Tag: Parliament Election 2024

Parliament Election 2024

  • ECI: লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে সিআরপিএফের নিয়ন্ত্রণে, সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    ECI: লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে সিআরপিএফের নিয়ন্ত্রণে, সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে গোনা আর মাত্র ক’টা দিন। তারপরেই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের বাজনা বেজে যাবে। ইতিমধ্যেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI) বেশ কিছু নজরকাড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে উল্লেখযোগ্যভাবে নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার আগেই নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, প্রত্যেক বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যদিও ২০১৯ এবং ২০২১ সালে এই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হলেও তাকে সম্পূর্ণভাবে মনিটর করেছে বিএসএফ। কিন্তু এবার আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সব কিছুই মনিটর করবে সিআরপিএফ। শাসক থেকে বিরোধী, সকলেই বিএসএফের দিকে বিভিন্ন সময়ে আঙুল তুলেছে। আর সব কিছু পর্যালোচনা করেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর, জেলা নির্বাচনী আধিকারিক বা রিটার্নিং অফিসার থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনী যেখানে যেখানে মোতায়েন হবে, তার সব কিছুই মনিটার করবে একমাত্র সিআরপিএফ।

    যোগাযোগ রক্ষার কাজও করবে সিআরপিএফ (ECI)

    পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী সংক্রান্ত সব বিষয়ে কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার কাজ করবে সিআরপিএফ। নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার আগে থেকেই সব দিকের সব কাজ আগে থাকতেই শেষ করে রাখতে চাইছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধি এবং অতি সক্রিয়তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন করেছিল রাজ্যের শাসক দল। অন্যদিকে রাজ্যের শাসক তথা বিরোধী তর্জার মাঝেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI) জানিয়ে দিয়েছে, আসন্ন ২০২৪’ এর লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মোতায়েন করা থেকে শুরু করে সব কিছুই এবার মনিটর করবে সিআরপিএফ।

    আশায় বুক বাঁধছে মানুষ (ECI)

    এখন দেখার বিষয় একটাই, সম্প্রতি রাজ্যের শেষ হওয়া পঞ্চায়েত ভোটে মানুষের মধ্যে যে ছবি এখনও ঢুকে রয়েছে, সেই আতঙ্ককে দূর করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিজস্ব যে ভূমিকা তা যথাযথ ভাবে পালন করে আদপে সিআরপিএফ কতটা সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারে এবং আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (ECI) গরিমাকে ধরে রাখতে কতটা তৎপর হতে পারে। তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের যে ভূমিকা এখন থেকেই সাধারণ মানুষ দেখছে, তাতে আশায় বুক বাঁধছে মানুষ, হয়তো বা এবার রাজ্যে অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং রক্তপাতহীন লোকসভা নির্বাচন সম্পন্ন হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Amit Shah: চলতি মাসে ফের রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    Amit Shah: চলতি মাসে ফের রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের দামামা প্রায় বেজে গিয়েছে। আজ ২৫ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহর থেকে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই আবহে ফের রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব বাংলাকে যে পাখির চোখ করেছেন, তা বলাই যায়। জানা গিয়েছে, সব ঠিকঠাক চললে জানুয়ারি মাসের ২৮-২৯ তারিখে দু’দিনের সফরে কলকাতায় আসবেন তিনি। গেরুয়া শিবিরের অন্দরের খবর, মূলত দু’টি কর্মসূচি থাকবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরে।

    অমিত শাহের কর্মসূচি

    ২৮ জানুয়ারি কলকাতায় রাজ্য বিজেপি নেতাদের (Amit Shah) নিয়ে একটি সাংগঠনিক বৈঠক করবেন তিনি। সেই বৈঠকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী সহ অন্যান্যরা উপস্থিত থাকবেন বলেই জানা গিয়েছে। নভেম্বর মাসের পরে ফের বাংলায় পা পড়তে চলেছে শাহের। লোকসভা ভোটে বাংলা থেকে ভালো ফলের আশা করছে কেন্দ্রীয় বিজেপি। সন্ত্রাস ও দুর্নীতির ইস্যুতে এমনিতেই বেশ ব্যাকফুটে শাসক দল। তাই এই শাহী সফর বলে জানা গিয়েছে। পরদিন ২৯ জানুয়ারি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মেচেদাতে কর্মিসভায় অংশগ্রহণ করবেন শাহ। কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন। বিগত পঞ্চায়েত ভোটে নজরকাড়া সাফল্য পেয়েছে বিজেপি, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। মেচেদার কর্মসূচি সেরে ওই রাতেই বিশেষ বিমানে দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে অমিত শাহের। লোকসভা ভোটের আগে এই শাহী সফর বিজেপি কর্মীদের বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    ৩৫ আসনের লক্ষ্য

    ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে সিউড়ির জনসভা থেকেই রাজ্য বিজেপিকে ৩৫ আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেন শাহ (Amit Shah)। সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতারাও যে আদাজল খেয়ে নেমে পড়েছেন, তা বোঝাই যাচ্ছে। গ্রামে গ্রামে বর্তমানে বিজেপির পক্ষে বিপুল হাওয়া বইছে। এই আবহে লোকসভা ভোটে খুবই ভালো ফল গেরুয়া শিবিরের হবে বলে আশাবাদী রাজনৈতিক মহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: চারশোর বেশি আসনে জিতবেন মোদি, বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: চারশোর বেশি আসনে জিতবেন মোদি, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চারশোর বেশি আসন নিয়ে কেন্দ্রে ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপি। বৃহস্পতিবার পুরুলিয়ার জয়পুরে দলের কর্মিসভায় এমনই দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সঙ্গে দলীয় কর্মীদের তিনি আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশও দিলেন। বিরোধী দলনেতার এই বক্তব্যে সভায় আসা কর্মীরা চাঙা হয়ে ওঠেন।

    ইন্ডি জোটকে কটাক্ষ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    এদিন স্থানীয় আরবিবি স্কুল ময়দানের ওই কর্মিসভায় বক্তব্যের শুরু থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক  বন্দ্যোপাধ্যায়কে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আক্রমণ করেন। সঙ্গে ইন্ডি জোটকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘ছত্তিশগড়, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে ভোটের ফল দেখার পরে দিদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সাধ চলে গিয়েছে।’ শুভেন্দুর আরও সংযোজন, ‘রাজ্য সরকারের ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির ফোন নম্বর এখন মুখ্যমন্ত্রীকে বলো হয়েছে। বোতলটা নতুন, কিন্তু মদটা সেই পুরনো। ওই নম্বরে ফোন করা মানে ঢপ।

    পুলিশ-প্রশাসনকে তীব্র আক্রমণ করেন বিরোধী দলনেতা

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ১০ বছর ধরে পুরুলিয়ায় পুলিশের বেশ কিছু সাব-ইন্সপেক্টর রয়েছে, যারা টাকা তুলছে আর ভোট লুট করছে। তাদের তালিকা আমরা তৈরি করেছি। ভোটের আগে এদের রাজ্যের বাইরে গ্যারেজ করব। ওই তালিকার কয়েকটি নাম এদিন পড়েও শোনান তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, পুলিশ পাহাড় কেটে বিক্রি করে দিচ্ছে। প্রকৃতি লুট হচ্ছে প্রতিদিন। গরু পাচারে যুক্ত পুলিশ।

    ডিএ নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, যৌথমঞ্চের আন্দোলনকে হাইকোর্ট স্বীকৃতি দিয়েছে। যৌথমঞ্চ ডাকলে আমি যাব। অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে আমরা আগেও ছিলাম, এখনও থাকব। পরবর্তীকালেও আমি ওদের সঙ্গে থাকব। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বঞ্চিত প্রার্থীদের জন্য যে ভূমিকা গ্রহণ করেছেন, তাতে তিনি সমাজ সংস্কারক হিসেবে উদিত হবেন। তাঁকে প্রণাম জানাই। তাঁর লড়াই যেন স্বার্থক হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ECI: লক্ষ্য রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা, নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগেই রোজকার রিপোর্ট তলব নির্বাচন কমিশনের

    ECI: লক্ষ্য রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা, নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগেই রোজকার রিপোর্ট তলব নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। সিইও অফিস নয়, নিজেদের নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই তারা জোগাড় করে ফেলেছিল ভিডিওগ্রাফি সমেত সন্দেশখালির পুঙ্খানুপুঙ্খ সব তথ্য। এবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ইতিহাসে এই প্রথমবার তারা যে নির্দেশিকা জারি করল, তাতে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা কোন পর্যায়ে গিয়েছে, তার পরিষ্কার একটা ছবি ধরা পড়ছে।। কারণ নির্বাচন কমিশনের ইতিহাসে এই প্রথমবার নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার এত আগে থেকে মিডিয়া মনিটরিং শুরু করে দিল তারা। বৈদ্যুতিন মাধ্যম, খবরের কাগজ এবং ডিজিটাল মিডিয়ায় রাজ্যে প্রতিদিন কী খবর হচ্ছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তার সবিস্তার রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    রিপোর্ট পাঠানো শুরু

    কলকাতা উত্তর এবং দক্ষিণ সহ রাজ্যের মোট ২৪ টি জেলার রিপোর্ট পাঠানো শুরু হল বুধবার থেকেই। কেবলমাত্র তাই নয়, জাতীয় নির্বাচন কমিশন নির্দিষ্ট করে দিয়েছে মোট সাতটি পয়েন্ট। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ফেক নিউজ সহ অন্যান্য সবকিছুই। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব কখন, কোথায় কে কী বলছে, সেটাও বিস্তারিতভাবে পাঠাতে হবে নির্বাচন কমিশনে। নির্বাচন কমিশনের কাছে এর আগে এতদিন এইসব রিপোর্ট পাঠাতে হত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার পর থেকে। কিন্তু এই প্রথমবার এত আগে থেকেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI) রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এবং সম্পূর্ণ রিপোর্ট হাতে নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    ফেব্রুয়ারি মাসে কমিশনের ফুল বেঞ্চ

    নির্বাচনী বিধির লাগু হওয়ার পর এতদিন ধরে বা এত বছর ধরে যে রিপোর্ট পাঠাত রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর, বুধবার থেকে সেই রিপোর্ট পাঠাতে হবে প্রতিদিন। এই রিপোর্ট পাঠানোর ক্ষেত্রে থাকছে না কোন ছুটি। এমনকী জাতীয় ছুটির দিনেও এই রিপোর্ট পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ ইতিমধ্যেই অন্ধ্রপ্রদেশে রয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব মঙ্গলবারই দিল্লি গিয়েছেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করতে। কমিশন সূত্রে খবর, চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ অথবা ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহেই রাজ্যে আসতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ (ECI)। যদিও রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে ইতিমধ্যেই সব জেলা থেকে রিপোর্ট নেওয়া শুরু করেছে প্রতি সপ্তাহেই। কোন কোন এলাকায় উত্তেজনাপ্রবণ বুথ রয়েছে, পাশাপাশি তার জন্য এখন থেকেই জেলা নির্বাচনী আধিকারিকরা সেক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন, সেই সব কিছুই।

    জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের কড়া নির্দেশ

    অন্যদিকে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এবার বিশেষভাবে উদ্যোগ নিচ্ছে, জামিন অযোগ্য ধারায় যারা এখনও পর্যন্ত এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে, তাদের নিজেদের আওতায় রাখতে। নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার পর আর কোনও ভাবেই যেন তারা বাইরে থাকতে না পারে, সে বিষয়ে কমিশন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সহ প্রত্যেক জেলার জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের কড়া নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যে এখনও পর্যন্ত আশি হাজারের বেশি বুথ রয়েছে, যার মধ্যে ৪৭ শতাংশ শ্যাডো জোনের মধ্যে রয়েছে। যেখানে এখনও পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI) সূত্রে খবর, যে কোনও মূল্যে ১০০ শতাংশ বুথেই এবার ব্রেক কাস্টিং করা হতে পারে। সম্প্রতি রাজ্যে ঘটে যাওয়া পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে সমস্ত ঘটনা ঘটেছে, তারপর জাতীয় নির্বাচন কমিশন আর কোনও ভাবেই ন্যূনতম খামতি রাখতে চাইছে না। ফলে কমিশনের এইসব পদক্ষেপ এখন থেকেই বুঝিয়ে দিচ্ছে, আসন্ন লোকসভা নির্বাচন এই রাজ্যে এবার কোন রূপ নিতে চলেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share