিছু ক্ষেত্রে মতের অমিল থাকলেও এ বিষয়ে একমত রাজ্য বিজেপির অন্যতম তিন নেতা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • WB Panchayat Election: নতুন বছরের শুরুতেই পঞ্চায়েত নির্বাচন! হাওড়া পুরসভার ভোট কবে?

    WB Panchayat Election: নতুন বছরের শুরুতেই পঞ্চায়েত নির্বাচন! হাওড়া পুরসভার ভোট কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের গোড়ায়ই হতে পারে পঞ্চায়েত নির্বাচন (WB Panchayat Election)। যদি নিতান্তই জানুয়ারিতে ভোট করানো না যায়, তাহলে সেক্ষেত্রে ভোট হবে মার্চের শেষ কিংবা এপ্রিলের প্রথমে। রাজ্য নির্বাচন কমিশন (State Election Commission) সূত্রেই এ খবর মিলেছে। ইতিমধ্যেই নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে সীমানা পুনর্বিন্যাসের কাজ, আসন সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গিয়েছে। আজ, বুধবারই ওই তালিকা প্রকাশ করে দেবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ভোট হবে রাজ্য পুলিশ দিয়ে। এদিকে, হাওড়া পুরসভার ভোটও হতে পারে আগামী বছরেই।

    রাজ্য প্রশাসনের একটি অংশ জানুয়ারিতেই ভোট (WB Panchayat Election) করানোর পক্ষপাতী। শীতে নিতান্তই সম্ভব না হলে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার দরুণ ভোট পর্ব শুরু হবে না মার্চের তৃতীয় সপ্তাহের আগে। সেক্ষেত্রে ভোট হবে এপ্রিলের গোড়ায়। কারণ পরীক্ষা শেষ হলে তবেই মাইক বাজিয়ে প্রচারে কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। তবে ঠিক কবে ভোট হবে, তা জানা যাবে আর কিছু দিন পরে। এদিকে, দোরগোড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচন (WB Panchayat Election) ধরে নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রাজ্যের শাসক, বিরোধী সব শিবিরই। তৃণমূল নেতাদের জেলায় জেলায় গিয়ে জনসংযোগ বাড়াতে বলা হয়েছে। শীঘ্রই জেলা সফর শুরু করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বিজেপিও। ২০ জনের একটি বিশেষ কমিটি তৈরি করেছে পদ্ম শিবির। জেলাগুলিতে নিয়োগ করা হয়েছে পর্যবেক্ষক।

    আরও পড়ুন: ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় তলব সিবিআইয়ের, দু ঘণ্টা জেরা তৃণমূলের দেবরাজকে

    রাজ্যে এর আগে পঞ্চায়েত ভোট (WB Panchayat Election) হয়েছিল ২০১৮ সালে। সেবারও ভোট হয়েছিল রাজ্য পুলিশ দিয়ে। সেবার ব্যাপক সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম। বিরোধীদের অভিযোগ, সন্ত্রাসের কারণে সেবার ৩৪ শতাংশ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছিল তৃণমূল। বিরোধীদের দাবি, রাজ্য পুলিশ দিয়ে নির্বাচন হলে অবাধ ভোট হবে না। ফের সৃষ্টি হবে অশান্তির বাতাবরণ। সেই আবহে কীভাবে নিরপেক্ষ ভোট হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীদের একাংশ। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে (WB Panchayat Election) রাজ্যের বহু আসনে প্রার্থী দিতে পারেননি বিরোধীরা। বিশেষত অনুব্রত মণ্ডলের বীরভূমে। তবে অনুব্রত এখন জেলে। ভোট পর্যন্ত তিনি ছাড়া না পেলে বীরভূমেও প্রার্থী দিতে পারবেন বিরোধীরা। এদিকে, নতুন বছরে ভোট হতে পারে হাওড়া পুরসভায়ও। মেয়াদ শেষেও নির্বাচন না হওয়ায়  পুরসভা চলছে প্রশাসক দিয়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Bengal Panchayat Polls: রাজ্য নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের শাখা! দাবি সুকান্তর, আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী?

    Bengal Panchayat Polls: রাজ্য নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের শাখা! দাবি সুকান্তর, আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election) । ২০২৩-এর শুরুতেই পঞ্চায়েত নির্বাচন হওয়ার কথা। তারই প্রস্তুতি শুরু করে দিল বিজেপি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর (central force) ঘেরাটোপেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে রাজ্য বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির পর্যবেক্ষকদের কাছে এমনই দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী,  বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার-সহ অন্যান্যরা। 

    রবিবার আইসিসিআর-এ বিজেপির দলীয় বৈঠকে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে মিলিত হন রাজ্য নেতৃত্ব। পঞ্চায়েত ভোটের আগে সংগঠনের খামতি দূর করতেই এই বৈঠকের আয়োজন করে বিজেপি। খতিয়ে দেখা হয় সাংগঠনিক শক্তিও। দুই দিনের এই বৈঠক চলবে আজ, সোমবারও। বৈঠকে ছিলেন দলের শীর্ষ নেতা সুনীল বনসল ও মঙ্গল পান্ডে-সহ একাধিক নেতা। রাজ্যে এসেছেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ও সহ-পর্যবেক্ষেক মিলিয়ে বিজেপির মোট ৩ নেতা। ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষও। রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করছেন তাঁরা। শুধুমাত্র শীর্ষ নেতৃত্ব নয়,তালিকায় রয়েছেন রাজ্য পদাধিকারী, বিধায়ক ও জেলা সভাধিপতিরাও।

    আরও পড়ুন: ভেকুটিয়া সমবায় সমিতিতে গেরুয়া ঝড়! জানেন পঞ্চায়েত নির্বাচনে কী লক্ষ্য বিজেপির?

    বিজেপি সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচন কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতে করার পক্ষে  সওয়াল করেন শুভেন্দু-সুকান্তরা। বৈঠকের পর বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘পঞ্চায়েত ভোট করে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তারা এখানে তৃণমূলের শাখায় পরিণত হয়েছে! ওখানে আবেদন করে কিছু হবে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য প্রয়োজনে আদালতে গিয়ে দাবি জানাতে হবে।’’ রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতে পঞ্চায়েত ভোট করা যায় কি না সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও, এমনই খবর দলের অন্দরে। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপেই হয়েছিল গত বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যের গেরুয়া শিবিরের দাবি, মানুষ নিজের ভোট  নিজে দিলে, ফল যাবে বিজেপির অনুকূলে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে খুবই ভালো ফল করবে বিজেপি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share