Tag: pandemic

pandemic

  • Singapore Covid wave: সিঙ্গাপুরে করোনা সংক্রমণ ছাড়াল ২৬ হাজার, চিন্তার ভাঁজ বঙ্গেও

    Singapore Covid wave: সিঙ্গাপুরে করোনা সংক্রমণ ছাড়াল ২৬ হাজার, চিন্তার ভাঁজ বঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিডের আরেকটি ঢেউ আছড়ে পড়তে পাড়ে? সেই আশঙ্কা নতুন করে দানা বাঁধছে। ভারতের পূর্বের একটি দেশ সিঙ্গাপুর। ছোট্ট এই দেশে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ২৬ হাজার ছাড়িয়েছে। ফিরেছে মাস্ক। নিতে বলা হচ্ছে বুস্টার ডোজ। ভারতেও গুটি গুটি পায়ে এগোচ্ছে কোভিড। মহারাষ্ট্রের পরেই দুই নম্বরে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।

    কতটা ভয়ঙ্কর এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট

    একটি সমীক্ষা অনুসারে, করোনাভাইরাসের JN1 ভ্যারিয়েন্টের (Covid JN1 Virus) মিউটেটেড ভার্সন হল (Corona KP2 Flirt)। এটিকে ওমিক্রন লাইনেজের সাব-ভেরিয়েন্ট বলা হচ্ছে। যার মধ্যে ক্রমাগত মিউটেশন হচ্ছে। মূলত দুটি ইমিউন থেকে বাঁচার জন্য যে মিউটেশন হয় তা এই ভাইরাসের মধ্যে দেখা দিচ্ছে। শরীরের ইমিউনিটিকে ফাঁকি দিতে পারে এই ভাইরাস। এই ভাইরাস শরীরের অ্যান্টিবডির উপরে হামলা করে। ফলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।

    ভারতে করোনা পরিস্থিতি

    জানা গিয়েছে, ভারতে ৩০০ জনের বেশি মানুষ এই ভাইরাসে (Covid JN1 Virus) আক্রান্ত হয়েছেন। যার মধ্যে ১৫০ জন মহারাষ্ট্রের। পশ্চিমবঙ্গে ৩৬ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এই ভ্যারিয়েন্টের (Covid KP2 Flirt) জন্য করোনা নতুন করে চিন্তাজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। তবে এই ভাইরাসের জন্য মৃত্যুর হার এখনও চিন্তাজনক নয়।

    আরও পড়ুন: সুগার কমায়, ত্বক উজ্জ্বল রাখে, অ্যালোভেরায় রয়েছে অনেক স্বাস্থ্যগুণ

    যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভ্যাকসিন নেওয়ার পরেও এই ভ্যারিয়েন্ট (Covid JN1 Virus) থেকে সংক্রমণ হতে পারে। ভারতীয় সার্স-সিওভি-২ জিনোমিক্স কনসোর্টিয়াম ‘ইনসাকগ’  (INSACOG) দ্বারা প্রকাশিত তথ্য অনুসারে ভারতে এখনও পর্যন্ত ৩২৪টি কেভিড কেস রিপোর্ট করা হয়েছে, যার মধ্যে কেপি.১-এর ৩৪টি কেস এবং কেপি.২-এর ২৯০টি রয়েছে।

    সংক্রমণ বুঝবেন কীভাবে?

    কোভিডের এই ভ্যারিয়েন্টে (Corona KP2 Flirt) আক্রান্ত হলে জিভের স্বাদ ও নাকের ঘ্রাণ সম্পূর্ণভাবে কিছুদিনের জন্য চলে যেতে পারে। এছাড়াও মাংসপেশীতে ব্যথা, কাশি হওয়া, নাক বন্ধ কিংবা নাক থেকে জল পড়া, মাথা ব্যথা ও নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হতে পারে। 

    বিশেষজ্ঞের বক্তব্য

    ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (আইএমএ) কো-চেয়ারম্যান রাজীব জয়দেবন বলেছেন, ‘কোভিড-১৯ এমন কোনও রোগ নয় যা চলে যায়। এটি কোনও না কোনও আকারে ফিরে আসবেই। এই কেপি.২ সাব-ভেরিয়েন্টটি তার পূর্বপুরুষ এবং অন্যান্য ওমিক্রন রূপগুলিকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। কেপি.২, বিশেষ করে, বেশি শক্তিশালী স্ট্রেন বলে মনে করা হচ্ছে, যা টিকা এবং পূর্ববর্তী সংক্রমণ থেকে তৈরি অনাক্রম্যতাকেও (immunity) ফাঁকি দিতে পারে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Corona KP2 Flirt: করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট কতটা ভয়ঙ্কর? কী বলছে সমীক্ষা?

    Corona KP2 Flirt: করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট কতটা ভয়ঙ্কর? কী বলছে সমীক্ষা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা দশেক ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পরেও করোনা ভাইরাস থেকে এখনও সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত নয় বিশ্ববাসী। নভেম্বর থেকেই চোখ রাঙাচ্ছে করোনা ভাইরাসের (Corona KP2 Flirt) ভ্যারিয়েন্ট। এই প্রজাতির ভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত দুনিয়ার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ। এই প্রজাতির নিকনেম ‘FLIRT’। আমেরিকা, কানাডা, ইংল্যান্ড এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনা ভাইরাসের এই নতুন ভ্যারিয়েন্টের আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। কলকাতাতেও শেষ ৭ দিনে ৫ জনের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। ওদিকে মহারাষ্ট্রে এপর্যন্ত ৯১ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। উল্লেখ্য, বিশ্বজুড়ে করোনার নতুন উপপ্রজাতি KP2-এর প্রকোপ বাড়বাড়ন্ত। কলকাতায় নতুন করে করোনার সংক্রমণের খবরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে।ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে ৩০ জন মানুষ করোনার এই নতুন ভ্যারিয়ান্টে আক্রান্ত হয়েছেন।

    কী এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট

    একটি সমীক্ষা অনুসারে, করোনাভাইরাসের JN1 ভ্যারিয়েন্টের (Covid JN1 Virus) মিউটেটেড ভার্সন হল (Corona KP2 Flirt)। এটিকে ওমিক্রন লাইনেজের সাব-ভেরিয়েন্ট বলা হচ্ছে। যার মধ্যে ক্রমাগত মিউটেশন হচ্ছে। মূলত দুটি ইমিউন থেকে বাঁচার জন্য যে মিউটেশন হয় তা এই ভাইরাসের মধ্যে দেখা দিচ্ছে। এই ভাইরাস শরীরের অ্যান্টিবডিজের উপরে হামলা করে।

    ভারতে করোনা পরিস্থিতি

    জানা গিয়েছে, ভারতে আড়াইশো জনের বেশি মানুষ এই ভাইরাসে (Covid JN1 Virus) আক্রান্ত হয়েছেন। যার মধ্যে ১২৮ জন মহারাষ্ট্রের। পশ্চিমবঙ্গে ৩০ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এই ভ্যারিয়েন্টের (Corona KP2 Flirt) জন্য করোনা নতুন করে চিন্তাজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। তবে এই ভাইরাসের জন্য মৃত্যুর হার এখনও চিন্তাজনক নয়।

    আরও পড়ুন: কাদের বিপদ বাড়াচ্ছে ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস? মৃত্যুর আশঙ্কা কতখানি?

    যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভ্যাকসিন নেওয়ার পরেও এই ভ্যারিয়েন্ট (Covid JN1 Virus) থেকে সংক্রমণ হতে পারে।

    সংক্রমণ বুঝবেন কীভাবে?

    কোভিডের এই ভ্যারিয়েন্টে (Corona KP2 Flirt) আক্রান্ত হলে জিভের স্বাদ ও নাকের ঘ্রাণ সম্পূর্ণভাবে কিছুদিনের জন্য চলে যেতে পারে। এছাড়াও মাংসপেশীতে ব্যথা, কাশি হওয়া, নাক বন্ধ কিংবা নাক থেকে জল পড়া, মাথা ব্যথা ও নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হতে পারে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Disease X: করোনার থেকে ৭ গুণ বেশি প্রাণঘাতী মহামারি! কী এই ‘ডিজিজ এক্স’, যা নিয়ে চিন্তিত ‘হু’

    Disease X: করোনার থেকে ৭ গুণ বেশি প্রাণঘাতী মহামারি! কী এই ‘ডিজিজ এক্স’, যা নিয়ে চিন্তিত ‘হু’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিডের (Covid-19) থেকেও প্রায় ৭ গুণ প্রাণঘাতী ভাইরাস হানা দিতে পারে। সতর্কতা জারি করা হল ব্রিটেনের (Britain) স্বাস্থ্য দফতরের (Health Department) তরফে। ভাইরাসকে ‘ডিজিজ এক্স’ বলে সম্মোধন করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। করোনার জেরে যেভাবে গোটা বিশ্ব জুড়ে আতঙ্ক ছড়ায়, ‘ডিজিজ এক্স’-এর থাবায় তার চতুর্গুণ মৃত্যু এবং ভয়াবহতা মানুষ দেখতে পারে বলেও সতর্ক করা হয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে। 

    কেমন এই ভাইরাসের প্রকৃতি

    ২০২০ সালে ছড়ায় কোভিড-১৯।  যা গোটা বিশ্ব জুড়ে ৭০ লক্ষ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়। ব্রিটেনের ভ্যাকসিন টাস্ক ফোর্সের প্রধান ডেম কেট বিংহাম সম্প্রতি জানিয়েছেন, আরও বড় মহামারী প্রত্যক্ষ করতে হতে পারে অদূর ভবিষ্যতে। আর এর জন্য গোটা বিশ্বের কমপক্ষে পাঁচ কোটি মানুষের প্রাণ যেতে পারে। এই সম্ভাব্য মহামারির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ডিজিজ এক্স’। ১৯১৮ থেকে ১৯২০ সালের মধ্যে যে মারণ স্প্যানিস ফ্লু ছড়িয়েছিল, এবার তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ভাইরাসকে এক্স বলে সম্মোধন করা হয়েছে।

    ‘ডিজিজ এক্স’ কথার অর্থ

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ‘ডিজিজ এক্স’ কথাটির অর্থ হল, এমন একটি রোগ, যা অতিমারি ঘটাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু সেই রোগটির প্যাথোজেন কী ভাবে মানুষের ক্ষতি করতে পারে, তা এখনও অজানা। ইউকে হেলথ সিকিউরিটি এজেন্সির (ইউকেএইচএসএ) প্রধান প্রফেসর ডেম জেনি হ্যারিস বলেন, ‘‘বিজ্ঞানীরা আপাতত ২৫টি ভাইরাসের পরিবারকে পর্যবেক্ষণ করছেন, যার প্রতিটিতে হাজার হাজার পৃথক ভাইরাস রয়েছে। এদের মধ্যে যে কোনও একটি মারাত্মক অতিমারিতে রূপান্তরিত হতে পারে।’’ 

    আরও পড়ুন: চাপের মুখে ডেঙ্গি-তথ্য প্রকাশ রাজ্যের! ভয় ধরাচ্ছে পরিসংখ্যান, কী আছে তাতে?

    ভ্যাকসিন তৈরির প্রয়াস

    ডেম আরও বলেন,  “আমরা এখানে আমাদের প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা চেষ্টা করছি যদি নতুন ডিজিজ এক্স বা একটি নতুন প্যাথোজেন পাওয়া যায় তাহলে তা মোকাবিলার জন্য অগ্রিম কাজ করে রাখছি। তিনি আরও বলেন, আশা করি আমরা এই নতুন মহামারিটি  প্রতিরোধ করতে পারব। কিন্তু যদি আমরা না পারি সেকারণে আমরা ইতিমধ্যেই ভ্যাকসিন এবং থেরাপিউটিকস তৈরি করতে শুরু করেছি।” এই গবেষণার কাজে ২০০ জনেরও বেশি বিজ্ঞানী জড়িত আছেন। এই বিজ্ঞানীরা মূলত অ্যানিমাল ভাইরাস অর্থাৎ, যে ভাইরাস পশুর শরীর থেকে মানুষের শরীরে ছড়িয়ে অতিমারি সৃষ্টি করতে পারে সেইগুলির উপরেই কাজ করছেন। এর মধ্যে বার্ড ফ্লু, মাঙ্কি ভাইরাস, হান্টা ভাইরাস অন্যতম।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Disease X: বিশ্বে হানা দিতে পারে ‘ডিজিজ এক্স’, উপসর্গ কি জানেন?

    Disease X: বিশ্বে হানা দিতে পারে ‘ডিজিজ এক্স’, উপসর্গ কি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবারই তামাম বিশ্বকে সতর্কবাণী শুনিয়েছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রধান ট্রেডস অ্যাডহানাম গেব্রেইসাস। তিনি বলেছিলেন, করোনার (Covid) চেয়েও ভয়ঙ্কর কোনও মারণ ভাইরাস হানা দিতে পারে পৃথিবীতে। তাই পরিস্থিতির মোকাবিলায় এখন থেকেই প্রস্তুত থাকতে হবে বিশ্বকে। হু-র প্রধানের সতর্কবার্তার পরেই চর্চা শুরু হয়েছে ডিজিজ এক্স (Disease X) নিয়ে। হু জানিয়েছে, ডিজিজ এক্স হল কোনও মারাত্মক মহামারি, যা ফের হামলা করতে পারে তামাম বিশ্বে। তবে ওই রোগের কারণ জানা যাবে না। ২০১৮ সালে প্রথম ব্যবহার হয় ‘ডিজিজ এক্স’ শব্দটি। ডিজিজ এক্সের মোকাবিলা করতে ইতিমধ্যেই  চিকিৎসক-গবেষকরা গবেষণা ক্ষেত্রে আরও বেশি করে ফান্ড বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন।

    ডিজিজ এক্স (Disease X)

    হু-র কর্তাদের আশঙ্কা, ডিজিজ এক্সের প্রভাবে করোনার মতো আরও একটি আন্তর্জাতিক মহামারি হতে পারে। এর আগে হু-র ওয়েবসাইটে কোভিড-১৯, ইবোলা, মারবার্গ, সার্স নিপা এবং জিকার মতো ভাইরাসগুলির নাম ছিল। এবার সেই তালিকায় স্থান করে নিয়েছে ডিজিজ এক্স। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিজ এক্স করোনার চেয়েও বেশি ছোঁয়াচে হতে পারে। এটা শুধু মানুষের মধ্যে নয়, মানুষ থেকে প্রাণী কিংবা প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যেও ছড়াতে পারে। প্রাণী থেকে প্রাণীতেও ছড়াতে পারে ডিজিজ এক্সের জীবাণু।

    ডিজিজ এক্সের (Disease X) উপসর্গ

    ডিজিজ এক্স (Disease X) নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাল্টিমোরের জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অফ পাবলিক হেল্থের গবেষক প্রণব চট্টোপাধ্যায়। চলতি বছরের শেষের দিকে হানা দিতে পারে এই ভাইরাস। হু কর্তার মতে, ডিজিজ এক্সের কোনও নির্দিষ্ট উপসর্গ নেই। তাই আগাম কোনও প্রতিষেধক তৈরি কিংবা চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবন করা সম্ভব নয়। তাই ফের মহামারির মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে জানান তিনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, সেক্ষেত্রে ফের লকডাউনের মতো পথে হাঁটতে হতে পারে বিশ্বকে। করোনায় গোটা বিশ্বে প্রায় ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ডিজিজ এক্সের (Disease X) প্রভাবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। অতএব, সাধু সাবধান!

    আরও পড়ুুন: নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোদির পাশে ১৭ দল, কারা জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • WHO: “কোভিডের চেয়েও মারাত্মক অতিমারির জন্য প্রস্তুত থাকুন”, সাবধানবাণী হু কর্তার

    WHO: “কোভিডের চেয়েও মারাত্মক অতিমারির জন্য প্রস্তুত থাকুন”, সাবধানবাণী হু কর্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে ফের অতিমারির আশঙ্কা। করোনার (Covid) চেয়েও মারাত্মক এই অতিমারি হানা দিতে পারে পৃথিবীতে। তাই এখন থেকেই অতিমারির জন্য প্রস্তুত হতে হবে বিশ্ববাসীকে। এমনই সাবধানবাণী শোনালেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) প্রধান ট্রেডস অ্যাডামন গেব্রিয়েসাস। মঙ্গলবার ৭৬তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সমাবেশে যোগ দেন হু-র প্রধান।

    মারাত্মক ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা

    তিনি বলেন, “বিশ্বজুড়ে কোভিডের প্রকোপ শেষ হয়ে গিয়েছে বলে মনে হলেও তা নয়। কোভিডের আরও একটি ভ্যারিয়েন্টের হানা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়ে গিয়েছে। যা রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা অনেক বাড়িয়ে দেবে। এছাড়াও কোভিডের থেকে আরও মারাত্মক ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।” গেব্রিয়েসাস বলেন, “কোভিড নিয়ে এখনই নিশ্চিন্ত হবেন না। কোভিড অতিমারি একমাত্র আশঙ্কার কারণ নয়। সব রকম পরিস্থিতির জন্য আমাদের তৈরি থাকতে হবে। খুব শীঘ্রই পরবর্তী অতিমারি হানা দিতে চলেছে। তখন আমাদের সকলকে সম্মিলিতভাবে সেই অতিমারির মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে।”

    কোভিডে মৃত্যুর খতিয়ান

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) এই কর্তা বলেন, “কোভিড ১৯ মহামারির জন্য প্রস্তুত ছিল না গোটা বিশ্ব। গত তিন বছরে কোভিড ১৯ এ প্রায় ৭০ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু আমরা জানি, এই সংখ্যাটা আরও কয়েকগুণ বেশি, অন্তত ২ কোটি। এই মহামারি আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় গুরুতর ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে এবং গুরুতর অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যার সৃষ্টি করেছে। কোভিড ১৯ আমাদের বিশ্বকে বদলে দিয়েছে এবং অবশ্যই আমাদেরও বদলাতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: ২০২৩ উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশিত, পাশের হার ৮৯.২৫ শতাংশ

    গেব্রিয়েসাস বলেন, “কোভিডের আর একটি রূপভেদ উদ্ভূত হওয়ার হুমকি থেকেই গিয়েছে। যা গুরুতর রোগ এবং মৃত্যুর তরঙ্গ সৃষ্টি করতে পারে। এমনকী, কোভিডের থেকে আরও মারাত্মক সম্ভাবনা সহ আরও অন্য কোনও রোগজীবাণু উদ্ভূত হওয়ার হুমকিও রয়েছে। আমরা এটা না দেখার ভান করে থাকতে পারি না। যে যে পরিবর্তন করতে হবে, তা যদি আমরা না করি, তাহলে কে করবে? আমরা যদি সেই পরিবর্তনগুলি না করি, তাহলে আর কখন করব? তাই আমাদের অবশ্যই সমষ্টিগতভাবে এর জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।” তিনি (WHO) বলেন, “কোভিড ১৯ এর সমাপ্তি কোনও খারাপ স্বপ্নের শেষ নয়। যে ঘুম ভেঙে গেলেই তার শেষ হয়ে যাবে। আমরা আগের মতো উদাসীন হয়ে চলতে পারি না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Covid -19: আবার ফিরে আসতে পারে ডেল্টা, দাবি ইজরায়েলের গবেষকদের

    Covid -19: আবার ফিরে আসতে পারে ডেল্টা, দাবি ইজরায়েলের গবেষকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি গরমেই ফের এক বার গোটা বিশ্ব করোনার ডেল্টা প্রজাতির সংক্রমণের শিকার হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ইজরায়েলের (Israel) বেন-গুরিয়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের (Ben-Gurion University) গবেষকেরা। সম্প্রতি ‘সায়েন্স অব দ্য টোটাল এনভায়রনমেন্ট’ (Science of The Total Environment) জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এই সংক্রান্ত গবেষণাপত্রটি। তাতে বেন-গুরিয়েনের ভাইরোলজির (Virology) একদল গবেষক বলেছেন, সাধারণত ভাইরাসের কোনও প্রজাতি যখন সক্রিয় হয়ে ওঠে, তখন তা পূর্ববর্তী প্রজাতিকে ধ্বংস করেই নিজের বিস্তার ঘটায়। ডেল্টার ক্ষেত্রে তা-ই হয়েছিল। কিন্তু বছরের শুরুতে ইজরায়েলের বির-শিবা শহরের নিকাশির জলে পাওয়া করোনাভাইরাসের নমুনায় দেখা গিয়েছে, সেখানে ওমিক্রনের পাশাপাশি রয়েছে ডেল্টা প্রজাতিও। নিজেদের মডেল অনুযায়ী গবেষকদের অনুমান, ওমিক্রনের উপস্থিতি কমতে কমতে শেষ পর্যন্ত মুছে যাবে। কিন্তু তখনও ডেল্টা প্রজাতি নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখবে। সে ক্ষেত্রে আগামী দিনে ডেল্টার হানায় নতুন করে বড় মাপের সংক্রমণের শিকার হতে পারে অনেক দেশই।

    এই মডেলিং স্টাডিতে বলা হয়েছে যে গরমের কারণে ওমিক্রনের (Omicron) সমস্যা হয়তো কমতে পারে। কিন্তু ডেল্টা বা অন্যান্য নতুন কোনও স্ট্রেন এক্ষেত্রে তৈরি করে দিতে পারে সমস্যা। এই গবেষণায় বলা হয়েছে যে, একটা নতুন স্ট্রেন আসলে পুরনো স্ট্রেন ধ্বংস হয়ে যায়। ডেল্টার (Delta) ক্ষেত্রে প্রথমে তাই হয়েছিল মনে হলেও পরে দেখা যায় তা সত্যি নয়। এমনকী ওমিক্রন ও তার উপপ্রজাতি আসার পরও ঘটনা ঘটেছে অন্যরকম। এই গবেষণায় বিভিন্ন দিক দেখা হয়েছে। এমনকী মডেলিং-এর মাধ্যমে বোঝার চেষ্টা করা হয়েছে যে সমস্যা হতে পারে ঠিক কোন ভাইরাসের জন্য। এবার সেই গবেষণায় বলা হচ্ছে, যখন ডেল্টা এসেছিল, তখন আগের সমস্ত ভ্যারিয়েন্টের পাঠ চুকে যায়। অপরদিকে ওমিক্রন (Omicron) কিন্তু ডেল্টার দিকে এই কাজটা করতে পারেনি। তাই এবার গরমেও ডেল্টার বাড়াবাড়ি হতেই পারে।

    তাই এখনই করোনার প্রকোপ কনতে পারে বা এটি স্বাভাবিক জ্বর-সর্দি-কাশির রূপ নেবে ভাবলে ভুল করবে সাধারণ মানুষ, এমনই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। দেশেও প্রায় প্রতিদিন বাড়ছে করোনা সংক্রমণ তাই সকলকে সতর্ক থাকার আবেদন জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। সরকারের তরফে কোভিড-বিধি মেনে চলার আর্জি জানানো হয়েছে।

    কোভিশিল্ড টিকার নির্মাতা সিরাম ইনস্টিটিউটের কর্ণধার আদার পুনাওয়ালা মনে করছেন, করোনা নিয়ে ভীতি অনেকটা কমে যাওয়ার জন্য বুস্টার ডোজ নিতে অনীহা দেখা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারও মেনে নিয়েছে যে, প্রথম দু’টি ডোজের টিকা নিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে উৎসাহ দেখা গিয়েছিল, সতর্কতামূলক (বুস্টার) ডোজ নেওয়ার ক্ষেত্রে তা অনুপস্থিত। এই প্রসঙ্গে পুনাওয়ালা বলেন, ‘‘করোনা নিয়ে এত দ্রুত আত্মতুষ্টিতে ভোগা উচিত নয়। মাথায় রাখতে হবে, অতিমারি এখনও শেষ হয়নি। তাই বছরে অন্তত একটি বুস্টার নেওয়া উচিত প্রত্যেকের।’’ পুনাওয়ালার দাবি, দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা দেওয়ার প্রশ্নে বুস্টার ডোজ অনেক বেশি কার্যকর।

  • Post Covid syndrom:করোনা সেরে গেলও ক্লান্তি, দূর করতে মেনে চলুন কয়েকটি নিয়ম

    Post Covid syndrom:করোনা সেরে গেলও ক্লান্তি, দূর করতে মেনে চলুন কয়েকটি নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্লান্তি শব্দটি সকলের কাছেই আলাদা। অর্থাৎ, অনেকেই মনে করেন ক্লান্তি মানে পেশী দুর্বল হয়ে যাওয়া। আবার অনেকের ক্ষেত্রেই ক্লান্তি অর্থাৎ মানসিক চাপ, কিংবা কোনও একধরনের অস্বস্তি। অনেক সময় বহুদিন নড়াচড়া না করলেও শরীরে ক্লান্তি অনুভূত হয়।  যে কোনও ভাইরাল ইনফেকশনের পর ক্লান্ত লাগা খুবই সাধারণ সমস্যা। আর করোনা পরবর্তী সময়ে (Post covid syndrom)প্রায় সকলেই ক্লান্তি অনুভব করেছেন। ভাইরাসের বিরুদ্ধে যখন দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (immunity) লড়াই করতে থাকে, তখন থেকেই শরীরে ক্লান্তি দেখা দেয়। শরীরে ভাইরাসের প্রভাব কমে গেলে বেশি দুর্বল লাগে। প্যান্ডামিকের (pandemic)শুরু থেকেই মানুষ ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছেন এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কম করে ৮৫% মানুষ ক্লান্তির সমস্যায় ভুগছেন। এটি কিন্তু দীর্ঘ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তবে সুস্থ হয়ে যাওয়ার পরে দীর্ঘদিন ক্লান্তিভাব থাকলে তা চিন্তা বাড়িয়ে তোলে। মনে হতেই পারে, হাজার বিশ্রাম নিয়েও শরীর ভাল হচ্ছে না তাহলে করণীয়। মেনে চলুন কয়েকটি নিয়ম। সেরে উঠবেন সহজেই। 

    বেশি করে জলপান করুন
    করোনায় শরীর শুকিয়ে যায়। তাই বেশি করে জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার জল পান করুন। সঙ্গে ফলের রস, দইয়ের ঘোল জাতীয় পানীয়ও গ্রহণ করতে পারেন। খেয়াল রাখতে হবে যাতে শরীর হাইড্রেটেড থাকে। 

    প্রোটিন জাতীয় খাবার খান
    ক্লান্তি দূর করতে প্রোটিন (protin) জাতীয় খাবার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। আপনার খাদ্য তালিকায় উদ্ভিজ ও প্রাণীজ, দু’ ধরনের প্রোটিনই রাখুন। প্রাতঃরাশের সময় ডিম খান। মাছ, কিংবা মাংস খান একবেলা। লাঞ্চ ও ডিনারে ১ বাটি করে ডাল খেতে পারেন। সঙ্গে সয়াবিন, পনির, দুধ থাকুক খাদ্যতালিকায়। 

    নিয়মিত ফল খান
    ভিটামিন সি-যুক্ত ফল লেবু, আপেল, কলা, বাদাম  প্রতিদিন খান। মরসুমি ফল খুবই উপকারী। ফল শরীরের রোগ প্রতিরোধ-ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

    বিশ্রাম নিন
    করোনা নেগেটিভ মানেই আপনি পুরোপুরি সুস্থ এমনটা কিন্তু একেবারেই নয়। বরং, সেরে উঠতে অনেকেরই মাসখানেক লেগে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে যতটা সম্ভব বিশ্রাম নিন। পারলে বাড়ি থেকে কাজ করুন। নিজের যত্ন নিন। এই সময় খুব বেশি শরীরচর্চা না করাই ভালো।  হালকা যোগাসন (yoga), ব্রিদিং এক্সারসাইজ করতে পারেন।  ঘুমের দিকে অবশ্যই নজর দেওয়া দরকার। একেবারে ক্লান্ত লাগলে ঘুম নিয়ে কার্পণ্য করবেন না। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে সমস্যা বাড়তে পারে। তবে আবার দীর্ঘদিন নিজেকে অসুস্থ ভেবে ভয় পাবেন না। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার চেষ্টা করুন। নিজের গতিশীলতা বাড়ান। অল্প অল্প করে বাইরে যান। সকলের সঙ্গে মিশুন। দ্রুত সরে উঠবেন। 

    মন ভালো রাখুন
    অনেকেই করোনা থেকে সেরে উঠে অবসাদে ভুগছেন। আসলে অনেকের মনে করোনা নিয়ে একটা নিরাপত্তাহীনতা কাজ করছে।  তাই এসময়ে মন ভালো রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। গান শোনা, বই পড়া, সিনেমা দেখা যা ভাল লাগে করুন।

LinkedIn
Share