Tag: Panchayet corruption

Panchayet corruption

  • Panchayet Poster: দোরগোড়ায় পঞ্চায়েত ভোট, প্রধানের বিরুদ্ধে পোস্টারে সরগরম এলাকা

    Panchayet Poster: দোরগোড়ায় পঞ্চায়েত ভোট, প্রধানের বিরুদ্ধে পোস্টারে সরগরম এলাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার (Panchayet Poster) ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াচ্ছে। এবার পোস্টার বিতর্কে শোরগোল পড়ল কাটোয়া এক নম্বর ব্লকের খাজুরডিহি গ্রাম পঞ্চায়েতের আঁকাইহাট অঞ্চল এলাকায়। কাটোয়া-দাঁইহাট সড়কের কালভার্টের উপর পড়েছে বেশ কিছু পোস্টার, যাতে ক্ষোভ উগরে দেওয়া হয়েছে প্রধানের বিরুদ্ধে। যদিও কে বা কারা পোস্টার মেরেছে, তা নিয়ে মাথাব্যথা নেই প্রধানের। তাঁর দাবি, উন্নয়ন হয়েছে খাজুরডিহি গ্রাম পঞ্চায়েতের। আর তা দেখেই ভোট হবে। 

    কী লেখা রয়েছে ওইসব পোস্টারে?

    কাটোয়া শহর লাগোয়া কাটোয়া ১ নম্বর ব্লকের খাজুরডিহি গ্রাম পঞ্চায়েত। এর অধীনে আঁকাইহাট গ্রামের দাঁইহাট-কাটোয়া সড়কের কালভার্টের ওপর আজ সকালবেলায় লক্ষ্য করা গেল, কে বা কারা বেশ কিছু পোস্টার (Panchayet Poster) সেঁটেছে। পোস্টারে লেখা রয়েছে, বেহাল রাস্তা, পানীয় জল নেই, সৌর আলো জ্বলে না এবং এলাকায় উন্নয়ন হয়নি ইত্যাদি বেশ কিছু অভিযোগের কথা। পোস্টার দেখতে পথচলতির মানুষের ভিড় জমে যায়। সাধারণ মানুষের বক্তব্য, কে বা কারা ওইসব পোস্টার মেরেছে, তা তাঁরা জানেন না। তবে তাঁরা দেখতে পাচ্ছেন, পোস্টার পড়েছে। 

    কী জবাব দিলেন পঞ্চায়েত প্রধান?

    খাজুরডিহি গ্রাম পঞ্চায়েতের যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই প্রধান আন্না দত্তমন্ডলের বক্তব্য, এলাকায় উন্নয়ন হয়েছে। মানুষ দেখলেই তা বুঝবে। আমরা যতটা পেরেছি, করেছি। কে বা কারা এই কাজ করেছে, তা তাঁর জানা নেই। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। নিজেদের কার্যসিদ্ধির জন্যই এসব করা হয়েছে। সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। ভাবছে, এভাবে যদি কিছু করা যায়। তাঁর প্রশ্ন, পোস্টারে (Panchayet Poster) কি কেউ নাম দিয়েছে? দীর্ঘদিনের পঞ্চায়েতের সদস্য ও পঞ্চায়েতের আহ্বায়ক বিকাশ বিশ্বাসেরও দাবি, পঞ্চায়েত ভোটের আগে বিরোধীরা চক্রান্ত করে এই পোস্টার মেরেছে। তাতে কোনও কিছু যায় আসে না। মানুষ জানে, এলাকায় কতটা উন্নয়ন হয়েছে। 

    এসব আরও বাড়বে, দাবি বিজেপি নেতার

    অপরদিকে বিজেপির নেতা কৃষ্ণ ঘোষের দাবি, উন্নয়ন কোনো জায়গাতেই হয়নি। এরা উন্নয়ন করবে কী? প্রত্যেকটি এলাকার মতো এই এলাকাতেও কাটমানি খাওয়ার গল্প রয়েছে। তৃণমূলের কর্মীরা এই কাটমানির জন্য গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জর্জরিত হয়ে উঠছে। নিজেদের গোষ্ঠীকোন্দলেরই ফল এই পোস্টার (Panchayet Poster)। পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে, এদের মধ্যে এসবও ততই বাড়বে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Corruption: মমতার ‘উন্নয়নের পথ’ থমকে গেছে গোঘাটে, দুর্নীতির অভিযোগে কাজ বন্ধ

    Panchayat Corruption: মমতার ‘উন্নয়নের পথ’ থমকে গেছে গোঘাটে, দুর্নীতির অভিযোগে কাজ বন্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। তা সত্ত্বেও হুঁশ নেই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের! ঢালাই রাস্তা তৈরি নিয়ে দুর্নীতির (Panchayet Corruption) অভিযোগ তুলে এমনই দাবি গ্রামবাসীদের। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির গোঘাট এক নম্বর ব্লকের বালি গ্রাম পঞ্চায়েতের জগৎপুরে। ওই এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, গ্রামের মূল রাস্তায় ঢালাইয়ের কাজে খুবই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহৃত হচ্ছিল। পাশাপাশি এস্টিমেট অনুযায়ী রাস্তা তৈরি হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেছেন ওই গ্রামের মানুষ। প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল থেকে রাস্তা তৈরি শুরু হতেই গ্রামের মানুষ একজোট হয়ে কাজ বন্ধ করে দেন। বেশ কয়েক ঘন্টা কাজ বন্ধ হয়ে পড়ে থাকে। এলাকায় উত্তেজনার পারদ চড়তে থাকে। জানা গিয়েছে, পথশ্রী প্রকল্পের শিলান্যাস হতেই এই কাজ শুরু হয়েছে। তাও আবার কোনও নিয়ম না মেনেই। তাতেই ক্ষোভ বাসিন্দাদের।
    প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বালির জগৎপুর গ্রামের দ্বারকেশ্বর নদীবাঁধ থেকে মূল ঢালাই রাস্তার কাজ শুরু হয়। এর জন্য প্রায় ৪৫ লাখ টাকার বরাত পান ঠিকাদার। কিন্তু অভিযোগ, ৬ ইঞ্চি উচ্চতার জায়গায় রাস্তা আড়াই ইঞ্চি উঁচু করা হচ্ছে। অভিযোগ, নিয়ম না মেনেই এই কাজ হচ্ছে। মাঝখানে বালি দিয়ে ভরাট করে দু সাইডে মেজারমেন্ট ঠিক রেখে অনিয়ম করা হচ্ছে। সিমেন্ট ও স্টোনচিপস কম দিয়ে কোনও রকমে রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

    কী বলছেন গ্রামের মানুষজন?

    এই নিয়ে স্থানীয় যুবক সৌমেন সামন্ত বলেন, “রাস্তার কাজ গত রবিবার থেকে শুরু হয়। কিন্তু পরেরদিন থেকেই রাস্তায় বড় বড় ফাটল দেখা যাচ্ছে। সিমেন্টের ভাগ খুব কম। এতটাই নিম্নমানের মশলা দিয়ে কাজ হচ্ছে, যা সহজেই খুলে যাচ্ছে। ৬ ইঞ্চি ঢালাইয়ের জায়গায় ৩ ইঞ্চি ঢালাই দিচ্ছে। তাই গ্রামের সব মানুষ এই দুর্নীতির প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেন। এইভাবে রাস্তা করলে হবে না। আজ এই জায়গায় হচ্ছে, পরে অন্য জায়গাতেও তো হবে। তাই এই প্রতিবাদ”। অপরদিকে দিলীপ সামন্ত নামে আরও একজন ব্যক্তি বলেন, “রাস্তা তৈরি নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতি (Panchayet Corruption) হচ্ছে। বালির ভাগ বেশি দিয়ে কেবল ভরাট করে চলে যাচ্ছে। দুদিনে যদি ফাটল হয়, তাহলে আগামিদিনে তো রাস্তা ধসে যাবে। রাস্তা যদি ভাল না হয়, তাহলে কাজ বন্ধ থাকবে”।

    কী বলছেন ঠিকাদার এবং পঞ্চায়েত প্রধান?

    অন্যদিকে ঠিকাদার সুজিৎ মণ্ডল জানান, “এস্টিমেট অনুযায়ীই কাজ হচ্ছে। গ্রামের মানুষের জন্য বাঁধের রাস্তাটা করে দিয়েছি। সামান্য ফাটল দেখা দিয়েছে। ওটা সিমেন্ট দিয়ে ঠিক করে দেওয়া হয়েছে”। তবে এই বিষয়ে বালি অঞ্চলের পঞ্চায়েত প্রধান মৃত্যুঞ্জয় পালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “রাস্তা তৈরির কাজ (Panchayet Corruption) বন্ধ হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম।
    ঠিকঠাক কাজ যাতে হয় তার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে”। সব মিলিয়ে মানুষের প্রাথমিক দাবি, মজবুত ঢালাই রাস্তার। কিন্তু তা না হওয়ায় বালির জগৎপুর গ্রামের মানুষ ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share