Tag: Patient

Patient

  • Midnapore: স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একী হাল! এক সপ্তাহে ১২১ জন রোগী নিখোঁজ মেদিনীপুর মেডিক্যালে

    Midnapore: স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একী হাল! এক সপ্তাহে ১২১ জন রোগী নিখোঁজ মেদিনীপুর মেডিক্যালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একী অবস্থা! মেডিক্যাল কলেজ থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছেন রোগীরা। আর সেটা জানেই না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে  মেদিনীপুর (Midnapore) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। আর এই বিষয়টি জানাজানি হতেই মুখ পুড়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।

    এক সপ্তাহে ১২১ জন রোগী নিখোঁজ! (Midnapore)

    মেদিনীপুর (Midnapore) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রতিটি ওয়ার্ডে নিরাপত্তা রক্ষী রয়েছে। রোগীদের ডিসচার্জ সার্টিফিকেট দেখার পরই রোগীদের হাসপাতাল থেকে ছাড়ার কথা। কিন্ত,  বাস্তবে তা কিছুই হচ্ছে না। বরং, প্রতিদিন খাতায়কলমে বেড়ে চলেছে নিখোঁজ রোগীর সংখ্যা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সাত দিনে এই হাসপাতাল থেকে ১২১ জন রোগী চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। বেশিরভাগই চিকিৎসাধীন ছিলেন পুরুষ বিভাগে। চলতি সপ্তাদের প্রথমদিন সোমবারই ২০ জন রোগী হাসপাতাল থেকে উধাও হয়ে যান।

    আরও পড়ুন: জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ বারিকের রাজারহাটের ফ্ল্যাট থেকে ২০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কী সাফাই?

    এমনিতেই এই হাসপাতালের (Midnapore) পরিষেবা নিয়ে রোগীদের অভিযোগ ছিল। এবার হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। হাসপাতালের (Medical College) এক আধিকারিক বলেন, আসলে রোগীরা নিয়ম অনুযায়ী ছুটি না নিয়ে চলে যাচ্ছেন। ফলে, আমাদের কাছে রোগীর তথ্য না থাকার কারণে আমরা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করতে বাধ্য হচ্ছি। তবে, নিরাপত্তারক্ষী থাকার পরও এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। ইতিমধ্যেই একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে এর সমাধান হবে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূলের আমলে হাসপাতালের এই ঢিলেঢালা নিরাপত্তার অবস্থার কারণে মুখ পুড়েছে শাসক দলের। তৃণমূল সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা অরূপ দাস বলেন, মেডিক্যাল কলেজে (Medical College) শতাধিক রোগী নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে। কর্তৃপক্ষের গাফিলতি অন্যতম কারণ। আর এই হাসপাতালে চিকিৎসা হয় না বলেই রোগীরা পালিয়ে যাচ্ছেন। তৃণমূলের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, “কেন রোগীরা চলে যাচ্ছেন, সেটা প্রশাসনের দেখা উচিত।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue cases: বর্ষার শুরুতেই রাজ্যে ফের ডেঙ্গির থাবা! কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০০ পেরিয়ে গেল

    Dengue cases: বর্ষার শুরুতেই রাজ্যে ফের ডেঙ্গির থাবা! কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০০ পেরিয়ে গেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষার শুরুতেই রাজ্যে ফের ডেঙ্গির (Dengue cases) চোখরাঙানি। গত সাত দিনে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৯। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৬ জুন পর্যন্ত রাজ্যে ১ হাজার ৩২৮ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০০ পেরিয়ে গিয়েছে। তবে আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা। স্বাস্থ্য দফতরের উদ্বেগ বাড়িয়েছে মালদা, মুর্শিদাবাদ, হুগলির মতো জেলাগুলির পরিসংখ্যানও।

    উত্তর ২৪ পরগনায় ডেঙ্গির থাবা (Dengue cases)!

    জানা গিয়েছে, এই বছরে বর্ষার (Rainy season) শুরুতেই ডেঙ্গি (Dengue cases) সব থেকে বেশি থাবা বাসিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনায়। এই জেলায় মোট ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১৭৬। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মালদা। এখানে মোট আক্রান্ত ১৭৪। মুর্শিদাবাদে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৩। একই ভাবে কলকাতায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১১৩। ইতিমধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্তকতা অবলম্বন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর থেকে জেলায় জেলায় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের। তাতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে ডেঙ্গি পরীক্ষা এবং চিকিৎসা পরিকাঠামোর প্রস্তুতি যেন খতিয়ে দেখা হয়।

    আরও পড়ুনঃ সোনাঝুরির হাট কি উঠে যাবে? শান্তিনিকেতনের ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ!

    এখন থেকেই সক্রিয় প্রশাসন

    গত বছর ১২ বছরের রেকর্ড ভেঙে গোটা রাজ্যে ডেঙ্গি (Dengue cases) আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ১ লক্ষের কাছাকাছি। এই বছর যাতে সেই রকম খারাপ পরিস্থিতি না হয়, তাই এখন থেকেই পঞ্চায়েত এবং পুরসভাগুলি প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। স্থানীয় প্রশাসন থেকে নিকাশি নালা, জমা জল, আবর্জনা পরিষ্কার, মশানিরোধক ওষুধ ব্যবহারের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। তবে বর্ষায় (Rainy season) মশার কামড় রুখতে বাড়িতে বাড়িতে মশারি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বেশি করে। পাশাপাশি জন সচেতনতার প্রচার-প্রসারের উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেচ দফতর রাজ্যের প্রতিটি খালের দিকে নজর রাখবে। একই সঙ্গে পঞ্চায়েত এবং পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরকে মশার বংশবিস্তার ঠেকাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: ‘সেরার’ তকমা পাওয়া জেলা হাসপাতালে নেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ক্ষুব্ধ রোগীরা

    Dakshin Dinajpur: ‘সেরার’ তকমা পাওয়া জেলা হাসপাতালে নেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ক্ষুব্ধ রোগীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলা হাসপাতাল পেয়েছে রাজ্যের সেরা হাসপাতালের তকমা। অথচ ‘সেরা’ হাসপাতালে একাধিক রোগের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নেই। কলকাতা থেকে ডাক্তারবাবুরা এসে সামাল দেন। তারা যে নিয়মিত আসেন, তাও নয়। সমস্যায় রোগী এবং তাঁর বাড়ির লোকেরা।

    ডাক্তার অভাবে ধুঁকছে হাসপাতাল! (Dakshin Dinajpur)

    দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলা হাসপাতাল চত্বরে তৈরি করা হয়েছে সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল। ভবন ১০ তলার। চিকিৎসা পরিষেবার জন্য হাসপাতালে উন্নতমানের চিকিৎসা সরঞ্জাম আনা হলেও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের অভাবে খুঁকছে স্বাস্থ্য পরিষেবা। মেডিসিন, প্রসূতি, অর্থোপেডিক এবং আরও কয়েকটি বিভাগে ডাক্তার রয়েছেন। ডাক্তারের অভাব রয়েছে ইউরোলজিস্ট বা নিউরোলজিস্ট, নেফ্রোলজিস্ট, গ্যাস্ট্রো বিভাগের। এমনকী কার্ডিওলজি বিভাগও ডাক্তারহীন। সামান্য প্রস্টেটের সমস্যার জন্য হাসপাতাল থেকে পাওয়া যাচ্ছে না পরিষেবা। প্রাথমিক চিকিৎসা করে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বাইরে থেকে দেখিয়ে নেওয়ার। বালুরঘাট পুরসভার আওতায় পুর হাসপাতাল ‘মাতৃসদন’। এর নীচে একটি বেসরকারি সংস্থার ল্যাব রয়েছে। সেখানে বাইরে থেকে ডাক্তাররা রোগী দেখতে আসেন। কিন্তু তাও মাসে একবার। একই অবস্থা গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতাল ও সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    কুমারগঞ্জের বাসিন্দা কমল বিশ্বাস বলেন, ‘তিনদিন আগে বাবার প্রস্টেটজনিত সমস্যায় জেলা হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছিলাম। শুক্রবার বাবাকে ডিসচার্জ সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। ইউরোলজিস্ট না থাকায় সেখানে বাবার চিকিৎসা সম্ভব হয়নি। কলকাতা থেকে একদিনের জন্য আসা ডাক্তারবাবুই ভরসা। অবিলম্বে হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের নিয়ে আসা উচিত।’

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই বিষয়ে বিজেপির জেলা সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, সেরা তকমা তো দিদিমণির হাতে। তিনি চেয়েছেন তাই সেরা তকমা পেয়েছে বালুরঘাট হাসপাতাল। হাসপাতাল সেরা তকমা পেলেও হাসপাতালে কোনও ভালো চিকিৎসার ব্যাবস্থা নেই। রোগীদেরকে চিকিৎসা করাতে জেলার বাইরে নিয়ে যেতে হয়। সবটাই লোক দেখানো।

    জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক কী বললেন?

    জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সুদীপ দাস বলেন, ‘এই মুহূর্তে জেলায় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নেই। তবে স্বাস্থ্য দফতরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের জন্য আবেদন জানিয়েছি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্পেশালিস্ট ডাক্তারদের যাতে পোস্টিং করানো যায়, তা নিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: চিকিৎসা তো নেই-ই, কনকনে শীতে মেডিক্যাল কলেজে জুটছে না কম্বলও

    Cooch Behar: চিকিৎসা তো নেই-ই, কনকনে শীতে মেডিক্যাল কলেজে জুটছে না কম্বলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিষেবার হাল কেমন তা জানতে রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান পার্থপ্রতিম রায় হাসপাতালে হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু, রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তিনি যা শুনলেন তা হতবাক হওয়ার মতো। ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার (Cooch Behar) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কনকনে শীতেও হাসপাতালে মিলছে না কম্বল! (Cooch Behar)

    কোচবিহার (Cooch Behar) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের উপরে জেলার কয়েক লক্ষ মানুষ নির্ভরশীল। প্রতিদিন কয়েক হাজার রোগী ওই হাসপাতালের চিকিৎসা নিতে হাজির হন। তাঁদের মধ্যে অনেককেই ভর্তি করে নেওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সব সময় প্রায় পাঁচশো জনের উপরে রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকেন। তার মধ্যে যেমন সদ্যোজাত শিশু রয়েছে, তেমনই রয়েছে প্রবীণ মানুষেরাও। মেডিক্যাল কলেজ হওয়ার পর থেকেই ওই হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতার উপরে জোর দেওয়া হয়। কিন্তু, শীতের মধ্যে রোগীদের কম্বল দেওয়া হচ্ছে না। প্রবীণ এক রোগী বলেন, ঠান্ডায় আমার খুব অসুবিধা হচ্ছিল। সে জন্য আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে কম্বল চেয়েছিলাম। কিন্তু, আমাকে কম্বল দেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে বাড়ির লোককে বলে কম্বল নিয়ে এসেছি। রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান জানতে আসায় হাসপাতালের কী হাল তা সব জানিয়েছি।

     মুখ খুললেন রোগী কল্যাণের চেয়ারম্যান

    রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান পার্থপ্রতিম রায় বলেন, রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত কম্বল রয়েছে মেডিক্যাল কলেজে। তার পরেও তা কেন দেওয়া হচ্ছে না, তা নিয়ে আলোচনা করব। শীঘ্রই বৈঠক ডাকা হবে।  দ্রুত রোগীদের যাতে কম্বল দেওয়া হয়, সে বিষয়ে বলা হয়েছে। কারও গাফিলতি থাকলে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    হাসপাতালের সুপার কী সাফাই দিলেন?

    কোচবিহার (Cooch Behar) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এমএসভিপি রাজীব প্রসাদ বলেন, এমন হওয়ার কথা নয়। প্রত্যেক রোগীর জন্য কম্বল রয়েছে। নির্দিষ্ট এক-দুটি ওয়ার্ড থেকে অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: “স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে আপনি মৃত, পরিষেবা দিতে পারছি না”! হাসপাতালের কথায় অবাক রোগী

    Jalpaiguri: “স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে আপনি মৃত, পরিষেবা দিতে পারছি না”! হাসপাতালের কথায় অবাক রোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর হাতে একটি জেরক্স কাগজ ধরিয়ে বলে, “স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে আপনি মৃত। আর তাই আপনাকে পরিষেবা দিতে পারছি না।” শুনেই রোগী অবাক হয়ে যান! পরে টাকা ধার করে নিজের অ্যাঞ্জিওগ্রাফি করে বাড়িতে ফেরেন। অবশেষে বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য দফতরে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়ে অভিযোগ করেন জলপাইগুড়ির ওই (Jalpaiguri) রোগী। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। রোগীর পরিবারের বক্তব্য, “রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর কতটা দায়িত্বজ্ঞানহীন, সেই চিত্র আরও একবার দেখা গেল এই ঘটনায়।”

    কে এই রোগী (Jalpaiguri)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগীর নাম সৌমিত্র বসাক। তাঁর বাড়ি জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) লক্ষণ মৌলিক সরণিতে। তাঁর বয়স ৬৭। কয়েকদিন আগে তাঁর হার্টের সমস্যার জন্য ডাক্তার অ্যাঞ্জিওগ্রাফি করতে বলেছিলেন। এরপর বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে কলকাতায় চলে আসেন তিনি। তিনি স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে কলকাতায় চিকিৎসা করার জন্য মনস্থির করেন।

    কেন বিভ্রাট স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে?

    প্রথমে সৌমিত্র বসাক ভেবেছিলেন স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে নিজের চিকিৎসা করাবেন। কিন্তু স্বাস্থ্য সাথী কার্ডটি হারিয়ে ফেলেছিলেন। যোগাযোগ করেন জলপাইগুড়ি স্বাস্থ্য সাথী দফতরে। এরপর সেখান থেকে জানতে পারেন থানায় অভিযোগ দায়ের করতে হবে। এরপর সেই অভিযোগপত্রের একটা কপি জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) স্বাস্থ্য সাথী দফতরে জমা করেন। তারপর তাঁকে একটি নতুন কার্ড দেওয়া হয়। কিন্তু কার্ড নিয়ে কলকাতার বেসরকারি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে যান। এরপর সেখানে কার্ড জমা করলে জানতে পারেন যে কার্ডে তিনি মৃত। ঘটনায় তাঁর কার্ডের অস্তিত্ব নিয়ে চরম বিভ্রান্তির মধ্যে পড়ে যান।

    রোগীর বক্তব্য

    জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) বাসিন্দা রোগী সৌমিত্র বসাক বলেন, “নতুন কার্ডের জন্য ৬০ টাকা দিয়ে ছিলাম। কোনও রসিদ পাইনি। বিনামূল্যে চিকিৎসা পাব ভেবেছিলাম। আমি বয়স্ক মানুষ। দফতরের গাফিলতির জন্য এই হয়রানির শিকার হতে হল। আমার যে টাকা খরচ হয়েছে সেই টাকা আমি ফেরত চাই।” অপর দিকে জলপাইগুড়ি স্বাস্থ্য দফতরের কিয়স্ক ম্যানেজার কৌশিক বিশ্বাস বলেছেন, “অভিযোগ পেয়েছি। দ্রুত আমরা সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Michaung: মিগজাউমের দাপট! চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করাতে গিয়ে আটকে হাওড়ার পরিবার

    Cyclone Michaung: মিগজাউমের দাপট! চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করাতে গিয়ে আটকে হাওড়ার পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুর্ণিঝড় মিগজাউমের (Cyclone Michaung) দাপটে রাজ্যে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই টানা বৃষ্টি হচ্ছে। গত দুদিন আকাশের মুখ ভার ছিল। বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। এই ঘুর্ণিঝড়ের কারণে তামিলনাডুতে আটকে রয়েছেন মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু পরিযায়ী শ্রমিক। বহু অঞ্চল জলে ডুবে থাকায় একপ্রকার অনাহারে ভুগছেন ওই সমস্ত শ্রমিকেরা। মাথা গোঁজার জায়গাটুকুও নেই তাঁদের। কেউ কেউ বাস করছেন তালপাতার ঘরে। বাড়ি ফেরার টাকাও নেই অনেকের কাছে। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে সেই চিন্তায় রয়েছেন এই রাজ্যের ওই পরিযায়ী শ্রমিকেরা।

    দুর্যোগে (Cyclone Michaung) আটকে মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিকরা

    জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ জেলার হরিহরপাড়া, নওদা ব্লকের প্রায় ৩০ জন শ্রমিকের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। মিগজাউমের (Cyclone Michaung) প্রভাবে তামিলনাডুর বিভিন্ন এলাকায় তাঁরা আটকে রয়েছেন। তাঁরা জেলা প্রশাসনের কাছে মোবাইলের মাধ্যমে বাড়ি ফেরানোর আর্জি জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, চারদিকে জল। চরম আতঙ্কে রয়েছি। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে তা বুঝতে পারছি না। বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করলে খুব ভালো হয়। খুব কষ্টে আছি।

    চিকিৎসা করাতে গিয়ে দুর্যোগের কবলে পড়ে হাসপাতালে আটকে হাওড়ার বাসিন্দা

    চেন্নাইয়ে ক্যান্সার আক্রান্তের চিকিৎসা করাতে গিয়ে দুর্যোগের (Cyclone Michaung) কবলে পড়ে হাসপাতালে আটকে হাওড়ার সন্ধ্যাবাজারের একই পরিবারের ছয় সদস্য। জলমগ্ন অবস্থার কারণে ট্রাকে করে রোগীদের স্থানান্তরিত করতে হচ্ছে। দু’দিন ধরে কোনওরকমে খাবারের ব্যবস্থা করেছে সেখানকার হাসপাতাল। বুধবার থেকে তাও বন্ধ। ভিডিও কলে সেই শোচনীয় পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন চেন্নাইয়ে আটকে পড়া পরিবারের সদস্য মহম্মদ আজম খান।

    মিগজাউমের প্রভাবে ক্ষতি

    মিগজাউমের (Cyclone Michaung) প্রভাব অন্ধ্রপ্রদেশের তুলনায় তামিলনাড়ুতেই বেশি পড়েছে। ইতিমধ্যে চেন্নাইয়ে মারা গিয়েছেন সতেরো জন। ঘূর্ণিঝড়ের জেরে অস্বাভাবিক বেশি পরিমাণে বৃষ্টি হয়েছ চেন্নাই ও তামিলনাড়ুতে। ঘূর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশও। ৭৭০ কিলোমিটার রাস্তা সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে জানানো হয়েছে, ১৯৪টি গ্রামের ৪০ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্লাবিত ২৫টি গ্রাম।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: সরকারি হাসপাতালের এ কী হাল! ডায়ালিসিস করতে এসে মৃত্যু হল রোগীর

    Balurghat: সরকারি হাসপাতালের এ কী হাল! ডায়ালিসিস করতে এসে মৃত্যু হল রোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি হাসপাতালের একী হাল! ঠিক মতো অক্সিজেন না পেয়ে বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালে মৃত্যু হল ডায়ালিসিস নিতে আসা এক রোগীর। জানা গিয়েছে, ডায়ালিসিস করার সময় রোগী অসুস্থ হয়ে যায়। ফলে, অক্সিজেন আনা হলেও সেই অক্সিজেন সিলিন্ডার কাজই করেনি, সেই সিলিন্ডার খারাপ বলেই পরিবারের লোকজনের অভিযোগ। ফলে, অক্সিজেন না পেতেই ওই রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। যা নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় বিক্ষোভ দেখান রোগীর পরিজনরা। হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ওই রোগীর নাম অসীম সরকার (৭০)। এনিয়ে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের সুপারকেও লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। হাসপাতালের সুপার ঘটনাটি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

    রোগী মৃত্য়ুতে গাফিলতির অভিযোগে সরব পরিবারের লোকজন (Balurghat)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশকর্মী  অসীম সরকার বছরখানেক ধরে কিডনি সমস্যায় ভুগছেন। তাঁর ডায়ালিসিস প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছিল বালুরঘাট (Balurghat) হাসপাতালে। সেখান থেকেই ডায়ালিসিস বিভাগে ওই চিকিৎসা নিতেন অসীমবাবু। এদিন  ডায়ালিসিস করাতে তাঁকে বালুরঘাট হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলেন আত্মীয়রা। মৃতের আত্মীয় স্বপন সরকার বলেন,  ডায়ালিসিস চলাকালীন শ্বাসকষ্ট শুরু হয় অসীমবাবুর। তাঁর ছটফটানি দেখে আমরা ডায়ালিসিস বিভাগের কর্মীদের কাছে দ্রুত অক্সিজেন দেওয়ার দাবি জানাই। শ্বাসকষ্টর জন্য তাঁকে অক্সিজেন দেওয়া হয়। কিন্তু, অক্সিজেন দেওয়ার পর তাঁর শ্বাসকষ্ট কমেনি। আমরা নার্সকে ডেকে সিলিন্ডার কাজ করছে না বলি। নার্স রা কেউ আসেননি। ঠিকঠাকভাবে রোগীর নাকে মুখে অক্সিজেন পৌঁছায়নি। ফলে, মিনিট পনেরো এভাবেই রোগী ছটফট করতে করতে  রোগীর মৃত্যু হয়। বাড়ির লোকেরা অক্সিজেন সিলিন্ডারটা চেক করে দেখেন, সিলিন্ডার খারাপ। এভাবে অক্সিজেনের অভাবে রোগী মৃত্যু মানা যায় না। আমরা এই উদাসীনতার সঙ্গে যুক্ত সকলের শাস্তির দাবি জানাই।

    হাসপাতালের সুপার কী বললেন?

    এবিষয়ে বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালের সুপার কৃষ্ণেন্দু বিকাশ বাগ বলেন, পিপিপি মডেলে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের ডায়ালিসিস বিভাগ চলে। অক্সিজেনের অভাব হওয়ার কথা না। এমন অভিযোগ পেয়েছি। পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: নেই অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা, ব্যস্ত সড়কে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হল স্ট্রেচারে করেই

    Purba Bardhaman: নেই অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা, ব্যস্ত সড়কে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হল স্ট্রেচারে করেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতালে ফ্রিতে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা থাকলেও রোগীর জন্য মেলেনি পরিষেবা। ব্যস্ত দ্রুতগামী সড়কে স্ট্রেচারে করে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হল হাসপাতালে। কালনা (Purba Bardhaman) সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে এমন অমানবিক ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। উঠছে হাসপাতাল প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ। অবশ্য হাসপাতাল অ্যাসিণ্ট্যাণ্ট জানান, এমন ঘটনা যাতে আর না ঘটে তার জন্য আমরা ব্যবস্থা নেবো।

    উল্লেখ্য, রাজ্যে একাধিকবার হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসার জন্য রোগীকে নিয়ে যাওয়া হোক অথবা রোগী মারা গেলে মৃতদেহ বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। বামানগোলা, কালিয়াগঞ্জ এবং জলপাইগুড়িতে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা না দেওয়ার মতো অমানবিক নির্মম ঘটনার বিষয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের বিরুদ্ধে আগেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল।

    রোগীর পরিচয় (Purba Bardhaman)

    হাসপাতেলে এই রোগীর পরিবারের সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগীর বাড়ি মেমারি (Purba Bardhaman) থানার মহিষপুর এলাকায়। তাঁর নাম সাহার আলি মল্লিক। শুক্রবার সন্ধ্যায় হঠাৎ আহত হন তিনি। মাথায় ব্যাপক আঘাত লাগে। এরপর ভর্তি করা হয় কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। ডাক্তার রোগীকে সিটি স্ক্যান করার কথা বলেন। এরপর রোগীকে হাসপাতাল থেকে বাইরে বের করে স্ট্রেচারে টেনে ব্যস্ততম রাস্তা দিয়ে স্ক্যান করতে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার ছবি ইতিমধ্যেও সামজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়। প্রশ্ন ওঠে হাসপাতালে বিনামূল্যে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা থাকলেও কেন রোগীর জন্য পরিষেবা দেওয়া হয়নি।

    রোগীর ছেলের বক্তব্য

    বৃদ্ধ রোগীর ছেলে সাবর আলি বলেছেন, “ডাক্তার সিটি স্ক্যানের কথা বললে বাবাকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাই। কিন্তু হাসপাতালে (Purba Bardhaman) কোনও স্ক্যানের ব্যবস্থা না থাকায় বাইরে নিয়ে যেতে হয়। বাইরে নিয়ে যেতে বাবা টোটোতে উঠতে পারেননি। আবার আমার কাছে গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে যাওয়ার মতো টাকাও ছিল না। আবেদেন করে বিনামূল্যের অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবাও আমরা পাইনি। তাই রাস্তায় স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাই বাবাকে।”

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    হাসপাতালের (Purba Bardhaman) অ্যাসিণ্ট্যাণ্ট গৌতম বিশ্বাস বলেন, “যে পরীক্ষাগুলি দেওয়া হয়েছে তা এখানে করানো হয় না। রোগীর ক্ষেত্রেও পরীক্ষা বাইরে করতে যেতে হয়। তবে হাসপাতাল থেকে বিনামূল্যে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা দেওয়া হয়। কিন্তু এই রোগীর ক্ষেত্রে কেন এমন ঘটল জানিনা। খোঁজ নিয়ে বলবো। এমন ঘটনা আর যাতে না ঘটে সেই দিকে আমরা ব্যবস্থা নেবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North Bengal Medical College: ডাক্তার বলেছিলেন পায়ের এমআরআই, করা হল মাথার! ব্যাপক শোরগোল

    North Bengal Medical College: ডাক্তার বলেছিলেন পায়ের এমআরআই, করা হল মাথার! ব্যাপক শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোগীর চিকিৎসার জন্য ডাক্তার পরীক্ষা করতে দিয়েছিলেন। আর এই পরীক্ষা করতে গিয়েই বিরাট গোলমালের ঘটনা ঘটল। ডাক্তার দিয়েছেন পায়ের এমআরআই করতে, আর মেডিক্যাল করেছে মাথার এমআরআই। এমন ঘটনা ঘটেছে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (North Bengal Medical College)। ঘটনায় রোগীর পরিবার ইতিমধ্যেই হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছেন। কিন্তু কীভাবে ঘটল এমন ঘটনা? রীতিমতো ঘটনায় তোলপাড় হাসপাতালে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    রোগীর বক্তব্য (North Bengal Medical College)?

    রোগী আবুবক্কর সিদ্দিকি বলেন, “হাসপাতালে (North Bengal Medical College) গেলে চিকিৎসক আমাকে দেখে ভর্তির কথা বলেন। এরপর আমাকে এমআরআই করতে বলেন। কিন্তু প্রথমে আমি তারিখ পাইনি। এরপর আমি বেশ কিছুদিন ধরে ঘুরলেও পরীক্ষার জন্য তারিখ মিলছিলনা। এরপর আমি বাইরের এক দালালকে কিছু টাকা দিলে অবশেষে তারিখ পাই। গত ১৫ তারিখে ডাক্তারের কাছে রিপোর্ট নিয়ে গেলে ডাক্তার বলেন, এটা পায়ের নয় মাথার প্লেট।” সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার দাসপাড়ায় রোগীর বাড়ি। তিনি একটি মাদ্রাসার মৌলবি।

    রোগীর আত্মীয়র বক্তব্য

    রোগীর ভুল পরীক্ষার কারণে, হাসপাতালের (North Bengal Medical College) বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজের আবুবক্করের আত্মীয় হাকিমুল ইসলাম বলেন, “আমরা দোষীর শাস্তি চাই। টাকা ছাড়া এখানে কোনও কাজ হয় না। ভুল রিপোর্ট দিয়ে রোগীকে বাঁচানোর থেকে আরও অসুবিধার মধ্যে ফেলা হচ্ছে। হাসপাতালে যদি এমন হয়, আমরা তাহলে কোথায় যাবো?”

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    ভুল রিপোর্টের কথা স্বীকার করে হাসপাতাল (North Bengal Medical College) কর্তৃপক্ষের আসিস্ট্যান্ট সুপার গৌতম দাস বলেন, “নাম নথিভুক্ত করার সময় ভুল করা হয়েছে। দালাল চক্রের বিষয়ে আমরা খোঁজ নেবো। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। হয় তো তিনি কোনও প্রকার খপ্পরে পড়ে ছিলেন।”

    উল্লেখ্য, রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসার সময় হাসপাতালের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন। ফলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যেখানে সরকারি হাসপাতালে সুরক্ষিত নন, সেখান সাধারণ মানুষের কী অবস্থা বোঝাই যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Khardah: চারটি সরকারি হাসপাতাল ঘুরেও রোগীর মিলল না চিকিৎসা! তারপর কী হল জানেন?

    Khardah: চারটি সরকারি হাসপাতাল ঘুরেও রোগীর মিলল না চিকিৎসা! তারপর কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ রোগীকে নিয়ে পরিবারের লোকজন চার-চারটি সরকারি হাসপাতালে ঘুরে বেড়ালেন। কোনও হাসপাতালেই মিলল না ঠাঁই। বাধ্য হয়ে রোগী নিয়ে ফের বাড়ি ফিরলেন পরিবারের লোকজন। এই ঘটনা রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কী বেহাল দশা, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। তবে, বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হতে সোমবার বিকেলে খড়দা (Khardah) বলরাম হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Khardah)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, খড়দার (Khardah) রহড়া আজমতলার বাসিন্দা তনুশোভা বন্দ্যোপাধ্যায় রবিবার সকালে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। শরীরে তিনি খিচুনি অনুভব করেন। পরিবারের লোকজন তাঁকে প্রথমে বারাকপুর বিএন বসু মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। রোগীর অবস্থা দেখে জানানো হয়, ব্রেন স্ট্রোক হয়েছে। অন্যত্র নিয়ে যেতে হবে। রোগীকে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর স্ক্যান করা হয়। পরে জানানো হয়, ব্রেন স্ট্রোক নয়, নিউরোর সমস্যা। এরপর এনআরএস হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কোনও চিকিৎসা মেলেনি। সোমবার রোগীকে নিয়ে যেতে বলা হয়। সেখানে চিকিৎসা না পেয়ে তাঁরা বাঙ্গুর হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে যান। সেখানেও রোগীর কোনও চিকিৎসা না করেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ফলে, চারটি হাসপাতাল ঘুরে কোথাও তাঁর ঠাঁই মেলেনি। অবশেষে পরিবারের লোকজন দিনভর হাসপাতালে হাসপাতালে রোগী নিয়ে ঘুরে বাড়়ি ফিরিয়ে নিয়ে আসেন।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    পরিবারের লোকজন বলেন, রোগীর অবস্থা খারাপ দেখে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু, চারটি বড় বড় সরকারি হাসপাতাল ঘুরেও কোনও চিকিৎসা পেলাম না। সরকারি হাসপাতালে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের কেউ নেই। কোনও চিকিৎসা পেল না রোগী। পরে, বিষয়টি জানাজানি হতে সোমবার খড়দা (Khardah) হাসপাতালে রোগীকে ভর্তি করা হয়। আমাদের প্রশ্ন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা বলে কি কিছু নেই? রোগী নিয়ে এত হয়রানি হওয়ার পর স্বাস্থ্য দফতরের টনক নড়েছে। এখন রোগীকে ভর্তি করা হয়েছে। তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতদিন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কী করছিল?

    বিএন বসু হাসপাতালের সুপারের কী বক্তব্য?

    বিএন বসু মহকুমা হাসপাতালের সুপার এনামুল হক বলেন, কী রোগ নিয়ে রোগী ভর্তি হয়েছিলেন জানি না। তবে, স্ট্রোক হয়ে থাকলে আমাদের চিকিৎসা করা হয়। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share