Tag: peace

peace

  • PM Modi: ‘‘অন্তহীন যুদ্ধ থেকে যুদ্ধের অবসানের দিকে এগোতে হবে’’, পুতিনকে ফের বার্তা মোদির

    PM Modi: ‘‘অন্তহীন যুদ্ধ থেকে যুদ্ধের অবসানের দিকে এগোতে হবে’’, পুতিনকে ফের বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের অবসানে সব ধরনের শান্তিপূর্ণ উদ্যোগকে ভারত সমর্থন করে এবং ভবিষ্যতেও সেই অবস্থানই বজায় রাখবে বলে স্পষ্ট বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতিতে তিনি বলেন, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে যুদ্ধের অবসানের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। মানবতার স্বার্থেই যত দ্রুত সম্ভব এই (Ukraine War) যুদ্ধের অবসান হওয়া প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন মোদি।

    ‘যুদ্ধের অবসান হোক’ (PM Modi)

    কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেই বৈঠকের পরেই রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে ভারতের অবস্থান আরও একবার স্পষ্ট করেন তিনি। মোদির বক্তব্যকে কয়েক বছর আগে রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে দেওয়া তাঁর ‘‘এটি যুদ্ধের যুগ নয়’’ বার্তারই ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহলেও সেই বক্তব্য যথেষ্ট সাড়া ফেলেছিল। যৌথ বিবৃতিতে মোদি বলেন, “আমাদের ‘অন্তহীন যুদ্ধে’র পরিস্থিতি থেকে ‘যুদ্ধের অবসানে’র দিকে এগিয়ে যেতে হবে। মানবতার প্রত্যাশা, যত দ্রুত সম্ভব এই যুদ্ধের অবসান হোক।” ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে পুতিনের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা হয় বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমরা ইউক্রেনের বিষয়টি নিয়ে নিয়মিত আলোচনা করি। আমরা যখন শেষবার দেখা করেছিলাম, তখনও আপনি পরিস্থিতি সম্পর্কে আমাকে বিস্তারিত জানিয়েছিলেন। আপনারা জানেন, এই অচলাবস্থা নিরসনে ভারত সব ধরনের শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিকে সমর্থন করে।” ভারতের অবস্থান যে কেবল রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, তা স্পষ্ট করে মোদি বলেন, “ভারত সব সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে। মানবতার স্বার্থে এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় (PM Modi)।”

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারতের ভূমিকা

    রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই ভারত দু’পক্ষের মধ্যে আলোচনা ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের প্রয়োজনীয়তার কথা বলে আসছে। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের পাশাপাশি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গেও আলোচনায় ভারত বারবার জানিয়েছে, যুদ্ধের পরিবর্তে সংলাপ ও কূটনীতির পথেই সমাধান খুঁজতে হবে। ২০২২ সালে পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের সময়ও মোদি একই ধরনের বার্তা দিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, “ভারত এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তির পক্ষে। আমাদের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট—এটি যুদ্ধের যুগ নয়। মানবতার সামনে যে সমস্ত চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেগুলির মোকাবিলায় আমাদের একসঙ্গে এগিয়ে আসার সময় এসেছে। তাই ভারত কূটনীতি ও আলোচনায় বিশ্বাস করে।”

    মোদির মুখে শান্তির ললিত বাণী

    সেই বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছিলেন, ভারত বুদ্ধের ভূমি। সহমর্মিতা ভারতীয়দের পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। বিশ্বের কোনও দেশে যখনই সংকট দেখা দেয়, ভারত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে আসে। বুদ্ধের ঐতিহ্যে বিশ্বাসী ভারত যুদ্ধের পরিবর্তে শান্তির পক্ষেই অবস্থান করে (Ukraine War)। এবারও মোদির বক্তব্যে মানবতার প্রসঙ্গ বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। যুদ্ধের প্রতিটি দিন মানবসভ্যতার অগ্রগতিকে পিছিয়ে দেয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, “যুদ্ধের প্রতিটি দিন মানবতাকে পিছিয়ে দেয় এবং আমাদের অবশ্যই শত্রুতা ও সংঘাতের অবসানের জন্য কাজ করতে হবে (PM Modi)।” ভারতের শান্তির বার্তার সঙ্গে মহাত্মা গান্ধী ও গৌতম বুদ্ধের আদর্শের সম্পর্কও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “গান্ধীর ভূমি এবং বুদ্ধের ভূমি একই বার্তা বহন করে—শান্তির পথ।” বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে ভারতের অবস্থান বরাবরই ভারসাম্যপূর্ণ। একদিকে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের কৌশলগত ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক রয়েছে, অন্যদিকে ইউরোপ এবং পশ্চিমি দেশগুলির সঙ্গেও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। ফলে যুদ্ধের বিষয়ে ভারত সরাসরি কোনও পক্ষের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত না করে শান্তিপূর্ণ সমাধান, আলোচনা এবং কূটনীতির ওপর জোর দিয়ে আসছে। মোদির সাম্প্রতিক বক্তব্যে সেই অবস্থানই আরও জোরালোভাবে প্রকাশ পেয়েছে। তাঁর বার্তার মূল লক্ষ্য যে যুদ্ধের সমর্থন নয়, বরং সংঘাতের দ্রুত অবসান এবং শান্তির পরিবেশ তৈরি করা—তা তাঁর বক্তব্যের প্রতিটি অংশেই স্পষ্ট হয়েছে।

    শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান

    রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতের পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান আন্তর্জাতিক স্তরে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। ভারত বরাবরই জানিয়েছে, যুদ্ধ কোনও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতে পারে না। আলোচনার টেবিলে ফিরে আসা এবং পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমেই সংঘাতের অবসান সম্ভব (PM Modi)। এদিকে পুতিনের সঙ্গে মোদির এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের গুরুত্ব আরও বেড়েছে, কারণ এর এক সপ্তাহ পরেই রুশ প্রেসিডেন্টের নয়াদিল্লি সফরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সফরে তিনি ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ফলে বিশকেকে মোদি-পুতিন বৈঠককে দুই দেশের ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে (Ukraine War)।

    নয়াদিল্লির অবস্থান

    রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সংঘাতের দ্রুত অবসান চেয়ে ভারতের এই বার্তা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নয়াদিল্লির অবস্থানকে আরও একবার সামনে নিয়ে এল। যুদ্ধের পরিবর্তে আলাপ-আলোচনা, সংঘাতের পরিবর্তে কূটনীতি এবং প্রতিশোধের পরিবর্তে শান্তির পথ—এই নীতিকেই ভারত সামনে রেখে এগোতে চাইছে বলেই প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট (PM Modi)।

  • Sonia Gandhi: ভারত-বিরোধী মন্তব্যের জন্য পরিচিত মিশেলকে ইন্দিরা পুরস্কার দিয়ে বিতর্কে কংগ্রেস

    Sonia Gandhi: ভারত-বিরোধী মন্তব্যের জন্য পরিচিত মিশেলকে ইন্দিরা পুরস্কার দিয়ে বিতর্কে কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশে নানা সময় গিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন কংগ্রেসের (Sonia Gandhi) প্রাক্তন সভাপতি তথা সাংসদ রাহুল গান্ধী। এবার তাঁর দলই ইন্দিরা গান্ধী স্মারক ট্রাস্টের মাধ্যমে মর্যাদাপূর্ণ শান্তি, নিরস্ত্রীকরণ ও উন্নয়নের জন্য ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার দিয়েছে চিলির প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মিশেল বাসেলেটকে। এই মিশেল আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ঘোর বামপন্থী মতাদর্শের জন্য পরিচিত। কাশ্মীর সংক্রান্ত বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাবের সমর্থক। ভারতবিরোধী মন্তব্যের জন্যও তিনি নানা সময় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন (Indira Gandhi Peace Prize)।

    মিশেলের হাতে পুরস্কার (Sonia Gandhi)

    এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানটি হয় বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫। পুরস্কারটি মিশেলের হাতে তুলে দেন কংগ্রেস সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন এবং ট্রাস্টের প্রধান সোনিয়া গান্ধী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে-সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। মিশেলকে এই পুরস্কার দেওয়ার জন্য বেছে নেওয়ার ঘটনাটিকে স্রেফ একটি কাকতালীয় ঘটনা হিসেবে দেখছেন না রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাঁদের মতে, এটি কংগ্রেসের একটি সুপরিকল্পিত আদর্শগত বার্তা। মিশেলের পরিচয় এমন একটি রাজনৈতিক বর্ণনার সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায় যা প্রায়ই বর্তমান ভারত সরকারের বিপরীতে নিজেকে উপস্থাপন করে, এমনকি জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নেও।

    তীব্র ভারত বিদ্বেষী

    মিশেল অতিবামপন্থী রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত। তিনি চিলির সোশ্যালিস্ট পার্টির আজীবন সদস্য। তাঁর দলের প্রধান লক্ষ্যই হল বৈপ্লবিক পরিবর্তন। তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ার এই অতিবামপন্থী আদর্শের ভিত্তিতে নির্মিত। তিনি তাঁর আন্তর্জাতিক ভূমিকার মধ্যেও এই আদর্শিক অবস্থান বজায় রেখেছেন। এমন নির্দিষ্ট মতাদর্শের একজন রাজনীতিককে সম্মান জানানোর সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা এবং আন্তর্জাতিক মিত্র বাছাই সম্পর্কে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তোলে (Sonia Gandhi)। মিশেল তীব্র ভারত বিদ্বেষী। কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রতিও তিনি সহানুভূতিশীল। রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার হিসেবে মিশেল কূটনৈতিক ভাষার সীমানা ছাড়িয়ে ভারতের সার্বভৌম সিদ্ধান্তগুলির অন্যতম জোরালো আন্তর্জাতিক সমালোচকে পরিণত হন। তাঁর শাসনকাল উল্লেখযোগ্য হয়ে থাকবে চিরকাল।

    কাশ্মীরের পরিস্থিতি

    এর কারণগুলি হল, কাশ্মীরে হস্তক্ষেপ (Indira Gandhi Peace Prize)। কাশ্মীর থেকে অনুচ্ছেদ ৩৭০ বাতিলের পর ২০১৯ সালে মিশেল তাঁর রাষ্ট্রসংঘের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। বিচ্ছিন্নতাবাদী লবির বক্তব্যের সঙ্গে সহমতও পোষণ করেছিলেন তিনি। তিনি সরাসরি দাবি করেছিলেন যে কাশ্মীরের জনগণকে প্রতিটি সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়ায় পরামর্শ ও অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। তাঁর এই দাবি যা ভারতের সাংবিধানিক অখণ্ডতাকে চ্যালেঞ্জ করতে চাওয়া গোষ্ঠীর বক্তব্যের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। ভারতের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগও করেছিলেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে ইউএন হিউম্যান রাইটস অফিস কাশ্মীর নিয়ে যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল, ভারত সরকার সেটিকে অফিসিয়ালি প্রত্যাখ্যান করে “মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” এবং “স্পষ্ট পক্ষপাতদুষ্ট” বলে উল্লেখ করে। এসব রিপোর্টে ভারতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আইনি কাঠামোর সমালোচনা করা হয়েছিল এবং সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদের হুমকিকে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছিল (Sonia Gandhi)।

    ভারতকে লক্ষ্য করে বিবৃতি

    ভারতের অভ্যন্তরীণ নীতির সমালোচনাও করেছিলেন মিশেল। তিনি এনআরসির বিষয়ে একাধিকবার ভারতকে লক্ষ্য করে বিবৃতি দেন, যাকে ভারত সরকার অযাচিত এবং বাস্তব পরিস্থিতির প্রতিফলন নয় বলে সাফ জানিয়ে দেয়। মিশেল বারবার ও ধারাবাহিকভাবে ভারতকে টার্গেট করেছে, যেখানে তিনি ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আইনি পদক্ষেপগুলিকে মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। তাঁর বিবৃতিগুলিতে প্রায়ই কাশ্মীর এবং এনআরসি প্রসঙ্গে মুসলিম সংখ্যালঘুদের উদ্বেগের কথা জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে, কিন্তু ভারতের সামনে থাকা জটিল নিরাপত্তা ও জনসংখ্যাগত চ্যালেঞ্জগুলি উপেক্ষিত হয়েছে। মিশেল নিজেকে বৈশ্বিক বিরোধ প্রচারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন (Indira Gandhi Peace Prize)। রাষ্ট্রসংঘের পদ ব্যবহার করে নিয়মিতভাবে ভারতের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক বিষয়গুলি নিয়ে তির্যক সমালোচনা করেছেন। তিনি বারংবার ইউএপিএর মতো ভারতীয় আইনগত কাঠামোর সমালোচনা করেছেন এবং নাগরিক স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এসবই ভারত সরকারের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তের বিরোধী (Sonia Gandhi)।

    মিশেলের ভারতবিরোধী মন্তব্য

    পুরস্কার গ্রহণ অনুষ্ঠানে সোনিয়া গান্ধী চিলিতে মিশেলের নারী-অধিকার ও সামাজিক সংস্কারমূলক কাজের প্রশংসা করেন। যদিও রাষ্ট্রসংঘে তাঁর বিতর্কিত মেয়াদকাল বা ভারতের সঙ্গে তাঁর সরাসরি সংঘাতের প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়েছেন সোনিয়া। সমালোচকদের মতে, এই নির্বাচিত প্রশংসা মিশেলের ভারতবিরোধী অবস্থানের প্রতি নীরব সমর্থনই প্রকাশ করে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ভারতের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ শান্তি পুরস্কার এমন একজন বিদেশিকে দেওয়া হল, যিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে ভারতের অবস্থানকে দুর্বল করেছেন। এর মাধ্যমে কংগ্রেস একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা দিয়ে দিল। কংগ্রেসের এহেন পদক্ষেপকে এমন একটি রাজনৈতিক জুয়া হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা নিরঙ্কুশ জাতীয় সংহতির চেয়ে আন্তর্জাতিক বামপন্থী স্বীকৃতি এবং অভ্যন্তরীণ বিরোধী রাজনীতিকে বেশি অগ্রাধিকার দেয়। এই পুরস্কার আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করেছে যে কংগ্রেস নেতৃত্বের কাছে আদর্শ পুরস্কারপ্রাপক (Indira Gandhi Peace Prize) সেই ব্যক্তি, যাঁর আন্তর্জাতিক প্রভাব ভারতের কর্মকাণ্ড ও বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে কাজে লাগানো হয়েছে (Sonia Gandhi)।

  • Pak Afgan Peace Talks: ভেস্তে গেল পাকিস্তান-আফগানিস্তান শান্তি আলোচনা, জানুন আসল কারণ

    Pak Afgan Peace Talks: ভেস্তে গেল পাকিস্তান-আফগানিস্তান শান্তি আলোচনা, জানুন আসল কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভেস্তে গেল পাকিস্তান-আফগানিস্তান শান্তি আলোচনা (Pak Afgan Peace Talks)। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ওই আলোচনা হচ্ছিল তিন দিন ধরে। তার পরেও সমঝোতায় পৌঁছতে পারেননি দুই দেশের প্রতিনিধিরা। বৈঠক ভেস্তে যাওয়ায় দুই দেশই একে অন্যকে দুষছে। তবে হাল ছাড়েননি তুরস্ক ও কাতারের আধিকারিকরা, যাঁরা এই আলোচনার ব্যবস্থা করেছিলেন। মধ্যস্থতাকারী হিসেবেও কাজ করছেন এঁরা। ৯ অক্টোবর আফগানিস্তানের ভূখণ্ডে ঢুকে বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান। শাহবাজ শরিফের দেশের দাবি, তারা তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান, সংক্ষেপে টিটিপির (TTP) ঘাঁটিগুলিতে হামলা চালিয়েছে। অভিযোগ, এই টিটিপি শ’য়ে শ’য়ে পাক সেনাকে হত্যা করেছে।

    প্রতিরোধ আফগানিস্তানের (Pak Afgan Peace Talks)

    পাকিস্তান হামলা চালাতেই প্রতিরোধ গড়ে তোলে আফগানিস্তানের তালিবান প্রশাসন। তারা সীমান্তজুড়ে পাল্টা-আক্রমণ চালায়। সংবাদ মাধ্যমের খবর, লড়াই ছিল অত্যন্ত তীব্র। তালিবানের দাবি, তারা পাকিস্তানের ২০টি নিরাপত্তা চৌকি ধ্বংস করেছে, খতম করেছে ৫৮ জন পাক সেনাকে। দুই দেশের এই সংঘাত থামাতে মাঠে নেমে পড়ে পাকিস্তানের ‘বন্ধু’ দেশ সৌদি আরব এবং কাতার। তাদের মধ্যস্থতায় দু’পক্ষই ১৯ অক্টোবর তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়। প্রথম দফার বৈঠক হয়েছিল দোহায়। দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা হয় ইস্তাম্বুলে (Pak Afgan Peace Talks)।

    কেন ভেস্তে গেল শান্তি আলোচনা?

    কেন ভেস্তে গেল শান্তি আলোচনা? সূত্রের খবর, পাকিস্তানের দাবি ছিল, তালিবান প্রশাসন লিখিতভাবে জানাক যে তারা কড়া হাতে দমন করবে টিটিপিকে। যদিও ইস্তাম্বুলের আলোচনায় পাক প্রতিনিধি দল সাফ জানিয়ে দেয়, টিটিপি যদি পাকিস্তানে হামলা চালায়, তাহলে পাকিস্তানেরও অধিকার থাকবে আফগান ভূখণ্ডে পাল্টা হামলা চালানোর। তালিবান প্রশাসনের প্রতিনিধি দলও পাকিস্তানকে জানিয়ে দেয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোনগুলিকে আফগানিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশের জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া অবিলম্বে (TTP) বন্ধ করতে হবে।

    আফগানিস্তানের প্রতিনিধি দল সাফ জানিয়ে দেয়, টিটিপি পাকিস্তানের একটি অভ্যন্তরীণ সমস্যা, আফগানিস্তানের নয়। তারা পাকিস্তানকে এই বলেও আশ্বস্ত করে যে আফগানিস্তানের ভূখণ্ড অন্য কোনও দেশের ওপর আক্রমণের জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। এর পাশাপাশি পাকিস্তানের আক্রমণ শুরু করার অধিকারও তারা মেনে নেবে না। দু’পক্ষই তাদের দাবিতে অনড় থাকায় ভেস্তে যায় শান্তি আলোচনা (Pak Afgan Peace Talks)।

  • PM Modi In Austria: “ভারত বিশ্বকে বুদ্ধ দিয়েছে, যুদ্ধ নয়”, অস্ট্রিয়ায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi In Austria: “ভারত বিশ্বকে বুদ্ধ দিয়েছে, যুদ্ধ নয়”, অস্ট্রিয়ায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত বিশ্বকে বুদ্ধ দিয়েছে, যুদ্ধ নয়।” বুধবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi In Austria)। এদিন ভিয়েনায় (India Austria Relation) প্রবাসী ভারতীয়দের সম্মেলনে ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই তিনি বলেন, “ভারত বিশ্ব সেরা হওয়ার জন্য নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। উজ্জ্বলতম হতে চাইছে। সব চেয়ে বড় হওয়ার চেষ্টা করছে। পৌঁছতে চাইছে উচ্চতম মাইলস্টোনে।”

    শান্তির ললিত বাণী (PM Modi In Austria)

    তামাম বিশ্বকে শান্তির ললিত বাণী শুনিয়েছেন বুদ্ধের দেশের প্রতিনিধি নরেন্দ্র মোদি। রাশিয়া- ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে তিনি বলেছিলেন, “এটা যুদ্ধের সময় নয়”। অস্ট্রিয়া সফরে গিয়েও তিনি বার্তা দিয়েছেন এই বলে যে, “এটা যুদ্ধের সময় নয়”। ভিয়েনায় প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে সাক্ষাৎকালেও তিনি ফের শোনালেন ‘বুদ্ধ’-বাণী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “হাজার হাজার বছর ধরে আমরা আমাদের জ্ঞান ও দক্ষতাকে শেয়ার করে চলেছি। আমরা বিশ্বকে যুদ্ধ দিইনি, দিয়েছি বুদ্ধ।” তিনি বলেন, “ভারত সবসময় বিশ্বকে শান্তি এবং সমৃদ্ধি দিয়েছে। তাই একবিংশ শতাব্দীতে ভারত তার ভূমিকাকে মজবুত করতে চলেছে।”

    প্রতীক্ষার অবসান

    প্রসঙ্গত, রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে দু’দিনের রাশিয়া সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে উড়ে যান অস্ট্রিয়ায়। ইন্দিরা গান্ধীর অস্ট্রিয়া সফরের পর তিনিই একমাত্র প্রধানমন্ত্রী, যিনি পা রেখেছেন ভিয়েনায়। তাঁর অস্ট্রিয়া সফরকে অর্থপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “৪১ বছর পর ভারতের এক প্রধানমন্ত্রী এই দেশ সফরে এলেন। এই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হয়েছে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে। সেটি হল, এ বছর ভারত ও অস্ট্রিয়ার বন্ধুত্বের ৭৫তম বর্ষ পূর্তি।”

    আর পড়ুন: “এটা যুদ্ধের সময় নয়, সমর্থনযোগ্য নয় সন্ত্রাসবাদও”, অস্ট্রিয়ায় বললেন মোদি

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi In Austria) বলেন, “ভারত ও অস্ট্রিয়া ভৌগোলিকভাবে দুই প্রান্তে অবস্থিত। কিন্তু দুই দেশের মধ্যে প্রচুর সাদৃশ্য রয়েছে। গণতন্ত্রই দুই দেশকে এক সূত্রে বেঁধেছে। আমাদের মধ্যে বিনিময় হয়েছে মূল্যবোধ, স্বাধীনতা, সাম্য, বহুত্ববাদ। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাও রয়েছে দুই দেশে। আমাদের সমাজ বহুসংস্কৃতির। দুই দেশই জয়গান গায় বৈচিত্রের। এই সব মূল্যবোধ প্রতিফলিত হয় নির্বাচনে।” প্রধানমন্ত্রী যখন বিশ্বকে (India Austria Relation) আরও একবার ‘যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই’ বার্তা দিচ্ছেন, তখন সভাস্থল বারংবার মুখরিত হচ্ছে ‘মোদি’, ‘মোদি’ ধ্বনিতে (PM Modi In Austria)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shehbaz Sharif: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! কাশ্মীর নিয়ে কী বললেন শাহবাজ শরিফ জানেন?  

    Shehbaz Sharif: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! কাশ্মীর নিয়ে কী বললেন শাহবাজ শরিফ জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের (Pakistan)! একমাত্র আলোচনার মাধ্যমেই হতে পারে কাশ্মীর (Kashmir) সমস্যার সমাধান, যুদ্ধের মাধ্যমে নয়। ভারতের (India) সঙ্গে স্থায়ী শান্তির সম্পর্ক চায় ইসলামাবাদ (Islamabad)। একটি সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, অন্তত এমনটাই জানিয়েছেন পাকিস্তানের নয়া প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif)। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে কথা বলার সময় শাহবাজ ওই মন্তব্য করেন।  

    কাশ্মীর নিয়ে ভারত-পাক লড়াই সর্বজনবিদিত। ভারতকে অপদস্থ করতে নানা সময়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে কাশ্মীরকে ইস্যু করতে পিছপা হয়নি পাকিস্তান। তবে প্রতিবারই মুখ পুড়েছে চিন-ঘনিষ্ঠ এই দেশের। জম্মু-কাশ্মীর যে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তা বারংবার জানিয়ে দিয়েছে ভারত। ভূস্বর্গ নিয়ে ভারত-পাক বিবাদ দীর্ঘদিনের পুরনো হলেও, নতুন করে পরিস্থিতি ঘোরালো হয়ে ওঠে ২০১৯ সালে। ওই বছর ৫ অগাস্ট উপত্যকা থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় ৩৭০ ধারা। নয়াদিল্লির এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সমস্ত কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় তৎকালীন ইমরান খানের সরকার। পাল্টা জবাব দেয় ভারতও। ইমরান খান সরকারের পতনের পর ক্ষমতায় আসেন শেহবাজ। আর তারপরই তিনি জোর দেন ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতিতে। পাক অর্থনীতি সংকটের মধ্যে থাকায় জোর দিতে চান দু দেশের বাণিজ্যে, অর্থনীতির উন্নয়নে।

    আরও পড়ুন : পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই! জানুন কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    কূটনৈতিক মহলের মতে, চিনা ঋণের ফাঁদে পড়ে ঘোর আর্থিক সংকটে শাহবাজের দেশ। মুদ্রাস্ফীতির জেরে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম লাগাম ছাড়া। গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে তীব্র জ্বালানি সংকট। পরিস্থিতি এতটাই করুণ, যে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারও ঋণ দিতে অস্বীকার করেছে পাকিস্তানকে। এমতাবস্থায় ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক  গড়ে তুলতে না পারলে, ঘোর বিপদ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই একশো আশি ডিগ্রি ভোলবদল ইসলামাবাদের!

    আরও পড়ুন : একদা কাশ্মীর ছিল শারদা দেশ! জানেন কি এই শক্তি পীঠের মাহাত্ম্য?

  • Article 370:  ৩৭০ ধারা রদের তিন বছর পূর্তি, ভূস্বর্গ জুড়ে উন্নয়নের জোয়ার   

    Article 370:  ৩৭০ ধারা রদের তিন বছর পূর্তি, ভূস্বর্গ জুড়ে উন্নয়নের জোয়ার   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ অগাস্ট জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) রদ হয়েছিল ৩৭০ ধারা (Article 370)। হল তারই তিন বছর পূর্তি।  তার পর থেকে ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে ভূস্বর্গের। একদিকে উপত্যকায় যেমন কমেছে পাথর ছোড়া, জঙ্গিপনা (Terrorist Act) সহ নানা অশান্তিমূলক কাজকর্ম, তেমনি হচ্ছে উন্নয়ন (Development)। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং উপত্যকার লেফটেনেন্ট গভর্নর মনোজ সিনহার (Monaj Sinha) নিরন্তর প্রচেষ্টায় নয়া রূপে সাজছে ভূস্বর্গ।

    ২০১৯ সালের ৫ তারিখে জম্মু-কাশ্মীর থেকে রদ হয় ৩৭০ ধারা। তার পরেই গেল গেল রব ওঠে বিরোধী শিবিরে। তাঁদের আশঙ্কা, ফের রক্তস্নাত হবে উপত্যকা। বাড়বে জঙ্গি হানার ঘটনাও। যদিও গত তিন বছরে জম্মু-কাশ্মীরে এমন কিছুই ঘটেনি, যা নিয়ে হইচই করতে পারেন বিরোধীরা। তবে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ইদানিং ঘটছে কাশ্মীরের কিছু জায়গায়। এখনও একেবারে বন্ধ হয়নি পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের কার্যকলাপ। সেই কারণেই ঘটছে এসব ঘটনা। গত কয়েক মাসে টার্গেট কিলিংয়ের ঘটনাও ঘটেছে। তার পরেও পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতায় শান্তি নেমে এসেছে ভূস্বর্গে। সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবেই দেখা যাচ্ছে, জম্মু-কাশ্মীরে ২০১৯এর আগের তুলনায় ঢের কমেছে অনুপ্রবেশের ঘটনা। বিধানসভার মর্যাদা ফেরাতে হবে নির্বাচন। শেষ হয়েছে ডিলিমিটেশনের কাজও। সেই কাজ শেষের পরে শুরু হয়েছে ভোটার লিস্টে নাম তোলার কাজও। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডও। এককথায়, ভূস্বর্গের সর্বত্র স্পষ্ট সুশাসনের ছাপ।

    আরও পড়ুন : ৩৭০ ধারা বাতিলের পর উপত্যকা ছাড়েননি কোনও কাশ্মীরি পণ্ডিত, জানাল সরকার

    গত ৭০ বছর ধরে কার্যত বঞ্চনার শিকার হয়েছিল উপত্যকা। এখন অবশ্য সে ছবি বদলে গিয়েছে বেবাক। কেন্দ্রীয় সরকারের সমস্ত সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন উপত্যকার বাসিন্দারা। আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা এসইএইচএটি স্কিমের সুযোগও পাচ্ছেন তাঁরা। কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্পে ফি বছর ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা পাচ্ছেন কাশ্মীরবাসী।

    কেবল সরকারি সুযোগ সুবিধার ক্ষেত্রেই নয়, উন্নয়নের ছবি নজরে পড়ছে অন্যত্রও। ইতিমধ্যেই ১২০০ স্টার্টআপ রেজিস্টার্ড করে ফেলেছে। এর মধ্যে ফান্ডিং করে ফেলেছে ২০০। উপত্যকায় পরিকাঠামোগত উন্নয়নও হয়েছে। এক লক্ষ কোটি টাকার নয়া প্রোজেক্টও অনুমোদিত হয়েছে। ২০১৯ সালের আগে ফি বছর আট থেকে ন হাজার প্রজেক্ট কমপ্লিট হত। এখন এই সংখ্যাটা বেড়ে হয়েছে ৫১ হাজারের ওপর। যা প্রমাণ করে সরকারি কাজে গতি এসেছে, এসেছে স্বচ্ছতাও। উন্নয়নের গতি নজরে পড়ে অন্যত্রও। আগে যেখানে প্রতিদিন ছ কিলোমিটার করে রাস্তা তৈরি হত, এখন সেখানে তৈরি হয় ২০ কিলোমিটার। ব্যবসা করার জন্য দুশোরও বেশি প্রশাসনিক সংস্কার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন : গুজরাট, হিমাচল প্রদেশের সঙ্গেই নভেম্বরে ভোট হবে জম্মু-কাশ্মীরেও?

    প্রধানমন্ত্রী মোদি ও লেফটেন্যান্ট গভর্নরের নিরন্তর চেষ্টায় উপত্যকায় যে আক্ষরিক অর্থেই সোনা ফলেছে, তার উদাহরণ রয়েছে আরও। ইতিমধ্যেই ৫৬ হাজার কোটি লগ্নি প্রস্তাব পেয়েছে শিল্প দফতর। শিলান্যাস হয়েছে ৩৮ হাজার ৮০ কোটি টাকার প্রকল্পের। চলতি বছরের এপ্রিল মাসের মধ্যেই হয়েছে এই শিলান্যাস। ভূস্বর্গের বাস্তুতন্ত্রের কথাও মাথায় রেখেছে প্রশাসন। সেই কারণে উপত্যকায় ব্যাপক দূষণ ছড়ায় এমন শিল্পে উৎসাহ দিচ্ছে না সরকার। এর মধ্যে রয়েছে সিমেন্ট কারখানা, ইটভাটা, স্টোন ক্র্যাশার এবং আয়রণ ও স্টিল প্ল্যান্ট।

    ৩৭০ ধারা রদের পরে এভাবেই ছন্দে ফিরছে ভূস্বর্গ!

     

LinkedIn
Share