Tag: Parliament of India

Parliament of India

  • Speaker Om Birla: ‘‘মতাদর্শ আলাদা হতে পারে, দেশের স্বার্থ সবার ঊর্ধ্বে’’, বললেন লোকসভার অধ্যক্ষ

    Speaker Om Birla: ‘‘মতাদর্শ আলাদা হতে পারে, দেশের স্বার্থ সবার ঊর্ধ্বে’’, বললেন লোকসভার অধ্যক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘মতাদর্শ আলাদা হতে পারে, দেশের স্বার্থ সবার ঊর্ধ্বে’’, এমনই কথা বলতে শোনা গেল লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে (Speaker Om Birla)। প্রসঙ্গত, ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর গৃহীত হয় ভারতের সংবিধান। আজ সোমবার ২৫ নভেম্বর শুরু হল সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। এদিন ওম বিড়লা (Speaker Om Birla) বলেন, ‘‘সংবিধান দিবস থেকে আমাদের প্রত্যেককে প্রেরণা নিতে হবে এবং সেভাবেই বিতর্ক এবং আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে হবে।’’ ভাষা, ধর্ম ভেদে যে যে পার্থক্য দেখা যায় সংসদে, সেগুলিই গণতন্ত্রকে মজবুত করে বলে মন্তব্য করেন ওম বিড়লা (Om Birla)।

    দেশের প্রাচীন যে কোনও প্রথা বা রীতি থেকেও আমরা প্রেরণা নিতে পারি

    তিনি (Speaker Om Birla) আরও বলেন, ‘‘দেশের প্রাচীন যে কোনও প্রথা বা রীতি থেকেও আমরা প্রেরণা নিতে পারি। সংসদের উভয় কক্ষে বিতর্ক করার জন্য আমাদের মধ্যে মতামতের পার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু আমরা সকলে এক হয়েছি দেশের কাজ করার জন্য।’’

    আমরা সর্বদাই সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ

    এদিন ওম বিড়লা (Speaker Om Birla) নিজের পূর্বসূরিদেরও কথা উল্লেখ করেন এবং তিনি জানান, তাঁর পূর্বসূরিরা প্রত্যেকেই সংবিধানের প্রতি অত্যন্ত দায়বদ্ধ ছিলেন এবং সংবিধানের নির্দেশ মেনেই তাঁরা কাজ করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমরা সর্বদাই সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ এবং সংবিধানের নির্দেশ মেনেই আমরা কাজ করি। কোনও সরকার অথবা কোনও রাজনৈতিক দলই, গণতন্ত্রের এই মহান আদর্শকে শেষ করতে পারবে না। নানা সময়ে সংবিধানের সংশোধন হয়েছে কিন্তু তারপরেও মজবুত থেকেছে জনগণের অধিকার।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: সরকারি বাংলো এখনও খালি করেননি কেন? মহুয়াকে শো-কজ নোটিশ কেন্দ্রের

    Mahua Moitra: সরকারি বাংলো এখনও খালি করেননি কেন? মহুয়াকে শো-কজ নোটিশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে তিনি প্রশ্ন করতেন। তাঁর এই ‘কীর্তি’ সামনে আসতেই সাংসদ পদ খারিজ হয় তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra)। ছাড়তে বলা হয় দিল্লির সরকারি বাংলো। তবে এখনও সরকারি বাংলো খালি করেননি মহুয়া। সোমবার ঠিক এই কারণেই তাঁকে শো-কজ নোটিশ পাঠাল কেন্দ্রের ডাইরেক্টরেট অফ এস্টেটস (ডিওই)। কেন্দ্রীয় আবাসন এবং নগরোন্নয়ন মন্ত্রক সূত্রে বিষয়টি সামনে এসেছে। লোকসভায় প্রশ্ন করার বিনিময়ে শিল্পপতি দর্শন হিরানন্দানির থেকে ঘুষ নিতেন তিনি। এই অভিযোগে লোকসভা থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন মহুয়া। সংসদের ওয়েবসাইটের আইডি, পাসওয়ার্ড দুবাইকেন্দ্রিক ব্যবসায়ী হিরানন্দানিকে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল কৃষ্ণনগরের প্রাক্তন সাংসদের বিরুদ্ধে।

    ৭ জানুয়ারির মধ্যে বাংলো খালি করার কথা ছিল

    প্রসঙ্গত, গত ৮ ডিসেম্বর সাংসদ পদ খারিজ হয় মহুয়ার (Mahua Moitra)। তখনই তাঁকে বলা হয়েছিল, ৭ জানুয়ারির মধ্যে দিল্লিতে সরকারি বাংলো খালি করে দিতে হবে। কেন এখনও তিনি খালি করেননি বাংলো, তা তিনদিনের মধ্যে তা জানাতে বলা হয়েছে তাঁকে। মহুয়ার দাবি ছিল, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর তিনি দিল্লির বাংলো খালি করবেন। যদিও সেটা সম্ভব ছিল না। কারণ সাংসদ পদ চলে যাওয়ার পরে সরকারি ওই বাংলোতে থাকা যায় না। এই নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন করা একদা সাংসদ।

    দিল্লি হাইকোর্ট খারিজ করে মহুয়ার দাবি 

    মহুয়ার (Mahua Moitra) আইনজীবী জানিয়েছিলেন, যদি তাঁর মক্কেলকে সংশ্লিষ্ট সময়ের জন্য বাংলোয় থাকার অনুমতি দেওয়া হয়, তা হলে বর্ধিত সময়ের জন্য প্রযোজ্য যে কোনও খরচ দিতেও প্রস্তুত। তবে কার্যত মহুয়ার আবেদন খারিজ করে দেয় কোর্ট। বিচারপতি সুব্রহ্মণ্যম প্রসাদ গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছিলেন, সরকারি আবাসনে থাকার জন্য ডিওই-র কাছেই আবেদন করতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকারকে এই বিষয়ে আইন মেনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আদালত কিছু করতে পারবে না।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Of India: নয়া ভবনে সাংসদদের উপহার দেবে মোদি সরকার, কী কী থাকছে গিফটব্যাগে?

    Parliament Of India: নয়া ভবনে সাংসদদের উপহার দেবে মোদি সরকার, কী কী থাকছে গিফটব্যাগে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উদ্বোধন হয়েছিল মে মাসের ২৮ তারিখে। তবে গণেশ চতুর্থীর দিনেই প্রথম অধিবেশন বসতে চলেছে নয়া সংসদ ভবনে (Parliament Of India)। এই নয়া সংসদ ভবনের প্রথম দিনের অধিবেশনে যোগ দেওয়া সাংসদদের জন্য থাকছে বিশেষ উপহারের ব্যবস্থা। এ কথা জানা গিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সূত্রে। আগ্রহ তৈরি হয়েছে, গিফটব্যাগে ঠিক কী কী পাওয়া যাবে তা নিয়ে! জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সাংসদদের হাতে নতুন সংসদ ভবনে তুলে দেওয়া হবে ভারতের একটি সংবিধানের অনুলিপি, সংসদ (Parliament Of India) সম্পর্কিত একটি বই, একটি স্মারক মুদ্রা এবং একটি স্ট্যাম্প।

    বদল সংসদের কর্মচারীদের পোশাকেও 

    জানা গিয়েছে সংসদের (Parliament Of India) কর্মচারীদেরও পোশাকে বদল করা হয়েছে, এবার থেকে পুরুষকর্মীরা পরবেন ক্রিম রঙের শার্ট এবং খাকি প্যান্ট। অন্যদিকে মহিলা কর্মীদের জন্য বাছাই করা হয়েছে এক ধরনের বিশেষ হালকা রঙের শাড়ি। লোকসভায় মার্শালদের জন্য থাকছে মণিপুরের বিশেষ টুপি। অন্যদিকে নয়া সংসদ ভবনে ছ’টি গেট তৈরি করা হয়েছে বিভিন্ন প্রতীক হিসাবে। এগুলির নাম দেওয়া হয়েছে, গজদ্বার, অশ্বদ্বার, গরুড়দ্বার, মকরদ্বার, শার্দুলদ্বার এবং হংসদ্বার। 

    ৬টি বিভিন্ন প্রতীকের দ্বার

    ১)  গজদ্বার: গজদ্বার হল হাতির প্রতীক। ভারতীয় সংস্কৃতিতে হাতিকে মানা হয় বুদ্ধি, স্মৃতি, সম্পদ এবং জ্ঞানের প্রতীক হিসেবে। নয়া সংসদ ভবনের উত্তর দিকে স্থাপিত হয়েছে এই দ্বার।

    ২) অশ্বদ্বার: ভারতীয় সভ্যতায় ঘোড়াকে মানা হয় শক্তি, সামর্থ্য এবং সাহসের প্রতীক হিসেবে।

    ৩) গরুড়দ্বার: তৃতীয় দ্বারটি (Parliament Of India) ভগবান বিষ্ণুর বাহনের নামে স্থাপন করা হয়েছে। গরুড়কে হিন্দু পুরাণ অনুসারে পাখিদের রাজা মানা হয়। শক্তি এবং ধর্মের প্রতীক হলো গরুড়।

    ৪) মকরদ্বার: পার্লামেন্টের নয়া সংসদ ভবনে ঢুকতেই এই গেটটি নজরে পড়ছে। হিন্দু এবং বৌদ্ধে সাহিত্যে সামুদ্রিক জীব মকরের উল্লেখ মেলে।

    ৫) শার্দুলদ্বার: নয়া সংসদ ভবনের (Parliament Of India) এই দ্বারটি তৈরি করা হয়েছে হিন্দু পুরাণ অনুসারে শার্দুলের নামে। যেটি একটি সিংহের শরীর কিন্তু যার মাথা ঘোড়া, হাতি এবং টিয়া পাখির। জনগণের ক্ষমতা বোঝাতেই এই প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছে।

    ৬) হংসদ্বার: মা সরস্বতীর বাহনের নামে এই দ্বারটি হল সংসদ ভবনের ৬ নম্বর গেট যেটি আত্মোপলব্ধি এবং জ্ঞানের প্রতীক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament of India: উদ্বোধনের পর চলতি মাসেই প্রথম অধিবেশন বসছে নয়া সংসদ ভবনে, কবে জানেন?

    Parliament of India: উদ্বোধনের পর চলতি মাসেই প্রথম অধিবেশন বসছে নয়া সংসদ ভবনে, কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের (Parliament of India) বিশেষ অধিবেশন শুরু হচ্ছে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে। পুরনো সংসদ ভবনে এই অধিবেশন শুরু হলেও তা শেষ হবে নতুন সংসদ ভবনে (Parliament of India)। সূত্রের খবর, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রয়েছে গণেশ চতুর্থী এবং সেই দিনই সংসদের নতুন ভবনে অধিবেশন স্থানান্তরিত হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে আগামী ১৮ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পাঁচ দিনের জন্য সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। চলতি বছরের ২৮ মে নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারপর থেকেই শুরু হয়েছিল জোর চর্চা, যে কবে বসবে নতুন সংসদে (Parliament of India) অধিবেশন? অবশেষে তা গণেশ চতুর্থীর শুভক্ষণেই বসতে চলেছে।

     সংসদের বিশেষ অধিবেশনে কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে?  

    বাদল অধিবেশন (Parliament of India) শেষ হওয়ার পরে ফের একবার বিশেষ অধিবেশন কেন ডাকা হল তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে গুঞ্জন। সাধারণভাবে বিশেষ কোনও সিদ্ধান্ত নিতেই সরকারপক্ষ এমন অধিবেশন ডাকে। আবার ওয়াকিবহল মহলের ধারনা, বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ করাতেই হয়তো ডাকা হচ্ছে এই অধিবেশন (Parliament of India)। সূত্রের খবর, বেশ কতগুলি ইস্যু রয়েছে যা উঠতে পারে সংসদের বিশেষ অধিবেশনে। যার মধ্যে অন্যতম হল, ‘এক দেশ এক ভোট’ ইতিমধ্যে এ নিয়ে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে কমিটিও গঠন করেছে কেন্দ্র। অন্যদিকে দেশজুড়ে এখন আলোচনা চলছে, ‘ভারত বনাম ইন্ডিয়া’ বিষয়ে। ইতিমধ্যে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের আমন্ত্রণ পত্রে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর নামের নিচে লেখা হয়েছে ‘প্রেসিডেন্ট অফ ভারত’।  

    সোনিয়া গান্ধীর চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে প্রহ্লাদ জোশীর প্রতিক্রিয়া 

    এদিকে বুধবারই সংসদের (Parliament of India) বিশেষ অধিবেশনে কী নিয়ে আলোচনা হবে তা জানতে চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দেন সোনিয়া গান্ধী।  ওই চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন যে বিরোধী দলগুলিকে না জানিয়ে সরকার সংসদের (Parliament of India) অধিবেশন ডেকেছে। যানিয়ে শুরু হয়েছে বিজেপি কংগ্রেসের মধ্যে রাজনৈতিক লড়াই। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি ইতিমধ্যে সোনিয়া গান্ধীর এই বক্তব্যকে খণ্ডন করে বলেছেন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিতর্ক তৈরি করতে চাইছে কংগ্রেস। তাঁর আরও অভিযোগ,গণতন্ত্রের মন্দিরকে নিয়ে রাজনীতি করছেন সোনিয়া গান্ধী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: লোকসভায় রংবোমা-কাণ্ডের জের! সংসদ নিরাপত্তার দায়িত্বে এবার সিআইএসএফ?

    Parliament Security Breach: লোকসভায় রংবোমা-কাণ্ডের জের! সংসদ নিরাপত্তার দায়িত্বে এবার সিআইএসএফ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদ ভবনের নিরাপত্তার (Parliament Security Breach) দায়িত্ব কি দিল্লি পুলিশের হাত থেকে সরিয়ে নিচ্ছে মোদি সরকার? এমন একটা সম্ভাবনার কথা রাজধানীতে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে।

    সংসদের নিরাপত্তায় একাধিক পদক্ষেপ

    হানাকাণ্ডের জেরে (Parliament Security Breach) সংসদে প্রবেশ করার ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা ও শর্তাবলি চাপানো হয়েছে। সংসদের ভেতর নিরাপত্তাকে আরও কঠোর করা হয়েছে। পাশাপাশি, নেওয়া হয়েছে একাধিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাও। এবার সংসদ ভবনের নিরাপত্তা নিয়েও বড়সড় সিদ্ধান্তের পথে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, দিল্লি পুলিশের বদলে শীঘ্রই এই দায়িত্বে দেখা যেতে পারে হাই-সিকিউরিটি ইনস্টলেশনের নিরাপত্তা প্রদানে সিদ্ধহস্ত কেন্দ্রীয় সংস্থা সিআইএসএফ (CISF to secure Parliament)।

    আরও পড়ুন: সংসদ হানার ঘটনায় বেঙ্গালুরু থেকে ধৃত প্রাক্তন পুলিশ কর্তার ছেলে

    সরছে দিল্লি পুলিশ?

    সূত্রের খবর, সম্প্রতি কেন্দ্রের পাঠানো একটি চিঠি পেয়েছে সিআইএসএফ। তাতে বলা হয়েছে, সংসদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জরিপ, পর্যালোচনা করে একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট কেন্দ্রকে পাঠাতে। সূত্রের খবর, অদূর ভবিষ্যতে সংসদের নিরাপত্তার ভার এই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার হাতেই তুলে দেওয়া হতে পারে। জানা গিয়েছে, একবার সংসদের নিরাপত্তা প্রদানের অনুমতি দেওয়া হলে, পুরো দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নেবে সিআইএসএফ (CISF to secure Parliament)। যার মধ্যে যাঁরা প্রবেশ করবেন, তাঁদেরকে তল্লাশি করার ক্ষমতাও সামিল থাকবে। তবে, সংসদের মধ্যে নিরাপত্তার দায়িত্ব আগের মতো লোকসভা সচিবালয়ের হাতেই থাকবে বলে জানা গিয়েছে। 

    সংসদে হানাকাণ্ডে গ্রেফতার ৮

    গত ১৩ ডিসেম্বর, সংসদে ২০০১ জঙ্গি হামলার ২২ তম বর্ষপূর্তির দিনেই সংসদে হানা দেয় কয়েকজন যুবক-যুবতী (Parliament Security Breach)। সংসদের ভেতর ও বাইরে রং-বোমা নিয়ে ধুন্ধুমার কাণ্ড বাঁধিয়ে দেয় তারা। অধিবেশন চলাকালীনই লোকসভার দর্শক গ্যালারি থেকে নিচে লাফিয়ে পড়ে দুজন। স্পিকারের চেয়ারের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়, রং বোমার ক্যানিস্টার খুলে দেয়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sengol: রবিবার নয়া সংসদের উদ্বোধন! মোদির হাতে ‘সেঙ্গল’ তুলে দেবেন মাদুরাই মঠের প্রধান পুরোহিত

    Sengol: রবিবার নয়া সংসদের উদ্বোধন! মোদির হাতে ‘সেঙ্গল’ তুলে দেবেন মাদুরাই মঠের প্রধান পুরোহিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ভারতের দেশ বিখ্যাত মন্দির মাদুরাই আধিনম। প্রধান পুরোহিতের নাম শ্রী হরিহর দেশিকা। তাঁকে নিয়েই জোর আলোচনা চলছে দেশজুড়ে। কারণ এই প্রধান পুরোহিত নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধনের দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাতে সেঙ্গল (Sengol) তুলে দেবেন। এদিন এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘২০২৪ সালে ফের ক্ষমতায় ফেরা উচিত নরেন্দ্র মোদির।’’ প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ২৮ তারিখে এই নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন হবে। সেদিনই প্রধানমন্ত্রীর হাতে সেঙ্গল তুলে দেবেন মাদুরাই আধিনমের ২৯৩ তম প্রধান পুরোহিত। প্রসঙ্গত, রবিবার সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে হবে ভবনের প্রাণ প্রতিষ্ঠা। পুজো শেষে সংসদে স্থাপন করা হবে ‘সেঙ্গল’। এজন্য উপস্থিত থাকবেন তামিলনাড়ুর ২০ জন স্বামী। এর পর আধ ঘণ্টা ধরে হবে প্রার্থনা সভা। উপস্থিত থাকবেন শঙ্করাচার্য সহ দেশের পণ্ডিত বর্গ ও সাধুসন্তরা। দুপুর ১২টায় জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে শুরু হবে অনুষ্ঠান।

    আরও পড়ুন: রবিবার নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধন, জেনে নিন মেগা অনুষ্ঠানের সূচি

    কী বললেন প্রধান পুরোহিত?

    এদিন প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বনেতা উল্লেখ করে প্রধান পুরোহিত শ্রী হরিহর দেশিকা বলেন, ‘‘আমরা সকলেই তাঁর (নরেন্দ্র মোদি) জন্য গর্বিত। তিনি জনগণের জন্য অনেক ভাল কাজ করছেন এবং ২০২৪ সালে তাঁর ফেরা উচিত দেশকে দিশা দেখানোর জন্য।’’

    সেঙ্গেল বসানো হবে লোকসভার অধ্যক্ষের চেয়ারের কাছেই

    ১৯৪৭ সালে দেশের স্বাধীনতার সময়ে এই সেঙ্গল ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতীক হিসেবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরুকে দিয়েছিল ব্রিটেন। ন্যায় বিচারের প্রতীক এই সেঙ্গলকে (Sengol) স্থাপন করা হবে ঠিক অধ্যক্ষের চেয়ারের কাছেই, এমনটাই জানা গেছে। লোকসভায় মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে রবিবার দুপুর থেকেই। হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়া, রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান প্রমুখ। জানা গেছে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের কাছেও। লোকসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ শিবরাজ পাতিল, কংগ্রেসের বর্তমান সভাপতি এবং রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে সহ একাধিক বিরোধী নেতার কাছে আমন্ত্রণ গেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share