Tag: panchayat violence

panchayat violence

  • Panchayat Violence: লাঠি, বাঁশ নিয়ে অতর্কিত হামলা, সংঘর্ষ, মারধর, উত্তপ্ত গোঘাট, গলসি, খেজুরি

    Panchayat Violence: লাঠি, বাঁশ নিয়ে অতর্কিত হামলা, সংঘর্ষ, মারধর, উত্তপ্ত গোঘাট, গলসি, খেজুরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট শেষ, গণনাও শেষ। বুথ জ্যাম, ছাপ্পা ভোট, সন্ত্রাস চালিয়ে তৃণমূল রাজ্যের গ্রামাঞ্চলে একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম করেছে। কিন্তু শাসক দলের রক্তচক্ষু শান্ত হয়নি। বিরোধীদের উপর একের পর এক হামলা হয়েই চলেছে। ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়ে বিজেপি সমর্থকদের বাড়িছাড়া করার ঘটনাও (Panchayat Violence) ঘটেছে হাওড়া জেলার আমতায়। শুক্রবার ফের একাধিক জায়গায় হামলা এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল।

    ফের ভোট পরবর্তী হিংসা (Panchayat Violence) হুগলির গোঘাটে

    বিজেপি ও তৃণমুল সংঘর্ষে উত্তেজনা গোঘাটের সন্তা এলাকায়। ভোটের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই চাপা উত্তেজনা তৈরি হয় গোঘাটের সন্তা এলাকায়। বিজেপির অভিযোগ, গতকাল রাতে হঠাৎ করে তৃণমুলের দলবল লাঠি, বাঁশ নিয়ে গ্রামে ঢুকে অতর্কিত হামলা (Panchayat Violence) চালায়। গ্রামের মানুষ প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ঘটনায় উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়। তাদের মধ্যে দু’জনকে রাতেই গোঘাট প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। অন্যদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয় গোঘাট থানার পুলিশ। আটক করা হয় ৮ জনকে। রাতের পর শুক্রবার সকালেও চাপা উত্তেজনা রয়েছে ওই এলাকায়। যদিও এলাকায় চলছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল ও মোতায়েন রয়েছে পুলিশ। তৃণমূলের পাল্টা দাবি, গোঘাটের বিজেপি বিধায়কের উস্কানিতে তৃণমূলের উপর চড়াও হয় বিজেপির লোকজন।

    ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত (Panchayat Violence) গলসি

    এদিন বেলা ১১ টা নাগাদ আচমকা শাসক দলের লোকেরা সিপিএম ও কংগ্রেস সমর্থকদের উপরে চড়াও (Panchayat Violence) হয় বলে অভিযোগ। এরপরই এক মহিলা সহ চার সিপিএম সমর্থকের উপর হামলা চালানো হয়। পাশাপাশি ঘটনায় তৃণমূলের পারাজ গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য জাহাঙ্গীর সেখকে ছুরি চালানোর অভিযোগ উঠেছে সিপিআইএম সমর্থকদের বিরুদ্ধে। ঘটনার জেরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে গলসি ১ নম্বর ব্লকের পারাজ গ্রাম পঞ্চায়েতের করকডাল গ্রামে।  ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ। পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে পুরসা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে আসে। সেখানে চারজনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের বর্ধমানে স্থানান্তর করা হয়।

    খেজুরিতে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ, বাড়ি ভাঙচুর (Panchayat Violence) 

    ভোটের ফল ঘোষণার পরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে (Panchayat Violence) উত্তপ্ত খেজুরি। আহত দুপক্ষের বেশ কয়েক জন। খেজুরি দুই ব্লকের বীরবন্দর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার দেখালি গ্রামের ১৬১ নম্বর মহামায়া বুথের ঘটনা। তৃণমূলের অভিযোগ, এই বুথে তৃণমূল জয় লাভ করায় তাদের কর্মীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর চালিয়েছে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। অন্যদিকে বিজেপির অভিযোগ, এই বুথে তৃণমূল কংগ্রেস জেতার ফলে তাদের কর্মীদের মারধর করা হয়েছে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। বেশ কয়েকজন হাসপাতালে ভর্তিও রয়েছে। এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে। পরিস্থিতি থমথমে। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশি টহলও চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: আমতায় একের পর এক বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে ভাঙচুর, আগুন

    Howrah: আমতায় একের পর এক বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে ভাঙচুর, আগুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট মিটে গেলেও এখনও পর্যন্ত জেলায় জেলায় অশান্তি থামেনি। বৃহস্পতিবারই উচ্চ আদালত নির্দেশ দিয়েছে, যে কোনও ধরনের অশান্তি ঘটলে কেন্দ্রীয় বাহিনী সরাসরি ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবস্থা নিতে পারে। কিন্তু তার পরেও পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি। বৃহস্পতিবার আদালতের নির্দেশ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই গভীর রাতে হাওড়ার (Howrah) আমতায় একের পর এক বিজেপি সমর্থকের বাড়ি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটল। গণনার পর থেকেই আমতার ওই এলাকা উত্তপ্ত ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকটি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনায় এলাকা আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠল। এমনকী শাসক দলের নেতারা হুমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ বিরোধী দলের। বৃহস্পতিবার রাতে বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রার্থী সোমা রায় সহ ৬ বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় এক বৃদ্ধা অগ্নিদগ্ধ হন। বিজেপির দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী ছাড়া আর কেউ এ কাজ করতে পারে না।

    ভয়াবহ সেই ঘটনার (Howrah) বিবরণ

    আমতা (Howrah) বিধানসভার অন্তর্গত আমড়াগোড়ি অঞ্চলের কাঁকরোল গ্রামে বিজেপির গ্রামসভার প্রার্থী সোমা রায়ের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটে নাগাদ দুষ্কৃতীরা তাঁর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। আতঙ্কে গ্রামছাড়া এলাকার একাধিক পরিবার। বিজেপির আরও অভিযোগ, ঘরগুলোতে বাইরে থেকে শিকল লাগিয়ে দেওয়া হয়। প্রতিবশীরাই তাদের দরজার শিকল খুলে ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করে। এই ঘটনায় কোনওক্রমে বাড়ির বাসিন্দারা বেরোতে পারলেও আগুনে পুড়ে মরেছে হাঁস, মুরগি সহ গবাদি পশু। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে জয়পুর থানার পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানরা। অভিযোগ, ভোটে বিজেপির হয়ে দাঁড়ানোর পর থেকেই হুমকি আসছিল। তৃণমূলের নেতারা বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়ে এলাকা ছাড়া করার হুমকি দিয়ে আসছিল। কিন্তু তারা তৃণমূলের হুমকি উপেক্ষা করেই সেখানে বসবাস করছিলেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতে তৃণমূল সত্যিই যে ঘরদোর জ্বালিয়ে দেবে, তাঁরা তা বুঝে উঠতে পারেননি।

    কী বলছে বিজেপি প্রার্থীর পরিবা (Howrah) ?

    ভূদেব রায় ও স্বপন রায় দুই ভাই। ভূদেবের স্ত্রী কল্পনা রায় ও স্বপনের স্ত্রী ঝুমা রায়। দুই জা বিজেপির হয়ে এবারে পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। অমরাগড়ি এলাকার ৪৩ ও ৩৭ নম্বর দুটি বুথ থেকে দুজনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। স্বপন রায় বলেন, স্থানীয় তৃণমূলের নেতারা আমাদের ভোটে দাঁড়াতে বারণ করেছিল। আমরা তাদের বারণ উপেক্ষা করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। তারপর থেকেই আমাদের হুমকি দিয়ে আসছিল। কিন্তু সত্যিই যে তারা আমাদের ঘরে (Howrah) পেট্রোল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেবে, তা আমরা বুঝতে পারিনি।

    তীব্র নিন্দা শুভেন্দু অধিকারীর

    হাওড়া গ্রামীণের বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক দ্বিজেন অধিকারী বলেন, পুলিশ ওদের দলদাস। মনোনয়ন থেকে দেখছি, পুলিশ ওদের কথা মতো চলছে। বিজেপি বারবার আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও পুলিশ কিছু করছে না। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমা রায়ের বাড়ি (Howrah) কীভাবে পুড়েছে, সেই ছবি তিনি ট্যুইটারে পোস্ট করেছেন। তাঁর দাবি, গ্রামাঞ্চলে ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার কয়েক হাজার বিরোধী দলের কর্মী। তাঁদের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে গ্রামছাড়া করা হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন শুভেন্দু।

    কী বলছে তৃণমূল?

    যদিও তৃণমূল তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আমতা কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সেলিমুল আলম জানান, যে জায়গায় ঘরগুলি আগুনে পুড়ে গেছে সেই জায়গা নিয়ে আইনি জটিলতা চলছিল। আইনি জটিলতা কাটাতে ইচ্ছে করে ঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়ে তৃণমূলের নামে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “আগামী দিনেও মৃত্যু হবে, সেটাও একতরফা হবে না”, বিস্ফোরক দিলীপ

    Dilip Ghosh: “আগামী দিনেও মৃত্যু হবে, সেটাও একতরফা হবে না”, বিস্ফোরক দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মানুষ প্রতিরোধ করেছে বলে ওদের বডি পড়ে গেছে। আগামী দিনেও মৃত্যু হবে। এবং সেটাও একতরফা হবে না।” মঙ্গলবার ভোট গণনার দিন কথাগুলি বললেন বিজেপির (BJP) জাতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এদিন সকালে মেদিনীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন দিলীপ।

    “তৃণমূলকে ভোট দিয়ে কী ভুল করেছি”

    তিনি বলেন, “সারা দেশের লোক এখানে আসছে, গণতন্ত্র বেঁচে আছে কিনা দেখতে। আর এরা যাচ্ছে মণিপুর। এসব চালাকি করে বেশি দিন চলে না। এরা দিল্লি যাবে, বিহার যাবে, উত্তরপ্রদেশ যাবে, আর এ রাজ্যে পাড়ায় পাড়ায় খুন খারাপি চলবে। রোজ মৃত্যু হবে। লোক ত্রাহি ত্রাহি করবে। রাজ্যপালকে জেলায় জেলায় ঘুরতে হবে। তার পরেও এরা নির্লজ্জের মতো অন্য রাজ্যে যাবে।” দিলীপ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের লোকেরাও আলোর অপেক্ষায় রয়েছেন। কারণ পুরোটাই তো অন্ধকার। রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।” মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, “আসলে প্রশাসনের ওপর মুখ্যমন্ত্রীর কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। যে যা খুশি করে বেড়াচ্ছে। তাই এই পরিণতি। মানুষ বুঝতে পারছে, তৃণমূলকে ভোট দিয়ে কী ভুল করেছি।”

    উপদ্রুত

    বিজেপির জাতীয় সহ সভাপতি (Dilip Ghosh) বলেন, “দিনহাটা, সিতাই, শীতলখুচি, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এই জেলাগুলি সারা বছর উপদ্রুত। এখন দুষ্কৃতীদের পুরো রাস্তায় নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। গণনায়ও লুঠ হবে। জেতার পরেও বিজেপিকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না। বিডিওকে হুমকি দেওয়া হবে। রেজাল্ট চেঞ্জ করার চেষ্টা করা হবে।” দিলীপ বলেন, “যাঁরা আজ লজ্জা পাচ্ছেন, তাঁরাই এক সময় সিপিএমের অত্যাচারের বিরুদ্ধে তৃণমূলকে সাপোর্ট করেছিলেন। আগে তাঁরা স্বীকার করুন, তাঁরা ভুল করেছেন।”

    আরও পড়ুুন: বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, পা ভাঙল প্রার্থীর, গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    বিজেপির জাতীয় সহ সভাপতি (Dilip Ghosh) বলেন, “কটা আসন পাব জানি না। তবে পাব। জেলা পরিষদ। আমাদের এলাকায়ও তৃণমূল গোলমাল পাকানোর অনেক চেষ্টা করেছিল। এই যে ওরা বলছে, ওদের লোক মারা গিয়েছে, ওদের লোক কেউ মারা যায়নি। গুন্ডা ও সমাজবিরোধী, যারা টাকা নিয়ে ভোট করায়, তারা মারা গেছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “মানুষ প্রতিরোধ করেছে বলে ওদের বডি পড়ে গেছে। আগামী দিনেও মৃত্যু হবে। এবং সেটাও একতরফা হবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share