Tag: Passes Away

Passes Away

  • Satish Kaushik: চলে গেলেন ‘ক্যালেন্ডার’! হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত বলিউড অভিনেতা সতীশ কৌশিক

    Satish Kaushik: চলে গেলেন ‘ক্যালেন্ডার’! হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত বলিউড অভিনেতা সতীশ কৌশিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত বলিউড অভিনেতা সতীশ কৌশিক (Satish Kaushik)। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে এই বর্ষীয়ান অভিনেতা-পরিচালক। মৃত্যুর সময় বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। বৃহস্পতিবার সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর মৃত্যু সংবাদ দেন সহ অভিনেতা অনুপম খের। ট্যুইটে তিনি লেখেন, “জানি, এই বিশ্বে মৃত্যুই একমাত্র সত্য। কিন্তু আমি কখনও ভাবিনি, নিজে বেঁচে থাকতে থাকতে আমার সবথেকে প্রিয় বন্ধুকে নিয়ে এটা লিখব! ৪৫ বছরের বন্ধুত্বে হঠাৎ দাঁড়ি পড়ল। সতীশ, তোমাকে ছাড়া জীবন আর কোনও দিন আগের মতো হবে না। ওম শান্তি।”

     

    দিল্লিতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন অভিনেতা। হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় তাঁর (Satish Kaushik)। ময়না তদন্তের পর মুম্বই নিয়ে যাওয়া হবে মরদেহ।

    আরও পড়ুন: ডিএ-এর জন্য সরকারি কর্মীদের ধর্মঘট! আন্দোলন ব্যর্থ করতে সক্রিয় তৃণমূল 

    মাত্র দেড় দিন আগেই রঙের উৎসবে যোগ দিয়েছিলেন সতীশ (Satish Kaushik)। ৭ মার্চ জুহুতে জানকি কুটিরে জাভেদ আখতারের পার্টিতে বলিউডের অন্যান্য তারকাদের সঙ্গে হইহুল্লোড় করেছিলেন তিনি। তার ছবি নিজেই পোস্ট করেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। পার্টিতে ছিলেন জাভেদ আখতার, মহিমা চৌধরি, শাবানা আজমি, রিচা চড্ডা, আলি ফজলের মতো তারকারা।

    ১৯৫৬ সালে পাঞ্জাবে জন্ম হয় সতীশ কৌশিকের (Satish Kaushik)। গ্র্যাজুয়েশনের পর যোগ দেন ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামায়। তারপর থেকে বলিউডের একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করেছেন এই জাত অভিনেতা। মিস্টার ইন্ডিয়ার ‘ক্যালেন্ডার’ তাঁর অভিনয় গুনে হয়ে উঠেছিল আইকনিক চরিত্র। কিংবা দিওয়ানা মস্তানার ‘পাপ্পু পেজার’।

    আদতে সতীশের নিজের শিকড় ছিল মঞ্চ। থিয়েটার জগতে তিনি একসময় ছিলেন অনন্য। হিন্দি নাটক সেলসম্যান রামলালে তাঁর অভিনীত উইলি লোমান চরিত্রটি দর্শকদের মনে আলাদা করে জায়গা করে নিয়েছে ।
     
    অভিনেতার আকস্মিক মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন কঙ্গনা রানাউত। কঙ্গনার পরবর্তী ছবি ‘এমার্জেন্সি’তে জগজীবন রামের চরিত্রে অভিনয় করেছেন সতীশ। কিন্তু ছবি মুক্তির আগেই চলে গেলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। কঙ্গনা ৯ মার্চ সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখলেন, “ঘুম ভাঙল এরকম ভয়াবহ খবরে। তিনি আমাকে সবসময়ে উৎসাহ দিয়ে এসেছেন। সফল অভিনেতা, পরিচালক। সতীশ কৌশিকজি ব্যক্তি মানুষ হিসেবেও প্রচণ্ড অমায়িক ছিলেন। এমার্জেন্সি’তে ওঁকে নির্দেশনা দিতে ভাল লেগেছিল। তাঁর কথা মনে পড়বে। ওম শান্তি।”

     


    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • JJ Irani: প্রয়াত ভারতের ‘স্টিল ম্যান’ জে জে ইরানি

    JJ Irani: প্রয়াত ভারতের ‘স্টিল ম্যান’ জে জে ইরানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৮৬ বছর বয়সে প্রয়াত ভারতের ‘স্টিল ম্যান’ জে জে ইরানি (J J Irani)। ব্রিটিশ আয়রন অ্যান্ড স্টিল রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশনের হাত ধরে জীবন শুরু করেছিলেন তিনি। ২০১১ সালে টাটা স্টিল-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে অবসর নেন তিনি। কী ভাবে পৌঁছলেন এই সাফল্যের শীর্ষে? পদ্মভূষণ ডঃ জামশেদ জে ইরানির জীবনের কিছু বিশেষ অংশ জেনে নিন।  

    ১৯৩৬ সালে নাগপুরে জন্মগ্রহণ করেন ডঃ জামশেদ জে ইরানি। সেখানেই পড়াশোনা শুরু করেন। ১৯৫৬ সালে নাগপুরের সায়েন্স কলেজ থেকে বিএসসি ডিগ্রি লাভ করেন ডঃ ইরানি। ১৯৫৮ সালে নাগপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জিওলজিতে এমএসসি করেন। এরপর জে এন টাটা স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাজ্যের শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পাড়ি দেন।    

    ১৯৬৩ মেটালারজিতে পিএইচডি করেন জে জে ইরানি। সে বছরই কর্মজীবনে পা রাখেন। ব্রিটিশ আয়রন অ্যান্ড স্টিল রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশনের হাত ধরে শুরু করেন কর্মজীবন। ছ বছর পর দেশে ফিরে আসেন তিনি। 

    ১৯৬৮ থেকে টাটা গ্রুপের সঙ্গে পথচলা শুরু। ডিরেক্টর-ইন-চার্জের সহকারী হিসেবে যোগ দেন টাটা আয়রন অ্যান্ড স্টিল কোম্পানিতে। এখন যা টাটা স্টিল নামে পরিচিত।  তারপর ধীরে ধীরে টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হওয়া শুরু হয় ডঃ ইরানির নাম। ডঃ জামশেদ জে ইরানি হয়ে ওঠেন ‘ভারতের স্টিল ম্যান’। 

    আরও পড়ুন: ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ফ্যাশন টেকনোলজির প্রবেশিকা পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে, জানুন বিস্তারিত   

    এরপর শুধুই সাফল্যের সিঁড়ি চড়া। আর ফিরে তাকাতে হয়নি ডঃ ইরানিকে। পৌঁছে যান সফলতার শীর্ষে। ১৯৭৮ সালে টাটার সংস্থায় জেনারেল সুপারিন্টেন্ডেন্ট পদে দায়িত্ব পান তিনি। পরের বছরই ফের পদোন্নতি। ১৯৭৯ একই সংস্থায় জেনারেল ম্যানেজারের পদে চলে যান। ১৯৮৫ টাটা স্টিল-এর প্রেসিডেন্ট হন জে জে ইরানি। এরপর ১৯৮৮ টাটা স্টিলে জয়েন্ট ম্যানেজিং ডিরেক্টর হন।  

    ১৯৯২ টাটা স্টিল-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে উন্নতি। অবশেষে ২০১১ সালে ম্যানেজিং ডিরেক্টরের পদ থেকে অবসর নেন তিনি। ১৯৯৮ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ নাইটহুড সম্মানে সম্মানিত করেন তাঁকে। পরে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে পদ্মভূষণ সম্মান পান।   

    সোমবার রাতে না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন ‘স্টিল ম্যান’। তাঁর মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত টাটা গোষ্ঠি-সহ গোটা দেশ। শোকপ্রকাশ করেন এক সময়ের সতির্থ রাজীব সোনিও। নেটমাধ্যমে রাজীব লেখেন, “আমরা এক কিংবদন্তিকে হারালাম। একটি যুগের অবসান ঘটল।”
     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Dr. Dilip Mahalanabis: প্রয়াত ওআরএস- এর জনক চিকিৎসক দিলীপ মহলানবিশ

    Dr. Dilip Mahalanabis: প্রয়াত ওআরএস- এর জনক চিকিৎসক দিলীপ মহলানবিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত ওআরএস- এর উদ্ভাবক ডা. দিলীপ মহলানাবিশ (Dr. Dilip Mahalanabis)। শনিবার রাতে ইএম বাইপাসের ধারে এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই বিশিষ্ট চিকিৎসক। বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। শনিবার রাতে, কলকাতার ইএম বাইপাসের ধারে এক বেসরকারি হাসপাতেলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। 

    ১৯৭১ সাল থেকে ভারত-বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে অন্তত ৭ কোটিরও বেশি মানুষের প্রাণ রক্ষা করেছে তাঁর তৈরি ওআরএস। বেশিরভাগই শিশু। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তি যুদ্ধের সময় শরণার্থী শিবিরে ভয়াবহ কলেরা মহামারি দেখা দেয়। সেই সময় এই রোগের একমাত্র চিকিৎসা ছিল স্যালাইন দেওয়া। কিন্তু স্যালাইনের ভয়ঙ্কর ঘাটতি দেখা যায়। উপায় না দেখে, জনস হপকিন্স ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর মেডিকেল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিংয়ের সহায়তায়, ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশন বা ওআরএস তৈরি করেছিলেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ তথা ক্লিনিক্যাল বিজ্ঞানী ডা. দিলীপ মহলানাবিশ।

    আরও পড়ুন : বলিউডের পর আবার টলিউডেও ‘মি টু’ ঝড়, অভিযুক্ত উঠতি পরিচালক  

    পরে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে ডা. দিলীপ মহলানবিশ বলেছিলেন, “বনগাঁ হাসপাতালের দুটি ঘরের মেঝেতে গুরুতর অসুস্থ কলেরা রোগীরা পড়েছিলেন। এদের ইন্ট্রাভেনাস স্যালাইন দিয়ে চিকিত্সা করার জন্য আক্ষরিক অর্থে তাদের মল, মূত্র এবং বমির মধ্যে হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে হয়েছিল। সেখানে পৌঁছানোর ৪৮ ঘন্টার মধ্যে, আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে, আমরা যুদ্ধে হেরে যাচ্ছি। কারণ সেখানে পর্যাপ্ত স্যালাইন ছিল না। আমার দলের মাত্র দুই সদস্যকে আইভি তরল দেওয়ার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল।” 

    ওআরএস ব্যবহারের ফলে দু সপ্তাহের মধ্যে সেই শিবিরগুলিতে মৃত্যুর হার ৩০ শতাংশ থেকে ৩.৬ শতাংশে নেমে আসে। কীভাবে লবণ এবং গ্লুকোজ মিশিয়ে ওআরএস তৈরি করা হয়, তার বর্ণনা একটি গোপন বাংলাদেশী রেডিও স্টেশনে সম্প্রচার করা হয়েছিল। 

    চিকিৎসা শাস্ত্রে তাঁর অবদানের জন্য, ১৯৯৪ সালে, রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সের সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন ডা. মহলানবিশ। ২০০২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে পোলিন পুরস্কার, ২০০৬ সালে থাইল্যান্ড সরকারের কাছ থেকে প্রিন্স মাহিদোল পুরস্কার পেয়েছিলেন। ২০১৭ সালে, তাঁর উপার্জিত অর্থের একটা বড় অংশ তুলে দেন পার্ক সার্কাসের ইন্সস্টিটিউট অফ চাইল্ড হেলথের হাতে। সেখানেই গবেষক-চিকিৎসক হিসাবে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়েছিল তাঁর। গবেষণার বেশিরভাগটাই তিনি করেছিলেন বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালের একটি ঘরে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Sonali Phogat: প্রয়াত প্রাক্তন বিগবস প্রতিযোগী বিজেপি নেত্রী সোনালি ফোগাট

    Sonali Phogat: প্রয়াত প্রাক্তন বিগবস প্রতিযোগী বিজেপি নেত্রী সোনালি ফোগাট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  প্রয়াত প্রাক্তন বিগবস প্রতিযোগী এবং বিজেপি নেত্রী সোনালি ফোগাট (Sonali Phogat Death)। টিকটক স্টার হিসেবেও জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিনি। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। ২০১৯ সালে  হরিয়ানায় বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির (BJP) টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করেছিলেন সোনালি। সেই সময় তাঁর টিকটিক ভিডিও আলোচনায় এসেছিল। 

    আরও পড়ুন: হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, গ্রেফতার তেলঙ্গানার বিধায়ক       
     
    সোমবার রাতে গোয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন সোনালি। সেখানেই মারা যান। বিজেপি নেতাদের সঙ্গে গোয়ায় গিয়েছিলেন তিনি। মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি  ভিডিও পোস্ট করেছিলেন অভিনেত্রী। সেদিনই বদলেছিলেন প্রোফাইল পিকচার। প্রাথমিকভাবে সোনালির মৃত্যুর কারণ হার্ট অ্যাটাক (Heart Attack) বলে মনে করা হলেও পুলিশ এর তদন্ত শুরু শুরু করেছে। 

    বিগ বস ১৪ তে অংশ নিয়েছিলেন সোনালি। সেই  শো চলাকালীন তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অনেক তথ্য সামনে এসেছিল। বেশ বিতর্কও হয়েছিল। স্বামীর মৃত্যুর পর জড়িয়েছেন একাধিক সম্পর্কে। বিগবসেও এক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি। তা নিয়ে জোর চর্চাও হয়। 

    আরও পড়ুন: দুই রাজ্যে পরিকাঠামোয় জোর, হরিয়ানা এবং পাঞ্জাবে হাসপাতাল উদ্বোধন করবেন মোদি

    সোনালি ফোগাট ১৯৭৯ সালের ২১ সেপ্টেম্বর হরিয়ানার ফতেহাবাদে জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৬ সালে দূরদর্শনে অ্যাঙ্করিংয়ের মাধ্যমে সোনালি তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০৮ সালে তিনি যোগ দেন বিজেপিতে। তিনি লাইমলাইটে আসেন যখন তাঁর স্বামী সঞ্জয় মারা যান।  

    ২০১৯ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আদমপুর থেকে সোনালিকে টিকিট দেয় বিজেপি। নির্বাচনে পরাজিত হন তিনি। তবে ২০২০ সালে সোনালী ফোগাটের একটি ভিডিও খুব ভাইরাল হয়। সেই ভিডিওতে সোনালীকে এক অফিসারকে চপ্পল দিয়ে মারধর করতে দেখা যায়। সেই বছরই বিগ বস-১৪-এ সুযোগ পান তিনি। 

    সোনালি শুধুমাত্র টিকটিক স্টারই ছিলেন না। একাধিক মিউজিক অ্যালবামে কাজ করেছেন তিনি।     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share