Tag: paschim bardhaman

paschim bardhaman

  • Paschim Bardhaman: তোলাবাজির অভিযোগ উঠতেই আঁতে ঘা, তৃণমূল নেতাদেরও চক্ষুশূল হয়ে গেল পুলিশ! 

    Paschim Bardhaman: তোলাবাজির অভিযোগ উঠতেই আঁতে ঘা, তৃণমূল নেতাদেরও চক্ষুশূল হয়ে গেল পুলিশ! 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসিএলের খনি ভরাট করার জন্য প্রয়োজন বালি। বরাত পাওয়া প্রাইভেট সংস্থার বালির গাড়ি অবৈধ, এই অভিযোগ তুলে তা আটকে দিয়ে বিপাকে পড়েছেন জামুরিয়ার তৃণমূল নেতা তথা পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ। সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন দুই তৃণমূল নেতা। সংস্থার তরফে কর্মাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে তোলাবাজির। ঘটনার প্রেক্ষিতে সংঘাত লেগেছে তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে জামুরিয়া থানার। জামুরিয়া থানার পুলিশের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলে দলীয় পদ এবং সরকারি পদ থেকে পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামুড়িয়ার পরাশিয়া পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান, সমিতির সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, অবৈধ এবং দূষিত বালিমাটি পরিবহণ তাঁরা আটকে দিয়েছেন মানুষের স্বার্থে। কিন্তু পুলিশ কাজ করছে ওই প্রাইভেট সংস্থার হয়ে, মানুষের হয়ে নয়। এই নিয়ে সরগরম জামুরিয়ার (Paschim Bardhaman) রাজনীতি।

    কাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ?

    ইসিএলের কাজে বাধা দেওয়া ও তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে জামুরিয়া পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ, তৃণমূল কংগ্রেস নেতা উদীপ সিংয়ের বিরুদ্ধে। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, বেআইনি ও অবৈধ কাজ বরদাস্ত নয়। তারপরেই সক্রিয় হয়ে ওঠেন জামুরিয়া পঞ্চায়েত এলাকার তৃণমূল নেতারা (Trinamool Congress)। মাটি, বালি, ফ্লাইঅ্যাশ বোঝাই গাড়ি দেখলেই অভিযান শুরু নেতাদের। এই নিয়েই তৃণমূল নেতাদের একাংশের সঙ্গে লাগল সংঘাত। প্রাইভেট সংস্থার অভিযোগ, অভিযানের নামে তোলাবাজিতে নেমেছেন ওই তৃণমূল নেতারা।

    পাল্টা কী হুমকি দিলেন তৃণমূল নেতা? (Paschim Bardhaman)

    ইসিএলের কুনুস্তোরিয়া এরিয়ার পরাশিয়া গ্রুপ অফ মাইনসের এজেন্ট মধুসূদন সিং ও ইসিএলের টেন্ডার পাওয়া একটি বেসরকারি সংস্থার তরফে পিওবি (প্রসেস ওভার বার্ডেন) প্ল্যান্টের ইনচার্জ অসীম চক্রবর্তীর অভিযোগের ভিত্তিতে জামুড়িয়া থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত উদীপ সিং ও তার ৬ সঙ্গী সহ ২০-২৫ জনের নামে একটি এফআইআর করেছে। শনিবার রাতে তাঁদের মধ্যে দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। তাঁরা হলেন রঘুপদ মণ্ডল ও মলয় মণ্ডল। পুলিশ অ্যাকশন নিতেই  জামুড়িয়া ব্লকের পরাশিয়া গ্রামে সাংবাদিক সম্মেলনে করে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করলেন তৃণমূল নেতা, তথা কর্মাধ্যক্ষ উদীপ সিং। পাল্টা তিনি জামুরিয়া থানার (Paschim Bardhaman) ওসি রাজশেখর মুখোপাধ্যায়, ইসিএল এবং ওই বেসরকারি সংস্থার আধিকারিককে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, আমি জামুরিয়া এলাকায় মাটি ও বালির বেআইনি কারবার বন্ধে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে এফআইআর করা হয়েছে। এদিন তাঁর সঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলনে পরাশিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নির্বাচিত গ্রামসদস্য ছিলেন। উদীপ সিং এদিন হুমকি দিয়ে বলেন, দল পাশে না দাঁড়ালে এই ঘটনার বিরুদ্ধে সবাইকে নিয়ে অবস্থানে বসব। দলের নেতৃত্বকে সব জানিয়েছি। দল যদি পাশে না দাঁড়ায় তাহলে পদত্যাগ করব, এমন হুমকিও তিনি দেন। তিনি বলেন, আমি ইতিমধ্যেই ওই বেসরকারি সংস্থার আধিকারিকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছি। আর কী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তা নিয়ে পরামর্শ করছি।

    কী প্রতিক্রিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের, কী বলছে বিজেপি?

    অন্যদিকে, দায় এড়িয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের জামুরিয়ার (Paschim Bardhaman) বিধায়ক হরেরাম সিং বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখব। বিষয়টি জানা নেই। পাণ্ডবেশ্বর প্রাক্তন বিধায়ক, বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তেওয়ারি বলেন, তৃণমূলে যাঁরা থাকেন, তাঁরা স্বাধীনভাবে থাকতে পারেন না বা তাঁদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার অধিকারও নেই। কারণ জামুরিয়ার সমস্ত কিছুই আসানসোলের তৃণমূল নেতৃত্ব দ্বারা পরিচালিত হয়। তাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেও দল ও পুলিশ-প্রশাসন থেকে অভিযোগের কাঠগড়ায় তোলা হবে উদীপকেই। সম্মান নিয়ে যদি উনি বাঁচতে চান, ওঁকে তৃণমূল ছাড়তে হবে। আর যদি উনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে চান, আত্মসমর্পণ না করতে চান, তাহলে দল ছাড়ুন। আমরা তাঁর (Trinamool Congress) পাশে থাকব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP News: দুর্গাপুরে বিজেপিতে যোগ দিতেই বাড়িতে হামলা ও বোমাবাজি! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    BJP News: দুর্গাপুরে বিজেপিতে যোগ দিতেই বাড়িতে হামলা ও বোমাবাজি! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় বাড়ি লক্ষ্য করে পর পর তিনটি বোমাবাজি ছোড়ার অভিযোগ। অভিষেক রায় ওরফে রকির বাড়িতে বোমাবাজিরে জেরে আতংকিত তাঁর পরিবার এবং স্থানীয়রা। উত্তপ্ত দুর্গাপুরের (Durgapur) ইস্পাত নগরীর কনিষ্ক এলাকা। অভিযোগের তির তৃণমূল (TMC) আশ্রিত দুষ্কৃতিদের দিকে। বোমাবাজির পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দুর্গাপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। যদিও অভিযুক্তরা অধরা। বিজেপি (BJP News) সূত্রে খবর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

    ঘটনার সূত্রপাত (BJP News)

    জানা গিয়েছে পশ্চিম বর্ধমান (Paschim bardhaman) জেলার এসসি সেলের সভাপতি ছিলেন অভিষেক রায় (Abhshek Roy) ওরফে রকি। শনিবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে (BJP News) যোগদান করেন তিনি। এর পরেই তাঁকে হুমকি দেওয়া শুরু হয়। এখানেই থেমে থাকেনি তৃণমূল বাহিনী। দলবল নিয়ে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতিরা রকি সহ অন্যান্য বিজেপি কর্মীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। দুপক্ষের হাতাহাতি সংঘর্ষে পরিণত হয়। রণক্ষেত্রে মত পরিস্থিতির জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। মুহুর্মুহু ইট বৃষ্টিতে আহত হয় বিজেপির বেশ কয়েকজন কর্মী। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এলাকায় পুলিশ আসে । দায়ের হয় অভিযোগ।এর পর রবিবার রাতে ফের বোমাবাজিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ওই এলাকা। বিজেপি কর্মীদের কোণঠাসা করার লক্ষ্যে অভিষেক রায়ের বাড়িতে দফায় দফায় চলে বোমাবাজি।

    আক্রান্ত নেতার বক্তব্য

    বিজেপিতে (BJP News) যোগদান করার পর অভিষেক রায় অভিযোগের সুরে বলেন, ” রাতে দিকে কাজ থেকে ফিরে আমি যখন বাড়ির মধ্যে বাইক রাখতে যাচ্ছি দেখি আমাকে লক্ষ্য করে ৩টি বোম ছোড়া হয়। আমি বোমা ছোড়ার দৃশ্য দেখে ঘরে ভেতরে ঢুকে যাই। তখনই দুটি বোম ফাটে। বিকট শব্দ হওয়ায় পাড়ার লোক বেরিয়ে আসেন। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। একটি বোম ফাটে নি।” তৃণমূল নেতা বান্টি সিংহের নেতৃত্বে এই কাজ হয়েছে বলেও অভিযোগ রকির।

    আরও পড়ুনঃ কসবায় বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতিকে আক্রমণের ঘটনায় গ্রেফতার ২ অভিযুক্ত

    পুলিশের পদক্ষেপ

    পুলিশ পৌঁছে একটি বোম উদ্ধার করে নিয়ে যায়। দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেওয়ারও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। যদিও জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য,”বিজেপির (BJP News) গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বেড়েছে। আদি আর নব্য বিজেপিদের মধ্যে এই ঝামেলা। আর নিজেদের দোষ ঢাকতে তৃণমূলকে দোষারোপ করা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paschim Bardhaman: কোটি টাকার ভবনে ভবঘুরেদের জন্য নেই কোনও পরিষেবা, বিস্ফোরক তৃণমূল চেয়ারম্যান!

    Paschim Bardhaman: কোটি টাকার ভবনে ভবঘুরেদের জন্য নেই কোনও পরিষেবা, বিস্ফোরক তৃণমূল চেয়ারম্যান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ভবঘুরেদের জন্য পাঁচ বছর আগেই নীল-সাদা বিশাল ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তা চালু হয়নি। এই কঠিন হাড় কাঁপানো ১০-১২ ডিগ্রি তাপমাত্রার শীতে গৃহহীনদের খোলা আকাশের নীচে কম্বল নিয়ে শুতে হচ্ছে। সরকারি বন্দোবস্ত থাকলেও মিলছে না পরিষেবা। এমনই বাস্তব চিত্রের উদাহরণ পাওয়া গেল পশ্চিম বর্ধমানের (Paschim Bardhaman) রানীগঞ্জে। ঘটনায় এলাকা ব্যাপক সরগরম হয়েছে। একই ভাবে টাকা নিয়ে ঘর দেওয়ার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক হলেন খোদ তৃণমূল চেয়ারম্যান।

    কোটি টাকায় নির্মিত হয়েছে ভবন (Paschim Bardhaman)

    কোটি টাকা খরচ করে নির্মাণ করা হয়েছিল ভবোঘুরেদের জন্য এই ভবন। আজ থেকে প্রায় পাঁচ বছর আগে নির্মাণ করা হয়েছিল। আসানসোল (Paschim Bardhaman) পুরনিগমের ৮৮ নম্বর ওয়ার্ডের উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছিল এই ভবন। মূল উদ্দেশ্য ছিল যাঁদের বাড়ি নেই, মাথা গোজার জায়গা নেই, গৃহহীন এবং ভবঘুরে তাঁদেরকে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল এখানে। রাস্তায় রাত না কাটিয়ে যাতে পাকা ছাদের নিচে বসবাস করতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যেই নির্মাণ করা হয় এই সুবিশাল ভবন। কিন্তু ভবন নির্মাণ হলেও চালু হয়নি। মানুষকে এই শীতে বাইরেই রাত কাটাতে হচ্ছে।

    বোরো চেয়ারম্যানের বক্তব্য

    রানিগঞ্জ (Paschim Bardhaman) বরোর তৃণমূল চেয়ারম্যান মোজাম্মেল শাহজাদা বিস্ফোরক মন্তব্য করে বলেন, “এই ভবনের পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল কলকাতার এক বেসরকারি সংস্থাকে। আর এই সংস্থার পক্ষ থেকে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সেই ব্যক্তি ঘর দেওয়ার নাম করে মানুষের কাছে ৫-৬ হাজার করে টাকা তোলে। রুম দেওয়ার নাম করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে। পরে ঝামেলা হলে ভবনের চাবি পুরনিগমের কাছে জমা করতে বলা হয়। পরে এলাকার বিধায়ক এবং পুরনিগমকে বিষয়টি জানানো হয়। আমরা চাই দ্রুত সমস্যার সমাধান হোক। ভবনটি দ্রুত চালু করুক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Bardhaman: গ্যাসের রি-কেওয়াইসি’র নামে ফের টাকা নেওয়ার অভিযোগে ধুন্ধুমার

    Paschim Bardhaman: গ্যাসের রি-কেওয়াইসি’র নামে ফের টাকা নেওয়ার অভিযোগে ধুন্ধুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য যেন মগের মুলুক। সরকার বা প্রশাসনের কোনও নিয়ন্ত্রণই নেই। যে কাজে টাকা লাগার কথা নয়, সেই কাজে টাকা নেওয়াটা যেন রাজ্যে অলিখিত প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর প্রশাসন! সে তো চোখ থাকতেই অন্ধ। গ্যাসের ভর্তুকির রি-কেওয়াইসি করে দেওয়ার নামে ডিলাররা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে। ফের এমন অভিযোগে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে পশ্চিম বর্ধমানের উখড়ায় (Paschim Bardhaman)।

    ঘটনা কী ঘটেছে (Paschim Bardhaman)?

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী গ্যাসে ভর্তুকি পেতে হলে রি-কেওয়াইসি করাটা বাধ্যতামূলক। বিভিন্ন জায়গায় সম্প্রতি শুরু হয়েছে রি-কেওয়াইসির কাজ। গ্যাসের দোকানে তাই লম্বা লম্বা লাইন। কিছু জায়গায় আধার যোগের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে উঠছে অভিযোগ। এই নিয়ে এলাকার (Paschim Bardhaman) মানুষের প্রশাসনের বিরুদ্ধে বেজায় ক্ষুব্ধ। বৃহস্পতিবার উখড়া (Paschim Bardhaman) গ্রামের নতুন হাটতলা এলাকায় দেখা গেল এরকমই ছবি। চার-পাঁচদিন ধরে নতুন হাটতলায় একটি দোকানের বাইরে উজ্জ্বলা গ্যাসের ভর্তুকির জন্য আধার যোগের কাজ চলছিল অস্থায়ী ক্যাম্প করে। ওই ক্যাম্পে প্রতি গ্রাহকের কাছ থেকে আধার যোগের নামে ৪০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। তবে টাকা নিলেও কোনও রসিদ না দেওয়ায় সন্দেহ হয় গ্রাহকদের। খোঁজ নিয়ে গ্রাহকরা জানতে পারেন, আধার লিঙ্কের জন্য কোনও টাকা লাগে না। এরপরই টাকা ফেরত দেওয়ার দাবিতে সরব হন গ্রাহকদের একাংশ। এরপর ক্যাম্পে ছড়ায় উত্তেজনা।

    ঘটনাস্থলে পুলিশ

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে উখড়া (Paschim Bardhaman) ফাঁড়ির পুলিশ। গ্যাসের ডিলার বিশ্বজিৎ মাঝি ও কর্মী নির্মলকুমার ঠাকুরকে আটক করে উখড়া ফাঁড়িতে নিয়ে যায় পুলিশ। স্থানীয় গ্রাহক সীমা রুইদাস এবং নাসরিন খাতুন বলেন, “রি-কেওয়াইসি’তে আধার যোগের জন্য ৪০ টাকা করে আমাদের কাছে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিনিময়ে কোনও রসিদ দেয়নি ওই ডিলার।” ঘটনায় অভিযুক্ত আটক ডিলার বিশ্বজিৎ মাজি বলেন, “ক্যাম্পটি আয়োজন করেছে একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠী। কেন টাকা নেওয়া হয়েছে, সেটা তারাই বলতে পারবে।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    উখড়া (Paschim Bardhaman) গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান মীনা কোল বলেন, “ক্যাম্প করার কথা পঞ্চায়েতকে জানানো হয়নি। আধার যোগের নামে টাকা নেওয়াটা বেআইনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Bardhaman: পরীক্ষাতেও কাটমানি! উচ্চ মাধ্যমিকের ফর্ম ফিলাপে দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত ২০০ টাকা!

    Paschim Bardhaman: পরীক্ষাতেও কাটমানি! উচ্চ মাধ্যমিকের ফর্ম ফিলাপে দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত ২০০ টাকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফর্ম ফিলাপে স্কুলে দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত ২০০ টাকা। এই অভিযোগে পশ্চিম বর্ধমানের (Paschim Bardhaman) এক সরকারি স্কুল শোরগোল পড়েছে। স্কুলের ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকের মধ্যে উত্তেজনা। ঘটনাটি ঘটেছে কাঁকসা গোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে। রাজ্যের সরকারি স্কুলে কি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসতে গেলে কাটমানি নেওয়া হচ্ছে? ঠিক এই প্রশ্নটাই করছেন শিক্ষাবিদদের একাংশ।

    পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ কী (Paschim Bardhaman)?

    স্থানীয় (Paschim Bardhaman) সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুলের এই বছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ তুলেছেন, পরীক্ষার ফর্ম ফিলাপের জন্য অতিরিক্ত ২০০ টাকা দিতে হচ্ছে। সাধারণ স্কুলের পরীক্ষার ফিজ ২০০ টাকা। কিন্তু আরও অতিরিক্ত ২০০ টাকা যুক্ত করে মোট ৪০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। টাকার পরিমাণ বেশি হওয়ায় পরীক্ষার্থী এবং স্কুলছাত্রদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের দাবি, স্কুলে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার জন্য অনেক ছাত্রছাত্রীদের সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। ইতিমধ্যেই স্কুলের পরিচালন সমিতি এবং প্রধান ইনচার্জ শিক্ষকের কাছে অভিযোগ জানিয়ে তীব্র অসন্তোষ ব্যক্ত করেছে।

    স্কুল সভাপতির বক্তব্য

    স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হবে, আগেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে অতরিক্ত টাকার বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। স্কুল পরিচালন সমিতির (Paschim Bardhaman) সভাপতি জানিয়েছেন, “২০০ করে টাকা ফর্ম ফিলাপের জন্য নেওয়া হবে। আর আরও অতিরিক্ত ২০০ করে টাকা স্কুলের উন্নয়নের জন্য নেওয়া হবে। তবে কোনও পরীক্ষার্থীর আর্থিক ভাবে সমস্যা থাকলে বা টাকা দিতে সমস্যা হলে আমাদের আবেদন করলে বিবেচনা করব।” উল্লেখ্য, স্কুলের জন্য অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়টি কোনও ছাত্রই ভালো ভাবে নিচ্ছে না। একই বিষয়ে অনেক শিক্ষকও ছাত্রদের সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন।

    স্কুল ইনচার্জের বক্তব্য

    স্কুল (Paschim Bardhaman) ইনচার্জ সুচেতা পোদ্দার বলেন, “আমি মাত্র কয়েকদিন আগে স্কুলে জয়েন করেছি। এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আমি কিছু জানি না। সত্যিই টাকা নেওয়া হচ্ছে কিনা জেনে বলবো।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Burdwan: দোতলা বাড়িতে থেকেও তৃণমূল নেতা ১০০ দিনের শ্রমিক, পেলেন ‘অভিষেকের টাকা’!

    Burdwan: দোতলা বাড়িতে থেকেও তৃণমূল নেতা ১০০ দিনের শ্রমিক, পেলেন ‘অভিষেকের টাকা’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এলাকায় পড়ল পোস্টার। আর সেটাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম বর্ধমানের (Burdwan) কাঁকসা মলানদিঘি এলাকায়। যে তৃণমূল নেতার নামে পোস্টার পড়েছে তাঁর নাম সুকুমার সাহা। তাঁর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির দু’বারের সদস্য। এক সময় পঞ্চায়েত সমিতির স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষও ছিলেন তিনি।

    পোস্টারে কী লেখা রয়েছে? (Burdwan)

    তৃণমূল নেতার নামে দেওয়া পোস্টারে লেখা রয়েছে, ‘৮ লক্ষ টাকার গাড়ির মালিক জব কার্ডধারী, ভাঁওতাবাজ তৃণমূল নেতা সুকুমার সাহা গরিব মানুষের টাকা আত্মসাৎকারী।’ আবার কোনও পোস্টারে ব্লক সভাপতি যে টাকা দিচ্ছেন সুকুমারকে, সেই ছবিও রয়েছে। এ রকম পোস্টার পশ্চিম বর্ধমানের (Burdwan) কাঁকসার মলানদিঘি হাটতলা, পেট্রল পাম্পের সামনে-সহ বিভিন্ন জায়গায় সাঁটানো রয়েছে। আর এই পোস্টার সামনে আসতেই এলাকায় চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    কেন পোস্টার?

    সুকুমারের দোতলা পাকা বাড়ি রয়েছে। হাটতলা এলাকায় প্রসাধনী সামগ্রীর একটি দোকানও রয়েছে। তিনি আবার ১০০ দিনের প্রকল্পের শ্রমিক। কয়েক মাস আগে একশো দিনের বকেয়া টাকা চেয়ে তৃণমূলের দিল্লির কর্মসূচিতেও যোগ দিয়েছিলেন সুকুমার। কিছুদিন আগে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, কেন্দ্র টাকা না দিলে, দলের তরফেই একশো দিনের বকেয়া টাকা সংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের দেওয়া হবে। সেই মতো তাঁকেই সম্প্রতি অর্থ সাহায্য করা হয়েছে। তৃণমূল নেতা সুকুমার সাহাকে টাকা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন দলের ব্লক সভাপতি ভবানী ভট্টাচার্য। বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকার মানুষ প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন। এলাকার (Burdwan) মানুষের বক্তব্য, তৃণমূল নেতা লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক। ১০০ দিনের প্রকল্পে যে দুর্নীতি হয়েছে তা জ্বলন্ত হল এই ঘটনা।

    কী সাফাই দিলেন তৃণমূল নেতা?

    সুকুমারবাবু বলেন, ২০১০ থেকে আমার ‘জব কার্ড’ রয়েছে। তখন থেকে একশো দিনের শ্রমিক হিসাবে কাজ করি আমি। মাটির বাড়িতে বাস করি আমি। যে দোতলা বাড়ির কথা বলা হচ্ছে, সেটি আমার মামাদের। আমার বাবা দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টে (Burdwan) কাজ করতেন। বর্তমানে আমার দাদা ডিএসপিতে কাজ করেন। আমি শ্রমিক।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    পোস্টার প্রসঙ্গে বিজেপির কাঁকসা ৪ নম্বর মণ্ডলের সহ- সভাপতি সপ্তম দাস বলেন, আসলে তৃণমূলের চুরির জন্য যাঁরা একশো দিনের টাকা পাচ্ছেন না, তাঁরা ক্ষোভে এই কাজ করেছেন। এটা ওদের গোষ্ঠী কোন্দল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Bardhaman: অন্ডালে ডাইনি সন্দেহে নির্মম অত্যাচারের শিকার ৬০ বছরের বৃদ্ধা

    Paschim Bardhaman: অন্ডালে ডাইনি সন্দেহে নির্মম অত্যাচারের শিকার ৬০ বছরের বৃদ্ধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলমূত্র মিশিয়ে খাওয়ানো, মাথা ন্যাড়া করা, আগুনে পোড়ানো সহ ভয়ংকর অত্যাচারের শিকার হলেন এক বৃদ্ধা। এই বৃদ্ধা আতঙ্কে ঘরছাড়া হয়েছেন বর্তমানে। বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে পাশে দাঁড়িয়েছে আদিবাসী সমাজের সংগঠন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পশ্চিম বর্ধমানে (Paschim Bardhaman) এই ঘটনায় অত্যন্ত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Paschim Bardhaman)?

    বর্তমান স্মার্ট যুগে দাঁড়িয়েও কুসংস্কারে বিশ্বাসী একদল মহিলার পৈশাচিক অত্যাচারের শিকার হন এক বৃদ্ধা। ঘটনাটি ঘটেছে অন্ডালের (Paschim Bardhaman) দক্ষিণ খণ্ড ডামারিবাঁধ আদিবাসী পাড়ায়। অভিযো, এক গুণিনের নির্দেশেই বৃদ্ধার উপর এমন অকথ্য অত্যাচার করা হয়েছে। আতঙ্কে ১৩ দিন ধরে ঘরছাড়া রয়েছেন নির্যাতিতা বৃদ্ধা।

    নির্যাতিতা বৃদ্ধার বক্তব্য

    নির্যাতিতা বৃদ্ধা জানান, ফরিদপুর (Paschim Bardhaman) থানার ইচ্ছাপুর এলাকার এক গুণিন তথা ওঝা সরস্বতী বাউরি, তাঁকে ডাইনি অপবাদ দেয়। অন্ডাল এলাকার কয়েকজন স্থানীয় ওই গুণিনের কাছে গেলে সে বলে, ওই বৃদ্ধা নাকি তুকতাক জানে। এর পরেই চলতি মাসের ৭ তারিখে প্রায় ১৪-১৫ জন এসে বৃদ্ধার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নেয় এবং মারধরও করে বলে জানা যায়। এরপর তাঁকে নগ্ন করে মাথা ন্যাড়া করে এবং মলমূত্র মিশিয়ে জোর করে খাওয়ানো হয়। আর তারপর মাথায় বাঁশ লাঠি দিয়ে মেরে অচেতন করে দিয়ে আগুন দেয় গায়ে বলে অভিযোগ করেন ওই বৃদ্ধা। বাধা দিতে গেলে বৃদ্ধার ছেলেমেয়েকেও মারধর করা হয়। বৃদ্ধার আত্মীয়রা কোনওপ্রকার উদ্ধার করে কাঁকসা ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করেন। এরপর ওই দিন থেকে আতঙ্কে ঘরছাড়া বৃদ্ধা আশ্রয় নিয়েছেন মেয়ের বাড়িতে।

    ঘরে ফেরাতে আদিবাসী সংগঠন

    নির্যাতিত এই বৃদ্ধাকে বাড়ি ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছেন আদিবাসী সংগঠনের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার তাঁরা পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হন। ওই বৃদ্ধা, অভিযুক্ত গুণিন সহ আরও ১৫ জন নির্যাতনকারীর বিরুদ্ধে দুর্গাপুর (Paschim Bardhaman) ফরিদপুর ব্লকের বিডিও ও অন্ডাল থানার পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Bardhaman: রানিগঞ্জে তৃণমূল ছেড়ে নির্দল হতেই আচমকা মনোনয়ন বাতিল! বিক্ষোভ

    Paschim Bardhaman: রানিগঞ্জে তৃণমূল ছেড়ে নির্দল হতেই আচমকা মনোনয়ন বাতিল! বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০ শে জুন মনোনয়নের প্রত্যাহার পর্ব মিটে যাওয়ার পর ২১ তারিখ প্রতীক চিহ্ন নিতে গিয়ে অবাক প্রার্থী। দেখলেন, তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এরপর বিডিও অফিসের সামনে বসে বিক্ষোভ দেখালেন চিন্তা কুমারী নামের ওই নির্দল প্রার্থী।

    কোথায় ঘটেছে?

    ঘটনাটি ঘটেছে রানিগঞ্জ (Paschim Bardhaman) বিডিও অফিসে। নির্দল পদপ্রার্থী চিন্তা কুমারীর অভিযোগ, তিনি গতকাল পর্যন্ত তাঁর নমিনেশন জমা পড়েছে বলে তালিকায় নাম দেখে গেছেন। আজ প্রতীক চিহ্ন আনতে এলে তালিকায় তাঁর নাম নেই বলে জানতে পারেন। তিনি রানিগঞ্জের টিরাট পঞ্চায়েত থেকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা করেছিলেন। স্থানীয় এক যুবক বিট্টু বিশ্বকর্মা নিজেকে সমাজসেবী পরিচয় দিয়ে বলেন, কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, আমরা বিডিও সাহেবের কাছে তা জানতে চাই। আর যদি সন্তোষজনক জবাব না পাই, তাহলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাব। পরে বিষয়টি নিয়ে জেলাশাসক ও পুলিশ কমিশনারের দফতরে জানানো হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

    প্রার্থীর বক্তব্য

    নির্বাচনে প্রার্থী চিন্তাদেবী (Paschim Bardhaman) বলেন, আমি মূলত তৃণমূল দল করি। কিন্তু নির্বাচনে দল টিকিট না দিলে নির্দল প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা করি। বিডিও সাহেব আমাকে বলেন, আমি নাকি অফিসে এসে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করেছিলাম। বিডিও সাহেব আরও বলেন, আমি নাকি বিশেষ কাগজে সই করে আমার নাম প্রত্যাহার করেছি! পাল্টা আমার স্বাক্ষর দেখতে চাইলে উনি আমায় কোনও কাগজ দেখাতে পারেননি বলে দাবি করেন চিন্তাদেবী। তিনি আরও বলেন, একজন তফশিলি সমাজের মহিলা প্রার্থী হিসাবে বিডিও আমার সঙ্গে অন্যায় করছেন। এই ঘটনা নির্বাচনের ইতিহাসে নজিরবিহীন। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমি লড়াই করব। তিনি আরও বলেন, তাঁর প্রতি অন্যায় হয়েছে বলে বিডিও অফিসের সামনে সমর্থকদের নিয়ে বেশ কিছু সময় ধরে ধর্নায়ও বসেছিলেন। এরপর চিন্তাদেবীর সমর্থনে তাঁর কর্মী-সমর্থকরা বিডিও অফিসের সামনে প্রতিবাদ মিছিল করছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Bardhaman: বিজেপির প্রার্থীকে প্রচার না করার জন্য হুমকি, অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    Paschim Bardhaman: বিজেপির প্রার্থীকে প্রচার না করার জন্য হুমকি, অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রথমে মনোনয়নপত্র তোলা, তারপর মনোনয়নপত্র জমা করা এবং এরপরই মনোনয়ন প্রত্যাহার। বিরোধীরা শাসক দলের দুষ্কৃতীদের হাতে বার বার আক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই ধরনের বহু খবর সংবাদ মাধ্যমে শিরোনাম হয়েছে। এবার নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থীদের ভোটের প্রচারকে ঘিরে শাসক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলল বিজেপি। তাদের প্রচার করতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠল পূর্ব বর্ধমানে (Paschim Bardhaman)। কাঁকসার মাধবমাঠ এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায়। বুধবার সকাল থেকেই এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে।

    কী ঘটেছে?

    কাঁকসা (Paschim Bardhaman) গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ৬৫ নম্বর বুথে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন ছোটন বাগদী। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তাঁকে ভয় দেখাত। গতকাল গভীর রাতে তাঁর বাড়িতে তৃণমূল আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী চড়াও হয় এবং তাঁকে নানা ভাবে হুমকি দিয়ে বলে, তিনি যেন এলাকায় কোনও রকম ভোটের প্রচার না করেন। এমনকী ভোটের প্রচারে বের হলে তাঁকে দেখে নেওয়া হবে বলে হুমকি দেয় দুষ্কৃতীরা। তবে তিনি জানান, অন্ধকারে কাউকে চিনতে পারেননি। এই ঘটনার পরই কাঁকসা থানায় ফোন করতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ছোটন বাগদী অবশ্য তাঁর দলের উচ্চ নেতৃত্বকে বিষয়টি জানিয়েছেন। বুধবার তিনি পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানা গেছে।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    যদিও তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাঁকসা (Paschim Bardhaman) ব্লকের তৃণমূলের সহ-সভাপতি হিরন্ময় ব্যানার্জি। তাঁর দাবি, এই এলাকায় একশো শতাংশ বিরোধীরা মনোনয়ন জমা করেছেন। কেন্দ্রীয় সরকার এই রাজ্যের একশো দিনের কাজের টাকা বন্ধ করে দিয়েছে। সেই সঙ্গে দুই কোটি বেকারের চাকরি দিতে পারেনি কেন্দ্র! আর তাই বিজেপি প্রচার করতে গেলে তাঁদের প্রত্যাখ্যান করছে মানুষ। কার্যত প্রচারের আলোয় আসার জন্যই তৃণমূলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছে বিজেপি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Bardhaman: মনোনয়ন তুলে নিতে হুমকি, আক্রান্ত বিজেপির জেলা পরিষদের প্রার্থী

    Paschim Bardhaman: মনোনয়ন তুলে নিতে হুমকি, আক্রান্ত বিজেপির জেলা পরিষদের প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের শুরু থেকেই শাসক দলের দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্যে বিরোধী দলের নেতা-কর্মী এবং প্রার্থীদের আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ উঠছে সর্বত্র। মনোনয়ন জমার পর এবার মনোনয়ন প্রত‍্যাহারের চাপ দিয়ে প্রার্থীর বাড়িতে হামলা চালালো দুষ্কৃতীরা। আক্রান্ত হলেন পশ্চিম বর্ধমানের (Paschim Bardhaman) এক বিজেপি প্রার্থী। অভিযোগ‍ের তীর শাসক দলের বিরুদ্ধে।

    পশ্চিম বর্ধমানের (Paschim Bardhaman) কোথায় ঘটল এমন ঘটনা?

    বারাবনি (Paschim Bardhaman) বিধানসভার সালানপুর ব্লকের আছড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত হরিষাডি গ্রামের বাসিন্দা চিন্ময় তিওয়ারি ও তাঁর স্ত্রী সিঙ্কু তিওয়ারি। তাঁরা যথাক্রমে বিজেপির পক্ষ থেকে জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী হয়েছেন। অন‍্যদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে সঞ্জয় সুকুলের স্ত্রী নবনীতা সুকুল পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী হয়েছেন। বিজেপি প্রার্থীদের নাম প্রত‍্যাহারে চাপ দিতে সোমবার রাতে চিন্ময় তিওয়ারিকে ফোন করা হয়। এরপর বচসার সৃষ্টি হওয়ায়, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা চিন্ময়ের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করে। আর তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর কাকা সজল তিওয়ারিও আক্রান্ত হন বলে জানা গেছে।

    প্রশাসন এবং সংবাদ মাধ্যমের কাছে অভিযোগ

    মনোনয়ন প্রত্যহার এবং অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী ইতিমধ‍্যে রূপনারায়ণপুর (Paschim Bardhaman) ফাঁড়িতে অভিযোগ জানিয়েছেন। পাশাপাশি সংবাদ মাধ‍্যমকে তিনি জানিয়েছেন, এইভাবেই এই রাজ্যে বিরোধীরা বারবার রাজনৈতিক ভাবে হিংসার শিকার হচ্ছেন। তিনি বলেন, তাঁর ওপর তৃণমূলের দুষ্কৃতী হরেরাম তিওয়ারি, সঞ্জয় সুকুল ও পল্লব তিওয়ারিরা হামলা চালিয়েছে।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    সালানপুর ব্লকের (Paschim Bardhaman) তৃণমূলের সহ সভাপতি ভোলা সিং বলেন, দোকান ও ব‍্যবসা সংক্রান্ত একটি পারিবারিক বিবাদকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। যদিও ঘটনার সাথে কোনও রাজনীতির সংযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, চেষ্টা করবেন উভয় পক্ষের সাথে একযোগে বৈঠক করে সমস‍্যার সমাধান করতে। অন‍্যদিকে সঞ্জয় সুকুল দাবি করেছেন, তাঁর স্ত্রী নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন বলেই তাঁকে ভিত্তিহীন অভিযোগে বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share