Tag: Parliament Monsoon Session

Parliament Monsoon Session

  • PM Narendra Modi: ‘ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনীতি করবেন না’, নিট বিতর্কে কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Narendra Modi: ‘ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনীতি করবেন না’, নিট বিতর্কে কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্কের আবহে ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও ধরনের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। মঙ্গলবার সংসদ ভবনের লাইব্রেরি ভবনের জিএমসি বালাযোগী অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এনডিএ সংসদীয় দলের ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকে (NDA Parliamentary Party Meet) তিনি বলেন, ‘‘দেশের ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করতে কেন্দ্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’’ প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, ছাত্রদের ভবিষ্যৎ কোনওভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেওয়া যাবে না। নিট ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলিকে অযথা রাজনীতি না করারও আহ্বান জানান তিনি।

    ছাত্রদের স্বার্থ রক্ষার বার্তা

    বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, প্রধানমন্ত্রী নিট বিতর্কের কারণে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। রিজিজু বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, কোনও পরিস্থিতিতেই ছাত্রদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি নিট ইস্যুকে রাজনৈতিক হাতিয়ার না বানানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি সরকারের অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করেছেন। সরকারের লক্ষ্য পরীক্ষা ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা এবং ছাত্রদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা।’’

    কেন ডাকা হয়েছিল ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠক?

    এদিনের ‘মঙ্গল মিলন’ (Mangal Milan) বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানানো। সম্প্রতি তিনি ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনকারী নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। পাশাপাশি সদ্য নির্বাচিত রাজ্যসভার সদস্যদেরও স্বাগত জানানো হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং, কিরেন রিজিজু ও অর্জুন রাম মেঘওয়াল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, জি. কিষাণ রেড্ডি এবং বিজেপির জাতীয় সভাপতি রাহুল সিনহা। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আগে এনডিএ-র সহযোগী দলগুলি মোদির এই ঐতিহাসিক মাইলফলককে স্বীকৃতি জানিয়ে একটি অভিনন্দন প্রস্তাবও গ্রহণ করে।

    প্রথম বৈঠক নিয়ে উচ্ছ্বসিত অশোক মিত্তল

    প্রথমবার এনডিএ–বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে যোগ দিয়ে বিজেপি সাংসদ অশোক মিত্তল বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও দলের নেতৃত্বের বক্তব্য শোনার সুযোগ পাওয়াকে তিনি বড় সম্মান বলে মনে করছেন। তিনি জানান, দেশের উন্নয়নে কীভাবে আরও কার্যকরভাবে কাজ করা যায় এবং একজন সাংসদ হিসেবে নিজের দায়িত্ব কীভাবে পালন করতে হবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছেন।

    এনডিএ বৈঠকে অনুপস্থিত এনসিপিআই

    অন্যদিকে, সদ্য গঠিত ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া (NCPI)-র ২০ জন সাংসদ এদিনের বৈঠকে যোগ দেননি। প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদদের নিয়ে গঠিত এই দলটি বর্তমানে এনডিএ-কে সমর্থন করছে। তবে লোকসভার স্পিকার এখনও পর্যন্ত এনসিপিআই-এর একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়াকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না দেওয়ায় তারা যৌথ বৈঠক থেকে দূরে থাকে। এর আগে রবিবার বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এনসিপিআই তাদের প্রথম পৃথক সংসদীয় দলের বৈঠক করে। বৈঠক শেষে তিনি জানান, সংসদে দলের বসার ব্যবস্থা, ডিভিশন নম্বর এবং পৃথক আইনসভার ব্লক অনুমোদিত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, সংসদে এনডিএ সরকারকে সমর্থন করলেও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন কেন্দ্রের সমস্যা নিয়ে তাঁরা রাজ্য সরকারের কাছেই বিষয়গুলি তুলবেন।

    ১৩ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে বর্ষাকালীন অধিবেশন

    উল্লেখ্য, সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন সোমবার শুরু হয়েছে এবং আগামী ১৩ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে। এই অধিবেশনে নিট বিতর্ক-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুতে সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে তীব্র আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Parliament Monsoon Session: সংসদের বাদল অধিবেশনে আসছে ৫টি নতুন বিল, কর ও বিচার ব্যবস্থায় বড় সংস্কারের উদ্যোগ

    Parliament Monsoon Session: সংসদের বাদল অধিবেশনে আসছে ৫টি নতুন বিল, কর ও বিচার ব্যবস্থায় বড় সংস্কারের উদ্যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদ অধিবেশন নিয়ে টানটান উত্তেজনা। আসন্ন বাদল অধিবেশনে (Parliament Monsoon Session) গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস নিয়ে চরম তৎপরতা শুরু শাসক শিবিরে। অন্যদিকে, বিল নিয়ে অবস্থানের ইস্যুতে আরও ভাঙ্গনের মুখে ইন্ডিয়া জোট (INDIA Alliance)। আগামী ২০ জুলাই থেকে শুরু সংসদের বাদল অধিবেশন। লোকসভার সচিবালয়ের জারি করা বুলেটিনে জানানো হয়েছে, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিল পেশ, আলোচনা ও পাশ করানোর প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। শিক্ষা, কর ব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, এমএসএমই (MSME) খাত, জাতীয় প্রশাসন ও বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে মোট সাতটি বিল সংসদে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি বিল বিবেচনা ও পাসের জন্য, এবং পাঁচটি নতুন বিল উত্থাপনের জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, এটি প্রাথমিক আইন প্রণয়ন সূচি। অধিবেশন চলাকালীন প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বিল আনা হতে পারে।

    বাদল অধিবেশনে সংসদে কোন সাতটি বিল

    বিদেশি অনুদান (নিয়ন্ত্রণ) সংশোধনী বিল ২০২৬ (FCRA): মূলত বেসরকারি এনজিও-গুলির সম্পদ এবং তাদের সাহায্যের নামে আসা বিদেশি অনুদানের উপরে নজরদারি আরও কড়া করতেই এই বিলের উদ্দেশ্য৷ গত মার্চ মাসেও বিলটি লোকসভায় পেশ করা হয়৷ প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, কোনও সংস্থার এফসিআরএ নিবন্ধন বাতিল, স্বেচ্ছায় সমর্পণ বা নবীকরণ না হলে, তাদের বিদেশি অনুদান ও সংশ্লিষ্ট সম্পদ সরকার-নির্ধারিত একটি ‘অথরিটির অধীনে ন্যস্ত হবে।

    বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিষ্ঠান বিল ২০২৫: এই বিলটি আগেই যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছিল৷ তাদের রিপোর্ট জমা পড়লেই এই বিলটি সংসদে পেশ হতে পারে৷  এই বিলের মাধ্যমে দেশের উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ইউজিসি, এআইসিটিই এবং এনসিটিু-এর পরিবর্তে একটি একক নিয়ন্ত্রক কাঠামো গঠন করা হবে। জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP) ২০২০-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই সংস্কারের লক্ষ্য হলো নিয়মকানুন সহজ করা, অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শাসনব্যবস্থা আরও কার্যকর করা। যৌথ সংসদীয় কমিটির (JPC) রিপোর্ট জমা পড়ার পর বিলটি আলোচনায় আসতে পারে।

    সংসদে আসছে ৫টি নতুন বিল

    • ১. ইনকাম ট্যাক্স (সংশোধনী) বিল ২০২৬

    এই বিলের লক্ষ্য ভারতের সার্বভৌম ঋণ বাজারকে আরও শক্তিশালী করা, বাজারে তারল্য বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে অর্থনীতিকে আরও স্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যও রয়েছে।

    • ২. সুপ্রিম কোর্ট (বিচারপতিদের সংখ্যা সংক্রান্ত) সংশোধনী বিল ২০২৬

    সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতির সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব আনা হবে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির সংখ্যা ৩৩ থেকে ৩৭-এ নিয়ে যাওয়ার জন্য এই বিল আনা হচ্ছে ৷ এর মাধ্যমে বিচারাধীন মামলার চাপ কমানো এবং সর্বোচ্চ আদালতের বিচারিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করাই সরকারের লক্ষ্য।

    • ৩. জন্ম মৃত্যু নিবন্ধীকরণ (সংশোধনী) বিল ২০২৬

    জন্ম মৃত্যু নিবন্ধীকরণের প্রক্রিয়ায় জোর দিতে আরও কড়া আইন আনতে চায় কেন্দ্র৷ যাতে জন্ম মৃত্যু নিবন্ধীকরণ প্রক্রিয়ায় দেরি না হয় এবং হলেও কড়া জরিমানা গুনতে হয়৷ এই লক্ষ্যেই জন্ম মৃত্যু নিবন্ধীকরণ (সংশোধনী) বিল ২০২৬ পেশ করা হবে৷ জন্ম ও মৃত্যুর নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আরও নির্ভুল ও কার্যকর করতে এই সংশোধনী বিল আনা হচ্ছে।

    • ৪. জাতীয় সম্মানের অবমাননা (সংশোধনী) বিল ২০২৬

    ১৯৭১ সালের আইন সংশোধন করে সংবিধান, জাতীয় পতাকা, জাতীয় প্রতীক বা জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননার ক্ষেত্রে আরও কঠোর শাস্তির বিধান আনতে চায় কেন্দ্র। পাশাপাশি আইন প্রয়োগের ব্যবস্থাও আধুনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    • ৫. এমএসএমই ডেভেলপমেন্ট (সংশোধনী) বিল, ২০২৬

    ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি ব্যবসাকে আরও উৎসাহ দিতে রাজ্য সরকারগুলির হাতে আরও ক্ষমতা দেওয়ার লক্ষ্য পেশ করা হবে এই বিল৷ ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (MSME)-গুলিকে সময়মতো অর্থপ্রদান নিশ্চিত করতে নতুন ব্যবস্থা আনা হবে। পাশাপাশি রাজ্য সরকারগুলিকে এমএসএমই কাউন্সিল গঠনে আরও নমনীয়তা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে, যাতে ব্যবসায়িক বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায়।

    আর্থিক বিষয়েও আলোচনা

    আইন প্রণয়নের পাশাপাশি সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের অতিরিক্ত ব্যয়ের (Demands for Excess Grants) অনুমোদন সংক্রান্ত আর্থিক বিষয়ও উত্থাপিত হবে।

    শৃঙ্খলাতেও থাকবে কড়া নজর

    অধিবেশন শুরুর আগেই সাংসদদের জন্য কড়া আচরণবিধিও জারি করেছে লোকসভার সচিবালয়। প্ল্যাকার্ড, বিক্ষোভ, সংসদ চত্বরে ধরনা, আগ্নেয়াস্ত্র বহন, ধর্মীয় আচার পালন, এমনকি এআই-নির্মিত ছবি বা অবমাননাকর পোস্টার ও স্লোগান ব্যবহার থেকেও সদস্যদের বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংসদের গেটের সামনে কোনও ধরনের প্রতিবাদ কর্মসূচিও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সরকারের বার্তা স্পষ্ট— অধিবেশনে আইন পাশের পাশাপাশি শৃঙ্খলাতেও থাকবে কড়া নজর।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক

    আজ, ১৭ জুলাই এনডিএ-র গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। সূত্রের খবর, নিট (NEET), ইথানল, রাম মন্দির-সহ একাধিক ইস্যুতে বিরোধী আক্রমণের মুখে এনডিএ শরিক দলের সাংসদের প্রতিরোধের এক সুর নিশ্চিত করতেই বৈঠক। একই সঙ্গে আলোচনা হবে একাধিক বিলের স্ট্র্যাটেজি নিয়েও। সংসদে অস্তিত্বের সংকটে রয়েছে মমতার তৃণমূল কংগ্রেস। ইন্ডিয়া জোট ছেড়েছে ডিএমকে, আম আদমি পার্টি। এবার বর্ষীয়ান শরদ পাওয়ার হাত ছাড়লে বিরোধী বৃত্তে আরও একা হবে কংগ্রেস।

  • PM Modi: ‘‘পরমাণু অস্ত্র নিয়ে ব্ল্যাকমেল চলবে না!’’ সংসদে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানকে ফের হুঁশিয়ারি মোদির

    PM Modi: ‘‘পরমাণু অস্ত্র নিয়ে ব্ল্যাকমেল চলবে না!’’ সংসদে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানকে ফের হুঁশিয়ারি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরমাণু অস্ত্র নিয়ে ভারত যে কোনওরকম ‘ব্ল্যাকমেল’ সহ্য করবে না, সংসদে (Parliament Monsoon Session) দাঁড়িয়ে তা ফের স্পষ্টভাষায় জানিয়ে দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মঙ্গলবার বিকেলে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আলোচনায় যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর সেখানে পাকিস্তান, জঙ্গি, বিরোধীদের কাঠগড়ায় তোলার পাশাপাশি তিনি সংঘর্ষবিরতির নেপথ্যে ট্রাম্পের কৃতিত্ব নেওয়ার দাবিকেও নস্যাৎ করেলেন। এদিন বিরোধী কংগ্রেসকেও এক হাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী। বললেন, ‘‘অপারেশন সিঁদুরের সময় গোটা বিশ্ব ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে, কিন্তু দেশের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস এই সময়েও রাজনৈতিক স্বার্থে জাতীয় ঐক্যের পাশে দাঁড়ায়নি।”

    পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি

    পাকিস্তান পরমাণু শক্তিধর দেশ হতে পারে। কিন্তু সেই পরমাণু অস্ত্রের জুজু দেখিয়ে সন্ত্রাসবাদে মদত দিয়ে পাকিস্তান যদি মনে করে যে ভারত চুপ করে বসে থাকবে অথবা সেই অস্ত্রভান্ডারের কারণে ভারত মেপে পা ফেলবে, তাহলে খুব বড় ভুল করছে ইসলামাবাদ। একথা মঙ্গলবার সংসদে ফের স্পষ্ট করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। ‘‘পহেলগাঁও হামলার পর থেকে পাকিস্তানি সেনা বুঝেছিল, বড় কোনও পদক্ষেপ করা হবে। পরমাণু হুমকি এসেছিল। ৬ মে রাত এবং ৭ মে সকালে ভারত যা স্থির করেছিল, তা করে। পাকিস্তান কিছু করতে পারেনি। ২২ মে ২২ এপ্রিলের বদলা নেওয়া হয়েছে। আগে যেখানে যাইনি, সেখানেও গেছি। পাকিস্তানের কোণে কোণে জঙ্গিদের আড্ডা ধ্বংস করা হয়েছে। কেউ ভাবতেও পারবে না, কোথায় গেছি। বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে। আমরা প্রমাণ করেছি যে, পরমাণু অস্ত্র নিয়ে ব্ল্যাকমেল করা চলবে না। তার সামনে ভারত মাথানত করবে না। পাকিস্তানের বায়ুসেনাঘাঁটিতে বড় ক্ষতি হয়েছে। এখনও কয়েকটি এয়ারবেস আইসিইউতে রয়েছে। অপারেশন সিঁদুর সফল হয়েছে।’’

    মেড-ইন-ইন্ডিয়া অস্ত্রেই ঘায়েল

    অপারেশন সিঁদুরে তিনি আত্মনির্ভর ভারতের জয় দেখছেন বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘‘জঙ্গি হামলার পরে জঙ্গিদের প্রভুরা রাতে ঘুমোতে পারেনি। ওরা জানত ভারত আসবে এবং মেরে চলে যাবে। এটাই ভারতের নিউ নরম্যাল। মেড ইন ইন্ডিয়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন পাকিস্তানকে চূর্ণ করে দিয়েছে। সিঁদুর থেকে সিন্ধু অবধি জবাব দিয়েছি।”

    বিরোধীদের বার্তা

    এদিন লোকসভায় (Parliament Monsoon Session) দাঁড়িয়ে বিরোধীদের সরাসরি আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘সদনে ভারতের পক্ষে কথা বলার জন্য দাঁড়িয়েছি। যারা ভারতের পক্ষ দেখতে পায় না তাদের সামনে আয়না ধরতে এসেছি। অপারেশন সিঁদুরের সময় আমরা বিশ্বের সমর্থন পেয়েছি। কিন্তু দুঃখজনক ভাবে কংগ্রেসের থেকে পাইনি। ভারতের সামর্থ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। নিরীহদের রক্তে রাজনীতি করেছে বিরোধীরা। সেনার তথ্য নয়, ওরা পাকিস্তানের কথা প্রচার করে। বিদেশনীতি নিয়েও অনেক কথা হয়েছে। দুনিয়ার সমর্থন নিয়েও কথা হল। একটা কথা স্পষ্ট বলছি, দুনিয়ার কোনও দেশ ভারতকে নিজের নিরাপত্তার বিষয়ে পদক্ষেপ করতে বাধা দেয়নি। ১৯৩টি দেশের মধ্যে মাত্র তিনটি দেশ পাকিস্তানের সমর্থনে বয়ান দেয়। সব দেশ ভারতকে সমর্থন দিয়েছে।’’

    ট্রাম্প হস্তক্ষেপ করেননি

    ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষ বিরতি প্রসঙ্গে এদিন ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের প্রসঙ্গও উড়িয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, ‘‘৯ মে রাতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট আমার সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন। উনি এক ঘণ্টা চেষ্টা করেন। কিন্তু আমি সেনার সঙ্গে বৈঠকে ছিলাম। তাই কলটা নিতে পারিনি। পরে আমি ফোন করেছিলাম। ফোনে আমাকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট আমাকে বলে পাকিস্তান বড় হামলা করতে চলেছে। আমার জবাব ছিল, যদি পাকিস্তানের এমনই উদ্দেশ্য থেকে থাকে, তাহলে এর মূল্য চোকাতে হবে। যদি পাকিস্তান হামলা করে আমরাও বড় প্রত্যুত্তর দেব। এটাই ছিল আমার জবাব।’’

     

     

     

  • Amit Shah: ‘‘আরও ২০ বছর বিরোধী বেঞ্চেই বসতে হবে’’, নাম না করে সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা শাহের

    Amit Shah: ‘‘আরও ২০ বছর বিরোধী বেঞ্চেই বসতে হবে’’, নাম না করে সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের মন্ত্রীর কথা বিশ্বাস করে না বিরোধীরা। অন্য দেশের বক্তব্যকে মান্যতা দেয়। বিরোধী দলে বিদেশিদের গুরুত্ব আছে। তাই তারা দেশের সংসদে বিরোধী বেঞ্চে বসে রয়েছেন। ভবিষ্যতেও তাই থাকতে হবে। সরাসরি নাম না করে সংসদেই কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সংসদের অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আলোচনার সময় বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ করলেন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের আগে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সংসদে জানিয়েছিলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘর্ষবিরতিতে আমেরিকার কোনও ভূমিকা নেই। তাঁর এই বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিরোধীরা। বিদেশমন্ত্রী বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তোলায় এদিন বিরোধীদের তোপ দাগেন অমিত শাহ (Amit Shah)।

    কী বললেন শাহ

    সংসদে বিরোধীদের তোপ দেগে শাহ (Amit Shah) বলেন,“ভারতের বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্যে বিশ্বাস নেই বিরোধীদের। অথচ অন্য দেশের বক্তব্যে তাদের আস্থা আছে। এই নিয়ে আমার আপত্তি রয়েছে। তাদের দলে বিদেশিদের গুরুত্ব আমি বুঝি। তার মানে এই নয়, দলের বিষয় এখানেও চাপাবে। এই কারণে তারা বিরোধী বেঞ্চে বসে রয়েছে। এবং আগামী ২০ বছর বিরোধী বেঞ্চেই বসে থাকবে।” বারবার ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতিতে নিজের অবদান জাহির করে কৃতিত্বের দাবি করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যা নিয়ে তীব্র আপত্তি জানায় বিরোধীরা। সেই মর্মেই লোকসভায় ‘অপারেশন সিঁদুর’ ডিবেটে ভাষণ রাখতে গিয়ে এস জয়শঙ্কর হট্টগোলের মুখোমুখি হন।

    জয়শঙ্করের দাবি

    পহেলগাঁও হামলার দিন অর্থাৎ ২২ এপ্রিল থেকে ১৭ জুনের মধ্যে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কোনও কথা হয়নি বলে সংসদে জানান বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি জানিয়েছেন, গত ৯ জুন জেডি ভান্স প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করেছিলেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিলেন, পাকিস্তানের তরফে হামলা হবে। প্রধানমন্ত্রীও তখন বলেছিলেন, পাকিস্তান হামলা করলে তার যোগ‍্য জবাব দেবে ভারত। আর ভারত সেটা দিয়েছে বলেই উল্লেখ করেন এস জয়শঙ্কর। জয়শঙ্কর আরও বলেন, “আমরা ১০ তারিখে ফোন পাই যে পাকিস্তান আলোচনা করতে প্রস্তুত। আমরা জানাই, পাকিস্তান চাইলে তারা সরাসরি কথা বলুক। এটুকুই হয়েছিল।” বিদেশমন্ত্রীর এই বক্তব্যেরই প্রতিবাদ জানিয়ে সংসদে হট্টগোল শুরু করে বিরোধীরা। তখনই বিরোধী সাংসদদের আচরণে বিরক্ত হয়ে বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করেন অমিত শাহ।

  • Parliament Monsoon Session: আজ, সোমবার শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন, মঙ্গলে বাজেট পেশ

    Parliament Monsoon Session: আজ, সোমবার শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন, মঙ্গলে বাজেট পেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, সোমবার সংসদে শুরু হচ্ছে বাদল অধিবেশন। এদিনই অর্থনৈতিক সমীক্ষার ওপরে একটি রিপোর্ট পেশ করা হবে বলে জানিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার সংসদে (Parliament Monsoon Session) বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এর পাশাপাশি, চলতি অধিবেশনে ছ’টি দিল সংসদে পেশ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এই বিলগুলি হল— অর্থনৈতিক বিল, বিপর্যয় মোকাবিলা (সংশোধনী) বিল, বয়লার্স বিল, ভারতীয় বায়ুযান বিধেয়ক বিল, কফি (প্রচার এবং উন্নয়ন) বিল এবং রবার (প্রচার এবং উন্নয়ন) বিল।

    রবিবার অনুষ্ঠিত হয় সর্বদলীয় বৈঠক (Parliament Monsoon Session)  

    রবিবার সংসদের বাদল অধিবেশনের (Parliament Monsoon Session) আগে সর্বদলীয় বৈঠক সম্পন্ন হয় সেখানে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বিরোধীদের সংসদে বাদল অধিবেশন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার আবেদন জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, অষ্টাদশ লোকসভা গঠনের পরে সংসদের প্রথম অধিবেশনে (Central Government) বিরোধীদের বিশৃঙ্খলা, চিৎকার, স্লোগানে বারবার বাধার মুখে পড়তে হয় অধিবেশনকে। সংসদের এই বাদল অধিবেশন চলবে, আগামী ১২ অগাস্ট পর্যন্ত।

    ১৪ জনের কমিটি গঠন লোকসভার স্পিকারের

    জানা গিয়েছে, মঙ্গলবারই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Central Government) নির্মলা সীতারামান বাজেট পেশ করবেন। প্রসঙ্গত, এনিয়ে সপ্তমবার বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। অর্থমন্ত্রী হিসেবে সাতবার বাজেট পেশ করলে রেকর্ড গড়বেন তিনি। এর আগে মোরারজি দেশাই ৬ বার বাজেট পেশ করেছেন। সেই রেকর্ড আগেই ছুঁয়ে ফেলেছেন নির্মলা। এরই মধ্যে লোকসভার (Parliament Monsoon Session) স্পিকার ওম বিড়লা সংসদের বিজনেস অ্যাডভাইসারি কমিটি তৈরি করেছেন, যা সংসদের বিভিন্ন অ্যাজেন্ডা ঠিক করবে। এই কমিটিতে ১৪ জন সাংসদ রয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের। বিজেপি থেকে কমিটিতে রয়েছেন নিশিকান্ত দুবে, অনুরাগ সিং ঠাকুর, ভর্তৃহরি মাহতাব, পিপি চৌধুরী, বৈজয়ন্ত পান্ডা এবং ডাঃ সঞ্জয় জয়সওয়াল। কংগ্রেস থেকে কে. সুরেশ এবং গৌরব গগৈ রয়েছেন কমিটিতে। তৃণমূলের প্রতিনিধি রয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। দয়ানিধি মারান রয়েছেন ডিএমকে থেকে এবং অরবিন্দ সাওয়ান্ত রয়েছেন শিবসেনা (ইউবিটি) থেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi Services Bill: লোকসভায় পাশ দিল্লি পরিষেবা বিল, ওয়াক আউট বিরোধীদের

    Delhi Services Bill: লোকসভায় পাশ দিল্লি পরিষেবা বিল, ওয়াক আউট বিরোধীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধীদের ‘আপত্তি’র মধ্যেই বৃহস্পতিবার লোকসভায় পাশ হল দিল্লি রাজধানী এলাকা সরকার (সংশোধনী) বিল, ২০২৩। সারা দিন ধরে এই বিলের উপর বিতর্কের পর, লোকসভায় ধ্বণিভোটে পাস হয় দিল্লির আমলাতন্ত্র নিয়ে এই বিল (Delhi Services Bill)। সংসদের নিম্নকক্ষে বিলটি পাশ হওয়ার পরই ওয়াক আউট করেন বিরোধী সাংসদরা। এই বিল আইনে পরিণত হলে, দিল্লিতে আমলা নিয়োগ এবং বদলির ক্ষমতা হারাবে দিল্লির নির্বাচিত সরকার। এই ক্ষমতা ন্যাস্ত হবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।

    বিল নিয়ে বিরোধ

    দিল্লির (Delhi Services Bill) আমলাদের নিয়োগ এবং বদলির রাশ কার হাতে থাকবে—এই নিয়ে জল গড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। গত ১১ মে শীর্ষ আদালতের পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ সর্বসম্মত ভাবে জানিয়েছিল, আমলাদের রদবদল থেকে যাবতীয় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে দিল্লির নির্বাচিত সরকারের। তবে পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা এবং ভূমি দফতর সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কেন্দ্রের হাতেই থাকবে বলে জানানো হয়। গত ১৯ মে আদালতের সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে অধ্যাদেশ জারি করে মোদি সরকার। অধ্যাদেশে বলা হয়, জাতীয় রাজধানী সিভিল সার্ভিসেস কর্তৃপক্ষ গঠন করা হবে। আমলাদের নিয়োগ এবং বদলির ব্যাপারে তাঁরাই সিদ্ধান্ত নেবেন।

    আরও পড়ুন: ‘লোকসভায় ৩৬ আসন জেতার শপথ নিন’, বিজেপি কর্মীদের বললেন শুভেন্দু

    বিলের স্বপক্ষে যুক্তি

    দিল্লি সার্ভিসেস বিল (Delhi Services Bill) নিয়ে আলোচনার মধ্যেই এদিন লোকসভায় সাসপেন্ড করা হয় আম আদমি পার্টির একমাত্র লোকসভা সাংসদ সুশীলকুমার রিঙ্কুকে। তাঁর বিরুদ্ধে অধ্যক্ষের চেয়ারের দিকে কাগজ ছোড়ার অভিযোগ রয়েছে। পুরো বাদল অধিবেশনের জন্যই সাসপেন্ড করা হয়েছে আপ সাংসদকে। এদিন এই বিলের বিষয়ে আলোচনার সময় অমিত শাহ (Amit Shah) জানান, সুপ্রিম কোর্টের আদেশেই বলা হয়েছে, জাতীয় রাজধানী অঞ্চল দিল্লির বিষয়ে যে কোনও বিষয়ে আইন তৈরি করার অধিকার রয়েছে সংসদের। এছাড়া, সংবিধানও কেন্দ্রকে দিল্লির জন্য আইন তৈরির অনুমতি দিয়েছে। এদিন লোকসভায় এই বিল পাশ হওয়ার পর বিলটি রাজ্যসভার বিবেচনার জন্য পাঠানো হবে। রাজ্যসভায় বিরোধী সাংসদদের সংখ্যা বেশি থাকলেও, এই বিলটি সম্ভবত সহজেই পাশ হয়ে যাবে। বিরোধীদের জোট ‘ইন্ডিয়া’ এই বিলের বিরোধিতা করলেও, নবীন পট্টনায়কের বিজু জনতা দল এবং জগনমোহন রেড্ডির ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টি বিলটিকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi Ordinance Bill: বিজেপির পাশে বিজেডি! হতাশ বিরোধীরা, বিনা বাধাতেই পাশ হবে দিল্লি অধ্যাদেশ বিল?

    Delhi Ordinance Bill: বিজেপির পাশে বিজেডি! হতাশ বিরোধীরা, বিনা বাধাতেই পাশ হবে দিল্লি অধ্যাদেশ বিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্ধ্র প্রদেশের শাসক দল ওয়াইএসআর কংগ্রেসের (YSRCP) পর ওড়িশার (Odisha) শাসক দল বিজু জনতা দলও (BJD) দিল্লি অধ্যাদেশ বিল (Delhi Ordinance Bill) নিয়ে কেন্দ্রকেই সমর্থন করতে চলেছে। এছাড়া বিরোধী দলের অনাস্থা প্রস্তাবের বিরোধিতা করবে বলেও জানিয়েছে নবীন পট্টনায়েকের (Naveen Patnaik) দল। এটা আম আদমি পার্টি, কংগ্রেস এবং বিরোধী জোটের জন্য একটা ধাক্কা বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

    বিজেডির সমর্থন 

    রাজ্যসভায় বিজেডির নেতা সস্মিত পাত্র বলেছেন, তার দল দিল্লি জাতীয় রাজধানী অঞ্চল সরকার (সংশোধনী) বিল, ২০২৩ বিলটিকে সমর্থন করবে। তিনি এও জানিয়েছেন যে, তাঁরা অনাস্থা প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেবে। বিজু জনতা দল (BJD) লোকসভা এবং রাজ্যসভা উভয়েই তাদের সাংসদের জন্য তিন লাইনের হুইপ জারি করেছে। রাজ্যসভায় বিজেডির নয় জন সাংসদ রয়েছে। উচ্চকক্ষে ওয়াইএসআর কংগ্রেসেরও নয় জন সাংসদ রয়েছে। উভয় দলের মোট ১৮ জন সাংসদের সমর্থনে বিলটি হাউসে পাস হওয়া প্রায় নিশ্চিত। এমন পরিস্থিতিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ না হলেও রাজ্যসভায় বিজেপি সহজেই সাফল্য পাবে।

    বিনা বাধায় বিল পাশ!  

    মঙ্গলবারই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই লোকসভায় দিল্লি অধ্যাদেশ বিল পেশ করেন। এই বিল নিয়ে আলোচনা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ। আজ, বুধবার সেই বিল নিয়ে আলোচনা ও পাশ করানো হবে। প্রথম থেকেই এই বিলের বিরোধিতা করে এসেছে দিল্লির শাসক দল আম আদমি পার্টি। তাদের অভিযোগ, এই বিল পাশ করিয়ে কেন্দ্র রাজ্য সরকারের ক্ষমতা নিজের হাতে রাখার চেষ্টা করছে। বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’-ও আম আদমি পার্টির পাশে দাঁড়িয়েছে। আজ বিরোধীরা একজোট হয়ে দিল্লি অধ্যাদেশ বিলের বিরুদ্ধে ভোট দেবেন।

    আরও পড়ুন: ২ হাজার টাকার নোটের ৮৮ শতাংশই ব্যাঙ্কে ফেরত এসেছে, জানাল আরবিআই

    কোন অঙ্কে বিল পাশ

    প্রসঙ্গত, রাজ্যসভায় মোট আসন সংখ্যা ২৪৫। তবে ৭টি আসন ফাঁকা থাকায়, ২৩৮টি আসন সংখ্যার হিসাব করা হয়। কোনও বিল পাশ করার জন্য কমপক্ষে ১২০টি ভোটের প্রয়োজন কেন্দ্রের। লোকসভায় পর্যাপ্ত সংখ্যা থাকলেও, রাজ্যসভায় বিজেপি শাসিত এনডিএ জোটের পর্যাপ্ত আসন সংখ্যা নেই। সেই কারণেই অন্যান্য দলের সমর্থনের প্রয়োজন। বিজেডি ও ওয়াইএসআর কংগ্রেসের সমর্থন পেয়ে এক্ষেত্রে আর বিল পাশ করতে কোনও সমস্যা রইল না। অন্যদিকে, লোকসভায় বিজেপির নিজস্ব ৩০৫ সদস্য রয়েছে, তাই বিল বা অনাস্থা প্রস্তাবে বিরোধীরা সরকারের জন্য কোনও সমস্যা তৈরি করতে পারবে না।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • All Party Meeting: বিরোধী-ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন! আজ সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক কেন্দ্রের 

    All Party Meeting: বিরোধী-ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন! আজ সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক কেন্দ্রের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের বাদল অধিবেশন (Parliament Monsoon Session) শুরু হওয়ার আগে প্রথামাফিক সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র। আগামিকাল, ২০ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন (Monsoon Session)। তার আগেই আজ বুধবার দিল্লিতে হওয়া এই সর্বদলীয় বৈঠকে (All Party Meeting) উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্যেরা। সংসদের বাদল অধিবেশন নিয়েই আলোচনা করা হবে। সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বকেই আমন্ত্রণ করা হয়েছে।

    থাকবে না তৃণমূল কংগ্রেস

    সূত্রের খবর, আজকের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন না তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা। ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের অনুষ্ঠানে ব্যস্ত থাকার কারণেই তৃণমূলের কোনও সাংসদ উপস্থিত থাকবেন না। বেঙ্গালুরুর বিরোধী জোটের বৈঠকের পর আজকের সর্বদলীয় বৈঠকে (All Party Meeting)  বিরোধীদের মধ্যে কতটা মিলমিশ থাকে, তাই-ই নজরে থাকবে। আজকের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানা গিয়েছে, সর্বদলীয় বৈঠকের পাশাপাশি এনডিএ অন্তর্ভুক্ত সংসদীয় দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবে বিজেপি। সংসদের বাদল অধিবেশনে কেন্দ্র কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে।

    আরও পড়ুন: অনুমতি নেই পুলিশের! বুধবার কলকাতার পথে মিছিলে অনড় বিজেপি

    কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা

    সরকারের একটি সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বুধবারের বৈঠকে (All Party Meeting)  সংসদে প্রতিনিধি থাকা সব ক’টি দলের সঙ্গে আসন্ন অধিবেশনের সম্ভাব্য আলোচ্যসূচি নিয়ে আলোচনা হবে। সূত্রের খবর, এবারের অধিবেশনে ২১টি বিল পেশ করতে চলছে সরকার পক্ষ। নতুন বিলগুলির মধ্যে রয়েছে দিল্লির ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত মোদি সরকারের অধ্যাদেশ বিলটিও। সর্বদলীয় বৈঠকে দিল্লি ও মণিপুর প্রসঙ্গ উঠতে পারে। চড়তে পারে উত্তেজনার পারদ। দিল্লির রাজনীতিতে গুঞ্জন যে, এই বাদল অধিবেশনেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি সংসদে পেশ করতে পারে সরকার। আবার দিল্লির অর্ডিন্যান্স নিয়েও আরও এক কদম এগোতে পারে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার।  বিরোধী দলগুলির মনোভাব বুঝতে এবং নিজেদের বক্তব্য জানাতে সংসদের প্রতিটি অধিবেশন শুরুর আগেই এই ধরনের বৈঠক হয়ে থাকে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Monsoon Session: ইতিহাসের পাতায় পুরানো! বাদল অধিবেশন কি নয়া সংসদ ভবনেই?

    Parliament Monsoon Session: ইতিহাসের পাতায় পুরানো! বাদল অধিবেশন কি নয়া সংসদ ভবনেই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় সংসদের বাদল অধিবেশন (Parliament Monsoon Session)। তাই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে নয়া সংসদ ভবনে। এখানেই বসতে পারে বাদল অধিবেশন। পুরানো সংসদ ভবনে হয়েছিল বাজেট অধিবেশন। আসন্ন অধিবেশনে সেটার হয়তো ঠাঁই হবে ইতিহাসের পাতায়। ১৭ জুলাই বাদল অধিবেশন শুরু হতে পারে। চলবে ১০ অগাস্ট পর্যন্ত। তবে ঠিক কবে থেকে অধিবেশন বসবে তা ঠিক হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহের নেতৃত্বে ওই বৈঠক হবে দু একদিনের মধ্যেই। সেখানেই চূড়ান্ত হবে অধিবেশনের দিন। 

    কাজ বাকি নয়া ভবনে

    তবে সেই অধিবেশন (Parliament Monsoon Session) পুরানো না নতুন কোন ভবনে হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি। কেননা, নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধন হয়ে গেলেও, ভিতরে এখনও বেশ কিছু কাজ বাকি রয়েছে। সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে এই কাজ শেষ করা কার্যত অসম্ভব। তাই নয়া সংসদ ভবনে এবার বাদল অধিবেশন বসবে কিনা, সে ব্যাপারে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। তবে নয়া ভবনে বাদল অধিবেশন বসতে পারে ধরে নিয়েই রাতদিন এক করে কাজ করে চলেছেন কর্মীরা। নিয়মিত চলছে অডিও-ভিজ্যুয়াল পরীক্ষার কাজ। ২৮ মে নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পর থেকেই জল্পনা চলছে, কোথায় হবে আসন্ন বাদল অধিবেশন (Parliament Monsoon Session)।

    নয়া ভবনে তৎপরতা

    তবে এই অধিবেশন যে নতুন বিল্ডিংয়েই হবে, তা কর্মীদের তৎপরতা দেখলেই বোঝা যায়। একেবারে শেষ মুহূর্তের কাজ চলছে বেসমন্টে এবং মন্ত্রীদের অফিসগুলিতে। লোকসভা ও রাজ্যসভার অডিও, ভিডিও এবং অন্যান্য সিস্টেম পরীক্ষার কাজও চলছে জোরকদমে। কেবল সাউন্ড সিস্টেমই নয়, কুলিং সিস্টেমের কাজও চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। লোকসভার কর্মীদের জন্য ডেস্ক অ্যারেঞ্জমেন্টের কাজও চলছে। লোকসভায় কোরাম হয়েছে না হয়নি, তা জানা যায় যে সিস্টেমের সাহায্যে, সেই সিস্টেমের পরীক্ষার কাজও চলছে।

    আরও পড়ুুন: নিরাপত্তার বজ্র আঁটুনি, তুষার লিঙ্গ দর্শনে অমরনাথের পথে পাড়ি দ্বিতীয় দলেরও

    এদিকে, সংসদের আলোচনার বিষয়বস্তু জানতে এখন থেকে সাংসদদের (Parliament Monsoon Session) আর কেবল হিন্দি কিংবা ইংরেজির ওপর ভরসা করতে হবে না। কারণ এবার থেকে সংসদের আলোচ্য বিষয়বস্তু সাংসদরা জানতে পারবেন আঞ্চলিক ভাষায়ও। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার উদ্যোগেই চালু হতে যাচ্ছে নয়া এই সিস্টেম। ভারতীয় সংবিধানে যে ২২টি ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, তার সবকটিতেই জানা যাবে সংসদের আলোচ্যসূচি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Monsoon Session: সংসদ প্রাঙ্গণে পালন করা যাবে না বিক্ষোভ, অবস্থান কর্মসূচি? 

    Parliament Monsoon Session: সংসদ প্রাঙ্গণে পালন করা যাবে না বিক্ষোভ, অবস্থান কর্মসূচি? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে (Parliament) অসংসদীয় শব্দে (Unparliamentary Words) নিষেধাজ্ঞা জারি বিতর্কের রেশ এখনও মেলায়নি। তার মধ্যেই শুরু ফের এক দফা বিতর্ক। শুক্রবার এক নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, এবার সংসদ প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ, অবস্থান কর্মসূচি পালন করা যাবে না। এদিন সংসদের দুই কক্ষের সচিবালয় থেকে চলতি বাদল অধিবেশনে এই নয়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, এভাবে কার্যত গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে।

    ১৮ জুলাই সংসদে শুরু হচ্ছে বাদল অধিবেশন (Monsoon Session)। শেষ হবে ১৩ আগস্ট। তার আগেই সংসদের তরফে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে হিন্দি, ইংরেজি মিলিয়ে প্রায় ৫০টি শব্দকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই শব্দগুলিকে অংসসদীয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে পুস্তিকায়। তা নিয়ে কম হইচই হয়নি। যদিও লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও শব্দেই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি। সংসদীয় রীতি মেনে সদস্যরা নিজস্ব বক্তব্য পেশ করতে পারেন।

    আরও পড়ুন :কোনও শব্দেই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি, সাফ জানালেন লোকসভার স্পিকার

    শুক্রবার সচিবালয়ের তরফে জারি করা নয়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সাংসদরা সংসদ প্রাঙ্গণে কোনও বিক্ষোভ, ধরনা বা অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন না। এই নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, স্পিকারের আগাম অনুমতি ছাড়া সংসদ চত্বরে কোনও পামফ্লেট, লিফলেট বা প্ল্যাকার্ড প্রকাশ করা যাবে না। পার্লামেন্টের ভিতরে প্ল্যাকার্ড কঠোরভাবে নিষিদ্ধও করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়।

    আরও পড়ুন : গুজরাট, হিমাচল প্রদেশের সঙ্গেই নভেম্বরে ভোট হবে জম্মু-কাশ্মীরেও?

    ঘটনার কড়া সমালোচনা করেছেন বিরোধীরা। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ বলেন, বিশ্বগুরুর সর্বশেষ আক্রমণ…ধরনা নিষিদ্ধ। সিপিআইএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরির মতে, এটি গণতন্ত্রের কণ্ঠ রোধ করার চেষ্টা। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, এই ধরনের স্বৈরাচারী নির্দেশ জারি করে গণতন্ত্রকে উপহাস করা হচ্ছে। সংসদ ভবন কমপ্লেক্সে সাংসদের ধর্নার রাজনৈতিক অধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা আগেই রাজনৈতিক দলগুলিকে কোনও তথ্য ছাড়াই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলি সম্পর্কে অভিযোগ এবং পাল্টা অভিযোগ করা থেকে বিরত থাকার আবেদন জানিয়েছিলেন।

     

LinkedIn
Share