Tag: pashupatinath temple

pashupatinath temple

  • Ancient Stepwell: পশুপতিনাথ মন্দিরের কাছেই মিলল মধ্যযুগের ইতিহাস, জনতার ভিড়

    Ancient Stepwell: পশুপতিনাথ মন্দিরের কাছেই মিলল মধ্যযুগের ইতিহাস, জনতার ভিড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের পশুপতিনাথ মন্দিরের কাছে নিত্য বাড়ছে কৌতূহলী জনতার ভিড়। না, এঁরা কেউই পশুপতিনাথ মন্দির (Pashupatinath Temple) দর্শনে যাচ্ছেন না। এই মন্দিরের কাছেই পাথারিয়া ব্লকের লাখারোনি গ্রামে খোঁজ মিলেছে মধ্যযুগীয় একটি স্টেপওয়েলের  (জল সংরক্ষণের জন্য খোঁড়া সুসজ্জিত কুয়ো)(Ancient Stepwell)। এই প্রত্নরত্ন দেখতেই নিত্য ভিড় করছেন আবাল-বদ্ধ-বনিতা। জানা গিয়েছে, স্টেপওয়েলটির বয়স ৩৬৩ বছর। এই প্রত্নরত্নই জানিয়ে দিচ্ছে ভারতের হৃদয়স্বরূপ মধ্যপ্রদেশ এক সময় সমৃদ্ধ ছিল সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক ঐতিহ্যে।

    জেলা কালেক্টরের আবিষ্কার (Ancient Stepwell)

    মাঝেমধ্যেই গ্রামীণ এলাকায় পরিদর্শনে যান জেলা কালেক্টর সুধীর কোচ্চার। এরকমই একদিন চক্কর দিতে বেরিয়ে হঠাৎই তাঁর নজরে পড়ে এই স্টেপওয়েলটি। মধ্যযুগে কীভাবে জল সংরক্ষণ করে রাখা হত, তা দেখে আশ্চর্য হয়ে যান জেলা কালেক্টর। দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত থাকা এই জায়গাটিই স্থানীয়দের রক্ষা করতে বলেন। স্থানীয় ঐতিহ্য এবং পরিকাঠামো রক্ষা করা কেন প্রয়োজন, তাও তাঁদের পইপই করে বোঝান জেলা কালেক্টর।

    কী বলছেন আর্কিওলজিক্যাল আধিকারিক?

    মধ্যযুগের মানুষের উদ্ভাবনী ক্ষমতা নিয়ে বলতে (Ancient Stepwell) গিয়ে আর্কিওলজিক্যাল আধিকারিক সুরেন্দ্র চৌরাশিয়া বলেন, “সেই সময় মানুষ কীভাবে জল সংরক্ষণ করতে হয়, তা জানতেন। তাঁদের সেই কৌশল আমাদের অবাক করে দেয়। এটা তাঁদের উদ্ভাবনী শক্তির পরিচায়ক। এই জাতীয় স্টেপওয়েল কিংবা ‘বাওলিস’ কেবল জল সঞ্চয়ের প্র্যাক্টিক্যাল সমাধান ছিল না, এই জায়গায় সাম্প্রদায়িক জমায়েতও হত। যা সেই সময়কার সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক ছবিকেও প্রতিফলিত করে।” স্টেপওয়েলটির গায়ে কিছু খোদাই করা রয়েছে। তার অর্থ পুরোপুরি উদ্ধার করা না গেলেও, সেই যুগের ইতিহাসের একটা ঝলক দেয় বইকি!

    আর পড়ুন: ‘কোনও প্রশ্নপত্র হারায়নি, ফাঁসও হয়নি’, সুপ্রিম কোর্টে হলফনামায় জানাল কেন্দ্র

    এই প্রত্নতত্ত্ববিদ বলেন, “এই স্টেপওয়েলটিকে আমাদের মধ্যযুগের একটি দলিল বলা যেতে পারে। আমাদের পূর্বপুরুষদের যে অ্যাডভান্সড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কমিউনিটি- সেন্ট্রিক একটা অ্যাপ্রোচ ছিল, এই স্টেপওয়েল মনে করিয়ে দেয় সেকথাই।” যাইহোক, উপেক্ষা এবং ইতিহাসের এই জাতীয় অমূল্য সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ না করা সমাজের পক্ষে (Pashupatinath Temple) একপ্রকার হুমকি বলেই মনে করেন তিনি। এই জাতীয় (Ancient Stepwell) ঐতিহাসিক স্থান রক্ষা করার গুরুত্বের ওপরও জোর দেন প্রত্নতত্ত্ববিদ চৌরাশিয়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।  

  • Nepal Plane Crash: মানত করে পুত্রলাভ! পশুপতিনাথে পুজো দিতে গিয়ে আর ফেরা হল না উত্তরপ্রদেশের সোনুর

    Nepal Plane Crash: মানত করে পুত্রলাভ! পশুপতিনাথে পুজো দিতে গিয়ে আর ফেরা হল না উত্তরপ্রদেশের সোনুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের পোখরা বিমানবন্দরে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান পাঁচ ভারতীয় যুবক। এই পাঁচ ভারতীয় যুবকের মধ্যে একজন ছিলেন গাজিপুরের সোনু জয়সওয়াল, যিনি এই দুর্ঘটনা ঘটার আগে ভিডিও করেছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিল তিন বন্ধুও। তবে জানেন কি সোনু কেন গিয়েছিলেন নেপাল? এবার তাঁর নেপাল যাওয়ার পিছনের কারণও প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, সোনু ও তাঁর তিন বন্ধু কাঠমাণ্ডুর পশুপতিনাথ মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন। ছেলে হলে পুজো দেবেন। নেপালের পশুপতিনাথ মন্দিরে এমনই মানসিক করে এসেছিলেন উত্তর প্রদেশের গাজিপুরের বাসিন্দা সোনু জয়সওয়াল। কিন্তু তাঁর আর বাড়ি ফেরা হল না।

    পশুপতিনাথ মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন সোনু

    উত্তরপ্রদেশের গাজিপুর জেলার চক জিনাব গ্রামের বাসিন্দা সোনু। একটি মদের দোকান চালাতেন তিনি। তাঁর সঙ্গে আরও তিন বন্ধু নেপালে গিয়েছিলেন। চক জিনাব গ্রামের প্রধান বিজয় জয়সওয়াল জানান, সম্প্রতি পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন সোনুর স্ত্রী। ৬ মাস আগে তাঁর কোল আলো করে এসেছে পুত্র। সোনুর দুই মেয়ে ছিল। তৃতীয় বার পুত্র সন্তান কামনা করেছিলেন। মানসিক ছিল, পুত্র সন্তান ঘরে এলে পশুপতিনাথের মন্দিরে গিয়ে পুজো দিয়ে আসবেন। সেই মতই বন্ধুদের সঙ্গে পাড়ি দিয়েছিলেন হিমালয়ের উদ্দেশে।

    আরও পড়ুন: দুর্ঘটনার মুহূর্তে ফেসবুক লাইভ করছিলেন এক ভারতীয় যাত্রী! দেখুন সেই ভিডিও

    গত ১০ জানুয়ারি নেপালের উদ্দেশে রওনা দেন সোনুরা। মঙ্গলবারই ফেরার কথা ছিল। কিন্তু নিয়তি তাঁর জন্য অন্য কিছু লিখেছিল, জানান গ্রামপ্রধান। তাঁর কথায়, “সোনুদের অন্য একটি বাড়ি আছে। ওর স্ত্রী এবং সন্তানেরা সেখানেই রয়েছেন। তাঁদের এখনও এই দুর্ঘটনার কথা জানানো হয়নি।”

    এছাড়াও জানা গিয়েছে, সোনু ও তাঁর বন্ধুদের পোখরা ঘুরতে যাওয়ারও পরিকল্পনা ছিল। পোখরার টুরিস্ট হাবে প্যারাগ্লাইডিং করার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন তাঁরা। দক্ষিণ নেপালের এক বাসিন্দা অজয় কুমার শাহ জানিয়েছেন, পোখরা পর্যটন সমৃদ্ধ জায়গা। চারজনই সেখানে প্যারাগ্লাইডিংয়ের জন্য যাচ্ছিলেন। পশুপতিনাথ মন্দিরের কাছে তাঁরা ছিলেন। তারপর তাঁরা পোখরার জন্য বেরিয়ে যান। পোখরা থেকে গোরক্ষপুর হয়ে তাঁদের ভারতে ফেরার কথা ছিল। প্রসঙ্গত, সোনুর সঙ্গে আরও যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে তাঁরা হলেন অভিষেক কুশওয়াহা, বিশাল শর্মা এবং অনিল কুমার রাজভর। সোনুরা চার জন ছাড়া পঞ্চম ব্যক্তিকে সঞ্জয় জয়সওয়াল নামে শনাক্ত করা গিয়েছে।  

LinkedIn
Share