Tag: Panchayat vote

Panchayat vote

  • Panchayat Vote: গণনার দিনও ফিরল ভোটের সন্ত্রাস! জেলায় জেলায় আক্রান্ত বিরোধীরা

    Panchayat Vote: গণনার দিনও ফিরল ভোটের সন্ত্রাস! জেলায় জেলায় আক্রান্ত বিরোধীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণনার দিনও বদল হল না বাংলার চিত্র। শাসক দলের লাগামছাড়া সন্ত্রাসের সাক্ষী থাকল জেলাগুলি। গণনা কেন্দ্রগুলি থেকে বিরোধীদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল কমবেশি সব জায়গাতেই। কোথাও কোথাও তৃণমূলের বিরুদ্ধে গণনা কেন্দ্রের সামনে বোমাবাজির অভিযোগও এনেছে বিরোধীরা। সব মিলিয়ে শনিবারের পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Vote) সন্ত্রাসেরই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে জেলায় জেলায়।

    ডায়মন্ড হারবারে সকাল থেকেই বোমাবাজির অভিযোগ বিরোধীদের

    গণনার শুরুতেই উত্তেজনার খবর আসতে থাকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার থেকে। এখানকার ফকির চাঁদ কলেজে সিপিএমের এজেন্টদের ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। গণনা কেন্দ্রের সামনে বোমাবাজি করে তৃণমূল, এমন অভিযোগ সিপিএম-বিজেপি নির্বিশেষে সব বিরোধীদেরই। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ সিপিএমের।

    পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও ব্যাপক উত্তেজনা

    পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের গণনা কেন্দ্রে ঢোকার মুখে বিরোধী প্রার্থীদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ বিজেপির নেতৃত্বের। প্রতিবাদে মেদিনীপুরে জেলাশাসকের দফতরে ধর্নায় বসেছে বিজেপি।

    হুগলির জাঙ্গিপাড়াতেও পরিস্থিতি ব্যাপক উত্তপ্ত

    হুগলির জাঙ্গিপাড়াতেও সকাল থেকে উত্তেজনা ছড়ায় গণনাকে কেন্দ্র করে। জানা গিয়েছে, ডিএন হাইস্কুলের গণনা কেন্দ্র থেকে সিপিএম এবং আইএসএফের এজেন্টদের মারধর করে বার করে দেয় তৃণমূল। বিরোধী প্রার্থীদের গাড়ি ভাঙচুরেরও অভিযোগ করা হয়েছে। ফুরফুরা পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান তথা জেলা পরিষদের তৃণমূল প্রার্থী শামিম আহমেদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ এনেছে বিরোধীরা। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল। 

    হাওড়ার বাগনানেও সন্ত্রাসের অভিযোগ শাসকদলের বিরুদ্ধে

    হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় গণনা কেন্দ্রে বিরোধী এজেন্টদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তাঁদের মারধর করারও অভিযোগ উঠেছে। সিপিএম নেতৃত্বের অভিযোগ, শাসকদল এবং প্রশাসন একসঙ্গে এই কাজ করছে। বাগনান, জগদীশপুর, আমতার বিভিন্ন এলাকায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত। বাগনানে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করা হয় এদিন। থানার সামনে অবস্থান বামেদের।

    হাওড়ার ডোমজুড়ে শাসকদলের ওপর হামলার অভিযোগ

    হাওড়ার ডোমজুড়ে খোদ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থীর ওপর হামলা। বাড়ি ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ সিপিএমের বিরুদ্ধে। তৃণমূল প্রার্থী শেখ সুলতানার অভিযোগ, তাঁর বাড়িতে সশস্ত্র অবস্থায় হামলা চালায় একদল সিপিএম কর্মী। বাড়ি লক্ষ্য় করে ইট ছোড়া হয়। এমনকী প্রার্থীকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে সিপিএম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: ভোটের দিন ছাপ্পায় বাধা! পুলিশকে বাঁশপেটা তৃণমূলের, গ্রেফতার ৭

    Panchayat Vote: ভোটের দিন ছাপ্পায় বাধা! পুলিশকে বাঁশপেটা তৃণমূলের, গ্রেফতার ৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Vote) দিন নদিয়ায় পুলিশকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ছাপ্পা না দিতে পেরেই এই আক্রমণ। পুলিশকে মারের ছবি ভাইরাল হতেই নিন্দায় সরব হয় বিভিন্ন মহল। জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছে ৭ জন। ঘটনাটি নদিয়ার গাংনাপুর থানার মাঝেরগ্রাম পোড়াবাড়ি এলাকার। 

    ঘটনার বিবরণ

    জানা গিয়েছে, গত ৮ তারিখে পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Vote) দুজন কলকাতা পুলিশের কনস্টেবল ভোটের নিরাপত্তার দায়িত্বে আসেন পোড়াবাড়ি এলাকার একটি বুথে। সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট চলছিল এলাকায়। কিন্তু বেলা বাড়লে ২০১৮-এর ছবির পুনরাবৃত্তি করতে থাকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। চেষ্টা চালায় অবাধে ছাপ্পা মারার। কিন্তু পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ায় ওই দুই কনস্টেবল। ছাপ্পা দেবার প্রতিবাদ করতেই তাঁদের আচমকা ঘিরে ধরে কুড়ি থেকে ত্রিশ জন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। কার্যত বুথের ভিতর থেকে তাদের বাইরে বের করে নিয়ে আসা হয়। এরপরেই লাঠি-বাঁশ দিয়ে চলে আক্রমণ। ঘটনার সময় একজন পুলিশ কর্মী পালিয়ে যেতে পারলেও বাকি জনকে বেধড়ক মারধর করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই শুরু হয় রাজনৈতিক তরজা। নিন্দার ঝড় উঠে প্রতিটি মহল থেকেই। ভিডিও ভাইরাল হতেই গাংনাপুর থানার তরফে সাতজন অভিযুক্তকে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়।

    কী বলছে বিজেপি ও তৃণমূল?

    এ বিষয়ে রানাঘাট দক্ষিণের বিজেপি জেলা সভাপতি পার্থসারথি চ্যাটার্জি বলেন, ‘‘নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই গোটা রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাস শুরু হয়েছে। আমরা বারবার বলেছি কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া সুস্থ ভাবে ভোট হতে পারে না। যেখানে রাজ্য পুলিশের নিজেদেরই নিরাপত্তা নেই, সেখানে মানুষকে তারা কিভাবে নিরাপত্তা দেবে। যেখানে যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট হয়েছে, সেখানে সুস্থ ভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। গাংনাপুর থানার মাঝেরপাড়ার পোড়া বাড়িতে যে ঘটনা ঘটেছে তার আমরা তীব্র নিন্দা জানাই।’’ নদিয়া দক্ষিণ জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক দেবাঞ্জন গুহ ঠাকুরতা বলেন, ‘‘পুলিশের উপর যে আক্রমণ হয়েছে, আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। শুনেছি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে, যেখানে পুলিশ কর্মীদের আক্রমণ করা হচ্ছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস! আসানসোলে ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীরা

    Panchayat Vote: ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস! আসানসোলে ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে লাগামছাড়া হিংসা ছড়ায় রাজ্য জুড়ে। সন্ত্রাসের বলি হয় ১৭টি তরতাজা প্রাণ। আবার ভোট শেষ হতেই দেখা যায় ঘরছাড়া হয়েছেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। এ যেন ঠিক ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে রাজ্য জুড়ে। সোমবার রাজ্যের প্রায় ৭০০ বুথে পুনর্নির্বাচন হচ্ছে। মঙ্গলবার রয়েছে ভোট গণনা। যেভাবে ভোটের দিন অশান্তি ছড়িয়েছে, তাতে গণনা কেন্দ্রগুলিতে কতটা শান্তি বজায় থাকবে, সেই প্রশ্নই তুলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, গণনার পরে বিরোধীদের ওপর সন্ত্রাস আরও বাড়তে পারে!

    ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীরা 

    শনিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শাসক দলের হুমকির মুখে পড়ে ৬ জন বিজেপি কর্মী বারাবনি বিধানসভা এলাকা থেকে আসানসোলের দলীয় কার্যালয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছেন, এমনটাই জানিয়েছেন বিজেপির সাংগঠনিক জেলা সভাপতি দিলীপ দে। তাঁর আরও অভিযোগ, শনিবার নির্বাচন চলাকালীন তাঁদের বুথ এজেন্টদের মারধর করে বার করে দেওয়া হয়। তারপর থেকেই এই ছয় জন বিজেপি কর্মী নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন। এই কর্মীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিজেপির আসানসোল দলীয় কার্যালয়ে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয় বলে জানা গিয়েছে। অপরদিকে পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরে বিজেপি কর্মীদের উপর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের সন্ত্রাসের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন বিজেপির জেলা সভাপতি। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    কী বলছেন ঘরছাড়ারা

    এদিন আসানসোলের দলীয় কার্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া এক বিজেপি কর্মী বলেন, ‘‘শনিবার দুপুর গড়াতেই বুথে হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তারা ছাপ্পা দেওয়ার দাবি তোলে। এই সময় আমরা প্রতিরোধ করতেই তারা মারধর শুরু করে। সবটাই পুলিশের সামনে হচ্ছিল। তবে প্রশাসন সেদিন নির্বিকার ভাবে বসেছিল। সন্ধ্যার পরেও তারা হামলা চালায়। আমাদের এক কর্মীকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তার ক্ষেতের সমস্ত ফসল নষ্ট করে দেয়। গোটা এলাকায় বিজেপি সমর্থকরা আতঙ্কিত হয়ে আছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Panchayat Vote: প্রায় ৭০০ বুথে আজ পুনর্নির্বাচন, শীর্ষে মুর্শিদাবাদ

    Panchayat Vote: প্রায় ৭০০ বুথে আজ পুনর্নির্বাচন, শীর্ষে মুর্শিদাবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সকালে পুনর্নির্বাচন শুরু হয়েছে রাজ্যের ৬৯৬টি বুথে। শনিবার পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্য জুড়ে হিংসা ছড়ায়। সন্ত্রাসের বলি হয় ১৭টি তরতাজা প্রাণ। এর মধ্যে সবথেকে বেশি জন মারা যায় মুর্শিদাবাদে। ওই জেলায় ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। আজ বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে, এমনটাই জানিয়েছে কমিশন। প্রতি বুথে মোতায়েন থাকছে প্রায় ৮ জন করে কেন্দ্রীয় জওয়ান। দার্জিলিঙ, কালিম্পং এবং ঝাড়গ্রাম ছাড়া সব জেলারই কোনও না কোনও বুথে পুনর্নির্বাচন হচ্ছে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যালট পেপার নষ্ট সমেত একাধিক কারণে এই পুনর্নির্বাচন হচ্ছে। তবে ৬৯৬ বুথে পুনর্নির্বাচন হলেও রবিবার বিজেপি প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার বুথে ভোট করানোর দাবি জানায়।

    কোন জেলায় কত বুথে নির্বাচন (Panchayat Vote)

    মুর্শিদাবাদ ১৭৫

    মালদহ ১০৯

    নদিয়া ৮৯

    কোচবিহার ৫৩

    উত্তর ২৪ পরগনা ৪৬

    দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৩৬

    পূর্ব মেদিনীপুর ৩১

    হুগলি ২৯

    উত্তর দিনাজপুর ৪২

    দক্ষিণ দিনাজপুর ১৮

    জলপাইগুড়ি ১৪

    বীরভূম ১৪

    পশ্চিম মেদিনীপুর ১০

    বাঁকুড়া ৮

    হাওড়া ৮

    পশ্চিম বর্ধমান ৬

    পুরুলিয়া ৪

    পূর্ব বর্ধমান ৩

    আলিপুরদুয়ার ১

    রবিবার নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Vote) ব্যাপক হিংসার প্রতিবাদে শনিবারই রাজ্য নির্বাচন কমিশনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারি। প্রতীকী ওই প্রতিবাদের পর রবিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। কমিশনারের ঘর থেকে বেরিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন জগন্নাথ। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘‘যেখানে যেখানে ছাপ্পা হয়েছে, সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারেননি, সেখানে সেখানে আমরা পুনর্নির্বাচন চাইছি।’’ জানা গিয়েছে, রবিবার বিজেপি ১০-১২ হাজার বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। রবিবার জগন্নাথ আরও বলেন, ‘‘পুনর্নির্বাচন না হলে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে আদালত অবমাননার মামলা করব। ১১ তারিখ ভোট গণনা হবে। সেখানেও জোরদার নিরাপত্তার দাবি জানাচ্ছি।’’

    আরও পড়ুুন: ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস! আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গেলেন সুকান্ত

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: আলিপুরদুয়ারে ছাপ্পা দেওয়ার দাবিতে পুলিশের সামনেই গুলি তৃণমূলের

    Panchayat Vote: আলিপুরদুয়ারে ছাপ্পা দেওয়ার দাবিতে পুলিশের সামনেই গুলি তৃণমূলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণতন্ত্রের উৎসবে কান্নার রোল। আক্ষরিক অর্থেই শোকের আবহে শনিবার শেষ হল ১০ম পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat vote)। অকালে খালি হয়ে গেল রাজ্যের ১৭টি মায়ের কোল। গুলি-বোমা-বারুদের গন্ধে দিনভর ভারী হয়ে রইল রাজ্যের আষাঢ়ের আকাশ। ভোটারের লাল টকটকে রক্তের দাগ লেগে রইল রাজ্যেরই একটি বুথে। নির্বাচন কমিশন রইল ঠুঁটো। যার জেরে কোথাও হাতজোড় করে প্রাণ বাঁচানোর আর্তি জানাতে দেখা গিয়েছে পুলিশ কর্মীকে। আবার কোথাও আক্রান্ত হল সিভিক পুলিশ। শনিবার শেষ বেলাতে অশান্তি হল আলিপুরদুয়ারেও। ভোটকেন্দ্রে পুলিশের সামনেই গুলি চালনার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যদিও এলাকাবাসীদের সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে পড়ে পিছু হঠতে দেখা যায় ঘাসফুলের বাহিনীকে। সাংগঠনিকভাবে দুর্বল তৃণমূল এই জেলায়। বেশকিছু সমীক্ষায় উঠে এসেছে জেলাপরিষদও হাতছাড়া হতে চলেছে ঘাসফুল শিবিরের। স্বচ্ছ ভোট হলে হেরে যাওয়ার আশঙ্কাতেই এদিন তৃণমূল গুলি ছুড়তে থাকে। দুষ্কৃতীদের দাবি,  ছাপ্পা ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে হবে।

    আলিপুরদুয়ার জেলার কোথায় ঘটল এমন ঘটনা?

    ঘটনাটি ঘটেছে ভোলার ডাবরির দমনপুর নিম্ন বুনিয়াদি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এদিন সন্ধ্যাবেলায় এলোপাথারি কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় দুষ্কৃতিরা। ঘটিনার খবর পেয়ে তৎক্ষনাত পুলিশ পৌঁছায়। এলাকাবাসীরা তাড়া করলে দুষ্কৃতিরা পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় মারপিটে জখম হয়েছেন এক সিভিক ভলান্টিয়ার। ওই বুথে তখনকার মতো ভোট বন্ধ হয়ে যায়, পরে ফের ভোট চালু করে প্রশাসন। ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন সাধারণ ভোটাররা।

     

    কী বলছেন এলাকাবাসীরা?

    শনিবার এক সাধারণ ভোটার পিঙ্কি দাস বর্মন সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘রনি নামের তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীর নেতৃত্বে গুলি চালনার ঘটনা ঘটে। ওই সমাজবিরোধীর স্ত্রী এবারের ভোটে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছে। নিশ্চিত পরাজয় জেনেই তৃণমূল এমনটা করছে।’’ পিঙ্কিদেবীর আরও সংযোজন, ‘এদিন এলাকাবাসী তাড়া করতেই পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।’’

     

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনে অবাধ ছাপ্পা, হিংসা, প্রতিবাদে ‘ঠুঁটো’ নির্বাচন কমিশনের দফতরে তালা শুভেন্দুর

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: ব্যুমেরাং! সিপিএমের বুথ দখল আটকাতে গিয়ে তৃণমূলের অফিস ভাঙচুর

    Panchayat Vote: ব্যুমেরাং! সিপিএমের বুথ দখল আটকাতে গিয়ে তৃণমূলের অফিস ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট (Panchayat Vote) পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল অণ্ডালের কাজরা এলাকা। শনিবার ৮ জুলাই ছিল রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোট। পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ঝরেছে রক্ত, হয়েছে প্রাণহানি। উঠেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে বুথ দখলের অভিযোগও। ভোট পর্ব শেষ হতেই অণ্ডালের কাজরা এলাকা উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজনৈতিক সংঘর্ষে। শাসক দল তৃণমূলের অভিযোগ, কাজরা এলাকার সিপিআইএমের কর্মী-সমর্থকরা ১১৭ ও ১১৮ নম্বর বুথ দখলের চেষ্টা করেছিল। বাধা দিতেই তৃণমূলের কার্যালয় এবং দলীয় প্রার্থীর বাড়িতে ভাঙচুর চালায় তারা। কিন্তু এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে সিপিআইএম। তাদের তরফে সন্ত্রাসের পাল্টা অভিযোগ করা হয় শাসক দলের বিরুদ্ধে।

    কী বলছে সিপিআইএম নেতৃত্ব?

    এলাকার সিপিআইএম নেতা তুফান মণ্ডল পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, ‘‘সিপিআইএমের লোকেরা বুথ দখল করেনি, বরং তৃণমূলই দখল করেছিল ভোটগ্রহণ (Panchayat Vote) কেন্দ্র। তাদের বাধা দিতেই সিপিআইএমের লোকেদের ওপর চড়াও হয় তৃণমূল নেতাকর্মীরা।’’ বুথের বাইরে সিপিআইএম-তৃণমূলের বচসা তুঙ্গে ওঠে। পরে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। সিপিআইএম নেতা তুফান আরও বলেন, ‘‘তৃণমূলের বুথ দখলের চেষ্টা আমরা ব্যর্থ করতেই, শাসক দলের দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে সিপিআইএমের লোকজনদের ওপর। পরে প্রচুর সংখ্যক সিপিআইএম কর্মী সমর্থক জড়ো হয়ে তৃণমূল কর্মীদের প্রতিরোধ করে। প্রতিরোধের মুখে পড়ে সেখান থেকে পালাতে বাধ্য হয় তৃণমূল কর্মীরা।’’

    কী বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব? 

    কাজরা এলাকার তৃণমূল প্রার্থী চন্দন সিং বলেন, ‘‘১১৭ ও ১১৮ নম্বর বুথ দখলের চেষ্টা করেছিল সিপিআইএম নেতাকর্মীরা। তাদের বুথ দখলের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করতেই প্রতিহিংসায় সিপিআইএমের বহু সংখ্যক দুষ্কৃতী এসে তৃণমূলের তিনটি দলীয় কার্যালয় এবং প্রার্থীদের বাড়ি গাড়িতে হামলা চালায়।’’ পাশাপাশি এলাকায় সিপিআইএমের বিরুদ্ধে বোমাবাজি করারও অভিযোগ এনেছে তৃণমূল। ঘটনায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে অণ্ডাল থানার প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আসে কেন্দ্রীয় বাহিনীও। তৃণমূলের অভিযোগ, সিপিআইএমের দুষ্কৃতীদের হাতে মার খেয়েছে বহু তৃণমূল কর্মী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: কমিশনের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করতে চলেছে কর্মচারী সংগঠনগুলি

    Panchayat Vote: কমিশনের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করতে চলেছে কর্মচারী সংগঠনগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটকে (Panchayat Vote) কেন্দ্র করে শাসক দলের বেলাগাম সন্ত্রাসের সাক্ষী থেকেছে গোটা বাংলা। শনিবারের ভোটে ঝরল ১৭টি তরতাজা প্রাণ। দুপুরের পর কিছুক্ষণের জন্য পরিস্থিতি এমন হয় যে প্রতি মিনিটে একটি করে খুনের খবর মিলতে থাকে। সাধারণ ভোটার থেকে সন্ত্রাসের শিকার নির্বাচনের ডিউটিতে থাকা সরকারি কর্মচারীরাও। পুলিশ কর্মী থেকে ভোটকর্মীদের কান্নার করুণ চিত্রও দেখা গেল এদিন। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, তবুও বুথে বুথে মিলল না কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই ইস্যুতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননা সহ অনিচ্ছাকৃত খুনের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করার সিদ্ধান্ত নিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন দিন ধরে বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আন্দোলন, ধর্না করছে এই সংগঠন। দিল্লিতেও কয়েক মাস আগে ধর্না দেয় এই সংগঠন। ভোটের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের কথাও তুলেছিল তারা। রবিবারই মামলা দায়েরের কথা জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে সন্ত্রাস ইস্যুতে এই সংগঠন রাস্তায় নামতে চলেছে। প্রসঙ্গত, শনিবার প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে প্রায় ৪ লাখ সরকারি কর্মচারীকে নির্বাচনের ডিউটি করতে হয়। অজস্র বুথে আগ্নেয়াস্ত্রর সামনে মাথা নত করতে হয় তাঁদের।

    অসহায় ভোট কর্মীরা 

    ভোটকর্মীদের অসহায় অবস্থা সংবাদ মাধ্যমের সৌজন্যে সকলেই দেখতে পান। বুথ জ্যাম করে ছাপ্পা, স্পর্শকাতর বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অনুপস্থিতিতে শাসক দলের তাণ্ডব, এসব চলতেই থাকল। বীরভূমের ময়ূরেশ্বর পঞ্চায়েতের রাজচন্দ্রপুর গ্রামের ১৪৭ নং বুথে দেখা যায় করুণ চিত্র। আতঙ্কে, সন্ত্রাসে সেখানে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে থাকেন প্রিসাইডিং অফিসার রঙ্গনা সেন। তাঁকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় ব্যালট বক্স। অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদের রানিগঞ্জে ভোটের (Panchayat Vote) ডিউটি করতে যাওয়া সরিফুল ইসলামেরও একই অবস্থা। ভোট লুট করতে আসা দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে আতঙ্কে লুকিয়ে ছিলেন বেঞ্চের নীচে।

    সোমবার কলকাতায় মিছিল করবে কর্মচারী সংগঠন

    রাজ্যজুড়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে এবার রাজপথে নামতে চলেছে কর্মচারী সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। জানা গিয়েছে, লাগাম ছাড়া সন্ত্রাসের অভিযোগে এবং তার প্রতিবাদে সোমবার শহরে মিছিল করা হবে। একথা জানিয়েছেন সরকারি কর্মচারীদের ডিএ আন্দোলকারী ঘোষণা মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ। তিনি বলেন, ‘‘আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও বাহিনীর বিষয়ে মানা হয়নি কোর্টের কোনও নির্দেশ। এই পুরো পরিস্থিতির জন্য দায়ী কমিশন।’’

     

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনে অবাধ ছাপ্পা, হিংসা, প্রতিবাদে ‘ঠুঁটো’ নির্বাচন কমিশনের দফতরে তালা শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: আইনশৃঙ্খলার অবনতি! কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ চেয়ে অমিত শাহকে চিঠি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: আইনশৃঙ্খলার অবনতি! কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ চেয়ে অমিত শাহকে চিঠি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটকে কেন্দ্র করে শনিবার ব্যাপক হিংসা ছড়ায় রাজ্য জুড়ে। সন্ত্রাসের বলি হন একদিনে ১৫ জন। কেন্দ্রীয় বাহিনী এলেও তাদের বুথে ব্যবহার করা হয়নি বলে অভিযোগ। এবার রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার প্রশ্নে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি তুলল বঙ্গ বিজেপি। জানা গিয়েছে, এই ইস্যুতে বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। চিঠি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্টমন্ত্রী অমিত শাহকেও। ভোট ঘোষণা থেকে একে একে ঝরে পড়েছে তিরিশের ওপর তাজা প্রাণ, জেলায় জেলায় লাগামছাড়া সন্ত্রাসের অভিযোগ শাসক দলের বিরুদ্ধে।

    কী বললেন সুকান্ত?

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) শনিবার বলেন “কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ চাই এখনই। সেটা ৩৫৫ হতে পারে, ৩৫৬ হতে পারে। কোনটা হবে, সেটা কেন্দ্রীয় সরকার ঠিক করুক। জেপি নাড্ডাকে জানিয়েছি।” সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩৫৫ ধারা অনুযায়ী, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে, কেন্দ্রের হাতে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব চলে যায়। আর ৩৫৬ ধারা অনুযায়ী, রাজ্য প্রশাসন চালাতে অক্ষম হলে, পুরো প্রশাসনিক ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে চলে যায়।

    শনিবার সকাল থেকেই হিংসা ছড়ায় রাজ্যে 

    শনিবার সকাল থেকেই নির্বাচন-সন্ত্রাসের খবর সামনে আসতে থাকে। বোমাবাজি, গুলিচালনা, ব্যালট বাক্স ছিনতাই চলতেই থাকে। পঞ্চায়েত ভোটে এক দিনে মৃতের সংখ্যা পৌঁছায় ১৭-তে। শনিবার দুপুরের পর থেকে, কিছুটা সময় এমনও ছিল যখন প্রতি মিনিটে একটা করে লাশ পড়তে থাকে। রাজ্যের অজস্র স্পর্শকাতর বুথে বাহিনী মোতায়েন না করে শুধুই সিভিক দিয়ে ভোট করানোর অভিযোগ ওঠে কমিশনের বিরুদ্ধে। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী শনিবার দুপুরেই অবিলম্বে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের দাবি তোলেন। শুভেন্দু বলেন, “আমি একটা কারণে, একটা লক্ষ্য নিয়ে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে এসেছি। সেই লক্ষ্যে আমাকে যা করতে হয় করব। পতাকা ধরে কিংবা পতাকা ছেড়ে, টু সেভ ডেমোক্র্যাসি, আমাকে যা করতে হয় করব।” তাঁর আরও সংযোজন, দুটি পথ খোলা। এক, ‘কালীঘাট চলো’, দ্বিতীয়ত ‘৩৫৬ কিংবা ৩৫৫ ধারা।’

     

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনে অবাধ ছাপ্পা, হিংসা, প্রতিবাদে ‘ঠুঁটো’ নির্বাচন কমিশনের দফতরে তালা শুভেন্দুর

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Central Force: কমিশনের অসহযোগিতাতেই বাহিনী নিয়ে জটিলতা, পাল্টা তোপ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

    Central Force: কমিশনের অসহযোগিতাতেই বাহিনী নিয়ে জটিলতা, পাল্টা তোপ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার যাবতীয় দায় শনিবার দুপুরেই রাজীব সিনহা কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) ঘাড়ে চাপিয়েছিলেন। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা গেল রাজীবের তত্ত্ব মিথ্যা। অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সাফ জানিয়েছে, রাজ্য নির্বাচন কমিশন সাহায্য করেনি বলেই বাহিনী যথা সময়ে আসতে পারেনি পশ্চিমবঙ্গে। সহযোগিতা পেলে ভোটের আগে ৮২৫ কোম্পানি বাহিনী হাজির হত বাংলায়।

    রাজ্য জুড়ে হিংসা ও রাজীবের সাংবাদিক সম্মেলন

    ভোটের সকাল থেকেই জেলায় জেলায় হিংসা, বোমাবাজি, মৃত্যুর খবর আসতে থাকে। নিজেদের দায় ঝেড়ে ফেলতে তড়িঘড়ি রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরে রাজীব সাংবাদিক বৈঠক করেন দুপুর ২ টো নাগাদ। তিনি বলেন, ‘‘নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। শনিবার পর্যন্ত ৬৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এসে পৌঁছতে পেরেছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর আসতে এত দেরি হল কেন? আমরা তো বাহিনী চেয়ে চিঠি দিয়েছিলাম ২২ জুন। তারপর মনেও করিয়েছিলাম বেশ কয়েক বার। তা সত্ত্বেও ৪৮৫ কোম্পানি বাহিনী দিতে জুলাই মাসের ৩ তারিখ হয়ে গেল! আমার মনে হয় আরও কিছু আগে বাহিনী এলে সুবিধা হত।’’

    অমিত শাহের মন্ত্রকের পাল্টা উত্তর

    রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটে হিংসা প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, যে সমস্ত বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) ছিল, সেখানে কোনও অশান্তির ঘটনা ঘটেনি। বরং কোনও বুথ দখলের ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা দেখলেই কড়া হাতে দমন করেছে বাহিনী। কিন্তু কোন বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে আর কোন বুথে থাকবে না, সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন জেলাশাসক। স্পর্শকাতর বুথগুলিকে চিহ্নিত করে সেখানে আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার কথা ছিল কমিশনের কিন্তু কার্যক্ষেত্রে তা হয়নি বলেই জানিয়েছে অমিত শাহের মন্ত্রক। এই ইস্যুতে একাধিক অভিযোগ কমিশনের বিরুদ্ধে এনেছে স্বরাষ্ট মন্ত্রক। মন্ত্রকের মতে, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের জন্য অনেক দেরিতে অনুরোধ করেছে কমিশন। রাতারাতি বাহিনী পাঠনো যায় না, তাদের প্রশিক্ষণ সমেত অন্যান্য ব্যবস্থা করতে সময় লাগে। অমিত শাহের মন্ত্রক আরও জানাচ্ছে, বাহিনীকে কোথায় নামতে হবে, কোথায় তাদের থাকার ব্যবস্থা হবে, এনিয়ে আলোচনা এড়িয়ে গিয়েছে কমিশন। তারা বার বার দায় সেরেছে একটা কথাতেই, ‘জেলাশাসক’ নির্দেশ দেবেন এব্যাপারে। এছাড়া কমিশনের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, কিছু বাহিনী শনিবার সন্ধ্যায় নামে, এই বাহিনীকে স্ট্রংরুমের পাহারার কাজে লাগানো যেত। কিন্তু তাতে রাজি হয়নি কমিশন।

    অশান্তির ঘটনার সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) সম্পর্ক নেই, দাবি বিএসএফের

    প্রথম দিন থেকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বাহিনী মোতায়েনের তালিকা ও স্পর্শকাতর বুথের তালিকা চেয়েও পাননি বিএসএফ এবং সিআরপিএফ কর্তারা। অন্য দিকে তাঁরা জানাচ্ছেন, শনিবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে যেখানে যেখানে অশান্তির ঘটনা ঘটেছে, তার সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোনও সম্পর্ক নেই। কারণ ওই জায়গায় রাজ্য পুলিশ মোতায়েন ছিল।

     

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনে অবাধ ছাপ্পা, হিংসা, প্রতিবাদে ‘ঠুঁটো’ নির্বাচন কমিশনের দফতরে তালা শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: হাইকোর্টের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল! স্পর্শকাতর বুথে শুধুই সিভিক

    Panchayat Vote: হাইকোর্টের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল! স্পর্শকাতর বুথে শুধুই সিভিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল স্পর্শকাতর বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। এছাড়া কয়েক মাস আগে সিভিক পুলিশকে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোনও কাজেও লাগানো যাবে না বলে নির্দেশ দেয় উচ্চ আদালত। তবে হাইকোর্টের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কেতুগ্রামের বেরুগ্রাম পঞ্চায়েতের (Panchayat Vote) ২২ নম্বর বুথে ২ জন সিভিক দিয়ে ভোট করানোর অভিযোগ। নেই কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনী, নেই রাজ্য পুলিশের কোনও কর্মী। বিরোধীদের অভিযোগ, এখানে তাদের এজেন্টও বসতে দেয়নি শাসক দল। জানা গিয়েছে, গ্রাম পঞ্চায়েতের আসনে আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এখানে শুধুমাত্র পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদের ভোট হচ্ছে। তাহলে এক্ষেত্রেই বা নিয়ম কেন আলাদা হবে, এনিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা।

    জেলায় জেলায় স্পর্শকাতর বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে বিক্ষোভ

    বালুরঘাট থানা এলাকার ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের খিদিরপুর হালদার পাড়ার ৬৯ এবং ৭০ নম্বর বুথে উত্তেজনার খবর পাওয়া গিয়েছে। সকাল থেকেই ভোটারদের লম্বা লাইন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা এখানে বিক্ষোভ দেখায়। ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছান বালুরঘাট থানার আইসি সহ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। বালুঘাট থানার আইসির সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি হয় বিজেপি কর্মীদের-সমর্থকদের। অন্যদিকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের মোহাম্মদপুর ২ নম্বর অঞ্চলের তারাচাদ বাড়ে ৬৭, ৬৮ নম্বর বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এলাকাবাসী।

    শুক্রবার রাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে অবস্থান বিজেপির

    হাইকোর্টের নির্দেশ মতো পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Vote) প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকার কথা। কিন্তু শুক্রবার রাত পর্যন্ত জলপাইগুড়ি জেলার ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকায় রাত ১০ টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দেখা না পাওয়ায় আন্দোলনে নামে বিজেপি নেতৃত্ব। হাইকোর্টের নির্দেশ মতো প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে এদিন রাতে  বিজেপি নেতৃত্ব তাদের দলীয় প্রার্থীদের নিয়ে এনজেপি থানায় অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেছে। বিজেপি প্রার্থীদের বক্তব্য, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসক দল তাদের রাজ্য পুলিশকে ব্যবহার করে দেদার ভোট লুট ও গণনায় কারচুপি করে বিজেপিকে জিততে দেয়নি। এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট না করালে তৃণমূল তাদের মর্জি মতো ভোট লুট করে নিজেদের জয় নিশ্চিত করবে। এই দাবিতে বিজেপির জেলা নেতৃত্ব দলীয় প্রার্থী ও কর্মীদের নিয়ে এনজেপি থানায় ধর্নায় বসে।

    শুক্রবার রাতে ডোমকলেও বিক্ষোভ বিজেপির

    অন্যদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে ডোমকলে পুলিশ ক্যাম্পের সামনে শুক্রবার রাতে ধর্নায় বসে বিজেপি নেতৃত্ব। শনিবার সকালেও হাতিনগরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা ধর্নায় বসে। তাদের দাবি ডোমকলে কেন্দ্র বাহিনী থাকা সত্ত্বেও তাদের কোনও রকম ডিউটিতে পাঠানো হচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share