Tag: parliament

parliament

  • Parliament Security Breach: লোকসভাকাণ্ডের মূল চক্রী ললিতের কলকাতার ডেরায় হানা দিল্লি পুলিশের

    Parliament Security Breach: লোকসভাকাণ্ডের মূল চক্রী ললিতের কলকাতার ডেরায় হানা দিল্লি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভাকাণ্ডের (Parliament Security Breach) মূল চক্রী ললিত ঝা। এই ললিতের ডেরার খোঁজে কলকাতার অলি-গলিতে চক্বর দিচ্ছেন দিল্লি পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা। সোমবারই তাঁরা পৌঁছেছিলেন রবীন্দ্র সরণিতে। এখানে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে টিউশন পড়াত ললিত। এদিন বাগুইআটি থেকে ডালহৌসি— সর্বত্র চষে বেড়াল দিল্লি পুলিশের দল।

    বিএসএনএল অফিসে দিল্লি পুলিশ

    মঙ্গলবার দিল্লি পুলিশের আরও একটি দল আসে ইকোপার্ক থানায়। পরে যায় ডালহৌসির বিএসএনএল অফিসে। ললিতের নামে নেওয়া একটি সিমকার্ডের ডুপ্লিকেটের জন্য দিল্লি পুলিশের ওই দলটি গিয়েছিল বিএসএনএল অফিসে। ললিতের সঙ্গে যে বাংলার নিবিড় যোগ রয়েছে, সে খবর আগেই জানিয়েছিল মাধ্যম। বাংলার একটি এনজিওর কর্মী সে। ব্যবহার করত বিএসএনএলের সিমকার্ড। এই সিমকার্ডেরই ডুপ্লিকেটের খোঁজে বিএসএনএলের দফতরে ঢুঁ মেরেছিলেন তদন্তকারীরা। ললিতের ওই সিমকার্ডটি কোন (Parliament Security Breach) কোন ফোনে ব্যবহার করা হয়েছিল, কোথায় কোথায় ওয়াইফাইয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল মূলত এসবই জানতে চান তাঁরা। বিএসএনএলের কাছে প্রযুক্তিগত কিছু তথ্যও চেয়েছেন তদন্তকারীরা।

    বাগুইআটির ভাড়া বাড়িতেও হানা

    এদিন ললিতের বাগুইআটির ভাড়া বাড়িতেও হানা দেন তদন্তকারীরা। এই এলাকাটি ইকোপার্ক থানার অধীনে। তাই আগে থানায় যায় দিল্লি পুলিশের দলটি। পরে যায় ললিতের ভাড়া বাড়িতে। সেখানে ঝুলছে তালা। তদন্তকারীরা অবশ্য ঘরের তালা খোলেননি। তবে কথা বলেছেন ললিতের প্রতিবেশীদের সঙ্গে। তাঁরা জানিয়েছেন, লোকসভাকাণ্ডের তিন তিনেক আগেও এই বাড়িতে ছিল ললিত। পরে ঘরে তালা দিয়ে কোথাও চলে যায়। এদিন ললিতের বাড়ির মালিকের সঙ্গেও কথা বলেছে তদন্তকারী দলটি। ঘটনার দিন তিনেক আগে বাগুইআটির বাড়িতে থাকলেও, ২১৮ রবীন্দ্র সরণির ভাড়া বাড়িতে বহু দিন সে যায়নি বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন দিল্লি পুলিশের দলটিকে। এই ঠিকানায়ই টিউশন পড়াত সে।

    আরও পড়ুুন: সরকারি ধান বিক্রয় কেন্দ্রেই ওজনে কারচুপি, ১৫ কুইন্টাল ধানে ৬০ কেজি হাপিশ!

    গত বুধবার শীতকালীন অধিবেশন চলাকালীনই লোকসভার দর্শক গ্যালারি থেকে নিচে লাফিয়ে পড়ে দুই হানাদার। জুতোয় লুকিয়ে রাখা রং-বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় তারা। পরে হানাদারদের ধরে ফেলেন দুই সাংসদ। মার্শাল ডেকে তুলে দেওয়া হয় তাঁদের হাতে। ওই ঘটনায় সব মিলিয়ে গ্রেফতার হয়েছে ৬ জন। পুরো ঘটনার মূল চক্রী ললিতই বলে মনে করছেন (Parliament Security Breach) তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: লোকসভাকাণ্ডে সাংসদদের চিঠি দিলেন স্পিকার ওম বিড়লা, কী লিখলেন?

    Parliament Security Breach: লোকসভাকাণ্ডে সাংসদদের চিঠি দিলেন স্পিকার ওম বিড়লা, কী লিখলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভাকাণ্ডের (Parliament Security Breach) জেরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি না করার আবেদনও জানিয়েছেন বিরোধীদের কাছে। এবার ওই ঘটনায় তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে সাংসদদের চিঠি দিলেন স্পিকার ওম বিড়লা। ঘটনার তদন্তে গঠিত হয়েছে সংসদীয় তদন্ত কমিটি। সংসদ চত্বরের সুরক্ষার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করতে এবং বুধবারের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে, উচ্চ পর্যায়ের আরও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন স্পিকার ওম বিড়লা।

    সাংসদদের চিঠি স্পিকারের

    বিষয়টি জানিয়ে সাংসদদের চিঠি দিয়েছেন তিনি। উচ্চ পর্যায়ের এই কমিটি দ্রুত রিপোর্ট দেবে এবং সেই রিপোর্ট সাংসদদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন স্পিকার। সংসদ চত্বরের (Parliament Security Breach) নিরাপত্তা দেখভালের দায়িত্ব সাংসদদের ওপরও বর্তায় বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর মতোই বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি না করার পরামর্শও দিয়েছেন ওম বিড়লা। চলছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। অধিবেশন চলাকালীন সংসদের নিয়ন্ত্রণ থাকে স্পিকারের হাতে।

    কী লিখলেন স্পিকার?

    তাই সম্প্রতি বিভিন্ন দলের যে ১৪ জন সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে, লোকসভাকাণ্ডের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও চিঠিতে জানিয়েছেন স্পিকার। সাংসদদের পাঠানো চিঠিতে ওম বিড়লা লিখেছেন, “১৩ ডিসেম্বর সংসদে যা ঘটেছে, তার সঙ্গে সাংসদদের সাসপেন্ড করার ঘটনাটি জুড়ে দেওয়া দুর্ভাগ্যজনক।” তিনি জানিয়েছেন, অধিবেশন কক্ষে সাংসদদের অশালীন আচরণের প্রশংসা দেশবাসী করে না। সংসদের শৃঙ্খলা ও সম্মান রক্ষার্থেই সাংসদদের সাসপেন্ড করা হয়েছে জানিয়ে স্পিকারের বার্তা, “আশা করি, ভবিষ্যতে সংসদের গরিমা ও মর্যাদাকে গুরুত্ব দেবেন সাংসদরা।”

    আরও পড়ুুন: “সংসদের ঘটনার গুরুত্বকে ছোট করে দেখা উচিত নয়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    স্পিকার লিখেছেন, অতীতেও সংসদে দর্শকদের গ্যালারিতে পিস্তল নিয়ে ঢোকা, স্লোগান দেওয়া, লিফলেট ছড়ানো মায় সাংসদদের পিপার স্প্রে নিয়ে ঢোকার নজিরও রয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই সংসদ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সামগ্রিকভাবে সাংসদদের সহযোগিতা ও সমর্থনের আহ্বানও জানিয়েছেন স্পিকার।

    প্রসঙ্গত, ১৯৮৩ সালে স্লোগান দিতে দিতে রাজ্যসভার এক সাংসদের চেম্বার লক্ষ্য করে চটি ছুড়েছিল এক দর্শক। রাজ্যসভায় স্লোগান দিতে দিতে লিফলেটও ছুড়েছিল এক দর্শক। ১৯৯১ থেকে ৯৪ সালের মধ্যেও একাধিকবার দর্শক গ্যালারি থেকে ঝাঁপ দিয়ে (Parliament Security Breach) অধিবেশন কক্ষে পড়ার ঘটনা ঘটেছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: মরুরাজ্যে ললিতের ডেরায় মিলল আধপোড়া মোবাইল, জুতো, রহস্যের কিনারা শীঘ্রই?

    Parliament Security Breach: মরুরাজ্যে ললিতের ডেরায় মিলল আধপোড়া মোবাইল, জুতো, রহস্যের কিনারা শীঘ্রই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থানে ললিতের  (Parliament Security Breach) ডেরায় মিলল পোড়া মোবাইলের অংশ। বেশ কিছু আধপোড়া কাপড় এবং জুতোও উদ্ধার করেছে দিল্লি পুলিশ। প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে প্রথমে ভাঙা হয়েছিল মোবাইলগুলি। পরে সেগুলিতে লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন।

    রাজস্থানে পালিয়েছিল ললিত

    লোকসভাকাণ্ডে শনিবারই গ্রেফতার করা হয়েছে ষষ্ঠ অভিযুক্ত মহেশ কুনাওয়াতকে। ঘটনার পর এই মহেশই মাস্টারমাইন্ড ললিত ঝাকে দিল্লি থেকে মরুরাজ্যে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছিল। মহেশকে গ্রেফতার করার পর স্পষ্ট হয়ে যায় পুরো সিনারিওটা। গত বুধবার, ঘটনার দিন লোকসভার অধিবেশন কক্ষে (Parliament Security Breach) যখন ঢুকে পড়েছিল দুই হানাদার, ঠিক সেই সময়ই সংসদ চত্বরে ‘তানাশাহি নেহি চলেগি’, ‘ভারত মাতা কি জয় স্লোগান’ দিচ্ছিল আরও দুজন। মোবাইলে পুরো ঘটনাটি রেকর্ড করছিল ঘটনার মাস্টারমাইন্ড ললিত ঝা।

    কী মিলল ললিতের ডেরায়?

    অপারেশনের আগে সে-ই বাকি চারজনের (সংসদের ভেতরে দুজন, বাইরে দুজন) মোবাইল ফোন নিয়ে নিয়েছিল। ঘটনার পরে পরেই দিল্লি ছেড়ে ললিত পালিয়ে যায় রাজস্থানে। সেখানে গিয়েই প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশে মোবাইল ফোনগুলি ভেঙে লাগিয়ে দেয় আগুন। এসব করার আগে ‘ভগৎ সিং ফ্যান ক্লাব’ ফেসবুক পেজের এক বন্ধুর সঙ্গে মোবাইলে ললিত কথা বলেছিল বলেও জেনেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, রাজস্থানে যেখানে গিয়ে গা ঢাকা দিয়েছিল ললিত, সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে আধপোড়া মোবাইল, কাপড় এবং জুতো।

    আরও পড়ুুন: “সংসদের ঘটনার গুরুত্বকে ছোট করে দেখা উচিত নয়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    এদিকে, সংসদ সদস্য বিজেপির প্রতাপ সিনহাকে তদন্তের স্বার্থে তলব করতে পারে দিল্লি পুলিশ। এই প্রতাপের ভিজিটর পাশ নিয়েই লোকসভার দর্শক গ্যালারিতে ঢুকে পড়েছিল সাগর শর্মা ও ডি মনোরঞ্জন। শুক্রবার অভিযুক্তদের নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছিল পুলিশ। কীভাবে তারা সংসদ চত্বরে ঢুকল, আর কোথায় কোথায় গিয়েছিল, সবই ধৃতদের কাছ থেকে জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

    প্রসঙ্গত, লোকসভার অধিবেশন চলাকালীনই দর্শক গ্যালারি থেকে লাফিয়ে অধিবেশন কক্ষে পড়েছিল সাগর ও মনোরঞ্জন। পরে জুতোয় লুকিয়ে রাখা রং-বোমা ফাটায়। প্রথম হকচকিয়ে গেলেও, পরে তাদের ধরে ফেলেন দুই সাংসদ। মার্শাল ডেকে তুলে দেওয়া হয় তাঁদের হাতে। ওই ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট ছ’জনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ (Parliament Security Breach)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

       

  • Parliament Security Breach: “সংসদের ঘটনার গুরুত্বকে ছোট করে দেখা উচিত নয়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Parliament Security Breach: “সংসদের ঘটনার গুরুত্বকে ছোট করে দেখা উচিত নয়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংসদের ঘটনার (Parliament Security Breach) গুরুত্বকে ছোট করে দেখা উচিত নয়।” লোকসভাকাণ্ডে এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর মতে, বিষয়টি উদ্বেগজনক। তাই এনিয়ে রাজনীতি না করে সমস্যার সমাধানে জোর দেওয়া উচিত বলেও মনে করেন তিনি। যেহেতু বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তও চান প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সকলের এই ঘটনার গুরুত্ব বোঝা উচিত। ঘটনার গভীরে গিয়ে সকলে মিলে একটি সমাধান সূত্র খুঁজে বের করা উচিত। যাতে বিষয়টির পুনরাবৃত্তি না হয়। লোকসভার স্পিকার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আমাদের সকলের বিশ্বাস, খুব শীঘ্রই ষড়যন্ত্র ফাঁস হবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই ঘটনার পিছনে অভিযুক্তদের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর নেপথ্যে কাদের মাথা কাজ করছে, তা জানা খুবই জরুরি।” তিনি বলেন, “এই জাতীয় বিষয়ে বিতর্ক বা প্রতিবাদ থেকে প্রত্যেকেরই বিরত থাকা উচিত। এই ঘটনার পর লোকসভার অধ্যক্ষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা সবাই নিশ্চিত যে এই ষড়যন্ত্র ফাঁস হবে।”

    ঠিক কী ঘটেছিল সেদিন?

    প্রসঙ্গত, গত বুধবার অধিবেশন চলাকালীন আচমকাই লোকসভার দর্শক গ্যালারি থেকে অধিবেশন (Parliament Security Breach) কক্ষে ঝাঁপ দেয় দুই হানাদার। হানাদাররা যখন লাফিয়ে নীচে পড়ে, তখন প্রশ্ন করছিলেন মালদহ উত্তরের সাংসদ বিজেপির খগেন মুর্মু। হঠাৎ করে এই ঘটনা ঘটায় হতচকিত হয়ে পড়েন সাংসদরা। এই সুযোগে জুতোয় লুকিয়ে রাখা স্মোক ক্যানে বিস্ফোরণ ঘটায় হানাদাররা। অধিবেশন কক্ষ ভরে যায় রঙ্গিন ধোঁয়ায়। প্রাথমিক ঘোর কাটিয়ে দুই সাংসদ ধরে ফেলেন সাগর শর্মা ও মনোরঞ্জন ডি নামে দুই হানাদারকে। তার আগে তারা এগোচ্ছিল অধ্যক্ষের দিকে। পরে মার্শাল ডেকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সাগর ও মনোরঞ্জনকে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘যখন অন্যদের থেকে প্রত্যাশা শেষ হয়, তখনই মোদির গ্যারান্টি শুরু হয়’’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    অধিবেশন কক্ষে যখন এসব চলছে, তখন সংসদ চত্বরে ‘তানাশাহি নেহি চলেগি’, ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিচ্ছিলেন অমল শিন্ডে ও নীলম দেবী নামে দুজন। ঘটনার মাস্টারমাইন্ড ললিত ঝা চত্বরের বাইরে থেকে সেই ঘটনার ভিডিও রেকর্ডিং করে পোস্ট করছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই পাঁচজনকেই গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। শনিবার গ্রেফতার করা হয় মহেশ কুমাওয়াতকে। ললিতকে দিল্লি থেকে পালাতে সাহায্য (Parliament Security Breach) করেছিল সে-ই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: লোকসভাকাণ্ডে গ্রেফতার মহেশ, ললিতকে পালাতে সাহায্য করেছিল সে-ই?

    Parliament Security Breach: লোকসভাকাণ্ডে গ্রেফতার মহেশ, ললিতকে পালাতে সাহায্য করেছিল সে-ই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভাকাণ্ডে (Parliament Security Breach) গ্রেফতার আরও এক। দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার মহেশ কুমাওয়াত। এনিয়ে ওই ঘটনায় মোট ছ’জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। হেফাজতে নিয়ে মহেশকে জেরা করতে চাইছে পুলিশ। এই মহেশই লোকসভাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড ললিত ঝাকে দিল্লি থেকে পালাতে সাহায্য করেছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোরেই গ্রেফতার করা হয় ললিতকে। শনিবার গ্রেফতার করা হয়েছে মহেশকে। যদিও আগেই আটক করা হয়েছিল তাকে। এদিন সাত দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    মহেশের ডেরায় ছিল ললিত!

    আদালতে দিল্লি পুলিশের দাবি, দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চেয়েছিল অভিযুক্তরা। তবে কেন তারা এই ধরনের ঘটনা ঘটাল, ঘটনার নেপথ্যেই বা কারা, এই হামলার পেছনে শত্রু কোনও দেশ বা জঙ্গি সংগঠনের হাত রয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মহেশ রাজস্থানের নাগৌর জেলার বাসিন্দা। ঘটনার পর দিল্লি থেকে পালিয়ে মরুরাজ্যে মহেশের ডেরায়ই গা ঢাকা দিয়েছিল ললিত। ললিতের সঙ্গে মিলে মহেশও ঘটনার দিন ধৃত চারজনের মোবাইল ফোনগুলি নষ্ট করেছিল বলেই দাবি পুলিশের। মহেশের সম্পর্কিত এক ভাইকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে (Parliament Security Breach) পুলিশ। তবে তাকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি।

    দুই প্ল্যান

    পুলিশ জেনেছে, অভিযুক্তরা দু রকমের পরিকল্পনা করেছিল। ম্যারাথন জেরায় ললিত পুলিশকে জানিয়েছে, প্ল্যান-এ ব্যর্থ হলে প্রয়োগ করা হত প্ল্যান-বি। সংসদের ভেতরে দুজন নয়, তিনজনের হানা দেওয়ার কথা ছিল। সাগর শর্মা এবং মনোরঞ্জন ডি ছাড়াও আর যার হানা দেওয়ার কথা ছিল, সে-ই হল মহেশ। পরে অবশ্য বদলানো হয় পরিকল্পনা। কারণ ঘটনার পর দিল্লি থেকে পালিয়ে গিয়ে মহেশের ডেরায় ওঠার কথা ছিল হানাদারদের। তাছাড়া, দর্শক হিসেবে সংসদে ঢোকার পাস ছিল সাগর ও মনোরঞ্জনের কাছে। তাই এই দুজনই লোকসভায় ঢুকবে বলে ঠিক হয়েছিল। রং-বোমা জ্বালিয়ে সংসদের দিকে যাওয়ার দায়িত্ব বর্তেছিল অমল শিন্ডে ও নীলম আজাদের ওপর।

    আরও পড়ুুন: ‘চোরেরা সব ভিতরে ঢুকবে’, তৃণমূলকে তোপ সুকান্তর

    আর প্ল্যান-বি অনুযায়ী, অমল ও নীলম সংসদের কাছে পৌঁছতে না পারলে, অন্য দিক দিয়ে কৈলাস ও মহেশ রং-বোমা জ্বালিয়ে স্লোগান দিতে দিতে যাবে সংসদের দিকে। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে কৈলাস ও মহেশের হরিয়ানার গুরুগ্রামে বিশাল শর্মা ওরফে ভিকির বাড়িতে পৌঁছতে না পারায় এই কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয় অমল ও নীলমকে। বিশালকে আটক করা হলেও গ্রেফতার করা হয়নি (Parliament Security Breach) শনিবার সন্ধে পর্যন্ত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: সংসদের বাইরে গায়ে আগুন লাগানোর ছক কষেছিল লোকসভাকাণ্ডে ধৃত সাগর!

    Parliament Security Breach: সংসদের বাইরে গায়ে আগুন লাগানোর ছক কষেছিল লোকসভাকাণ্ডে ধৃত সাগর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমজনতার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সংসদের বাইরে গায়ে আগুন লাগানোর ছক কষেছিল লোকসভাকাণ্ডে (Parliament Security Breach) ধৃত সাগর। তবে পুড়ে মরতে চায়নি সে। সেজন্য গায়ে মাখতে চেয়েছিল এক বিশেষ ধরনের জেল। অনলাইনে পেমেন্ট করতে না পারায় কেনা হয়নি জেল। তাই একেবারে শেষমূহুর্তে গিয়ে বাতিল করা হয় এই পরিকল্পনা। দিল্লি পুলিশের ম্যারাথন জেরায় এমনই দাবি করেছে ধৃত সাগর শর্মা।

    সাগরের বিস্ফোরক ছক

    লোকসভাকাণ্ডে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে সাগরও। লোকসভার দর্শক গ্যালারি থেকে অধিবেশ কক্ষ ঝাঁপ দিয়ে পড়েছিল যে দুজন, তাদেরই একজন সাগর। সংসদ চত্বরে গায়ে আগুন দিয়ে আমজনতার দৃষ্টি আকর্ষণ করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সে-ই। অধিবেশন চলাকালীন কীভাবে স্মোক-ক্যান হামলা করা হবে, তারও ছক কষা হয়েছিল (Parliament Security Breach) আগেই। সংসদ ভবনে কীভাবে তারা ঢুকবে, তা জানতে সংসদ ভবনের নিরাপত্তার পুরনো ভিডিও খুঁটিয়ে দেখেছিল সাগররা। ইন্টারনেট থেকে নয়া সংসদ ভবনের নকশা সহ যাবতীয় তথ্য সংগ্রহের চেষ্টাও করেছিল হানাদারেরা। তরুণদের আকৃষ্ট করতে ‘ভগৎ সিং ফ্যান পেজ’ নামে একটি পেজও সে খুলেছিল বলে পুলিশি জেরায় জানিয়েছে সাগর।

    রেইকি করে এসেছিল সাগর!

    এর পাশাপাশি খোলা হয়েছিল হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপও। ফেসবুকে যারা যোগ দিত, তাদের মধ্যে সমমনস্ক তরুণদের বেছে নিয়ে করা হত হোয়াটস গ্রুপের সদস্য। পুলিশি নজরদারি এড়িয়ে কীভাবে নিখুঁতভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করা যায়, সেজন্য সিগন্যাল অ্যাপের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে চ্যাট করত হানাদাররা। সাগর নিজেও একবার গিয়ে রেইকি করে এসেছিল। জেরায় সে স্বীকার করেছে, সাতটি স্মোক ক্যান নিয়ে সেদিন সংসদের অন্দরে ঢুকে পড়েছিল তারা।

    আরও পড়ুুন: চার রাজ্যে পিএলএফআইয়ের ডেরায় হানা এনআইএ-র, কী ছক কষেছিল জঙ্গিরা?

    পাতিয়ালা হাউস কোর্টে দিল্লি পুলিশের দাবি, দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতেই এই ছক কষেছিল হানাদারেরা। সরকার যাতে তাদের সব দাবি-দাওয়া মেনে নেয়, সেজন্যই এই হামলা। পুলিশের আশঙ্কা, এই পুরো পরিকল্পনাটার নেপথ্যে বিদেশি কোনও শত্রু দেশের আর্থিক সহযোগিতা থাকতে পারে। প্রসঙ্গত, বুধবার লোকসভার (Parliament Security Breach) দর্শক গ্যালারি থেকে ঝাঁপ দিয়ে অধিবেশন কক্ষে পড়ে দুজন। জুতোয় লুকিয়ে রাখা স্মোক ক্যানে চাপ দেওয়ায় রঙিন ধোঁয়ায় ভরে যায় অধিবেশন কক্ষ। পরে দুই হানাদারকে ধরে ফেলেন দুই সাংসদ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Sukanta Majumdar: গাজোল-হিলি রাস্তা সম্প্রসারণ নিয়ে সংসদে পরিবহণ মন্ত্রীর দ্বারস্থ সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: গাজোল-হিলি রাস্তা সম্প্রসারণ নিয়ে সংসদে পরিবহণ মন্ত্রীর দ্বারস্থ সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিক এক্সপ্রেস ট্রেন চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তাতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। এবার প্রত্যন্ত দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে ফের একবার সংসদে সরব হলেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। শুক্রবার লোকসভায় গাজোল-হিলি ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ফোর বা সিক্স লেনে সম্প্রসারণ বিষয় নিয়ে সড়ক পরিবহণ মন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করেন সুকান্ত। গাজোল-হিলি ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের বিষয়টি কী অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছে, সড়ক সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা রয়েছে কি না সেই সব জানতে চান তিনি। দ্রুত এই রাস্তা সম্প্রসারণের দাবি জানিয়েছেন সুকান্ত।

    রাস্তা সম্প্রসারণ না হওয়া নিয়ে কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    গাজোল-হিলি ৫১২ জাতীয় সড়ক ফোর লেন করার ঘোষণা অনেক আগেই কেন্দ্রের তরফে করা হয়েছিল। এর জন্য প্রায় ২১৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। ঘোষণার পর এখনও কাজ শুরু হয়নি রাস্তা সম্প্রসারণের। এমতাবস্থায় পার্লামেন্ট এই রাস্তা সম্প্রসারণ নিয়ে প্রশ্ন করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এই রাস্তার কাজ দ্রুত শুরু করার আবেদন তিনি জানিয়েছেন। সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ নীতিন জয়রাম গডকড়ি বলেন, গাজোল-হিলি ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জন্য এখন পর্যন্ত জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়নি। যার কারণে কাজ এখনও শুরু হয়নি বা কাজ শুরু হতে দেরি হচ্ছে।

    রাস্তা সম্প্রসারণ না হওয়ার জন্য রাজ্যকে দায়ী করলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    এবিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, গাজোল-হিলি ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ৪ অথবা ৬ লেন করার যে ঘোষণা করা হয়েছিল, সেটা কী পর্যায়ে রয়েছে, তা জানতে পার্লামেন্টে কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী কাছে প্রশ্ন করেছিলাম। কিন্তু রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার জন্য এখনও জমি অধিগ্রহণ হয়নি। যার ফলে রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ দেরি হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ললিত ঝা-র, কী বলল লোকসভাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড?  

    Parliament Security Breach: চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ললিত ঝা-র, কী বলল লোকসভাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশি জেরায় চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি লোকসভাকাণ্ডে (Parliament Security Breach) ধৃত ললিত ঝায়ের। টানা পুলিশি জেরায় ললিতের স্বীকারোক্তি, প্ল্যান-এ সফল না হলে প্ল্যান-বি তৈরি ছিল সাগর-নীলমদের। লোকসভাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড এই ললিতই। বৃহস্পতিবার রাতে দিল্লির কর্তব্যপথ থানায় আত্মসমর্পণ করে সে। প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে সে নষ্ট করে ফেলেছে নিজের ও বাকি অভিযুক্তদের মোবাইল ফোনগুলি।

    মাস্টারমাইন্ড ললিত

    বুধবার লোকসভার অধিবেশন চলাকালীন দর্শক গ্যালারি থেকে লাফিয়ে অধিবেশন কক্ষে পড়ে দুই হানাদার। আগে থেকে জুতোয় লুকিয়ে রাখা স্মোক গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটায় তারা। তার জেরে অধিবেশন কক্ষ ভরে যায় রঙিন ধোঁয়ায়। পরে দুই সাংসদের হাতে ধরা পড়ে যায় হানাদাররা। ওই ঘটনায় সংসদ চত্বর থেকে গ্রেফতার করা হয় আরও দুজনকে। তার পরেই জানা যায়, লোকসভাকাণ্ডের (Parliament Security Breach) মাস্টারমাইন্ড ললিত। ললিতকে টানা জেরা করছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল।

    কী জানাল ললিত?

    লাগাতার জেরায় তদন্তকারীদের ললিত জানিয়েছে, যদি ভিজিটর্স গ্যালারি থেকে স্মোক গ্রেনেড বিস্ফোরণের সুযোগ সাগর-নীলমরা না পেত, তাহলে তৈরি ছিল প্ল্যান-বি। ললিত বলেন, “যদি প্রথম পরিকল্পনা অনুযায়ী নীলম ও আমল সংসদের সামনে পৌঁছতে না পারত, তাহলে মহেশ ও কৈলাশকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছিল। অন্য দিক থেকে লোকসভায় গিয়ে কালার বম্ব ফাটাত ওরা। মিডিয়ার ক্যামেরার সামনে স্লোগান দেওয়ার জন্যও তৈরি ছিল দুজন।”

    আরও পড়ুুন: “মোদিজির পা ধরে লাভ নেই, কিছুই পাবেন না”, দিল্লিতে বৈঠকের আগে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    অপারেশন সাকসেসফুল হওয়ার পর যাতে তারা পালাতে পারে, সেজন্য বাকিদের সাহায্য করতেও একটি প্ল্যান তৈরি করে রেখেছিল ললিত। কথা ছিল, সকলেই পালিয়ে যাবে রাজস্থানে। পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে নীলম, সাগর, মনোরঞ্জন ও আমলকে পালাতে সাহায্য করার কথা ছিল মহেশের। ললিতের জন্য গেস্ট হাউসের ব্যবস্থা করেছিল এই মহেশই। এই গেস্ট হাউসে বসেই টেলিভিশনের পর্দায় লোকসভাকাণ্ডের খবরের ওপর নজর রাখছিল সে।

    এদিকে, সেদিনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে চাইছে দিল্লি পুলিশ। ঘটনার দিনের মতোই সাগর ও মনোরঞ্জন দর্শক গ্যালারি থেকে ঝাঁপ দেবে লোকসভার চেম্বারে। নিরাপত্তার বজ্র আঁটুনি পেরিয়ে বুধবার তারা কীভাবে লোকসভার অধিবেশন কক্ষে ঢুকে পড়েছিল, মূলত তা-ই জানতে চাইছেন তদন্তকারীরা (Parliament Security Breach)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: “রাজনীতি করবেন না”, লোকসভাকাণ্ডে বিরোধীদের পরামর্শ শাহের

    Parliament Security Breach: “রাজনীতি করবেন না”, লোকসভাকাণ্ডে বিরোধীদের পরামর্শ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপদের সময় একজোট হওয়াটাই দস্তুর। এমন উদাহরণ রয়েছে ‘মহাভারতে’ও। তবে বিজেপি-বিরোধী দলগুলি আবার কবে মান্যতা দিয়েছে ‘রামায়ণ’-‘মহাভারত’কে? তাই লোকসভাকাণ্ডের (Parliament Security Breach) পরেও সরকারের পাশে না থেকে লড়াই করছেন রাজনৈতিক ফয়দা তুলতে! অন্তত এমনই অভিযোগ শাসক দলের।

    কী বললেন শাহ?

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “এটি একটি সিরিয়াস ঘটনা। বিরোধীরা এই ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করছে। নিশ্চয়ই কোথাও একটা ফাঁক ছিল। কিন্তু সবাই জানে, সংসদের নিরাপত্তা স্পিকারের অধীনে থাকে ও স্পিকার ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চিঠি লিখেছেন। আমরা একটি তদন্ত কমিটি গড়েছি। খুব শীঘ্রই রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে স্পিকারের কাছে।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, লোকসভায় নিরাপত্তা লঙ্ঘন কেন হল, তা নিয়ে তদন্তের নির্দেশের পাশাপাশি লোকসভার নিরাপত্তা আরও বাড়ানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে তদন্ত (Parliament Security Breach) কমিটিকে। তিনি বলেন, “কোনও ফাঁক থাকা উচিত নয়। যদি কোনও ফাঁক থেকে যায়, তা পূরণ করার দায়িত্ব আমাদের। আমাদের আবেদন, এই ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করবেন না।”

    নেপথ্য কাহিনি

    প্রসঙ্গত, বুধবার দুপুরে অধিবেশন চলাকালীন আচমকাই লোকসভার দর্শক গ্যালারি থেকে ঝাঁপ দেয় দুই হানাদার। যে সময় তারা লাফিয়ে পড়েছিল, সেই সময় ছিল লোকসভার জিরো আওয়ার। প্রশ্ন করছিলেন মালদহ উত্তরের সাংসদ বিজেপির খগেন মুর্মু। হঠাৎ করে এই ঘটনায় হকচকিয়ে যান সাংসদরা। সেই সুযোগে হানাদাররা জুতোয় লুকিয়ে রাখা স্মোক গ্রেনেডের ক্যান দেয়। রঙিন ধোঁয়ায় ঢেকে যায় অধিবেশন কক্ষ। সেই সময় কোনওমতে দুই সাংসদ – উত্তরপ্রদেশের বহুজন সমাজবাদী পার্টির মালুন নাগর ও রাজস্থানের রাষ্ট্রীয় লোকতান্ত্রিক পার্টির হনুমান বেনীওয়াল ধরে ফেলেন হানাদারদের।

    আরও পড়ুুন: বৈঠক ডাকতে পারেন অন্তর্বর্তী উপাচার্যরা, সাফ জানালেন রাজ্যপাল

    সাগর শর্মা ও মনোরঞ্জন ডি নামের ওই দুই হানাদারকে তুলে দেওয়া হয় মার্শালের হাতে। পরে সংসদের বাইরে একই কাণ্ড ঘটানোয় গ্রেফতার করা হয় আরও দুজনকে। চারজনকেই তুলে দেওয়া হয় দিল্লি পুলিশের হাতে। ঘটনার দিন লোকসভায় ছিলেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরের দিনই তিনি প্রবীণ মন্ত্রীদের ডেকে সবিস্তারে অবগত হন বিষয়টি। সেই সময়ই তিনিও জানিয়েছিলেন, এটা নিরাপত্তার বিষয়। এটা নিয়ে রাজনীতি করা ঠিক নয়। প্রধানমন্ত্রীর সেই বার্তারই (Parliament Security Breach) প্রতিধ্বনি শোনা গেল তাঁরই সতীর্থ অমিত শাহের মুখেও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: ললিতের সঙ্গে তৃণমূল বিধায়কের সেলফি, লোকসভাকাণ্ডে ‘প্রমাণ’ দিলেন সুকান্ত!

    Parliament Security Breach: ললিতের সঙ্গে তৃণমূল বিধায়কের সেলফি, লোকসভাকাণ্ডে ‘প্রমাণ’ দিলেন সুকান্ত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার লোকসভাকাণ্ডের (Parliament Security Breach) সঙ্গে উঠল তৃণমূল যোগের অভিযোগ। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের দাবি, সংসদে তাণ্ডবের মাস্টারমাইন্ড ললিত ঝা দীর্ঘদিন ধরে বিধায়ক তৃণমূলের তাপস রায়ের ঘনিষ্ঠ।

    কী বললেন সুকান্ত?

    বক্তব্যের স্বপক্ষে তাপসের সঙ্গে ললিতের ছবিও শেয়ার করেছেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত। একই অভিযোগ করেছেন হুগলির সাংসদ বিজেপির লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। রীতিমতো সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে এক ফ্রেমে বন্দি ললিতের ছবিও দেখিয়েছেন লকেট। যদিও এই ছবির সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। বিজেপির জোড়া সাংসদের এই একই দাবিকে ঘিরে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। লকেট যেখানে সাংবাদিক বৈঠক করে তাপসের সঙ্গে ললিত যোগের ‘প্রমাণ’ দিচ্ছেন (Parliament Security Breach), তখন এক্স হ্যান্ডেলে বিধায়কের সঙ্গে ললিতের ছবি শেয়ার করছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    ‘সেদিনের রাজনীতিক’ আখ্যা

    ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, “ললিত ঝা, আমাদের গণতন্ত্রের মন্দিরে আঘাত হানার মাস্টারমাইন্ডের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের তাপস রায়ের দীর্ঘদিন ধরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।…এটা কী তদন্তের জন্য প্রমাণ হিসেবে যথেষ্ঠ নয়?” বিজেপির তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তাপস। তাঁর দাবি, ললিত ঝা-কে তিনি চেনেনই না। সুকান্তকে ‘সেদিনের রাজনীতিক’ আখ্যা দিয়ে তাপস বলেন, “এটা ওঁকে প্রমাণ করতে হবে, নাহলে ওঁর সঙ্গে আমার দেখা হবে আদালতে।”

    এক্স হ্যান্ডেলে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য লিখেছেন, “এ পর্যন্ত এই পুরো এপিসোডে যারা যুক্ত, তাদের সঙ্গে কংগ্রেস, সিপিআই (মাওবাদী) এবং এখন তৃণমূলের লিঙ্ক রয়েছে।”

    প্রসঙ্গত, বুধবার অধিবেশন চলাকালীন লোকসভার দর্শক গ্যালারি থেকে আচমকাই ঝাঁপিয়ে পড়ে দুই হানাদার। ‘স্মোক গ্রেনেড’ ছড়িয়েও দেয় তারা। শেষমেশ তাদের পাকড়াও করে লোকসভারই দুই সাংসদ। তুলে দেওয়া হয় মার্শালদের (Parliament Security Breach) হাতে।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর নিরাপত্তায় বিস্তর ত্রুটি! রাজ্যের থেকে রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share