Tag: Panchayat vote

Panchayat vote

  • ECI: লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে সিআরপিএফের নিয়ন্ত্রণে, সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    ECI: লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে সিআরপিএফের নিয়ন্ত্রণে, সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে গোনা আর মাত্র ক’টা দিন। তারপরেই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের বাজনা বেজে যাবে। ইতিমধ্যেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI) বেশ কিছু নজরকাড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে উল্লেখযোগ্যভাবে নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার আগেই নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, প্রত্যেক বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যদিও ২০১৯ এবং ২০২১ সালে এই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হলেও তাকে সম্পূর্ণভাবে মনিটর করেছে বিএসএফ। কিন্তু এবার আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সব কিছুই মনিটর করবে সিআরপিএফ। শাসক থেকে বিরোধী, সকলেই বিএসএফের দিকে বিভিন্ন সময়ে আঙুল তুলেছে। আর সব কিছু পর্যালোচনা করেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর, জেলা নির্বাচনী আধিকারিক বা রিটার্নিং অফিসার থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনী যেখানে যেখানে মোতায়েন হবে, তার সব কিছুই মনিটার করবে একমাত্র সিআরপিএফ।

    যোগাযোগ রক্ষার কাজও করবে সিআরপিএফ (ECI)

    পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী সংক্রান্ত সব বিষয়ে কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার কাজ করবে সিআরপিএফ। নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার আগে থেকেই সব দিকের সব কাজ আগে থাকতেই শেষ করে রাখতে চাইছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধি এবং অতি সক্রিয়তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন করেছিল রাজ্যের শাসক দল। অন্যদিকে রাজ্যের শাসক তথা বিরোধী তর্জার মাঝেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI) জানিয়ে দিয়েছে, আসন্ন ২০২৪’ এর লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মোতায়েন করা থেকে শুরু করে সব কিছুই এবার মনিটর করবে সিআরপিএফ।

    আশায় বুক বাঁধছে মানুষ (ECI)

    এখন দেখার বিষয় একটাই, সম্প্রতি রাজ্যের শেষ হওয়া পঞ্চায়েত ভোটে মানুষের মধ্যে যে ছবি এখনও ঢুকে রয়েছে, সেই আতঙ্ককে দূর করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিজস্ব যে ভূমিকা তা যথাযথ ভাবে পালন করে আদপে সিআরপিএফ কতটা সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারে এবং আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (ECI) গরিমাকে ধরে রাখতে কতটা তৎপর হতে পারে। তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের যে ভূমিকা এখন থেকেই সাধারণ মানুষ দেখছে, তাতে আশায় বুক বাঁধছে মানুষ, হয়তো বা এবার রাজ্যে অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং রক্তপাতহীন লোকসভা নির্বাচন সম্পন্ন হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • South 24 Parganas: মারধর করে বিজেপি কর্মীর চোখ নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    South 24 Parganas: মারধর করে বিজেপি কর্মীর চোখ নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট মিটলেও সন্ত্রাস কমেনি বিন্দুমাত্র। জেলায় জেলায় (South 24 Parganas) বিরোধীদের ওপর হামলা চলছেই। এখনও ঘরছাড়া বহু বিজেপি কর্মী। সাত-আটমাসের শিশুদের নিয়েও বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের জেলা অফিসে আশ্রয় নিতে দেখা গিয়েছে। ফের একবার বিজেপির বুথ সভাপতিকে মারধর করে চোখ নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বুথ সভাপতির বিরুদ্ধে। রায়দিঘির খাঁড়ি শাসন (South 24 Parganas) এলাকায় এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রসঙ্গত, একই ঘটনা ঘটেছিল ঠিক পঞ্চায়েত ভোটের আগে। আহত বিজেপির বুথ সভাপতির নাম গোপাল অধিকারী বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত চলছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    আহত বিজেপির বুথ সভাপতির অভিযোগ, রবিবার রাতে রায়দিঘির খাঁড়ি শাসন পাড়ায় (South 24 Parganas) হঠাৎই তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা দলবল নিয়ে গোপাল অধিকারীর উপর চড়াও হয়ে বেধড়ক মারধর করে। পরে গোপাল অধিকারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অন্যদিকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সোমবার রায়দিঘি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপির বুথ সভাপতি। অভিযোগ অস্বীকার করে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুন: ‘উত্তরবঙ্গের প্রতি ফোকাসটা কম, পিছিয়ে পড়া মনে হয়’, একী বললেন তৃণমূলের মেয়র গৌতম দেব

    কী বলছেন আক্রান্ত?

    আক্রান্ত গোপাল অধিকারীর ডান চোখে ব্যাপক আঘাত লেগেছে। রক্ত জমাট বেঁধে গিয়েছে চোখের আশেপাশে। হাসপাতালে বসে থেকে গোপাল বলেন, ‘‘আনোয়ার হোসেনের লোকজন দল বেঁধে হামলা চালায় আমার ওপর। পঞ্চায়েত ভোট থেকেই আমাকে টার্গেট করেছে ওরা। সেসময় এলাকায় বোমাবাজি করে চলে যায় ওরা। তবে ভোটের পরে দেখে নেওয়ার হুমকি তারা দিচ্ছিল। এদিন তারা আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে চোখে ঘুষি চালাতে থাকে। আমি বারবার বলার চেষ্টা করেছিলাম, আমি তো তোমাদের কোনও ক্ষতি করিনি, কিন্তু তাও ওরা মারতে থাকে আমাকে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপির কেন্দ্রীয় দল হুগলির সন্ত্রাস-কবলিত এলাকা পরিদর্শন করল রবিবার

    BJP: বিজেপির কেন্দ্রীয় দল হুগলির সন্ত্রাস-কবলিত এলাকা পরিদর্শন করল রবিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটে লাগামছাড়া সন্ত্রাসের সাক্ষী থেকেছে রাজ্যবাসী। ভোট পরবর্তী ‘হিংসা’র ঘটনায় এখনও ঘরছাড়া বহু বিজেপি (BJP) কর্মী। পরিস্থিতির খোঁজ নিতে এবং সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে বাংলায় এসেছে বিজেপির আরও একটি প্রতিনিধি দল। এই দলটি তফশিলি সম্প্রদায়ের পাঁচ সাংসদ নিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

    হুগলির তারকেশ্বর ও আরামবাগের সন্ত্রাস কবলিত এলাকা পরিদর্শন

    দলটি রবিবার হুগলির তারকেশ্বর ও আরামবাগের সন্ত্রাস কবলিত কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখে। বিজেপির (BJP) অভিযোগ, পঞ্চায়েত ভোটের দিন থেকে সেই জায়গাগুলিতে ‘সন্ত্রাস’ চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, শাসকদলের হুমকির রোষে বিজেপির বহু কর্মী-সমর্থক ঘরছাড়া। ভোটের দিন যে সব দলীয় কর্মী তৃণমূলের হাতে মার খেয়েছিলেন, তাঁদের সঙ্গে দেখা করে বিজেপির প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার সংবিধান মেনে কাজ না করলে এবং বিজেপি কর্মীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হলে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।’’

    কী বলছেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা 

    রবিবার বিকেল নাগাদ তারকেশ্বরের পিয়াসাড়া নাইটা মালপাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মালপাহাড়পুর ও রামচন্দ্রপুর গ্রামে যায় বিজেপির তফশিলি সম্প্রদায়ের ওই দল। দলে ছিলেন বিনোদ সোনকর, সুরেশ কশ্যপ, এস মুনিস্বামী, মনোজ রাজোরিয়া এবং বিনোদ চাবড়া। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব বলছেন, ‘‘ভোটের দিন মালপাহাড়পুরের ১৪৮ নম্বর বুথের বিজেপি প্রার্থী নীলকান্ত বাগ-সহ বেশ কয়েকজন বিজেপি (BJP) কর্মীর উপর হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগেই রাস্তায় তাঁদের বাঁশ, লাঠি, রড দিয়ে মারধর করা হয়। সেই ঘটনায় নীলকান্ত, তাঁর বুথ এজেন্ট সঞ্জিত মাজি এবং বিজেপি কর্মী সাগর রুইদাস গুরুতর জখম হন। তাঁদের তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে তাঁদের স্থানান্তরিত করা হয় আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে।’’ এই দলটি সঞ্জিতের বাড়িতে যায়। সেখানে তাঁর পরিবারের লোকেদের সঙ্গে কথা বলে তারা। রবিবার সন্ধ্যায় আরামবাগের পার্টি অফিসেও যায় কেন্দ্রীয় দলটি। দলের সদস্য বিনোদ সোনকর বলেন, ‘‘তৃণমূলের অত্যাচারে আমাদের দলের কর্মীরা ঘরছাড়া। পুলিশের মদতে তৃণমূল কর্মীরা বিজেপির কর্মীদের হামলা করেছে। এর দায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিতে হবে। কারণ, তিনিই পুলিশমন্ত্রী। সংবিধান মেনে কাজ হোক। সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। না হলে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।’’ বিনোদ সোনকরের আরও সংযোজন, ‘‘এখানে পুলিশ-প্রশাসনকে জানিয়ে রাখছি, তারা একটা রাজনৈতিক দলের মতো কাজ করছে। সেটা বন্ধ করতে হবে। তারা যদি এ রকম কাজ করতে থাকে, তা হলে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে যে রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও একই রকম পদক্ষেপ করা হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: মুর্শিদাবাদে গণনাকেন্দ্রের পিছনে উদ্ধার হাজার খানেক ব্যালট! বিক্ষোভ বিজেপির

    Panchayat Vote: মুর্শিদাবাদে গণনাকেন্দ্রের পিছনে উদ্ধার হাজার খানেক ব্যালট! বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট গণনার (Panchayat Vote) পরে ব্যালট উদ্ধার চলছেই জেলায় জেলায়। কোথাও আস্ত ব্যালট বক্সও উদ্ধার হচ্ছে। নদীর ধারে, ঝোপে জঙ্গলে, রাস্তার ধারে উড়ছে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রতীক। এবার একই ঘটনা মুর্শিদাবাদ জেলার সূতিতে। শুক্রবার সূতি-২ ব্লকের গণনাকেন্দ্রের পিছনের জঙ্গল থেকে হাজার খানেক ব্যালট উদ্ধার হয়। বিরোধী প্রার্থীদের ভোট দেওয়া  ব্যালট পেপার (Panchayat Vote) উদ্ধারের ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি সহ  বিরোধী দলের নেতা ও কর্মীরা বিডিও অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। দেখা যাচ্ছে অসংখ্য ব্যালট পুড়িয়েও ফেলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: বিজেপি নেতাদের বাড়ি ‘ঘেরাও’য়ের ডাক মমতা-অভিষেকের, তুলোধনা সুকান্ত-শুভেন্দুর

    বিজেপির বিক্ষোভ

    ঘটনার খবর পেয়ে সূতি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী বিডিও অফিসে আসে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরাতে গেলে ব্লক অফিস চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। প্রসঙ্গত, রাজ্যের ঘোষণা মতো এদিনই সূতি-২ বিডিও অফিসে বিজেপির বিক্ষোভ সমাবেশ ও ডেপুটেশন ছিল। তখনই বিডিও অফিস সংলগ্ন গণনাকেন্দ্র দফাহাট মডেল ইস্কুলের পিছনের জঙ্গল প্রচুর সংখ্যায় প্রচুর সংখ্যায় ব্যালট পেপার (Panchayat Vote) পড়ে থাকতে দেখা যায়। 

    বিরোধীদের দাবি

    জানা গিয়েছে সমস্ত ব্যালট পেপারগুলি (Panchayat Vote) ৭ নম্বর জেলা পরিষদের কংগ্রেস প্রার্থীর সমর্থনে ভোট (Panchayat Vote) দেওয়া রয়েছে। গ্রাম সভা, পঞ্চায়েত সমিতির বেশ কয়েকটি এলাকার কংগ্রেস প্রার্থীদের ভোট দেওয়া ব্যালটও রয়েছে। খবর পেয়ে ৭ নং  জেলা পরিষদ প্রার্থী সোহরাব আলি হাজি এবং কংগ্রেস কর্মীদের পাশাপাশি সিপিএম, বিজেপির নেতৃত্ব ও কর্মীরা ছুটে আসেন। কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, কংগ্রেস সহ বিরোধীদের পক্ষে ভোটের ব্যালট পেপারগুলি বেছে বেছে সরিয়ে দিয়ে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিডিও ও আইসির মদতেই এই কারচুপি হয়েছে।

     

    আরও পড়ুুন: মমতার ভাষণে ২১ জুলাইয়ের কোনও কথাই নেই, শুধুই মণিপুর আর ১০০ দিনের বকেয়া!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: মুর্শিদাবাদে গণনায় কারচুপি করে বিরোধী প্রার্থীকে হারানোর অভিযোগ

    Panchayat Vote: মুর্শিদাবাদে গণনায় কারচুপি করে বিরোধী প্রার্থীকে হারানোর অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটকে (Panchayat Vote) ঘিরে ছাপ্পা, ভোট লুটের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। জেলায় জেলায় বিরোধীদের অভিযোগ, গণনা কেন্দ্রেও কারচুপি করেছে  শাসক দল। এনিয়ে একাধিক মামলাও দায়ের হয়েছে হাইকোর্টে। মুর্শিদাবাদ জেলায় কাঞ্চনতলা পঞ্চায়েতের হিজলিতলা প্রাইমারি স্কুলের ভোট কেন্দ্রে সেরকমই কারচুপির ছবি সামনে এসেছে। ওই বুথে ভোট পড়ে ৫৮৬। ভোট গণনার দিন দেখা যায় ৫৪৩টি ভোট গণনা হয়েছে এবং মাত্র ১২ ভোটে পরাজয় হয়েছে কংগ্রেস প্রার্থীর। তাহলে বাকি ৪৩ ভোট (Panchayat Vote) ভুতুড়ে হয়ে গেল কোথায়? এমনটাই প্রশ্ন বিরোধীদের। মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেসের প্রশ্ন, তাদেরকে হারানোর জন্যই কি ৪৩টি ভোট ভুতুড়ে হয়ে উড়ে গেল? কারচুপি করে তাঁকে হারানো হয়েছে, এই নিয়ে অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী মোঃ মোস্তাকিম। ইতিমধ্যেই রাজ্যপাল, ইলেকশন কমিশন, এসডিও, বিডিওদের ই মেইলও করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কংগ্রেসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, কোনওরকম সুরাহা না হলে তারা হাইকোর্টে যাবে।

    সোনারপুরের বুথে ভোটার ৭৪০, অথচ তৃণমূল জয়ী ১০৮৬ ভোট পেয়ে

    এই ধরনের ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সোনারপুর ব্লকের প্রতাপনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের একের পর এক বুথের ব্যালট বক্সের ব্যালট পেপারের (Panchayat Vote) হিসাব মিলছে না বলে অভিযোগ তুলে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছেন বিরোধীরা। তার মধ্যে ২০১ এ ২০১ বি- এই দুটি বুথের দুজন বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, বুথের যা মোট ভোটার, তার চেয়ে প্রায় দেড়গুণের মতো ভোট কীভাবে পেয়ে জিতে গেল শাসকদলের প্রার্থী? তাই ওই বুথে পুনরায় ভোটের দাবি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করতে চলেছেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, তাঁরা প্রথম জিতে গিয়েছিলেন। পরে তাঁদের মেরেধরে গণনা কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। পরে ঘোষণা করা হল, ওই দুটি বুথে তৃণমূল প্রার্থী বিজয়ী। ২০১ এ-র বিজেপি প্রার্থী আলোমতি হালদার (সরদার) জানান, তাঁর বুথের (Panchayat Vote) ভোটার সংখ্যা হল ৭৪০, ভোট পড়েছে ৬০৬, সেখানে ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে তৃণমূল প্রার্থী ১০৮৬ ভোট পেয়ে জিতে গিয়েছেন। অন্যদিকে ২০১ বি বুথের বিজেপির প্রার্থী অষ্টম কুমার নস্কর জানান, তাঁর বুথের ভোটার ৭২০, ভোট পড়েছে ৬১৪ সেখানে তৃণমূল প্রার্থী ১০৮৪ ভোট পেয়ে জিতে গেছেন। এই দুই প্রার্থীর অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে বাইরে থেকে ব্যালট পেপারে ছাপ মেরে ব্যালট বক্সে দিয়ে তৃণমূল প্রার্থীকে জিতিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই তাঁরা আদালতের শরণাপন্ন হবেন নতুন করে ভোটের দাবি নিয়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: ফের উত্তপ্ত ভাঙড়! পঞ্চায়েত প্রার্থীর কান ছুঁয়ে বেরিয়ে গেল গুলি

    Panchayat Vote: ফের উত্তপ্ত ভাঙড়! পঞ্চায়েত প্রার্থীর কান ছুঁয়ে বেরিয়ে গেল গুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙড়ে অশান্তি যেন কিছুতেই থামছে না। জুন মাসে মনোনয়ন পর্ব (Panchayat Vote) শুরু হতেই মুড়ি মুড়কির মতো বোমা পড়তে থাকে। ঝরে বেশ কতগুলি তাজা প্রাণ। ভোটের দিনও অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে ভাঙড়ের পরিস্থিতি। আবার ভোট গণনার দিনও বদলায়নি চিত্র। সপ্তাহখানেক আগে ভোটের ফলাফলের দিন বোমা-গুলির লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয়েছিল ভাঙড়। সেই ঘটনার রেশ কাটার আগেই আবারও গুলি চলল ভাঙড়ে। ব্যাপক বোমাবাজিতে আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ।

    উত্তপ্ত ভাঙড়

    মঙ্গলবার রাত দশটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে বিজয়গঞ্জ বাজার সংলগ্ন পানাপুকুর গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে খবর, চালতাবেড়িয়া গ্রামসভার পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী হাতেম মোল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। পানাপুকুরের বাসিন্দা হাতেম যখন বাড়ি ফিরছিলেন তখন তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চলে। হাতেমের ডান কান ছুঁয়ে গুলি বেরিয়ে যায়। কোনও রকমে প্রাণে বাঁচেন হাতেম। একইসঙ্গে ওই এলাকার পঞ্চায়েত সমিতিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী এক তৃণমূল প্রার্থীর (Panchayat Vote)র বাড়ি লক্ষ্য করেও ব্যাপক বোমাবাজি হয় বলে অভিযোগ। দুটি ঘটনাতেই নাম জড়িয়েছে আইএসএফ-এর। হাতেমকে উদ্ধার করে জিরেনগাছা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। ঘটনার খবর পেয়েই কাশীপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। যদিও এই ঘটনার দায় অস্বীকার করেছেন আইএসএফ নেতারা। রাজ্যে লাগামছাড়া সন্ত্রাসের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে উঠলেও ভাঙড়ে আবার উলট পুরাণ! এখানে খোদ শাসকদল অভিযোগ করছে আইএসএফ-এর বিরুদ্ধে। স্থানীয় তৃণমূল নেতা জহিরুল মোল্লা বলেন, ‘‘হাতেমের কান ছুঁয়ে গুলি বেরিয়ে গিয়েছে, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।’’ আইএসএফ-এর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগও তোলেন জহিরুল।

    ভাঙড় নিয়ে কী বলছেন নওশাদ?

    অন্যদিকে, মঙ্গলবার বারুইপুর সংশোধনাগার থেকে জামিনে মুক্ত ১২ জন আইএসএফ সমর্থককে স্বাগত জানাতে যান নওশাদ সিদ্দিকি। সেখানে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নওশাদ সিদ্দিকি বলেন, ‘‘১৪৪-এর অজুহাতে আমাকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আমাকে আটকে রাখতে পারবে না। আমি ইতিমধ্যেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। আদালতের মাধ্যমে আমি সেখানে ছাড়পত্র পাব।’’ নওশাদের কথায়, ‘‘আমায় ১৪৪ ধারার কথা বলে যে ভাবে আটকাচ্ছে (পুলিশ), তাতে আমি রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী, স্পিকার স্যার (বিধানসভার স্পিকার)—সমস্ত দফতরকে জানিয়েছি। এর পর যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো মেনে আমি কেন্দ্রের দ্বারস্থ হব। আমার লক্ষ্য, ভাঙড়ে শান্তিপ্রতিষ্ঠা করা।’’ ভাঙড়ের পরিস্থিতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে নওশাদ বলেন,‘‘ভাঙড়ের মানুষকে যে ভাবে অশান্তির মধ্যে রাখার চেষ্টা হচ্ছে সেটাকে প্রতিহত করে, সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপন যাতে ভাঙড়বাসী করতে পারেন সেটা ব্যবস্থা করব আমি। যারা শান্ত ভাঙড়বাসীকে অশান্তির মধ্যে রেখেছিল, আতঙ্কের মধ্যে রেখেছিল, যারা ভাঙড়কে রাজনৈতিক উত্তাপের (Panchayat Vote) শিরোনামে নিয়ে গেল, সেই সমস্ত রাজনীতির কারবারীদের আমি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ঘুমোতে দেব না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: মারামারির অভিযোগে তৃণমূলপন্থী মুহুরির জেল হেফাজত! বিচারক বয়কট শাসক-ঘনিষ্ঠ উকিলদের

    TMC: মারামারির অভিযোগে তৃণমূলপন্থী মুহুরির জেল হেফাজত! বিচারক বয়কট শাসক-ঘনিষ্ঠ উকিলদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে তৃণমূল (TMC) প্রভাবিত আইনজীবীদের বিরুদ্ধে এক বিচারকের এজলাস বয়কটের অভিযোগ। যা নিয়ে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা! এ যেন হাইকোর্টের ছবি ফিরল দুর্গাপুরের মহকুমা আদালতে। সেখানেও দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে একের পর এক রায়দান চলছিল অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে। তৃণমূল প্রভাবিত আইনজীবীরা বয়কট করে্ন এজলাস। শুরু হয় অন্য আইনজীবীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি। জানা গিয়েছে, দুর্গাপুর মহকুমা আদালতের মুহুরি তথা সক্রিয় তৃণমূল কর্মী রতন মণ্ডল গ্রেফতার হন। বিরোধীদের মারধর করার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। তাঁকে ছাড়াতেই ৫ দিন ধরে বিচারক অসীমানন্দ মণ্ডলের এজলাস বয়কটের অভিযোগ বার অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে। যদিও মুখে কোনও কিছুই স্বীকার করছেন না তৃণমূলের আইনজীবীরা।

    আরও পড়ুুন: “দুর্নীতি ওঁদের অনুপ্রেরণা”, বেঙ্গালুরুতে বিরোধী জোটের বৈঠককে নিশানা মোদির

    ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ 

    গত ১১ জুলাই ভোট গণনার দিন বুদবুদে বিরোধী কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এনিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয় বুদবুদ থানায়। পুলিশ সেদিনই তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েতে জয়ী প্রার্থীর স্বামী রতন মণ্ডলকে গ্রেফতার করে। ঘটনাক্রমে রতন হলেন দুর্গাপুর মহকুমা আদালতের মুহুরি। রতনের সঙ্গে গ্রেফতার করা আরও ১১ জনকে। ১২ জুলাই দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে তাদের পেশ করা হলে বিচারক ১১ জনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। তারই প্রতিবাদে দুর্গাপুর আদালতের বার অ্যাসোসিয়েশন এসিজিএম-এর এজলাসে উকিলরা কাজ বন্ধ রেখে দেন। যদিও মুখে স্বীকার করেননি তৃণমূল (TMC) প্রভাবিত আইনজীবীরা।

    চারজন বিচারকের সঙ্গে বৈঠক আইনজীবীদের

    আইনজীবীরা বারবার এটাকে আভ্যন্তরীণ বিষয় বলে এড়িয়ে যেতে চান। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে দুর্গাপুর মহকুমার আদালতে তৃণমূল প্রভাবিত (TMC) উকিলদের সঙ্গে চারজন বিচারকের একটি বৈঠক হয়। আদালতের উকিলরা এব্যাপারেও সংবাদমাধ্যের কাছে মুখ খুলতে চাননি। তাঁরা বলতে থাকেন, বুধবার বিকেলে মিটিং-এর কী সিদ্ধান্ত হল, আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: মালদায় সিল করা ব্যালট বাক্স উদ্ধার! গণনা ছাড়া কীভাবে জয়ী তৃণমূল? প্রশ্ন বিজেপির

    Panchayat Vote: মালদায় সিল করা ব্যালট বাক্স উদ্ধার! গণনা ছাড়া কীভাবে জয়ী তৃণমূল? প্রশ্ন বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট (Panchayat Vote) গণনা হয়েছে ১১ জুলাই। অথচ তার এক সপ্তাহ বাদে উদ্ধার হল সিল করা ব্যালট বাক্স। ভোটের পরে বাক্সগুলি খোলাই হয়নি। অথচ দেখা যাচ্ছে সেখানে তৃণমূল জয়লাভ করেছে। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদার গাজোলে। দুদিন আগেই মালদায় ৩ হাজার ব্যালট রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তারপরে মঙ্গলবার সামনে এল এমন ঘটনা।

    ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ

    জানা গিয়েছে, গাজোল ব্লকের স্ট্রং রুম ও গণনা কেন্দ্র করা হয়েছিল স্থানীয় এইচ এন এম হাইস্কুলে। এতদিন বন্ধ থাকার পর এদিন স্কুল খুলতে গেলে কর্তৃপক্ষের নজরে আসে বিষয়টি। স্কুলের কর্মচারীরা দেখতে পান, একটি বন্ধ ঘরে প্লাস্টিক মোড়া অবস্থায় পড়ে রয়েছে তিনটি সিল করা ব্যালট বাক্স। ওই ব্যালট বাক্সগুলি গাজলের ২০৭ নম্বর বুথের বলে জানা গিয়েছে। এদিকে ওই ঘটনা সামনে আসার পরই পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়ে উদ্ধার করে ব্যালট বাক্সগুলি (Panchayat Vote)।

    বিক্ষোভে বিজেপি

    এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন গাজোলের বিজেপি বিধায়ক সহ কর্মী-সমর্থকরা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন উত্তর মালদা লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। গোটা ঘটনায় (Panchayat Vote) শাসক দল তৃণমূলের সঙ্গে গাজোলের বিডিও ও পুলিশের প্রত্যক্ষ আঁতাতের অভিযোগ তোলেন তিনি। অবিলম্বে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে গাজোলের পথে নামেন বিজেপি নেতাকর্মীরা। সরাসরি এই ঘটনায় বিডিও ও প্রশাসনকে দায়ী করে এক বিজেপি কর্মী বলেন, ‘‘এই ঘটনায় প্রমাণ হল বিডিও ও প্রশাসনের কতটা গাফিলতি রয়েছে। সব জেনে শুনেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমরা এই ঘটনায় হাইকোর্টে যাব।’’

    কী বলছে শাসক দল?

    বিজেপির তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। গাজলের তৃণমূল ব্লক সভাপতি তথা বিজয়ী জেলা পরিষদ সদস্য (Panchayat Vote) দীনেশ টুডু জানান, পায়ের তলায় জমি না থাকাতেই তৃণমূলকে বদনাম করার জন্য পরিকল্পিতভাবে এসব কাণ্ড ঘটাচ্ছে বিজেপি।

    আরও পড়ুন: ভোট পরবর্তী হিংসা, বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা আশ্রয় নিলেন অসমে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস! হাওড়ায় জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছেন বিজেপি কর্মীরা

    Panchayat Vote: ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস! হাওড়ায় জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছেন বিজেপি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Vote) লাগামছাড়া সন্ত্রাসের সাক্ষী থেকেছে রাজ্য। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস চলছে এখনও। ১১ জুলাই মঙ্গলবার ভোট গণনার দিন থেকে বাড়ি ছাড়া হাওড়ার পাঁচলার জালালসি গ্রামের প্রায় আড়াইশো জন বাম ও বিজেপি কর্মী। খোলা আকাশের নিচে বাগানে প্রায় অভুক্ত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা। ঘরছাড়াদের অভিযোগ, তাঁরা ভোটে বিরোধী দলের এজেন্ট হয়েছিলেন। তাই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বেধড়ক মারধর করে। প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দেয় এবং ঘরবাড়িও ভাঙচুর করে। প্রাণভয়ে এখন তাঁরা বাড়ি ছেড়ে জঙ্গলে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

    ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ

    গত ১১ জুলাই পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Vote) গণনার দিনে পাঁচলার নয়াচক যদুনাথ ইনস্টিটিউশনে কাউন্টিং শুরু হবার আগেই বিরোধী  এজেন্টদের বেধড়ক মারধর করে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা। বাধ্য হয়ে তাঁরা গ্রামে ফিরে আসেন। এরপর ওইদিন দুপুর বেলায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ নাসিমের নেতৃত্বে তাঁদের বাড়িতে কার্যত তাণ্ডব চালায়। লাঠি সোটা, রড দিয়ে বাড়ির যাবতীয় আসবাবপত্র ভেঙ্গে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এর পাশাপাশি একটি কারখানার তিনটি অত্যাধুনিক এমব্রয়ডারি মেশিন ভেঙে ফেলা হয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা। এরপরই ঘরছাড়া হয়ে যায় এলাকার বাসিন্দারা। এখন গোটা গ্রাম কার্যত পুরুষ শূন্য অবস্থায় আছে। বাড়িতে হাতে-গোনা মহিলারা আছেন। বাড়ির পুরুষেরা পাশের গ্রামের বাগানে আশ্রয় নিয়েছেন। সারাদিন তাঁরা বাগানে কাটানোর পর রাতে ঘুমোনোর জন্য আত্মীয়দের বাড়িতে যান। স্বাভাবিক কাজকর্ম সমস্ত বন্ধ। বাড়ির মেয়েরা টিফিন বাক্স করে সামান্য খাবার ছেলেদের জন্য বাগানে দিয়ে যাচ্ছেন। 

    কী বলছেন ঘরছাড়ারা?

    ঘরছাড়াদের  অভিযোগ, পুলিশ অথবা র‍্যাফ মাঝে মাঝে টহল দিলেও তাদের  নিরাপত্তার জন্য কোনও কিছু করেনি। উল্টে তৃণমূল কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এখনো হুমকি দিচ্ছে। এক বিরোধী কর্মী বলেন, ‘‘ভোটের (Panchayat Vote) দিন থেকেই অত্যাচার শুরু হয়। গণনার দিন আমাদের মেরে কাউন্টিং হল থেকে বের করে দেয়। লাগাতার প্রাণে মারার হুমকি দিচ্ছে তৃণমূল।’’

    কী বলছে তৃণমূল?  

    স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব অবশ্য যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে। যার বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ সেই তৃণমূল নেতা শেখ নাসিম বলেন, ‘‘বিরোধীরা মিথ্যে অভিযোগ করছে। তারা নিজের ইচ্ছাতেই বাগানে রয়েছেন। তাদের কেউ মারধর করেনি। বিরোধীদের পায়ের তলার মাটি সরে যাওয়ার কারণে তারা মিথ্যে অভিযোগ করছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘‘পাঁচ-ছ’মাসের মধ্যে তৃণমূল সরকার পড়ে যাওয়া অসম্ভব নয়’’, মত সুকান্তর

    BJP: ‘‘পাঁচ-ছ’মাসের মধ্যে তৃণমূল সরকার পড়ে যাওয়া অসম্ভব নয়’’, মত সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ-ছ’মাসের মধ্যে তৃণমূল সরকার পড়ে যাওয়া অসম্ভব নয়, এমনই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপির (BJP) সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। প্রসঙ্গত, শনিবারই কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী তথা মতুয়া মহাসঙ্ঘের সঙ্ঘাধিপতি শান্তনু ঠাকুরও তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেছিলেন, ‘‘আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি, পাঁচ মাসের মধ্যে এই রাজ্যের সরকার পড়ে যাবে।’’ রাজ্য জুড়ে লাগামছাড়া হিংসা ছড়িয়েছে পঞ্চায়েত ভোটকে ঘিরে। প্রতিটি অভিযোগই উঠে এসেছে শাসক দলের বিপক্ষে। ভোট ঘোষণার দিন থেকে এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা ৫৭ ছাড়িয়েছে। এরই মাঝে বারবার জোরালো দাবি উঠেছে ৩৫৫ বা ৩৫৬ ধারা প্রয়োগের। রবিবার সুকান্ত মজুমদারের সাংবাদিক সম্মেলন সেই দাবিকেই ইন্ধন দিল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    সুকান্তর সাংবাদিক সম্মেলন 

    রবিবার সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে বিজেপির (BJP) দফতরে ছিলেন সুকান্ত মজুমদার। দলীয় অফিসের সামনে সংবাদ মাধ্যমের এক প্রশ্নের জবাবে বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, ‘‘সরকার পাঁচ মাস, ছ’মাস যখন খুশি পড়ে যেতে পারে। অসুবিধার তো কিছু নেই। সরকার কী ভাবে চলে? বিধায়কদের সমর্থনে। বিধায়কেরা হঠাৎ মনে করল, আমরা সমর্থন করব না। আমরা অন্য কাউকে সমর্থন করব। বিধায়কদের তো মনে হতেই পারে। না হওয়ার তো কিছু নেই।’’ সুকান্তর আরও সংযোজন, ‘‘আবার ধরুন, এমন গণ আন্দোলন শুরু হল, যে বিধায়কেরা বলল, ‘আমরা আজ থেকে আর বিধায়ক পদে থাকব না।’ হাত জোড় করে সবাই বিধায়ক পদ ছেড়ে দিল। এরকমও গণ আন্দোলন হতে পারে। সব সম্ভাবনাই আছে। রাজনীতিতে কোনও সম্ভাবনা অস্বীকার করা যায় না।’’

    শনিবারই একই দাবি করেন শান্তনু ঠাকুর

    শনিবারই তৃণমূলকে একহাত নেন শান্তনু ঠাকুর। শনিবার সন্ধ্যায় উত্তর ২৪ পরগণার গাইঘাটা ফুলশড়া পাঁচপোতায় এলাকায় হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী। পঞ্চায়েতে বিজেপির (BJP) জয়ী প্রার্থীদের সংবর্ধনার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসেছিলেন তিনি। শান্তুনু নিজের বক্তব্য বলেন, ‘‘তৃণমূল ভেবে নিয়েছে এরা চিরস্থায়ী। কখনই এরা চিরস্থায়ী নয়। আগামী পাঁচ মাসের মধ্যে এদের সরকার পড়ে যাবে। আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলে যাচ্ছি।’’ তাঁর সঙ্গে এদিন হাজির ছিলেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি রামপদ দাস সহ বিজেপি (BJP) নেতারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share