Tag: Park Circus

Park Circus

  • Suvendu Adhikari: ‘‘কাশ্মীরে পাথরবাজি বন্ধ হয়েছে, বাংলাতেও হবে’’, পার্ক সার্কাসে পৌঁছে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘কাশ্মীরে পাথরবাজি বন্ধ হয়েছে, বাংলাতেও হবে’’, পার্ক সার্কাসে পৌঁছে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার পার্ক সার্কাস সংলগ্ন এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সাম্প্রতিক অবনতি এবং অশান্তির ঘটনায় অত্যন্ত কঠোর মনোভাব প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নবান্নে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাজ্যে কোনও অবস্থাতেই অরাজকতা বা আইন অমান্য করার ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। দোষীদের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পুলিশ প্রশাসনকে মুক্তহস্ত করা হয়েছে। এর পর পার্ক সার্কাসে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে দাঁড়িে তাঁর সাফ কথা, “হাতে পাথর তুলে নেওয়া, ধর্মীয় স্লোগান দিয়ে গন্ডগোল করা পশ্চিমবঙ্গে আর চলবে না।”

    প্রশাসন কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করবে (Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করাই বর্তমান সরকারের প্রধান অঙ্গীকার। পার্ক সার্কাসে যা ঘটেছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং আইন-শৃঙ্খলার পরিপন্থী। সাধারণ মানুষের শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করা হলে প্রশাসন কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”

    একই ভাবে আহত পুলিশকর্মী এবং সিআরপিএফদের নাম উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘ওঁদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলাম। কতটা জখম হয়েছেন দেখলাম। আমাদের পুরো বাহিনী গতকাল যে ভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করেছে, বড় অঘটন ঘটতে দেয়নি, মানুষজনকে বাঁচিয়েছে, তাঁদেরও আমি সাপোর্ট দিতে এসেছিলাম। বলেছি, সরকার আপনাদের সঙ্গে আছে। আপনারা ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস) অনুযায়ী, ভয়মুক্ত হয়ে কাজ করবেন। আপনাদের মুখ্যমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্বদা আপনাদের পাশে রয়েছে। নগরপালের নেতৃত্বে পুরো দল রয়েছে।’’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, “পূর্বতন সরকারের আমলে সুনির্দিষ্ট তোষণ নীতির কারণে কিছু সমাজবিরোধী যে প্রশ্রয় পেয়েছিল, নতুন প্রশাসনিক ব্যবস্থায় তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে।”

    স্পর্শকাতর এলাকায় ২৪ ঘণ্টা সতর্ক থাকার নির্দেশ

    শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “যে কোনও রাজনৈতিক সংগঠন, ধর্মীয় সংগঠন পুলিশকে জানিয়ে তাদের কর্মসূচি করতে পারে। কিন্তু মানুষ জড়ো করে ধর্মীয় স্লোগান দেওয়া, পাথর ছোড়া… কাশ্মীরে, শ্রীনগরে পুলিশকে পাথর ছোড়া বন্ধ হয়েছে, আমার মনে হয় পশ্চিমবঙ্গ তথা কলকাতাতেও এ বার বন্ধ হবে। আমি আবেদন করব, এই কাজগুলো আর করবেন না। যদি মনে করে থাকেন, আগের সরকার আছে, আগের নিয়ম আছে, পুলিশফোর্সকে হাত-পা বেঁধে রেখে দেওয়া হবে, তা হলে কিন্তু ভুল করবেন। তাই ‘ক্লিয়ার মেসেজ’ দিচ্ছি, এই ধরনের অশান্তি, গুন্ডামিতে ‘জিরো টলারেন্স’। দেশ-বিরোধী, সমাজ বিরোধী কার্যকলাপ চালাতে দেব না। হোম মিনিস্টার হিসাবে আমি লাস্ট ওয়ার্ড বলে গেলাম, একটা পুলিশের গায়ে যদি হাত পড়ে, এই সরকার তার জন্য আইন প্রয়োগ করে যত দূর যেতে হয় যাবে। শুধু অ্যারেস্ট (গ্রেফতার) নয়, কনভিকশন (দণ্ড) করানো পর্যন্ত ক্লোজ় মনিটরিংয়ের দায়িত্ব আমাদের হাতে থাকবে। আর পুলিশ বন্ধুদের বলব, আপনাদের প্রশিক্ষণের সময় যা বলা হয়েছে, বিএনএস যা বলে, আপনাদের ঊর্ধ্বতন যে নির্দেশ দেবেন, সেই অনুযায়ী ভয়মুক্ত হয়ে কাজ করবেন।”

    পার্ক সার্কাস ময়দান এবং সংলগ্ন এলাকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখার ওপর জোর দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) স্থানীয় নাগরিকদের উস্কানিমূলক আচরণ বা গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে কলকাতা পুলিশকে ২৪ ঘণ্টা সতর্ক থাকার এবং স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আইন শৃঙ্খলার সঙ্গে বিন্দু মাত্র আপস নয়

    দুষ্কৃতীদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আপনারাও কান খুলে শুনে নিন, এটাই শেষ ঘটনা। এর পর এমন ঘটনা ঘটতে দেব না। এর পর এমন ঘটনা যদি ঘটান, আমার থেকে খারাপ কোনও পুলিশমন্ত্রী হবে না।” রাজনৈতিক মহলের মতে, পার্ক সার্কাসের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নবগঠিত বিজেপি সরকার স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছে যে, রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রশ্নে তারা বিন্দুমাত্র আপস করতে রাজি নয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) এই কড়া অবস্থান রাজ্যে সুশাসন ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

  • New Namaz Guidelines: শহরের মসজিদগুলিতে নমাজ আদায়ের নয়া গাইডলাইন কার্যকর করার নির্দেশ

    New Namaz Guidelines: শহরের মসজিদগুলিতে নমাজ আদায়ের নয়া গাইডলাইন কার্যকর করার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার শহরে মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই দেখা গেল পরিবর্তনের ছবি। শহরের বিভিন্ন মসজিদে (Mosques) মুসল্লিরা রাস্তার ওপর নন, মসজিদ চত্বরের মধ্যেই নমাজ আদায় করেন (New Namaz Guidelines)। নয়া সরকারের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলার ওপর জোর দেওয়ার নীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পুলিশ মৌখিক নির্দেশ দিয়েছিল। বিভিন্ন এলাকায় সমাজের প্রবীণ ব্যক্তি, মসজিদ কমিটি এবং পুলিশ একসঙ্গে সমন্বয় করে যাতে কোনও বিঘ্ন ছাড়াই নমাজ আদায়-পর্ব সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করেন। অনেক মসজিদে ইমামরা খুতবার সময় মুসল্লিদের রাস্তার ওপর নমাজ না পড়ার অনুরোধ জানান।

    মৌখিক নির্দেশেই হয়েছে কাজ (New Namaz Guidelines)

    রাজ্যের নয়া সরকার সম্প্রতি উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অগ্রাধিকারের কথা জানিয়েছিল। সদ্য নির্বাচিত বিজেপি সরকার সোমবার পুলিশকে নির্দেশ দেয় যে ধর্মীয় স্থানের বাইরে লাউডস্পিকারের শব্দ যেন না যায় এবং বিশেষ অনুষ্ঠান ছাড়া প্রার্থনার জমায়েত যেন রাস্তা অবরুদ্ধ করে সাধারণ মানুষের অসুবিধা সৃষ্টি না করে। যদিও এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। তবে মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় থানাগুলি থেকে মৌখিক নির্দেশ পৌঁছে দেওয়া হয়। শুক্রবার বড় বড় মসজিদের সামনে পুলিশ মোতায়েন ছিল, যাতে জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও স্থানীয় আয়োজকদের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করা যায়।

    নমাজ শুধুমাত্র মসজিদের ভেতরেই হবে

    রবীন্দ্র সরণির কাছে নাখোদা মসজিদে শুক্রবার সকাল থেকেই পুলিশ ঘোষণা করে, নমাজ শুধুমাত্র মসজিদের ভেতরেই হবে। নমাজের সময় ঘনিয়ে আসতেই বহু মুসল্লি মসজিদে প্রবেশের জন্য সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ান। অনেককে ভেতরে জায়গা দেওয়া হলেও, কিছু মানুষ জায়গা না পেয়ে পাশের ফুটপাথে নমাজ পড়ার অনুমতি চান (New Namaz Guidelines)। প্রথমে পুলিশ সেই অনুমতি দেয়নি, তবে জায়গার অভাবের কারণে পরে সীমিত সংখ্যক মুসল্লিকে ফুটপাথে নমাজ পড়তে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ আধিকারিকরা জানান, এই ব্যবস্থা সাময়িক। এক পুলিশ অফিসার বলেন, “আগামী সপ্তাহ থেকে সবাইকে মসজিদের ভেতরেই নমাজ পড়তে হবে (Mosques)।”

    নাখোদা মসজিদের ট্রাস্টির বক্তব্য

    নাখোদা মসজিদের ট্রাস্টিরা জানান, আগামী শুক্রবার থেকে বেশি সংখ্যক মানুষের জন্য বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবা হচ্ছে। মসজিদের ট্রাস্টি নাসের ইব্রাহিম বলেন, “আমরা দুই দফায় নমাজ আদায়ের ব্যবস্থা করার কথা ভাবছি।” নমাজ শুরু হওয়ার আগে ইমাম শফিক কাসমি মুসল্লিদের মসজিদের ভেতরে নমাজ পড়ার আহ্বান জানান। কলকাতার রয়েড স্ট্রিট, বেনিয়াপুকুর, খিদিরপুর, মোমিনপুর, তপসিয়া এবং পার্ক সার্কাস-সহ বিভিন্ন এলাকায়ও একই ধরনের দৃশ্য দেখা গিয়েছে। সর্বত্রই অধিকাংশ মুসল্লি মসজিদের ভেতরেই নমাজ আদায় করেছেন।কিছু জায়গায় যাঁরা ভেতরে জায়গা পাননি, তাঁরা মসজিদ লাগোয়া ফুটপাথে নমাজ আদায় করেন। যদিও মূল রাস্তা খোলা রাখা হয়েছিল যান চলাচলের জন্য।

    কী বললেন রয়েড স্ট্রিট মসজিদের ইমাম

    রয়েড স্ট্রিট মসজিদের ইমাম মওলানা শাব্বির মিসবাহি বলেন, “স্থানীয় থানা থেকে আমাদের বলা হয়েছিল, বাইরে নমাজ আদায় করায় নিরুৎসাহিত করতে হবে (New Namaz Guidelines)।” স্থানীয় বাসিন্দা ও মসজিদ কমিটির সদস্যরা জানান, অনেক মুসল্লি স্থানীয় মসজিদে জায়গা না পেয়ে স্বেচ্ছায় কাছাকাছি অন্য মসজিদে চলে গিয়েছিলেন। রাজাবাজার এলাকায় একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনায় কিছু মানুষের সঙ্গে পুলিশের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল। স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি ও মসজিদ কমিটির সহায়তায় দ্রুত সমস্যা মিটিয়ে ফেলা হয়। পরে মুসল্লিদের পাশের মসজিদগুলিতে নমাজ আদায়ের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। জুম্মার নমাজের সময় কলকাতার অধিকাংশ এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল (Mosques)।

     

  • Ashwini Vaishnaw: সংখ্যালঘু ভোটব্যাংকে ধসের আতঙ্ক, তাই কি পার্ক সার্কাস উচ্ছেদ অভিযানে রেলকে অসহযোগিতা রাজ্যের?

    Ashwini Vaishnaw: সংখ্যালঘু ভোটব্যাংকে ধসের আতঙ্ক, তাই কি পার্ক সার্কাস উচ্ছেদ অভিযানে রেলকে অসহযোগিতা রাজ্যের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘু ভোটব্যাংকে ধস নামলে খোয়াতে হতে পারে গদি। তাই কি কলকাতার পার্ক সার্কাস রেলওয়ে স্টেশন থেকে দখলদারদের হঠাতে (Eviction Drive) একাধিকবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও, রেলকে সাহায্য করেনি তৃণমূল পরিচালিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার? আপাতত এই প্রশ্নটাই ঘোরাফেরা করছে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের (Ashwini Vaishnaw) একটি দাবির পর। ভনিতা ছেড়ে ফেরা যাক খবরে।

    রাজ্যের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ (Ashwini Vaishnaw)

    পার্ক সার্কাস এলাকাটি মুসলিম অধ্যুষিত। এই এলাকায় রেললাইন দখল করেও দিব্যিই ব্যবসা করে চলেছেন কিছু মানুষ। তার ফলে নিত্য বিস্তর অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় রেলযাত্রীদের। সেই কারণেই রেলস্টেশনের ধার থেকে দখলদারদের উচ্ছেদ করতে বারংবার অভিযান চালিয়েছেন রেল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রাজ্য সরকার তাতে সহযোগিতা না করায় উচ্ছেদ অভিযান সফল হয়নি বলে জানালেন রেলমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, রাজ্যসভার সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য রেলমন্ত্রকের কাছে প্রশ্ন করেছিলেন, পার্ক সার্কাস স্টেশনকে দখলদার মুক্ত করতে কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে? এই প্রশ্নের জবাবে রাজ্যসভায় এক লিখিত উত্তরে অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার কথা। লিখিত উত্তরে রেলমন্ত্রী বলেন, “দখলদারদের উচ্ছেদ করতে পার্ক সার্কাস রেলস্টেশনে সময়ে সময়ে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে ভারতীয় রেল। কিন্তু রাজ্য সরকার এই কাজে সাহায্য করেনি। তাই অভিযান সফল হয়নি।”

    কী বললেন রেলমন্ত্রী?

    ট্রেনে যাত্রীদের সুরক্ষা প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী বলেন, “যাত্রীদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগে ভারতীয় রেল সব সময় সাড়া দেয়। স্টেশনগুলিতে রেলের নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মী থাকেন। সিসিটিভির নজরদারির ব্যবস্থা রয়েছে। তবে অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে সময়, স্থান ও কী ধরনের হুমকি রয়েছে, তা দেখেশুনে সুরক্ষা বাহিনী মোতায়েন করা হয়।” তিনি (Ashwini Vaishnaw) জানান, আরপিএফ মোতায়েনের বিষয়টি নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয়। সরকারের রেল পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলা হয়। অপরাধ দমনে যথাযথ পদক্ষেপ করে রেল। স্টেশন চত্বরে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সম্পর্কে রেলমন্ত্রী জানান, এটা নিরবচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া। স্টেশন চত্বরে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখতে রেলমন্ত্রক একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে। স্বচ্ছ ভারত অভিযানের মাধ্যমে পরিষ্কার করা হচ্ছে, বর্জ্য পদার্থ ফেলার আলাদা আলাদা ডাস্টবিন রাখা হয়েছে, জল নিকাশি ব্যবস্থা আরও উন্নত হয়েছে এবং ঘন ঘন স্টেশন পরিষ্কার (Eviction Drive) রাখার কাজ চলছে। পে অ্যান্ড ইউজ প্রকল্পের মাধ্যমে শৌচালয়গুলিকে পরিচ্ছন্ন রাখার কাজও হচ্ছে (Ashwini Vaishnaw) নিয়মিত।

  • Park Circus Firing: ভরদুপুরে পার্কসার্কাসে গুলি, মৃত ২, রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্য সচিবকে তলব রাজ্যপালের

    Park Circus Firing: ভরদুপুরে পার্কসার্কাসে গুলি, মৃত ২, রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্য সচিবকে তলব রাজ্যপালের

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক : ভরদুপুরে শহরের প্রাণকেন্দ্রে ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি। মৃত্যু এক মহিলার। আত্মহত্যা এক কনস্টেবলের।  আজ দুপুর ২টো নাগাদ পার্ক সার্কাস (Park Circus Firing) মোড়ে এই ঘটনা ঘটে।  বাইকে চলন্ত অবস্থায় পিঠে গুলি লাগে ওই মহিলার। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। আহত হন ওই গাড়ির চালক। এরপর নিজের সার্ভিস রাইফেল থেকে গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা (Suicide) করেন পুলিশ (Police) কর্মীটি। 

    জানা গেছে, ওই মৃত পুলিশ কর্মীর নাম টুডুপ লেপচা। তাঁর বাড়ি দার্জিলিং। পার্ক সার্কাসে বাংলাদেশ হাইকমিশনে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি যোগ দিয়েছিলেন কলকাতা পুলিশের পঞ্চম ব্য়াটেলিয়নে। তবে আপাতত ছিলেন ছুটিতে। শুক্রবার সকালেই কাজে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান,মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন টুডুপ। আর তা থেকেই আচমকা এই গুলি বৃষ্টি। মোট দশ রাউন্ড গুলি চালিয়েছেন ওই পুলিশকর্মী। হাইকমিশের সামনে পুলিশ বুথেই কর্মরত ছিলেন তিনি। হঠাৎই নিজের ইনসাস রাইফেল থেকে গুলি চালাতে শুরু করেন। রাস্তা দিয়ে তখন বাইকের পিছনে চেপে যাচ্ছিলেন ওই মহিলা। সোজা পিঠে গুলি লাগে তাঁর। উল্টে পড়ে যান তিনি। ছিটকে যায় তাঁর পায়ের চটি। আহত হন ওই বাইক চালকও। তাঁকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কড়েয়া থানার পুলিশ। 
     
    পরপর দু দিন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তিনি এক চিঠি লিখে শুক্রবার রাত দশটার মধ্য়ে রাজ্যের মুখ্য সচিবকে তলব করেছেন। প্রশাসনের তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীরও হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন। আবেদন জানিয়েছেন শান্তির।   

    শান্তির আবেদন জানাচ্ছেন শুভবুদ্ধি সম্পন্ন সকলেই। তবে শহরের বুকে দিনদুপুরে যেভাবে গুলি চলল, আর বেঘোরে প্রাণ গেল এক মহিলার, তা আমজনতার নিরাপত্তা নিয়েই গভীর প্রশ্ন তুলে দিল। 

     

LinkedIn
Share