Tag: parliament attack

parliament attack

  • 2001 Parliament Attack: সংসদ হামলার ২৩ তম বার্ষিকী, শহিদদের স্মরণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    2001 Parliament Attack: সংসদ হামলার ২৩ তম বার্ষিকী, শহিদদের স্মরণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০১ সালের সংসদ হামলায় (2001 Parliament Attack) প্রাণ হারানো সাহসী কর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Draupadi Murmu)। শুক্রবার তিনি ফের মনে করিয়ে দেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতের অটুট প্রতিশ্রুতির কথা। শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রমুখ।

    কী লিখলেন রাষ্ট্রপতি? (President Draupadi Murmu)

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, ‘‘আমি ২০০১ সালের এই দিনে (2001 Parliament Attack) আমাদের সংসদ রক্ষায় জীবন উৎসর্গ করা সাহসী যোদ্ধাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। তাঁদের সাহস এবং নিঃস্বার্থ সেবা আমাদের অনুপ্রাণিত করে চলেছে। জাতি তাঁদের এবং তাঁদের পরিবারগুলির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞ। এই দিনে, আমি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার ভারতের অবিচল সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করছি। আমাদের দেশ সন্ত্রাসের শক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ।’’

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, ‘‘২০০১ সালের সংসদ হামলায় (2001 Parliament Attack) শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলাম। তাঁদের ত্যাগ চিরকাল আমাদের জাতিকে অনুপ্রাণিত করবে। আমরা তাঁদের সাহস এবং উৎসর্গের জন্য চিরকাল কৃতজ্ঞ।’’ এদিন সংসদে শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং অন্য গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ।

    ২০০১ সালের ১৩ ডিসেম্বর সংসদে হামলা (2001 Parliament Attack) হয়। সেই ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ২৩তম বার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করা হয়। হামলাকারীরা পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা (LeT) এবং জইশ-ই-মহম্মদ (JeM)-এর সঙ্গে যুক্ত ছিল। তারা ভারতীয় সংসদকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালায়। যার জেরে বেশ কয়েকজন নিরাপত্তা কর্মী প্রাণ হারান। ওই জঙ্গি হামলায় নিহত হন দিল্লি পুলিশের পাঁচ কর্তা, দুজন সংসদ নিরাপত্তা কর্মী, একজন সিআরপিএফ কনস্টেবল এবং একজন সিপিডব্লিউডি মালি।

    আরও পড়ুন: বার বার নির্বাচন দেশে উন্নতির পথে বাধা, ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ বিলে সায় মোদি মন্ত্রিসভার

    সেদিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ও সংসদের ভুয়ো লেবেলযুক্ত একটি গাড়ি ব্যবহার করে সংসদে ঢুকে পড়েছিল জঙ্গিরা। পাঁচজন বন্দুকধারী নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে সংসদ ভবনের ভিতরে হামলা চালায়। এই হামলার জেরে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির দাবি, বন্দুকধারীরা পাকিস্তান (2001 Parliament Attack) থেকে নির্দেশ পেয়েছিল। পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (ISI) সংস্থার মাধ্যমে তাদের পরিচালিত করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: সংসদের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের, গ্রেফতার পঞ্চম অভিযুক্ত

    Parliament Security Breach: সংসদের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের, গ্রেফতার পঞ্চম অভিযুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সংসদ ভবনে (Parliament Security Breach) যে ঘটনা ঘটে, তার তদন্তের নির্দেশ দিল অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, ওই তদন্তের দায়িত্বে থাকবেন সিআরপিএফের ডিরেক্টর অনীশ দয়াল সিং। অন্যদিকে সংসদ হামলার ঘটনায় গত কালই চারজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এবার পঞ্চম জনকেও গ্রেফতার করতে সমর্থ হল দিল্লি পুলিশ। বুধবার রাতেই হরিয়ানার গুরুগ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে পঞ্চম অভিযুক্ত বিশাল শর্মাকে। বিশাল শর্মার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে সংসদে যারা স্মোক গ্রেনেড নিয়ে হামলা চালিয়েছে এবং বাইরে যারা স্লোগান দিয়েছে, তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছিল সে (Parliament Security Breach)। গোটা ঘটনায় ৬ জনের যুক্ত থাকার কথা জানতে পেরেছে দিল্লি পুলিশ। তবে এখনও পর্যন্ত ললিত ঝা নামের সেই ষষ্ঠ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইউএপিএ বা রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জারি করা বিবৃতি

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফ থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “লোকসভার সচিবালয়ের অনুরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সংসদের (Parliament Security Breach) নিরাপত্তায় গলদের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ জারি করেছে। একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। যার দায়িত্বে থাকবেন সিআরপিএফের ডিরেক্টর জেনারেল অনীশ দয়াল সিং। অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থা এবং বিশেষজ্ঞরা এই কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন।” বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, “এই কমিটি সংসদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার কারণগুলি খতিয়ে দেখবে। এ ছাড়া কোথায় খামতি রয়ে গিয়েছে সেই সব দিক খতিয়ে দেখে তাদের সুপারিশ জানাবে। এই সংক্রান্ত রিপোর্ট যত দ্রুত সম্ভব জমা দেবে কমিটি।”

    বুধবারের ঘটনা

    প্রসঙ্গত, বুধবার শীতকালীন অধিবেশন (Parliament Security Breach) চলাকালীন দুপুর একটা নাগাদ হঠাৎই লোকসভার গ্যালারি থেকে ভবনে ঝাঁপ দেয় ২ যুবক। তাদের হাতে ছিল স্মোক গ্রেনেড। জানা যায়, এক সাংসদের অতিথি কার্ড ব্যবহার করে তারা সেখানে ঢুকেছিল। অপরদিকে বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল এক মহিলা ও এক যুবক। পুলিশের দাবি তারা ঠিক করে যে দু জন সংসদের ভিতরে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে। আর দুজন থাকবে সংসদের বাইরে। চারজনের মধ্যে কেউই দিল্লির বাসিন্দা নয়। এই পুরো পরিকল্পনাটি তারা করে গুরুগ্রামে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: সংসদ হানায় ধৃত ৪, খোঁজ চলছে গ্যাং-এর আরও ২ জনের

    Parliament Security Breach: সংসদ হানায় ধৃত ৪, খোঁজ চলছে গ্যাং-এর আরও ২ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সংসদের (Parliament Security Breach) গ্যালারি থেকে স্লোগান দিতে দিতে কয়েকজন আগন্তুক ভবনে ঝাঁপ দেয়। সংসদে হানার এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। তবে উঠছে নানা প্রশ্ন। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত পুলিশের হাতে যে তথ্য এসেছে, তাতে জানা গিয়েছে, গ্যালারি থেকে ভবনে ঝাঁপ এবং রং বোমা দেখানোর নেপথ্যে রয়েছে মোট ছ’জন। অন্যদিকে যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, তারা কোনও সংগঠনেরই সদস্য নয়। ধৃতরা বুধবার দুপুরে সংসদে আচমকা গ্যালারি রুম থেকে ভবনে লাফ দেয়, দুই যুবককে বিভিন্ন দলের সাংসদরা ধরে ফেলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত দুজনের নাম সাগর শর্মা এবং মনোরঞ্জন ডি। সংসদে ঢোকার জন্য যে কোনও সাংসদের পাশ নিতে হয়। এক্ষেত্রে সাংসদ প্রতাপ সিমহার অতিথি হিসেবে তারা ঢোকে।

    ধৃত চারজন পূর্বপরিচিত

    আবার পুলিশি তথ্যে উঠে এসেছে ধৃত চারজন পরস্পরের পূর্ব পরিচিত। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই তাদের পরিচয় হয়। পুলিশের দাবি, তারা ঠিক করে যে দু’জন সংসদের (Parliament Security Breach) ভিতরে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে। আর দুজন থাকবে সংসদের বাইরে। চারজনের মধ্যে কেউই দিল্লির বাসিন্দা নয়। এই পুরো পরিকল্পনাটি তারা করে গুরুগ্রামে। সেখানে ললিত ঝা নামে একজনের বাড়িতে তারা আশ্রয় নেয়। সংসদে হানা দেওয়া সাগর নামে একজনের মা বর্তমানে লখনউতে ই-রিক্সা চালান। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমার কোনও ধারণাই নেই। আমি এ সব দেখে অবাক হয়ে গিয়েছি। ও বন্ধুদের সঙ্গে কোথায় একটা যাবে বলে বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছে। বলেছিল, দু’দিনের মধ্যে ফিরবে।’’ অন্যদিকে মনোরঞ্জনের বাড়ি কর্নাটকের মাইসুরুতে। বেঙ্গালুরু বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সে কম্পিউটারে বি টেক পাশ করেছে। সংসদের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা নিলমের বাড়ি হরিয়ানাতে। সেখানে হস্টেলে থাকে সে। অন্যদিকে আনমোল শিন্ডের বাড়ি মহারাষ্ট্রে।

    ১৩ ডিসেম্বর ছিল সংসদ হামলার ২২ বছর পূর্তি

    সংসদের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল নিলম ও আনমোল। তারা নতুন ভবনের সামনে স্লোগান দিচ্ছিল, ‘তানাসাহি নেহি চলেগা’। সংসদের বাইরে দাঁড়িয়ে স্লোগান দেওয়া ওই দুই আগন্তুকের পরিচয় সামনে এসেছে। তাদের নাম আনমোল এবং নিলম। এখনও পর্যন্ত যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তাতে জানা যাচ্ছে, তাদের হাতে যে রং বোমা ছিল, সেটি আসলে স্মোক গ্রেনেড। প্রসঙ্গত ১৩ ডিসেম্বর ২০০১ সালেই সংসদে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার ২২ বছর পূর্তি ছিল বুধবার (Parliament Security Breach)। তাই ওই একই দিনে সংসদে হানা দেওয়ার কোনও যোগ রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। আবার খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নেতা পান্নুন বেশ কয়েকদিন আগেই ১৩ ডিসেম্বর সংসদে (Parliament Security Breach) জঙ্গি হামলার হুমকি দিয়েছিল। সেটার সঙ্গেও এই ঘটনার কোনও যোগ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share