Tag: paschim bardhaman

paschim bardhaman

  • Paschim Bardhaman: অবৈধ মদের দোকানের প্রতিবাদে মহিলাদের বিক্ষোভ

    Paschim Bardhaman: অবৈধ মদের দোকানের প্রতিবাদে মহিলাদের বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম বর্ধমান (Paschim Bardhaman) জেলার হিরাপুর থানার অন্তর্গত বার্নপুর এলাকায় অবৈধ মদের দোকানের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার রাতে মহিলারা সরব হয়ে ওঠে। প্রথমে কয়েকজন মহিলা হাতে লাঠি ও ঝাড়ু নিয়ে দোকানের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করে। এরপর মদের দোকানের সামনে গিয়ে আন্দোলন করে মদের দোকান বন্ধ করে দেয়। পরে মহিলারা হিরাপুর থানার সামনে এসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে এবং থানার মেজ বাবুর হাতে এক অভিযোগ পত্র তুলে দিয়েছে বলে, জানা যায়।

    পশ্চিম বর্ধমানের (Paschim Bardhaman) কোথায় ঘটল ঘটনা?

    ৭৮ নং ওয়ার্ডের স্থানীয় মহিলারা বলে, বার্নপুর (Paschim Bardhaman) বাসস্ট্যান্ডের কাছে একটি বেআইনি মদের দোকান চলছে, যার জেরে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। প্রায়ই মদের দোকানে মদ্যপদের জমায়েত হয় ও তারা অশালীন আচরণ করে। যার ফলে, মহিলারা ওই রাস্তার পাশ দিয়ে যাতায়াত করার সময় নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে সমস্যায় পড়ছে। এই সমস্যা একদিনের নয়, বর্তমানে নিত্যদিন ঘটে চলেছে। এলাকার মহিলারা আরও দাবি করে, একই সাথে অঞ্চলের পরিবেশ ও শান্তিকে বিঘ্নিত করছে, এই অবৈধ মদের দোকান। তাই মহিলারা বিক্ষোভ করে মদের দোকান বন্ধ করে দেয় । 

    স্থানীয় মহিলার বক্তব্য

    প্রতিবাদী এক স্থানীয় (Paschim Bardhaman) মহিলা দেবশ্রী ভদ্র বলেন, এই এলাকায় অবৈধ মদের দোকানের ব্যবসা খুব রমরমিয়ে চলছে। কোনও রকম রাখঢাক না রেখেই প্রকাশ্যে মদ্যপান চলছে। এলাকায় মাতালদের আনাগোনা অনেক বেড়ে গেছে। অনেক রাত পর্যন্ত এলাকায় মদের দোকান খোলা থাকে, রাস্তায় দিয়ে যাতায়াত করতে গেলে আমরা নিজেরা সুরক্ষিত বলে মনে করিনা বলে জানান তিনি। দেবশ্রীদেবী আরও বলেন, এলাকার মহিলাদের নিরাপত্তার কথা কোনও জনপ্রতিনিধি ভাবছেন না, আর তাই স্থানীয় থানায় আমরা অভিযোগ জানাতে এসেছি। অভিযোগ পত্র লেখা হয়ে গেছে, এবার থানার অফিসারের কাছে জমা করা হবে বলে জানান তিনি। এলাকায় মহিলাদের প্রতিবাদে মদের দোকান বন্ধ হওয়ায় আপাতত কিছুটা স্বস্তি মিলেছে বলে তিনি জানিয়েছেন।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Bardhaman: বিদ্যুৎ দফতরে দুষ্কৃতীদের হামলা, আহত দুই, মাথা ফাটল একজনের

    Paschim Bardhaman: বিদ্যুৎ দফতরে দুষ্কৃতীদের হামলা, আহত দুই, মাথা ফাটল একজনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঁকসা থানার (Paschim Bardhaman) রঘুনাথপুরের কাছে সাব স্টেশনে ভাঙচুর চালায় একদল দুষ্কৃতি। অফিসে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ দফতরের তিন কর্মীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ, যার মধ্যে এক কর্মীর মাথা ফেটে যায়। গুরুতর আহত এক কর্মীকে দুর্গাপুরের ইএসআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয় মঙ্গলবার।

    বিদ্যুৎ দফতরে (Paschim Bardhaman) কী ঘটে ছিল?

    রঘুনাথপুর (Paschim Bardhaman) বিদ্যুৎ দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সোমবার রাত্রি ১১ টা নাগাদ হঠাৎ একদল উত্তেজিত দুষ্কৃতি সাব স্টেশনের ভেতরে ঢুকে অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। তাদের বাধা দিতে গেলে সেখানে কর্মীরা আক্রান্ত হয়। তবে ঠিক কী কারণে বিদ্যুৎ দফতরে ভাঙচুর এবং হামলা হয়েছে, তা দফতরের আধিকারিকরা কেউ জানাতে পারেনি।

    বিদ্যুৎ দফতরের বক্তব্য

    বিদ্যুৎ দফতরের (Paschim Bardhaman) এক আধিকারিক দীপঙ্কর লাহিড়ী জানান, আমরা এই ভাঙচুরের ঘটনার বিরুদ্ধে থানায় পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাবো। কিন্তু কে বা কারা, এই ঘটনা ঘটালো, তিনি তা কিছুই জানাতে পারলেন না। তবে তিনি এটাও বলেন, পাওয়ার তো সঠিক সময়ে অন করাই ছিল, তবে কেন এমন ঘটনা ঘটল? এই প্রসঙ্গে শ্রী লাহিড়ী বাবু আরও বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে পদক্ষেপ নিতে বলবো। ঘটনায় আক্রান্ত এক কর্মী সোমনাথ ঘোষ বলেন, রাত্রি সাড়ে এগারটা নাগাদ ১০-১২ জনের একদল, একটি ছোট হাতিতে করে এসে অফিসে হামলা চালায়। তারপর হাতে লাঠি, বাঁশ, রড নিয়ে এসে আমাদের তিন জনকে খুব মারধর করে। দুষ্কৃতিরা বলে, তারা কাকপাড়া থেকে এসেছে। দুষ্কৃতিদের কাছে সোমনাথবাবু এখানে আসার কারণ জানতে চাইলে তারা বলে, এক ঘণ্টা ধরে কেন বিদ্যুতের তার কেটে রাখা হয়েছে? আর এর পরেই সোমনাথবাবুকে এবং বাকি দুই কর্মীদের উপর ব্যাপক মারধর করে। পরে এই আক্রমণের খবর পুলিশকে জানালে ঘটনাস্থলে কাঁকসা থানার পুলিশ এসে পৌঁছায়।

    ঘটনার প্রতিবাদে কর্ম বিরতি

    বিদ্যুৎ দফতরের (Paschim Bardhaman) কর্মীদের মারধরের ঘটনায় মঙ্গলবার দিন সকাল থেকে কর্ম বিরতির ডাক দেয় বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা। মঙ্গলবার দুপুরে কাঁকসা থানায় এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা। পুরো ঘটনার তদন্ত এখন পুলিশ করছে বলে জানা গেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেকের জেলা সফরের পরই জামুড়িয়াতে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ

    Abhishek Banerjee: অভিষেকের জেলা সফরের পরই জামুড়িয়াতে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এর জেলা সফরের শেষেই পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়াতে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব। তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সুব্রত অধিকারীকে মারধরের অভিযোগ উঠল তাঁর দলের কর্মীদের বিরুদ্ধেই।

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) যাবার পরে কেন মারধর ?

    গত শুক্রবার সন্ধ্যায়, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সুব্রত অধিকারী নিজের অফিসে যখন ছিলেন, সে সময় দলেরই অন্য কর্মীরা এসে তাঁকে মারধর করে বলে অভিযোগ। ব্লকের কমিটিতে সেইসব কর্মীদের নাম না থাকায় মারধরের অভিযোগ। অপরদিকে মারধরের ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন জামুড়িয়ার বিধায়ক হরেরাম সিং। দলের মধ্যে এই মারধরের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়।

    ব্লক সভাপতির  অভিযোগ

    ব্লক সভাপতি বলেন, সন্ধ্যায় পার্টি অফিসে একটা বিশেষ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। আমার কয়েকজন কর্মী আমাকে ফোন করে আসার জন্য। আর তাই আমি আমার কাজ শেষ করে দ্রুত পার্টি অফিসে চলে আসি। সেই সময় অফিসে প্রায় ১০০ জন মানুষ উপস্থিত ছিল। আমি চেয়ারে বসতেই কিছু কথাবার্তা না বলে আচমকা তৃণমূলের কিছু কর্মী এবং সমাজ বিরোধী আমাকে প্রথমেই মারার হুমকি দেয়। এরপর আমার ড্রাইভারকে মারধর করে। আমাকেও ঘুষি দিয়ে আঘাত করে। এই সমাজ বিরোধীদের নামে পুলিশের কাছে আগেও কিছু অভিযোগ রয়েছে বলে জানান ব্লক সভাপতি। তিনি আরও বলেন, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় তাঁকে। সেই সঙ্গে আমার কিছু কর্মীদেরও মারধর করে আহত করে। মারধরের কারণ জানতে চাইলে ব্লক সভাপতি বলেন, ব্লকের নতুন কমিটিতে নাকি কিছু বিজেপি কর্মী ঢুকেছে! উনি আরও বলেন আমার জানা মতে আমি কোন বিজেপি কর্মীকে দলের ব্লক কমেটিতে চিনি না। এই মারধরের ঘটনায় তৃণমূলের দিলদার এবং চঞ্চলের নাম তুলে ধরেন। তৃণমূলের দলকে বদনাম এবং আমাকে অপদস্থ করতে এই ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন ব্লক সভাপতি। পুরো ঘটনার বিবরণ দিয়ে তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্বের কাছে বিশেষ অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    জামুড়িয়ার বিধায়কের বক্তব্য

    তৃণমূল বিধায়ক হরেরাম সিং বলেন, পার্টি অফিসে এই গোলমালের ঘটনা একদম ঠিক হয়নি। এখানে কোন বিজেপি নেই, যারা আছেন সবাই তৃণমূলেরই লোক। সংগঠনের জন্য এই আচরণ ঠিক নয়। তিনি আরও বলেন, আমি দলকে জানাবো, দল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। প্রশাসনও উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশা রাখি। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন, তাই এই গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব কতটা রাজনৈতিক সংঘর্ষ নেয়, তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share