Tag: Pankaj Chaudhary

Pankaj Chaudhary

  • Budget 2024: অর্থমন্ত্রকের হালুয়া উৎসবে যোগ দিলেন সীতারামন, জানুন এই বিশেষ প্রথার তাৎপর্য

    Budget 2024: অর্থমন্ত্রকের হালুয়া উৎসবে যোগ দিলেন সীতারামন, জানুন এই বিশেষ প্রথার তাৎপর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের বাজেট (Budget 2024) পেশ হবে ২৩ জুলাই। তাই মঙ্গলবার রীতি মেনে হয়ে গেল ‘হালুয়া অনুষ্ঠান’ (Halwa Ceremony)। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের জন্য বাজেট প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এদিন লোহার একটি বড় কড়াই থেকে অর্থমন্ত্রকের কর্মীদের হালুয়া বিতরণ করেন অর্থমন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী-সহ সচিব, আধিকারিক এবং বাজেট প্রস্তুতি প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত কর্মচারীরা।

    হালুয়া অনুষ্ঠান কী? (Budget 2024)

    প্রশ্ন হল, হালুয়া অনুষ্ঠান কী? হালুয়া অনুষ্ঠান হল একটি প্রথাগত অনুষ্ঠান যা বাজেট প্রস্তুতির ‘লক-ইন’ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার প্রায় এক সপ্তাহ আগে অনুষ্ঠিত হয়। এদিন অর্থমন্ত্রকের রান্নাঘরে অতিকায় এক কড়াইয়ে তৈরি করা হয় হালুয়া। এই হালুয়াই বিলি করা হয় বাজেট তৈরি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত সকলের মধ্যে। গুরুত্বপূর্ণ কিংবা বিশেষ কোনও কাজ শুরু করার আগে মিষ্টিমুখ করানোটা ভারতীয় ঐতিহ্য। বাজেট প্রণয়নের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দেওয়ার অঙ্গ হিসেবেও দেখা হয় এই অনুষ্ঠানকে। হালুয়া অনুষ্ঠান শেষে অর্থমন্ত্রী সংসদে বাজেট পেশ না করা পর্যন্ত কর্মকর্তারা থাকেন অর্থমন্ত্রকেই। সেজন্য হালুয়া অনুষ্ঠানকে কর্মকর্তাদের ‘বিদায়’ অনুষ্ঠানও বলা যেতে পারে।

    ‘লক-ইন’ প্রক্রিয়া

    পেশের আগেই যাতে বাজেট ফাঁস না হয়ে যায়, তা-ই শুরু হয়েছিল ‘লক-ইন’ প্রক্রিয়া। সরকারের কোনও আর্থিক নীতি যাতে ফাঁস না হয়, গোপনীয়তাও যাতে ভঙ্গ না হয়, তাই এই রীতিই চলে আসছে দীর্ঘকাল। বাজেট (Budget 2024) চূড়ান্ত হওয়ার পর তা পাঠানো হয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য। তাঁর অনুমোদন মিললেই ছাপানো হয় বাজেট। বাজেটের গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে গোয়েন্দা ব্যুরো প্রধান নিত্য হানা দেন নর্থ ব্লকের বেসমেন্টে প্রিন্টিং প্রেস এলাকায়।

    আরও পড়ুন: ‘স্যুইফট’ থেকে বহিষ্কার করলেও পরোয়া করে না ভারত, আমেরিকাকে বোঝালেন মোদি

    জানা গিয়েছে, এবারও পেপারলেস বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। এর আগের তিনটি বাজেট এবং চলতি (Halwa Ceremony) বছর ‘ভোট অন অ্যাকাউন্ট’ও পেশ হয়েছিল ডিজিটালি। বাজেট অ্যাক্সেস মিলবে ‘ইউনিয়ন বাজেট’ মোবাইল অ্যাপে (Budget 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।  

  • Purba Bardhaman: “সঠিক রিপোর্ট জমা দিলেই প্রকল্পের টাকা পেয়ে যাবে রাজ্য” সাফ জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    Purba Bardhaman: “সঠিক রিপোর্ট জমা দিলেই প্রকল্পের টাকা পেয়ে যাবে রাজ্য” সাফ জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই, ইডি স্বনিয়ন্ত্রিত সংস্থা। বিজেপি ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই তারা তদন্তের কাজ করছে। তাই ভোটের রাজনীতির সঙ্গে তদন্তের কোনও সম্পর্ক নেই। পশ্চিমবঙ্গে নেতা-মন্ত্রীদের ঘরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে হাইকোর্টের নির্দেশে। বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার অভিযোগ তোলাটা একেবারেই মিথ্যা। পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) রায়নায় ঠিক এইভাবেই তৃণমূলকে কড়া বার্তা দিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরি।

    হিসাব দিলেই টাকা মিলবে (Purba Bardhaman)

    কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরি রায়নায় সাংবাদিকদের সামনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে ১০০ দিনের কাজ ও অন্যান্য প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সরকার টাকা আটকে দিয়েছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। অথচ, তিন বছরের বেশি সময় ধরে কেন্দ্র সরকারের কাছে এই কাজের রিপোর্ট জমা দেয়নি রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের তদন্তে এই সরকারের দুর্নীতি ধরা পড়েছে। সঠিক রিপোর্ট জমা দিলেই কেন্দ্র সরকার প্রকল্পের টাকা রাজ্যকে দিয়ে দেবে।” তিনি আরও বলেন, “বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসর আগে শেষ ৯ বছরে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যকে  ইউপিএ পরিচালিত কেন্দ্র সরকার যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করেছিল, এনডিএ সরকার ক্ষমতায় আসর পর, তার থেকে অনেক বেশি অর্থ বরাদ্দ করেছে। এখনও পর্যন্ত আমাদের সরকার, পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে ২ লাখ ৫ হাজার ৩৪১ কোটি টাকা প্রদান করেছে। কাজেই বিজেপি সরকার, রাজ্য সরকারের প্রাপ্য অধিকার থেকে কখনই বঞ্চনা করে না। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা বার বার চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন হিসাব যত তাড়াতাড়ি দেবেন, পাওনা টাকা তত দ্রুত মিলবে। কিন্তু রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে  হিসেব নিয়ে কোনও উত্তর মেলেনি।”

    আর কী বললেন?

    বিজেপি সাংসদ পঙ্কজ চৌধুরি পূর্ব বর্ধমানে আরও বলেন, “এছাড়া করোনার সময় রাজ্যকে বিশেষ সাহায্য দেওয়া হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকঠামোর বজায় রাখার চেষ্টা করছে কেন্দ্র সরকার। বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তৃণমূলের নেতারা সাধারণ মানুষকে ভুল বোঝানোর অপচেষ্টা করছে। আন্দোলন, ধর্না গনতন্ত্রের অধিকার। যে কেউ আন্দোলন করতেই পারে। তবে বিজেপির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে কোনও লাভ নেই। প্রয়োজনে দেশের বিচার ব্যবস্থা রয়েছে। আদালতের কাছে গিয়ে যে কেউ ন্যায় চাইতে পারে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share