Tag: Pariksha Pe Charcha

Pariksha Pe Charcha

  • Sadhguru: ‘‘হতে হবে স্মার্ট ফোনের চেয়েও স্মার্ট’’, পরীক্ষা পে চর্চা অনুষ্ঠানে বললেন সদগুরু

    Sadhguru: ‘‘হতে হবে স্মার্ট ফোনের চেয়েও স্মার্ট’’, পরীক্ষা পে চর্চা অনুষ্ঠানে বললেন সদগুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরীক্ষাকে কখনও কঠিন ভাবলে চলবে না। শিক্ষার পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যাওয়ার জন্য পড়ুয়ারা ঠিক কতটা উপযুক্ত, সেটা যাচাই করার একটি মাধ্যম‌ হল পরীক্ষা, একথাই শোনা গেল সদগুরুর মুখে (Sadhguru)। পরীক্ষা পে চর্চা (Pariksha Pe Charcha) অনুষ্ঠানে পড়ুয়াদের এমন পাঠই পড়ালেন আধ্যাত্মিক নেতা এবং ইশা ফাউন্ডেশনের প্রধান জাগ্গি বাসুদেব। পড়ুয়াদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘‘তোমাদের স্মার্ট ফোনের চেয়েও স্মার্ট হতে হবে।‌’’

    সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি নিয়ে কী বললেন সদগুরু (Sadhguru)?

    তিনি বলেন, ‘‘যদি একইসঙ্গে ঘাস আর মোটরসাইকেলের দিকে তাকান, তাহলে আপনার ভাবা উচিত এর পদার্থবিদ্যা, গণিত এবং রসায়ন কী। সঠিক শিক্ষাই বিষয়গুলি বুঝতে সাহায্য করে এবং জীবনের দিকে এগিয়ে দেয়। এর জন্য বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজন।’’ তবে সোশ্যাল মিডিয়া এবং ফোনের প্রতি আসক্তি সম্পর্কে এক ছাত্রের প্রশ্নের উত্তরে সদগুরু বলেন, ‘‘একজন ব্যক্তির উচিত স্মার্ট ফোন কীভাবে ব্যবহার করবেন তা ঠিক করা। তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত চিন্তাভাবনা বলে কিছু নেই, কারণ মূল্যবান কিছু করার জন্য অন্যরকম চিন্তা করতে হবে।’’

    মনসংযোগ বাড়াতে ধ্যান

    অন্যদিকে মনোসংযোগ বাড়াতে পড়ুয়াদের ধ্যানের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি (Sadhguru) বলেন, ‘‘শরীর ভালোভাবে অনুশীলন করলে আরও ভালোভাবে কাজ করা যায়। তাহলে মানসিক ক্ষমতা বাড়াতে কেন সেটা আমরা করতে পারি না?’’ সদগুরু (Sadhguru) মানুষের বুদ্ধিমত্তা নিয়ে তুলনা করতে নিষেধ করেন। তিনি বলেন, ‘‘আমি কি এই ব্যক্তির মতো বুদ্ধিমান নাকি ওই ব্যক্তির মতো? এমন ভাবার কিছু নেই। এটা একটা প্রহসন যা সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে আছে। সবাই সবকিছু করতে পারেন। প্রত্যেকে মানুষের মধ্যে সেই ক্ষ্মতা রয়েছে। কে কখন কী করে দেবেন বলা মুশকিল।’’

    গত সোমবার থেকেই চলছে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’

    প্রসঙ্গত, গত সোমবার থেকেই চলছে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ (Pariksha Pe Charcha 2025) অনুষ্ঠান। আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে দিল্লির একটি নার্সারিতে পড়ুয়াদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। কীভাবে নিজেদের পরীক্ষার চাপ থেকে একেবারে মুক্ত রাখা যায়, ভালো নম্বর পাওয়া যায় সে সংক্রান্ত কিছু টিপস দিতে শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীকে। এদিন নির্ধারিত সময় মেনে সকাল ১১টায় প্রধানমন্ত্রী ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ নিয়ে আলোচনা শুরু করেন সদগুরু।

  • Pariksha Pe Charcha: স্ট্রেস সামলাতে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় ছাত্রছাত্রীদের বিশেষ টিপস মোদির

    Pariksha Pe Charcha: স্ট্রেস সামলাতে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় ছাত্রছাত্রীদের বিশেষ টিপস মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরীক্ষার আগে (Pariksha Pe Charcha) ছাত্রছাত্রীদের চ্যালেঞ্জ নিতে বললেও চাপ না-নেওয়ার পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে মোদির অষ্টম বার্ষিক ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ সম্প্রচারিত হয় সোমবার ৷ আজ,১০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমিক পরীক্ষা ৷ ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে সিবিএসসি দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা ৷ আর আইসিএসই বোর্ডের ছাত্রছাত্রীদের জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ১৮ ফেব্রুয়ারি ৷ তার আগে শারীরিক পুষ্টি, চাপ আয়ত্ত করা এবং নেতৃত্বের মতো বিভিন্ন বিষয়ে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    পরীক্ষা পে চর্চা

    জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা (Pariksha Pe Charcha) দিতে যাওয়া ছাত্রছাত্রীদের ভীতি কাটাতে, উৎসাহ দিতে প্রতিবছরই পরীক্ষা পে চর্চা করেন প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদির পরীক্ষা পে চর্চার PPC 2025) এবার অষ্টম সংস্করণ। পরীক্ষা পে চর্চায় প্রতি বছরের মতোই প্রধানমন্ত্রী উত্তর দিলেন ছাত্রছাত্রীদের নানা প্রশ্নের। এই বছর ব্যাপক সাড়া ফেলেছে পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে মোদির সেশন। “পরীক্ষা পে চর্চা”য় রেজিস্টার করিয়েছেন, ৩.৩০ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী। থাকছেন ২০.৭১ লক্ষ শিক্ষক । সাড়ে ৫ লক্ষ অভিভাবকও অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন।

    ব্যাটারের মতো ফোকাস

    পরীক্ষার আগে ফোকাস বাড়াতে ক্রিকেট ম্যাচের উদাহরণ টেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শেখান ব্যাটারের টোটকা। পরীক্ষার সময়ে হই-হট্টগোলের মাঝে নিজের ফোকাস যাতে না নড়ে তার জন্য মোদি তুলে ধরেন ক্রিকেট মাঠে ব্যাটারের উদাহরণ। তিনি বলেন, সারা স্টেডিয়ামের চিৎকার সব কিছুর মাঝেও ব্যাটারের ফোকাস থাকে শুধু বলের উপর। সে আর কিছু শুনতে পায় না। পরীক্ষাতেও পরীক্ষার্থীদের এরকমই মনযোগ দিতে হবে। মোদির কথায়, চিন্তা-উদ্বেগ ভুলে শুধু পরীক্ষাতেই নয়, জীবনেও হতে হবে ওয়ারিয়র অর্থাৎ যোদ্ধা।

    প্রকৃতির মাঝে থাকা ও শরীর চর্চা

    পরীক্ষার চাপ সামলে সুস্থ থাকতে পড়ুয়াদের প্রকৃতির মাঝে থাকা অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রকৃতি আমাদের চাপ কমাতে সাহায্য করে। সূর্যোদয়ের পরেই গাছের নীচে দাঁড়িয়ে লম্বা নিঃশ্বাস নিলে অনেকটাই কমে মানসিক চাপ।’ এছাড়া পড়ার ফাঁকে নিয়মিত শরীর চর্চারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

    সময়ের সঠিক ব্যবহার

    প্রধানমন্ত্রী মোদি সবসময় সময়ের সঠিক ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দেন। সময়কে কাজে লাগানোর কৌশলটা ঠিক করার উপর জোর দিতে বললেন পড়ুয়াদের। পরীক্ষার হলে কীভাবে সময়টাকে ভাগ করে নেবে, কীভাবে নির্দিষ্ট সময়ে নিজেকে উজাড় করে দেবে, তার মহড়া নিতে হবে আগে থেকেই। রণকৌশল ঠিক করে নিতে হবে আগে থেকেই।

    পাঠ্যক্রম বহির্ভূত কার্যকলাপে উৎসাহ

    পরীক্ষার (Pariksha Pe Charcha) প্রয়োজনীয়তা তো আছেই। তবে প্রধানমন্ত্রী পাশাপাশি জোর দিলেন, সিলেবাসভিত্তিক পরীক্ষা আর জীবনের সত্যিকারের শিক্ষাটা আলাদা। সেটা গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।শিক্ষার্থীদের কেবল পরীক্ষার প্রস্তুতি নিলে হবে না, জ্ঞান অর্জনের উপর মনোনিবেশ করা দরকার, মনে করেন মোদি। পরীক্ষার সিলেবাসের বাইরে পাঠ্যক্রম বহির্ভূত কার্যকলাপেও উৎসাহ জোগান প্রধানমন্ত্রী। অভিভাবকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদির টিপস, পড়াশোনা তো আছেই, কিন্তু শিশুদের বিশেষ আগ্রহের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। নিজেদের পছন্দ খুঁজে বের করার স্বাধীনতা দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ, শিক্ষার্থীদের কেবল বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয় এবং তাদের শখের দিকটিও নজর দিতে হবে। কারণ তা শিশুর সামগ্রিক বিকাশে সাহায্য করে।

    রিল নয় প্রযুক্তির সাহায্য

    পড়ুয়াদের রিল দেখার বিষয়েও সাবধান করেন নরেন্দ্র মোদি। বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় রিল না দেখে পড়ুয়ারা যদি সে সময়ে প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে নতুন কিছু জানার চেষ্টা করেন তা হলে উপকার হবে। এ ছাড়া নিজেদের লক্ষ্য স্থির রাখতে রোজ একটা কাগজে পড়ুয়াদের উচিত নিজের পরিকল্পনা লিখে রাখা এবং দিন শেষে কতটুকু বাস্তবায়ন হল তা টিক চিহ্ন দিয়ে মার্কিং করা।

    বাবা-মা-শিক্ষককে টিপস

    পড়ুয়াদের সঙ্গে সঙ্গে এদিন বাবা-মা ও শিক্ষকদের উদ্দেশেও বিশেষ টিপস প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)। পরীক্ষা বলে পড়ুয়াদের বাড়তি চাপ না দেওয়ার পরামর্শ। শুধু পড়ার বইয়ে মুখ গুঁজে থাকলে হবে না। নিজেদের ভালো লাগার কাজও পড়ুয়াদের করতে দেওয়া উচিত। তাতে শারীরিক-মানসিক বিকাশ কোনওটাই আটকাবে না। মোদি ছাত্রছাত্রীদের বলেন ‘জ্ঞান’ এবং পরীক্ষা দু’টি ভিন্ন জিনিস। পরীক্ষাকে জীবনের সর্বস্ব হিসেবে দেখা উচিত নয়। দেশজুড়ে বিভিন্ন রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে আসা ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছাত্রছাত্রীদের কোনও কিছুর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়।

    পর্যাপ্ত ঘুম ও সুষম আহার

    ভালো করে পরীক্ষা দিতে সুষম খাদ্য খাওয়া ও পর্যাপ্ত ঘুমও দরকার বলে পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর। খাবার খাওয়ার সময়ে যেমন চিবিয়ে ভালো করে খেতে হবে তেমনি আট ঘণ্টা ঘুমিয়ে মস্তিষ্ককে বিশ্রাম না দিলে শরীর-মন তরতাজা হবে না। ফলে পরীক্ষার সময়ে পড়ুয়াদের মনসংযোগে সমস্যা হতে পারে।

  • PM Modi: পরীক্ষার্থীদের টেনশন কমাতে গুচ্ছ টিপস, ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় কী বললেন মোদি?

    PM Modi: পরীক্ষার্থীদের টেনশন কমাতে গুচ্ছ টিপস, ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় কী বললেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দরজায় কড়া নাড়ছে বিভিন্ন বোর্ডের পরীক্ষা। স্বাভাবিকভাবেই টেনশনে কিশোর পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষার চাপ কমাতে পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে পরীক্ষা পে চর্চায় মাতলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। চাপ কমাতে পরীক্ষার্থীদের দিলেন বেশ কিছু টিপসও। তাদের সফল কেরিয়ার গড়া নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকদেরও এক গুচ্ছ পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    পরীক্ষার আগে দুই চাপ

    তিনি বলেন, “পরীক্ষার সময় একটা চাপ তো পড়ুয়াদের মনে নিজের থেকেই তৈরি হয়ে যায়। কতটা পড়া হল, নম্বর ঠিক মতো আসবে কিনা, এসব নিয়ে চিন্তা হয়। আর দ্বিতীয়টি হল পারিপার্শ্বিক চাপ। যেখানে মা-বাবারা সব সময় ভালো ফল করতে আরও বেশি করে পড়াশোনা করতে বলেন।” নিজে কীভাবে চাপ মুক্ত হন, এদিন সে প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “যদি কোনও ঠান্ডার জায়গায় যাই, তাহলে তার আগে মনে মনে নিজেকে প্রস্তুত করে নিই। ফলে সেখানে গিয়ে আর অসুবিধা হয় না। পড়াশোনার চাপ কমাতে এটা তোমরা অনুসরণ করতে পারো। এজন্য নিজেকে আগে থেকে প্রস্তুত করো তোমরা।”

    চাপ কমানোর দাওয়াই

    পরীক্ষার চাপ যাতে মনের ওপর গভীর ছাপ ফেলে, সে পথও বাতলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি (PM Modi) বলেন, “পরীক্ষার আগে একটু আধটু রসিকতা করা ভালো। এতে মনের ওপর চাপ কমবে। হলে ঢোকার পর গভীর শ্বাস নিয়ে পরীক্ষা শুরু করতে পারো তোমরা। কোথায় সিসিটিভি আছে, পরিদর্শক কী করছেন, সেদিকে নজর দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। এগুলি চিন্তা শক্তিতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তোমাদের অনেকেই হয়ত শুধু ল্যাপটপ বা মোবাইল ফোনে লিখে অভ্যস্ত। তাই লেখার অভ্যাস করা ভালো। যে কোনও বিষয়ের ওপর প্রবন্ধ লেখা অনুশীলন কর তোমরা। একবার লিখে সেটা কতটা ঠিক হল, তা খতিয়ে দেখতে হবে। বারংবার অনুশীলনে বাড়বে লেখার দক্ষতা।”

    আরও পড়ুুন: সরকারি অতিথি নিবাসে রাহুলের মধ্যাহ্নভোজে মমতার পুলিশের না

    পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র খুঁটিয়ে দেখার পরামর্শও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “বন্ধু ও ভাইবোনেদের মধ্যে হিংসা কমাতে পিতামাতাদের অন্যদের সঙ্গে তাঁদের সন্তানদের তুলনা করা বন্ধ করুন।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমাদের ছাত্রছাত্রীরাই ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি করে দেবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ‘‘মনোবল ধরে রাখাই সাফল্যের চাবিকাঠি’’! ‘পরীক্ষা পে চর্চা’-য় পড়ুয়াদের পরামর্শ মোদির

    Narendra Modi: ‘‘মনোবল ধরে রাখাই সাফল্যের চাবিকাঠি’’! ‘পরীক্ষা পে চর্চা’-য় পড়ুয়াদের পরামর্শ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনোবল ধরে রেখে সঠিক পথে প্রস্তুতি নেওয়াই সাফল্যের চাবিকাঠি। শুক্রবার ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ অনুষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে এই বার্তাই দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সামনেই সারা দেশে শুরু হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের বোর্ডের পরীক্ষা। তাই পরীক্ষার্থীদের মানসিক চাপমুক্ত করতেই শুক্রবার আয়োজিত হল পরীক্ষা পে চর্চা। এদিন প্রধানমন্ত্রীর কথা শুনল ৩৮ লাখ পড়ুয়া। গতবারের থেকে ১৫ লাখ বেশি, জানিয়েছেন কেন্দ্রের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

    সঠিক প্রস্তুতি প্রয়োজন

    প্রধানমন্ত্রী মোদি আজ তিনটি বিষয়ের উপর জোর দিয়েছেন। তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেছেন, সন্তানের উপর প্রত্যাশার বিপুল বোঝা চাপিয়ে দেবেন না। ওরা কতটা দিতে পারে, সেটা বিবেচনায় রেখে প্রত্যাশা করুন। পড়ুয়াদের উদ্দেশ্যে তাঁর উপদেশ, যত চাপই আসুক না কেন, তোমরা নিজেরা যতটা পূরণ করতে পারবে, ততটাই করার চেষ্টা করবে নিখুঁতভাবে। পরীক্ষার্থীদের তিনি আরও বলেন, কখনওই পরীক্ষায় অসৎ উপায় অবলম্বন করবে না। তাতে এক-দু’বার উতরে যেতে পারো। কিন্তু ভবিষ্যতে কোথাও না কোথাও আটকে যাবে। তাই সর্বদা সঠিক ও সৎ পথে চলার চেষ্টা করবে।

    এদিন সকাল ১১ টায় দিল্লির তালকাটোরা ইন্ডোর স্টেডিয়ামে পরীক্ষা পে চর্চা অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। এদিন অনুষ্ঠানটিতে ২ হাজার শিক্ষার্থী সরাসরি অংশগ্রহণ করে। বাকি পরীক্ষার্থীরা ভার্চুয়ালি সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেন নরেন্দ্র মোদী। এদিন এক ছাত্রী প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করেন, “যদি আমার রেজাল্ট ভালো না হয় তাহলে আমি পরিবারকে কীভাবে বোঝাব?” যার উত্তরে মোদি বলেন, “পরিবারের প্রত্যাশা থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু যদি সামাজিক স্ট্যাটাসের বিষয়ে অভিভাবকেরা ভাবেন তাহলে চিন্তার বিষয় রয়েছে। তবে পরীক্ষার্থীরা যদি নিজেদের লক্ষ্যে অবিচল থাকে সফল হবেই।” 

    আরও পড়ুুন: জীবন কাটছে জেলখানায় বন্দিদের মতো! চিনের শিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমদের কী অবস্থা জানেন?

    আবার হার্ডওয়ার্ক নাকি স্মার্টওয়ার্ক, কোনটা বেশি জরুরি, এমনই প্রশ্ন করেন আরেক এক পড়ুয়া। যার জবাবে প্রধানমন্ত্রী কলসি থেকে কাকের জলপানের গল্প উল্লেখ করে বলেন, “অনেকে বরাবর কঠোর পরিশ্রম করেন। আবার কারোর জীবনে কঠোর পরিশ্রম শব্দটাই নেই। আবার কেউ স্মার্টলি হার্ডওয়ার্ক করেন। তাই সমস্যা সমাধানের জন্য পরিশ্রমের প্রয়োজন নাকি বুদ্ধিমত্তার তা আগে বুঝতে হবে।” পাশাপাশি সাফল্যের জন্য শিক্ষার্থীদের সময়ানুবর্তিতা অত্যন্ত জরুরি বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Pariksha Pe Charcha: প্রধানমন্ত্রীর ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় অংশ নিতে চায় ৩৮ লক্ষ শিক্ষার্থী!

    Pariksha Pe Charcha: প্রধানমন্ত্রীর ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় অংশ নিতে চায় ৩৮ লক্ষ শিক্ষার্থী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় (Pariksha Pe Charcha) অংশগ্রহণের জন্য এই বছর ৩৮ লক্ষ শিক্ষার্থীর নাম রেজিস্টার করিয়েছেন। এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। প্রত্যেক বছরই পরীক্ষার চাপ সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপচারিতা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, গত বছরের তুলনায় অন্তত ১৫ লক্ষ বেশি ছাত্রছাত্রী এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে চেয়েছেন। ২৭ জানুয়ারি নয়া দিল্লির তালকাটোরা ইন্ডোর স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, “পরীক্ষা পে চর্চায়  অংশগ্রহণের জন্য এই বছর ৩৮ লক্ষেরও বেশি শিক্ষার্থী রেজিস্টার করেছেন। এর মধ্যে ১৬ লক্ষেরও বেশি শিক্ষার্থী রাজ্য বোর্ডের। পিপিসি ২০২২-এর তুলনায় এই সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেশি। দেশের বাইরে ১৫৫টি দেশ থেকেও নাম নিবন্ধন করা হয়েছে।”

    কী বলেছেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী?     

    মন্ত্রী আরও বলেন, “পরীক্ষা পে চর্চা (Pariksha Pe Charcha) গত কয়েক বছর একটি গণআন্দোলনে পরিণত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ যেভাবে বেড়েছে, সেটাই এর প্রমাণ। এই অনন্য এবং জনপ্রিয় উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। তাদের মানসিক চাপ মোকাবিলা করতে এই উদ্যোগ খুব কার্যকরি। প্রায় ২,৪০০ শিক্ষার্থী তালকাটোরা স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে উপকৃত হবে। একই সময়ে, কোটি কোটি শিক্ষার্থী তাদের নিজ নিজ স্কুল বসে সরাসরি অনুষ্ঠানটি দেখতে পারবে।” তিনি আরও জানিয়েছেন, এনসিইআরটির কলা উৎসব প্রতিযোগিতার ৮০ জন বিজয়ী এবং সারা দেশ থেকে ১০২ জন ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা বিশেষ অতিথি হিসাবে এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন।

    আরও পড়ুন: মান্থার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ কাঁথির অভিযুক্ত ছাত্রনেতা   

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, “কর্মসূচিতে (Pariksha Pe Charcha) অংশগ্রহণকারীরা শিক্ষার্থীদের আমাদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করাতে রাজঘাট, সদৈব অটল, প্রধানমন্ত্রীর জাদুঘর, কর্তব্য পথের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে নিয়ে যাওয়া হবে। কলা উৎসবের বিজয়ী এবং নির্বাচিত ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকরা ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ এবং ২৯ জানুয়ারি বিটিং রিট্রিটও দেখতে পাবেন।” প্রসঙ্গত, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকীতে সারা দেশের ৫০০টি জেলায় একটি অঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। এর থিম ছিল প্রধানমন্ত্রীর ‘এক্সাম ওয়ারিয়র্স’ বইতে দেওয়া মন্ত্রসমূহ। ধর্মেন্দ্র প্রধান আরও বলেন, “এই বইটির অসাধারণ সাফল্য বিবেচনা করে, এটিকে ১১টি ভারতীয় ভাষায় প্রকাশ করা হচ্ছে। অহমীয়া, বাংলা, গুজরাটি, কন্নড়, মালয়ালম, মারাঠি, ওড়িয়া, পঞ্জাবি, তামিল, তেলেগু এবং উর্দু ভাষাতেও এই বই পাওয়া যাবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share