Tag: Panchayat Poll 2023

Panchayat Poll 2023

  • CV Ananda Bose: ‘রাজনৈতিক কন্ট্রোলরুম করে দুষ্কৃতীদের নিয়ন্ত্রণ’ ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: ‘রাজনৈতিক কন্ট্রোলরুম করে দুষ্কৃতীদের নিয়ন্ত্রণ’ ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি থেকে ফিরে ফের একবার রাজনৈতিক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরব হলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। মঙ্গলবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে  তিনি বলেন, ‘বাড়তে থাকা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে। যারা সন্ত্রাসের পিছনে দায়ী তারা রেহাই পাবেন না। আইন যারা ভাঙছেন, তাদের বিরুদ্ধে সব সংস্থাকে মাঠে নামতে হবে।’ আজ, সারা রাজ্যে চলছে পঞ্চায়েত ভোট (Elections) গণনা। দিল্লি থেকে ফিরেই সোজা ভাঙড়ে পৌঁছলেন রাজ্য়পাল। 

    কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের বার্তা

    ইতিমধ্যেই বাংলায় পঞ্চায়েত নির্বাচেন রাজনৈতিক হিংসার কথা রিপোর্ট আকারে নর্থব্লকে পৌঁছে দিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সূত্রের দাবি, বাংলার ভোট হিংসা নিয়ে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন তিনি। রাষ্ট্রপতির সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন রাজ্যপাল। দীর্ঘ বৈঠক করেছেন CRPF-সিআরপিএফ এর ডিজি র সঙ্গে। এদিন রাজ্যপাল বলেন, “আজকে দস্যুরাই একদিন ত্রাতা হয়ে উঠতে পারে। যেভাবে রত্নাকর একদিন বাল্মিকী হয়ে উঠেছিলেন।”

    আরও পড়ুন: দিল্লি থেকে ফিরে আজ ভোট গণনার দিনেও জেলায় জেলায় রাজ্যপাল

    মঙ্গলবার গণনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন অঞ্চলে যাচ্ছেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। ক্যানিং, ভাঙড় সহ একাধিক জায়গায় গিয়ে পঞ্চায়েতের ভোট গণনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন তিনি। দিল্লি থেকে ফিরেই বেড়িয়ে পড়েছেন তিনি। সরজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে একাধিক এলাকায় ঘুরছেন তিনি। সকালেই বিমান বন্দর থেকে সোজা চলে যান ঘটকপুর বাজারে। সেখান থেকে ভাঙড়ের বিজয়গঞ্জ বাজারে। এদিন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলেন, ‘কন্ট্রোলরুমে বসে যাঁরা মাঠে ময়দানে গুণ্ডাদের নিয়ন্ত্রণ করছে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা কড়া ব্যবস্থা নেব। কড়া পদক্ষেপ করা ছাড়া অন্য কোনও উপায় নেই, কারণ এই সন্ত্রাস ভবিষ্যত প্রজন্মকে ক্ষতিগ্রস্থ করছে। আগামী প্রজন্মের জন্য রাজ্যকে সুরক্ষিত করতে আমরা বন্ধ পরিকর এবং আমরা তা করব।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Elections 2023: চলছে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতের ভোট গণনা, গ্রাম বাংলা থাকবে কার দখলে?

    Panchayat Elections 2023: চলছে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতের ভোট গণনা, গ্রাম বাংলা থাকবে কার দখলে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ পঞ্চায়েত ভোটগণনা (Panchayat Elections 2023)। নির্ধারিত সময় মেনেই সকাল ৮টায় শুরু হয়েছে গণনার প্রক্রিয়া। রাজ্যের ২২টি জেলায় ৩৩৯টি কেন্দ্রের ৩,৫৯৪ কক্ষে একযোগে চলছে গণনার কাজ। গণনার জন্য কেন্দ্রগুলিতে মোট ৭৬৭টি স্ট্রংরুমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মোট ৩,৫৯৪টি ঘরের ৩০,৩৯৬টি টেবিলে চলবে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফল (Bengal Panchayat Polls)। 

    ব্যালটে ভোট, গণনায় লাগবে সময়

    প্রথমে গ্রাম পঞ্চায়েত, তার পর পঞ্চায়েত সমিতি এবং সব শেষে জেলা পরিষদের আসনে গণনা হবে। পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদের ফল প্রকাশ করার কথা সংশ্লিষ্ট ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকের। এদিকে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রকাশ করবেন কাউন্টিং আধিকারিকই। প্রত্যেক স্তরে দু’রাউন্ড করে অর্থাৎ মোট ৬ রাউন্ড গণনা হবে। এদিকে যেহেতু পঞ্চায়েতে (Panchayat Elections 2023) ব্যালটে ভোট হয়, তাই গণনায় অনেকটাই সময় লাগে। কোথও যদিও আজ ভোট গণনা শেষ না হয়, তাহলেও আগামিকালও ভোট গণনা চলবে। 

    সব আসনে গণনা হচ্ছে না

    রাজ্যের ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত (Panchayat Elections 2023) ব্যবস্থায় মোট গ্রাম পঞ্চায়েত আসনের সংখ্যা ৬৩,২২৯। পঞ্চায়েত সমিতির আসন সংখ্যা ৯,৭৩০। আর জেলা পরিষদ আসন সংখ্যা ৯২৮। তবে সব আসনের গণনা হচ্ছে না। গ্রাম পঞ্চায়েতে ৬৩ হাজার ২২৯ আসনের মধ্যে আট হাজার দু’টি আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন প্রার্থীরা। এর মধ্যে তৃণমূল জিতেছে ৭,৯৪৪টি আসনে। দু’টি আসনে জয়ী বিজেপি। তিনটি আসনে জয়ী সিপিএম। অন্য প্রার্থীরা জয়ী ৫৩টি আসনে। পঞ্চায়েত সমিতিতে ৯,৭৩০ আসনের মধ্যে ৯৯১টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা। এর মধ্যে তৃণমূল জিতেছে ৯৮১টি আসনে। অন্যরা জিতেছে ১০টি আসনে। আবার জেলা পরিষদে ৯১২টি আসনে গণনা হবে। কারণ ১৬টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে তৃণমূল। 

    একাধিক নির্দেশ কমিশনের

    নির্বাচন কমিশন (Panchayat Elections 2023) সূত্রে জানা গেছে গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদের গননার সময় থাকবেন একজন করে কাউন্টিং অফিসার এবং একজন কাউন্টিং অ্যাসিস্ট্যান্ট। সঙ্গে থাকবেন প্রতি প্রার্থীর একজন করে কাউন্টিং এজেন্ট। প্রতি গণনা কেন্দ্রে ব্লক পিছু একজন করে অবজারভার ও জেলা পিছু একজন করে স্পেশাল অবজার্ভার থাকবেন। গ্রাম পঞ্চায়েতে এবং জেলা পরিষদের প্রার্থী এবং কাউন্টিং এজেন্ট থাকতে পারলেও পঞ্চায়েত সমিতির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র প্রার্থী থাকতে পারবেন কোনও এজেন্ট থাকতে পারবেন না।

    কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা

    গণনাকেন্দ্রগুলিকে (Bengal Panchayat Polls) নিরাপত্তার চাদরে মুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, প্রতিটি গণনাকেন্দ্রে থাকবে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়। এর দায়িত্বে থাকবে এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। সঙ্গে থাকবে প্রয়োজন মতো রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনী। থাকছে সিসিটিভির নজরদারি। গণনা কেন্দ্রের বাইরে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Elections 2023: হানাহানির ভোটে শীর্ষে মুর্শিদাবাদ, দ্বিতীয় কোচবিহার! ভোটের দিন খুন ১৫

    Panchayat Elections 2023: হানাহানির ভোটে শীর্ষে মুর্শিদাবাদ, দ্বিতীয় কোচবিহার! ভোটের দিন খুন ১৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Elections 2023) নির্ঘণ্ট হওয়া থেকে শুরু করে শুক্রবার অর্থাৎ, ভোটের আগের সন্ধে পর্যন্ত গত ৩০ দিনে রাজ্যে ভোট–পূর্ববর্তী হিংসার বলি হয়েছিলেন ১৮ জন। ফলে, শনিবার অর্থাৎ আজ ভোটগ্রহণের দিন কী হতে চলেছে তার একটা পূর্বাভাস পাওয়া গিয়েছিল। আর সেই আশঙ্কা সত্যিও হলো। 

    এদিন সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভোট হিংসার (Bengal Poll Violence) খবর আসতে শুরু করে। উত্তর হোক বা দক্ষিণ— রাজ্যের সর্বত্র রক্ত ঝরেছে। বিভিন্ন প্রান্তে মৃত্যু হয়েছে। শাসক হোক বা বিরোধী— সব দল, সব রঙের কর্মী-সমর্থকরা এই হিংসার শিকার হয়েছেন। কোচবিহার থেকে বর্ধমান, উত্তর থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মালদা থেকে মুর্শিদাবাদ— বিভিন্ন জেলা থেকে এসেছে মৃত্যুর খবর। আগের দিন যে সংখ্যা ১৮ ছিল, শনিবার সন্ধে পর্যন্ত সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৩। অর্থাৎ, শুক্রবার রাত থেকে শুরু করে শনিবার সন্ধে পর্যন্ত মারা গিয়েছেন ১৫ জন। গুলিবিদ্ধি হয়ে চিকিৎসাধীন অনেক। এছাড়া, বোমার ঘায়ে বা মারধরে জখমের সংখ্যা বহু। 

    ভোট হানাহানিতে শীর্ষে রয়েছে মুর্শিদাবাদ। সমস্যা শুরু হয়েছিল মনোনয়নের প্রথম দিন থেকেই। তবে পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Elections 2023) আগের রাত থেকে পরিস্থিতি চরমে পৌঁছেছে। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার ভোটের দিন দুপুর পর্যন্ত সেই জেলায় পাঁচ জন খুন হয়েছেন। এর মধ্যে শুধুমাত্র শাসকদলেরই তিন জন কর্মী খুন হয়েছেন। এক কংগ্রেস কর্মী এবং এক জন সিপিএম সমর্থককেও খুনের অভিযোগ উঠেছে। তালিকায় দু’নম্বরে কোচবিহার। একই সময়ে এই জেলায় তিনজন খুন হয়েছেন। এর মধ্যে ২ জন বিজেপির এবং একজন তৃণমূলের। 

    আরও পড়ুন: নদিয়ার বুথে বোমাবাজি তৃণমূলের, জবাবে শূন্যে গুলি কেন্দ্রীয় বাহিনীর

    একবার দেখে নেওয়া যাক এই ১৫ জনের মধ্যে কে কোথায় মারা গিয়েছেন (Bengal Poll Violence)—

    কোচবিহার

    কোচবিহার-১ নম্বর ব্লকের ফলিমারী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বিজেপি পোলিং এজেন্ট মাধব বিশ্বাসকে গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বুথ কেন্দ্রে ঢুকতে যাওয়ার সময় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয়। তারপরে উত্তেজনা ছড়ালে তাঁকে গুলি করা হয়। ঘটনায় আহত হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী মায়া ভৌমিক সরকারও। 

    তুফানগঞ্জে তৃণমূলের বুথ চেয়ারম্যানকে খুনের অভিযোগ ঘিরে শোরগোল এলাকায়। শুক্রবার রাতে গণেশ সরকারের (৫০) রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। গণেশ কোচবিহার জেলার তুফানগঞ্জ-২ নম্বর ব্লকের রামপুরের ৯/৬৪ নম্বর বুথের চেয়ারম্যান ছিলেন। স্থানীয় টোটো ইউনিয়নের সভাপতিও ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।

    দিনহাটা ১ নম্বর ব্লকে গুলিবিদ্ধ বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হল দিনহাটা হাসপাতালে। মৃতের নাম চিরঞ্জিত কার্জি। শনিবার সকালে দিনহাটার কালীরপাট গ্রামে ভোট ঘিরে তুমুল অশান্তি শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বুথে ঢুকে তাণ্ডব শুরু করে। বাধা দেওয়ায় বিজেপি কর্মীদের উপর চড়াও হয় তারা। বুথের মধ্যেই গুলি চলে। মারা যান চিরঞ্জিত। গুলিবিদ্ধ রাধিকা বর্মন নামে আরেক বিজেপি কর্মী।

    দক্ষিণ দিনাজপুর

    ভোট চলাকালীন বুথের মধ্যেই খুন হলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখর-১ ব্লকের চাকুলিয়া থানার ২ নম্বর বিদ্যানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভেবরা গ্রামের ১৯২ বুথে। কংগ্রেস ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হন মহম্মদ শাহেনশা। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়েন তিনি। পরে, হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর।

    মুর্শিদাবাদ

    বেলডাঙায় ভোট (Panchayat Elections 2023) হিংসার বলি হন তৃণমূলের কর্মী বাবর আলি (৪০)। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙা থানার অন্তর্গত কাপাসডাঙা ষষ্ঠীতলা এলাকায়।  শুক্রবার সন্ধেয় বেলডাঙা কাপাসডাঙ্গা এলাকায় বাড়ির সামনে বসে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন বাবর আলি। অভিযোগ, আচমকাই স্থানীয় কংগ্রেস নেতা শফিকুল শেখ ও মুরসালিম শেখের নেতৃত্বে কিছু দুষ্কৃতী বাবরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে শুরু করে। রক্তাক্ত অবস্থায় বাবরকে উদ্ধার করে বেলডাঙা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

    রেজিনগরে তৃণমূল কর্মীকে বোমা মেরে খুন করার অভিযোগ। শনিবার সকালে রেজিনগর থানার নাজিরপুরে মৃত্যু হয়েছে ইয়াসিন শেখ নামে এক শাসকদলের কর্মীর। অভিযোগ, দুষ্কৃতীদের ছোড়া বোমের আঘাতে মৃত্যু হয়েছে ইয়াসিনের। নিহত ওই ব্যক্তি স্থানীয় তৃণমূল প্রার্থী কবিতা বিবির আত্মীয়। অভিযোগ, গভীর রাতে ওই এলাকায় ব্যাপক বোমাবাজি হয়। বাড়ির ছাদ থেকে বোমা ছোড়া হয়। সেই বোমা ফেটেই নিহত হন ইয়াসিন শেখ। 

    খড়গ্রামেও একটি ফাঁকা জমি থেকে শনিবার সকালে তৃণমূল কর্মী সাত্তারউদ্দিন শেখের দেহ উদ্ধার হয়। খড়গ্রামের রতনপুরেই মনোনয়নের প্রথম দিন খুন হন কংগ্রেস কর্মী ফুলচাঁদ শেখ। স্থানীয় সূত্রে খবর, সাত্তারউদ্দিনই সেই খুনের মূল অভিযুক্ত ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, সেই খুনের বদলা নেওয়ার জন্যই শনিবার ভোট শুরুর ঠিক আগে তৃণমূল কর্মী সাত্তারুদ্দিনকে খুন করা হয়েছে।

    বহরমপুরের নওদাতে কংগ্রেস কর্মীকে মারধর বুথের সামনে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

    লালগোলায় বুথে সংঘর্ষ হয় বাম-তৃণমূলের। সেই সংঘর্ষে মৃত্যু হয় বাম সমর্থকের। একটি বুথে শাসকদলের কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে সিপিএমের। ভোট দিতে এসে সেই সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে যান রওশন আলি নামে ওই সিপিএম সমর্থক। বেধড়ক মারধর করা হয় তাঁকে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় তাঁর।

    মালদা

    মানিকচকের গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় তৃণমূলের এক কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। দাবি, কংগ্রেসের হামলায় নিহত হয়েছেন তৃণমূলের স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি মহম্মদ নাসিরের কাকা শেখ মালেক। পায়ে গুলি লেগে আহত হয়েছেন নাসিরও।

    নদিয়া

    চাপড়ার কল্যাণদহে এক তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। শাসক দলের দাবি, দলবদ্ধ ভাবে ভোট দিতে যাওয়ার সময় তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালান কংগ্রেস কর্মী সমর্থকেরা। ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওই তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। আমজাদ হোসেন নামে এক তৃণমূল কর্মীকে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। 

    উত্তর ২৪ পরগনা

    বারাসত-১ ব্লকের কদম্বগাছিতে এক নির্দল প্রার্থীর সমর্থককে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। আবদুল্লা আলি নামে এক নির্দল প্রার্থীকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। বয়স ৪১ বছর৷ অভিযোগের আঙুল উঠেছে শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ভোটের আগের দিন রাতে তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। গভীর রাতে তাঁকে বারাসাত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

    দক্ষিণ ২৪ পরগনা

    ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে আচমকা ছোড়া বোমার আঘাতে মৃত্যু হল এক তৃণমূল কর্মীর। শনিবার এই ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে। নিহতের নাম আনিসুল ওস্তাগর। তিনি স্থানীয় তৃণমূল প্রার্থীর আত্মীয় বলে জানা গিয়েছে। ওই ঘটনায় বোমা ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় নির্দল প্রার্থীর দলবলের বিরুদ্ধে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। 

    পূর্ব বর্ধমান

    কাটোয়ায় খুন হয়েছেন তৃণমূল কর্মী গৌতম রায়। অভিযোগ, সিপিএম আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলার নেপথ্যে। অভিযোগ, কাটোয়ার সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের বুথের (Panchayat Elections 2023) বাইরে বার করে এনে পিটিয়ে খুন করা হয় গৌতমকে। 

    আউশগ্রামে তৃণমূল ও সিপিএম সংঘর্ষে এক সিপিএম কর্মী নিহত হন (Bengal Poll Violence)৷ মৃতের নাম রাজিবুল হক৷ গতকাল পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের অমরপুর পঞ্চায়েতের বিষ্ণুপুরে ভোটকর্মীদের সামনেই দুই গোষ্ঠীর বচসা শুরু হয়৷ এরপর তা মারামারিতে পৌঁছয়৷ এই ঘটনায় দু’পক্ষের চারজন আহত হয়েছেন৷ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Elections 2023: ভোটের সকালে খুন ৫, আগের রাতে আরও ৩, রাজ্যে ভোট-হিংসার বলি ২৬

    Panchayat Elections 2023: ভোটের সকালে খুন ৫, আগের রাতে আরও ৩, রাজ্যে ভোট-হিংসার বলি ২৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশঙ্কা ছিলই। সেটাই সত্যি হল। ভোটের (Panchayat Elections 2023) সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজনৈতিক হিংসার (Bengal Poll Violence) খবর আসতে শুরু করেছে। উত্তর হোক বা দক্ষিণ— রাজ্যের সর্বত্র রক্ত ঝরেছে। বিভিন্ন প্রান্তে মৃত্যু হয়েছে। শাসক হোক বা বিরোধী— সব দল, সব রঙের কর্মী-সমর্থকরা এই হিংসার শিকার হয়েছেন। কোচবিহার থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মালদা থেকে মুর্শিদাবাদ— বিভিন্ন জেলা থেকে আসছে মৃত্যুর খবর। শুক্রবার রাত থেকে মুর্শিদাবাদে তিন জন খুন হয়েছেন। কোচবিহারে মারা গিয়েছেন ২ জন। শুক্রবার সন্ধে পর্যন্ত রাজ্যে ভোট-পূর্ববর্তী হিংসার বলি হয়েছিলেন ১৮ জন। শনিবার বেলা ১১টা পর্যন্ত সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৬। সেটাও খাতায়-কলমে। 

    কোচবিহার:

    কোচবিহার-১ নম্বর ব্লকের ফলিমারী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বিজেপি পোলিং এজেন্ট মাধব বিশ্বাসকে গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বুথ কেন্দ্রে ঢুকতে যাওয়ার সময় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয়। তারপরে উত্তেজনা ছড়ালে তাঁকে গুলি (Bengal Poll Violence) করা হয়। ঘটনায় আহত হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী মায়া ভৌমিক সরকারও। আরও পড়ুন: কোচবিহারে বুথে বোমাবাজি, বিজেপির পোলিং এজেন্ট খুন, মালদায় খুন তৃণমূল কর্মী

    তুফানগঞ্জে তৃণমূলের বুথ চেয়ারম্যানকে খুনের অভিযোগ ঘিরে শোরগোল এলাকায়। শুক্রবার রাতে গণেশ সরকারের (৫০) রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। গণেশ কোচবিহার জেলার তুফানগঞ্জ-২ নম্বর ব্লকের রামপুরের ৯/৬৪ নম্বর বুথের চেয়ারম্যান ছিলেন। স্থানীয় টোটো ইউনিয়নের সভাপতিও ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।

    মুর্শিদাবাদ:

    বেলডাঙায় ভোট হিংসার (Panchayat Elections 2023) বলি হন তৃণমূলের কর্মী বাবর আলি (৪০)। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙা থানার অন্তর্গত কাপাসডাঙা ষষ্ঠীতলা এলাকায়।  শুক্রবার সন্ধেয় বেলডাঙা কাপাসডাঙ্গা এলাকায় বাড়ির সামনে বসে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন বাবর আলি। অভিযোগ, আচমকাই স্থানীয় কংগ্রেস নেতা শফিকুল শেখ ও মুরসালিম শেখের নেতৃত্বে কিছু দুষ্কৃতী বাবরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে শুরু করে। রক্তাক্ত অবস্থায় বাবরকে উদ্ধার করে বেলডাঙা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

    রেজিনগরে তৃণমূল কর্মীকে বোমা মেরে খুন করার অভিযোগ। শনিবার সকালে রেজিনগর থানার নাজিরপুরে মৃত্যু হয়েছে ইয়াসিন শেখ নামে এক শাসকদলের কর্মীর। অভিযোগ, দুষ্কৃতীদের ছোড়া বোমের আঘাতে (Bengal Poll Violence) মৃত্যু হয়েছে ইয়াসিনের। নিহত ওই ব্যক্তি স্থানীয় তৃণমূল প্রার্থী কবিতা বিবির আত্মীয়। অভিযোগ, গভীর রাতে ওই এলাকায় ব্যাপক বোমাবাজি হয়। বাড়ির ছাদ থেকে বোমা ছোড়া হয়। সেই বোমা ফেটেই নিহত হন ইয়াসিন শেখ। 

    খড়গ্রামেও একটি ফাঁকা জমি থেকে শনিবার সকালে তৃণমূল কর্মী সাত্তারউদ্দিন শেখের দেহ উদ্ধার হয়। খড়গ্রামের রতনপুরেই মনোনয়নের প্রথম দিন খুন হন কংগ্রেস কর্মী ফুলচাঁদ শেখ। স্থানীয় সূত্রে খবর, সাত্তারউদ্দিনই সেই খুনের মূল অভিযুক্ত ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, সেই খুনের বদলা নেওয়ার জন্যই শনিবার ভোট শুরুর ঠিক আগে তৃণমূল কর্মী সাত্তারুদ্দিনকে খুন করা হয়েছে।

    মালদা:

    মানিকচকের গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েত (Panchayat Elections 2023) এলাকায় তৃণমূলের এক কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। দাবি, কংগ্রেসের হামলায় নিহত হয়েছেন তৃণমূলের স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি মহম্মদ নাসিরের কাকা শেখ মালেক। পায়ে গুলি লেগে আহত হয়েছেন নাসিরও।

    নদিয়া:

    চাপড়ার কল্যাণদহে এক তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। শাসক দলের দাবি, দলবদ্ধ ভাবে ভোট দিতে যাওয়ার সময় তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালান কংগ্রেস কর্মী সমর্থকেরা। ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওই তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালানো (Bengal Poll Violence) হয় বলে অভিযোগ। আমজাদ হোসেন নামে এক তৃণমূল কর্মীকে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। 

    উত্তর ২৪ পরগনা:

    বারাসত-১ ব্লকের কদম্বগাছিতে এক নির্দল প্রার্থীর সমর্থককে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। আবদুল্লা আলি নামে এক নির্দল প্রার্থীকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। বয়স ৪১ বছর৷ অভিযোগের আঙুল উঠেছে শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ভোটের (Panchayat Elections 2023) আগের দিন রাতে তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। গভীর রাতে তাঁকে বারাসাত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। আরও পড়ুন: নির্দল কর্মীকে কুপিয়ে খুন, প্রতিবাদে রণক্ষেত্র কদম্বগাছি, খড়গ্রামে মৃত্যু তৃণমূল কর্মীর

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum Bomb: ভোটের আগে অনুব্রতর গড়ে উদ্ধার ২০০ তাজা বোমা, জেলাজুড়ে শোরগোল

    Birbhum Bomb: ভোটের আগে অনুব্রতর গড়ে উদ্ধার ২০০ তাজা বোমা, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের আগের দিনে ফের বোমা (Birbhum Bomb) উদ্ধার বীরভূমে। শুক্রবার সকালে দুবরাজপুর ব্লকের  মামুদপুর গ্রামের মাঠের একটি ঝোঁপে দুটি জ্যারিকেন দেখতে পাওয়া যায়। সেই দুটি জ্যারিকেনে ২০০ পিস মজুত বোমা দেখে স্থানীয় মানুষ খবর দেন দুবরাজপুর থানার পুলিশকে। ঘটনাস্থলে পৌঁছায়  দুবরাজপুর থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই সেই এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে পুলিশ দিয়ে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান প্রায় ২০০ টি বোমা রয়েছে এখানে। তবে, পঞ্চায়েত ভোটের আগে কেন এই বিপুল পরিমাণ বোমা রাখা হয়েছিল? এর পিছনে কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে কি না তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে দুবরাজপুর থানার পুলিশ।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    বৃহস্পতিবারই এই জেলার মহম্মদবাজারে এক বিজেপি কর্মী খুন হন। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে বিজেপির অভিযোগ। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার দুবরাজপুর এলাকায় বিপুল পরিমাণ বোমা (Birbhum Bomb) উদ্ধার হল। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, বিপুল পরিমাণ বোমা পঞ্চায়েত ভোটের জন্য মজুত করা হয়েছিল। বোমা উদ্ধার ঘটনায় আমরা খুবই আতঙ্কিত। আমাদের আশঙ্কা, পুলিশ এই এলাকায় তল্লাশি চালালে আরও প্রচুর বোমা উদ্ধার হবে। প্রসঙ্গত, এর আগে দুবরাজপুরের লক্ষ্মীনারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আদমপুর গ্রামের প্রাথমিক স্কুলের রান্নাঘরের ছাদ থেকে বোমা উদ্ধার করা হয়। গ্রামের প্রাথমিক স্কুলের মিড ডে মিল যেখানে রান্না হয়, সেই ঘরের ছাদ থেকে পলিথিনের প্যাকেটে মোড়া চারটি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সময় স্কুলে পড়ুয়ারা ক্লাস করছিল। ফলে, যে কোনও সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারত। পরে, বোমাগুলি উদ্ধার করে পুলিশ। পাশাপাশি একজনের বাড়ি থেকে বেশ কয়েকটি তাজা বোমা উদ্ধার হয়েছিল। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই ফের ২০০টি বোমা উদ্ধারের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি বিধায়ক অনুপ সাহা বলেন, ভোটের দিন সন্ত্রাস করতেই তৃণমূল বোমা (Birbhum Bomb) মজুত করেছিল। তার আগেই বোমাগুলি পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে নিয়েছে। আমরা চাই, ভোটের দিন সকলে যাতে ভোট দিতে পারে প্রশাসন তার ব্যবস্থা করুক।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি ঝাড়খণ্ড থেকে লোকজন আনার চেষ্টা করছে। তবে, বোমা (Birbhum Bomb) কারা মজুত করেছিল তা জানা নেই। তৃণমূল এসব ঘটনার সঙ্গে কোনওভাবেই জড়িত নয়। বিজেপির যোগ থাকতে পারে। আমরা অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: ভোট-পূর্ববর্তী হিংসায় ৩০ দিনে রাজ্যে মৃত্যু ১৮ জনের! শনিবার কী হবে?

    Panchayat Election 2023: ভোট-পূর্ববর্তী হিংসায় ৩০ দিনে রাজ্যে মৃত্যু ১৮ জনের! শনিবার কী হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই রাজ্যে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election 2023)। বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে ভোটের প্রচার-পর্ব। এবার শনিবার ভোটগ্রহণ। ভোটের দিন ঘোষণা হওয়া ইস্তক রাজ্যে শুরু হয়ে গিয়েছিল রাজনৈতিক হিংসার পালা। মনোনয়ন পর্ব থেকে শুরু করে এই বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিভিন্ন প্রান্তে হিংসা, হানাহানি, রক্তপাতের সাক্ষী থেকেছে গোটা বাংলা। পরিসংখ্যান বলছে, গত ৩০ দিনে রাজ্যে প্রাণ গিয়েছে ১৮ জনের।

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, রাজ্যে এই পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) আবহে ভোট পূর্ববর্তী হিংসায় কত প্রাণ অকালে ঝরে পড়েছে—

    ভোট-পূর্ববর্তী হিংসায় মৃত্যুর খতিয়ান

    ৯ জুন: মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে বাড়িতে ঢুকে গুলি করে খুন করা হয় কংগ্রেস কর্মী ফুলচাঁদ শেখকে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তোলে কংগ্রেস।

    ১৫ জুন: মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনে ভাঙড়ে খুন হন আইএসএফ কর্মী মহিউদ্দিন মোল্লা ও ২ তৃণমূল কর্মী রশিদ মোল্লা ও রাজু নস্কর। ওই দিনই মুর্শিদাবাদের নবগ্রামে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মোজাম্মেল শেখকে পিটিয়ে ও গুলি করে খুনের অভিযোগ ওঠে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে।

    ১৭ জুন: কোচবিহারের দিনহাটায় বিজেপি প্রার্থীর দেওর শম্ভু দাসকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে ছুরি মেরে খুন করা হয়। ওইদিনই মালদার সুজাপুরে পিটিয়ে মারা হয় তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান মোস্তাফা শেখকে।
     
    ২১ জুন: ১৫ জুন, মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় বাম-কংগ্রেসের মিছিলে গুলি চলে। গুলিবিদ্ধ হন ২১ বছরের সিপিএম কর্মী মনসুর আলম। ২১ তারিখ তাঁর মৃত্যু হয়।

    ২২ জুন: পুরুলিয়ার রেলশহর আদ্রায় পয়েন্ট ব্ল্যঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন করা হয় তৃণমূলের টাউন সভাপতি ধনঞ্জয় চৌবেকে।

    ২৪ জুন: মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় দুষ্কৃতী আলিম বিশ্বাসের।

    ২৭ জুন: কোচবিহারের দিনহাটার গীতালদহে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জারি ধরলা গ্রামে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় তৃণমূল কর্মী বাবু হকের।

    ১ জুলাই: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর ফুলমালঞ্চ গ্রামে গুলি করে খুন করা হয় যুব তৃণমূল কর্মী জিয়ারুল মোল্লাকে। পঞ্চায়েতের টিকিট নিয়ে তৃণমূল ও যুব তৃণমূলের কোন্দলে খুন বলে অভিযোগ ওঠে।

    ৩ জুলাই: ভোরে উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়ার শালিপুরে বোমা বাঁধতে গিয়ে মৃত্যু হয় তৃণমূল কর্মী পরিতোষ মণ্ডলের।

    ৪ জুলাই: উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার গাঙাটি গ্রামে বোমার আঘাতে মৃত্যু হয় ১৭ বছরের তৃণমূল সমর্থক ইমরান হোসেনের। আইএসএফ ও সিপিএম সমর্থিত নির্দলদের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে।

    ৫ জুলাই: মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় দুষ্কৃতী কামাল শেখের। ওই দিনই বীরভূমের মহম্মদবাজারে দিলীপ মাহারা নামে বিজেপি নেতাকে গুলি করে খুনের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। 

    ৬ জুলাই: ৩ জুলাই কুলপির দক্ষিণ গাজিপুরে আলফাজ হালদার নামে এক কংগ্রেস নেতা আক্রান্ত হয়েছিলেন। প্রচারের সময় তাঁর ওপর হামলা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। তারপর কলকাতায় চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। ৬ তারিখ তাঁর মৃত্যু হয়।

    ৭ জুলাই: মুর্শিদাবাদের রানিনগরের রায়পুর গ্রামে অরবিন্দ মণ্ডল নামে কংগ্রেস কর্মী খুন। পিটিয়ে খুনের অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা কংগ্রেসের ওপরেই হামলার অভিযোগ করে তৃণমূল। 

    আরও পড়ুন: জটিলতা এড়াতে ত্রিস্তরে ৩ রঙের ব্যালট পেপার, কী কী সেই রং?

    ভোটের দিন হিংসা বন্ধ হবে কি?

    পঞ্চায়েত ভোটকে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্র করে রাজ্যে লাগামছাড়া হিংসা ও সন্ত্রাসের বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে বিরোধী দলগুলি। আদালতও, ভোট-হিংসা রুখতে রাজ্য প্রশাসন ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছে। রাজনৈতিক সন্ত্রাস রুখতে একাধিক পদক্ষেপ করেছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে পঞ্চায়েত ভোট করানোর নির্দেশ। অন্যদিকে, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্য নির্বাচন কমিশনকেও কড়া বার্তা দিয়েছেন তিনি। কিন্তু, এত কিছুর পরও কি হিংসা বন্ধ হবে? কেউ কি নিশ্চিত করে বলতে পারে যে শনিবার রক্ত ঝরবে না এ বাংলার বুকে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: ৪ ডিগ্রি কমল কলকাতার তাপমাত্রা, ভোটের দিন গ্রাম বাংলার আবহাওয়া কেমন?

    Weather Update: ৪ ডিগ্রি কমল কলকাতার তাপমাত্রা, ভোটের দিন গ্রাম বাংলার আবহাওয়া কেমন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই শহরের আকাশে মেঘের আনাগোনা। মাঝে মাঝে সূর্যের দেখা মিললেও তা ক্ষণস্থায়ী। মেঘলা আকাশ থাকায় ৪ ডিগ্রি কমল কলকাতার তাপমাত্রা (Weather Update)। শনিবার পঞ্চায়েত ভোট (WB Panchayat Election)। গোটা বাংলার পাশাপাশি ২২ বছর পর ভোট হবে পাহাড়েও। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Poll) দিন, বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি  হলেও গরম বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। তবে উত্তরবঙ্গ কিন্তু ভাসবে প্রবল বৃষ্টিতে। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে উত্তরে। 

    ভারী বৃষ্টি উত্তরে

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Update), ভোটের দিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গে। আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি ভোগাতে পারে। উত্তরবঙ্গে  হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মাঝে বিক্ষিপ্তভাবে দু এক জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টি চলবে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি জেলায়। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে বেশী বৃষ্টির সতর্কতা। বৃষ্টির পরিমাণ কমবে মালদা উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে।

    আরও পড়ুন: “নন্দীগ্রামে আর একটা ১৪ মার্চ ঘটাতে চায় মমতা ব্যানার্জি”, আশঙ্কা শুভেন্দুর

    হালকা বৃষ্টি দক্ষিণে

    বিক্ষিপ্তভাবে দু-এক পশলা বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা-সহ শহরতলির বিভিন্ন অংশে। জলীয় বাষ্প থাকায় অস্বস্তি থাকবে বলে আগেই জানিয়ে রেখেছে আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহ কেটে গেল এখনও ঝেঁপে বৃষ্টি থেকে বঞ্চিত কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলা। ফলে গরম জনিত অস্বস্তি থেকে এখনও নিস্তার পায়নি বঙ্গবাসী। কলকাতায় সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৭ ডিগ্রি। বৃহস্পতিবার  সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.৮ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৮৫ থেকে ৯৪ শতাংশ। বৃষ্টি হয়েছে ১১ মিলিমিটার। হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, দুই বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। কোনও কোনও জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: কোচবিহারে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিশীথ প্রামাণিকের, কী কথা হল?

    Panchayat Election 2023: কোচবিহারে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিশীথ প্রামাণিকের, কী কথা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর এক সপ্তাহ বাকি নেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023)। এই আবহে, শনিবার সকালে কোচবিহার সার্কিট হাউসে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করলেন বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik Meets Governor)। 

    সকাল থেকেই কোচবিহার সার্কিট হাউসে ব্যস্ততা

    পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election 2023) দামামা বাজতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হিংসার অভিযোগ আসতে শুরু করেছে। পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার পর রাজ্যে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অভিযোগের আঙুল উঠেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। উত্তরবঙ্গের কোচবিহারে ঘটে গিয়েছে একাধিক অশান্তির ঘটনা। ঝরেছে রক্ত, গিয়েছে প্রাণ। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে উত্তরবঙ্গ সফরে রয়েছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। বর্তমানে তিনি রয়েছেন কোচবিহারে। এই আবহে, রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলেন কোচবিহারের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik Meets Governor)। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির ৫ বিধায়ক। এদিন নিশীথের সঙ্গে দেখা যায় বিজেপি জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক সুকুমার রায়, বিধায়ক মালতি রাভা, বিধায়ক সুশীল বর্মন, বিধায়ক বরেনচন্দ্র বর্মন ও বিধায়ক মিহির গোস্বামীকে।

    রাজ্যপালকে কী বললেন নিশীথ প্রামাণিক?

    এদিন সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ সার্কিট হাউসে ঢোকেন নিশীথ প্রামাণিক। তাঁর আগে বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘‘গোটা উত্তরবঙ্গজুড়ে সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে, সেই বিষয়ে অভিযোগ জানাব। একইসঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়া যাতে শান্তিপূর্ণভাবে হতে পারে, সেই বিষয়েও কথা বলব।’’ পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023) ঘোষণার পর থেকে মনোনয়ন–পর্ব ও তার পরও কোচবিহারে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত। অশান্তি ঠেকাতে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ এদিন দাবি করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (Nisith Pramanik Meets Governor)। বিধায়ক মালতি রাভা বলেন, ‘‘তৃণমূল কর্মীরা একের পর এক বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালাচ্ছে৷ বাড়িঘর ভাঙচুর করছে৷ সেসব নিয়ে রাজ্যপালের কাছে অভিযোগ জানাব।’’

    আরও পড়ুন: দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষা ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গড়ার ডাক দিলেন রাজ্যপাল! কেন জানেন?

    নিশীথের পাশাপাশি এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন সিপিএম ও কংগ্রেসের প্রতিনিধিদলও। তাঁদেরও অভিযোগ, শাসক দল তৃণমূল ভোটের প্রচারে করতে বাধা দিচ্ছে। ভয় দেখাচ্ছে। এআইসিসি সদস্য পিয়া রায় চৌধুরী বলেন, ‘‘কোচবিহার জেলা জুড়ে বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল সন্ত্রাস চালাচ্ছে৷ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে রাজ্যপালের কাছে এসেছি।’’

    আজ দিনহাটায় যাবেন রাজ্যপাল

    পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election 2023) ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই উত্তপ্ত কোচবিহার। দিনহাটা, গিতালদহ, শীতলকুচির মত এলাকায় লাগাতার অশান্তি লেগেছে। একাধিক মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। কিছুদিন আগে দিনহাটার শিমূলতলা এলাকায় বিজেপির মন্ডল সম্পাদক খুন হয়েছেন। এরপর দিনহাটা-২ ব্লকের টিয়াদহ গ্রামে বিজেপি প্রার্থীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে পাটখেত থেকে। এর পর দিনহাটা-১ ব্লকের গিতালদহ-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের জারিধরলা গ্রামে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে গুলিও চলেছে। শীতলকুচিতেও তৃনমূল-বিজেপির সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই পরিস্থিতিতে আজ, শনিবার সেই সন্ত্রাস কবলিত এলাকায় পরিদর্শনে যাবেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। পাশাপাশি, কোচবিহারের বেসরকারি হাসপাতালেও যাবেন রাজ্যপাল। আক্রান্ত এবং মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন দিনহাটায়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: হাইকোর্টের বাহিনী-নির্দেশের পরই সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল শুভেন্দুর

    Panchayat Election 2023: হাইকোর্টের বাহিনী-নির্দেশের পরই সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা নিয়ে বুধবার যে রায় দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট সেই প্রেক্ষিতে ফের সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টের দেওয়া বাহিনী সংক্রান্ত নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মামলার সম্ভাবনা রয়েছে। এক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে কমিশন, রাজ্যও। তা আঁচ করে আগেভাগেই ক্যাভিয়েট দাখিল করলেন শুভেন্দু।

    আগেও হয়েছে। এবারও হতে পারে!

    আগেও হয়েছে। এবারও হতে পারে! সাম্প্রতিক অতীতে একাধিকবার দেখা গিয়েছে, হাইকোর্টের কোনও রায় বিপক্ষে গেলেই রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছে। একই কথা প্রযোজ্য হচ্ছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ক্ষেত্রেও। গত সপ্তাহে রাজ্যের সর্বত্র কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election 2023) করানোর নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। সেই রায়ের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে পৌঁছে যায় রাজ্য ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন– দুজনই। যদিও, মঙ্গলবার সেখানেও ধাক্কা খেতে হয়েছে। হাইকোর্টের রায়ে কোনও রকম হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি সু্প্রিম কোর্ট। 

    আরও পড়ুন: নাটকীয় পরিবর্তন! রাজীব সিনহার জয়েনিং রিপোর্ট ফেরত পাঠিয়ে দিলেন রাজ্যপাল

    এরপর বুধবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া আরেকটি নির্দেশে হাইকোর্ট জানিয়েছে, ২০১৩ সালের পঞ্চায়েতে যে পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ছিল, তার থেকে এবারের নির্বাচনে (Panchayat Election 2023)  কোনওভাবে কম বাহিনী মোতায়েন করা চলবে না। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে পঞ্চায়েত ভোটের জন্য ন্যূনতম ৮২ হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। 

    ক্যাভিয়েট করে রাখলে কী লাভ?

    এই প্রেক্ষিতে, বিরোধীদের তরফ থেকে মনে করা হচ্ছে, এই রায়ের বিরুদ্ধে আরও একবার সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করতে পারে রাজ্য ও রাজ্যের নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আশঙ্কা করছেন, এই রায়ের বিরুদ্ধেও সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে রাজ্য ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন। অন্তত, বিগত ঘটনাবলির প্রেক্ষিতে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সে ক্ষেত্রে দেশের শীর্ষ আদালত যাতে একপাক্ষিক ভাবে রাজ্য বা কমিশনের বক্তব্য শুনে কোনও নির্দেশ না দেয়, তার জন্যই ক্যাভিয়েট দাখিল করে রাখলেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, যদি কমিশন সুপ্রিম কোর্টে গিয়েও থাকে, তাহলে যেন বিরোধীদের কথা না শুনে, কেবল এক পক্ষের কথা শুনেই বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত না নেন বিচারপতি। 

    হাইকোর্টের তিরস্কার রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে

    প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ পালন করা হয়নি এই অভিযোগে কমিশনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করেছিলেন বিরোধীরা। বিজেপির তরফে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং কংগ্রেস নেতা আবু হাসেম খান চৌধুরী ওরফে ডালু ওই মামলা করেন। বুধবারের শুনানিতে পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসা-অশান্তি রুখতে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কার্যত তিরস্কার করেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। এমনকি, বিচারপতি এও মন্তব্য করেন, ‘‘দায়িত্ব সামলাতে না পারলে কমিশনার পদ থেকে সরে যান।’’ আদালতের এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ কারণ, বিরোধীরা প্রথম থেকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Panchayat Election 2023: বহাল হাইকোর্টের রায়, পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনীই, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Panchayat Election 2023: বহাল হাইকোর্টের রায়, পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনীই, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের পর এবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়েও ধাক্কা খেতে হল রাজ্য এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) রাজ্যের সর্বত্র কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে যে রায় দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট, তাতে কোনও রকম হস্তক্ষেপ করতে রাজি হল না শীর্ষ আদালত। বিচারপতি বিভি নাগরত্না এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, ‘‘ভোটে কোনও ধরনের অশান্তি কাম্য নয়। অতীতে বাংলায় ভোটের সময় হিংসা দেখা গিয়েছে। এই অবস্থায় হাইকোর্ট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েছিল। সেই রায়তে কোনও সমস্যা নেই।’’

    শুনানি-পর্বে কী হল?

    পঞ্চায়েতের মনোনয়ন-পর্বকে (Panchayat Election 2023) ঘিরে রাজ্যে যে সীমাহীন হিংসা ও রক্তক্ষয় হয়েছে, তা বিচার করে গত সপ্তাহেই সর্বত্র কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানমের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে অবাধ ও স্বচ্ছ ভোটের জন্য হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি বিভি নাগরত্না এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রর ডিভিশন বেঞ্চ এদিন জানিয়ে দেয়, হাইকোর্টের রায়ে কোনও হস্তক্ষেপ করবে না শীর্ষ আদালত।

    আরও পড়ুন: “দুষ্কৃতীরা ওয়াররুম খুলেছে, তাই রাজভবনে পিস রুম”, কড়া বার্তা রাজ্যপালের

    শীর্ষ আদালতের প্রশ্নের মুখে কমিশন

    বাহিনী মোতায়েন নিয়ে মামলার শুনানি চলাকালীন এদিন বিচারপতি নাগরত্না রাজ্যের আইনজীবীকে বলেন, ‘‘এমনিতে আপনারা পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election 2023) জন্য পাঁচ রাজ্যের থেকে পুলিশ চেয়েছেন। এদিকে হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হলে তার খরচ কেন্দ্রই বহন করবে। তাহলে আপনাদের সমস্যা কোথায়?’’ 

    আবার, রাজ্য কমিশনের (Panchayat Election 2023) আইনজীবী দাবি করেন, ‘‘রাজ্যের পুলিশ যথেষ্ট দক্ষ। তবে সংখ্যায় পুলিশকর্মী কম থাকায় অন্য রাজ্য থেকে বাহিনী চাওয়া হয়েছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘মনোনয়ন পর্বে কমিশন পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। মনোনয়ন কেন্দ্রের ১ কিমি পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল।’’ কমিশনের যুক্তি, ‘‘আমাদের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। এই আবহে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হলে পরিকল্পনা বদল করতে হবে। তাছাড়া, নিরাপত্তার বিষয়টি রাজ্য দেখে। এখানে কমিশনকে সরাসরি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।’’

    একথা শোনার পর বিচারপতি বলেন, ‘‘নিরাপত্তা ব্যবস্থা আপনাদের উপর নয় যখন, তাহলে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে চিন্তিত কেন? আপনারা আপনাদের কাজ করুন। যেখান থেকেই বাহিনী আসুক, আপনাদের অসুবিধা কোথায়?’’ এই প্রেক্ষিতে এদিন সুপ্রিম কোর্টের কড়া মন্তব্যের মুখে পড়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, ‘‘নির্বাচন করানো মানে হিংসার লাইসেন্স দেওয়া নয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share