Tag: Pele

Pele

  • Pele: ফুটবল-বিশ্ব সম্রাটহীন! ৮২ বছর বয়সে চলে গেলেন পেলে

    Pele: ফুটবল-বিশ্ব সম্রাটহীন! ৮২ বছর বয়সে চলে গেলেন পেলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলে গেলেন ফুটবল সম্রাট পেলে। হার না মানা মানসিকতা নিয়ে যেমন ফুটবল ময়দান দাপিয়ে বেড়াতেন তেমনই জীবনযুদ্ধে লড়াই চালালেন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত। মারণরোগ ক্যান্সারের সঙ্গে চোয়ালচাপা লড়াইয়ের পরে শেষমেশ হার মানলেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাতে মাত্র ৮২ বছর বয়সে ইহলোক ত্যাগ করলেন কিংবদন্তি ফুটবলার। এবার তারাদের সঙ্গে ফুটবল খেলার পালা। তিনবারের বিশ্বকাপজয়ীর মেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পিতার মৃত্যুর খবর জানান। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া সারা ফুটবল বিশ্বে। 

    তিন বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ

    বিশ্ব ফুটবলের প্রথম মহাতারকা পেলে। তিনিই বিশ্বের একমাত্র ফুটবলার যিনি তিন বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছিলেন। প্রয়াত হলেন বিশ্বকাপের পরেই। ২০২১ সাল থেকে অন্ত্রের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন পেলে। ৮২ বছরের পেলে চেয়েছিলেন মাঠে বসে কাতার বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখবেন। শরীর সায় দেয়নি। সেই কাতার, যেখানে ১৯৭৩ সালে প্রথমবার স্যান্টোসের হয়ে প্রদর্শনী ম্যাচ খেলতে গিয়েছিলেন তিনি। শরীরে মারণ রোগের থাবা। তার উপর হৃদযন্ত্রে সমস্যা। হাসপাতালেই থাকতে হয়েছিল তাঁকে। কাতার বিশ্বকাপের সময় শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ২৯ নভেম্বর তাঁকে সাও পাওলোর অ্যালবার্ট আইনস্টাইন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। গত ২২ ডিসেম্বর ক্যানসারের প্রকোপ হঠাৎ বেড়ে যায়। ডাক্তারদের পরামর্শ মেনে বাড়ি ফেরা হয়নি। বড়দিনে বিছানায় অসুস্থ বাবাকে জড়িয়ে ধরে ছবি  পোস্ট করেছিলেন তাঁর কন্যা মেয়ে কেলি। গত শনিবার হাসপাতালে গিয়েছিলেন তাঁর ছেলে এডিসনও। কয়েকদিন ধরে পরিবারের লোকেরা হাসপাতালে তাঁর পাশেই ছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। চিরনিদ্রার দেশে পাড়ি জমালেন পেলে।

    আরও পড়ুন: প্রয়াত নরেন্দ্র মোদির মা হীরাবেন মোদি, মাতৃবিয়োগের খবর ট্যুইটে জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    শতাব্দীর সেরা ফুটবলার

    পেলের জন্ম ১৯৪০ সালের ২৩ অক্টোবর। বাবার দেওয়া নাম এডসন আরান্তেস দি নাসিমেন্তো।  ১৯৫৮ সালে ব্রাজিলের হয়ে প্রথম বিশ্বকাপ খেলেন। পর পর চারটি বিশ্বকাপে খেলেছিলেন কিংবদন্তি। তার মধ্যে তিন বার চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। বিশ্বের আর কোনও ফুটবলারের এই নজির নেই। ‘ফিফা’ ম্যাগাজিনের পাঠক এবং জুরি বোর্ডের বিচারে তিনিই বিংশ শতাব্দীর ‘শ্রেষ্ঠ’ ফুটবলার। তবে ইন্টারনেটে সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের ভোট গিয়েছিল দিয়েগো মারাদোনার পক্ষে। ফিফা শেষ পর্যন্ত যুগ্ম ভাবে শতাব্দীসেরা ঘোষণা করে দু’জনকেই। দিদি-ভাভার ব্রাজিল যে সুন্দর ফুটবলের জন্ম দিয়েছিল, তাকেই লালন-পালন করে সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছিলেন পেলে-গ্যারিঞ্চা। 

     

  • Pele: কেমন আছেন ‘ফুটবলের রাজা’ পেলে? কী বললেন তাঁর কন্যারা?

    Pele: কেমন আছেন ‘ফুটবলের রাজা’ পেলে? কী বললেন তাঁর কন্যারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলের (Pele) স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তায় তাঁর অনুরাগীরা। কারণ সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে, কয়েকদিন আগে শ্বাসকষ্টের কারণে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল নয়। ব্রাজিলের একাধিক সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে, পেলে মৃত্যুর মুখে রয়েছেন। কিন্তু এইসব দাবি সত্যি নয়, ‘গুজব’ বলে জানিয়ে দিলেন তাঁর মেয়ে ফ্লাভিয়া। তিনি জানালেন, তাঁর বাবা অসুস্থ হলেও তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। অন্য এক মেয়ে কেলিও বললেন, ‘একটু ভাল হলেই বাড়ি ফিরবেন বাবা।’

    পেলের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে কী বললেন তাঁর মেয়ে?

    ফ্লাভিয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবো টিভি-তে বললেন, “অনেকে বলছেন বাবা মৃত্যুর মুখে রয়েছেন। তাঁকে রাখা হয়েছে ‘প্যালিয়াটিভ কেয়ার’-এ। যাঁরা এই খবর প্রচার করছেন, তাঁরা ঠিক করছেন না। আমাদের বিশ্বাস করুন। পরিস্থিতি একদমই তেমন নয়।”

    পেলের অন্য মেয়ে কেলি জানান, ৩ সপ্তাহ আগে বাবা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ কারণে তাঁর ফুসফুসে সমস্যা হয়েছিল, সেই কারণে তাঁর শ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছিল। তিনি আরও বলেন ‘‘বাবা অসুস্থ। ওনার বয়স হয়েছে। এখন শ্বাসকষ্টের চিকিৎসা চলছে। এখনই তিনি বিদায় নিচ্ছেন না। একটু ভাল হলেই বাড়ি ফিরবেন। (Pele) ”

    আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি ফ্রান্স-ইংল্যান্ড, জানুন ম্যাচের দিনক্ষণ

    সংবাদমাধ্যম থেকে কী জানা গিয়েছিল?

    কয়েক দিন আগে খবর পাওয়া যায় যে চিকিৎসকরা বলেছেন, বর্তমানে কিংবদন্তি ফুটবলার পেলের (Pele) উপরে কেমোথেরাপিও কোন প্রভাব ফেলছে না। ফলে তাঁকে এখন প্যালিয়াটিভ কেয়ারে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। যাদের অবস্থা খুবই খারাপ শুধুমাত্র তাদেরকেই এই ইউনিটে রাখা হয়। উল্লেখ্য, দীর্ঘ দিন ধরে কোলন ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন পেলে। গত বছর সেপ্টেম্বরে অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল তাঁর। তাঁর কেমোথেরাপিতে কোনও কাজ দেয় নি বলেই তাঁকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু আজ এইসব খবরের কোনও ভিত্তি, সত্যতা নেই বলে জানিয়ে দিলেন তাঁর দুই মেয়ে।

    অন্যদিকে ফুটবল কিংবদন্তি পেলের (Pele) ভক্তরা বিশ্বজুড়ে তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন। পেলের ভক্তরা তাঁর পোস্টার দিয়ে তাঁর সুস্থতা কামনা করছেন। ফলে আজ তাঁর পরিবারের সদস্যদের থেকে শারীরিক অবস্থার কথা জানা গেলে অনেকটাই স্বস্তি পেয়েছেন পেলের অনুরাগীরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Neymar: পেলের আরও কাছে নেইমার! দক্ষিণ কোরিয়াকে ৫-১ গোলে হারাল ব্রাজিল

    Neymar: পেলের আরও কাছে নেইমার! দক্ষিণ কোরিয়াকে ৫-১ গোলে হারাল ব্রাজিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনে শুধুই কিংবদন্তী পেলে (Pele)। ফুটবল সম্রাটের রেকর্ড ভাঙতে দরকার আর মাত্র ৪টি গোল। পেলের দখলে ৭৭টি গোল। দেশের হয়ে ১১৮টি ম্যাচে ৭৩টি গোল করে ফেললেন নেইমার (Neymar)। শুক্রবার আন্তর্জাতিক ফ্রেন্ডলি ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়াকে ৫-১ গোলে হারাল ব্রাজিল (Brazil)। দেশের হয়ে খেলতে নেমে নেইমার দা সিলভা স্যান্টোস জুনিয়র করলেন জোড়া গোল। আর ৪টি গোল করলেই পেলেকে টপকে গিয়ে ব্রাজিলের জার্সিতে সর্বকালের র্সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন নেইমার। 

    দক্ষিণ কোরিয়ার (South Korea) রাজধানী সিওলে আয়োজিত এই ম্যাচে তিতের প্রশিক্ষণাধীন ব্রাজিলের বিরুদ্ধে প্রতি-আক্রমণের রণনীতি নিয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়া। কিন্তু প্রথম মিনিট থেকেই একের পর এক আক্রমণ শানিয়ে কোরীয়দের আক্রমণে আসার রাস্তা বন্ধ করে দেন ম্যাচের নায়ক নেইমার, ফিলিপে কুতিনহোরা।

    আরও পড়ুন: ধোনির নামে এফআইআর! কী দোষ ক্যাপ্টেন কুলের

    সাত মিনিটেই ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন রিচার্লিসন। কিন্তু এই গোলের পরে আক্রমণের বদলে সাময়িক ভাবে অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক খেলতে শুরু করেছিলেন থিয়াগো সিলভারা। সেই সুযোগেই পাল্টা প্রতি-আক্রমণ শানিয়ে ১-১ করে ফেলে দক্ষিণ কোরিয়া। ডান পায়ের জোরাল শটে তাদের হয়ে সমতা ফেরান হুয়াং উই-জো।

    এই গোল খেয়েই জেগে ওঠে ব্রাজিল। দুই প্রান্ত দিয়ে একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকেন রাফিনহা, দানি আলভেস, লুকাস পাকুয়েতারা। যার ফলে চাপ বাড়তে থাকে দক্ষিণ কোরিয়া রক্ষণে। ৪২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ২-১ করেন নেইমার। ৫৭ মিনিটে ফের সান্দ্রোকে কোরিয়া বক্সে ফাউল করা হলে রেফারি ফের পেনাল্টি দেন। এবার কোরিয়ার গোলকিরক্ষককে বিভ্রান্ত করে গোল করেন নেইমার। এই পেনাল্টি নেওয়ার সময়ে প্রথমে বাঁ দিকে সরে দিয়েছিলেন নেইমার। কিন্তু চোখ রেখেছিলেন বিপক্ষ গোলকিপারের উপর। তার পরে মাটিতে গড়ানো শটে গোলকিপারকে দাঁড় করিয়ে ৩-১ করেন তিনি। অথচ ম্যাচের আগের দিন অনুশীলনের সময় ডান পায়ে চোট পাওয়ায় নেইমারের খেলা নিয়েই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মাঠে নেমে তারকা দ্যুতি ছড়িয়েছেন তিনি। ম্যাচে নেইমার ছাড়াও গোল করেছেন রিচার্লিসন, ফিলিপ কুতিনহো এবং গাব্রিয়েল জেসুস।

LinkedIn
Share