Tag: Partition Horrors Remembrance Day

Partition Horrors Remembrance Day

  • Partition Horrors Remembrance Day: ‘‘মানুষ শূন্য থেকে নিজেদের জীবন নতুন করে গড়ে তুলেছিল’’ দেশভাগের ‘বিভীষিকা’কে স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর

    Partition Horrors Remembrance Day: ‘‘মানুষ শূন্য থেকে নিজেদের জীবন নতুন করে গড়ে তুলেছিল’’ দেশভাগের ‘বিভীষিকা’কে স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের আগে শুক্রবার দেশভাগের কথা স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ সেই ভয়াবহ স্মৃতিকে মনে করে শুক্রবার ‘পার্টিশন হররস রিমেমব্রেন্স ডে’ (Partition Horrors Remembrance Day) বা দেশভাগের ভয়াবহতা স্মরণ দিবস উপলক্ষে দেশভাগের শিকার মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi on Partition)। তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালের দেশভাগ বহু মানুষের জীবন ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছিল, পরিবারকে বাস্তুচ্যুত করেছিল এবং অসীম দুর্ভোগের কারণ হয়েছিল। সমাজমাধ্যমে এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশভাগের সময় ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও সাধারণ মানুষ অসীম সাহস ও দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছিলেন। ঘরবাড়ি, সম্পদ ও প্রিয়জন হারিয়েও তাঁরা নতুন করে জীবন শুরু করেন এবং পরবর্তীকালে দেশের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

    দেশভাগের ভয়ঙ্কর স্মৃতিচারণা প্রধানমন্ত্রীর

    দেশভাগের পরবর্তী দাঙ্গা ও ব্যাপক হিংসাত্মক ঘটনায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছিলেন, তাঁদের স্মরণে মোদি সরকার ২০২॥ সাল থেকে ১৪ অগাস্ট দিনটিকে ‘বিভাজন বিভীষিকা স্মৃতি দিবস’ (Partition Horrors Remembrance Day) হিসেবে পালন করে আসছে। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “আজ আমরা ‘বিভাজন বিভীষিকা স্মৃতি দিবস’ পালন করছি। দেশভাগের ফলে যাঁরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন, তাঁদের সকলের সাহসিকতাকে আমরা স্মরণ করছি। ইতিহাসের সেই মুহূর্তটি বহু মানুষের জীবন ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছিল, বহু পরিবার নিজেদের ভিটেমাটি ও প্রিয়জনদের হারিয়েছিল এবং অকথ্য যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়েছিল মানুষকে।”

    দেশে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্যকে সুদৃঢ় করার আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “সেই চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও মানুষ শূন্য থেকে নিজেদের জীবন নতুন করে গড়ে তুলেছিল ৷ প্রতিকূলতাকে সাফল্যে পরিণত করেছিল ৷ দেশের অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য অবদানও রেখেছেন তাঁরা।” তাঁর মতে, সেইসব মানুষদের জীবনগাথা সকলকে অদম্য মানসিক শক্তির কথা মনে করিয়ে দেয় । মোদি বলেন, “এই দিনটি যেন আমাদের দেশে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখার সংকল্পকে আরও দৃঢ় করে ৷ প্রধানমন্ত্রী লেখেন, দেশভাগের স্মৃতি আমাদের মানুষের অসীম মানসিক শক্তির কথা মনে করিয়ে দেয়। এই দিনটি দেশে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্য আরও সুদৃঢ় করার সংকল্পকে গভীর করুক এবং একটি ‘বিকশিত ভারত’ গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার প্রেরণা দিক।

    গভীর বেদনা ও স্মৃতির প্রতীক

    ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে ভারত। স্বাধীনতার সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের পাশাপাশি দেশভাগের যন্ত্রণা ভারতীয় ইতিহাসে এক গভীর ক্ষত তৈরি করে। দেশভাগের ফলে ব্যাপক সাম্প্রদায়িক হিংসা, প্রাণহানি ও উদ্বাস্তু সংকট দেখা দেয়। ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম গণ-অভিবাসনের ঘটনা ছিল ১৯৪৭-এর দেশভাগ। প্রায় ২ কোটি মানুষ এর ফলে প্রত্যক্ষভাবে প্রভাবিত হন বলে বিভিন্ন ঐতিহাসিক হিসাব থেকে জানা যায়। লক্ষ লক্ষ পরিবারকে তাঁদের পূর্বপুরুষের ভিটে, গ্রাম, শহর ও সম্পত্তি ছেড়ে অজানা জায়গায় নতুন করে জীবন শুরু করতে হয়েছিল। দেশভাগের সেই ভয়াবহ অধ্যায় আজও ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে গভীর বেদনা ও স্মৃতির প্রতীক। তবে সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে উদ্বাস্তু মানুষের ঘুরে দাঁড়ানোর সংগ্রাম ও সাফল্যও দেশের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

  • Partition Horrors Remembrance Day:  বিভাজন বিভীষিকা স্মরণ দিবসে নেহরুকে নিশানা বিজেপির

    Partition Horrors Remembrance Day:  বিভাজন বিভীষিকা স্মরণ দিবসে নেহরুকে নিশানা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিভাজন বিভীষিকা স্মরণ দিবসে (Partition Horrors Remembrance Day) কংগ্রেসকে নিশানা গেরুয়া শিবিরের। এদিন বিজেপির (BJP) তরফে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। তাতে আক্রমণ শানানো হয়েছে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে (Jawaharlal Nehru)।

    সাত মিনিটের একটি ভিডিও তৈরি করে প্রচার করছে পদ্ম শিবির। আর্কাইভের ছবি ব্যবহার করে তৈরি করা ওই ভিডিওয় পাকিস্তান (Pakistan) গঠনের জন্য মহম্মদ আলি জিন্নার নেতৃত্বাধীন মুসলিম লিগের কাছে নেহরু নতি স্বীকার করেছিলেন বলে অভিযোগ বিজেপির। দেশভাগের সময়কার বিভিন্ন ছবি ব্যবহার করে তৈরি করা ওই ভিডিও ট্যুইট করে বিজেপির পক্ষ থেকে লেখা হয়েছে, যাদের ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, সভ্যতা, মূল্যবোধ, তীর্থস্থান সম্পর্কে কোনও জ্ঞানই ছিল না, তারা মাত্র তিন সপ্তাহে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এক সঙ্গে বসবাসকারী মানুষের মধ্যে দেশভাগের রেখা টেনেছিল। এই বিভাজনকারী শক্তির সঙ্গে লড়াই করার দায়িত্ব যাদের ছিল, সেই সময় কোথায় ছিলেন তাঁরা? বাংলা এবং পাঞ্জাব ভাগের প্রসঙ্গও রয়েছে বিজেপির তৈরি করা এই ভিডিওয়।

    আরও পড়ুন :বিজেপি-সঙ্গ ত্যাগ নিছক উপলক্ষ, নীতীশের লক্ষ্য কি প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি?

    গত বছরই দেশভাগ বিভীষিকা স্মরণ দিবস পালন করার কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বিজেপির দাবি, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের জেরে ভারতীয়দের যে সমস্যা, দুর্দশার মধ্যে পড়তে হয়েছিল, তা মনে করাতেই এই উদ্যোগ। দেশভাগ বিভীষিকা স্মরণ দিবসে নেহরুকেই নিশানা বিজেপির। এদিন সকালে এনিয়ে ট্যুইটও করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।  

    পাল্ট জবাব দিয়েছে কংগ্রেসও। কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশ ট্যুইট বার্তায় বলেন, এই দিনটি স্মরণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর মূল উদ্দেশ্য হল বর্তমান রাজনৈতিক লড়াইয়ের রসদ সংগ্রহ করা। লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুহারা হয়েছিলেন, প্রাণ হারিয়েছিলেন। তাঁদের সেই ত্যাগের কথা ভুললে চলবে না। তাঁর প্রশ্ন, প্রধানমন্ত্রী কি আজকে জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কেও স্মরণ করবেন, যিনি শরৎচন্দ্র বসুর ইচ্ছার বিরুদ্ধে বঙ্গভঙ্গের পক্ষে ছিলেন? তাঁর কটাক্ষ, আধুনিক কালের সাভারকার এবং জিন্নারা ফের বিভক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাঁর দাবি, গান্ধী, নেহরু, প্যাটেল সহ যাঁরা দেশকে এক করার চেষ্টা করেছিলেন, তাঁদের উত্তরাধিকারকে কংগ্রেস এগিয়ে নিয়ে যাবে। পরাজিত হবে বিদ্বেষের রাজনীতি।

    আরও পড়ুন : ফের উদ্ধার মোটা অঙ্কের টাকা, পুলিশ হেফাজতে ঝাড়খণ্ডের ৩ কংগ্রেস বিধায়ক

     

LinkedIn
Share